অপ্রতিম রহমান : বিরল রোগে আক্রান্ত ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কামারবায়সা গ্রামের শিশু মুক্তামনির হাতে অস্ত্রোপচার করা হচ্ছে আজ। সকাল আটটায় তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হবে। আর এজন্য সব দিক দিয়ে প্রস্তুত রয়েছেন চিকিৎসকরা। যদিও এতে অনেক ঝুঁকি ও রক্তপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে অস্ত্রোপচারের আগে শিশুটি যেন মানসিকভাবে শক্ত এবং খুশি থাকে, সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তার জন্য হাসপাতালে চকলেট ও টাকা পাঠিয়েছেন। মুক্তামনির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় কিক্রেট দলের অধিনায়ক(টেস্ট) মুশফিকুর রহিম। অন্যদিকে, শুক্রবার সন্ধ্যায় মুক্তামনিকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় তার সাথে ছিলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় উপ-কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ওসমান গনি, মাস্টার দা’ সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান শাহিনসহ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় সংসদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃত্বে থাকা সাতক্ষীরা জেলার শিক্ষার্থীরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, “শনিবার মুক্তামনির অস্ত্রোপচার করা হবে। সকাল ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে এ অস্ত্রোপচার শুরু হবে। এজন্য আমাদের মেডিকেল বোর্ড সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে এতে অনেক ঝুঁকি ও রক্তপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।” তিনি আরো বলেন, আমরা আগে থেকেই মুক্তামনির জন্য রক্ত সংগ্রহ করে রেখেছি। আমরা সব ধরনের সতর্কতার সঙ্গে অপারেশন থিয়েটারে ঢুকবো। অপারেশন ছাড়া তার আর কোনও চিকিৎসা নাই। এত বড় হেমানজিওমাতে অপারেশন ছাড়া আর কিছু করার নাই। যদি এমন অবস্থা হয় যে তার জীবন বাঁচাতে হাত কেটে ফেলতে হবে আমরা তাই করবো। এক্ষেত্রে তার পরিবারেরও সমর্থন রয়েছে।
এদিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন মুক্তামনির জন্য চকলেট পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে বার্ন ইউনিটে গিয়ে মুক্তামনির হাতে এগুলো তুলে দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন।
ডা. জুলফিকার লেনিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী খবর পাঠালেন। তিনি বললেন, শনিবার মুক্তামনির অপারেশন। তিনি আমাকে মুক্তামনির জন্য চকলেট নিয়ে যেতে বলেন। অপারেশনের আগে শিশুটি যেন মানসিকভাবে শক্ত থাকে, ওর মন যেন খুশি থাকে, সেজন্যই প্রধানমন্ত্রী আমাকে ওর কাছে উপহার দিয়ে পাঠান।” ডা. লেনিন আরো বলেন, শনিবার অপারেশন, সে কথা ভেবে প্রধানমন্ত্রী ওর খুশি থাকার কথা চিন্তা করেছেন, এটা তো বিশাল ব্যাপার।
প্রধানমন্ত্রী কিছু টাকাও দিয়েছেন, যা মুক্তামনির বাবার কাছে দিয়েছেন ডা. লেনিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী সবসময় মুক্তামনির চিকিৎসার খোঁজখবর রাখছেন। তার জন্য দোয়া করছেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিরল চর্মরোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তার যাবতীয় চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনের দায়িত্ব নেন। এরই মধ্যে মুক্তার চিকিৎসার জন্য একটি বোর্ড গঠনসহ সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ।
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরার কামারবাইশালের মুদি দোকানদার ইব্রাহিম হোসেনের দুই জমজ মেয়ে হীরামনি ও মুক্তামনি। জন্মের দেড় বছর পর থেকে মুক্তামনির সমস্যা শুরু। প্রথমে হাতে টিউমারের মতো হয়। ছয় বছর বয়স পর্যন্ত টিউমারটি তেমন বড় হয়নি। কিন্তু পরে তা ফুলে কোলবালিশের মতো হয়ে যায়। বিছানাবন্দি হয়ে পড়ে মুক্তামনি।
সাতক্ষীরা, ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় নানা চিকিৎসা চলে। তবে ভালো হয়নি বা ভালো হবে, সে কথাও কেউ কখনো বলেননি। গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে খবর প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনায় আসে মুক্তামনির খবর।
গত ১১ জুলাই মুক্তাকে ভর্তি করানো হয় বার্ন ইউনিটে। তারপরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তামনির চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। ওই দিনই ঢাকা মেডিকেলে মুক্তামনির চিকিৎসার জন্য ডা. সামন্ত লাল সেনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিসরে দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩৬ যাত্রী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো শতাধিক যাত্রী। স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির উত্তরাঞ্চলের সমুদ্রতীরবর্তী শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আল আরহামের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, দেশটির রাজধানী কায়রো থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন ও পোর্ট সৈয়দ থেকে আসা আরেকটি ট্রেনের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ২০ জন নিহত হয়। আহত হয় আরো শতাধিক।
হাসপাতালে নেওয়ার পর আহতদের মধ্যে আরো ১৬ জন নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে বিবিসি। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আলেকজান্দ্রিয়ার স্বাস্থ্য বিভাগের একজন চিকিৎসকের বরাতে জানিয়েছে বিবিসি।
মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘নীল টিভি’তে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, দুর্ঘটনায় একটি ট্রেনের সামনের অংশ প্রায় দুমড়ে গেছে।
এ ছাড়া ঘটনার পরপরই আলেকজান্দ্রিয়া শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির পরিবহনমন্ত্রী এ ঘটনায় জরুরি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শহরটির সব হাসপাতালে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
এ ছাড়া শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মিসরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় মোট নিহত বা আহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্দিষ্ট করা সম্ভব হয়নি।
মিসরে অবশ্য প্রাণঘাতী রেল দুর্ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগে ২০১৩ সালে কায়রোতে একটি ট্রেন মিনিবাসকে আঘাত করলে ৫১ জন নিহত হয়। এ ছাড়া ২০০২ সালে কায়রোতে আরেকটি যাত্রীবাহী ট্রেনে অগ্নিকা-ের ঘটনায় ৩৭০ জন মারা যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ন্যাশনাল ডেস্ক : শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবলীগের এক নেতা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
নিহত যুবলীগ নেতার নাম ইকবাল হোসেন (২৫)। তিনি রাজনগর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি। সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নড়িয়া থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাকির গাজী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দাদন মীরবহরের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ইউপি নির্বাচন নিয়ে আগে থেকেই তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। গত ইউপি নির্বাচনের পর ওই দুই পক্ষের মধ্যে অন্তত ১০ বার সংঘর্ষ হয়েছে। এ নিয়ে নড়িয়া থানায় মামলাও রয়েছে।
রাজনগর ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন জাকির গাজী। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দাদন মীরবহর ও সাবেক চেয়ারম্যান আলিমুজ্জামান মালতের সঙ্গে তাঁর বিরোধ সৃষ্টি হয়। স্থানীয় রাজনীতিতে জাকির গাজী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইসমাইল হক ও দাদন মীরবহর স্থানীয় সাংসদ শওকত আলীর সমর্থক।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার দুপুরে জাকির গাজীর সমর্থকদের মারধর করেন দাদন মীরবহরের সমর্থকেরা। পরে সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাকির গাজীর সমর্থকেরা দাদন মীরবহরের আন্দারমানিক বাজারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করেন ও বোমা হামলা চালান। তখন দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সংঘর্ষের সময় ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি ইকবাল হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ইকবালের বাড়ি পাশের রাজনগর মালতকান্দি গ্রামে। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক আমিন ফকিরের ছেলে।
ইকবালের বাবা আমিন ফকির বলেন, ‘আমরা বংশপরম্পরায় আওয়ামী লীগ করি। এখন আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে হায়েনারা আমাদের রক্ত পান করছে। অন্যায়ভাবে জাকির গাজীর সমর্থকেরা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে। আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
রাজনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির গাজী বলেন, ‘দাদন মীরবহর ও আলিমুজ্জামান মালতের সমর্থকেরা আমার তিনজন কর্মীকে কুপিয়ে আহত করেছে। আমার সমর্থকদের বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়েছে। তখন সংঘর্ষ হয়েছে। ইকবাল কার হামলায় মারা গেছে তা আমার জানা নেই।’
দাদন মীরবহর বলেন, ‘জাকির গাজী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা-মামলা করছেন। তাঁর সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির লোকজন হাত মিলিয়েছেন। তাঁদের নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের এলাকাছাড়া করার চেষ্টা করছেন। তিনি আমার বাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়েছেন। তাঁদের ছোড়া গুলিতে আমার এক কর্মী নিহত ও ২৫ কর্মী আহত হয়েছেন।’
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক শেখ মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম বলেন, ‘নিহত ইকবালের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলির চিহ্ন রয়েছে। গুলির কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা। আরও ২৫ ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’
শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহসান শাহ বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নাজমুল হক, পাটকেলঘাটা : পাটকেলঘাটায় ৫০ পিচ ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। সুত্রে জানা যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটা থানার খলিষখালী পুলিশফাড়ীর ইনচার্জ এস আই নিখিল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে কৃষ্ণ নগর ব্রীজ এলাকা থেকে ৫০পিচ ইয়াবাসহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো জেলার মাগুরা গ্রামের আজিবর রহমানের পুত্র লিটন হোসেন, আশাশুনি থানার মহেশ্বরকাটী গ্রামের গফ্ফার সরদারের পুত্র বাহাদুর সরদার ও একই থানার উত্তর চাপড়ার নওশের সরদারের পুত্র ইয়াছিন ওরফে বাবু। পাটকেলঘাটা থানার নবাগত ওসি মোল্লা জাকির হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাটকেলঘাটা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছিল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কিডনী রোগীদের পরীক্ষামূলকভাবে ডায়ালাইসিস চিকিৎসা সেবা শুরু করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তৃতীয়তলায় ৪টি ডায়ালাইসিস মেশিন দিয়ে এ পরীক্ষামূলক চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে। সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডা. আ.ফ.ম রুহুল হকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে এই ৪টি মেশিন স্থাপন করা হয়। এটি কয়েকদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. কাজী হাবিবুর রহমান ও প্রকল্প পরিচালক ডা. দেলোয়ার হোসেন জেলার কিডনী রোগীদের সরকার নির্ধারিক ফি দিয়ে স্বল্প খরচে চিকিৎসা সেবা দিতে দ্রুত এ উদ্যোগ নেন। এখন থেকে আর ঢাকা-খুলনা নয় সাতক্ষীরাতে শুক্রবার প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে ৩ জন কিডনী রোগীকে ডায়ালাইসিস এর মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়েছেন ডা. শেখ ফয়সাল আহমেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. মনোয়ার হোসেন মো. হাদিউজ্জামান বাদশা প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : তালা উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সরুলিয়া ইউনিয়ন ইমারত নির্মাণ শ্রমিকের শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যায় পাটকেলঘাটাস্থ উপজেলা ইমারত শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে সর্বসম্মতিক্রমে আকবর আলী কে সভাপতি, আজিজুল ইসলামকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, রইছ উদ্দীন সহ-সভাপতি, ফারুক হোসেন কে সাধারণ সম্পাদক, জিয়ারুল ইসলাম যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক, মীর জাহিদুল ইসলাম শিপন সাংগঠনিক সম্পাদক, সোহরাব হোসেন কোষাধ্যক্ষ, হাসান সরদার দপ্তর সম্পাদক, শফিকুল ইসলাম প্রচার সম্পাদক, রাকিবুল ইসলাম সমাজ কল্যাণ সম্পাদক, জহুরুল সরদার ক্রীড়া সম্পাদক। এছাড়া রফিকুল ইসলাম, হারুণ, রাশেদ সরদারকে সদস্য করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট ইউনিয়ন কমিটি ঘোষণা করেছে তালা উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবু দাউদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে সুন্দর হাতের লেখা, চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ৫০জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর আব্দুল হামিদ, হারুন উর রশিদ, তহিদুর রহমান ডাবলু, মো. আমিনুল হক খোকন, তুপ্তি মোহন মল্লিক, মহিউদ্দিন হাশেমী তপু, আবুল কাশেম, এম.এ জলিল, আব্দুর রহমান, সাজ্জাত হোসেন প্রমুখ।
প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপে প্লে-২য় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, খ গ্রুপে ৩য়-৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য চিত্রাংকন এবং গ গ্রুপে ৬ষ্ঠ -১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আমির হোসেন খান চৌধুরী : একটি সংঘবদ্ধ চক্র সাতক্ষীরা-চুকনগর সড়কের পাটকেলঘাটা ৩০ মাইল এলাকার রাস্তার দু’ধারে লাগানো সরকারি গাছ কেটে আত্মসাৎ করে চলেছে। শুক্রবার ভোর রাতে ওই চক্রটি বিশালাকৃতির একটি খইগাছ ও একটি আকাশমনি গাছ কেটে নেয়। ওই গাছ নিয়ে যাওয়ার আগে স্থানীয় জনগণ জানতে পারায় নগরঘাটা ইউপি চেয়ারম্যানের সহযোগিতায় শুক্রবার দুপুরে বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিনেরপোতা এলাকার কয়েকজন জানান, বৃহষ্পতিবার গভীর রাতে বিনেরপোতা এলাকার বিভিন্ন অপকর্মের হোতা ওহাব ডাকাতের ছেলে আবু সাঈদ ও তার সহযোগী জিয়ার নেতৃত্বে কয়েকজন কুড়াল ও করাত দিয়ে সাতক্ষীরা- চুকনগর সড়কের ৩০ মাইল নামক স্থানের রাস্তার পাশের একটি খই গাছ ও একটি আকাশমনি গাছ কেটে ফেলে। গাছ কাটার শব্দে স্থানীয়রা জানতে পারলে সাঈদ ও জিয়া পালিয়ে যায়।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, জিয়া ও সাঈদ বিনেরপোতা থেকে শুরু করে পাটকেলঘাটা পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে লাগানো প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে বিক্রি করে আত্মসাত করেছেন। এছাড়া জিয়া ও আবু সাঈদদের অত্যাচারে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠেছেন। তারা সরকারি গাছ কাটা, খাস জমি দখল, ডাকাতি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের হোতা। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ। তারা আরো জানান, জিয়া বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে বিএনপির নেতা ছিলো। এখন আবার আওয়ামীলীগ নেতা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে শত অভিযোগ থাকার পরও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চত থাকার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান লিপু বলেন, ওই দিন রাতে জিয়া ও সাঈদসহ কয়েকজন ব্যক্তি রাস্তার ধারের গাছগুলো কাটতে থাকে। এসময় এলাকার ছেলেরা বুঝতে তাদের ধাওয়া দিলে তারা গাছ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় জিয়া ও সাঈদকে চিনতে পারে।
সাতক্ষীরা বনকর্মকর্তার অফিসের কর্মকর্তা ও একইসাথে ত্রিশ মাইল এলাকার দায়িত্বে থাকা মারুফ বিল্লাহ জানান, কাঠ ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীরের কাছ থেকে বেশ কিছু কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বাদি হয়ে শুক্রবার হুমায়ুন কবীরের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে বিভাগীয় বনকর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest