সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনে ১৬টি পদের বিপরীতে দুটি প্যানেলে ৩২ জন প্রতিদ্বন্দিতা করেন।এর মধ্যে বিশ্বনাথ ঘোষ-রঘুজিৎ গুহ পরিষদ নিরষ্কুশ জয় লাভ করেন। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণের কাজ চলে। রাত ১১ টায় গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
সভাপতি পদে বিশ্বনাথ ঘোষ ৪৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকট প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী নয়ন কুমার সানা ৩২৫ ভোট পেয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক পদে রঘুজিৎ গুহ ৪২৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী নির্মল কুমার দাস ৩৭১ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া সহ-সভাপতি পদে গোষ্ঠবিহারি মন্ডল ৪২৮ ভোট, অ্যাড. সোমনাথ ব্যানার্জি ৪১৪ ভোট, সনাতন দাস ৩৯৯ ভোট, নয়ন সানা- নির্মল দাস প্যানেলের একমাত্র প্রার্থী অ্যাড.অনিত মুখার্জী ৩৯২ ভোট, বিশ্বানাথ- রঘুজিৎ প্যানেলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নিত্যানন্দ আমিন ৪১৩ ভোট,সহ-সম্পাদক বিকাশ দাস ৪১২ ভোট, সাংগাঠনিক সম্পাদক প্রাণ নাথ দাস ৪১৩ ভোট, কোষাধ্যক্ষ আনন্দ কুমার সরকার ৪৩৪ ভোট,সাহিত্য সম্পাদক রনজিৎ সরকার ৪১৮ ভোট, সাংস্কৃতিক সম্পাদক ডাঃ অসীম বিশ্বাস ৪১১ ভোট,অডিটর অসীম কুমার দাস (সোনা) ৪২৯ ভোট,প্রচার সম্পাদক সঞ্জিব কুমার ব্যানার্জী ৪৪০ ভোট ও দপ্তর সম্পাদক হিসেবে কার্ত্তিক চন্দ্র বিশ্বাস ৪২৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। সমিতির আজীবন সদস্যদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে শুরু থেকে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন সুশৃংখল ভাবে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেখা যায়। কেন্দ্রে মহিলাদেরও উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। মোট কথা নির্বাচনকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দিন ভর আনন্দ উদ্দীপনা বিরাজ করছিল। নির্বাচনে ১৩২৪ জন ভোটারদের মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ৮০৬ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে আটটি ভোট। নির্বাচন সুষ্ঠ শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে বিপুল সংখ্যক আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। নির্বাচন প্রধান নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালন করেন ডাঃ প্রশান্ত কুমার কন্ডু। সহকারী কমিশনার ছিলেন অপরেশ পালও অ্যাড.ড.দিলীপ কুমার দেব। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বপালণকারি ডাঃ প্রশান্ত কুমার কু-ু ভোটের ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সৌদি আরবের মক্কাকে লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা একটি ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুঁড়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি সেনাবাহিনী। সৌদি সেনাবাহিনী বলছে, মিসাইলটি পবিত্র শহর মক্কাকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল। পরে তা মক্কা নগরীর ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ধ্বংস করা হয়। তবে হুতিরা জানিয়েছে, মিসাইলটি মক্কার কাছে তায়েফ শহরে অবস্থিত সৌদি বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছিল।

মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র এই শহরে এখন হজ উপলক্ষে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করেছেন। আর সেটা লক্ষ্য করেই কি এই মিসাইল ছোঁড়া হয়েছিল কিনা তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সৌদি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হজ বানচাল করার লক্ষ্যে শিয়া হুতিদের একটি চেষ্টার অংশ হিসেবে মিসাইলটি ছোঁড়া হয়েছে। আগামী মাসের শেষ দিকে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

এর আগেও সৌদি আরবের ভেতরে মিসাইল ছুড়েছিল হুতি বিদ্রোহীরা এবং বলা হয়েছিল এর কোন কোনটি মক্কার দিকে তাক করেই ছোঁড়া হয়েছিল। গত অক্টোবর মাসে হুতিরা একটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ে, যা মক্কার কাছে ভূপাতিত করা হয়। সৌদি আরবের উপসাগরীয় মিত্ররা এই হামলার নিন্দা জানিয়েছিল। কিন্তু নতুন এই হামলাটি হজের আগে একটি হুমকি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। কারণ বিশ লাখের মতো মানুষ এ সময় মক্কা নগরীতে জমায়েত হওয়ার কথা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনে তিনজনের উপাচার্য প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন বর্তমান উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, বর্তমান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক কামাল উদ্দীন ও বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন মো. আব্দুল আজিজ।

উপাচার্য নির্বাচন করতে অর্ধেক সদস্য নিয়ে সিনেটের বিশেষ অধিবেশন বসে আজ শনিবার। অধিবেশন শেষে প্যানেল বিষয়ে উপাচার্য আরেফিন সিদ্দিক সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

বিএনপি, জামায়াত-সমর্থিত শিক্ষকদের বর্জন, আওয়ামী লীগ-সমর্থিত শিক্ষকদের একটি অংশের বিরোধিতা ও ডাকসু নির্বাচন ছাড়া উপাচার্য নির্বাচন না করতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী ২৪ আগস্ট আরেফিন সিদ্দিকের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে এই তিনজনের মধ্য থেকে নতুন উপাচার্যকে বেছে নেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শিক্ষার্থীরা সিনেট ভবনের ফটকে জড়ো হন। তাঁরা ডাকসুর নির্বাচনের দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন।

বিকেল পৌনে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরের পাশের ফটক ভেঙে শিক্ষার্থীরা ভেতরে ঢুকে যান। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে উপাচার্য প্যানেল নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নেইমারের দলবদলের গুঞ্জন নিয়ে স্বস্তিতে নেই বার্সেলোনার খেলোয়াড়রাও। ড্রেসিংরুমের মধ্যে একটা অস্থিরতা কাজ করছে ব্রাজিলিয়ান তারকার এই ইস্যু নিয়ে। নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেউই নিশ্চিত নন। দলের সিনিয়র খেলোয়াড় আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের বাইআউট ক্লজের শর্ত পূরণ করে দেওয়া প্রস্তাবে নেইমার ‘হ্যাঁ’ বলেছেন কিনা, সেটা এখনও অজানা। তবে বার্সেলোনার কাছে ৩০০ মিলিয়ন ইউরোর চেয়ে নেইমার দামি বলে মনে করেন দলটির অধিনায়ক।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রাক মৌসুম প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট খেলতে গেছে বার্সেলোনা। স্পেন ছেড়ে অন্য মহাদেশে পাড়ি দিলেও পিছু ছাড়ছে না নেইমারের দলবদলের ইস্যু। ক্লাবের কোচ থেকে শুরু করে প্রত্যেক খেলোয়াড়কে শুনতে হচ্ছে ব্রাজিলিয়ান তারকাকে নিয়ে প্রশ্ন। ‘এল ক্লাসিকো’র আগে একই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন ইনিয়েস্তা। তিনি অবশ্য অনুরোধ করেছেন, এই বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কিছু জিজ্ঞেস না করার। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সংবাদ সম্মেলনে শুধু এটুকু বলেছেন, ‘ভালো লাগবে যদি সংবাদমাধ্যমগুলো নেইমার বিষয়ে খুব বেশি প্রশ্ন না করে। শেষ পর্যন্ত একটা পথই খোলা আছে এই বিষয়ে, সেটা হলো নেইমারের নিজে কথা বলা।’

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের খবর পিএসজি নেইমারের ব্যাপারে বার্সেলোনার বাইআউট ক্লজের শর্ত পূরণ করতে রাজি। ব্রাজিলিয়ান তারকাকে পেতে হলে ফরাসি ক্লাবটিকে খরচ করতে হবে ২২২ মিলিয়ন ইউরো। তাতে বার্সেলোনার কোষাগারে জমা হবে মোটা অঙ্কের টাকা। ইনিয়েস্তার কাছে এই টাকার মূল্য নেইমারের চেয়ে বেশি না। তার চোখে ব্রাজিলিয়ান তারকার গুরুত্বটা এমন, ‘আমার মনে হয় না নেইমারের চেয়ে ২০০-৩০০ মিলিয়ন ইউরো লাভজনক হবে বার্সেলোনার জন্য। কোনও সন্দেহ নেই আমরা সবাই চাই ও এখানে (বার্সেলোনা) খেলা চালিয়ে যাক।’

মেসি ছিলেন আগে থেকেই। এরপর ২০১৩ সালে সান্তোস ছেড়ে বার্সেলোনায় যোগ দেন নেইমার। ব্রাজিলে খেলার সময়ই তারকাখ্যাতি পেয়ে যাওয়া ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড হয়েছেন আরও পরিণত। বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়কে সবসময় নিজের দলে দেখতে চান ইনিয়েস্তা, ‘ও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন। আর আমি সবসময় আমার দলে চাই বিশ্বসেরা খেলোয়াড়কে।’

অনুশীলন সেশনে নেইমারের মারামারির বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন ইনিয়েস্তা। সতীর্থ নেলসন সিমোদোর সঙ্গে ঝামেলায় রেগে অনুশীলন ছেড়ে যাওয়ার ঘটনাটি ‘স্বাভাবিক’ হিসেবেই বর্ণনা করেছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক। মার্কা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অবশেষে ভুটানের ডোকলাম সীমান্ত ইস্যুতে সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছে ভারত-চীন। ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও চীনের স্টেট কাউন্সিলার ইয়াং জিয়েচির মধ্যে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আগামী অক্টোবর মাসে শীত পড়ার আগেই ভারত ও চীন ডোকলাম থেকে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার করে নেবে।

বেইজিংয়ে ব্রিকসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠকে গিয়ে গত দু’দিন ধরে জিয়েচির সঙ্গে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন ডোভাল। দিল্লিতে পররাষ্ট্র অধিদফতর সূত্রের খবর, ভারত ও চীনের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে জি-২০ দেশগুলোর বৈঠকের সময়ে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত কার্যকরী হবে। ডোভাল ও জিয়েচির আলোচনার পরে যদিও ভারত ও চীন দু’দেশের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে কোনো কথা বলা হয়নি।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ডোকলামে আপাতত স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। অর্থাৎ, ভুটানের ভুখন্ডে চীন ও ভারতের সেনা যে ভাবে মুখোমুখি রয়েছে, সেই পরিস্থিতিই বহাল থাকছে। চীনের পক্ষ থেকে ডোভালকে বলা হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর চীনা সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মির বার্ষিক দিবস। তার আগে সেনা পত্যাহার করলে তাদের জাতীয়তাবাদে আঘাত লাগবে।

এদিকে, বেইজিংয়ে গতকাল চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং ডোভাল-সহ ব্রিকসের দেশগুলোর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেন, ‘ব্রিকসের দেশগুলো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আর্থিক, রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে জটিল পরিস্থিতির মুখোমুখি। দেশগুলোর পারস্পরিক যোগাযোগ ও আর্থিক সমঝোতা সবাইকেই শক্তিশালী করতে পারে। ‘ চীনা প্রেসিডেন্টের মতে, ব্রিকসের দেশগুলো পরস্পরের প্রতি আস্থা অর্জন করতে সফল হয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্যারেন গ্রিনলে ক্যালিফর্নিয়ার একজন মর্গ-কর্মী। কাজ করতেন এমবামার হিসেবে। ১৯৭৯ সালে ধরা পড়েন ২২ বছর বয়সী ক্যারেন। তখন প্রমাণ হয়‚ তিনি ৩৩ বছর বয়সী এক যুবকের দেহ নিয়ে পালিয়ে যান। মর্গ থেকে শেষকৃত্যে নিয়ে যাওয়ার বদলে ক্যারেনের গন্তব্য হয়ে যায় পাশের গ্রাম। সেখানে বেশ ক’দিন তিনি সঙ্গম করেন ওই শবের সঙ্গে।

পুলিশ তাঁকে জেরা করে জানতে পারে ততদিনে অন্তত ৪০ টি শবের সঙ্গে সঙ্গম হয়ে গেছে তাঁর! সবকটি ক্ষেত্রেই শবগুলো ছিল তরুণদের। ক্যারেন অপেক্ষায় থাকতেন কবে মর্গে আসবে তরুণ সুপুরুষ কারও দেহ। এলেই কামতাড়িত হয়ে পড়তেন ক্যারেন।

কিন্তু কেন ? জানতেন না ক্যারেন নিজেই। চার পাতার এক স্বীকারোক্তিতে তিনি বলেছেন‚ শবকাম তাঁর কাছে নেশার মতো। তিনি থাকতে পারেন না ওটি ছাড়া। মৃতদেহের গন্ধ তাঁর খুব ইরোটিক বলে মনে হয়। নিজেকে তিনি বলতেন মর্গের ইঁদুর। আর নিথর দেহগুলো সেই ইঁদুরের গর্ত।

ক্যারেন যে সময় ধরা পড়েন তখন ক্যালিফর্নিয়ায় শবকাম দণ্ডনীয় অপরাধ ছিল না। ফলে শুধু মৃতদেহ চুরির দায়ে আর্থিক জরিমানা এবং ক’দিনের কারাদণ্ড হয় ক্যারেনের।

জেল থেকে বেরিয়ে ক্যারেন তখন কর্মহীন। তাঁর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিয়ে বই লেখেন জিম মর্টন। বইটির নাম দেন Apocalypse Culture। তার উপর ভিত্তি করে তৈরি হয় কয়েকটি সিনেমাও। কিন্তু হারিয়ে যান ক্যারেন। শোনা যায়‚ নাম পাল্টে তিনি চলে যান ক্যালিফর্নিয়া শহর ছেড়ে আমেরিকার অন্য কোথাও, লোকচক্ষুর অন্তরালে। নিজের অতীত নিয়ে তিনি অনুতপ্ত ছিলেন। কিন্তু ব্যাখ্যা করতে পারেননি কেন ওই প্রবণতা থেকে বের হতে পারেননি। এমনকী‚ ভবিষ্যতে ওই বিকৃতির হাত থেকে মুক্তি পাবেন কি না‚ তা নিয়েও নিশ্চিত হতে পারেননি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আওয়ামী লীগের দুই সহযোগী সংগঠন মহিলা লীগ ও যুব মহিলা লীগের সদ্য ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে তোলপাড় চলছে। কমিটিতে বিতর্কিত, অপরিচিত ও হাইব্রিডদের স্থান দেয়ার অভিযোগ ওঠায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে ক্ষমতাসীন দলে। ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ এবং গণমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন সংগঠন দুটির ত্যাগী ও জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মীরা। আবার পদত্যাগের হুমকিও দিচ্ছেন কেউ কেউ। বিশেষ সুপারিশে অপরিচিত অনেকেই কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন ত্যাগীরা। বিষয়টি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন দুটির শীর্ষ নেতারা।

গত মঙ্গলবার যুব মহিলা লীগের ১২১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ২১ জনকে সহ-সভাপতি, ৮ জনকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ৮ জনকে সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩৫ জনকে সম্পাদক এবং ৫২ জনকে সদস্য করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অনুমোদিত এ কমিটিতে স্থান পাওয়াদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া পদের ক্ষেত্রে সিনিয়র-জুনিয়র প্রটোকল মানা হয়নি বলে অভিযোগ করছেন নেত্রীরা।

কমিটির ২ নং সহ-সভাপতি শিরিনা নাহার লিপির স্বামী গাজী কামরুল ইসলাম সজল বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ৫৯ নং সদস্য এবং যুদ্ধাপরাধ মামলায় আসামি পক্ষের একজন আইনজীবী। বিএনপির কেন্দ্রীয় একজন নেতার স্ত্রী ক্ষমতাসীন দলের গুরুত্বপূর্ণ এ পদ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কমিটির অন্য নেত্রীরা। তারা প্রশ্ন তুলেছেন যে পরিবার প্রধান যুদ্ধাপরাধ মামলায় আসামি পক্ষের একজন আইনজীবী তার স্ত্রীকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেয়ায়।

১৭ নং সহ-সভাপতি রাশেদা পারভীন মনির স্বামী গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ঝালকাঠির রাজাপুরের মঠবাড়িয়া ইউনিয়নে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে হেরে যান।

কমিটির ৩ নং যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে অ্যাডভোকেট শাহানাজ পারভীন ডলিকে। তিনি ঝালকাঠি রাজাপুর উপজেলা শিবিরের সাবেক সেক্রেটারি মোস্তফা কামাল সিকদারের আপন বোন। বনানীর রেইনট্রি হোটেলের মালিক স্থানীয় বিতর্কিত এমপি বি. এইচ হারুণ গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নং মঠবাড়ি ইউনিয়নে কামাল সিকদারকে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেন। ডলির ভাইয়ের পরিচিতি তুলে ধরে রাজাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ থেকে কেন্দ্রে একটি প্রত্যয়ন পত্র দেয়া হয়। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়া হায়দার খান লিটন এবং শিক্ষা ও মানব উন্নয়ন সম্পাদক তালুকদার শফিকুর রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রত্যয়ন পত্রে যুব মহিলা লীগ নেত্রী ডলির ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচিতির বিবরণ তুলে ধরা হয়। আর ডলি নিজেকে কখনো ডাক্তার আবার কখনো অ্যাডভোকেট বলে পরিচয় দিলেও তার সঠিক পদবী নিয়ে সংগঠনে নানা গুঞ্জন রয়েছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্রলীগ করা নেতাকর্মীরা সরাসরি যুব মহিলা লীগে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে যুব মহিলা লীগ করা নেত্রীরা বেশ ক্ষুব্ধ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নেত্রী বলেন, যুব মহিলা লীগের শুরু থেকে আমরা রাজনীতি করছি। সেই দু:সময়ে মাঠে কেউ ছিল না। নাজমা আক্তার এবং অপু উকিলের নেতৃত্বে আমরা প্রতিটি অলি-গলিতে ঘুরে সংগঠনকে আজ এ পর্যায়ে এনেছি। কিন্তু ছাত্রলীগ থেকে অনেকেই এসে আজ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে রেডিমেড বসে গেছেন।
সংগঠনের ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন ক্ষোভ প্রকাশ করে নিজের ফেসবুকে লিখেন, যুব মহিলা লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো, আমি যে জায়গায় থাকতে চেয়েছি সেখানেই আছি, স্বাধীন জায়গায়। কমিটিতে যে সব ত্যাগী নেত্রী স্থান পেয়েছেন তাদের দেখে আনন্দিত হয়েছি। তবে সত্য বলতে আমি কখনো ভয় পাই না। কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা এসেছেন তা আমাকে বিস্মিত করেছে।

তিনি বলেন, ২০ বছর আগে ছাত্রলীগ করেছে, যাদের আমরা যুব মহিলা লীগ কখনো চিনি না, দু:সময়ে যারা রাজনীতি থেকে বিদায় নিয়েছিল আজ সুসময়ে তারাই গুরুত্বপূর্ণ পদে আর রাজপথের মেয়েদের চোখের জল আমাকে ব্যথিত করেছে। আমি ভাবছি এত অভিশাপ কি সইতে পারবো নাকি নিজেই সরে দাঁড়াবো?

যুব মহিলা লীগে বিতর্কিতদের স্থান পাওয়া নিয়ে জানতে চাইলে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল বলেন, কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদেরই স্থান দেয়া হয়েছে। এটা নিয়ে কারো ক্ষোভ বা হাতাশার কারণ নেই। তবে সিনিয়র-জুনিয়র একটু প্রটোকল সমস্যা হয়েছে তা আমরা কো-আপ করে নেবো।

সংগঠনের সভাপতি নাজমা আক্তার বলেন, সবাই কমিটির প্রশংসা করেছেন, কেউ বঞ্চিত হয়নি। যাদের ব্যাপারে অভিযোগ আনা হচ্ছে তার কোনো ভিত্তি নেই। এ ছাড়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কারণে একই পরিবারে একেকজন একেক দলের সমর্থক থাকতে পারে। কারও ভাই, কারও স্বামী অন্য দলের সমর্থক বা নেতাও হতে পারে। কিন্তু সে কি করেছে, তার ত্যাগ কতটুকু সেটাই আমাদের কাছে মুখ্য বিষয়। আর প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারেই ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রীদের দলে পদ দেয়া হয়েছে। এখানো কারও ক্ষোভের কারণ নেই।

এদিকে গত শনিবার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে মহিলা আওয়ামী লীগ। কমিটিতে সভাপতি, সহ-সভাপতি ২১ জন, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৮ জন, সাংগঠনিক সম্পাদক ৮ জন, অন্য সম্পাদক ২৩ জন এবং কার্যকরী সদস্য ৮৯ জন রয়েছেন।

তবে কমিটিতে পদ পাওয়াদের নিয়ে বিতর্ক শুরু হলে এদের অনেককেই চেনেন না বলে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেছেন সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন জান্নাত আরা হেনরী। বহুল আলোচিত হলমার্ক কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। শুধু তা-ই নয়, সে সময় তিনি কোটি কোটি টাকা অবৈধ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধানেও ছিলেন।

নতুন কমিটিতে কার্যকরী সদস্য হয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াত নেতা মুমিনুল হক চৌধুরীর মেয়ে এবং স্থানীয় এমপি আওয়ামী লীগ নেতা আবু রেজা নদভীর স্ত্রী রিজিয়া রেজা নদভী।

এর আগে রিজিয়াকে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হলেও পরে তা আবার বাতিল করা হয়। তবে এবার কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে ঠাঁই পেয়েছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো হৈচৈ পড়ে যায় ক্ষমতাসীন দলে। ফেসবুকসহ নানা যোগযোগ মাধ্যমে কঠোর সমালোচনা করে স্ট্যাটাস দেন ছাত্রলীগ, যুবলীগের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের অনেকেই।

জানা গেছে, ১৫১ সদস্যে কমিটির অনেকেই নতুন মুখ। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়ালেখা শেষ করা ছাত্রলীগ নেত্রীরা কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। যাদের অনেককেই চেনেন না সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।

এ ব্যাপারে মহিলা লীগ সভাপতি সাফিয়া খাতুন বলেন, কারো বাবা জামায়াত করলেও মেয়ের আওয়ামী লীগ করতে দোষ কোথায়? আর ছাত্রলীগের ১০ থেকে ১২জন মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান পেয়েছেন, এদের আমি চিনি না। তবে এরা ত্যাগী ছাত্রলীগ কর্মী ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

‘সিমলা-মানালি-লেহ-খারদুংলা’ ভারতের হিমাচল এবং জম্মু-কাশ্মীর প্রদেশে অবস্থিত এই স্থানগুলো যেকোনো সাইক্লিস্টের কাছেই তীর্থস্থান তুল্য। এটিকে বলা হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরেবল রোড। তবে তীর্থস্থান তুল্য এ সড়কগুলো দুর্গম। যার প্রতি পদে পদে মৃত্যু হাতছানি দিয়ে ডাকে।

সম্প্রতি সিমলা শহর থেকে শুরু করে হিমালয়ের এইসব দুর্গম রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে মৃত্যুর সঙ্গে আলিঙ্গন করে এসেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ছাত্র সাকিব মাহমুদ।

১৮ জুলাই দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এই রুটে সাইকেল চালিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৮ হাজার ৩৮০ ফুট উচ্চতায় খারদুংলার পাশে বুকে ধারণ করেন লাল সবুজের পতাকা। এই উচ্চতায় উঠতে তাকে ১৯ দিনে পাড়ি দিতে হয়েছে ১১২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বন্ধুর পথ।

এর আগে ১৯ জুন চট্টগ্রাম থেকে ভারতের উদ্দেশে যাত্রা করেন সাকিব। কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে হিমাচল প্রদেশের সিমলা থেকে ২২ জুন শুরু করেন মূল রাইড। পথিমধ্যে ৩০০ কিলোমটার সাইকেল চালিয়ে নিরাপত্তাজনিত কারণে অনুমতি না পেয়ে মানালি থেকে ফিরতে হয় উল্টো পথে। এতে কিছুটা হতাশ হলেও একেবারে দমে যাননি এই কৃতি সাইক্লিস্ট। ফের নতুন উদ্যমে যাত্রা শুরু করেন খারদুংলার পথে। পুরো রাইডে বেশ কয়েকবার উচ্চতাজনিত ও শারিরীক সমস্যায় পড়তে হয় তাকে। এরসঙ্গে সঙ্গী হয় ভারী বৃষ্টি।

তবে সবকিছু উপেক্ষা করে অবশেষে ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় খারদুংলায় উঠতে সফল হন। অভিযাত্রার ৭ দিন আগেও জানতেন না তার আদৌ যাওয়া হবে কি না। অর্থের অভাবে ভিসাও করতে পারছিলেন না। আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতার জন্য নিজ বিশ্ববিদ্যালয়সহ অনেকের দ্বারে গিয়েছেন। কিন্তু তাতে মেলেনি কোনো সাড়া।

পরবর্তীতে এগিয়ে আসেন কিছু বড়ভাই। যাদের ধার দেনায় আজ তার এ অর্জন। তীব্র একাগ্রতা আর অধ্যাবসায় ছিল বলেই আর্থিক সংকট থাকা সত্ত্বেও পৌঁছাতে পেরেছেন নিজের কাংঙ্ক্ষিত গন্তব্যে। যে গৌরবান্বিত করেছেন নিজের দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়কে।

অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাকিব মাহমুদ বলেন, উপরে ওঠার পর মনে হলো আমি পেরেছি। আমার দেশের নাম সবার সামনে তুলে ধরতে।’

তার রাইডে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের জানিয়েছেন অসীম কৃতজ্ঞতা। তিনি আরো বলেন, আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে ভবিষ্যতে সাইকেলে বিশ্ব জয় করতে চাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest