সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় অসহায় দুস্থদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ঈদ সম্মানি বিতরনআশাশুনিতে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং : মোবাইল কোর্টে ২ হাজার টাকা জরিমানাম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামী: উপজেলা জামায়াতের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদDigital Fairness in the Age of Big TechSoftware de Trading para Inversores en Españaসাতক্ষীরার দেবহাটায় ২৩৪ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধারতালায় সড়ক দুর্ঘটনায় দাদা-নাতীর মৃত্যুতিন শতাধিক ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছ কর্তনের প্রতিবাদ করে পুত্রসহ চেয়ারম্যান চাঁদাবাজি মামলার আসামীপাটকেলঘাটায় তাল গাছ থেকে পড়ে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যুহত্যা মামলা কারাগারে থাকা অবস্থায় সাতক্ষীরা জজকোর্টের সাবেক পিপি লতিফের মৃত্যু

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত যুবকের নাম আরিফ হোসেন (২৮)। তিনি উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের ইউপি সদস্য আছাদুজ্জামান ধোনার ছোট ছেলে। শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে।
কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আক্তারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার দিয়ে নিজ বাড়িতে পানির লাইনের মটর ঠিক করতে গিয়ে অসাবধান বসত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনা স্থলেই নিহত হন আরিফ। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ এ ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরা শহর থেকে এক নারী পাচারকারিকে আটক ও ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সদরর হাসপাতাল এলাকা থেকে উক্ত পাচারকারিকে আটক করা হয়। আটক পাচারকারির নাম বাবলুর রহমান মনি। সে শহরের কাটিয়া এলাকার আফছার আলী সরদারের ছেলে। এদিকে, উদ্ধারকৃত তরুনির নাম তানিয়া আক্তার (১৮)। সে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া থানার সিংখালী গ্রামের দুলাল হাওলাদারের কন্যা।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহম্দে জানান, ঢাকা রাইফেল স্কয়ারের ফাস্টফুডের একটি দোকানের কর্মচারি তানিয়াকে বিয়ের কথা বলে সাতক্ষীরা শহরে নিয়ে আসে বাবলুর রহমান মণি। তবে এখানে এনে ওই তরুণীকে সে বিয়ে না করে চাকরির কথা বলে ভারতে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে শহরের সদর হাসপাতাল এলাকা থেকে ওই তরুণীকে ইজিবাইকে তুলে নেওয়ার চেষ্টাকালে তার আতœচিৎকারে পুলিশ পাচারকারি বাবলুর রহমান মনিকে আটক ও ভিকটিম তানিয়াকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ওই তরুণী বাবলুর রহমান মনির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সবার ওপরে মানুষই সত্য। তার ওপরে কিছুই নেই, থাকতে পারে না। পৃথিবীর সবকিছুই মানুষের জন্য। কোনোকিছুর ওপর মানুষ নির্ভরশীল নয়, পৃথিবীর সবকিছুই মানুষের ওপর নির্ভরশীল। মানুষের জন্যই পৃথিবী। পৃথিবীর জন্য মানুষ নয়।

এই রাষ্ট্র আমার কাছে ঋণী। আমি মানুষ। যখন পৃথিবীতে রাষ্ট্র ছিল না, তখনও মানুষ ছিল। মানুষই রাষ্ট্রকে সৃষ্টি করেছে, রাষ্ট্রের জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান। কোনো আইন সংবিধানের ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে না। কিন্তু, সংবিধান কি মানবতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে? না, পারবে না। রাষ্ট্র কি মানবতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারবে? সেটাও পারবে না। সবকিছুর ঊর্ধ্বেই মানুষ, মানবতা।

মানবতাকে, মানুষকে, মনুষ্যত্বকে কোনোভাবে, কোনো কালে কেউ অবহেলা করতে পারবে? অবজ্ঞা করতে পারবে? অপমান করতে পারবে? পৃথিবীর কোনো আইন কি এটাকে সাপোর্ট করে? রাষ্ট্রীয় আইন? ধর্মীয় আইন? মানবতার আইন? নৈতিকতার আইন? মানুষের উত্তর হলো- ‘না’। পারে না। পারবে না। পৃথিবী এখনো মানুষের। সৃষ্টির সেরা জীবের। এটা ভুলে গেলে চলবে না।

প্রশ্ন হলো, আমরা এ-কথা ভুলে যাচ্ছি কি না? আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে কেউ কেউ আইনের ঊর্ধ্বে বা মানবতারও ঊর্ধ্বে উঠছে কি না?

প্রশ্ন হলো, অন্যায়ভাবে, একজন নিরপরাধ মানুষকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে, জামিনযোগ্য অপরাধের সিআর মামলায় আইনের নজিরবিহীন ‘মহান প্রয়োগে’ তাকে কারাগারে বন্দি করা হচ্ছে কি না? আমরা কি ভেবে দেখছি, কারাগারে অন্যায়ভাবে ব্যক্তি নয়, আবদ্ধ হচ্ছে মানুষ, আবদ্ধ হচ্ছে মানবতা!

মানবতা, তোমার কাছে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। মানুষ হয়েও তোমাকে অর্জনের যোগ্যতা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত কিছু ‘মানুষ’-এর নেই। আমাকে ক্ষমা করো। ক্ষুদ্র এ-আমার বড় জানতে ইচ্ছে করে, মানুষ কি অন্যায়ভাবে, বেআইনিভাবে, মনুষ্যত্বকে-বিবেককে নির্বাসনে পাঠিয়ে মানুষকে অপমান করে বড় হতে পারে? নাকি মানুষকে সম্মান দিয়েই মানুষ বড় হতে পারে?

আইনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই তো মানুষ। কোনো পশু নয়, কীট নয়, দানব নয়; আইনের আশ্রয় নেবে মানুষ, আইনের প্রয়োগও করবে মানুষ। একজন মানুষ কী করে আরেকজন মানুষকে বিনা অপরাধে ফাঁসিয়ে দিতে চায়? ‘নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করে, মানবতাকে অন্যায্য-অনৈতিকভাবে অপমান করে কীভাবে একজন ‘মানুষ’ নিজেকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করার সাহস রাখে? এত বড় ঔদ্ধত্য আসে কোত্থেকে? এর মূল কোথায়? মানবতার স্বার্থে এই মূল সমূলে উপড়ে ফেলতে হবে। অনুসন্ধান করতে হবে ‘কারণ’-এর।

ভেবে দেখতে হবে, কেউ কঞ্চি হয়ে বাঁশের চেয়ে বড় হতে চায় কি না, কুয়োর ভেতরে থেকে কেউ নিজেকে কুয়োর চেয়েও বড় ভাবে কি না, গায়ের জোরে কেউ ধরাকে সরাজ্ঞান করতে চায় কি না, গাঁয়ের মানা উচিত না, তারপরও কেউ নিজেকে “মহা-মোড়ল” ভাবে কি না। অনুসন্ধান করতে হবে। রাষ্ট্রের স্বার্থেই করতে হবে।

কারণ, যে নিরপরাধ মানুষটি উপজেলা পর্যায়ে রাষ্ট্রেরও প্রতিনিধিত্ব করে, প্রজাতন্ত্রের প্রতিনিধিত্ব করে, তার যদি হয় এ-ই পরিণতি, না জানি সেই প্রজাতন্ত্রের, সেই রাষ্ট্রের অন্য মানুষগুলোর কী অবস্থা! ‘কাগজের পাতা ভরে’ সব খবর তো আর আসে না। ‘জীবনপাতার অনেক খবর’ অগোচরেই রয়ে যায়। অগোচরে রয়ে যাওয়া সেই খবরগুলোও মানুষের, সৃষ্টির সেরা জীবের।

পৃথিবীর জন্মের ৪০০ কোটি বছর। মানুষের জন্মের ২০ লক্ষ বছর। আধুনিক মানুষের ২০ হাজার বছর। প্রবহমান মহাকালের প্রবল স্রোতে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসে মানবতাকে নিয়ে, মানবতার অস্তিত্ব নিয়ে আমাদের সবাইকে নতুন করে ভাবতে হবে।

কোথায় যাচ্ছে মানবতা, মনুষ্যত্ব? এ পৃথিবী কি ‘স্বার্থময়’ হয়ে উঠছে? ‘যা-কিছু আমার স্বার্থের বন্ধু, তা সঠিক, আর বাকি সবই মিছে’- এমন ‘মহান’ ফিলোসফির ‘অম্লান’ ভূত কি কারো মাথায় ভর করেছে? যদি ভর করে থাকে, তাহলে তা প্রিয় পৃথিবী আর প্রিয় মানবতার জন্য চরম শঙ্কার, লজ্জ্বার, অবজ্ঞা-অপমান আর অবহেলার। ঘুমানোর ভান করলে জাগানো যাবে না। আমরা যদি ‘ঘুমিয়ে’ থাকি, তবে আসুন, আড়মোড়া দিই, জেগে উঠি।

যেভাবেই হোক, যত কষ্টই হোক, জেগে উঠতেই হবে। না হলে এই পৃথিবী আর মানুষের থাকবে না। ‘মানুষের মুখোশে’ ভরে উঠবে মাটির পৃথিবী। একটি ‘মুখোশবিহীন পৃথিবীর’ জন্য, সত্যিকারের মানবতার জন্য, ‘সাম্যের গান’ আর ‘মানুষের গান’ গাইবার জন্য প্রচেষ্টার কমতি রাখলে চলবে কেন? পৃথিবী হতে হবে মনুষ্যত্বের। মানবতার। ভালোবাসার। মমতার। ভ্রাতৃত্বের।

মানবতা হোক সবার ওপরে। মানুষই থাকুক সবার শ্রেষ্ঠ। মনুষ্যত্ব হোক পরম ব্রত। সংকীর্ণতা, পরশ্রীকাতরতা দূর করে অন্যের মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত করি, অন্যের অধিকারকে নিজের মতো করে ভালোবাসি। ব্যক্তির স্বার্থে নয়, গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, সবকিছুই হোক মানবতার স্বার্থে, মানবতার কল্যাণে।

জয় হোক মানুষের। জয় হোক মানবতার। পৃথিবীর সকল মানুষ মুক্তি পাক সব ধরনের অন্যায়, বন্দিশৃঙ্খল থেকে। পৃথিবী হয়ে উঠুক মানুষের পৃথিবী।
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক: নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি), সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেশের চিকিৎসকরা রোগীর প্রেসক্রিপশনে (ব্যবস্থাপত্র) ফুড সাপ্লিমেন্ট জাতীয় কোনো আইটেম লিখতে পারবেন না। স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে জারিকৃত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

অধিদফরের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, জারিকৃত এ নির্দেশনা অমান্য করে রোগীর ব্যবস্থাপনায় কোনো চিকিৎসক ফুড সাপ্লিমেন্ট লিখলে তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ও লাইন ডিরেক্টর (হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট) এর স্বাক্ষরে বৃহস্পতিবার জারিকৃত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দশম জাতীয় সংসদের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ১৬তম বৈঠকে ফুড সাপ্লিমেন্ট নামের আইটেম ডাক্তাররা যেন ব্যবস্থাপত্রে না লিখেন সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। সেই মোতাবেক দেশের সকল চিকিৎসকরা তাদের ব্যবস্থাপত্রে কোনো ধরনের ফুড সাপ্লিমেন্ট জাতীয় আইটেম না লিখেন, সে জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে এক শ্রেণির চিকিৎসক সুচিকিৎসার নামে উচ্চমূল্যে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট পণ্য (স্টোরয়েড সমৃদ্ধ ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, মিনারেল ও জিংক) প্রেসক্রিপশনে লিখে দেন। বিভিন্ন কোম্পানির এসব আইটেম ডাক্তাররা রোগীদের প্রেসক্রিপশনে লিখিয়ে দিচ্ছেন। অন্যদিকে রোগীরা সরল বিশ্বাসে প্রতারিত হচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, আমাদের দেশি যেখানে মানসম্পন্ন কোম্পানির প্রতি পিস ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ট্যাবলেট পাঁচ থেকে ছয় টাকা, সেখানে ওইসব ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রি হয় ১৬ থেকে ৪০ টাকায়। এক শ্রেণির অর্থলোভী চিকিৎসকরা সব জেনেও নিশ্চুপ থাকছেন।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ওষুধ তত্ত্বাবধায়ক সৈকত কুমার কর জাগো নিউজকে বলেন, ওষুধ ফার্মেসিগুলোতে ফুড সাপ্লিমেন্ট সামগ্রী বিক্রয়, প্রদর্শন ও মজুদ নিষিদ্ধ। কিন্তু অধিদফতরের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন সময় ফুড সাপ্লিমেন্ট বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ডাক্তাররা শুধু ওষুধ প্রেসক্রাইব করবেন। তাদের প্রেসক্রিপশনে ফুড সাপ্লিমেন্ট প্রেসক্রাইব করার নিয়ম নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পাহাড় ধসে শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল ইসলাম ভুইয়া জানান, শুক্রবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে সলিমপুর ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা জঙ্গল সলিমপুর গ্রামে পাহাড় ধসে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

 নিহতরা হলেন, রফিকুল ইসলামের স্ত্রী বিবি ফাতেমা ও তার ছেলে মো. ইউনূস এবং মো. জাহিরের স্ত্রী রাবেয়া এবং তাদের দুই মেয়ে সাত বছর বয়সী সামিয়া ও দুই বছর বয়সী লামিয়া।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, জঙ্গল সলিমপুরের ওই দুর্গম এলাকায় পাহাড়ের খাস জমিতে বেশ কিছু বসতি গড়ে তোলা হয়েছে। যেগুলোকে আলাদা আলাদাভাবে ‘সমাজ’ নামে ডাকে স্থানীয়রা।

সেখানে তিন নম্বর সমাজের লক্ষণ সাহার শাখায় ভোরে পাহাড় ধসের এ ঘটনা ঘটে বলে জানান তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এখনও সেখানে পৌঁছাননি।

এরআগে গত ১৩ জুন ভারি বর্ষণে রাঙামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে ১৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকেই।

সেসময় কেবল রাঙামাটিতেই ১১৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুইটি ইউনিয়নে পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় ৩৪ জন নিহত হন। এছাড়া বান্দরবানে ৬ জনের মৃত্যু হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মা হওয়ার আগ্রহে কন্যাসন্তান দত্তক নিলেন সানি লিওন। এ মুহূর্তে গর্ভধারণ করে সন্তান জন্ম দেয়া সম্ভব নয় বলে জানান অভিনেত্রী সানি। নতুন অতিথিকে স্বাগত জানান সানি লিওন ও ড্যানিয়েল ওয়েবার দম্পতি।

সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের লাতুর থেকে নিশা নামের এই কন্যাশিশুকে দত্তক নেন তারা। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

 সানি লিওন বলেন, বর্তমানে সব কিছু একেবারে নতুন। কারণ মাত্র কয়েকদিন হয়েছে। যখন নিশার ছবিটি হাতে পাই আমি খুবই উচ্ছ্বসিত, খুশি, আবেগাপ্লুত ছিলাম এবং আমার ব্যাপক অনুভূতি হচ্ছিল। সবকিছু ঠিকঠাক করতে আমরা মাত্র তিন সপ্তাহ সময় পেয়েছি। সাধারণত মানুষ প্রস্তুত হতে নয় মাস সময় পান।’

সন্তান নিজের হোক অথবা দত্তক নেয়া এটি সানির কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় বলে জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে সানি বলেন, ‘আমি অন্যদের ব্যাপারে বলতে পারব না, কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে এক মুহূর্তের জন্যও মনে হয় না এটা আমাদের সন্তান নয়। আমাদের কাছে পরিবার শুরু করাই একটি বিষয় ছিল। আর ব্যস্ত শিডিউলের কারণে গর্ভধারণ করে সন্তান নেয়া সম্ভব নয়। তাই আমরা সন্তান দত্তক নেয়ার কথা ভেবেছিলাম।’

মেয়ের নাম রাখার বিষয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, তার নাম আমাদের খুবই পছন্দ। তার পুরো নাম নিশা কর ওয়েবার। যেহেতু আমি পাঞ্জাবি এজন্য কর। কারণ আমার আসল নাম করণজিৎ কর। আমি সব সময় চিন্তা করে এসেছি নাম যেটাই হোক না কেন মাঝের নাম সব সময় সিং অথবা কর হবে। আমি নিশা নামের অর্থ খুঁজে দেখি যে, এটি একটি হিন্দু দেবীর নাম।

অন্যদিকে ড্যানিয়েল ওয়েবার বলেন, আমাদের জীবনটা সবসময় একটু অন্য রকম। নয় মাস বলতে আমাদের কিছু নেই। আমার ক্ষেত্রে, দত্তক নেয়ার জন্য দুই বছর ধরে বেশ কিছু কাগজের কাজ এবং একদিন সবকিছু ঠিকঠাক। আপনি একটি ই-মেইল পাবেন যে, আপনাদের পছন্দ মতো বাচ্চা পাওয়া গেছে। সুতরাং এটি একটু অন্যরকম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সৌদি আরবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জড়িত পদগুলোতে ব্যাপক রদ-বদল এনেছেন সৌদি বাদশাহ সালমান। উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও এসেছে ব্যাপক পরিবর্তন।

রাজকীয় নিরাপত্তা দেখ-ভাল করার কাজে নিয়োজিত বাহিনীর প্রধানকেও সরিয়ে দিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নতুন আরেকজনকে।

ক’দিন ধরেই রদবদলের খবর আসছে তেল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরব থেকে।

ভ্রাতুষ্পুত্রের জায়গায় নিজের পুত্রকে আকস্মিক যুবরাজ ঘোষণার খবর পুরনো হতে না হতেই এবার এসেছে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার খবর।

রাজ-নিরাপত্তার সাথে জড়িত উঁচু পদগুলোতে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন সৌদি বাদশাহ সালমান।

নতুন করে গঠন করেছেন একটি নিরাপত্তা এজেন্সি বা ‘সিকিউরিটি কাউন্সিল’।

এই এজেন্সিতে, একই ছাতাতলে কাজ করবে কাউন্টার টেররিজম এন্ড ডোমেস্টিক ইন্টেলিজেন্স বা সন্ত্রাস বিরোধী ইউনিট এবং সৌদির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা-বাহিনী।

রাজ-নিরাপত্তায় নিয়োজিত বাহিনীর প্রধানকে-ও তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে নতুন আরেকজনকে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমান, যিনি মাত্র ক’দিন আগেই আকস্মিকভাবে যুবরাজ হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন, তার টিমেও এসেছে পরিবর্তন।

বাদশাহ সালমানের ভাতিজা মোহাম্মদ বিন নায়েফ-এরই যুবরাজ এবং ভবিষ্যতে সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু হঠাৎ করেই সিংহাসনের উত্তরাধিকারীর দায়িত্ব পান বাদশার নিজের পুত্র সালমান।

সৌদি নিরাপত্তাখাতে যে ব্যাপক রদবদল এসেছে, তা জানা গেছে বৃহস্পতিবারে, রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ-এর প্রকাশিত খবরের বরাতে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সম্প্রতি যে সব পরিবর্তন এসেছে তার সাথে সঙ্গতি রেখে সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রস্তুতি রাখতেই আনা হয়েছে এই পরিবর্তন।

নতুন যে সিকিউরিটি এজেন্সি গঠিত হয়েছে এর প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুলাজিজ বিন মোহাম্মদ আল-হাওয়াইরিনি।

নতুন এই এজেন্সির সকল তথ্য জানিয়ে এই জেনারেল সরাসরি সৌদি বাদশার কাছে রিপোর্ট করবেন।

রয়াল গার্ডের জেনারেল হামাদ আল-আওহালীর জায়গায় স্থালিভিষিক্ত হয়ে নতুন প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন জেনারেল সুহেইল আল-মুতিরি।

আর এজেন্সি প্রধানের দায়িত্ব পেয়েছেন মোহাম্মদ আল-কুয়ওয়াইজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পারিবারিক ও রোমান্টিক গল্পে আসছেন চার তারকা। তারা হলেন নাঈম, অপর্ণা ঘোষ, অ্যালেন শুভ্র ও শাহতাজ।

নাটকের নাম ‘শেষের কাব্য তুমি’। রচনা ও পরিচালনা করেছেন তরুণ নির্মাতা মাহফুজ আদনান।

নাটকের কাহিনিতে দেখা যাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে বাংলাদেশে এসেছেন নাঈম। মায়ের ইচ্ছে ভালো একটা মেয়ে দেখে তার বিয়ে দেওয়া। এদিকে নাঈমের কাজিন শাহতাজকে দেখেই প্রেমে পড়ে যায় অ্যালেন শুভ্র। আর অ্যালেনের বোন অপর্ণাকে নাঈমের জন্য পছন্দ করে শাহতাজ। কিন্তু রাস্তায় দেখা এক মেয়ের প্রেমে পড়ে যান নাঈম!

মাছরাঙায় টিভিতে শুক্রবার (আজ) সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে প্রচার হবে নাটকটি। এটি প্রযোজনা করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest