সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে তথ্য গোপনের অপরাধে প্যানেল চেয়ারম্যানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাসাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সভাসাংবাদিকের ওপর হামলা: চাপ এড়াতে সংবাদ সম্মেলনআশাশুনির কাকবাসিয়ায় পাউবো’র বেড়ী বাঁধে আবারও ভয়াবহ ভাঙ্গনভালোবাসার একযুগ এতিম শিশুদের হাসি আর ভ্যানচালকদের পাশে যমুনা টেলিভিশনসাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনজংধরা ও ভাঙা ফ্লোরে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার : সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমেআশাশুনির খাজরা ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বাচ্চুকে অপসারন ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরায় কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষার বৃত্তিপ্রদান ও পুরস্কার বিতরণীসাতক্ষীরায় কলেজের অধ্যক্ষকে পিটিয়ে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের পর উল্টো বিভিন্ন অনলাইনে অপপ্রচার

আগস্ট মাসে দেশে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘এ বছরের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে আগামী আগস্ট মাসে দেশে বড় ধরনের বন্যা হতে পারে। সেই আশঙ্কা আমাদের আছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থেকে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বন্যার আগে বাঁধগুলো মেরামত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বুধবার সকাল সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সম্মেলনের দ্বিতীয়দিনের তৃতীয় অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে বক্তব্য রাখেন পানিসম্পদমন্ত্র ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। অধিবেশন শেষে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পানিসম্পদমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, ‘প্রকৃত বন্যা বলতে যা বোঝায় সেটি এখনও আমাদের দেশে হয়নি। যখন পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নদীর পানি এক সঙ্গে বাড়ে তখনই প্রকৃত বন্যা হয়। তবে বন্যা হয়েছে ভারতে, সেখানে মানুষ মারা গেছে। কিন্তু আমাদের দেশে এমন দুঃখজনক ঘটনা ঘটেনি।’

ডিসিদের কী নির্দেশনা দিয়েছেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ডিসিরা বন্যার বিষয়ে কোনও কথা বলেননি। তারা নদী ভাঙন রোধ নিয়ে আলোচনা করেছেন। আমরা তাদের বলেছি, এখন থেকে মন্ত্রণালয়ের যে বরাদ্দ থাকে তার অর্ধেক ব্যয় করবো নদী শাসন কাজে। এ কাজ করতে ডিসিদের কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছি। এছাড়া পানি নেমে গেলে বাঁধ সংরক্ষণ করতে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় যে পানি বেড়েছে তা মূলত বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পানি। আমাদের দেশে সাধারণত বন্যা হয় আগস্ট মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে। কিন্তু এবার যেটা হয়েছে তা মূলত বৃষ্টি ও অতিবৃষ্টির ফল। ইতোমধ্যে অন্য বছরের তুলনায় ২/৩ গুণ বৃষ্টি হয়েছে। সে কারণে অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অপ্রতিম রহমান : বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনিকে প্রয়োজনে বিদেশ পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরই জের ধরে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের সাথে যোযোগ শুরু করেছেন ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, মুক্তামনিকে যদি বিদেশ পাঠানোর দরকার হয় তবে যেন তাই করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মুক্তামনির ছবি দেখেছেন। ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- ওর চিকিৎসায় যেন কোনও গাফিলতি না হয়।’
প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে বের হয়ে এরইমধ্যে ডা. সামন্ত লাল সেন সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগও শুরু করেছেন বলেও জানান তিনি।
সামন্ত লাল বলেন, ‘আমরা সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে যোগাযোগ করেছি। সেখানে কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারপর মুক্তামনিকে সেখানো পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
কবে নাগাদ পাঠানো হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিশ্চিত হয়েই তাকে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
প্রসঙ্গত, বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনিকে ১১ জুলাই ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় চার শিশু হত্যার দায়ে মামলার তিন আসামিকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ এবং আরো দুজনকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজন খালাস পেয়েছেন।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বলে জানিয়েছেন মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কিশোর কুমার কর।

আইনজীবী আরো জানান, ফাঁসির দণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন হাবিবুর রহমান আরজু, রুবেল মিয়া ও উস্তার মিয়া। সাত বছরের সশ্রম দণ্ড দেওয়া হয়েছে জুয়েল মিয়া ও শোয়েব আহমেদ বশিরকে। আর খালাস পেয়েছেন আবদুল আলী বাগাল, বিল্লাল মিয়া ও বাবুল মিয়া।

তাঁদের মধ্যে উস্তার মিয়া, বাবুল মিয়া ও বিল্লাল পলাতক। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার রায়কে কেন্দ্র করে আজ সকাল থেকে আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তা নেওয়া হয়। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারাগারে থাকা পাঁচ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাহুবল উপজেলার ভাদেশ্বর ইউনিয়নের সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু নিখোঁজ হয়। ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে গ্রামের অদূরে বালিমাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এই শিশুরা হলো—সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার দুই চাচাতো ভাই আবদুল আজিজের ছেলে একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে একই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আবদুল কাদিরের ছেলে সুন্দ্রাটিকি মাদ্রাসার ছাত্র ইসমাঈল হোসেন (১০)।

এ ঘটনায় বাহুবল থানায় নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মনির মিয়ার বাবা আবদাল মিয়া। শুরুতে এ মামলা দেখভাল পুলিশ করলেও পরে তা তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই বছরের ২৯ এপ্রিল ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মুক্তাদির নয়জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলার আসামিরা ছিলেন আবদুল আলী বাগাল, হাবিবুর রহমান আরজু, রুবেল মিয়া, জুয়েল মিয়া, শোয়েব আহমেদ বশির, বিল্লাল মিয়া, উস্তার মিয়া ও বাবুল মিয়া। এ ছাড়া এ মামলার আসামি বাচ্চু মিয়া মামলা চলাকালে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যান।

অভিযোগপত্র গ্রহণের পর একই বছরের ৭ সেপ্টেম্বরে মামলাটির বিচার শুরু হয়। হবিগঞ্জ আদালতে মামলার ৫৭ সাক্ষীর মধ্যে ৪৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। ২০১৭ সালের ১৫ মার্চ মামলাটি সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। এখানে আরো সাতজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

আসামিদের মধ্যে চারজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

সুন্দ্রাটিকি গ্রামের দুই পঞ্চায়েত আবদাল মিয়া তালুকদার ও আবদুল আলী বাগালের মধ্যে পারিবারিক বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে মামলার তদন্ত ও আসামিদের দেওয়া স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ জানিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

একসঙ্গে ২৫ স্ত্রী রাখায় কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় এক ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। এক দশক ধরে বিচার কাজ চলার পর গত সোমবার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সর্বোচ্চ আদালত এ রায় দেন। বিচ্ছিন্ন একটি বহুগামী সম্প্রদায়ের সাবেক ওই নেতার নাম উইন্সটন ব্ল্যাকমোর (৬০)। তার সন্তান সংখ্যা ১৪৬।

উইন্সটন ব্ল্যাকমোর বরাবরই বহুগামিতাকে (একাধিক নারীর সঙ্গে সম্পর্ক) বৈধ করার বিপক্ষে ছিলেন। তার মতে, বহুগামিতাকে বৈধ করলে নারীরা আরও বেশি নিপীড়ণের শিকার হবেন। আবার তিনিই ২৫ নারীর সঙ্গে একই সময়ে সংসার করতেন। আর এজন্য নিজেকে দোষীও মনে করেন না।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর উইন্সটন ব্ল্যাকমোর বলেন, ‘নিজের ধর্মে বিশ্বাস রাখার জন্য এবং সে মতে জীবনযাপন করার জন্য আমাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আমি কখনই বিষয়টি অস্বীকার করিনি। ‘

উইন্সটন ব্ল্যাকমোরই শুধু নন, সোমবার আদালত বহুগামী সম্প্রদায়ের আরও এক নেতাকে একই কারণে দোষী সাব্যস্ত করেছে। জেমস ওলার (৫৩) নামের ওই ব্যক্তি উইন্সটন ব্ল্যাকমোরেরই আত্মীয় (স্ত্রীর ভাই)। ওলারের সংসারে স্ত্রীর সংখ্যা পাঁচ। সূত্র : ফক্স নিউজ ও টেলিগ্রাফ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক অ্যাডভাইজরি প্যানেলের বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশের অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের কল্যাণে নিরবচ্ছিন্ন ও উদ্ভাবনীমূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।

‘প্রিন্সটন ক্লাব অব নিউইয়র্ক’ আয়োজিত ‘সিমা কলাইনু’ নামে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি শিশু অটিজম কেন্দ্র ও স্কুল এবং এর আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘আই কেয়ার ফর অটিজম’ এর বার্ষিক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের পক্ষে অ্যাওয়ার্ডটি গ্রহণ করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

‘সিমা কলাইনু’ নিউইয়র্কের প্রথম শিশু অটিজম কেন্দ্র ও স্কুল, যা ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি এ পর্যন্ত জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে নিউইয়র্কের ৫টি ব্যুরোর সকল সম্প্রদায়ের অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত সহস্রাধিক শিশুকে তাদের অটিজম সেন্টার, স্কুল ও হোম সার্ভিস দিয়ে আসছে।

অটিজম বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুলের পক্ষে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

অ্যাওয়ার্ড গ্রহণকালে রাষ্ট্রদূত মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অটিজম ও অন্যান্য নিউরো-ডেভোলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার আক্রান্ত মানুষের অধিকার রক্ষা ও কল্যাণে কাঙ্ক্ষিত সফলতা অর্জন করে চলেছে। ‘

তিনি বলেন, “বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার এর ক্ষেত্রে ‘গ্লোবাল রিনাউন্ড চ্যাম্পিয়ন’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এছাড়া গত মাসে সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কার্যালয় এ অঞ্চলের ১১টি দেশের জন্য সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে অটিজম বিষয়ক ‘শুভেচ্ছা দূত’ হিসেবে নিয়োগ দেয়। ’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের এপ্রিলে ভূটানে অনুষ্ঠিত অটিজম বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অটিজম ও অন্যান্য নিউরো ডেভোলপমেন্ট ডিজঅর্ডারের জন্য ‘থিম্পু ডিক্লারেশন’ গ্রহণে পুতুলের অবদান অনস্বীকার্য”।

বাংলাদেশে অটিজম বিষয়টি সামনের সারিতে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক কার্যালয় ২০১৪ সালে পুতুলকে “এক্সিলেন্স ইন পাবলিক হেলথ্ অ্যাওয়ার্ডে” ভূষিত করে।

‘ঢাকা ঘোষণা’ এবং সাউথ এশিয়ান অটিজম নেটওয়ার্ক (SAAN) প্রতিষ্ঠায় তাঁর প্রচেষ্টা অটিজমকে এ অঞ্চল এবং অঞ্চলের বাইরে সামনের সারিতে এনে দিয়েছে।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মোমেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেনের একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা পাঠ করেন। এতে পুতুল বলেন, “অটিজম সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিমা কলাইনু’র এই স্বীকৃতির জন্য আমি সম্মানিত বোধ করছি। অটিজম সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিমা কলাইনু’র মতই বাংলাদেশ ও এশিয়া অঞ্চলে এ সংক্রান্ত পেশার মানুষের জন্য পরিকল্পিত এবং ব্যাপকভিত্তিক প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টিতে আমি কাজ করছি। অটিজম কোন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও আর্থ-সামাজিক সীমারেখার মধ্যে আবদ্ধ নয়, এ কারণেই এর জন্য বিশেষ ধরনের সেবা ও কর্মসূচির প্রয়োজন রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একজন শুভেচ্ছা দূত হিসেবে অটিজম নেটওয়ার্ক নিয়ে আমি সকলের সাথে কাজ করতে চাই। ’

সমবেত সুধীমণ্ডলীর উদ্দেশ্যে স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, ‘২০১২ সালের ১২ ডিসেম্বর গৃহীত “অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার ও অন্যান্য নিউরো ডেভোলাপমেন্ট ডিজঅ্যাবিলিটি’ নিয়ে বসবাসকারী ব্যক্তি তাদের পরিবার ও সমাজের আর্থ-সামাজিক চাহিদা সম্বলিত জাতিসংঘের রেজুলেশন ৬৭/৮২ গ্রহণে বাংলাদেশ নেতৃস্থানীয় ভূমিকা রেখেছিল।

রাষ্ট্রদূত দাবি করেন, ‘অটিজম বিষয়ক জাতীয় সচেতনতা সৃষ্টি, পরিকল্পনা প্রণয়ন ও অটিজমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তার জন্য বাংলাদেশ গর্ব করতে পারে। ’ তিনি আরও বলেন, “অটিজম বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির সাথে সাথে যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা যুক্ত হয়, তাহলে তা অটিজম এবং এ সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষের জীবনে বৈচিত্র্য নিয়ে আসতে পারে”।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দীর্ঘ চার বছর পর নাটকে অভিনয় করলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিনেতা টনি ডায়েস। লিপি মনোয়ারের রচনায়, সৈয়দ জামিমের পরিচালনায় ‘অনাহূত’ নাটকটি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গল্প নিয়েই নাটকটি তৈরী করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টনি ডায়েস। তিনি বলেন, নাটকের কাহিনী আর সংলাপ খুব ভালো বলে কাজটা করতে আমি রাজি হই। চার বছর পর আবার নাটকে কাজ করলাম তাই পুরো কাহিনী এখন আর বলবো না। আগামী ঈদে নাটকটি দেশের কোনো একটি বেসরকারি টিভিতে প্রচার হবে।

প্রিয়ন্তীর প্রযোজনায় নির্মিত ‘অনাহূত’র নির্বাহী প্রযোজক মনোয়ার হোসেন পাঠান। টনি ডায়েস ছাড়া নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন মিলা হোসেন, শামসুজ্জামান বকুল, শিরিন বকুল, আনিসুর রহমান দিপ প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের মুম্বাই শহরতলির ঘটকোপার এলাকায় ভবন ধসে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শিশুসহ ১৭ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ভবনের মালিক চরমপন্থী সংগঠন শিবসেনার এক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার নিচতলায় সংস্কারকাজ চলাকালে চারতলা ভবনটি ধসে পড়ে।

পুলিশের ভাষ্য, ভবনটির নিচতলায় একটি নার্সিং হোম ছিল। এ ছাড়া ভবনটিতে ১২টি পরিবার বসবাস করত।

ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) শরিক দল শিবসেনার নেতা সুনীল শীতপ ভবনটির মালিক ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অবহেলা ও শাস্তিযোগ্য নরহত্যার অভিযোগ এনে মামলা করা হয়েছে।

ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেসের সাবেক সদস্য প্রবীণ চেদ্দা বলেন, ভবনের নিচতলায় নার্সিং হোমটি চালাতেন সুনীল শীতপ ও স্বাতী সুনীল শীতপ।

‘গত দুই মাস ধরে হাসপাতালটি বন্ধ ছিল। তিনি (সুনীল শীতপ) এটিকে গেস্টহাউস বানাতে চেয়েছিলেন’, বলেন চেদ্দা।

চলতি বছরের শুরুতে শিবসেনার মনোনয়ন পেয়ে ব্রিহানমুম্বাই পৌর করপোরেশন (বিএমসি) নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন স্বাতী সুনীল শীতপ।

ভবন ধসের পর মঙ্গলবার রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাদনবিশ। তিনি এ ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কের বেহাল দশা

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা পৌরসভা ও সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদ্যোগে রাস্তার সংস্কার কাজ করা হয়েছে। বুধবার সকালে শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে চলাচলের অনুপযোগী স্থানগুলো বালি ও ইট বসিয়ে প্রাথমিকভাবে চলাচলযোগ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির নির্দেশে ও তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সাতক্ষীরা পৌরসভার স্কেভেটর মেশিন, ভেকো মেশিন ও বালি টানা মেশিন এবং পর্যাপ্ত শ্রমিক দিয়ে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু পর্যাপ্ত মামামালের অভাব বলে জানান পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি।
ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিউদ্দিন বাশির প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, “জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্য আমরা প্রাথমিকভাবে রাস্তার সংস্কার করছি। গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণের ফলে আমরা কাজ শুরু করতে পারছিনা। তবে ৩/৪ দিন রোদ্র হলে আমরা পুরোদমে কাজ শুরু করতে পারবো। আমরা চেষ্টা করছি পর্যাপ্ত ইট বালি দিয়ে চলাচলযোগ্য করতে।”

সাতক্ষীরা শহরের পধান সড়কটিকে পাথমিভাবে চলাচলের উপযোগী করার কাজ শুরর সময় উপস্থিত পৗর ময়র তাজকিন আহমেদসহ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ ও পৗর কাউন্সিলরগণ

সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি বলেন, “সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মহোদয়ের নির্দেশে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা সড়ক জনপদ বিভাগ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে শহরের এ প্রধান সড়কটির সংস্কার কাজ করছি। কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির কারণে সড়কটির বেহাল দশা হয়েছে এবং জনগণ চলাচলে কষ্ট পাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি রাস্তাটি সংস্কার করে প্রাথমিকভাবে চলাচলের উপযোগী করতে।”

সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি বলেন, “জনগণের ভোগান্তি মানে আমারই ভোগান্তি। আমি নিজেও এই রাস্তায় চলাচল করি। আমাদের শহরের এই রাস্তাটি দিয়ে সাতক্ষীরার ২২ লক্ষ মনুষ যাতায়াত করে থাকে। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে রাস্তায় সাধারণ জনগণ যেভাবে কষ্ট পচ্ছে আমি নিজে তা অবলোকন করেছি। রাস্তাটি দ্রুত নির্মাণ এবং প্রাথমিকভাবে চলাচলের উপযোগী করে রাখার জন্য আমি সড়ক জনপদ ও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বর্ষার আগেই নির্দেশ দিয়েছিলাম। আশা করছি চলতি সপ্তাহে পুরোদমে কাজ শুরু হবে। এতে সাতক্ষীরাবাসীর মাঝে স্বস্তির নিঃশ^াস ফিরে আসবে। এছাড়াও অন্যান্য চলাচলের অনুপযোগী রাস্তারগুলোর টেন্ডার হয়ে গেছে। বর্ষার পরেই কাজ শুরু হবে।”

উল্লেখ্য, বহুদিন ধরে সাতক্ষীরা জেলা শহরসহ বিভিন্ন স্থানের প্রধান সড়কগুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রতিনিয়িত জনসাধারণকে হয়রানি হতে হচ্ছে এসব রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে। চলতি বর্ষা মৌসুমে রাস্তার দুর্দশা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এসব রাস্তায় একবার চলাচল করলে প্রবল ঝাঁকুনি, অধিক ভাড়ার পাশাপাশি পোশাক-পিরচ্ছদও নোংরা হয়ে যাচ্ছে। আর এসব নিয়ে ব্যাপক জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং গণমাধ্যমে প্রচুর লেখালেখি হচ্ছে। এরই জের :ধরে জোড়াতালি দিয়ে আপাতত সংস্কারের এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তবে, এভাবে আর কতদিন জনগণকে ভুগতে হবে তা কেউ জানেন না। অন্যদিকে কেন এত জনদুর্ভোগ সত্বেও অনেক আগেই এই সড়কগুলো যথাযথভাবে সংস্কার করা হয়নি সে প্রশ্নের কোন সন্তোষজনক উত্তর নেই কারও কাছে। এ যেন মৃত্যুর পরে রোগীকে ওষুধ দেয়ার চেষ্টা!

এদিকে, বুধবার সকালে রাস্তার সংস্কার কাজ শুরুর সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মহিউদ্দিন বাশির প্রজেক্ট ম্যানেজার মো. শরিফুল ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ দৌলা সাগর, ফারহা দিবা খান সাথী, শফিকুল আলম বাবু, সাতক্ষীর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম, শহর পরিকল্পবিদ শুভ্র চন্দন মহলী, সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আনিছ খান চৌধুরী বকুল প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে থেকে সার্কিট হাউজ মোড় পর্যন্ত সাড়ে ৫ কিঃ মিঃ রাস্তা ১৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest