সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoir

NAZRULনিজস্ব প্রতিনিধি : সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজারের আলোচিত সেই জায়গা অবশেষে সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে তিন ব্যবসায়ী ফিরে পেয়েছে। গত বুধবার দুপুরে জায়গা ফিরে পেয়ে ঐ তিন ব্যবসায়ী নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করেছে। জানা যায়, ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সাবেক তহশীলদার রফিকুল ইসলামের যোগসাজসে সাবেক সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা পারভীনকে ভুল বুঝিয়ে গত ইং ৫/০৯/২০১৬ তারিখে তরকারী বাজার থেকে ৫ ব্যবসায়ীর দোকান ভেঙে উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেতকৃত ব্যবসায়ীরা হলো ব্রহ্মরাজপুর গ্রামের মৃত শুকুর আলী গাজীর পুত্র মো: কেরামত আলী, উমরাপাড়া গ্রামের মৃত ওমর আলী গাজীর পুত্র মো: সাজ্জাত হোসেন, ধুলিহর বালুইগাছা গ্রামের মৃত অধর চন্দ্র পালের পুত্র বীরেন্দ্র নাথ পাল, কাজীরবাসা গ্রামের আব্দুল আজিজের পুত্র আনারুল ইসলাম ও একই গ্রামের মৃত বাকের আলী সরদারের পুত্র মো: ময়নুদ্দীন।
অভিযোগ আছে, নায়েব রফিকুল ইসলাম ওই সমস্ত অস্থায়ী দোকান ঘর বন্দোবস্ত দেওয়ার নামে কয়েকজন ব্যবসায়ীর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা উৎকোচ গ্রহণ করে। এ নিয়ে পত্র-পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে গ্যাড়াকলে পড়ে সবার টাকা ফেরত দেওয়া শুরু করে নায়েব রফিকুল। এ সব কিছুর যথেষ্ট প্রমাণ ও রয়েছে। এসব ঘটনার জের ধরে ওইসব ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে ধুলিহর তহশীলদার। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই জায়গা দখলে নিতে নায়েবের সাথে যোগসাজস করে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির কতিপয় ৩ কর্মকর্তা। এতেও নায়েব রফিকুল মোটা অংকের টাকার ফায়দা লোটে। এরই ফলশ্রুতিতে ওই জায়গা থেকে ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। এসব বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে নায়েব রফিকুলকে গত ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে ধুলিহর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ভোমরা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে বদলী করা হয়। এদিকে ওই ৫ ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদের পর তারা পুনরায় জায়গা ফিরে পেতে বিভিন্ন মহলে ধর্না দিতে থাকে। এরই মধ্যে উচ্ছেদকৃত জায়গায় সরকারি আইন অমান্য করে লাল ফিতা ছিড়ে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম ও কোষাধ্যক্ষ শেখ ফারুক হোসেন মিলে ৪ ব্যবসায়ীকে বসিয়ে দেয়। এদের মধ্যে ২ জন পূর্বে উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ী বলে জানা গেছে। তবে সরকারি উচ্ছেদকৃত জায়গায় বসিয়ে দেওয়ার শর্তে ৩ জন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে বাজার কমিটির ওই ৩ কর্মকর্তা ৬০ হাজার হাজার টাকা গ্রহন করেছে বলে লিখিত স্বীকারোক্তি রয়েছে। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ীদের জায়গা না দিয়ে অন্যের কাছে এসব জায়গা বরাদ্দ দেওয়ায় বাজার ব্যবসায়ীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নিজেদের দখলীয় জায়গা বঞ্চিত হওয়ায় জায়গা ফিরে পেতে প্রকৃত ব্যবসায়ী সাজ্জাত, কেরামত ও বীরেন্দ্র নাথ পাল প্রশাসন সহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত ও মৌখিক অভিযোগ দেয়। এতে কোন উপায়ন্তর না পেয়ে শেষমেষ তারা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের দ্বারস্থ হয়। পূর্বের প্রকৃত ব্যবসায়ী ও উচ্ছেদকৃত জায়গার মালিকদের বরাদ্দ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহলে একাধিকবার সুপারিশও করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান। সর্বশেষ গত ৯ জুন জায়গা বঞ্চিত ওই ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা জানালে তাৎক্ষনিক বিষয়টি অতি দ্রুত নিষ্পত্তি ও সমাধানের জন্য ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস,এম শহিদুল ইসলামের উপর দায়িত্ব দেন। গত বুধবার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান জায়গা সংক্রান্ত জড়িত উভয়পক্ষকে ডেকে শুনা-বুঝা করলে জায়গাটি উচ্ছেদকৃত ওই ৩ ব্যবসায়ীর বলে নিশ্চিত হয়। এ সময় চেয়ারম্যান জায়গার প্রকৃত মালিক ও ব্যবসায়ীদের উক্ত জায়গায় ব্যবসা করার নির্দেশ দেন। বাজারের অধিকাংশ দোকানদার উচ্ছেদকৃত ব্যবসায়ীরা জায়গা ফিরে পাওয়ায় আনন্দ প্রকাশ ও সাধুবাদ জানিয়েছে। এদিকে চেয়ারম্যানের নিকট উপস্থিত লোকজনের সামনে ব্যবসায়ী অরবিন্দু মন্ডল, আনারুল ইসলাম ও ময়নুদ্দীন জানায়, তারা এই ৩ জনে মিলে বাজার কমিটির নেতা রশিদ, ছালাম ও ফারুকের কাছে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা দিয়েছে। অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে বসানো হয়েছিল। এ ব্যাপারে ব্রহ্মরাজপুর বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখ আ: ছালাম জানান, টাকা লেন-দেন হয়েছে জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে এটা ঠিক, কিন্তু সেটি তৎকালীন নায়েব নিয়েছে, আমরা শুধু মাধ্যম ছিলাম। ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এস এম শহিদুল ইসলাম জানান, টাকা লেন-দেনের ব্যাপারে তারা নিজেরা পরিষদে এসে স্বীকারোক্তিসহ লিখিত দিয়েছে। জায়গা সংক্রান্ত বিষয়ে অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মীমাংসা হয়ে গেছে। টাকা লেন-দেন নিয়ে পরে নিষ্পত্তি করা হবে। এদিকে উচ্ছেদকৃত ৩ ব্যবসায়ী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে জায়গা ফিরে পেয়ে আনন্দ ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। তারা সাংবাদিকদের মাধ্যমে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নজরুল ইসলামের সু-স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

umij653w20160103170814নিজস্ব প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর নিমতলার চোরাঘাটটি জেলার শীর্ষ চোরাকারবারিদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। কোমরপুর বিজিবি ক্যাম্প থেকে ৪০০গজ দক্ষিণের এই চোরা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য নির্বিঘেœ পারাপার করছে চোরাকারবারিরা। এ ব্যাপারে স্থানীয় বা জেলা পর্যায়ের প্রশাসন নীরব থাকায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চোরাচালানীরা।
দেবহাটার কোমরপুর নিমতলা চোরাঘাট দিয়ে প্রতিরাতে হাজার হাজার বোতল ফেন্সিডিল, ভারতীয় মদ, গার্মেন্টস সামগ্রী, থ্রি-পিচ, শাড়ি, প্যান্ট শার্টের পিচ ও নিম্মমানের গলদার রেনু ভারত থেকে পাচার হয়ে আসছে। বাংলাদেশ থেকে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, গার্মেন্টস সামগ্রী, পিতল কাসা, পাবদা, কৈ, জেল মাছের পোনা ভারতে পাচার হচ্ছে। প্রতি রাতে ট্রাক, পিকআপে করে এইসব পণ্য নিমতলা ঘাট দিয়ে সতের থেকে বিশটি নৌকায় করে পারাপার করছে সত্তর জনের একটি চোরাচালান সিন্ডিকেট। এলাকাবাসী বলছে, প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বৃহৎ চোরাচালানী হচ্ছে।
আলিপুর নাথপাড়া এলাকায় বিজিবি হত্যার অন্যতম চার্জশিটভুক্ত আসামি এক ইউপি মেম্বর ও তার ভাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের তালিকাভূক্ত শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারী, এদের নেতৃত্বে সত্তর জনের এই সিন্ডিকেট নির্বিঘেœ চোরাচালান চালিয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেট এর অন্যতম সদস্য ইউপি মেম্বরের মামাত ভাই গয়েষপুর গ্রামের আনারুলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিজিবিকে ম্যানেজ করার এবং ভারত থেকে যে নিম্মমানের চিংড়ি পোনা (ছাটি) পাচার হয়ে আসছে সেগুলো কুলিয়া ও পারুলিয়ার মৎস্যশেডে নির্বিঘেœ পৌছে দেয়া। বাংলাদেশ থেকে যে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার ও গার্মেন্টস সামগ্রী ভারতে পাচার হয় এবং ভারত থেকে যে থ্রিপিচ, শাড়ি, প্যান্ট ও শার্টের পিচ, মাদকদ্রব্য পাচার হয়ে আসে এর দায়িত্বে আছে ঐ ইউপি মেম্বরের ভাই শীর্ষ অস্ত্র চোরাকারবারি। শহরের আলিশান বাড়িতে বসবাস করে জেলার রাজনৈতিক নেতাদের ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে সবার মাথার উপর ছড়ি ঘুরিয়ে নির্বিঘেœ প্রতিরাতে লক্ষ লক্ষ টাকার পণ্য পারাপার করছে।
গয়েষপুর গ্রমের আনারুলের সাথে মোবাইলে কথা বললে সে জানায়, আমি অন্য কোন পণ্য পারাপারের সাথে জড়িত নয় শুধু চিংড়ি পোনা পারাপারের সাখে জড়িত। আমি দীর্ঘদিন ধরে এই পোনা পাচারের ব্যবসা করে আসছি। সিন্ডিকেট প্রধান বিজিবি হত্যা মামলার চার্জশিটভুক্ত ঐ ইউপি মেম্বর আমার ফুফাত ভাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পূর্নবাসিত ভিক্ষুকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার ইফতারপূর্ব নির্বাহী কর্মকর্তা সম্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা গোলাম মাঈনউদ্দিন হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চু, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের ম্যানেজারসহ প্রায় শতাধিক পূর্নবাসিত ভিক্ষুকবৃন্দ। অনুষ্ঠানে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন উপজেলা মসজিদের মুয়ার্জ্জিন হাফেজ মহিবুল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC044নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র মাহে-রমজানের মাগফিরাতের ২১তম দিনে সাতক্ষীরা-০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবির সৌজন্যে সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজনদের  সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার ২১ রমজান শহরের অভিজাত চায়না বাংলা রেস্টুরেন্টে-এ সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ইফতারের আগে তিনি প্রতিটি  টেবিল ঘুরে ঘুরে প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে কুশল বনিময় করেন এবং উপস্থিত সর্বস্তরের মানুষের সাথে পবিত্র মাহে রজমানের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
ইফতার মাহফিলে অংশ নেন- সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন, জেলা পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন, সাতক্ষীরা পৌর মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল খালেক, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, এনএসআই’র উপ-পরিচালক মোজাম্মেল হক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মীর মাহমুদ হাসান লাকি, সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসফিয়া সিরাত, একি মিত্র চাকমা, সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অধ্যক্ষ আবু সাঈদ, শহর সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, জেলা সুপার আবু জাহেদ, জেলা মহিলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদিকা জ্যোন্সা আরা, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্রনাথ দাস, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম খান, জেলা আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহিদুর রহমান, সদর উপজেলা প্রকৌশলী এম জাহাঙ্গীর আলম, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মকসুমুল হাকিম, জেলা শ্রমিকলীগ নেতা শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাতক্ষীরা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, জেলা পরিষদের সদস্য ওবায়দুর রহমান লাল্টু, মীর তানজীর আহমেদ, পৌর কাউন্সিলর অনিমা রাণী ম-ল, কাজী ফিরোজ হাসান, শাহীনুর রহমান শাহিন, এপিপি তামিম আহমেদ সোহাগ, পৌর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদুসহ সাতক্ষীরা সদরে কর্মরত প্রশাসনিক কর্মকর্তাবৃন্দ ও সুধীজন।
ইফতারের আগে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, শান্তি, উন্নয়ন ও সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ ১৫ আগস্টের সকল শহিদ, শহিদ জাতীয় চার নেতা, শহিদ মুক্তিযোদ্ধা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সকল শহীদের রূহের মাগফেরাতও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন পুরাতন কোর্ট সমজিদের ইমাম হাফেজ ক্বারী শেখ ফিরোজ আহমেদ। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর-রশিদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Ifterনিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাতক্ষীরা আমতলাস্থ কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম।
অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জগলুল হায়দার, সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম রিফাত আমীন, পুলিশ সুপার আলতাফ হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ডা. মোখলেছুর রহমান, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কালিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান অহেদুজ্জামান, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা সুলতানা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ, জেলা আ. লীগের যুগ্ম-সম্পাদক আবু আহমেদ, এড. এস এম হায়দার, জেলা আ. লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলা আ. লীগের সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আ. লীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক সাহাদত হোসেন, শ্যামনগর উপজেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও খলিষখালী ইউপি চেয়ারম্যান মোজাফফর রহমান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান, পৌর আ.লীগের যুগ্ম-সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, পৌর যুবলীগের আহবায়ক মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হুসাইন সুজন, সাধারণ সম্পাদক এহসান হাবিব অয়ন প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

00আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গ্রামীণ মানুষের একটি অতিপরিচিত ফলের নাম “করমচা”। এটি খেতে টক হলেও কাচা অবস্থায় এই ফলটি সবুজ, আর পাকলে রক্তের মতো লাল হয়। কাটাযুক্ত গুল্মজাতীয় এই ফলটির রয়েছে বহু পুষ্টিগুণ।
তবে, গ্রামীণ এই ফলটি এখন অনেকেই শখের বশে বাড়ির ছাদে, বাগানে বা টবে লাগাচ্ছেন। এর ইংরেজি নাম ইবহমধষ পঁৎৎধহঃ বা ঈযৎরংঃ’ং ঃযড়ৎহ.
বিশ্ব কোষ উইকিপিডিয়ায় বলা হয়েছে, করমচায় ফ্যাট বা কোলেস্টেরল না থাকায় তা ডায়াবেটিস ও হার্টের রোগীদের জন্য খুব ভাল। ওজন কমাতে সাহায্য করা এই ফলটি খাবারে রুচি বৃদ্ধি করে। মৌসুমী সর্দি-জ্বর, স্কাভি, দাঁত ও মাড়ির নানা রোগ প্রতিরোধে ফলটি অতুলনীয়। রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রেখে হৃদরোগের ঝুঁকি কমানোসহ গায়ের চুলকানি ও ত্বকের নানা রোগ প্রতিরোধে জুড়ি নেই করমচার। শরীরের দূরণ বহিষ্করণে সহায়তা করে করমচা যকৃত ও কিডনির রোগ প্রতিরোধ ক্ষতমা বাড়ায়। পেটের অসুখ নিরাময়, শরীরের ক্লান্তি দূর, বাতরোগ ও ব্যথা নিরাময়ে কাজ করে করমচা।
এছাড়াও করমচাতে রয়েছে প্রচুর পরিমান ভিটামিন এ যা চোখের জন্য উপকারী। করমচা গাছের পাতা সেদ্ধ করে সেই পানি পান করলে কালাজ্বর দ্রুত নিরাময় হয়। করমচা গাছের মূলে রয়েছে হৃদরোগ নিরাময়ী উপকারী ক্যারিসোন, বিটাস্টেরল, ট্রাইটারপিন, ক্যারিনডোনা ও লিগনাম। কাঁচা করমচার রস কৃমিনাশক হিসেবেও খুব ভাল।
উইকিপিডিয়ায় আরও বলা হয়েছে, প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় রয়েছে এনার্জি ৬২ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ১৪ গ্রাম, প্রোটিন ০.৫ গ্রাম, ভিটামিন-এ ৪০ আইইউ, ভিটামিন সি ৩৮ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লেভিন .১ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন .২ মিলিগ্রাম, আয়রন ১.৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ১৬ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ২৬০ মিলিগ্রাম ও কপার ০.২ মিলিগ্রাম।
করমচার বিষয়ে উদ্ভিদবিদ মনিরুল ইসলাম জানান, করমচা একটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এর পাতা থেকে শুরু করে ফল পর্যন্ত পুষ্টিগুণে ভরা। এজন্য বাড়িতে প্রতিবেশীয় ভেষজ উদ্ভিদ হিসেবে করমচা লাগানো যেতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চাল সংকটে দেশ

কর্তৃক Daily Satkhira

056763ebc8d046fb0e03486e748a37c6-580720dd78281চাল সংকটে পড়েছে দেশ। খাদ্যগুদামে চালের মজুদও কমে গেছে। খাদ্য অধিদফতর থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী চলতি বছরের ১৩ জুন পর্যন্ত মজুদের পরিমাণ এক লাখ ৯১ হাজার মেট্রিক টন চাল। যা গত ছয় থেকে সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০০৯-২০১০ অর্থবছরের এই সময়ে খাদ্যগুদামে চাল মজুদ ছিল পাঁচ লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন। যা চলতি বছরের তুলনায় তিন লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন বেশি ছিল।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘মজুদ ঠিক আছে। সরকারের মজুদ পরিস্থিতি সন্তোষজনক। তবে হাওরের বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে জিটুজি পদ্ধতিতে সরকার ভিয়েতনাম থেকে ছয় লাখ মেট্রিক টন চাল আদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। যা অতি অল্প সময়ের মধ্যে দেশে এসে পৌঁছাবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারের হিসাবে হাওরের বন্যায় মাত্র ছয় লাখ টন বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এখন ছয় লাখ টন চাল আমদানি করলেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। তাই এই চাল আমদানির সিদ্ধান্তও নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে দেড় লাখ টন চাল আমদানির টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আরও তিন লাখ মেট্রিক টন ভিয়েতনাম থেকে জিটুজি আমদানির চুক্তি হয়েছে। কিন্তু যে দরে টেন্ডারে চাল পাওয়া যাচ্ছে—জিটুজি পর্যায়ে দর তার থেকে বেশি। বাংলাদেশ ছয় লাখ মেট্রিক টন চাল কিনবে। এই তথ্য বিভিন্ন চাল উৎপাদনকারী দেশের বাংলাদেশি দূতাবাসকে জানানো হয়েছে। ব্যবসায়িক দিক বিবেচনা করলে এ তথ্য আগেই জানানো ঠিক হয়নি। কারণ আগে খবর বানানোর কারণেই রফতানিকারক দেশগুলো বেশি দাম হাঁকাচ্ছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে, সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি বোরো মৌসুমে ২২ হাজার ৪৬৩ চালকল মালিকের সঙ্গে চাল সংগ্রহের জন্য চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি গুদামে আট লাখ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করার কথা রয়েছে চালকল মালিকদের। তবে এখন পর্যন্ত মাত্র সাত হাজার ২৭৮ মেট্রিক টন সংগ্রহ হয়েছে। বিষয়টি নিস্পত্তির জন্য খাদ্যমন্ত্রী নিজে উত্তরাঞ্চলে মিল মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপরও চাল সংগ্রহে গতি আসেনি। এরই মধ্যে গত বুধবার (১৪ জুন) আবার আড়াই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা এ চালের মধ্যে ৫০ হাজার টন সিদ্ধ ও দুই লাখ টন আতপ  চাল রয়েছে। প্রতিটন চাল আমদানি করা হবে ৪৭০ মার্কিন ডলার মূল্যে। আমদনি করা এ চালের দাম পড়বে প্রতিকেজি এক ডলার ৮০ টাকা হিসাবে প্রতিকেজি চালের মূল্য দাঁড়ায় ৩৭ টকা ৬০ পয়সা।

গত ১৪ জুন আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া আড়াই লাখ মেট্রিক টন চাল কবে নাগাদ দেশে এসে পৌঁছাবে তা জানতে চাইলে কোনও তথ্য জানাতে পারেনি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। তবে অনেকেই বলছেন, ‘আমদানির জন্য চাল পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডে যোগাযোগ করেও নাকি চাল পাওয়া যায়নি।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাধারণ সম্পাদক অ্যাডাকেট হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘সরকার স্বীকারই করতে চায় না যে, চালের দাম ক্রেতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। হাওর অঞ্চলের সাত জেলায় এ বছর আগাম বন্যায় ব্যাপক ফসলহানি হয়েছে। আর ১৯ জেলায় ধান ক্ষেতে ছত্রাকের আক্রমণে (ব্লাস্ট রোগ) উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুই কারণে এ বছর ১০ লাখ টনের বেশি বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। এ অবস্থায় ভিয়েতনাম থেকে জরুরি ভিত্তিতে তিন লাখ টন চাল আমদানির সমঝোতা স্মারক নবায়ন করেছে সরকার।’

জানা গেছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার মাঠ পর্যালোচনায় নেমেছে। মিল মালিকরা অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ধান-চাল মজুদ করে থাকতে পারেন। এ তথ্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত মজুদ জানতে চেয়েছে সরকার। এরই মধ্যে বেশির ভাগ চালকল মালিকের কাছে খাদ্য অধিদফতরের এ-সংক্রান্ত চিঠি পৌঁছে গেছে।

মিল মালিকরা অনেকেই খাদ্য অধিদফতরের চিঠি পেয়েছেন। তারা তাদের মজুদ জানানোর প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট অনেকেই বলেছেন, ‘সরকার প্রতিকেজি চালের দাম নির্ধারণ করেছে ৩৪ টাকা। অথচ বাজারে দাম ৪৫ টাকার ওপরে। এ অবস্থায় বেশি দাম দিয়ে চাল কিনলে লোকসানের সম্মুখীন ততে হবে। তাই মজুদের প্রশ্নই ওঠে না।’

এদিকে, পরিস্থিতি সামাল দিতে বেসরকারি উদ্যোগে চাল আমদানি উৎসাহিত করতে চালের ওপর আরোপিত ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে আনার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। তবে বিষয়টি অস্বীকার করে বাণিজ্যন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘ট্যাক্সের বিষয়ে আগে থেকে কিছু বলা ঠিক হবে না।’

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, খাদ্য অধিদফতরের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে চালকল মালিকদের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে। তারা কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চাল নিয়ে কারসাজি করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চালের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে কিনা তাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানান।

বাদামতলী-বাবুবাজার চাল আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন বলেন, ‘আমরা সমিতির পক্ষ থেকে আঁচ করতে পেরে চাল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান শুল্ক প্রত্যাহার করে আমদানির সুযোগ দিতে সরকারকে বলেছি। সরকার কর্ণপাত করেনি। এখনও করছে না। আমার আবারও বলি—এই সংকট মোকাবিলা ও চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত কিছু সময়ের জন্য হেলেও চাল আমদানির সুযোগ দেওয়া উচিত। হাওরে যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে ওঠতে চাল আমদানির কোনও বিকল্প নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

da52e4af35801ea56d137a84578e1493-5944f45e9cc13২০১৭ সালে বলিউডে মুক্তি পাচ্ছে বেশ কিছু দুর্দান্ত ছবি। ইতোমধ্যে ঝড় তুলেছে ‘বাহুবলী ২’। ভেঙে চলেছে একের পর এক রেকর্ড। তবে ‘বাহুবলী’ ছাড়াও ২০১৭ সালের আরও কিছু ছবির প্রতি আগ্রহ রয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের। দেখুন মুক্তির অপেক্ষায় থাকা চার ছবি।

টিউবলাইট:

এবছর অন্যতম আকর্ষণীয় সিনেমা হতে যাচ্ছে সালমান খানের ‘টিউবলাইট’ ছবিটি। আসছে ঈদেই মুক্তি পাওয়ার কথা কবির খান পরিচালিত এ ছবিটির। সালমান ছাড়াও এতে রয়েছেন সোহেল খান, প্রয়াত ওম পুরি। জিশান আইয়ুব। ছবিতে বলিউড অভিষেক হচ্ছে চীনা তারকা ঝু ঝু’র। এছাড়া অতিথি চরিত্রে থাকছেন শাহরুখ খান।

১৯৬২ সালের চীন-ভারত যুদ্ধের পটভূমির ‍উপর নির্মিত হয়েছে ছবিটি।

জাগ্গা জাসুস:

ব্রেকআপের পর ‘জাগ্গা জাসুস’ নিয়ে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় আসছেন রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফ। তাই ছবিটি নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ একটু বেশিই।অনুরাগ বসু পরিচালিত ছবিটি অবশ্য নেতিবাচক কারণেই বেশি শিরোনাম হয়েছে। প্রতিবারই মুক্তির তারিখ পিছিয়ে গিয়েছে ছবিটির। চার বছর পর ১৪ জুলাই মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি। এমনটাই নিশ্চিত করেছেন অনুরাগ।

জাব হ্যারি মেট সজল:

এই ছবির নাম নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। শাহরুখ-আনুশকা জুটির প্রত্যাবর্তনের কথা অনেকদিন ধরেই শোনা গেলেও নাম নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছিল না। পরিচালক ইমতিয়াজ আলি শুটিং শুরুর আগে এই ছবির তিনি নামকরণ করেন ‘রিং’। পরে সেই নাম পরিবর্তন করে ছবির নাম হয় ‘রেহনুমা’। ‘রিং’ সেভাবে পছন্দ না হলেও ‘রেহনুমা’ নামটি বেশ পছন্দ করেছিলেন শাহরুখ ভক্তরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই নামটিও পাল্টে দেন পরিচালক। ইমতিয়াজ আলির প্রথম ছবি ‘জাব উই মেট’। তবে এই ছবি সিক্যুয়েল কিনা সেটা জানা যায়নি।

টয়লেট- এক প্রেমকথা:

বেশ কিছু দিন ধরেই এই ছবি নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। ছবির নাম ‘টয়লেট- এক প্রেমকথা’। এত উন্নয়ন, এত সভ্যতা, এক কিছুর পরও আজকের দিনেও আচামকা কারোর শৌচকর্মের প্রয়োজন হলে হাসির খোরাক হতে হয়। আর এজন্য আর সবকিছুর মতই সবথেকে বেশি ভুক্তভোগী হয় মেয়েরা।  সেই বিষয়গুলো নিয়েই নির্মিত হয়েছে ছবিটি। আগামী ১১ আগস্ট মুক্তি পাওয়ার কথা অক্ষয় কুমারে অভিনীত এই সিনেমা। এটি পরিচালনা করেছেন শ্রী নারায়ণ সিং।

সূত্র: জি নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest