সর্বশেষ সংবাদ-
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের ইফতারসাতক্ষীরায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের দোয়াআশাশুনির এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্ত্রী নির্যাতন ও যৌতুকের মামলাদ্রুত বিচার আইনের মামলায় জামায়াত নেতা আজহারুজ্জামান ‍মুকুল কারাগারেসাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যু

এম. শাহীন গোলদার : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে ৪২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ৮৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৬ বোতল ফেন্সিডিল, ০৫ পাঁচ বোতল ভারতীয় মদ ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন অভিযোগে ১১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ জানান, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৭ জন, কলারোয়া থানা ০৭ জন, তালা থানা ০৫ জন, কালিগঞ্জ থানা ০২ জন, শ্যামনগর থানা ০৬ জন, আশাশুনি থানা ০২ জন, দেবহাটা থানা ০১ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

জার্মানির বার্লিনে গাছের নীচে পড়ে থাকা একটি ব্রিফকেসে প্রায় ৪০,০০০ ডলার মূল্যমানের নগদ অর্থ এবং স্বর্ণ পাবার পরও তা পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন এক ‘সৎ ব্যক্তি’।

ব্রিফকেসে নগদ অর্থ ছিল ৩,৫০০ ইউরো এবং সাথে সবমিলিয়ে প্রায় এক কেজি ওজনের ২২ টি স্বর্ণের বার।

বার্লিনের নয়কালন এলাকার একটি ব্যাংকের বাইরে গাছের নীচে ঐ ব্রিফকেসটি পাওয়া যায়।

“নয়কালনে গাছের নীচে যে কতগাকিছু পাওয়া যায় তা সত্যিই চমকপ্রদ” এক টুইটবার্তায় বলে স্থানীয় পুলিশ।

ব্রিফকেসের মালিককেও তারা খুঁজে পেয়েছেন।

সেই মালিকের গল্পও খুব কম চমকপ্রদ নয়। তিনি গাছের নীচে ব্রিফকেসটি রেখে নিজের বাইসাইকেল লক করেন। এরপর সেই মূল্যবান ব্রিফকেসের কথা বেমালুম ভুলে যান।

তবে যে ব্যক্তি ব্রিফকেসটি ফেরত দিয়েছেন, তিনিও খালি হাতে ফিরছেন না।

জার্মানির আইনে আছে, কোন হারিয়ে যাওয়া জিনিস খুঁজে পাওয়া ব্যক্তি ফি হিসেবে ঐ জিনিসের মূল্যমানের ৩-৫ শতাংশ দাবী করতে পারেন, স্পিগেল ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়।

হারানো জিনিস সংরক্ষণের জন্য ‘লস্ট এন্ড ফাউন্ড’ কার্যালয়ও ১০ শতাংশ অর্থ দাবী করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

উত্তর কোরিয়া তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সফলতাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি একটি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

দেশটির নেতা কিম জং উন বলেছেন এই পরীক্ষার দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে পুরো যুক্তরাষ্ট্র এখন উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের আওতার মধ্যে রয়েছে, দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে এমনটাই বলা হয়েছে।

উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মত আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার তিন সপ্তাহ পর আবার এই পরীক্ষা চালালো।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক এই পরীক্ষা “শুধুমাত্র উত্তর কোরিয়ার শাসকদের একটি বেপরোয়া এবং বিপদজনক কর্মকাণ্ড”।

উত্তর কোরিয়া বলছে, তাদের আন্ত:মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম ৪৭ মিনিট আকাশে ওড়ে এবং ৩,৭২৪ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম হয়।

“নেতা গর্বের সাথে বলেছেন এই পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের পুরোটাই এখন আমাদের হামলার আওতায় রয়েছে” উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয় রকেটটির মডেল ছিলো হওসং-১৪, গত ৩রা জুলাইও একই মডেলের একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া।

ক্ষেপণাস্ত্রটি উত্তর জাপানের কাছে সমুদ্রে পতিত হয় বলে জানানো হয়েছে।

এর প্রতিক্রিয়ায়, যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী ভূমি থেকে ভূমিতে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে মহড়া চালিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বিবৃতিতে বলা হয় “দক্ষিণ কোরিয়ার সমুদ্রসীমায় পূর্ব উপকূলে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উৎক্ষেপন করা হয়”।

বেশ কয়েকটি পরীক্ষা সত্ত্বেও বিশেষজ্ঞদের ধারণা উত্তর কোরিয়া এখনো দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রে পারমানবিক বোমা যুক্ত করার মত সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি।

তারা বলছেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র নির্ভুলভাবে টার্গেটে আঘাত করতে পারে না।

অনেকেই আবার মনে করেন, যেই হারে পিয়ংইয়ং এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম এমন পারমানবিক ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে পারবে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ইসরায়েলের দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান আল-আকসা মসজিদে ঢুকতে পারছেন সব বয়সী ফিলিস্তিনি।

স্থানীয় সময় শুক্রবার ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলি আরবদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় আল-আকসার প্রতিটি দ্বার।

গতকাল জুমার নামাজের কয়েক ঘণ্টা আগে ইসরায়েল আল-আকসা মসজিদে ৫০ বছরের কম বয়সী ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে। একই সঙ্গে জেরুজালেমের প্রাচীন শহরে অবস্থিত মসজিদটিতে প্রবেশের কয়েকটি দ্বারও বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর পর মসজিদের বাইরেই শত শত মানুষ জুমার নামাজ আদায় করে।

জুমার নামাজের পর ইসরায়েলের দখলকৃত পশ্চিম তীরের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়। জলকামান, রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে সেই বিক্ষোভ দমন করে ইসরায়েলের পুলিশ।

ফিলিস্তিনের বিভিন্ন প্রান্তে এমন বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের মধ্যেই আল-আকসার পরিচালনা কমিটি তথা ইসলামিক ওয়াকফ ঘোষণা দেয়, মসজিদটির সব দ্বার ফিলিস্তিনিদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

গত ১৪ জুলাই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীদের গুলিতে দুই ইসরায়েলি পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হন। এরপর থেকেই আল-আকসায় মেটাল ডিটেকটর বসানোসহ নানা ধরনের নিরাপত্তা নেয় ইসরায়েলের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতিবাদে মসজিদে প্রবেশ করেনি ফিলিস্তিনিরা। তীব্র প্রতিবাদের মুখে ১৩ দিন পর ইসরায়েল বাড়তি নিরাপত্তা তুলে নিলে বৃহস্পতিবার তাঁরা মসজিদে প্রবেশ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পুলিশের অনাগ্রহ সত্ত্বেও ২৫০ বিদেশিকে নিয়ে সামাজিক ব্যবসা দিবসের সপ্তমবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আন্তর্জাতিক সম্মেলন করেছে ইউনূস সেন্টার।

শুক্রবার রাজধানীর লা মেরিডিয়ানে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে ৫০টি দেশের ২৫০ জনেরও বেশি বিদেশি অতিথি যোগ দেন। ইউনূস সেন্টারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইউনূস সেন্টারের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন রাজধানীর সাভারের জিরাবোতে নবনির্মিত সামাজিক কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তার অনুমতি দেয়নি পুলিশ।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ সদর দফতরে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক সাংবাদিকদের জানান, নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে সম্মেলন সম্পর্কে মাত্র তিনদিন আগে অবগত করা হয়। এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগাম কিছু জানত না। ফলে নিরাপত্তার স্বার্থে সম্মেলনের অনুমতি দেয়া হয়নি।

এদিকে শুক্রবার অলিম্পিক ডে উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এ বিষয়ে বলেন, ইউনূস সেন্টার আমাদের কাছে অনুমতি চাননি। ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল। ঢাকার পুলিশ সুপার নিরাপত্তার জন্য আরও সময় চেয়েছে। কিন্তু আমরা মানাও করিনি, বন্ধও করিনি, বাধাও দেইনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথমত তারা (ইউনূস সেন্টার) আমাদের কাছে অনুমতি চাননি। দ্বিতীয়ত, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল সাভারের কোনো এক জায়গায় তাদের সেই সম্মেলন করতে। কিন্তু এমন সময়ে বলেছিলেন, যখন আমাদেরও কিছু করার ছিল না।

তিনি বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ তাদের অনুরোধ করেছিল তারিখ পরিবর্তন করতে। যাতে পুলিশ প্রস্তুতি নিতে পারে। কিন্তু শুনলাম, তারা এখন সাভারে না করে রাজধানীর লা মেরিডিয়ানে করছে। আমাদের তাতে কোনো আপত্তি নেই। আমরা শুধু চেয়েছিলাম এটা যেন সুন্দর ও সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।

‘সরকার এটা বন্ধ করে দিয়েছে’ -এমন অভিযোগের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের (ঢাকা) এখানে অনুষ্ঠানটি করলে আইজিপির কাছে অনুমতি চাইত। তারা ঢাকা জেলা পুলিশের কাছে কাছাকাছি সময়ে প্রথম অনুমতি চেয়েছিল। যখন কিছু করার ছিল না। এছাড়া কারা আসবে, কারা থাকবে, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি তো আমাদের দেখার বিষয় আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশে আর কোনো হলি আর্টিসানের মতো ঘটনা সংঘঠিত হতে দেব না। সেজন্য আমরা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে দেখছি। বাংলাদেশে আরও অনেক বড় আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। আমাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আমরা নিরাপত্তা দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু তারা (ইউনূস সেন্টার) এত বড় একটা অনুষ্ঠান করবে নিরাপত্তার বিষয়টি অবশ্যই দেখার আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কাজীর রাস্তা এলাকায় বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে বাবা-মেয়েসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পরিবারটির বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায়। মর্মান্তিক এ ঘটনার খবরে শ্যাগনগরের মানুষ শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

নিহতরা হলেন শ্যামনগর কৈখালী ইউনিয়নের কাঠামরী গ্রামের মোঃ আঃ করিম গাজী (৭০) ও তার প্রবাসী মেঝ কন্যা মছাঃ খাইরুন বিবি(৩০) এসরাফিলের ছেলে মোঃ নাজমুল হোসেন (২২) ও তার স্ত্রী (১৮), মাইক্রোবাসের চালক আনিসুর রহমান (২৫) ও তাঁর ভাগনে জাহিদ হাসান (১৮)। আহতরা হলেন মোঃ খাইরুল( ১৫), সাইফুিদ্দন( ১২) আহতদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, বেনাপোল থেকে শ্যামলী পরিবহনের ঢাকাগামী বাসটি ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামী একটি মাইক্রোবাসকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই খাইরুন বিবি নিহত হন। তাঁর বাড়ি সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পরাণপুরে।

দুর্ঘটনায় আহত খাইরুন বিবির ছেলে আবুল খায়ের জানান, তাঁর মা ওমানপ্রবাসী। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি ঢাকায় আসেন। মাকে নিয়ে মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় তাঁর আরেক ভাই সাইফুদ্দিনও আহত হন। তাঁরা দুই ভাই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

করিমপুর হাইওয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) নওশের আলী জানান, শ্যামলী পরিবহনের বাসটি ভুল দিক থেকে এসে এই দুর্ঘটনা ঘটায়।

ফায়ার সার্ভিস মাইক্রোবাস থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ফরিদপুর দমকল বাহিনীর স্টেশন ম্যানেজার মো. সাইফুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থলে খায়রুন বিবি, আসিফা বেগমসহ তিনজন মারা যান। বাকি তিনজন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। লাশ ফরিদপুর মেডিকেলের মর্গে আছে।

দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছেন।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গত এক দশকে সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা অর্ধেকে নেমেছে। এ সংখ্যা বাড়ানোয় নানা উদ্যোগ নেওয়ার কথা বিভিন্ন সময় সরকারি-বেসরকারিভাবে বলা হলেও বনের মধ্যে নৌ চলাচল ও শিকারিদের অত্যাচারে বাঘের সংখ্যা বাড়েনি। প্রাণিবিদরা বলছেন, বাঘের আবাস, খাবার ও চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে তাদের সংখ্যা বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।

সর্বশেষ শুমারি বলছে, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা এখন সর্বসাকল্যে ১০৬টি। আর বাংলাদেশ ও ভারত মিলিয়ে পুরো সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ১৭০টি। বাঘের সংখ্যা কম কেন- এমন প্রশ্নে ২০১৫ সালের বাঘ দিবসে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছিলেন, বাঘ ভারতে বেড়াতে গেছে। সেই বাঘ ফিরলো কিনা তার জবাব নেই কারোর কাছেই। যদিও মন্ত্রী বললেন, বাঘ বেড়েছে। এর মানে বেড়াতে যাওয়া বাঘ ফিরেছে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি শুধু বলেন, বেড়েছে। আর প্রাণিবিজ্ঞানীরা বলছেন, সর্বশেষ শুমারির দশ বছর পর আবারও শুমারি হলেই কেবল বলা সম্ভব বাঘ কমলো না বাড়লো।

বাঘের আবাস

বাংলাদেশ ও ভারতের প্রায় ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের সুন্দরবন হচ্ছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল। সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ বনাঞ্চল বাংলাদেশের মধ্যে পড়েছে। এ বনের জল-স্থলে বাঘের জন্য রয়েছে প্রচুর বৈচিত্রপূর্ণ খাদ্য- হরিণ, বানর, কাঠবিড়ালি, গিরগিটি, শুশুক, ভোঁদড়, কুমির ইত্যাদি।

বনবিভাগের কর্মকর্তারা জরিপের তথ্য উল্লেখ করে বলছেন, সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের ৬ হাজার বর্গকিলোমিটারের মধ্যে ৪ হাজার ৮৩২ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাঘ বিচরণ করে। এদের বিচরণের প্রধান ক্ষেত্র বাগেরহাটের কটকা, কচিখালী ও সুপতিসহ খুলনার নীলকমল, পাটকোষ্টা ও গেওয়াখালী এবং সাতক্ষীরার মুন্সিগঞ্জ, দোবেকি ও কৈখালী এলাকা।

বাঘের সংখ্যা এখন কত

‘স্ট্যাটাস অব টাইগারস ইন দ্যা সুন্দরবন ল্যান্ডস্কেচ’ শীর্ষক বাঘ জরিপের প্রতিবেদনে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের ৩টি ও ভারত অংশের ৫টি অঞ্চলের মোট ছয় হাজার ৭২৪ বর্গকিলোমিটার এলাকার চিত্র উঠে এসেছে। এই শুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে এখন বাঘের সংখ্যা মাত্র ১৮২টি। এরমধ্যে বাংলাদেশ অংশে ১০৬ ও ভারত অংশে ৭৬টি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে।

বাঘের সঠিক সংখ্যা নিরূপণ প্রায় অসম্ভব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজ জামান বলেন, কয়েক স্তরের জরিপ ছাড়া কেবল একটা দু’টা পদ্ধতি ব্যবহার করে কী সংখ্যক বাঘ রয়েছে- তা নিরূপণ সম্ভব নয়। ফলে একেকবার একেকরকম তথ্য পাওয়া গেছে। ২০১৩ সালের যে জরিপ যার ভিত্তিতে ২০১৫ সালের প্রতিবেদন, সেটির আগে ২০০৪ সালে বন বিভাগ জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) সহায়তায় বাঘের পায়ের ছাপ গুনে জরিপ করেছিল। এতে বাঘের সংখ্যা এসেছিল ৪৪০টি। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে নতুন জরিপের প্রতিবেদন বলা হয়েছে, আগের ওই জরিপটি যথেষ্ট বিজ্ঞানসম্মত ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে করা হয়নি। ফলে আগের ওই বাঘের সংখ্যা সঠিক নয়। যদিও ২০০৬ সালে জুওলজিক্যাল সোসাইটির সহায়তায় আরেকটি বাঘ গণনা হয়, যেখানে বাঘের সংখ্যা ছিল ২০০টি।

বন সংরক্ষক জাহিদুল কবির বলেন, ‘২০১৩ সালের নভেম্বরে যে সার্ভেটি হয়েছিল, সেটি ২০১৫ সালে প্রকাশ করা হয়। এরপর থেকে নিয়মিত মনিটরিং করা, ক্যামেরা দিয়ে দেখা হয় কিন্তু ফল যদি অফিসিয়ালি বলতে হয় ২০১৫ সালেরটিই বলতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দিক থেকে যদি বাঘের টিকে থাকার পরিবেশ নিশ্চিত করতে সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয় তবে সংখ্যা বাড়ার বিষয়টি পরবর্তী শুমারির পর জানা যাবে।’

বাঘ কি ফিরলো

২০১৫ সালের বাঘ দিবসের অনুষ্ঠানে বাঘের সংখ্যা কেন কম সেটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেছিলেন, ‘বাঘের সংখ্যা কম কারণ তারা ভারত বেড়াতে গেছে। ফিরে আসলে সংখ্যা ঠিক হবে।’ সেই বাঘগুলো দুই বছরেও ফিরেছে কিনা- এমন প্রশ্নে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাঘের সংখ্যা বাড়ছে।’ কিসের ভিত্তিতে কত সংখ্যক বাড়লো বলে তিনি মনে করছেন জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি কেবল বলব বাঘের সংখ্যা বাড়ছে, কতটা বেড়েছে সেসব বলবেন প্রধান বনরক্ষক।’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘বাঘ বাড়াতে চাই বললেই হবে না। বাঘের আবাসস্থল, খাদ্য, চলাচলসহ অনেকগুলো বিষয় নিশ্চিত করতে পারলেই এমন দাবি করতে পারব আমরা। যা আসলে গত তিন বছরে করে ফেলা সম্ভব হয়েছে বলে আমি মনে করি না।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ফিরোজ জামান বলেন, ‘বাঘের লোকালয়ে আসার প্রবণতা বেড়ে গেলেই বাঘ বেড়েছে বলা যাবে না। যারা দাবি করছেন বাঘ বেড়েছে তারা ভুল করছেন এ কারণে যে, সায়েন্টিফিক শুমারি ছাড়া এবং যথার্থ প্রটেকশন না দিয়ে বাঘ বেড়েছে মুখে বলে দেওয়া যায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘পূর্ববর্তী শুমারির দশ বছর পার হওয়ার আগে শুমারি করেও লাভ নেই। কেননা, লার্জ এনিমেলের ক্ষেত্রে শাবক সংখ্যা অনেক কম।’

বাঘের সংখ্যা বাড়েনি কেন

২০০৯ সালে সরকার একটি ‘টাইগার অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করে। ২০১০ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত বাঘ সম্মেলনে ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। যেখানে বাংলাদেশও স্বাক্ষর করেছে। এতে বলা হয়েছিল, বিশ্বের ১৩টি বাঘসমৃদ্ধ দেশ প্রতি দুই বছর পর পর বাঘ গণনা করবে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ বলেন, ‘আমাদের দেশে বাঘের শুমারিতে যে সংখ্যা আসে, ততটা খারাপ হয়তো সংখ্যা না। কিন্তু এটি টিকিয়ে রাখার জন্যও যে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে সেটি করা সম্ভব হয়নি বলেই বাঘের সংখ্যা বাড়েনি। বাঘের জন্য নিশ্চিন্ত একটি বনভূমি থাকার পরও সেটি সুরক্ষা করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘২০১১ সালে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত বাঘ সম্মেলনে বাংলাদেশ যা অঙ্গীকার করেছিল তা যদি বাস্তবায়িত হতো, তাহলে আজকে বাঘের সংখ্যা বাড়তির দিকে থাকতো। এমনকি যে বনের ভেতর দিয়ে নৌযান চলাচলের কথা ছিল না, সেই বন দু’ভাগ হয়ে গেছে।’ এসব দিক বিবেচনায় রাখলে আগামীতে ভালো হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক তার ওয়ানডে ক্রিকেট দিয়ে। গত মে মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫০ ওভারের ক্রিকেট দিয়ে অভিষেক হয় টোবি রোল্যান্ড-জোন্সের। সেই প্রোটিয়াদের বিপক্ষেই সুযোগ হয়ে যায় তার টেস্টে। পাঁচদিনের ক্রিকেট এর চেয়ে ভালো শুরু হয়তো নিজেও প্রত্যাশা করেননি এই পেসার। বল হাতে দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যানদের ঘায়েল করে জোন্স রাঙিয়ে নিয়েছেন তার টেস্ট অভিষেক। তার সঙ্গে জেমস অ্যান্ডারসন ও স্টুয়ার্ট ব্রডের বোলিং তোপে বিধ্বস্ত সফরকারীরা। ওভাল টেস্টের প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ উইকেটে ১২৬ রানে।

দ্বিতীয় দিনে বল হাতে নায়ক যদি হন ৪ উইকেট নেওয়া জোন্স, তাহলে ব্যাট হাতে ইংলিশদের নায়ক বেন স্টোকস। এই অলরাউন্ডারের দুর্দান্ত সেঞ্চুরির ওপর ভর দিয়েই স্বাগতিকরা তাদের প্রথম ইনিংস শেষ করতে পারে ৩৫৩ রানে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি খেলেন ১১২ রানের ঝলমলে ইনিংস। স্টোকসের ব্যাটে পাওয়া ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে বল হাতে শুরু থেকেই আগুন ঝরিয়েছেন জোন্স।

দক্ষিণ আফ্রিকার হারানো প্রথম ৪ উইকেটই রোল্যান্ড-জোন্সের। সফরকারীদের টপ অর্ডার এককথায় গুঁড়িয়ে দিয়েছেন এই পেসার। তার উইকেট উৎসবের শুরুটা ডিন এলগারকে দিয়ে। ৮ রান করা এই ওপেনার ধরা পড়েন উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টোর গ্ল্যাভসে। সেই শুরু, এরপর অভিষিক্ত এই পেসার একে একে তুলে নেন হেইনো কুন (১৫), হামিশ আমলা (৬) ও কুইন্টন ডি ককের (১৭) উইকেট তিনটি। জোন্সের দাপটে ৪৭ রানে দক্ষিণ আফ্রিকা হারায় ৪ উইকেট।

জোন্সের দাপট থামলেও প্রোটিয়াদের উইকেট হারানোর মিছিল থামেনি! এরপর তাণ্ডব শুরু করেন অ্যান্ডারসন। দলের বিপর্যয়ের মুখে অধিনায়ক হিসেবে কিছুই করতে পারেননি ফাফ দু প্লেসিস। তিনিও ব্যর্থ হয়ে ফেরেন প্যাভিলিয়নে। যাওয়ার আগে নামের পাশে যোগ করেন মাত্র ১ রান। খানিক পর আবার আঘাত অ্যান্ডারসনের, এবার ফেরান ক্রিস মরিসকে (২)।

ব্যাট হাতে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি পাওয়া স্টোকসও উইকেট উৎসবে নাম তোলেন। এই অলরাউন্ডার ৫ রান করা কেশব মহারাজকে প্যাভিলিয়নে ফেরালে ১০০ রানের নিচে অলআউট হওয়ার শঙ্কার মেঘ জমে দক্ষিণ আফ্রিকার আকাশে। তবে সেই লজ্জার মুখে পড়তে দেননি তেম্বা বাভুমা ও কাগিসো রাবাদা। ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার মাঝে সাবলীল ব্যাটিংয়ে রাবাদা খেলেন ৩০ রানের ইনিংস। সবচেয়ে বড় কথা বিপদের সময় দারুণভাবে সঙ্গ দিয়েছেন তিনি বাভুমাকে। ব্রডের বলে অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি প্যাভিলিয়নে ফিরলেও বাভুমা অপরাজিত আছেন ৩৪ রানে। ক্রিকইনফো

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest