সর্বশেষ সংবাদ-

বার্সেলোনা থেকে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে নেইমারের যোগ দেওয়া নিয়ে ঘটনার ঘনঘটা। সবাই যখন ভাবছে সব শেষ তখনই আবার নতুন খবর।
এবার নাকি নেইমার তার সদ্য সাবেক হয়ে যাওয়া ক্লাব বার্সেলোনার বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার কাছে যাচ্ছেন। ইংল্যান্ডের স্কাই স্পোর্টস এই খবর জানিয়েছে।

নেইমার স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটির কাছে প্রাপ্য বোনাস বুঝে পেতে চান। মাত্রই ২২২ মিলিয়ন ইউরো বাই আউট ক্লজ মিটিয়ে বার্সা থেকে ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে গেছেন ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার। কিন্তু পেছনে রয়ে গেছে একটি বিতর্ক। বার্সার সাথে শেষবার তার চুক্তি নবায়নের পর ২৬ মিলিয়ন ইউরোর একটি বোনাসের ব্যাপার যুক্ত ছিল। যেটি বার্সেলোনার দেওয়ার কথা ছিল নেইমারের ক্যারিয়ারের দেখাশুনা করা তার বাবা নেইমার সিনিয়রকে। কিন্তু বার্সেলোনা জানিয়ে দিয়েছে ওই টাকা পাওয়ার অধিকার ফুটবলারের বাবা রাখেন না শর্ত অনুযায়ী। তাই টাকাটা দেওয়া হবে না।

বার্সেলোনার এই আচরণে ক্ষুব্ধ নেইমার। স্পেনে তার খুব কাছের একটি সূত্র থেকে খবর এই ব্যাপারটি ‘খুব বাজে’ লেগেছে বিশ্ব ইতিহাসের সবচেয়ে দামী ফুটবলারের। অবশ্য নেইমারের আইনজীবী নাকি এখনো পেপারওয়ার্ক শুরু করেননি। তবে ফিফার কাছে বিষয়টা নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা তাদের বিবেচনায় আছে।

ফিফা এখনো না ঘটা এই বিষয়ে মন্তব্য করবে না স্বাভাবিক। তবে স্কাই স্পোর্টসকে ফিফার একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও ক্লাব কোনো বিষয়ে একে অন্যের মুখোমুখি হলে এবং সমাধানে না পৌঁছাতে পারলে নিরপেক্ষ একটি বিচারে বসার সুযোগ থাকে।

এর আগে বার্সেলোনার মুখপাত্র এই বোনাস সম্পর্কে সাফ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, ‘ক্লাব নেইমারের বাবাকে এই বোনাস দেবে না। ‘ কেন? তিনটি শর্তের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বোনাস পাওয়ার যোগ্য হওয়ার সময়ের আগে খেলোয়াড় অন্য কোনো ক্লাবে যাওয়ার জন্য আলোচনায় যেতে পারবেন না। খেলোয়াড়কে তার চুক্তি সম্পূর্ণ করার ইচ্ছে প্রকাশের প্রমাণ রাখতে হবে। আর এই বোনাস ১ সেপ্টেম্বরের আগে মিলবে না। যেটি ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হওয়ার সময়।

তিন শর্তের কোনোটাই নেইমার পূরণ করেননি। তারপরও বাবার এতো বড় ক্ষতি কিভাবে মেনে নেবেন তিনি! দেখা যাক শেষ পর্যন্ত এই বিষয় নিয়ে ফিফার দরজায় তিনি কড়া নাড়েন কি না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের দ্বৈত বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করা আইনজীবী খুরশীদ আলম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

অপরদিকে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক। এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন মাগুরার সাবেক সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেক সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা অসুস্থতায় ভুগছিলেন। কাশির সাথে রক্ত যাবার কারণে হাসপাতালেও গিয়েছিলেন।
তবে সেখানে ভর্তি না হয়ে গত কয়েকটা দিন বাসায় বিশ্রামে ছিলেন।

অবশেষে সুস্থ হয়ে অনুশীলনের ফিরলেন টাইগার দলপতি। বিশ্রামের পর আজ বুধবার প্রথম মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে আসেন তিনি। এরপর জিমনেশিয়ামে বেশ কিছু সময় অনুশীলন করেন।

প্রসঙ্গত, আসন্ন অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজকে সামনে রেখে টাইগাররা ক্যাম্প করতে চট্টগ্রাম থাকলেও, টেস্ট থেকে অবসর নেওয়া মাশরাফি আছেন ঢাকাতেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ ‘হায়াও’ এর এক নারী ৯১ বছর বয়সে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে তার জীবনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন।

দীর্ঘ দশ বছরের পড়া শেষে আজ বুধবার তিনি স্নাতক ডিগ্রির সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে যাচ্ছেন।
৯১ বছর বয়সী ‘নানী’ কিমলান জিনাকুল বলেন, আমার মধ্যে সব সময় শিক্ষাগ্রহণের প্রতি আলাদা একটা আকর্ষণ কাজ করতো। সব সময় ভাবতাম শিক্ষা গ্রহণের কোনো বয়স নেই, যে কোনো সময়েই এটা করা যায়। আর এই নীতিতে বিশ্বাসী এই নারী সন্তান হারিয়েও, এই বয়সেও তার স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছেন।

থাইল্যান্ডের সুখোথাই থাম্মাথিরাত ওপেন ইউনিভার্সিটির হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের একজন কিমলান জিনাকুল।
তার জীবনের আরেকটা বিশেষ দিন হতে যাচ্ছে বুধবার। তাকে আজ স্নাতক ডিগ্রির সার্টিফিকেট প্রদান করবেন থাই রাজা ‘দশম রাম’।

মিস কিমলান লামপাং প্রদেশের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু পরে তিনি ফায়াও প্রদেশে বসবাস শুরু করেন। একজন বৃদ্ধ নারী হিসেবে কিমলানের প্রতিদিনের রুটিন ছিল-সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে তিনি যেতেন বুদ্ধ মন্দিরে প্রার্থনার জন্য। এরপর প্রতিবেশী একটি মন্দির ঘুরে পড়ালেখার জন্য চলে যেতেন। ‘হিউম্যান এন্ড ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট’ নিয়ে পড়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, এই বিশ্ব কখনো থামে না। নিজস্ব গতিতে সে চলছে। আমাদের কাছে কাছে নতুন নতুন তথ্য আসছে, বিজ্ঞান ও গবেষণা নিত্যনতুন আবিষ্কার দেখছি। পুরনো সমস্যা সমাধানের জন্য সব সময় আমাদের সামনে নিত্যনতুন উপায় আসছে। যখন বিজ্ঞান-গবেষণায় নতুন কিছু আর থাকবে না, এই বিশ্বও থেমে যাবে।

চীনা বংশোদ্ভুত পরিবারে জন্ম নেয়া কিমলান বেড়ে উঠেছেন লামপাং-এ। প্রদেশের শীর্ষ স্কুলে তিনি ছিলেন মেধাবী শিক্ষার্থীদের একজন।

কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তার পরিবারে ব্যাংককে চলে আসতে বাধ্য হয় এবং সেখানেই তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর নিজের পড়ালেখাটাও আবার শুরু করেন কিমলান।

কিমলান বলেন, আমি সব সময় চাইতাম আমার ছেলে-মেয়েরা যেন অনেকদূর পর্যন্ত পড়ালেখা করতে পারে, যতদূর তারা পড়তে চায় ততদূর। আমার এই দৃঢ় ইচ্ছার কথা তাদের জানিয়েছি, তাদের সবসময় সমর্থন দিয়েছি”।

পাঁচ সন্তানের মা কিমলানের চার সন্তানই মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং একজন যুক্তরাষ্ট্র থেকে পিএইচডি করেন।
কিমলানের এক মেয়ে তাকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনে উৎসাহ জোগায়। সুখোথাই থাম্মাথিরাত ওপেন ইউনিভার্সিটিতে তার মেয়েই তাকে ভর্তি করেন।

কিমলানের ওই মেয়ে চিয়াং মাই নামের একটা হাসপাতালে প্রভাষক ছিলেন এবং একইসঙ্গে সেখানকার নার্স হিসেবে কাজ করতেন। যদিও ৭২ বছর বয়সে কিমলান তার পড়ালেখা আবারও শুরু করার কিছুদিন পরই তার এই মেয়েটি মারা যায়।
মেয়ের মৃত্যুর শোকে কয়েক বছর ক্লাস করেননি কিমলান।

প্রায় এক দশক পর মেয়ের মৃত্যুর কষ্ট ভুলে পড়ালেখা শুরু করেন কিমলান। তখন তার বয়স ৮৫ বছর।

হিউম্যান এন্ড ফ্যামিলি ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়টি বেছে নেন কারণ তার মতে এই বিষয়টা তাকে শেখাবে কীভাবে অর্থপূর্ণ ও হাসিখুশি জীবনযাপন করা যায়।

মেয়ের হারানোর দুঃখ ভুলে আমি পুরোপুরি পড়ায় নিমজ্জিত হলাম। মনের মধ্যে শুধু এটা কাজ করতো-আমি স্নাতক পাস করলে আমার মেয়ের আত্মা খুশি হবে। বিবিসি থাই সার্ভিসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে নিজের কথাগুলো শেয়ার করেন কিমলান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যশোরের বেনাপোল বন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা দুই কোটি টাকা মূল্যের ক্যাপিটাল মেশিনারিজের একটি চালান আটক করেছেন শুল্ক গোয়েন্দারা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বন্দরের ওপেন ইয়ার্ড থেকে খালাসের সময় ওই চালান আটক করা হয়।

বেনাপোল শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পরিচালক (ডিসি) সাদেক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা ক্যাপিটাল মেশিনারিজের একটি চালান খালাস নেওয়া হবে। চালানটির ওজন ও এইচ এস কোডের ব্যাপক গরমিল আছে। সে অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দারা বন্দরে নজরদারি বাড়ায়। একপর্যায়ে বন্দরের ওপেন ইয়ার্ডে থাকা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইলেকট্রিক ফার্নেস ঘোষণায় আনা ক্যাপিটাল মেশিনারিজের পণ্য চালানটি আটক করা হয়। পরে সেটি আবার পরীক্ষা করে গরমিল পাওয়া যায়। আমদানিকারকের ঘোষণা অনুযায়ী পরীক্ষণ ও শুল্কায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে খালাসের আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু শুল্ক গোয়েন্দাদের হস্তক্ষেপে চালানটির খালাস কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

সাদেক হোসেন আরো জানান, আমদানিকারকের ঘোষণা অনুযায়ী চালানটিতে ২০০ কেজি ট্রান্সফরমার অয়েল থাকার কথা থাকলেও সেখানে ৮৩৬ কেজি পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ৫০ কেজি লুব্রিকেন্টের জায়গায় ২৫ হাজার ২০ কেজি গ্রিজ পাওয়া গেছে। এসবের মূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা, যার শুল্কের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু আমদানিকারীরা মাত্র ১২ লাখ টাকা শুল্ক পরিশোধ করে চালানটি খালাস করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা আরো জানান, এ কাজে যাঁরা সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার শওকত হোসেন জানান, চালানটি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করতে যেসব কর্মকর্তা সহায়তা করেছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরই মধ্যে এর আমদানির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সিঅ্যান্ডএফ, এজেন্ট গনি অ্যান্ড সন্সের লাইসেন্স বাতিল করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট গনি অ্যান্ড সন্সের বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে একাধিকবার লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছিল। তবে এবার স্থায়ীভাবে লাইসেন্স বাতিল করার জন্য বলা হয়েছে বলে কমিশনার জানান।

এ ঘটনায় শুল্ক আইন অনুযায়ী একটি মামলা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর এই যুক্তিতে সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজবোর্ডের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন তিনি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের প্রতিনিধি ও তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
মুহিত বলেন, দেশে প্রয়োজনের চেয়ে টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা বেশি। এগুলোর কয়েকটি সামনেই মরে যাবে।
ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম, প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ নোয়াব প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে সংবাদপত্র শিল্পের জন্য নবম ওয়েজবোর্ড গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। তবে এ বিষয়ে বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বৈঠক শেষে বেরিয়ে জানান তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু।

এ সময় সংবাদপত্রের জন্য কোনো নতুন ওয়েজবোর্ডের প্রয়োজনীয়তা দেখছেন না বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিকজ ইওর স্যালারি স্কেলস আর মাচ বেটার দ্যান দ্য গভর্নমেন্ট স্যালারি স্কেলস। দেয়ারফর ইট ইজ আননেসেসারি (কারণ আপনাদের বেতন সরকারি বেতন স্কেলের চেয়ে বেশি। সে কারণেই এটি অপ্রয়োজনীয়) ।’

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা মন্ত্রীকে বলেন, যারা সরকারি চাকরি করেন তাঁরা পেনশন পান এবং তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ড আছে। সাংবাদিকরা বেশির ভাগই এই সুবিধা পান না।

আরেক সাংবাদিক অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স পাস করা একজন ব্যক্তি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় আট হাজার টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেন। সরকারি চাকরিতেও কি মাস্টার্স পাস করে আট হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে প্রবেশ করেন কি না?

জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মাস্টার্স পাস করা আমাদের পিয়নও আছে।’

সংবাদপত্রের সংখ্যার প্রসঙ্গ টেনে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘৫০০ কাগজ আপনারা এক্সিস্ট করেন? দে ডু নট এক্সিস্ট (এগুলোর অস্তিত্ব নয়)। একটি ফলস নাম্বার (মিথ্যা সংখ্যা) এবং এটা সব চুরি করা। ঢাকায় কয়টা কাগজ আছে? দৈনিক কাগজ?’

উপস্থিত সাংবাদিকরা জবাব দেন, ২০১টি। উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘রাবিশ, দ্যাটস মাই আনসার টু ইউ। (রাবিশ, এটাই আপনাদের আমার উত্তর) রাবিশ, ২০১! ১৫টা হবে কি না আমার সন্দেহ আছে। ২০টা হতে পারে বড়জোর। ৫০০ কতটা কী আছে খবরের কাগজ, অল বোগাস। ওদের জন্য বেতন স্কেল ঠিক করব? নো, দ্যাট উই ডোন্ট (এটা আমরা করব না)।’

বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর ক্ষেত্রে কী হবে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, একই কথা এক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, তাহলে কয়টা টেলিভিশন চ্যানেল মরে যাবে। হুইচ ইজ ডিজায়ারেবল ফর দ্য কান্ট্রি (যেটা এই দেশের জন্য ঠিক আছে)। মারা যাবে। দুনিয়ার কোনখানে এতগুলো টেলিভিশন স্টেশন আছে? কোন দেশে?’

এ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ইলেকট্রনিক মিডিয়ার জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আইন তৈরি হয়নি। ওয়েজবোর্ড হচ্ছে খবরের কাগজের জন্য। সেই ব্যাপারে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আমরা খবরের কাগজের মালিকদের সঙ্গে বসেছিলাম। সমগ্র সংবাদপত্র শিল্পের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার জন্য। সে ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বেশির ভাগ পত্রিকা যেগুলো নিয়মনীতি অনুসরণ করে প্রকাশিত হচ্ছে না, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর যেগুলো সঠিকভাবে প্রকাশিত হচ্ছে, তাদের জন্য ওয়েজবোর্ডের প্রয়োজন আছে কি না সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করতে সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলেও জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সৌদি যুবরাজ সালমান বিন সাদ বিন আবদুল্লাহ বিন টার্কি আল সৌদ ইন্তেকাল করেছেন। এক রাষ্ট্রীয় বিবৃতিতে আজ মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছে সৌদি রয়েল কোর্ট। পরে রয়েল কোর্টের বরাত দিয়ে খবরটি প্রকাশ করে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা এসপিএ।

বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় সময় বাদ আসর রিয়াদ নগরীর ইমাম টার্কি বিন আবদুল্লাহ মসজিদে যুবরাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে যুবরাজ কখন মারা গেছেন তা বিবৃতিতে জানানো হয়নি।

১৯৭১ সালের ২১ অক্টোবর আবদুল্লাহ বিন টার্কি আল সৌদ জন্মগ্রহণ করেন। সৌদি রাজপরিবারের এ সদস্য ২০১৩ থেকে ১৪ সাল পর্যন্ত রিয়াদের ডেপুটি গভর্নর ও ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রিয়াদের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাকায় যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের একাধিক বিমান হামলায় ২৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসের পক্ষ থেকে এমন দাবি করা হয়েছে।

অবজারভেটরি জানায়, সোমবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চালানো বিমান হামলায় নয় নারী ও ১৪ শিশু নিহত হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, নিহত ১৪ জন একই পরিবারের সদস্য। তারা জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) একসময়কার ঘাঁটি পালমিরা থেকে পালিয়ে রাকায় গিয়েছিল।

অবজারভেটরি আরো জানায়, বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাই মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

সম্প্রতি ইরাকের মসুল শহর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনী আইএসকে হটিয়ে দেয়। এর পর থেকে যৌথ বাহিনী সিরিয়ায় আইএসের কার্যত রাজধানী রাকায় নজর দেয়। শহরটিতে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত আরব-কুর্দি যোদ্ধাদের জোট আইএসের সঙ্গে তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে শহরটির ৪৫ শতাংশ দখলে নিয়েছে যৌথ বাহিনী।

সোম ও মঙ্গলবার চালানো বিমান হামলাগুলোর বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের কোনো মুখপাত্রের বক্তব্য নিতে পারেনি আলজাজিরা।

এর আগে জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, তারা যেকোনো মূল্যে বেসামরিক মানুষের মৃত্যু এড়াতে চায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest