সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

শুটিংয়ের ফাঁকে মরক্কোয় দারুণ সময় কাটাচ্ছেন ক্যাটরিনা কাইফ ও সালমান খান। ভক্তদের উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি শেয়ারও করছেন ক্যাটরিনা।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে জানা যায়, সম্প্রতি মরক্কোর এক রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়েছিল ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ চলচ্চিত্রের গোটা টিম। সেখানেই দুটি সেলফি তুলে শেয়ার দিয়েছেন ক্যাটরিনা।

একটি সেলফি সালমানকে না জানিয়ে তুলেছেন ক্যাটরিনা। যেখানে চামচ মুখে করে কারো দিকে তাকিয়ে রয়েছেন সালমান। মরক্কোতে যাঁর হাতের খাবার খেয়েছেন, তাঁর সঙ্গেও ছবি তুলতে ভুল করেননি ক্যাটরিনা। সে ছবিতে ক্যাটরিনাকে পরিষ্কার দেখা গেলেও সালমানকে দেখা গেছে অস্পষ্টভাবে।

এর আগে ক্যাটরিনার শেয়ার করা অন্য একটি ছবি ভাইরাল হয়ে যায় ইন্টারনেট দুনিয়ায়। সেখানে সালমানকে নিজের হাত মুখ ঢেকে রাখতে দেখা যায়। অন্যদিকে ক্যাটরিনাকে দেখা যায় হাসিমুখে। তাঁর একটি হাত তাক করা ছিল সালমানের দিকে। তিনটি ছবিতেই সালমানের পরনে ছিল বাদামি রঙের জ্যাকেট, গলায় ‘এক থা টাইগারে’র চিরচেনা স্কার্ফ। অন্যদিকে তিনটি ছবিতেই কালো রঙের পোশাকে ছিলেন ক্যাটরিনা।

এদিকে, শুটিংয়ের অজুহাতে সালমান ক্যাটরিনার কাছে আসাটাকে মেনে নিতে পারছেন না সালমানের বান্ধবী ইউলিয়া ভান্টুর। জুম টিভির খবরে জানা যায়, শুটিং দেখার পাশাপাশি সালমানের সঙ্গে মধুর সময় কাটাতে মরক্কো গিয়েছিলেন ইউলিয়া। কিন্তু সেখানে সালমানের সঙ্গে ক্যাটরিনার সুসম্পর্ক সহ্য করতে পারেননি ইউলিয়া। তাই সালমানকে মরক্কোতে রেখেই মুম্বাইয়ে ফিরেছেন ইউলিয়া ভান্টুর।

মরক্কোতে শুটিং শেষ করে ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’ চলচ্চিত্রের গোটা টিম যাবে দুবাইতে। সেখানেই হবে ছবির বাকি অংশের শুটিং। তবে মরক্কো থেকে দুবাই না গিয়ে মুম্বাই ফিরবেন সালমান। না, ইউলিয়া ভান্টুরের মান ভাঙাতে নয়। বিগ বসের ১১তম মৌসুমের প্রোমোর কাজ করে দুবাইতে শুটিং টিমের সঙ্গে যোগ দেবেন সালমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্রিকেটের বরপুত্র। বাইশ গজে তুলেছেন ঝড়, সবুজ মাঠে তুলেছেন সুর, গড়েছেন একের পর এক রেকর্ড। বলা হচ্ছে স্যার গারফিল্ড সেন্ট আব্রাম সোবার্স বা গ্যারি সোবার্সের কথা। যিনি ক্রিকেট আকাশের শত তারার মধ্যে একটি সূর্য, ‘সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার’।

১৯৫৪ সালে কিংস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেকের পর জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৯৩টি টেস্ট। ৫৭.৭৮ গড়ে করেছেন ৮,০৩২ রান। ২৬টি শতক আর ৫০টি অর্ধশতকে সাজানো ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রান অপরাজিত ৩৬৫! বল হাতে ৩৪.০৩ গড়ে নিয়েছেন ২৩৫ উইকেট। বোলিংয়ে সোবার্সের বিশেষত্ব ছিল অন্য জায়গায়। স্বল্প রান আপে তুলতে পারতেন গতির ঝড়, লেগ স্পিন ঘূর্ণিতে ভড়কে দিতেন প্রতিপক্ষ ব্যাটম্যানকে। কখনো কখনো একই ওভারে দুই রকমের বলই করতে দেখা যেত তাঁকে। ক্যারিয়ারে একটি মাত্র ওয়ানডে খেলেছেন সোবার্স। কোনো রান করতে না পারলেও একটি উইকেট নিয়েছিলেন সে ম্যাচে। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ৩৩৮ ম্যাচে ৫৪.৮৭ গড়ে করেছেন ২৮৩১৪ রান। ৮৬টি সেঞ্চুরি এবং ১২১টি হাফ সেঞ্চুরি। ২৭.৭৪ গড়ে নিয়েছেন ১০৪৩টি উইকেট। ৯৫টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচে করেছেন ২৭২১ রান, নিয়েছেন ১০৯টি উইকেট।

রেকর্ডের বরপুত্র গ্যারি সোবার্স। টেস্টে তাঁর অপরাজিত ৩৬৫ রানের রেকর্ডটা ৩৬ বছর ধরে টিকে ছিল। ১৯৩৪ সালে ইংলিশ ব্যাটম্যান স্যার লেন হাটনের ৩৬৪ রানের রেকর্ড ভেঙে এ কীর্তি গড়েন সোবার্স। সেটা ১৯৫৮ সালের কথা। এরপর ৩৬ বছর পর, ১৯৯৪ সালে রেকর্ডটি ভেঙে দেন সোবার্সেরই স্বদেশি কিংবদন্তি ব্রায়ান লারা। ৩৭৫ রান করে লারা টপকে যান পূর্বসূরিকে। ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ৪০০ রান করে লারা এখনো এই পর্বতের চূড়ায় রয়েছেন।

সবচেয়ে কম বয়সে ট্রিপল সেঞ্চুরিয়ানও তিনি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সোবার্স যখন ৩৬৫ রান করেন, তখন তাঁর বয়স মাত্র ২১ বছর ২১৩ দিন। এর আগে ১৯৩০ সালে অসি কিংবদন্তি স্যার ডন ব্রাডম্যান ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৩৪ রান করেছিলেন ২১ বছর ৩১৮ দিন বয়সে।

টেস্টে আট হাজার রান করা প্রথম ব্যাটসম্যান সোবার্স। ১৯৭৪ সালে ১৫৭ ইনিংসে দাঁড় করানো আট হাজার রানের মাইলফলক দীর্ঘ ২৮ বছর ছিল দ্রুততম আট হাজার রানের রেকর্ড। যা ২০০২ সালে ভেঙে দেন শচীন টেন্ডুলকার (১৫৪ ইনিংস)। বর্তমানে এ রেকর্ডটি কুমার সাঙ্গাকারার (১৫২ ইনিংস) দখলে। তবে একটা জায়গায় সোবার্সকে পেছনে ফেলতে পারেননি কেউই। আট হাজারের অধিক রান করা ব্যাটম্যানদের মধ্যে তাঁর ৫৭.৭৮ গড়ই সবার ওপরে। শুধু ব্যাট-বলেই নয়, মাঠের যে কোনো পজিশনে অসাধারণ ফিল্ডারও ছিলেন সোবার্স। তাই অনেকেই তাঁকে বলতেন, পরিপূর্ণ প্যাকেজ, অনেকেই এক বাক্যে মেনে নেন ‘তিনিই সর্বকালের সেরা অলরাউন্ডার’।

১৯৬৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়কের দায়িত্ব পান সোবার্স। অধিনায়ক হিসেবে সোবার্সের পারফরম্যান্সও চোখে পড়ার মতো। অধিনায়ক হিসেবে তিন হাজারের অধিক রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কেবল ব্রাডম্যান (১০১.৫১) এবং মাহেলা জয়াবর্ধনে (৫৯.১১) আছেন সোবার্সের (৫৮.৮০) ওপরে। অধিনায়ক হিসেবে সর্বোচ্চ ১০৮০৬০টি বল করেছেন সোবার্স।

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ওভারে ছয়টি ছক্কা হাঁকানো প্রথম ব্যাটসম্যানও তিনি। নটিংহ্যাম্পশায়ারের অধিনায়ক হিসেবে গ্ল্যামারগানের বিপক্ষে এ কীর্তি গড়েন সোবার্স। সেদিনের দুর্ভাগা বোলারটি ছিলেন ওয়েলসের ম্যালকম নাশ। ১৯৮৪-৮৫ সালে ভারতের রবি শাস্ত্রী সোবার্সের এ রেকর্ডে ভাগ বসান। আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে এ কীর্তি আছে দক্ষিণ আফ্রিকার হার্শেল গিবস এবং টি-টোয়েন্টিতে ভারতের যুবরাজ সিংয়ের।

১৯৭৪ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলেন এ কিংবদন্তি, শেষ হয় ক্রিকেটে সোবার্সীয় যুগ। ২০ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অসংখ্য পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন সোবার্স। একাধিকবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৬৪ সালে উইজডেনের ‘ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হন। ক্রিকেটে বিশেষ অবদানের জন্য ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ তাঁকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন। ১৯৯৮ সালে বার্বাডোসের সংসদের জাতীয় বীরের মর্যাদা লাভ করেন। ২০০০ সালে ‘উইজডেন ক্রিকেট অব দ্য সেঞ্চুরি’র সেরা পাঁচ ক্রিকেটারের একজন ছিলেন সোবার্স। ১০০ জন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞের মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০টি ভোট পান তিনি। তাঁর সঙ্গে বাকি চারজন হলেন ব্রাডম্যান, জ্যাক হবস, শেন ওয়ার্ন ও ভিভ রিচার্ডস।

১৯৮০ সালে বৈবাহিকসূত্রে বার্বাডিয়ান-অস্ট্রেলীয় দ্বৈত নাগরিক সোবার্স ১৯৬৭ সালে ‘বোনাভেঞ্চার অ্যান্ড দ্য ফ্ল্যাশিং ব্লেড’ শীর্ষক উপন্যাস এবং একই বছরে জেএস বার্কারের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট ইতিহাস নামের বই প্রকাশ করেন। ১৯৩৬ সালে বার্বাডোজে জন্ম নেওয়া এ কিংবদন্তির গতকাল ছিল ৮১তম জন্মদিন। শুভ জন্মদিন ‘নাইট’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সিয়াম আহমেদ ও সাফা কবির প্রথমবারের মতো একসঙ্গে জুটি বেঁধেছেন। তবে সেটা নাটক কিংবা চলচ্চিত্রে নয়। একটি মিউজিক্যাল ফিল্মের মডেল হয়েছেন তাঁরা দুজন।

মিউজিক্যাল ফিল্মটি নির্মাণ করেছেন শাহরিয়ার পলক। গানের শিরোনাম ‘মিথ্যে গল্প’। সেতু চৌধুরীর কথায় ও সুরে গানটি গেয়েছেন সংগীতশিল্পী নাহিদ মেহেদী।

বৃহস্পতিবার সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশ হয়েছে। মুক্তির একদিনের মধ্যে ভিডিওটি ৯৮ হাজারের বেশিবার দেখা হয়েছে। এ জন্য বেশ খুশি ও ফুরফুরে মেজাজে আছেন সিয়াম আহমেদ ও সাফা কবির।

নিজের প্রথম মিউজিক ভিডিও নিয়ে সাফা বলেন, ‘আমি ও সিয়াম প্রথমবারের মতো মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজ করেছি। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকে দর্শকের ভালো মন্তব্য শুনতে পাচ্ছি। সত্যি বলতে অনেক ভাবনা-চিন্তার পর এই ভিডিওর মডেল হয়েছি আমি। এখন আমি অনেক উচ্ছ্বসিত। কারণ দর্শক ভিডিওটি ভালোভাবে গ্রহণ করছেন।’

সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজ করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। কারণ খুব অল্প সময় দর্শক-শ্রোতাদের প্রত্যাশা পূরণ করা অনেক কঠিন কাজ মনে হয়। এর আগেও মিউজিক ভিডিও ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে কাজ করলেও সাফার সঙ্গে এটাই ছিল আমার প্রথম কাজ। সাফার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও চমৎকার হয়েছে। অনেক মজা করে আমরা শুটিং করেছিলাম। এখন ভালো ফলাফলও পাচ্ছি।’

অন্যদিকে, গানের শিল্পী নাহিদ মেহেদী বলেন, “হারালো অজানায়’ নামে একটি গানে আমি প্রথম কণ্ঠ দিয়েছিলাম। প্রথম গানটি গেয়ে কাছের সবার ভালোবাসা পেয়েছি। সবার উৎসাহে ‘মিথ্যে গল্প’ গানটিতে কণ্ঠ দিলাম। এখন তো গানটির দারুণ সাড়া পাচ্ছি। আমার বিশ্বাস, এই গানের আবেদন দীর্ঘদিন থাকবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কিছুদিন আগেই ফোর্বস ম্যাগাজিনের তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয়ের ৫ সুন্দরী অভিনেত্রীর নাম। এবারের অ্যালবাম সাজানো হয়েছে তাদের ছবি নিয়ে।

জেনিফার লরেন্স : ২৬ বছরের যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনেত্রী গত বছর আয় করেছেন ৪৫ মিলিয়ন ডলার। সবচেয়ে বেশি আয় করা অভিনেত্রীদের তালিকায় তার নামটাই সবার ওপরে।

মেলিসা ম্যাককার্থি : অভিনয়ের পাশাপাশি লেখালেখি, ফ্যাশন ডিজাইনিং এবং ছবি প্রযোজনাও করেন মেলিসা ম্যাককার্থি। সে কারণে আয়টাও অনেক বেশি। ২০১৫ সালে নাকি কমপক্ষে ৩৩ মিলিয়ন ডলার জমা হয়েছে তার অ্যাকাউন্টে।

স্কারলেট জোহানসন : ২০১৫ সালে জেনিফার অ্যানিস্টনের চেয়ে চার মিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আরেক অভিনেত্রী, মডেল এবং গায়িকা স্কারলেট জোহানসন। ২৫ মিলিয়ন ডলার আয় করেই তৃতীয় হয়েছেন তিনি।

জেনিফার অ্যানিস্টন : যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিনেত্রী গত বছর আয় করেছেন ২১ মিলিয়ন ডলার। ৪৭ বছর বয়সী জেনিফার অবশ্য শুধু অভিনেত্রী নন, প্রযোজনা এবং ব্যবসা থেকেও আয় আসে তার।

ফ্যান বিংবিং : অনেকে হয়ত নামটি দেখে অবাক হচ্ছেন। হ্যাঁ, ফোর্বসের তালিকায় চীনের এই অভিনেত্রী ও গায়িকার নামই এসেছে পঞ্চম স্থানে। গত বছর ১৭ মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন বিংবিং।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শাকিবের পারফরম্যান্স নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন টালিগঞ্জের জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী। তবে ওপার বাংলায় শাকিবের অবস্থান তৈরিতে আরও সময় লাগবে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সম্প্রতি ওপার বাংলার জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবেলাতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ মন্তব্য করেন শুভশ্রী।

বাংলাদেশে নবাবের জনপ্রিয়তা ও ব্যবসা সফলতার জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে শুভশ্রী বলেন, ‘আমি প্রথমে বিশ্বাস করিনি একদিনেই নবাব এত টাকার ব্যবসা করবে। এর জন্য দর্শকদের ধন্যবাদ। দর্শকরা এত ভালোভাবে সিনেমাটি গ্রহণ করবে তা প্রত্যাশা করিনি।’

এই জনপ্রিয়তার জন্য অবশ্য শাকিবের দর্শক ও ভক্তদেরই ক্রেডিট দেন তিনি।

শাকিবের সঙ্গে নবাবে প্রথমবারের মতো কাজ করার সুযোগ পেয়ে শুভশ্রী বলেন, ‘শাকিব একজন অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশে তিনি সুপারডুপার হিট একজন নায়ক। তবে তার কোনো আলাদা ভাব নেই। সে কাজের প্রতি খুবই ডেডিকেটেড। সেটে অন্যদের সঙ্গেও সে খুব কম কথা বলে। তবে শাকিব যে সব কথা বলেন তার পুরোটা জুড়ে থাকে তার কাজ ও পারফরমেন্স কিভাবে ভালো করা যায় তা নিয়ে।’

তবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের নায়কদের পারফরমেন্সের মধ্যে সোহমকে এগিয়ে রেখেছেন বর্তমান সময়ে টালিগঞ্জের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়িকা শুভশ্রী। এরপর দেব, জিৎ ও চার নম্বরে শাকিবকে রেখেছেন তিনি।

অবশ্য দুটি সিনেমার মাধ্যমেই পশ্চিমবঙ্গে শাকিব একটা শক্তিশালী ভক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেছেন শুভশ্রী।

নবাব নায়িকা বলেন, ‘শাকিব খুব গুডলুকিং এবং চার্মিং। সে যদি পশ্চিমবঙ্গে আরও সিনেমা করার সুযোগ পায় তাহলে আমাদের এখানের দর্শক তাকে খুব ভালোভাবেই গ্রহণ করে নেবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দাম্পত্য জীবনের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটিয়েছেন সেলিব্রিটি জুটি তাহসান-মিথিলা। কিন্তু অফুরন্ত ভালোবাসার কাছে সেই বিচ্ছেদ একেবারেই নগণ্য। গল্পটা এক যুগ আগের। ২০০৪ সাল। ভালোবাসা দিবস এলেই বাড়ির দরজায় ফুল রেখে এসে মিথিলাকে ফোন করতেন তাহসান।

তখন দু’জনই শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন তাহসান। সে সময় মিথিলার সঙ্গে পরিচয়।

মিথিলার এক বন্ধু তার ছোট ভাইয়ের জন্য তাহসানের অটোগ্রাফ নিতে যাওয়ার সময় মিথিলাকে সঙ্গে নিয়ে যান তাহসানের বাড়িতে। ওই সময় মিথিলা তাহসানের কিছু গান শুনলেও ভক্ত হননি। সেই প্রথম পরিচয় তাদের। সে থেকে প্রেম।

এ সম্পর্কেই ২০০৪-০৬ সাল পর্যন্ত কেটে যায়। পরে মিথিলার জন্য গান লিখেন তাহসান। তার সুরে গান গাইলেন মিথিলা। গান গাওয়ার মধ্য দিয়েই দুটি জীবন এক সুতোয় বাঁধা পড়ে। প্রেমের দুই বছর তাদের মধ্যে ঝগড়া কিংবা খুনসুটিও হতো না তেমন।

২০০৬ সালের ৩ আগস্ট প্রেমের সম্পর্কের ইতি টেনে বিয়ে করেন তারা। সংসারে যোগ হয় আইরা তাহরিম নামে তাদের একমাত্র কন্যা।

মান-অভিমান ঝগড়া মানুষের জীবনেরই একটি অংশ। জীবনে ভালো কিংবা খারাপ সময় আসবে এটাই স্বাভাবিক। এমন মানসিকতায় বিশ্বাসী তাহসান। বিয়ের পর রিল ও রিয়েল লাইফের সফল জুটির উদাহরণ হয়েই কাজ করেন তাহসান-মিথিলা।

তারপরও এর মাঝেই লুকিয়ে ছিল দূরত্বের বীজ। কয়েক মাস ধরে তেমনই ইঙ্গিত ভাসছিল মিডিয়ায়। তখন সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর না পাওয়া গেলেও অবশেষে দু’জনে একসঙ্গে জানালেন ডিভোর্সে যাচ্ছেন। কারণ হিসেবে ওঠে এসেছে মীমাংসার অযোগ্য দ্বন্দ্ব!

দীর্ঘ ১১ বছরের সংসারের ইতি টানেন তাহসান-মিথিলা। এ নিয়ে মিডিয়াপাড়ায় নানা গুজব থাকলেও অবশ্য তারা কেউ কাউকে দোষারোপ করছেন না এখনও।

জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে তাহসান ও মিথিলার বিবাহ বিচ্ছেদের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। তারা চাইছিলেন আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেরাই সংবাদমাধ্যমকে নিজেদের বিচ্ছেদের খবর জানাবেন।

কিন্তু এর আগেই সংবাদমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশ করা হলে ফেসবুকে যৌথ বিবৃতিতে বিচ্ছেদের খবরটি স্বীকার করে নেন তারা।

তাহসানের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র বলছে, এ জুটির আবার এক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ দুই বছর আলাদা থাকার সময়ে ঘনিষ্ঠরা মিলে অনেক চেষ্টা চালিয়েছেন তাদের এক করার জন্য। সবার সব চেষ্টা ব্যর্থ করে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

কিন্তু এ বিচ্ছেদের নেপথ্যের কারণ কী? এমন প্রশ্ন কেন্দ্র করে নানা রকম গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। অনেকেই আবার এর পেছনে কারণ হিসেবে পারস্পরিক বোঝাপড়া কমে যাওয়া ও দু’জনের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা আলাদা হওয়াকে দায়ী করেছেন।

তবে মিথিলার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র থেকে জানা গেছে, মূল ঘটনার সূত্রপাত বছর দুয়েক আগে। ঝগড়ার একপর্যায়ে মিথিলার গায়ে হাত তুলেন তাহসান। ঝগড়া শুরু হয়েছিল নারী ভক্তদের সঙ্গে তাহসানের মেলামেশা নিয়ে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রটির দাবি, তাহসান কোনো নারী ভক্তের সঙ্গে প্রেম বা অন্য কোনো সম্পর্কে না জড়ালেও কেউ দেখা করতে চাইলে একা গিয়ে দেখা করতেন। এমনকি বিভিন্ন সময়ে নাটকের সেট থেকে নায়িকাদের নিয়ে লং ড্রাইভে যেতেন।

এ নিয়ে মিথিলা আপত্তি তুললেও তাহসান গ্রাহ্য করেননি। এক সময় তা তাদের নিয়মিত ঝগড়ার বিষয়ে পরিণত হয়।

সর্বশেষ দু’বছর আগে গায়ে হাত তোলার পর থেকে মিথিলা ও তাহসান আলাদা থাকতে শুরু করেন।

এদিকে, তাহসান এক মডেল ও অভিনেত্রীর প্রেমে পড়ার গুঞ্জনও রটেছে ইতিমধ্যে। কিন্তু কে এ মডেল সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে কোনো তথ্য দেননি কেউই।

তবে লাক্স তারকা বিদ্যা সিনহা মিমকে জড়িয়ে একাধিক সংবাদ মাধ্যম প্রেমের গুঞ্জন রটিয়েছে। যদিও এ ব্যপারে বেশ বিব্রত মীম। তার সঙ্গে তাহসানের সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেশাদারিত্বের সম্পর্ক দারুণ, কিন্তু আমার সঙ্গে প্রেমের কারণে তার সংসার ভেঙেছে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতেই আমি বিব্রতবোধ করছি।’

বিষয়টি নিয়ে তাহসানের সঙ্গে কথা বলতে চেয়ে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আইডিও ডিএক্টভেট করে রেখেছেন তিনি।

পরে জানা গেছে তিনি এখন দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

এদিকে অন্য এক সূত্রে জানা গেছে, মিথিলার জীবনযাপন নিয়েও অভিযোগ ছিল তাহসানের। তিনি চাইতেন বাইরে সময় কম দিয়ে পরিবারেই যেন সময় দেন মিথিলা। কিন্তু তা মেনে নিতে নারাজ এ অভিনেত্রী। ক্যারিয়ারে বেশি মনোযোগী এবং অন্য এক সঙ্গীতশিল্পীর সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন মিথিলা। আর সে থেকেই অবিশ্বাসের সূত্রপাত।

বিষয়টি জানতে মিথিলাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও কোনো রকম সদুত্তর পাওয়া যায়নি। কোনো প্রমাণ না মিললেও এর আগে একাধিকবার তার প্রেমের গুঞ্জন চাউর হয়েছিল।

তাহসান-মিথিলার এমন রহস্যজনক নীরবতা এখন অনেকটাই কৌতূহলের জন্ম দিচ্ছে ভক্তমহলে। অনেকেই বলছেন যা রটে তা কিছু তো বটে! তবে কি সত্যি নতুন কোনো সম্পর্কে জড়িয়ে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তারা? সূত্র-যুগান্তর

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দুপুরের লাঞ্চ হোক বা রাতের ডিনার। খাওয়ার পরে একটু মৌরি মুখে ফেলে নিলেই যেন পুরো ব্যাপারটার ঠিকঠাক সমাপ্তি ঘটে। কিন্তু জানেন কী, এই মৌরি শুধু মুখশুদ্ধিতে কাজে আসে না বরং এর রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, মৌরি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে-

১. মৌরি চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। পানিমিশ্রিত মৌরির রস পেট ফাঁপা ও পেট কামড়ের জন্য উপকারী।

২. মৌরি হজমের গোলযোগ এবং পেটের গ্যাস কমাতে সাহায্য করে থাকে। মৌরি মুখের জ্বালা সারায়।

৩. মৌরি ঠান্ডা সারাতে বিশেষ উপকারী। মৌরির পাতার নির্যাস কৃমিনাশক। এছাড়া মৌরি প্রসূতি মায়ের বুকের দুধ বাড়াতে সাহায্য করে।

৪. মৌরির আঁশ কোলন ক্যান্সার প্রতিরোধে বিশেষ উপকারী। মৌরি স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে উপকারী।

৫. মৌরি কোষ্ঠ-কাঠিন্য নিরাময়ে উপকারী। মৌরির পাতা গরম পানিতে সিদ্ধ করার পর এর ধোঁয়া নিঃশ্বাসের সঙ্গে নিলে অ্যাজমা ও ব্রঙ্কাইটিস রোগে উপকার পাওয়া যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্রেষ্ঠত্বের মাপকাঠিতে এখনও লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকরের থেকে বহুগুণ পিছিয়ে তিনি। বরং কোনও তুলনাতেই আসেন না শচীনের থেকে। তবে সেরাদের তালিকায় ক্রমশই জাঁকিয়ে বসছেন বিরাট কোহলি। পরিসংখ্যানের বিচারে শুক্রবার কোহলি পেরিয়ে গেলেন শচীনকে।

শুক্রবার গল টেস্টে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এখনও ৭৬ রানে অপরাজিত তিনি। প্রথম ইনিংসে রান পাননি। সেই আক্ষেপ সুদে আসলে মিটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত তার ব্যাটে। সেই সঙ্গে বিরল নজিরও গড়ে ফেললেন তিনি।

বিদেশের মাটিতে অধিনায়ক হিসেবে দ্রুততম একহাজার রানের মালিক হয়ে গেলেন তিনি। এর আগে এই রেকর্ড ছিল শ্চীন টেন্ডুলকরের। তিনি ১৯টি ইনিংসে এই মাইলফলকে পৌঁছেছিলেন। তবে শচীনের থেকে দুটো ইনিংস কম খেলেই বাজিমাত কোহলির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest