সর্বশেষ সংবাদ-
জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিসাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন Milyen hatással van a kaszinó keverési eljárás a játékélményreশ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলন

জিন-ভূত তাড়ানোর নামে শতাধিক নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন এবং তা ভিডিও ধারণ করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ার। শনিবার দু’দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি।
এসময় ঢাকা মহানগর হাকিম একেএম মাঈন উদ্দিন সিদ্দিকী আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। রেকর্ড শেষে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম বলেন, ভণ্ডপীর আহসান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি আদালতে স্বীকার করেছে। শুধু তা-ই নয়, ইসলাম ধর্ম প্রচারের নামে তিনি দেশ-বিদেশ থেকে সংগ্রহ করা মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভণ্ডপীর শুধু মেয়েদের সঙ্গে প্রতারণা করেনি। রোহিঙ্গাদের সাহায্যের কথা বলে দেশ-বিদেশ থেকে সাহায্য সংগ্রহ করে সেসব অর্থ আত্মসাৎ করেছে। ‘এএইচপি’ টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয়ে নানা ব্যক্তির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। ভুক্তভোগী একাধিক নারী গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন, তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে ভণ্ডপীর ভিডিও ধারণা করেছে। সেগুলো উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। সেসব ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে যে কোন মুহূর্তে চলে আসতে পারে- এমন আতঙ্কে রয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এদিকে ভণ্ডপীর আহসান হাবিব পিয়ারকে গ্রেফতারের পর তার নানা অপকর্ম ও প্রতারণার ভয়াবহ চিত্র সামনে চলে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভণ্ডপীরকে নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই এ ভণ্ডপীরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে পুলিশের কাউন্টার টেররিজমের সাইবার ক্রাইম ইউনিট এই কথিত পীরকে গ্রেফতার করে। পরদিন খিলগাঁও থানার পুলিশ তাকে মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ঢাকার অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) আনিসুর রহমান জানান, গতকাল আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিক নিয়ম অনুসারে স্বীকারোক্তি দেওয়ার জন্য তিন ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন। এরপর আসামি বিকাল ৫টা থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৭টা পর্যন্ত স্বীকারোক্তি দেন। মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, আহসান হাবিব পেয়ার দাওরায়ে হাদিসে পড়াশোনা করেছেন।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ক্ষমা চাইলে ইনসাফ (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খানকে মাফ করে দেবেন তার দলত্যাগী এমপি আয়েশা গুলেলাই। নতুন অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী শাহিদ খাকান আব্বাসী আয়েশার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্তের মুখোমুখি ইমরান খান।

এ অবস্থায় তাকে যদি আয়েশা ক্ষমাও করে দেন তাহলেও তদন্ত বন্ধ হবে বলে মনে হয় না। কারণ, ইমরান খানের কারণে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন নওয়াজ শরীফ। এখন তার প্রতিশোধ নিতে এই ইস্যুকে ব্যবহার করবে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএলএন) এটাই স্বাভাবিক। ফলে আয়েশা ক্ষমা করে দেয়ার যে প্রস্তাব করেছেন তার মধ্যেও থাকতে পারে রাজনীতির একটি বড় চাল।

যদি ইমরান তার এ প্রস্তাবে ক্ষমা চান তাহলে প্রমাণ হয়ে যাবে যে, আসলেই তিনি অপরাধী। আয়েশা গুলেলাইকে তিনি অশালীন এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। ফলে পার্লামেন্টে পাস হওয়া তদন্ত কমিটি তদন্তে গতি পাবে। শেষ পর্যন্ত তাকে কেন্দ্র করে কঠিন কোনো পরিণতি ভোগ করতে হতে পারে ইমরানকে।

অনলাইন ডন আয়েশার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যদি ইমরান খান মেনে নেন তিনি এটা করেছেন। তিনি হয়রানি করেছেন। আল্লাহর কাছে, জাতির কাছে ও নারীদের কাছে ক্ষমা চান তাহলে আমি তাকে মাফ করে দেবো। কয়েকদিন আগে তিনিই সংবাদ সম্মেলন করে পিটিআই থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন। ওই সংবাদ সম্মেলনে দলীয় চেয়ারম্যান ইমরান খানের বিরুদ্ধে তিনি দৃশ্যত যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন। বলেন, ইমরান খান তাকে অশালীন এসএমএস পাঠিয়েছিলেন। তিনি নারীদের সম্মান দিতে জানেন না।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এই শতকের শেষে ইউরোপ জুড়ে প্রচন্ড তাপপ্রবাহে প্রতি বছর মারা যাবে দেড় লাখের বেশি মানুষ। এধরণের দুর্যোগে এখন যে পরিমাণ মানুষ মারা যায়, এই সংখ্যা তার পঞ্চাশ গুণ বেশি। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ুর পরিবর্তন ঠেকানোর জন্য যদি কিছু করা না হয়, তাহলে ইউরোপে এরকম চরম বৈরী আবহাওয়াই দেখা যাবে।

৯৯ শতাংশ মানুষই মারা যাবে প্রচন্ড তাপ প্রবাহের কারণে। এরকম দুর্যোগের ধকল সবচেয়ে বেশি যাবে দক্ষিণ ইউরোপের ওপর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গবেষণায় প্রাপ্ত এসব তথ্য খুবই উদ্বেগজনক। তবে অনেকে বলছেন, এই গবেষণায় যেসব অনুমান করা হয়েছে সেগুলো অনেক অতিরঞ্জিত বলে মনে হচ্ছে।

ইউরোপীয়ান কমিশন ফর জয়েন্ট রিসার্চ সেন্টার এই গবেষণা চালায়। তাদের গবেষণায় বলা হচ্ছে:

  • চরম বৈরী আবহাওয়ার কারণে মৃত্যুর সংখ্যা এখন বছরে গড়ে তিন হাজার থেকে বেড়ে ২১০০ সাল নাগাদ দেড় লাখে পৌঁছাবে।
  • ২১০০ সাল নাগাদ ইউরোপে প্রতি তিন জনের দুজন দুর্যোগের শিকার হবে। এ শতকের শুরুতে প্রতি বিশ জনে মাত্র একজন এরকম দুর্যোগের শিকার হতো।
  • উপকুলীয় বন্যায় মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বাড়বে।

এই গবেষণায় ইউরোপের ২৮টি দেশে সাত ধরণের মারাত্মক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিবেচনায় নেয়া হয়: তাপপ্রবাহ, শৈত্যপ্রবাহ, দাবানল, খরা, বন্য, উপকুলীয় প্লাবন এবং ঝড়।

গবেষকরা ধরে নিয়েছেন যে জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে এ শতকের শেষ নাগাদ বিশ্বের গড় তাপমাত্রা তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাবে।

গবেষণা রিপোর্টটি যারা লিখেছেন তাদের একজন গিওভান্নি ফরযিয়েরি বলেছেন, একুশ শতকের মানুষের জন্য জলবায়ুর পরিবর্তন সবচেয়ে বড় হুমকিগুলোর একটি।

মাত্র গতকালই যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য নোটিশ ইস্যু করার পর আজ ইউরোপীয় গবেষকরা তাদের এই গবেষণার কথা জানালেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাবে।

বিশ্বের দুশোর বেশি দেশ জলবায়ু চুক্তিতে সই করেছে। শিল্প বিপ্লবের আগে বিশ্বের যে গড়তাপমাত্রা ছিল, তার চেয়ে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা যেন দুই ডিগ্রীর বেশি না বাড়ে, সেটাই এই চু্ক্তির লক্ষ্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গাঁজা দিয়ে বিভিন্ন পণ্য প্রস্ততকারক একটি কোম্পানি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া শহরের গোটা একটি শহর কিনে নিয়েছে। তাদের পরিকল্পনা হলো এই শহরটিকে মারিহুয়ানার জন্যে আকর্ষণীয় গন্তব্য হিসেবে গড়ে তোলা।

ক্যালিফোর্নিয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের আটটি অঙ্গরাজ্যের একটি যেখানে মারিহুয়ানা বৈধ পণ্য হিসেবে বিবেচিত।

কোম্পানিটির নাম অ্যামেরিকান গ্রিন। আর শহরটি হলো নিপটন। ৫০ লাখ ডলার দিয়ে তারা এই শহর কিনে নেওয়ার এক সমঝোতায় রাজি হয়েছে।

ফলে কোম্পানিটি মালিক হবে ১২০ একর জমির। এই এলাকার মধ্যে রয়েছে একটি স্কুল, একটি হোটেল এবং বেশ কয়েকটি দোকান।

এই কোম্পানির আরো একটি লক্ষ্য হচ্ছে শহরের সবকিছু সৌর ও বায়ু-শক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানী দিয়ে চালানো।

“পরিবেশ-বান্ধব এক শহর হিসেবে নিপটনকে গড়ে তোলার ব্যাপারে আমরা খুব উত্তেজনা বোধ করছি,” এক বিবৃতিতে একথা বলেছেন অ্যামেরিকান গ্রিনের প্রেসিডেন্ট ডেভিড গাথার।

“এখানে গাঁজার বিপ্লব হবে। আমরা এমনভাবে এই বিপ্লব ঘটাবো ঊনবিংশ শতাব্দীতে যেমন সোনার বিপ্লব হয়েছিলো সেরকম,” বলেন তিনি।

গোল্ড রাশের সময় নিপটন শহরটি গড়ে উঠেছিলো। এর আশেপাশে যখন মূল্যবান ধাতব পদার্থ মেটাল পাওয়া গেলো তখনই এটি বদলে যেতে শুরু করে।

নিপটন শহরটি ক্যালিফোর্নিয়া ও নেভাদার সীমান্তে। এর জনসংখ্যা মাত্র ২০।

শহরটি নতুন করে গড়ে তুলতে অ্যামেরিকান গ্রিন সেখানে ২৫ লাখ ডলার বিনিয়োগ করতে চায়। তাদের লক্ষ্য এটিকে পর্যটকদের জন্যে আকর্ষণীয় এবং পরিবেশে-বান্ধব করে গড়ে তোলা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বার্সা থেকে পিএসজিতে নাম লেখাতে গড়েছেন ট্রান্সফারের বিশ্ব রেকর্ড। ধারণা করা হচ্ছিল শনিবার লিগ ওয়ানের প্রথম ম্যাচে এমেয়েন্সের বিরুদ্ধে পিএসজির হয়ে অভিষেক হবে ব্রাজিলের ‘ওয়ান্ডার বয়’ নেইমারের। তবে ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফার সার্টিফিকেট না থাকায় মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। গ্যালারিতে বসেই দলের প্রথম জয় দেখেছেন এই তারকা।

এদিকে পার্ক ডি প্রিন্সেসে খেলতে না পারলেও নেইমারকে হাজির করে ক্লাব কর্মকর্তারা। নেইমারকে দেয়া হয়েছে পিএসজির ১০ নম্বর জার্সি। হাজার হাজার দর্শকের সামনে তাকে পিএসজির জার্সি পরিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট নাসের আল খলিফা। পরে গ্যালারিতে বসে দলকে সমর্থন দেন এবং ২-০ গোলের জয় উপভোগ করেন।

এর আগেই ফ্রান্স মিডিয়ায় খবর বের হয় শনিবার লিগা ওয়ানের প্রথম ম্যাচে এমেয়েন্সের বিরুদ্ধে পিএসজির জার্সি গায়ে মাঠে নামতে পারবেন না নেইমার। কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে বার্সা তারকার ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফার সার্টিফিকেটকে।

ফরাসি মিডিয়ার সংবাদে বলা হয়, শুক্রবার রাত ১২টার আগ পর্যন্ত স্প্যানিস ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ফরাসি ফুটবল ফেডারেশনের কাছে নেইমারের ইন্টারন্যাশনাল ট্রান্সফার সার্টিফিকেট আসেনি। ফলে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামতে পারছেন না তিনি।
ফলে, নেইমারের খেলা দেখার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে ফুটবলপ্রিয় ফরাসি সমর্থকদের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শাকিব খান ও বুবলী। হালের অন্যতম আলোচিত জুটি।
ইতোমধ্যে তাদের দুটি ছবি মুক্তি পেয়েছে। আরো দুটি ছবি মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

ঈদুল আজাহায় ‘রংবাজ’ ও ‘অহংকার’ ছবি দুটি মুক্তির কথা রয়েছে। তবে নতুন খবর হল- আরো একবার এই জুটিকে দেখা যাবে বড় পর্দায়। শাপলা মিডিয়ার ব্যানারে উত্তম আকাশ পরিচালিত ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া ও নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’ শিরোনামে ছবিতে দেখা যাবে তাদের।

এ প্রসঙ্গে শাপলা মিডিয়ার প্রধান নির্বাহী সেলিম খান বলেন, আমাদের পরবর্তী ছবি ‘চিটাগাইঙ্গা পোয়া, নোয়াখাইল্যা মাইয়্যা’। এতে জুটি হিসেবে কাস্ট করেছি শাকিব খান ও বুবলীকে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই জুটির চাহিদা বেশি। সময়ের দাবি বলেই তাদেরকে নিয়েছি।

তিনি আরো বলেন, ঈদের আগেই ছবিটির শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে ‘আমি নেতা হব’ ছবির শুটিং করতে কক্সবাজারে যাবে গোটা ইউনিট। সেখানেই এই ছবির শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হটাৎ করেই শনিবার কফের সঙ্গে খানিকটা রক্ত বের হয়ে আসায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে যান মাশরাফির। সেখানে ফুসফুসের পরীক্ষা করা হয়। অবশ্য পরীক্ষায় গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। ফলে রিপোর্ট পেয়ে ডাক্তার দেখিয়ে আবার বাসায় ফিরে গেছেন টাইগার এই অধিনায়ক।

বিসিবির চিকিৎসক ডা. দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ‘গুরুতর কিছু হয়নি মাশরাফির। সকালে কফের সঙ্গে একটু রক্ত আসায় সতর্কতাবশতই হাসপাতালে যান মাশরাফি। ফুসফুসের একটি পরীক্ষায় খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি। তাই আর হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়নি।’

অস্ট্রেলিয়া সিরিজকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে অনুশীলন ক্যাম্প করছে মুশফিকরা। তবে টেস্ট ক্রিকেট থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখায় চট্টগ্রামের ক্যাম্পে যাননি মাশরাফি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রাক্তন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) গাজী তারিক সালমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মানহানি মামলা ও এর জের ধরে তাকে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় আইনের কোনো ব্যত্যয় হয়েছে কি না সেটা খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি বরিশালে কাজ শুরু করেছে।

বরিশালের প্রাক্তন জেলা প্রশাসক গাজী সাইফুজ্জামান ও প্রাক্তন বিভাগীয় কমিশনার মো. গাউসসহ সংশ্লিষ্টদের কার কী ভূমিকা ছিল তা জানতেই এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।

রোববার সকালে তদন্ত কমিটির প্রধান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এম বজলুল করিম চৌধুরীরর নেতৃত্বে কমিটির অন্য সদস্যরা বরিশাল এসে পৌঁছেন। এ কমিটিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, আইন ও বিচার বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজনকরে যুগ্মসচিব রয়েছেন।

এরপর সকাল ১০টায় বরিশাল সার্কিট হাউজে যান ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি। সেখানে প্রত্যাহার হওয়া মামলার বাদী জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক (বর্তমানে সাময়িক বহিষ্কৃত) ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ওবায়েদুল্লাহ সাজু, গাজী তারিক সালমনের আইনজীবী মো. মোখলেসুর রহমান খান ও ঘটনার দিন মেট্রো আদালতে দায়িত্ব পালন করা ৬ পুলিশ সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা রয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান জানান, তদন্ত কমিটির বরিশালে আসার কথা মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ থেকে আগেই তাকে জানানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী প্রত্যাহার হওয়া মামলার বাদী অ্যাডভোকেট ওবায়েদুল্লাহ সাজু, গাজী তারিক সালমনের আইনজীবী মো. মোখলেসুর রহমান খান ও ঘটনার দিন মেট্রো আদালতে দায়িত্ব পালন করা ৬ পুলিশ সদস্যকে আজ সার্কিট হাউজে উপস্থিত থাকতে অবগত করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান আরো জানান, প্রয়োজন মনে করলে তদন্ত কমিটি এর বাইরেও যেকারো সঙ্গে কথা বলতে পারেন।

মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এসি প্রসিকিউসন) মো. আব্দুর রব জানান, সেদিন মেট্রো আদালতে দায়িত্ব পালন করা ৬ পুলিশ সদস্যকে বরিশাল সার্কিট হাউজে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। তারা এখন সেখানে অবস্থান করছেন।

মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রাক্তন আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা) গাজী তারিক সালমন জানান, গত ১ আগস্ট মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের কনফারেন্স রুমে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি তার কাছ থেকে সেদিন কী ঘটেছিল শুনেছেন। এর বাইরে বেশি কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন গাজী তারিক সালমন।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্রে বঙ্গবন্ধুর ‘বিকৃত ছবি’ ছাপানোর অভিযোগ এনে গত ৭ জুন আগৈলঝাড়ার সাবেক ইউএনও তারিক সালমনের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক (বর্তমানে সাময়িক বহিষ্কৃত) ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট ওবায়েদুল্লহ সাজু।

বরিশাল সিএমএম আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করে ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতে হাজির হলে তারিক সালমনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিলেন বিচারক মো. আলী হোসাইন। দুই ঘণ্টা পর ওই মামলায় বরিশাল সিএমএম আদালত থেকে জামিন পান তারিক সালমন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest