সর্বশেষ সংবাদ-
জাতীয় দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনে যুক্ত হলেন কাজী সাজেদুর রহমানসুন্দরবনে সাপের কামড়ে মৌয়ালী আহত : হাসপাতালে ভর্তিসাতক্ষীরায় জাকির স্মৃতি স্কুল কাবাডি প্রতিযোগিতার ফাইনালসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন Ako používať roobet paysafecard pre maximálne pohodlie a bezpečnosťMilyen hatással van a kaszinó keverési eljárás a játékélményreশ্যামনগরে বজ্রপাতে ইয়াকুব আলী নামের এক ঘের মালিকের মৃত্যুসাতক্ষীরার সুন্দরবনে বনদস্যুদের গুলিতে কাঁকড়া শিকারি আহতকালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভা

কলারোয়া ডেস্ক : ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে কলারোয়ার কাজীরহাটে প্রস্তুতি সভা করেছে স্থানীয় আ.লীগের নেতৃবৃন্দ।
রবিবার বিকেলে কাজীরহাট বাজারে ৮নং কেরালকাতা ইউনিয়ন আ.লীগের উদ্যোগে ওই সভার আয়োজন করা হয়।
আ.লীগ নেতা প্রাক্তন ইউপি সদস্য আশরাফ হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সম মোরশেদ আলী (ভিপি), ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান বাবু, যুবলীগের আহবায়ক আলমগীর হোসেন, শান্ত হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শান্তিপূর্ণভাবে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : কলারোয়া উপজেলার ৩নং কয়লা ইউনিয়ন দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের স্মারক নং-দুদক/বিকা/খুলনা/২০১৭/১০০২(১৬)এর একটি চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। ৭সদস্য বিশিষ্ট নবগঠিত ওই কমিটিতে আছেন সভাপতি- কামরুল ইসলাম সাজু, সহ.সভাপতি- শেখ রবিউল ইসলাম ও জয়দেব ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক- আবু হায়াত বাবু, সদস্য- আব্দুর রহমান, সহিদুল ইসলাম (সাং-কুমারনল) ও সহিদুল ইসলাম (সাং-কয়লা)। ঘোষিত ওই কমিটির মেয়াদ ২০১৯সালের ৩১ডিসেম্বর পর্যন্ত। দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রচারণামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসসমূতে দুর্নীতি প্রতিরোধমুলক কার্যক্রম পরিচালনাকরণ, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আগত মানুষের মধ্যে দুর্নীতি বিরোধী মনোভাব গড়ে তোলা, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়ে তোলার কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করাসহ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে প্রচারণা চালানো ইত্যাদি সচেতনতামূলক বিষয় গুলো নয়া এ কমিটির কর্মপরিধি ও কর্মপদ্ধতি।
এদিকে, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক কলারোয়া কবিতা পরিষদের সভাপতি কামরুল ইসলাম সাজু সভাপতি মনোনীত হওয়ায় তাকেসহ কমিটির সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে কলারোয়ার সিরাজুল ইসলাম ফাউন্ডেশন, কলারোয়া হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, কলারোয়া কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী, কলারোয়া বিশ্বাস সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি, কলারোয়া মটরসাইকেল ম্যাকানিক সমিতি ও পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘কলারোয়া নিউজ’ ডটকম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া ডেস্ক : ভারতে আটক দুই বাংলাদেশি নারীকে কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে রবিবার বিকালে উপজেলার কেঁড়াগাছি সীমান্তে তাদের হস্তান্তর করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা বিওপির বিজিবি সূত্র জানায়- কক্সবাজারের কুতুবজো গ্রামের মতিয়ারের স্ত্রী ইসমত আরা (২৪) ও একই জেলার সমিতিপাড়া গ্রামের গফুরের মেয়ে সিমা আক্তার (২০)কে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে বিএসএফ। সন্ধ্যায় ওই দুই নারীকে কলারোয়া থানা পুলিশে সোর্পদ করেছে বিজিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : “আমার নামে পাটকেলঘাটা থানাসহ জেলার কোথাও কোনো মামলা নেই, এমনকি অভিযোগ বা সাধারণ ডায়েরিও নেই। অথচ পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ আমাকে মাদক, জঙ্গি ও নাশকতার মামলায় ঢুকিয়ে দেবে বলে হুমকি দিয়েছে। এমনকি উপরের অর্ডারে আমাকে ক্রসফায়ারে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুলিশের ভয়ে আমি বাড়ি থেকে ১৫ দিন ধরে পালিয়ে আছি।
রোববার দুপুরে সাতক্ষীরায় এক সংবাদ সম্মেলন করে এ সব কথা জানিয়েছেন পাটকেলঘাটা থানার নগরঘাটা গ্রামের কুয়েত প্রবাসী বাবা রুহুল কুদ্দুসের ছেলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ মাগফুর রহমান।
তিনি বলেন, পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ আমার কাছে ২৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে। আমি তা দিতে রাজি হইনি। এ জন্য আমাকে শান্তিতে বাড়িতে থাকতে দেবে না বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে ওই টাকার জন্য পুলিশ আমার বাড়িতে দুই দফা এসে হানা দিয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ জুলাই ২৫ হাজার টাকা নিয়ে থানায় যাবার কথা বলা হলেও আমি যাইনি। তিনি বলেন এর পর ২৩ জুলাই বিকালে নগরঘাটা পুলের বাজার হতে আমার ডায়াং ৮০ সিসি মোটর সাইকেলটি পুলিশ নিয়ে গেছে। এ জন্য থানায় স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে পাঠানো হলে পুলিশ জানিয়েছে ২৫ হাজার টাকা দিলে পর সেটি ফেরত দেওয়া হবে। তিনি এসব ঘটনায় জড়িত দুই পুলিশ অফিসারের নাম উল্লেখ করে বলেন তারা হলেন পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) উজ্জ্বল কুমার বৈদ্য ও উপপরিদর্শক পীযুষ কান্তি। মাগফুর তাদের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক পীযুষ কান্তি বলেন ‘মাগফুর রহমানের অভিযোগ সত্য নয়। তার বিরুদ্ধে ফেইস বুকে আপত্তিকর ও অশ্লীলতা বিষয়ক একটি লিখিত অভিযোগ আসে থানায়। এ অভিযোগ পেয়ে ওসি স্যারের নির্দেশে উজ্জ্বল স্যারের নেতৃত্বে আমরা ৭/৮ জন পুলিশ সদস্য মাগফুরের বাড়িতে যাই। এসময় অভিযোগের সত্যতা প্রমানের জন্য আমরা তার ল্যাপটপ ও অ্যানরয়েড মোবাইল চেক করতে চাইলে তিনি অসহযোগিতা করেন। পরে আমরা সেখানে উপস্থিত লোকজনকে পরদিন ল্যাপটপ ও মোবাইল নিয়ে থানায় আসতে বলি। কিন্তু তিনি আসেন নি। এর কয়েকদিন পর নগরঘাটা পুলের বাজার এলাকায় পুলিশ একটি মোটর সাইকেল পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে থানায় নিয়ে আসে। এই মোটর সাইকেল নিতে তিনি থানায় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে ৫ হাজার টাকা দিয়ে পাঠান। আমরা টাকা নেই নি। শুধু বলেছি টাকা নয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় এলে গাড়ি তাকে দিয়ে দেওয়া হবে। ২৫ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ কিংবা ক্রস ফায়ার বা কোনো মামলায় ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ অসত্য বলে দাবি করেন পুলিশের উপ-পরিদশূক পীযুষ।
তবে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ২৫ হাজার টাকা না দিলে মোটর সাইকেল ফেরত দেওয়া হবে না বলে পুলিশআমাকে জানিয়েছে। তিনি বলেন মাগফুর ভাল ছেলে। তার বাবা কুয়েত থাকেন, এ কারণেই পুলিশ তার পিছে লেগেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মোস্তফা কামাল : বাঙালি জাতির পিতা, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের স্বপ্নদ্রষ্টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ ঘাতকের নির্মম বুলেটে ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট নিহত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শিশু রাসেল সহ পরিবারের সকল সদস্যের নির্মম হত্যাযজ্ঞের রক্তাক্ত ইতিহাস আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসাবে সেই ইতিহাসের কালো অধ্যায় তুলে ধরে আগামী প্রজন্মকে শোককে শক্তিতে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে তাদের আহবান জানান সাতক্ষীরা ০৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক আসনের) জাতীয় সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। তিনি গত ০৬ অগাস্ট সকাল ১০ টার দিকে নকিপুর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ সকলের উদ্দেশ্যে এ কথাগুলো বলেন। প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জীর সভাপতিত্বে শোক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সহকারী প্রধান শিক্ষক রেহেনা আরজু, সাংবাদিকবৃন্দ ও উপজেলা আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন নেতৃবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগর উপজেলা সদরে অবস্থিত নকিপুর মাছ বাজারকে ফরমালিনমুক্ত বাজার হিসেবে সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কামরুজ্জামান এ সময় ফরমালিনযুক্ত মাছ বিক্রি না করার জন্য সকলের কাছে আহবান জানান। তাছাড়া সঠিক মাপে মাছ বিক্রি করার জন্যও ব্যবসায়ীদের কাছে আহবান করেন। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসাইন সাগর ও বাজার ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিজিবি’র পৃথক অভিযান চালিয়ে প্রাইভেটকার ভর্তি ভারতীয় শাড়ী, থান কাপড় ও মদ সহ এক চোরাকারবারীকে আটক করেছে। রোববার দুপুর একটায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা চৌরাস্তÍার মোড় ও সকালে দেবহাটার কুলিয়া পাকা রাস্তায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃত চোরাকারবারীর নাম আব্দুর রহমান (২৫)। সে কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা গ্রামের আনছার আলীর ছেলে। খাঁনজিয়া বিজিবি ক্যাম্প কামন্ডার সিরাজুল ইসলাম জানান, গোপন খবরের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে রোববার দুপুর একটার দিকে উপজেলার নলতা চৌরাস্তা মোড় এলাকায় ঢাকা মেট্রো-ক-০৩-৭৯৩৯ নং প্রাইভেটকারটি আটক করা হয়। এর মধ্যে থাকা অবৈধ ভারতীয় ১৩০ পিচ শাড়ী, ৪৬৭ মিটার থান কাপড়সহ চোরাচালানি আব্দুর রহমানকে আটক করা হয়। আটককৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৩ লাখ টাকা।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লস্কর জায়াদুল হক জানান, এ ঘটনায় খাঁনজিয়া ক্যাম্পের সুবেদার সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে আব্দুর রহমানসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে কালিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। জব্দকৃত প্রাইভেটকার থানা হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। পদ্ম শাখরা বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আব্দুল বারিক খাঁন জানান, দেবহাটার পূর্ব কুলিয়া পাঁকা রাস্তা দিয়ে মাদকদ্রব্য বহন করিতেছে এমন খবর পেয়ে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার সময় তার নেতৃত্বে বিজিবি সদস্যরা সেখানে অভিযান চালায়। এসময় সময় ৬০ বোতল ভারতীয় পিনকন মদ ফেলে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। পরে রাস্তার উপর পড়ে থাকা বস্তার ভিতর থেকে ৬০ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৯০ হাজার টাকা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরায় ছাত্রলীগ, তাঁতীলীগ ও যুবলীগের নেতা কর্মীদের বাধার মুখে সিভিল সার্জন অফিসের বক্সে দরপত্র জমা দিতে পারলেন না ঠিকাদাররা। রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের বক্সে এ দরপত্র ফেলার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়।
জানা যায়, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের অফিস সহকারির যোগসাজসে তিনটির পরিবর্তে একটি স্থানে দরপত্র ফেলানোর বক্স রেখে একটি মহলকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য এ ব্যবস্থা করা হয়। এমনকি ঠিকাদাররা দরপত্র ফেলার জন্য সেখানে গেলে তারা বাধার সম্মুখীন হলে সেই ছবি তুলতে গেলে ডেইলি সাতক্ষীরা ও আজকের সাতক্ষীরা’র বার্তা সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন এর মোবাইল কেড়ে নিয়ে সে ছবি মুছে দেওয়া হয়।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয় থেকে ইডিসিএল বহির্ভুত ঔষধপত্র, সার্জিকাল যন্ত্রপাতি, লিলেন সামগ্রী, গজ-ব্যা-েজ-তুলা ইত্যাদি, পরীক্ষা নিরীক্ষা ও কেমিক্যাল সামগ্রী, এমএসআর আসবাবপত্র ও কিচেন সামগ্রী, এমএসআর যন্ত্রপাতি মেরামতের জন্য সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে চলতি বছরের ৬ জুলাই প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ টাকার প্রকল্লন ব্যয় হিসেবে দরপত্র আহবান করা হয়। প্রতিসেট দরপত্র কেনার জন্য এক হাজার টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। দরপত্র আহবানের দিন থেকে গত ৩ আগষ্ট পর্যন্ত দরপত্র সংগ্রহের সময় নির্ধারণ করা হয়। নিদ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ২৩ টি দরপত্র বিক্রি হয়। রোববার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সিভিল সার্জন অফিসে ঝোলানো একটি বক্সে দরপত্র ফেলার জন্য নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে দেওয়া হয়। শান্তিপূর্ণভাবে দরপত্র ফেলার সুবিধার্থে সিভিল সার্জন অফিসের দু’পাশের দু’টি ফটকে ও অফিসের মধ্যে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার পর সাতটি গ্রুপের দরপত্রের বিপরীতে ছয়টি দরপত্র জমা পড়ে। এসআর আসবাবপত্র ও কিচেন সামগ্রীর বিপরীতে কোন দরপত্র জমা পড়েনি।
সরেজমিনে, রোববার সকাল ১০ টায় সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান ফটকে (মেইন রোড সংলগ্ন) যেয়ে দেখা গেছে ফটকটি আটকানো। ফটকের বাম পাশে বাঁশ বাঁধা হয়েছে। তিনজন পুলিশ সদস্য ও একজন অফিস কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন। ফটকের বাইরে জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মীর শাহীন, পৌর তাতী লীগের সাধারণ সম্পাদক ক্যাপ্টেন, যুবলীগ কর্মী নূর আলম মুকুলের নেতৃত্বে ২০/২৫জন যুবক ঘোরাফেরা করছেন। আবার কয়েকজন বসে আছেন পার্শ্ববর্তী দোকানে। বিপরীত দিকের ফটকে একজন অফিস কর্মী ও একজন পুলিশ কর্মকর্তা অবস্থান করছেন। ফটকের বাইরে পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়র হোসেন অনু, সাধারণ সম্পাদক তুহিনুর রহমান, যুবলীগ কর্মী মফিজুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভির হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবিব অয়ন, সাতক্ষীরা সদর ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাবিব, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মিঠুন ব্যানার্জী, ছাত্রলীগ কর্মী বারিক, আরিফুল হক, এনামুর রহমান নিপুন, রমজান আলী রাতুল, বিরাজসহ ৩৫/৪০ জন অবস্থান করছেন।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা পরিষদের সদস্য ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী অ্যাড. শাহানাজ পারভিন মিলি, পৌর সৈনিক লীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মেনন, তকদির এন্টারপ্রাইজের এসকেন্দার আলী, মেসার্স এসআর এন্টারপ্রাইজের শাহীন হোসেন প্রথমে প্রধান ফটকে ও পরে ভিতরের দ্বিতীয় ফটক দিয়ে দরপত্র জমা দিতে গেলে তারা ফটকের বাইরে অবস্থানকারী ওইসব নেতা কর্মীদের দারা বাধাগ্রস্ত হন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাক বিত-া হয়। বাক বিত-ার ছবি তোলার পর নূর ইসলাম মুকুলসহ কয়েকজন দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার বার্তা সম্পাদক বেলাল হোসেনকে কটাক্ষ করেন। পরে তার কাছ থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে ধারণকৃত ছবি মুছে ফেলে ফেরৎ দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে অ্যাড. শাহানাজ পারভিন মিলি সাংবাদিকদের জানান, তিনি খুলনার সাইফুল ইসলাম ট্রেড লিমিটেড এর পক্ষে দরপত্র ফেলতে যাওয়ার সময় সিভিল সার্জন অফিসের দু’টি ফটকে পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়র হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবিব অয়ন, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মীর শাহীন ও যুবলীগ কর্মী নূর হোসেন মুকুলসহ কয়েকজনের বাধার মুখে সিভিল সার্জন অফিসে ঢুকতে পারেননি।
একইভাবে একই ব্যক্তিদের বাধার মুখে খুলনার তাকবির এন্টারপ্রাইজের পক্ষে দরপত্র জমা দিতে পারেননি বলে জানান পৌর সৈনিকলীগের আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম মেনন। বাধা পেয়ে দরপাত্র জমা না দিয়ে ফিরে যাওয়ার কথা বলেন ঢাকার শাহীন এন্টারপ্রাইজের শাহীন ও মেসার্স এসআর এন্টারপ্রাইজের পক্ষে সাহেব আলী। বিষয়টি পুলিশ ও সিভিল সার্জন ও জেলা প্রশাসককে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি বলে তারা অভিযোগ করেন।
জমা দিতে ব্যর্থ হওয়া দরপত্র ক্রেতারা বলেন, সরকারি কাজের এক কোটি টাকার বেশি কাজ হলে জমা দেওয়ার জন্য তিনটি স্থানে তিনটি বক্স দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আর বিদেশীদের কাজ হলে একটি বক্সই যথেষ্ট। অথচ সিভিল সার্জন ডাঃ তহিদুর রহমান ও ওই অফিসের প্রধান করণিক আনোয়ার হোসেন একটি মহলকে বিশেষ সুবিধথা দেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে যোগসাজস করে একটি বক্সে দরপত্র জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা তাতী লীগের সভাপতি মীর শাহীন জানান, তিনি নূর ইসলাম মুকুলের পক্ষে একটি দরপত্র জমা দিতে এসেছিলেন। এজন্য তিনি বা তার দলের লোকজন সিভিল সার্জনের অফিসের ফটকে কিছু সময় অবস্থান করলেও কোন দরপত্র জমা দাতাকে বাধা দেননি।
যুবলীগ কর্মী নূর ইসলাম মুকুল বলেন, তিনি ফটকে অবস্থান করলেও কাউকে বাধা দেননি। কোন সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নিয়ে ছবি মুখে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এহাসান হাবিব অয়নের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, অন্যদের সঙ্গে তিনিও সিভিল সার্জন অফিস এলাকায় ছিলেন। তবে তিনি বা ছাত্রলীগের কোন নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে দরপত্র জমা দিতে আসা ঠিকাদারদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
সাতক্ষীরা পৌরলীগের আহবায়ক মনোয়র হোসেন অনু সাংবাদিকদের বলেন, তিনি বা তার দলের কোন ছেলের বিরুদ্ধে দরপত্র জমা দিতে আসা ঠিকাদারদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। তারা সেখানে অন্যদের মতো দেখতে গিয়ে ছিলেন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরেরর সাতক্ষীরা শাখার সহকারী প্রকৌশলী মোঃ জাকারিয়া হোসেন জানান, এক কোটি টাকার বেশি সরকারি কাজের দরপত্র জমা দেওয়ার জন্য তিনটি বক্স টাঙাােনর নিয়ম রয়েছে।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের অফিস সহকারি আনোয়ার হোসেন তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, দরপত্র কেনা ও জমা দেওয়ার ব্যাপারে কোন মহলের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ ঠিক নয়।
সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ তওহীদুর রহমান জানান, পাবলিক প্রকিউরমেন রুল অনুযাীয় তিনি দরপত্র ফেলাসহ সব কাজ করেছেন। কোন ঠিকাদার দরপত্র জমা দিতে এসে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন এমনটি তার জানা নেই। তবে কোন ঠিকাদার দরপত্র জমা দিতে বাধা পেলে বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ও সচীব মহোদয়কে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন জানান, দরপত্র জমা দিতে যেয়ে ঠিকাদাররা সিভিল সার্জন অফিসের ফটকে বাধা পেয়ে ফিরে এসেছেন এমন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি তাৎক্ষনিক সিভিল সার্জন মহোদয়কে অবহিত করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest