সর্বশেষ সংবাদ-
আশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশে থেকে আমেরিকার ৭৫৫ জন কূটনীতিককে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছেন। মস্কোর বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেসের সর্বশেষ নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাশিয়ায় মার্কিন কূটনৈতিক মিশনগুলোতে নিযুক্ত এই বিপুল সংখ্যক কর্মীকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হবে। বিশ্বের আধুনিক ইতিহাসে এত বিপুল সংখ্যক কূটনীতিক বহিষ্কার করার নজির নেই।

রাশিয়া থেকে মার্কিন কূটনীতিক বহিষ্কারের মূল নির্দেশটি দেয়া হয় গত শুক্রবার। ওইদিন মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশটিতে নিযুক্ত মার্কিন কূটনীতিকের সংখ্যা ৪৫৫ জনে নামিয়ে আনার নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। কিন্তু সেদিন বহিষ্কারের নির্দেশ পাওয়া মার্কিন কূটনীতিকের সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে রাশিয়ার ৪৫৫ জন কূটনীতিক কর্মরত রয়েছেন।

প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার সরকারি টেলিভিশনকে বলেছেন, “রাশিয়ার মাটিতে মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে এক হাজারের বেশি ব্যক্তি কর্মরত রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৭৫৫ জনকে তাদের তৎপরতা বন্ধ করতে হবে।”

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি আমেরিকার বিরুদ্ধে এর চেয়েও কঠিন ব্যবস্থা নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি ‘আপাতত এতটুকুতেই সন্তুষ্ট’ থাকছেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্কের ব্যাপারে পুতিন বলেন, “এই সম্পর্ক ভালো হবে বলে আমরা দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেছি। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে সেরকম কোনো সম্ভাবনা নেই।”

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আপত্তি সত্ত্বেও সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের দুই কক্ষ প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব পাস করে। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া প্রজাতন্ত্রকে রুশ ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত করা এবং গত বছরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার কথিত হস্তক্ষেপের অভিযোগে ওই নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিল পাস হয়।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে তৎকালীন বারাক ওবামা প্রশাসন আমেরিকা থেকে ৩৫ জন রুশ কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছিল। নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিন্টনের ইমেইল হ্যাক করার অভিযোগে ওই ব্যবস্থা নেয়া হয়। তখন রাশিয়া পাল্টা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের জাল অনুমতিপত্র ও আনসার স্ট্রাইকিং ফোর্সের (এএসএফ) জ্যাকেটসহ এক ভুয়া সিনিয়র সচিব ও তার ছেলেসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-পূর্ব)। শনিবার বিকালে সবুজবাগের তরিক হাকিম টাওয়ারের সামনে থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সবুজবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল কুদ্দুছ ফকির এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এই চক্রটি প্রভাব খাটিয়ে নানা অপরাধ করে আসছে, তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর সবুজবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করছে গোয়েন্দা পুলিশ।
ওসি আবদুল কুদ্দুছ ফকির বলেন, ‘এই ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় আমাদের থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩৪) রুজু হয়েছে। মামলার বাদি ডিবির উপ পরিদর্শক (এসআই) আনছার আলী, ডিবি মামলাটি তদন্ত করছে।’

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) মাদকদ্রব্য উদ্ধার ও প্রতিরোধ পূর্বটিম সবুজবাগ থানার একটি জিডির সূত্র ধরে শনিবার বিকালে অভিযানে যায়। এরপর গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারে, সামনের গ্লাসের ড্যাস বোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লোগো লাগানো একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-৩১-৫৪৬৫) সবুজবাগ থানার ২১৩, তরিক হাকিম টাওয়ারের সামনে রাস্তায় আছে। দ্রুত ডিবি টিম অন্য পুলিশ সদস্যদের নিয়ে বিকাল ৬টার দিকে সেখানে যায়। পুলিশ সেখানে গিয়ে গাড়ির ভেতরের দুই ব্যক্তির কাছে গিয়ে পুলিশ পরিচয় জানতে চাইলে একজন নিজেকে খন্দকার সাকিব আহম্মেদ (১৮) বলে পরিচয় দিয়ে জানায় তার বাবা খন্দকার দিলদার আহমেদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উপদেষ্টা পরিষদের একজন সিনিয়র সচিব। বর্তমানে তিনমাস ধরে তিনি এলপিআর-এ আছেন। সাকিবের সঙ্গে ইসমাইল হোসেন নামে অপর এক ব্যক্তি ছিলেন যার গায়ে এএসএফ ব্যবহৃত জ্যাকেটের অনুরূপ জ্যাকেট ছিল। সে নিজেকে খন্দকার দিলদারের দেহরক্ষী হিসাবে পরিচয় দেয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এসময় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে স্বীকার করে যে, তারা নিজেদের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে। এরপর পুলিশ প্রাইভেটকারটিতে তল্লাশি করে মটোরলা এমটিপি-৮৫০ মডেলে একটি অ্যান্টেনা ভাঙা সরকারি ওয়ারলেস, চালু অবস্থায় দু’টি ওয়ারলেস, সাকিব ও ইসমাইলের নামে তাদের ছবি সম্পর্কিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশের অনুমতিপত্র, স্টিল বডি একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করে। এছাড়াও প্রাইভেটকারটির সামনে বামপাশে ফ্ল্যাগস্ট্যান্ড, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একনম্বর গেটের স্টিকার, ড্যাশবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের গণপ্রজাতন্ত্রীর বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রাম স্ট্যান্ড উদ্ধার করে।

ডিবি পুলিশ জানায়, এরপর বিষয়টি উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের জানানো হলে আসামিদের দেওয়া উত্তর বাসাবোর তাদের বর্তমান ঠিকানায় পুলিশ রওয়ানা দেয়। এসময় পথের মধ্যে উত্তর বাসাবোর ছায়াবিথীর গলির মুখে সাকিবের বাবা খন্দকার দিলদার আহম্মেদ পুলিশের সামনে পড়ে যায়। তখন তার পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে সচিব পরিচয় দেন। তবে তাদের দেওয়া পরিচয়ের কোনও সত্যতা পাওয়া যায়নি। গ্রেফতারকৃত খন্দকার সাকিব আহম্মেদ ও তার বাবা খন্দকার দিলদার আহম্মেদ সবুজবাগের মধ্যবাসাবোর ইস্টার্ন হাউজিংয়ের ছায়াবিথী ৪৭/বি নম্বর ভবনে থাকেন। তাদের গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের যাত্রাপুর।

অপরদিকে, গ্রেফতারকৃত মো. ইসমাইল হোসেন রাজধানীর মুগদায় থাকেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ধর্ষণ অভিযোগে গ্রেফতার তুফান সরকার বগুড়া শহরে দীর্ঘদিন থেকেই আলোচিত হুট করে কোটিপতি হওয়ার কারণে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথমদিকেও তেমন আলোচনায় ছিল না সে। তবে মাদক ব্যবসায় তার পরিবার জড়িত কয়েক দশক ধরেই। সেই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে ২০১৫ সালে শহর শ্রমিক লীগে যোগ দেয় সে। এরপর সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে প্রশাসনের নাকের ডগায় মাত্র দুই বছরেই কোটিপতি হয়ে যায় তুফান ও তার পরিবার। গড়ে তোলে ‘তুফান বাহিনী’। এলাকাবাসী ও রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সে এমনই কোনঠাসা করে রেখেছে যে ভয়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কোনও কথাও বলে না। প্রশাসনও অজ্ঞাত কারণে তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় না।

বগুড়ায় এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও মাসহ তার মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় শুক্রবার (২৮ জুলাই) গ্রেফতার হওয়ার আগে বগুড়া শহরের মানুষ তুফান সরকারকে চিনতো ‘শহরের ত্রাস’ হিসেবে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ২০১৫ সালে দুই বস্তা ফেনসিডিল ও বিপুল পরিমাণ টাকাসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল তুফান। সে ঘটনায় কিছুদিন পর ছাড়া পেয়ে আপন বড়ভাই যুবলীগ নেতা মতিন সরকারের সহায়তায় শ্রমিক লীগে যোগ দেয় সে। যোগ দিয়েই হয়ে যায় দলটির বড় নেতা। কিছুদিনের মধ্যেই শহর শ্রমিক লীগের সভাপতি হয়ে মাদক ব্যবসাসহ পরিবহন সেক্টরে ব্যাপক চাঁদাবাজি শুরু করে তুফান। গড়ে তোলে ‘তুফান বাহিনী’। এরপর কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি এবং টানা দেড় বছর ধরে শহরে জুয়ার আসর পরিচালনা করলেও অজানা কারণে তার বিরুদ্ধে কোনও মামলা হয়নি। তবে কয়েকটি মামলা বিচারাধীন আছে। প্রশাসন ও দলীয় পর্যায়েও তুফানের বিরুদ্ধে ওঠেনি তেমন কোনও অভিযোগ। ফলে এলাকায় ত্রাস হিসেবে দিন দিন তার পরিচিতি বাড়তেই থাকে, পাশাপাশি ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকে তাদের অবৈধ সম্পদের পরিমাণ।

রবিবার তুফান সরকারের বিষয়ে খোঁজখবর নিতে চাইলে তার প্রতিবেশীরা সরাসরি তার বিরুদ্ধে কথা বলতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছেন, এর আগেও মামলা খেয়ে সে জেলে গিয়েও বের হয়েছে। এবারও যদি বের হয় তাহলে প্রতিশোধ নিতে যা খুশি তাই করতে পারে। তাছাড়া তার বাহিনীর লোকেরা এখনও ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই ভয় আছে।

তবে তুফান ও তার পরিবার সম্পর্কে অনেক তথ্য দিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর বর্ণনা অনুযায়ী, তুফানের বাবার নাম মজিবর রহমান। তার ৭ ছেলের মধ্যে তুফান সরকার সবার ছোট। মজিবর রহমান আগে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বগুড়া শহরের রাস্তায় চামড়া কেনাবেচা শুরু করেন মজিবর রহমান। তবে কিছুদিনের মধ্যেই তার পরিবারের সদস্যরা মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে। সেই শুরু। এরপর প্রতিটি সরকারকে ম্যানেজ করে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেছে পরিবারটি। বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়া গুদাম এলাকায় তাদের বাসা।

এলাকাবাসী জানান, তুফান ও তার ভাই রাজনীতিতে আসে মূলত নিজেদের ফায়দা লোটার জন্য। অপরাধের জন্য তুফান নিজস্ব একটি বাহিনী গড়ে তোলে। যাকে এলাকার মানুষ ‘তুফান বাহিনী’ বলেই জানেন। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার মতো কেউ নেই। এরপর পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল ও চোলাচালানসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয় তুফান। অবস্থা এমন দাঁড়ায়, শহরে কোনও জায়গা দখল বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য তুফানকে প্রয়োজন হয়।

তারা আরও জানান, তুফান মাত্র ২-৩ বছরে এসব অবৈধ ব্যবসা করে কোটিপতি হয়েছে। তাদের একাধিক প্রাইভেট কারও রয়েছে। অধিকাংশ সময় পরিবার নিয়ে ঢাকায় পরিবারিক ফ্লাটে থাকে তুফান। এছাড়াও বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়া গুদাম এলাকায় অত্যাধুনিক ৫ তলা ভবন বানাচ্ছে সে। সম্প্রতি শহরের চকযাদু লেনে কোটি টাকা ব্যয়ে ছেলে তুর্যের নামে অত্যাধুনিক ‘তুর্য সেনেটারি স্টোর’ উদ্বোধন করেছে তুফান।

বগুড়া পুলিশের সূত্র ও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২০১২ সালে তুফান সরকারের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা ও মাদক সংক্রান্ত মামলা হয়। ২০১৫ সালে র‌্যাব সদস্যরা তাকে ২ বস্তা ফেনসিডিল ও বিপুল অংকের টাকাসহ গ্রেফতার করে। এরপর ছাড়া পেয়ে শ্রমিক লীগে যোগ দেয় সে। আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে তার সুসম্পর্ক থাকায় সবাই তাকে ব্যবহার করে নিজেদের ফায়দা হাসিলের জন্য। এর সুযোগ নিয়ে শহর শ্রমিক লীগের সভাপতির পদ বাগিয়ে নেয় তুফান। তার বড় ভাই জেলা যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা শ্রমিক লীগের একজন নেতা জানান, তুফান সরকার ২০১৫ সালে শহরের চকসূত্রাপুর এলাকায় বাণিজ্য মেলায় নামে প্রায় দেড় বছর জুয়ার আসর পরিচালনা করে। এখানে কয়েক কোটি টাকা আদায় করে সে। তার বিরুদ্ধে চোরাই গাড়ি কেনাবেচার অভিযোগ রয়েছে। দলের নাম ও পদ ভাঙিয়ে প্রায় দু’বছর বগুড়া শহরে অন্তত ১০ হাজার ব্যাটারিচালিত ইজি বাইকে চাঁদাবাজি করেছে তুফান। তার স্টিকার ছাড়া বগুড়া শহরে কোনও রিকশা চলতো না। প্রতিটি রিকশায় এককালীন দেড় হাজার টাকা ও দৈনিক ২০ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়েছে। শুধু ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক থেকে প্রতিদিন প্রশাসন ম্যানেজসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয়ের পরও অন্তত ১০ হাজার টাকা পকেটে তুলেছে তুফান। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশের পর তুফান বাহিনী বগুড়ার চার্জার ব্যাটারি রিকশায় চাঁদাবাজি বন্ধ করে। তবে এর আগেই ইজিবাইকগুলো থেকে কয়েক কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছে তুফান। দলের শীর্ষ নেতাদের সমর্থন ও যোগসাজস থাকায় তুফানের ব্যবসা ও চাঁদাবাজিতে কোনও সমস্যা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, তুফান ও তার পরিবারের অনেক সদস্যের মাদক ব্যবসা সম্পর্কে সবাই জানেন। তারা মাদক ব্যবসায়ী পরিবার ছাড়া সন্তানদের বিয়ে দেন না বগুড়ায় এটাও সবার মুখে মুখে প্রচারিত। এমন দেখা গেছে, কিছুদিন আগে যারা মানুষের কাছে হাত পেতে চেয়ে খেতেন, তুফানদের সঙ্গে আত্মীয়তার সুবাধে তারা এখন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে ঘুমান।

এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, গত পৌরসভা নির্বাচনে তুফান, তার ভাই যুবলীগ নেতা মতিন সরকার ও অন্যরা ভোট কারচুপি করে ২ নম্বর সংরক্ষিত আসনে তুফানের শ্যালিকা মারজিয়া হাসান রুমকি ও ১ নম্বর আসনে বিয়ান নিলুফা কুদ্দুসকে বিজয়ী করেছেন।

উল্লেখ্য, বগুড়ার এক কিশোরীকে কলেজে ভর্তি করানোর নামে গত ১৭ জুলাই তাকে নিজ বাড়িতে কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে তুফান সরকারের বিরুদ্ধে। তুফানের স্ত্রী এ ঘটনা জানতে পেরে স্বামীকে দায়ী না করে কিশোরীটিকেই ঘটনার জন্য দায়ী করে এবং সংরক্ষিত আসনের স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনার মর্জিয়া হাসান রুমকির মাধ্যমে শুক্রবার (২৮ জুলাই) শালিস সভা বসিয়ে নির্যাতিতা ও তার মায়ের চুল কেটে দেয়। পরে নাপিত ডেকে তাদের ন্যাড়া করিয়ে এলাকা ছাড়া করার হুমকি দেয়। স্থানীয়রা তাদের হাসপাতালে ভর্তি করালে সে রাতেই তুফানসহ তার তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২৯ জুলাই শনিবার তুফানসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নির্যাতিতা কিশোরী। এ ঘটনার পর রবিবার তাকে শ্রমিক লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

তুফানকে বহিষ্কারের ঘটনার পর তার প্রভাব ও অবৈধ সম্পদের বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া জেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুদ্দিন শেখ হেলাল বলেন, ‘ গুরুতর অসদাচরণ ও দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তুফান সরকারকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে তার সম্পদের বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।’

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ‘তুফান সরকারের আগের মামলা সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই। তবে গত ২০১৫ সালের একটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।’ তুফানের সম্পত্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এলাকায় গিয়ে খোঁজ নিলেই এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : শ্যামনগর রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামের আজগর আলী বুলু(৪৩) গ্রুপ ও আব্দুল্ল্যাহ খোকন (৬৫) গ্রুপের মধ্যে হরিনের মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে বনবিভাগের উপস্থিতিতে আজ ব্যাপক সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।
স্থানীয় সুত্রে ও আজগর আলী গংরা জানিয়েছে , আব্দুল্ল্যাহ খোকন গংরা গত শনিবার রাতে সুন্দরবন থেকে তিনটি হরিন শিকার করে নিয়ে আসে। হরিনের মাংস নিজেরা ভাগ বাটোয়ারা করে নেয়। পাশাপাশি ৩ কেজি হরিনের মাংস ৬ শ” টাকা দরে কয়েকজন প্রতিবেশীর নিকট বিক্রী করে এমন খবর জানতে পেরে আজগর আলী বুলু গং সাতক্ষীরা রেঞ্জের কৈখালী ষ্টেশনকে জানায়। এখবর পেয়ে রোববার বিকালে কৈখালী স্টেশনের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে কয়েকটি ঘর তল্লাশী করে হরিনের মাংস পায়নি। তবে ঘর তল্লাশির করার এক পর্য্যায় দুই গ্রুপের মধ্যে বাকবিতন্ডের মধ্য দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তারা। কৈখালী স্টেশনের কর্মচারী মিজানের সাথে হলে তিনি বলেন, এলাকার লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে বনবিভাগের লোকজন গিয়েছিল। তবে কোন হরিনের মাংস উদ্ধার হয়নি।কিন্ত এঘটনা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসারত আজগর আলী বুলু গ্রুপের আহতরা হলেন, আজগর আলী বুলু( ৪৩), সুকোর আলী (৪৫), মুকুল (৪৬), জসীম গাজী (৩৫), মোস্তাফিজুর (২৫), জাকির হোসেন(২০), মাকসুদা (২১), সকলের বাড়ী রমজাননগর ইউনিয়নের কালিঞ্চি গ্রামে।
এদিকে আব্দুল্ল্যাহ খোকন গংএর পক্ষে আহতরা হলেন, আব্দুল্ল্যাহ খোকন(৬৫), আবু সিদ্দীক (৫০), আবুল কাশেম মন্টু (৩৬), মিয়ারাজ হোসেন(৩২), হাবিবুর রহমান(২২), ওমর ফারুক (২৩) সেলিনা খাতুন(২২)। এদের সকলের বাড়ী রমজাননগর কালিঞ্চি গ্রামে।
তবে আব্দুল্ল্যাহ খোকন জানিয়েছে পুর্ব শুক্রতার জের ধরে ইতিপুর্বে ওই গংরা হরিনের চামড়া দিয়ে আমাদের ফাসানোর চেষ্টা করে। কিন্ত পুলিশ প্রসাশন ঘটনাটির রহস্য বুঝতে পেরে উল্টো হরিনের সিং পাচার করার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে।ওই মামলায় বুলু গংদের কয়েকজন জেল খেটে জামিনে বের হয়।তারই জের ধরে আমাদের কে ফাসানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল।
এদিকে দুই গ্রুপের পক্ষ থেকে শ্যামনগর থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে।মামলার প্রস্তুতি চলছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চোখ ও হার্টের জন্য গাজর খুবই উপকারী। গাজরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’ আছে। হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে গাজর সাহায্য করে। হার্ট ভালো রাখতে গাজর খান। গাজরের সলিউবল ফাইবার হাই কলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ব্লাড সুগার লেভেল ঠিক রাখে, ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ গাজর ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স প্রতিরোধ করে। হাই ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।

যেসব অসুখ সারাতে সাহায্য করে গাজর: ১. ওবেসিটি ২. অ্যালজাইমার ৩. অ্যাজমা ৪. মাড়ির সমস্যা ৫. রোখের সমস্যা ৬. কোলাইটিস ৭. ইনসমনিয়া ৮. কিডনি, লিভার ও গলব্লাডারের সমস্যা।

আল্ট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। যাদের বলিরেখা রয়েছে, রোদে পুড়ে গেছে এরকম ত্বকের যত্নে গাজর ব্যবহার করুন। গাজরের ক্যারোটিনয়েড এরকম ত্বকের উপশমে সাহায্য করে। আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে স্কিন ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। ত্বকের ন্যাচারাল ট্যান ভাবকে ধরে রাখে। গাজর খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমে যাবে। কাঁচা গাজরের তুলনায় সেদ্ধ গাজরে পুষ্টিগুণ বেশি। গাজরের জুসও বেশ স্বাস্থ্যকর। কারণ গাজরের জুসে সহজপাচ্য ফাইবার থাকে। কাঁচা গাজরের চেয়ে গাজরের জুস খেলে সহজে শরীরের মধ্যে প্রয়োজনীয় উপাদান পৌঁছায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দালালের মাধ্যমে বিদেশে গিয়ে অবৈধভাবে বসবাসের দিন শেষ হয়ে আসছে বাংলাদেশিদের। কারণ ইতিমধ্যেই বিদেশে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের নিয়ে রীতিমতো চাপের মুখে পড়েছে বাংলাদেশ। ইউরোপের দেশগুলো থেকে ৯৩ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানোর কঠিন শর্ত দেওয়া হয়েছে। এখন নতুন করে ইউরোপের দেশগুলোতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া নিয়েও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হচ্ছে।

ব্রিটেন প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশির অবৈধ বসবাসের অভিযোগ তুলে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে কাজের জন্য গিয়ে অবৈধ হয়ে পড়া কমপক্ষে ৫৫ হাজার কর্মী ইতিমধ্যেই দেশে ফিরে আসার আবেদন করেছে। অবৈধ অভিবাসীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে মালয়েশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক অবৈধ বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে সার্বক্ষণিক চাপ দিয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, আপাতত এই বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি নিয়ে বিভিন্নভাবে আলোচনা চালানো হচ্ছে। তবে আগের মতো অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে ঢালাও বসবাসের সুযোগ শেষ হয়ে যাবে খুব দ্রুতই। কারণ, অবৈধ এই অভিবাসীদের জন্য বৈধ অভিবাসী, পর্যটনসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশে যাওয়া বাংলাদেশিরাও সংকটে পড়ছেন। জানা যায়, নানাভাবে ইউরোপে গিয়ে অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ কয়েক বছর ধরেই আলাদাভাবে বলে আসছে। গত বছরের শুরু থেকে ২৮ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) অবৈধ বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টিতে জোর দিচ্ছে। অবৈধ এসব লোকজনকে দ্রুত ফিরিয়ে আনা না হলে বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া কঠোর করার কথা জানিয়েছে ইইউ। যদিও ইইউর কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তালিকা এখনো পায়নি বাংলাদেশ। আবার ইউরোপীয় কমিশনের পরিসংখ্যানের বিষয়েও আপত্তি আছে বাংলাদেশের। ইউরোপীয় কমিশনের পরিসংখ্যান দফতর ইউরোস্ট্যাটের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আট বছরে ৯৩ হাজার ৪৩৫ জন বাংলাদেশি ইউরোপের দেশগুলোতে অবৈধভাবে প্রবেশ করেছেন। পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, গত আট বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ২১ হাজার ৪৬০ বাংলাদেশি ইউরোপ গেছেন ২০১৫ সালে। অথচ ২০১৪ সালে ওই সংখ্যা ছিল ১০ হাজার ১৩৫। ২০১৩ সালে সংখ্যাটি ছিল ৯ হাজার ৪৯০ জন। ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে ওই সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭ হাজার ৮৫, ৮ হাজার ৮৭০, ৯ হাজার ৭৭৫, ১১ হাজার ২৬০ ও ১৫ হাজার ৩৬০ জন। ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয়ে কাজ করা সংগঠন ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত উত্তর আফ্রিকা থেকে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করেছেন সাত হাজার ৮৯৯ বাংলাদেশি। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, সর্বশেষ চলতি মাসের শুরুতে ইইউর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের তালিকা বাংলাদেশকে দেওয়ার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ওই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে আটক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ফিরতে বাধ্য করা হবে। এটাকে (চাপ প্রয়োগের) একটি ভিন্ন মাত্রা হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশি কূটনীতিকরা। জানা যায়, মানব পাচারকারীরা মূলত সিরিয়ায় শরণার্থীদের পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ২০১৫ সাল থেকে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিকে ইউরোপ যেতে প্রলুব্ধ করে। লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়া একটি মানব পাচারের জনপ্রিয় রুট হয়ে ওঠে। পাশাপাশি তুরস্ক দিয়েও প্রবেশের চেষ্টা শুরু করে অনেকেই। কিন্তু গত বছর তুরস্ক ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ‘ওয়ান ইন ওয়ান আউট’ চুক্তি সই করায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের তুরস্কে অবস্থান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কঠোর নজরদারিও শুরু হয়েছে। তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আল্লামা সিদ্দিকী বলেন, সিরিয়া, ইরাক, ইরানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গত বছরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে আসা বাংলাদেশের হাজার দুয়েক লোক তুরস্কে আটকা পড়েছেন। তাদের বেশির ভাগই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে  বৈধভাবেই কাজ করতেন। মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে পড়ে তারা ইউরোপ পাড়ি দিতে তুরস্কে এসে আটকা পড়ছেন। সেসব লোক দালালদের পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা দিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে ইউরোপ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এতে মানবিক বিপর্যয়েরও আশঙ্কা করেন রাষ্ট্রদূত।

অন্যদিকে, গত বছরের শেষ নাগাদ ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেক অভিযোগ তুলেছিলেন, প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি নাগরিক অবৈধভাবে ব্রিটেনে রয়েছেন। হাইকমিশনার জানান, তাদের জোর করে নয়, বরং মানবিক পদ্ধতিতে ফেরত পাঠাতে চায় ব্রিটেন। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অবশ্য ঢাকার পররাষ্ট্র দফতরের কর্মকর্তারা এ বিষয়ে দ্বিমত প্রকাশ করেন। তারা বলছেন, ব্রিটেন যে ২০ হাজার বাংলাদেশিকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে তার মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন, যারা ব্রিটেনে পড়তে গিয়ে কর্তৃপক্ষের ভুলের কারণে বিপদে পড়েন। অবশ্য এ বিষয়টি ব্রিটিশ সরকারের কাছে জোরালোভাবে তুলেও ধরেছে সরকার। জানা যায়, সম্প্রতি মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসী শ্রমিকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। ধারণা করা হয়, দেশটিতে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি অবৈধভাবে বাস করছেন। গত মাসে কয়েক হাজার বাংলাদেশি অভিযানে আটক হন। সৌদি আরবেও শিগগির অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযান শুরু হবে। এ দেশটিতেও দালালের মাধ্যমে কাজের সন্ধানে যাওয়া বিপুলসংখ্যক অবৈধ বাংলাদেশি রয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সৌদি আরবে সোমবার শেষ হচ্ছে সাধারণ ক্ষমা লাভের সুযোগ। সৌদি গেজেট বলছে, ২৫ জুলাই পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক দেশে ফিরে আসতে আবেদন করেছেন। বাংলাদেশি কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, প্রায় ৫৫ হাজার বাংলাদেশি ফিরে যাওয়ার সুযোগ নিতে যাচ্ছেন। এ পর্যন্ত মোট ২০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক সৌদি আরব ত্যাগ করেছেন।

সংকটে পড়ছেন বৈধরাও : মানব পাচার পরিস্থিতি নিয়ে চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের ‘ট্রাফিকিং ইন পারসন’ শীর্ষক বার্ষিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় স্তরে একধাপ নামিয়ে ‘নজরদারিতে থাকা দেশের’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৪৫টি দেশ এই নজরদারির তালিকায় রয়েছে। অপরদিকে, মালয়েশিয়ায় ধরপাকড় শুরুর পর থেকেই সাধারণ পর্যটক বাংলাদেশিদেরও নানান হয়রানি শুরু করেছে মালয়েশীয় ইমিগ্রেশন। কুয়ালালামপুরের বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে প্রায় ডজনখানেক পর্যটককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে। এমনকি স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে মালয়েশিয়া ঘুরতে যাওয়া স্ত্রীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার পর স্বামীকে বিমানবন্দর থেকেই ফেরত পাঠানোর ঘটনাও ঘটেছে এ সময়ে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবার রমরমা বাণিজ্যের পাশাপাশি নেশার বাজারে নতুন আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়েছে ‘সিসা’। রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা, ধানমন্ডিসহ অভিজাত এলাকাসমূহে রীতিমতো ‘সিসা বার’ পর্যন্ত গড়ে উঠেছে। বিত্তবান ঘরের ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে সেসব বারে গিয়ে হাজির হচ্ছে, সিসার ধোঁয়ার নেশায় থাকছে বুঁদ হয়ে। রাজধানীতে গজিয়ে ওঠা শতাধিক সিসা বার নিয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারাও বিপাকে পড়েছেন। এটি মাদকের তালিকায় না থাকায় সিসার নেশায় আসক্ত কিংবা তা বেচাকেনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যাচ্ছে না। এ ছাড়া সিসার বার নিয়ে হাই কোর্টে রিট আছে। সেখানে বলা আছে, ‘সিসার ওপর অভিযান চলতে পারে, যদি এতে মাদকদ্রব্যজাতীয় কিছু মিশ্রিত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু এতে যদি কোনো মাদকের অস্তিত্ব না থাকে সে ক্ষেত্রে আমরা আইন প্রয়োগ করতে পারি না। ’ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরীক্ষায় দেখা গেছে, সিসায় মাদকের উপাদান না পাওয়া গেলেও এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর মধ্যে উচ্চমাত্রার টক্সি, কার্বন মনো-অক্সাইড হেভি মেটালসহ ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান থাকে। টেট্রাহাইড্রোক্যানাবিনল হাসিসের নির্যাসের সঙ্গে রাসায়নিক মিশ্রণে সিসা তৈরি হয়। এতে নিকোটিনের পরিমাণও থাকে মাত্রাতিরিক্ত। প্রাচীনকালের হুঁকার ‘নগর সংস্করণ’ই হচ্ছে সিসা। এখন তামাক ও আফিমের সঙ্গে কথিত ফলের নির্যাস মিলিয়ে হুঁকা টানা হয়। অল্প দিনেই সিসা সেবন তরুণ-যুবাদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় নেশা হয়ে উঠেছে। গুলশান-বনানীতে মাত্র এক হাজার টাকাতেই যে পরিমাণ সিসা কেনা যায়, তা চার-পাঁচজন মিলে সেবন করতে পারে। ঢাকায় লিমোরা ডিলাইট, পান সালসা, অরেঞ্জ কাউন্টি, ওয়াইল্ড মিন্ট, কিউইসহ বিভিন্ন ফ্লেভারের সিসা পাওয়া যায়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) নজরুল ইসলাম সিকদার সাংবাদিকদের বলেন, সিসার বারের জন্য মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কোনো লাইসেন্স লাগে না। সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স থাকলেই সিসার বার গড়ে তোলা যায়। ফলে যে কেউ যেখানে-সেখানে সিসার বার স্থাপনের মাধ্যমে নেশার বিস্তার ঘটিয়ে চলেছে। তবে সিসার বারগুলো কেবলই ‘নেশার ধোঁয়া’ সেবনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, সেগুলো হয়ে উঠছে তরুণ-তরুণীদের অবাধ মেলামেশাসহ অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়াস্থল। পাশাপাশি সিসার হুঁকায় ইয়াবা ও গাঁজার সংমিশ্রণ ঘটিয়েও নেশাকে তীব্র রূপ দেওয়ার চেষ্টা চলছে অহরহ। এসব সিসার বারে কিশোর-কিশোরীদের উদ্বেগজনক ভিড়ও লক্ষ করা গেছে। এ ধরনের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময় ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মোবাইল কোর্ট সিসার বারগুলোতে অভিযান চালিয়েছে। সেখানে সপ্তম-অষ্টম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের সিসার ধোঁয়ায় বুঁদ হয়ে থাকতে দেখে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেটও অবাক হয়ে যান। সেসব ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কিশোর-কিশোরীদের অভিভাবকদের ডেকে নিয়ে ‘সন্তান ভবিষ্যতে আর সিসার বারে যাবে না’ মর্মে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গুলশানে ‘…ফুড অ্যান্ড লাউঞ্জ’ নামের সিসার বারের নিচতলা পর্যন্ত পৌঁছেও উপরের তলায় কী হচ্ছে তার কিছুই বোঝার উপায় নেই। ওই সিসা বারের নিচতলায় জুস বার। দ্বিতীয় তলায় ফাস্টফুডের ব্যবস্থা। দোতলা থেকে ছোট ছোট সিঁড়ি দিয়ে উপরে গেলেই আলো-আঁধারির পরিবেশ। চারপাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। চোখ জ্বালাপোড়া করে। মাঝেমধ্যে লাল-নীল আলোর ঝলকানি। টেলিভিশনের বড় পর্দায় হিন্দি চ্যানেলে যৌন-উদ্দীপক গান বাজছে। ছোট ছোট টেবিলে চার, পাঁচ বা ছয়জন করে বসা। বসার জায়গা এত কম যে, একজন বসলে অন্যজনের সঙ্গে গা ঘেঁষে চাপাচাপি করে বসতে হয়। সবার টেবিলে সিসা। সঙ্গে নানা ধরনের কোমল পানীয় রয়েছে। ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ওয়াই-ফাই ফ্রি। আরও ‘অন্তরঙ্গভাবে’ বসার জন্য পৃথক পৃথক কক্ষও আছে। প্রায় অভিন্ন স্টাইলে উত্তরার গলিতে গলিতেও গড়ে উঠেছে সিসার বার। রাত-দিন সেসব আখড়া তরুণ-তরুণীদের অন্য রকম মেলামেশার নিরাপদ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। সিসার নামে নেশার জাল বিস্তৃত হচ্ছে রাজধানীজুড়ে। এ জালে আটকা পড়ছে অভিজাত ঘরের সন্তানরা। তরুণ-তরুণীরা সিসা গ্রহণে ঝুঁকে পড়ায় তাদের টার্গেট করে বারগুলোতে সিসার সঙ্গে নানা রকম মাদক মেশানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেশ কিছু দিন সিসার বারে যাতায়াতকারী একাধিক যুবক জানিয়েছেন, টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হলেই সিসার সঙ্গে হেরোইন, ইয়াবা, গাঁজা, আইস ও যৌন-উত্তেজক ট্যাবলেটের গুঁড়ো মিশিয়ে দেওয়া হয়। সিসার বারগুলোকে আকর্ষণীয় করার জন্য পরিবেশক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে স্বল্পবসনা মেয়েদের। তারা একাকী যাওয়া যুবক-তরুণদের বন্ধুর মতোই সঙ্গ দিয়ে থাকে। বনানীর কামাল আতাতুর্ক সরণি, ১১ নম্বর খেলার মাঠের পাশে, ইউনাইটেড হাসপাতালের পেছনে প্রকাশ্যে ও গোপনে চলছে বেশ কয়েকটি সিসা লাউঞ্জ। ধানমন্ডি ২৭ নম্বর, সাতমসজিদ রোড ও রাইফেলস স্কয়ার-সংলগ্ন অভিজাত রেস্টুরেন্টগুলোতে গড়ে উঠেছে সিসা লাউঞ্জ। অন্যদিকে খিলক্ষেত ও উত্তরার নামিদামি হোটেল, রেস্টহাউসের সঙ্গেও সিসার বারের সংযুক্তি রয়েছে। সব মিলিয়ে রাজধানীতে নামে-বেনামে শতাধিক সিসা লাউঞ্জ রয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সিসা সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়েছে রাজধানীর বাইরেও। সিসা লাউঞ্জে যাতায়াতকে আধুনিকতার অংশ হিসেবে মনে করে আসক্তরা। রাজধানীর বিভিন্ন সিসা লাউঞ্জ ঘুরে দেখা গেছে, সিসা গ্রহণকারীর মধ্যে বেশির ভাগই স্কুল-কলেজ কিংবা ভার্সিটি পড়ুয়া। তারা কয়েক বন্ধু একত্র হয়ে ডিজে পার্টি বা সিসা পার্টির নামে সিসা উৎসবের আয়োজন করে থাকে।

সূত্র : বিডি প্রতিদিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সম্প্রতি ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়ের ১০ সুন্দরী অভিনেত্রীর নাম। এবারের অ্যালবাম সাজানো হয়েছে তাদের ছবি নিয়ে।

জেনিফার লরেন্স: ২৬ বছরের যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনেত্রী গত বছর আয় করেছেন ৪৫ মিলিয়ন ডলার। সবচেয়ে বেশি আয় করা অভিনেত্রীদের তালিকায় তার নামটাই সবার ওপরে।

মেলিসা ম্যাককার্থি: অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি, ফ্যাশন ডিজাইনিং এবং ছবি প্রযোজনাও করেন মেলিসা ম্যাককার্থি। সে কারণে আয়টাও অনেক বেশি। ২০১৫ সালে নাকি কমপক্ষে ৩৩ মিলিয়ন ডলার জমা হয়েছে তার অ্যাকাউন্টে।

স্কারলেট জোহানসন: ২০১৫ সালে জেনিফার অ্যানিস্টনের চেয়ে চার মিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আরেক অভিনেত্রী, মডেল এবং গায়িকা স্কারলেট জোহানসন। ২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেই তৃতীয় হয়েছেন তিনি।

জেনিফার অ্যানিস্টন: যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনেত্রী গত বছর আয় করেছেন ২১ মিলিয়ন ডলার। ৪৭ বছর বয়সী জেনিফার অবশ্য শুধু অভিনেত্রী নন, প্রযোজনা এবং ব্যবসা থেকেও আয় আসে তার।

ফ্যান বিংবিং: অনেকে হয়ত নামটি দেখে অবাক হচ্ছেন। হ্যাঁ, ফোর্বসের তালিকায় চীনের এই অভিনেত্রী ও গায়িকার নামই এসেছে পঞ্চম স্থানে। গত বছর ১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন বিংবিং।

শার্লিজ থেরন: ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেয়া এই মার্কিন অভিনেত্রী থেরন আয় করেছেন ১৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার। তাই ফোর্বসের তালিকায় তার নাম আছে ষষ্ঠ স্থানে।

অ্যামি অ্যাডামস: আরেক হলিউড অভিনেত্রী ও গায়িকা অ্যামি অ্যাডামস পাঁচবার মনোনয়ন পেলেও এখনো অস্কার জিততে পারেননি, তবে আয়ের দিক থেকে অনেক অস্কারজয়ীকেই পেছনে ফেলেছেন। এক বছরে ১৩ দশমিক ৫, অর্থাৎ সাড়ে তেরো মিলিয়ন ডলার আয় করে তিনি আছেন সপ্তম স্থানে।

জুলিয়া রবার্টস: তিনবারের গোল্ডেন গ্লোব এবং একবারের অস্কার জয়ী জুলিয়া রবার্টস গত বছর আয় করেছেন ১২ মিলিয়ন ডলার। ‘প্রিটি ওমেন’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের কারণে প্রথম তারকাখ্যাতি পাওয়া এই হলিউড অভিনেত্রী আছেন অষ্টম স্থানে।

মিলা কুনিস: ফোর্বসের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অভিনেত্রী মিলা কুনিস আছেন নয় নম্বরে। গত বছর ১১ মিলিয়ন ডলার আয় করার সুবাদে দীপিকাকে পেছনে ফেলেছেন তিনি।

দীপিকা পাড়ুকোন: তালিকায় একমাত্র ভারতীয় অভিনেত্রী। বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা গত বছর মোট ১০ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন এবং সেই সুবাদে স্থান পেয়েছেন বছরে সবচেয়ে বেশি আয় করা অভিনেত্রীদের তালিকায়। দশম হয়েছেন দীপিকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest