সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

ঢাকার সাভারে দুই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে বলা হয়, নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলে এনে তাঁদের পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। পৌর এলাকার সোবহানবাগ পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ের পাশের লিজেন্ড কলেজ নামের একটি ভবনে  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ওই দুই তরুণীর ভাষ্য, তাঁরা মিউজিক ভিডিওর মডেল। থাকেন গাজীপুরে। মাস তিনেক আগে মুঠোফোনে তাঁদের সঙ্গে লিটন মণ্ডল নামের এক ব্যক্তির পরিচয় হয়। ওই পরিচয়ের সূত্র ধরে লিটন তাঁদের নাটকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন। তাঁর কথামতো বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে তাঁরা সাভার আসেন। লিটন ও তাঁর এক সহযোগী তাঁদের একটি ছয়তলা বাড়ির দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। সেখানে লিটনসহ আরও দুজন ছিলেন। রাতে তাঁরা জানালা দিয়ে চিৎকার করতে থাকলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। লিটন ও তাঁর সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যান।

ডিবি সূত্র জানায়, খবর পেয়ে তাঁদের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই তরুণীদের উদ্ধার করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যান। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার সাভার মডেল থানায় মামলা করেছেন এক তরুণী। মামলা করার পর দুই তরুণীকে পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ বলেন, লিটন একসময় তাঁদের তথ্যদাতার কাজ করতেন। কিন্তু নানা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁকে আটক করে মামলা দেওয়া হয়েছিল।

সাভার মডেল থানার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহবুবুর রহমান বলেন, দুই তরুণী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে। ঘটনায় আর কেউ জড়িত থাকলে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সামান্য জিনিসেও জীবনের রস খুঁজে পাওয়া যায়। যেমন লেবু চায়ের কথাই ধরুন না। আমরা অনেকেই দিনে বেশ কয়েকবার এমন চায়ে চুমুক দিয়ে থাকি। কিন্তু কখনও জানার চেষ্টা করি কি এই এক পেয়ালা চা আমাদের শরীরের ভাল করে না ক্ষতি?

শুনতে অবাক লাগলেও মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে শরীরের প্রায় প্রতিটি ভাইটাল অর্গ্যানের কর্মক্ষমতা বাড়াতে লেবু চায়ের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে লেবুতে উপস্থিত একাধিক কার্যকরী উপাদান আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নিজেদের খেল দেখাতে শুরু করে। ফলে ধীরে ধীরে আমাদের দেহের সচলতা বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের প্রকোপও হ্রাস পেতে থাকে। যেমন…

১. শরীরকে বিষমুক্ত করে: খাবারের সঙ্গে এবং আরও নানাভাবে একাধিক ক্ষতিকর উপাদান প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে প্রবেশ করে চলেছে। আর রক্তে মিশতে থাকা এইসব টক্সিক উপাদান শরীরের পক্ষে একেবারেই ভাল নয়। তাই এ বিষয়ে সাবধান থাকাটা একান্ত প্রয়োজন। আর এই কাজটি করবেন কীভাবে? খুব সহজ! আজ থেকেই দিনে কম করে দুবার লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন, তাহলেই উপকার পাবেন। কারণ এই পানীয়টি টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে দ্রুত বার করে দিয়ে দেহকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ভাইরাল ফিবারের প্রকোপ কমায়: খুব ঠান্ডা লেগেছে? সঙ্গে নাক দিয়ে অঝোরে ঝরছে জল? তাহলে এক্ষুনি এক ফ্লাক্স লেবু চা বানিয়ে রেখে দিন, আর দিনে কম করে ২-৩ বার পান করুন, দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ লেবু আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়। সেই সঙ্গে ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়াদের প্রকোপ কমিয়ে এমন ধরনের শারীরিক সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক্ষেত্রে লেবু চায়ে অল্প করে আদা মিশিয়েও খেতে পারেন। এমনটা করলে আরও দ্রুত উপকার পাওয়া যায়।

৩. মানসিক চাপ কমে: পরিসংখ্যান ঘাঁটলেই জানতে পারবেন বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ স্ট্রেস সম্পর্কিত নানাবিধ রোগের শিকার। আর সব থেকে ভয়ের বিষয় হল আক্রান্তের মধ্যে প্রায় সিংহভাগই অল্পবয়সি। তাই তো এখন থেকেই প্রয়োজনীয় সাবধনতা অবলম্বন করা উচিত যাতে কোনও মারণ রোগ শরীরে এসে বাসা না বাঁধে। আর এক্ষেত্রে আপনার প্রিয় বন্ধু হয়ে উঠতে পারে লেবু চা। কেন জানেন? যেমনটা আগেও আলোচনা করা হয়েছে যে রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দিতে লেবু বিশেষ ভূমিকা নেয়। দেহে টক্সিনের মাত্রা যত কমতে থাকে, তত মস্তিষ্ক চনমনে হয়ে ওঠে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই স্ট্রেস লেভেল কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে মাথা যন্ত্রণা এবং সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগার মতো সমস্যাও দূরে পালায়।

৪. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: মলিকিউলার নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড রিসার্চের প্রকাশ করা একটা রিপোর্ট অনুসারে লেবুতে উপস্থিত ফ্লেবোনয়েড রক্তে লিপিডের পরিমাণ কমায়, সেই সঙ্গে আর্টারিতে যাতে কোনও ভাবেই ব্লাড ক্লট না করে সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশেই হ্রাস পায়।

৫. প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক: লেবুতে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল প্রপাটিজ রয়েছে, যা প্রতিনিয়ত নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা প্রায়শই ব্যাকটেরিয়াল অথবা ভাইরাল ইনফেকশনের শিকার হয়ে থাকেন, তারা নিয়মিত লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। দেখবেন উপকার পাবেন।

৬. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: লেবুতে উপস্থিত সাইট্রিক অ্যাসিড হজমে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে কিডনি স্টোনে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমায়। এখানেই শেষ নয়, খাবার উপস্থিত নানাবিধ পুষ্টকর উপাদান যাতে শরীরের ঠিক মতো কাজে আসতে পারে সেদিকেও লেবু চা বিশেষ খেয়াল রাখে।

৭. ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: জার্নাল অব এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্টির করা এক গবেষণা অনুসারে লেবুর রস আমাদের শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ইনসুলিনের অ্যাকটিভিটি বেড়ে যায়। ফলে শর্করা ভেঙে এনার্জির ঘাটতি পূরণ হয়। সেই সঙ্গে টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়: ভিটামিন সি ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় রয়েছে লেবুতে। এবার নিশ্চয় বুঝতে পারছেন লেবু এবং ত্বকের সৌন্দর্যের মধ্যে সম্পর্কটা কোথায়! প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত লেবু চা খেলে ব্রণর প্রকোপ কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে বলিরেখা মুছে গিয়ে ত্বকের বয়সও হ্রাস পায়। সূত্র-ইন্ডিয়া নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শিশুদের ওপর যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগে যুক্তরাজ্যে হাজী মোহাম্মদ সাদিক নামে ৮১ বছর বয়স্ক এক কোরআন শিক্ষকের ১৩ বছরের জেল হয়েছে।
কার্ডিফের মদিনা মসজিদে প্রায় তিরিশ বছর কোরআন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। সেখানে তিনি চার বালিকার ওপর শাস্তি হিসেবে এই নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছিল।

আদালত বলেছে, একজন শিক্ষক হিসেবে হাজী সাদিক তার অবস্থানের সুযোগ নিয়েছেন। তবে হাজী সাদিক তাঁর বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, তিনি মসজিদের ‘রাজনীতি’র শিকার হয়েছেন।

কিন্তু বিচারক স্টিফেন হপকিন্স কিউসি হাজী সাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘শিশুরা আপনাকে শ্রদ্ধা করে ‘চাচা’ বলে ডাকতো। কিন্তু আমার বিচারে আপনি একজন ধূর্ত লোক। আপনার উপরের চেহারার আড়ালে রয়েছে এক অন্ধকার দিক। ’

কার্ডিফের উডভিল রোডের মসজিদে হাজী সাদিক পার্ট টাইম ইমাম হিসেবে কাজ করতেন। সেখানে ১৯৯৬ হতে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি ১৩ বছরের কম বয়সী মেয়েদের নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

সাউথ ওয়েলস পুলিশের ইন্সপেক্টর রব ক্রনিক বলেছেন, ভুক্তভোগী যারা এই ঘটনার বিচারের জন্য এগিয়ে এসেছেন, তারা বিরাট সাহসের পরিচয় দিয়েছেন। মুসলিম কাউন্সিল অব ওয়েলসও এক বিবৃতিতে এই মেয়েদের সাহসের প্রশংসা করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রথমবারের মতো মুখোমুখি বৈঠকে মিলিত হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার জার্মানির হামবুর্গে জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের প্রক্কালে দুই নেতা এ বৈঠকে অংশ নেন। এ সময় তাদের করমর্দনের বিষয়টিও উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে। বৈঠকটি এখনও চলছে। রুশ সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, দুই নেতার মধ্যে আধঘণ্টার একটি বৈঠকের কথা রয়েছে। তবে বৈঠক শেষে তারা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন কিনা তা এখনও পরিষ্কার নয়।

প্রথম সাক্ষাতে পুতিনের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, আপনার সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্মানের। উত্তরে পুতিন বলেন, আপনার সঙ্গে দেখা হওয়ায় আমি আনন্দিত।

শুক্রবারের বৈঠক দুই নেতার প্রাথমিক সাক্ষাৎ বলে জানিয়েছে বিবিসি। পরে দীর্ঘ সময়ের জন্য আরেকটি বৈঠকে মিলিত হবেন তারা।

দুইদিনের জি-টোয়েন্টি সম্মেলনের প্রথম দিনেই সামনে আসতে পারে ধনী দেশগুলোর নিজেদের মধ্যকার অনৈক্য। জলবায়ু আর বাণিজ্য নীতি নিয়ে রুশ-মার্কিন-তুর্কি অবস্থানের দ্বন্দ্ব প্রাধান্য নিতে পারে আলোচনায়। অবশ্য শুক্রবার মূল সম্মেলনস্থল নয়, সাইডলাইন নিয়েই বেশি আগ্রহ বিশ্ববাসীর। এরইমধ্যে বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিশ্বের দুই ক্ষমতাকেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্র আর রাশিয়ার দুই শীর্ষ নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প আর ভ্লাদিমির পুতিন।
সম্মেলন আর সাইড লাইন বৈঠকের প্রশ্ন ছাপিয়ে গেছে উত্তাল প্রতিবাদে। বিক্ষোভে প্রকম্পিত হচ্ছে সম্মেলনস্থল জার্মানির হামবুর্গ শহর। পুলিশি বাধার এক পর্যায়ে সেই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বাণিজ্য ও পরিবেশগত ইস্যুতে ন্যায়বিচার ও সমতার আকাঙ্ক্ষায় বিভিন্ন অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপের ১ লাখ বিক্ষোভকারীর জমায়েত হতে পারে সম্মেলনস্থলে। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অন্যান্য শহরেও।

২০০৭ সালে জার্মানির বাল্টিক সি রিসর্ট হাইলিগেনডামে জি-সেভেন বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ২০১৫ সালে বাভারিয়ার এলমাওতে জি-সেভেনের আরেকটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এখন হামবুর্গে আয়োজিত হচ্ছে জি-টোয়েন্টি সম্মেলন। এ আয়োজনের সভাপতিত্বের দায়িত্বে রয়েছে জার্মানি। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, তুরস্কসহ ১৯টি ধনী দেশ ও ইইউ’র প্রতিনিধিরা এই সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন।

সদ্য নিরঙ্কুশ মার্কিন আধিপত্যের কাল পেরিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে প্রকট হচ্ছে কর্তৃত্বের দ্বন্দ্ব। ঐক্যের অভাব স্পষ্ট হয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের কর্মকাণ্ডে। তিন নেতাই জি-টোয়েন্টি বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন। এটাও পরিষ্কার যে, তিন নেতাই বৈঠকে নিজেদের এজেন্ডা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন। সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ লড়াই, নারী নীতি এবং স্বাস্থ্যসেবা ছাড়াও প্রাধান্য পাবে মুক্তবাণিজ্যের নীতি। সূত্র: বিবিসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: পাটকেলঘাটার কুমিরা ইউনিয়নের দাঁদপুর গ্রামের মৃত রহিম বস্ক সানার পুত্র কানা শফিকুল (৫০) ও তার ছেলে মেহেদী হাসান (২১) এর হাত থেকে বাঁচতে চায় এলাকাবাসী। একের পর এক এই কানা শফিকুলের হয়রানীর শিকার হচ্ছে এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষ। এই কানা শফিকুল একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে এলাকার খেটে খাওয়া শান্তি প্রিয় মানুষকে হয়রানী কারাচ্ছে। শুধু তাই নয় সে এবং তার ছেলে মেহেদী হাসান রাতের অন্ধকারে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের ফসল নষ্ট, পুকুরে বিষ প্রয়োগ এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাতের আধারে বহিরাগত লোক নিয়ে এলাকার লোককে রাস্তায় ধরে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া জোর দখল পূর্বক এলাকার শান্তি প্রিয় মানুষের জমি জোর দখল কারার পায়তারা একের পর এক চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের ভয়ে গ্রামের অনেকেরই রাতের অন্ধকারে চলাচল কারা বিপদজনক হয়ে পড়েছে। শুধু রাত নয় দিনের বেলায়ও তিনি সামান্য কিছু নিয়ে অপরের সাথে গোলযোগ সৃষ্টি করে এবং পরিবারসহ তিনি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা করেন। কানা শফিকুল বিষয়ে জানতে চাইলে অত্র এলাকার বিশিষ্ঠ পল্ট্রি ব্যবসায়ী মো : আব্দুল্লাহ বলেন, শফিকুলের জন্য আমরা এলাকায় স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারি না। অত্র এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, কানা শফিকুল রাতের আধারে গ্রামের শান্তিপ্রিয় মানুষের ফসল নষ্ট করে। অত্র এলাকার মো: আব্দুল হাকিম সানা বলেন কানা শফিকুলের পক্ষে মিথ্যা মামলার স্বাক্ষী দিতে না চাইলে আসামী বানানোর হুমকি দেয়। মো: আশরাফুল ইসলাম বলেন, কানা শফিকুল এলাকার মানুষের নামে একের পর এক মিথ্যা দেয়। আনোয়ারা বেগম বলেন, কানা শফিকুল রাতের বেলায় বহিরাগত লোক নিয়ে এলাকার লোক রাস্তায় ধরে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। কানা শফিকুল বিষয়ে অত্র এলাকার মেম্বার মো: লালমিয়া চৌধুরীর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শফিকুল একটি বাজে লোক আমরা তার সাথে একাধিকবার সালিশে বসেছি কিন্তু আজও পর্যন্ত কোন সমাধান করতে পারেনি। সে কারো কথা মানেনা।
এবিষয়ে কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, কানা শফিকুল খুব বাজে লোক। শুধু আমাদের দল করে বলে কিছু বলতে পারি না। সে যেখানে বসবাস করে তার উৎপাতে ওই এলাকার লোকজন অতিষ্ঠ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের প্রশাসন মরিচা ধরা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তিনি বলেন, ‘আমাদের আইনের অবকাঠামোগত কিছু দুর্বলতা রয়েছে। এসব দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। কিন্তু আমাদের প্রশাসন মরিচা ধরা। আমি এসব কথা অনেকদিন ধরে বলছি। কিন্তু তাতে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা একটু অখুশি হন।’
শুক্রবার (৭ জুলাই) বিকালে কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি বলেন, ‘আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত মানুষের কাছে টাকা থাকলেও তারা শান্তিতে থাকতে পারবেন না। এসব বিষয় নিয়ে আমি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তারা পরিস্থিতির উন্নয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইজারার চুক্তি ভঙ্গ করে কালিগঞ্জের কুলতলী খেয়াঘাটে বাঁশের স্যাঁকো নির্মাণের অপচেষ্টার প্রতিবাদে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের গোবিন্দকাটি বেড়িবাঁধের পাশে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণশ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান প্রশান্ত কুমার সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রিয়াজউদ্দিন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, আনন্দ গাইন, পঙ্কজ সরকার, দীলিপ সরকার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কাকশিয়ালী নদীর তীরে গোবিন্দকাটি, টোনা বাঁশদহা, ঘোজাসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ চিংড়ি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। নদীর তলদেশে বাঁশ পুতে স্যাঁকো নির্মাণের ফলে পলি জমে তলদেশ উঁচু হয়ে নদী ভরাট হয়ে যাবে। বন্ধ হবে জোঁয়ার ভাটা। ফলে মাছ চাষ বন্ধ হয়ে যাবে। তাই যে কোন মূল্যে নদীর নাব্যতা বজায় রাখা প্রয়োজন। অথচ ৩০ ফুট গভীর খরস্রোতা ওই নদী মজা(মৃত) দেখিয়ে কুলতলী খেয়াঘাটের ইজারা গ্রহীতা জেলা যুবলীগের আহবায়ক মো: আব্দুল মান্নান সেখানে বাঁশের স্যাঁকো তৈরি করার চেষ্টা করছেন। নিয়ম নীতি উপক্ষো করে তাকে স্যাঁকো নির্মাণে সহায়তার জন্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আনম মঈনুল ইসলাম।
তারা আরো বলেন, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গোবিন্দকাটিসহ কয়েকটি গ্রামের মানুষ প্রায় শতভাগ শিক্ষিত। এখানে দীর্ঘদিন ধরে চোর ডাকাতের উপদ্রব নেই। কুলতলীতে স্যাঁকো বা সেতু নির্মাণ করা হলে তারালীর পার থেকে চোর, ডাকাতসহ বিভিন্ন অপরাধীরা সহজে এ এলাকায় ঢুকতে পারবে। ফলে পরিবেশ নষ্ট হবে। তারা কুলতলীতে স্যাঁকো নির্মাণ না করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি উপজেলার খাজরা ও আনুলিয়া ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে একটি বাল্য বিবাহ বন্ধ এবং নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এভিডেভিট বিয়ে ধৈধ্য প্রচার দেওয়ার অপরাধে একজনকে জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার আনুলিয়া ইউনিয়নের বিছটে মোস্তাক মোল্যার কন্যা সদ্য এসএসসি পাশ করা শবনম মুস্তারী লিজার বিয়ের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুষমা সুলতানা ভ্রাম্যমান আদলত পরিচালনা করে বিয়ে বন্ধ করে দেন। এসময় বিয়ে অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করার দায়ে বাল্য বিবাহ নিরোধ আইনে ফজর আলীর পুত্র মোস্তাক আহমেদ ও প্রতাপনগর গ্রামের লতিফ গাজীর পুত্র আকরামকে ৫০০০ টাকা করে ১০সহাজার টাকা জরিমানা করে। পরে খাজরা ইউনিয়নের তুয়ারডাঙ্গা গ্রামে মুজিবরের কন্যা সখিনাকে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বৈধ্য বিয়ে করনো হয়েছে প্রচার দেওয়ায় সেখানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এফিডেভিট কোন বিয়ের বৈধতা দেয়না ঘোষণা দিয়ে বর কাকবাসিয়া গ্রামের মুজিবরের পুত্র আঃ আহাদকে ৫০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এবং স্থানীয় ইউপি সদস্যের হাতে তাদেরকে জিম্মায় দিয়ে ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ঘর সংসার না করতে পারে সেব্যাপারে দায়িত্ব অর্পন করা হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest