সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যাত্রীবাহি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পাঁচ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ২০জন আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৯টার দিকে সাতক্ষীরা-শ্যামনগর মহাসড়কের কালিগঞ্জ উপজেলার পাওখালি নামকস্থানে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন কিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।
আহতরা হলেন, অগ্রণী ব্য্ংাকের সাতক্ষীরার শ্যামনগর শাখার সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে এনামুল তারেক (৩৬), একই অফিসের প্রিন্সিপাল অফিসার কালিগঞ্জ উপজেলার বালাপোতা গ্রামের হরিদাস সরকারের ছেলে প্রবীর সরকার (৩৫), একই শাখার সিনিয়র অফিসার কালিগঞ্জ উপজেলার চরদাহ গ্রামের মোতাহার রহমানের ছেলে মিজানুর রহমান (৩৭), একই শাখার কর্মকতা দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া গ্রামের আব্দার রহমানের ছেলে আবু বক্কর ছিদ্দিক (৩৫), একই শাখার সিনিয়র অফিসার সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুরের চাঁন্দানি দালালের ছেলে মফিজুল ইসলাম (৫৬), শ্যামনগর উপজেলার গোবিন্দপুর স্কুল এ- কলেজের সহকারি শিক্ষক কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে শেখ মাহমুদ আলী(৪০), কালিগঞ্জের মৌতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা কালিগঞ্জ উপজেলার মহৎপুর গ্রামের রবিউল ইসলামের স্ত্রী তাসলিমা খাতুন (৩৫), একই উপজেলার জাফরপুর গ্রামের সাধুচরন ম-লের স্ত্রী তারাময়ী ম-ল (৫৬), প্রবাজপুর গ্রামের আকবর হোসেনের ছেলে মিজানুর রহমান (২৮), শ্যামনগর উপজেলার শংকরকাটি গ্রামের আব্দুল বারির স্ত্রী হোসনে আরা পারভিন (৫৫),একই উপজেলার কাশিমাড়ি গ্রামের তাহের আলীর স্ত্রী ছায়রা খাতুৃন(৬০),একই গ্রামের ফজর আলীর স্ত্রী শুকমনি খাতুন(৬০)।
কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন ছায়রা খাতুন জানান, তিনি দেবহাটা উপজেলার গাজিরহাটে তার মেয়ে সফুরার বাড়ি থেকে সকালে নিজ বাড়িতে যাওয়ার জন্য সকাল ৯টার দিকে কালিগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে যশোর-ব-১৩৫৫ নং বাসে ওঠেন। গাড়িটি শ্যানগরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার পর নয়টার দিকে কালিগঞ্জের পাওখালি নামকস্থানে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসকে পাশ কাটাতে যেয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাম দিকের মাঠে উল্টে যায়। এতে তিনিসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। এদের মধ্যে ১২জনকে কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বাকীরা সাতক্ষীরা সদও হাসপাতাল সহ বিভিন্ন কিনিকে ভর্তি হয়েছেন।
কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ তৈয়বুর রহমান জানান, আহত ১২ জনের মধ্যে হোসনে আরা নামের এক মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লস্কর জায়াদুল হক জানান, দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। আহত যাত্রীদের কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে ও সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন কিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী আবদুল জব্বারকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের (বিএসএমএমইউ) নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়েছে।

গুণী এই শিল্পীর ছোট ছেলে বাবু জব্বার বিষয়টি জানিয়েছেন।

বাবু জানান, তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি হচ্ছে না। সে কারণে আজ দুপুরে তাঁকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

চলতি বছরের ৩১ মে বিএসএমএমইউতে ভর্তি হন আবদুল জব্বার। তিনি কিডনি, হৃৎপিণ্ডের সমস্যাসহ শারীরিক নানা অসুস্থতায় ভুগছেন।

চিকিৎসাধীন শিল্পী আবদুল জব্বার সে সময় জানিয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর চিকিৎসা বাবদ ২০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা করাতে ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকার প্রয়োজন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সরকারি, বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কিছু ব্যক্তি আবদুল জব্বারের চিকিৎসায় কয়েক লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধকালে আবদুল জব্বার গলায় হারমোনিয়াম ঝুলিয়ে সারা কলকাতার বিভিন্ন ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। তিনি সে সময়ে পাওয়া ১২ লাখ টাকা স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ত্রাণ তহবিলে দান করেছিলেন। তিনি স্বাধীনতা পদক, একুশে পদকসহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক পেয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সারা দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে শিক্ষা-সংক্রান্ত একটি আদালত গঠনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জনস্বার্থে করা একটি রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দিয়েছেন।

অর্থ, জনপ্রশাসন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। আগামী এক বছরের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদনও আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।

২০১২ সালে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী এ বি এম নুরুল ইসলাম আবেদনটি করেন।

আজ বুধবার আদালত থেকে বেরিয়ে নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের দেশে প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চলছে, যা সংবিধানের ১৫২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ, ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবরে করা প্রচলিত শিক্ষা কার্যক্রম নীতিমালাগুলো রাষ্ট্রপতি বা সংসদ প্রণয়ন করেননি।’

‘আমি শিক্ষাব্যবস্থায় সুনির্দিষ্ট আইন চেয়ে একটি রিট আবেদন দায়ের করেছিলাম। গত পাঁচ বছর আদালতে এ বিষয়ে শুনানি করেছি।’

নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সংসদ কর্তৃক কোনো আইন না থাকায় শিক্ষায় হরিলুট চলছে। অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা চলছে।’

‘স্থানীয় সংসদ সদস্যরা তাঁদের প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে।’

নুরুল ইসলাম জানান, শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তাঁর আবেদনে দেশের মফস্বল এলাকায় শতকরা ৩৩ ভাগ নারী শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, আবেদন মঞ্জুর করে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিট আবেদনের শুনানিতে নুরুল ইসলামকে সহযোগিতা করেছেন আইনজীবী গিয়াস উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন মহিম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তাঁর নাম আলহাজ আহসান উদ্দিন শাহ। পাবনার ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর বয়স ১২৫ বছর!

গত ৩০ এপ্রিল মারা যান বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি ইন্দোনেশিয়ার সোদিমেদজো। তিনি ১৪৬ বছর বয়সে মারা যান। আহসান উদ্দিনের দাবি সত্যি হলে তিনিই বর্তমানে জীবিত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক।

বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়স্ক হিসেবে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন ইসরায়েলের ইসরায়েল ক্রিস্টাল। তাঁর বর্তমান বয়স ১১৩ বছর।

বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন পাবনার আহসান উদ্দিন। তবে এখনো নিয়মিত নামাজ পড়েন। বহু আগে হজ করেছিলেন একবার। তিনি জানান, ওই সংক্রান্ত কাগজপত্রে তাঁর জন্মতারিখ দেওয়া ১৮৯২ সাল। তিনি জানান, ওই বছরে শীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

আহসান উদ্দিন শাহের ছোট ছেলে সাংবাদিক গোলাম মওলা বলেন, ‘আমার বাবার দীর্ঘ জীবন পরিক্রমায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আমুল পরিবর্তন যেমন দেখেছেন, তেমনি তিনটি শতক দেখা এই প্রবীণের জীবদ্দশায় ব্রিটিশ সরকার, পাকিস্তান সরকার ও বাংলাদেশ সরকারের শাসন দেখেছেন। এই দীর্ঘজীবনের জন্য তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন নিয়ন্ত্রিত জীবন এবং খাদ্যাভাস। ছোট বেলা থেকেই তিনি নিয়মিত গরুর দুধ পান করেন। তাঁর প্রিয় খাবার দুধ কলা ভাত। তিনি এখনো নিজেই নিজের খাবার খেতে পারেন। এখনো তিনি গরুর দুধ ছাড়া ভাত খেতে চান না।’

বৃদ্ধ আহসান উদ্দিন শাহ ১৪ সন্তানের জনক। তাঁদের মধ্যে সাতজন ছেলে ও সাতজন মেয়ে। মুক্তিযুদ্ধের আগেই তাঁর প্রথম স্ত্রী মারা যান। ওই সময় ওই স্ত্রীর চার ছেলে, চার মেয়ে ছিল। পরে ১৯৬৯ সালে আবার বিয়ে করেন। স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত পাঁচ ছেলে ও চার মেয়েসহ মোট নয় সন্তান জন্ম দেন তাঁর দুই স্ত্রী। স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত তিনি আরো দুই ছেলে ও তিন মেয়েসহ মোট পাঁচ সন্তানের বাবা হন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী এখনো বেঁচে আছেন।

সাংবাদিক গোলাম মওলা আরো বলেন, ‘আমার বয়স চল্লিশের কোঠায়। অথচ আশ্চর্যের বিষয় আমার জন্মের আগেই আমি দাদা ও নানা হয়েছি।’

গোলাম মওলা জানান, তাঁর বাবার সন্তানদের মধ্যে সবার বড় আয়েশা খাতুন। তাঁর বয়স ৯৫ বছর। এর পরই আছে আনোয়ারা খাতুন। তাঁর বয়স ৯০ বছর। আয়শা খাতুনের বড় ছেলে অর্থাৎ তাঁর বড় ভাগ্নে আশরাফ উদ্দিনের বয়স ৮০ বছরের কাছাকাছি। ইদানীং আহসান কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চোখে একটু কম দেখছেন। কানেও তুলনামূলক কম শুনছেন।

আহসান উদ্দিন শাহ বলেন, ‘পাবনার ঈশ্বরদীর পাকশীতে যখন হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করা হয় তখন আমার বয়স ছিল ২২ থেকে ২৩ বছরেরও কাছাকাছি। ১৯০৮ সালের দিকে ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকার ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ তৈরির কাজ শুরু করে।’ তিনি জানান, ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ তৈরির সময় তিনি ও তাঁর বন্ধুরা সেখানে অনেক আড্ডা দিয়েছেন। রেল লাইনের জন্য যখন মাটি কাটা শুরু হয়, তখন তিনি তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে ওই রাস্তার ওপর ডাঙ্গুলি খেলেছেন। সেখানে গরু চড়িয়েছিলেন।

আহসান উদ্দিন আরো বলেন, ‘ওই সময় আমাদের চোখের সামনে নারী শ্রমিকরা জমি থেকে মাটি কেটে রাস্তা উঁচু করেছে। তারপর সেখান দিয়ে রেলপথ স্থাপন করা হয়েছে।’

নানা সূত্রে জানা গেছে, অবিভক্ত ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম, ত্রিপুরা, নাগাল্যান্ড ও উত্তর পূর্ববঙ্গের সঙ্গে কলকাতার সহজ যোগাযোগের কথা বিবেচনা করে ব্রিটিশ শাসিত ভারত সরকার ১৮৮৯ সালে এই অঞ্চলে রেলপথ তৈরির পরিকল্পনা করে। ১৯০৮ সালের দিকে তারা ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ তৈরির কাজ শুরু করে। ওই বছরই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণের মঞ্জুরি লাভ করে। এর পরের বছর ১৯০৯ সালে পদ্মায় পাকশী এলাকায় সেতু নির্মাণের জন্য সার্ভে করা হয়। ১৯১০-১১ সালে প্রথম কাজের মৌসুম শুরু হলে ভয়াল পদ্মার দুই তীরে সেতু রক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। ফলে মূল সেতুর কাজ শুরু হয় পরের বছর ১৯১২ সালে। এর তিন বছর পর ১ জানুয়ারি ১৯১৫ সালে ১ ডাউন লাইন দিয়ে প্রথম চালু হয় মাল গাড়ি। দুই মাস পরই ৪ মার্চ ১৯১৫ সালে সেতুর ওপর ডাবল রেললাইন দিয়ে যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলের উদ্বোধন করেন তৎকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ, যার নামে বর্তমানে সেতুটির নামকরণ করা হয়।

আহসান উদ্দিন শাহ আরো বলেন, ওই ঈশ্বরদী-সিরাজগঞ্জ রেলপথ কলকাতা বন্দরে মাছ রপ্তানির জন্য প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে লাহিড়ী মোহনপুর, দিলপাশার, শরৎনগর ও বড়াল-ব্রিজ রেল স্টেশনগুলো চলনবিলের মাছ ও পাট রপ্তানির জন্য প্রসিদ্ধ ছিল।

এই বৃদ্ধের বয়স যখন ১০ বছর তখন তাঁর বাবা বরকত শাহ মারা যান। তৃতীয় সন্তান মো. আফজাল হোসেন শাহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে আহসান উদ্দিন বলেন, ‘শেখ সাহেবের ডাকে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় তখনই আমি আট সন্তানের বাপ। চার মেয়ে, চার ছেলে। এ ছাড়া ছোট বেলায় বাবা মারা যাওয়ায় সংসারের হাল ধরতে হয় আমাকেই।’ তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় এ অঞ্চলের মুক্তিযোদ্ধাদের সব ধরনের সহায়তা করেছি। তখন আমার তৃতীয় নম্বর সন্তান আফজাল হোসেন মুক্তিযুদ্ধে যায়। সে ভারতে গিয়ে ট্রেনিং নিয়ে আসে। ফিরে এসে ওরা সংঘবদ্ধভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়।’

বৃদ্ধ আলহাজ আহসান উদ্দিন শাহের ব্যাপারে ফরিদপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. খলিলুর রহমান সরকার বলেন, ‘আমরা যত দূর জানি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ আমাদের ফরিদপুর উপজেলার বিএলবাড়ী গ্রামের আহসান উদ্দিন শাহ। তাঁর বয়স এখন ১২৫ বছর। তাই তাঁর নাম গিনেস বুকে তোলার দাবি জানাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এম.বেলাল হোসাইন : বজ্রপাতে আব্দুল হালিম (৫৫) নামে এক ঘের মালিক নিহত হয়েছেন। বুধবার সকাল ৮ টার দিকে সাতীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের কুকুডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আব্দুল হালিম দেবহাটা উপজেলার পদ্মশাখরা গ্রামের জুড়োন সরদারের ছেলে।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লস্কর জায়াদুল হক জানান, নিহত আব্দুল হালিম কালিগঞ্জ উপজেলার কুকুডাঙায় তার শশুর বাড়িতে থাকতো। এবং সে শশুর বাড়িতে ঘের করতো। সকালে ঘেরে যাওয়ার সময় আকস্কিক বজ্রপাতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঘুষ গ্রহণের দায়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম ফখরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। আজ বুধবার আদেশটি কার্যকর করা হয়।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ তথ্য কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম এনটিভি অনলাইনকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, ঘুষ গ্রহণের ঘটনায় ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এটা এখনো বিচারাধীন। তবে প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত পাওয়ায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গত ১৮ জুলাই দুপুর ২টার দিকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় নৌপরিবহন অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী এ কে এম ফখরুল ইসলামকে আটক করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর পর দুদকের করা মামলায় তাঁর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবার গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয়ের ভাবনা চিন্তা চলছে ভারতে। সম্প্রতি বিজেপির সভাপতি অমিত শাহ ভারতের উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অমিত শাহ জানান, গো-রক্ষা মন্ত্রণালয় গঠনের পরিকল্পনা চলছে। এ বিষয়ে অনেক পরামর্শ, দরখাস্ত এসেছে।

এসময় অমিত শাহ’র সঙ্গে ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যদিও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার গরুর জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় তৈরির কথা বললেও এর কাজ বাস্তবায়ন হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিভিন্ন জেলায় জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর। পরিবারকল্যাণ পরিদর্শক, পরিবারকল্যাণ সহকারী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রার্থীদের জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, ভোলা

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ৬টি

যোগ্যতা : একটি দ্বিতীয় শ্রেণিসহ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান এবং ভোলা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ২০টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস এবং স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ১টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং নাটোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এ ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501501124110.jpg)।

নাটোর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ২টি

যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান।

বেতন : নয় হাজার ৩০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ১৯টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ৩টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং নাটোর জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এ ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501500810104.jpg)।

 

গাইবান্ধা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়

পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক (পুরুষ)

পদসংখ্যা : ৩টি

যোগ্যতা : উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২২ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ৩৯টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ৪টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

২৯ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501500568105.jpg)।

জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, আজিমপুর

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (প্রাক্তন টিএফপিএ)

পদসংখ্যা : ১টি

যোগ্যতা : একটি দ্বিতীয় শ্রেণিসহ উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পাস বা সমমান এবং ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২৩ হাজার ৪৯০ টাকা।

পরিবার পরিকল্পনা সহকারী (মহিলা)

পদসংখ্যা : ১৬টি

যোগ্যতা : ন্যূনতম মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস।

বেতন : নয় হাজার ৭০০ থেকে ২১ হাজার ৮০০ টাকা।

আয়া

পদসংখ্যা : ১৪টি

যোগ্যতা : প্রার্থীকে অষ্টম শ্রেণি পাস এবং ঢাকা জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।

বেতন : আট হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা।

আবেদনের সময়

৩১ আগস্ট ২০১৭-এর মধ্যে প্রার্থীকে আবেদন করতে হবে।

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন এই ঠিকানায় (http://www.chakri.com/upload/job/1501403991101.jpg)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest