সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলMassimizza le tue vincite con i bonus del casinò online Winnitaকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoir

আর ‘হবে না’ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে আইসিসি। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী ডেভ রিচার্ডসন জানিয়েছেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আর না করার সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন তারা। তার পরিবর্তে বরং দুই বছর পরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের পথেই থাকতে চাইছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা।

অনেকেই মনে করেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ওয়ানডে বিশ্বকাপের মতোই একটা প্রতিযোগিতা। ২০১৯ সাল থেকে ১০ দলকে নিয়ে ওয়ানডে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। তাই আলাদা করে ৮ দলের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজন করতে অনীহা আইসিসির।

২০২১ সালে পরের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ভারতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

‘আমরা চাই আইসিসির প্রতিযোগিতাগুলো একটি অপরটির চেয়ে আলাদা হোক। মানুষ যেন পার্থক্য বুঝতে পারে। এতে করে প্রতিটি প্রতিযোগিতাই আলাদা আলাদা করে দর্শকদের মধ্য আগ্রহ তৈরি করতে পারবে।’ বলেন রিচার্ডসন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবার ভালোই সাড়া ফেলেছিল। ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান যাওয়ায় আইসিসির লাভও হয়েছে বেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জ থেকে তিন বনদস্যু আটক, দুটি অস্ত্র উদ্ধার

আসাদুজ্জামান : সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জে অভিযান চালিয়ে তিন বনদস্যুকে আটক করেছে নৌ পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে সুন্দরবনের সাপখালী খাল ও শ্যানগরের গাবুরা খেয়াঘাট এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়েছে। আটক বনদুস্যরা হলেন, খুলনার কয়রা উপজেলার ছোট আংটিহারা গ্রামের আবুল বাসারের ছেলে আবুল হাসান, একই গ্রামের আমজাদ সরদারের ছেলে জালাল হোসেন ও কয়রার গোলাখালী গ্রামের গাজী আবুল মোছেরের ছেলে মফিজুল ইসলাম নান্নু। শ্যামনগরের বুড়িগোয়ালিনী নৌ পুলিশ ফাড়ির উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুন্দরবনের সাপখালী খালে অভিযান চালিয়ে একটি থ্রি নট থ্রি রাইফেল ও একটি পিস্তলসহ আবুল হাসান ও জালাল হোসেন নামে দুই বনদস্যুকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, গাবুরা খেয়াঘাট থেকে অস্ত্র সরবরাহকারী নান্নুকেও আটক করা হয়। আটককৃতদের শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে বক্তারা সাতক্ষীরার সড়ক যোগাযোগের মান উন্নত ও টেকসই করতে হবে

এম. বেলাল হোসাইন/ হাসান হাদী : সাতক্ষীরা’র সড়ক যোগাযোগের মান উন্নত ও টেকসই করতে হবে। আঞ্চলিক সড়কের লোড নেয়ার যে ক্ষমতা সাতক্ষীরার প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে তার চেয়ে বহুগুণ ভারি পণ্যবাহী যান চলাচল করে। সুতরাং, এসব রাস্তা সংস্কার করলেও বেশিদিন টেকে না। মানুষকে প্রতিনিয়িত দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এখন সময় এসেছে ভোমরা থেকে খুলনা এবং মুন্সীগঞ্জ থেকে যশোর সড়কের মান উন্নত ও টেকসই করার। দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার প্রতিষ্ঠাবার্ষীকির আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা এখন অপরা সম্ভাবনাময় এক জেলা। এই জেলার অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে শুধুমাত্র সড়ক সংস্কার করলেই চলবে না। বরং সড়কগুলোকে মহাসড়কের মত করে নির্মাণ করার দাবি জানানোর সময় এসেছে। এ জেলায় সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশ এবং ভোমরা স্থলবন্দরের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে হালকা মানের আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে টেকসই ও মানসম্পন্ন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উপর জোর দিতে হবে।
পাঠক নন্দিত দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র চতুর্দশ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন, দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা’র সম্পাদক মোঃ মহসিন হোসেন বাবলু। পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমের পরিচালনায় সভায় অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন পিপিএম (সেবা), জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ এন এম মঈনুল ইসলাম, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিশ্বাস সুদেব কুমার, সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খানু মিঠু, বিশিষ্ট সমাজসেবক ডা. আবুল কালাম বাবলা, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলাম, দৈনিক প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ইউনিটির আহবায়ক রামকৃষ্ণ চক্রবর্তী, সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মারুফ আহমেদ, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মমতাজ আহমেদ বাপ্পি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, ৭১ টিভি’র জেলা প্রতিনিধি বরুণ ব্যানার্জী।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম বলেন, সাতক্ষীরা শহরের রাস্তাঘাট মানসম্পন্ন করতে না পারলে সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- অসমাপ্ত থেকে যাবে। সাতক্ষীরা শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলোর ভগ্নদশা নিয়ে তিনি নিজেও ব্রিবতবোধ করেন বলে জানান। তিনি বলেন, সাতক্ষীরার শিক্ষা ব্যবস্থা এগিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার বিকল্প নাই। জেলার একাধিক কলেজ ও স্কুল ইতিমধ্যে সরকারি করা হয়েছে। সাংবাদিক-রাজনীতিক সকলেরই প্রয়োজনীয় শিক্ষা থাকা দরকার। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ, বাইপাস সড়ক, রেল লাইন, কপোতাক্ষ খননসহ জেলার সকল উন্নয়নের কথা ও অবনতির কথা সংবাদপত্রে প্রকাশ করতে হবে। সাতক্ষীরায় কাক্সিক্ষত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যদিও সাংবাদিকতা পেশা একটি ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। এ পেশায় যারা নিয়োজিত তারা সবসময় ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। সতাতা এবং সাহসিকতার সাথে সাংবাদিকতা করতে হিয়ে পত্রিকাটির ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুমকেও নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখে পড়তে হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরাই পারে জাতিকে আশার আলো দেখাতে। এসময় তিনি দৈনিক আজকের সাতক্ষীরার উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করে সত্য প্রকাশে আপোষহীন থাকার আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন পিপিএম বলেন, সাতক্ষীরা একটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা তাই এখানকার রাস্তাঘাট আরও অনেক উন্নত ও মানসম্পন্ন করতে হবে। রাস্তার লোড ক্যাপাসিটি আরও বেশি বাড়াতে হবে। অপেক্ষাকৃত ভারি যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাস্তা না থাকলে রাস্তা টেকসই হবে না। সাতক্ষীরার থেকে সড়ক পথে সুন্দরবনের সবচেয়ে নিকটে যাওয়া যায় উল্লেখ করে তিনি সুন্দরবন কেন্দ্রিক পর্যটনের বিকাশের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, একটি সংবাদপত্র যারা প্রকাশ করেন, তাদের যে কত কষ্ট করতে হয় সেটি যারা করেন তারা জানেন। বিশেষ করে শব্দ চয়ন, বানান শুদ্ধকরণ, বাক্য গঠন যে কত কঠিন সেটা বাইরে থেকে বোঝা যাবে না। রিপোর্টাররা যে সংবাদ পাঠান তা সারা রাত ধরে এডিট করে তারপর পত্রিকায় প্রকাশ করতে হয়। দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা সেদিক থেকে প্রশংসার দাবিদার। পত্রিকাটি সাতক্ষীরার জনমানুষের কথা বলে, সাতক্ষীরার আলো, বাতাস, রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ, ছাত্র-ছাত্রীদের তথা সকল মানুষের কথা বলে। তিনি আরো বলেন, পানি শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখে। যে শহরে পানি নাই সেখানে আলো নাই। কিন্তু সাতক্ষীরায় পানি থাকলেও শহর আলোকিত না। আমরা লেখনির মাধ্যমে সাতক্ষীরার উন্নয়ন চাই। আর এজন্য লেখনির মাধ্যমে সাতক্ষীরার উন্নয়ন করতে হবে। আজকের সাতক্ষীরা সকল সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে একদিন সাতক্ষীরায় শীর্ষস্থান দখল করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
এ এন এম মঈনুল ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য তথ্য প্রকাশ করতে হবে। সঠিক লিখতে হবে। এক্ষেত্রে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা তুলনামূলক এগিয়ে রয়েছেন। যে কারণে ইতোমধ্যে পত্রিকাটি আমজনতার মুখপাত্র হিসাবে স্থান পেয়েছে।
অধ্যক্ষ সুদেব কুমার বলেন, লক্ষ্য ঠিক থাকলে সফলতা অবশ্যই আসবে। সুতরাং লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে হবে।
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি এম নূর ইসলাম বলেন, একটি পত্রিকা প্রকাশের পেছনে কত জনের হাতের থাকে একটি সামনে থেকে বোঝা যায় না। এতদিন ধরে আমরা স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে একজন ভালো সাংবাদিক তৈরি করতে পারিনি। তার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। ভালো সাংবাদিক তৈরি করতে পারলে পত্রিকার সুনাম বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া সাতক্ষীরার সড়কের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের দাবি এখন জাতীয় সড়ক তৈরি। সড়ক জাতীয় হলে আর এত দ্রুত নষ্ট হবে না। তবে এ দাবি পূরণ না হওয়ার কারণ জেলায় নেতৃত্বের অভাব রয়েছে।
নাসিম ফারুক খান মিঠু বলেন, রাজস্ব প্রদানের ক্ষেত্রে সাতক্ষীরা দেশের শীর্ষ দশটি জেলার একটি। কিন্তু অর্থনৈতিকভাবে এত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সাতক্ষীরার উন্নয়ন কাক্সিক্ষত মাত্রায় হচ্ছে না। তিনি বলেন, সাতক্ষীরার সাংবাদিকদের ভোমরা স্থলবন্দর ও এর আশেপাশের রাস্তাগুলো নিয়ে আরও বেশি লিখতে হবে। ভোমরা বন্দরে সকল প্রকার পণ্য আমদানি-রপ্তারির ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা আছে তা দূর করতে সাংবাদিকদের ক্ষুরধার লেখনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।
কল্যাণ ব্যানার্জি বলেন, সংবাদপত্রকে আমি শিক্ষক মনে করি। এই সংবাদপত্র আমাদের শিক্ষা দেয়। সেকারণে সংবাদ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভাষা ও শব্দ চয়ন জরুরি। যদিও স্থানীয় পত্রিকা গুলো অর্থ সংকটের কারণে হয়ত ইচ্ছে থাকলেও সঠিকভাবে উপস্থাপন করা সম্ভব হয় না। তারপরও যতদূর সম্ভব বানান, ভাষা ও শব্দ চয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। এদিক দিয়ে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা পুরোপুরি না হলেও অনেকাংশে এগিয়ে। আগামীতে পত্রিকাটি পুরোপুরি নির্ভুলভাবে প্রকাশ করার আহ্বান জানান তিনি।
মমতাজ আহমেদ বাপ্পি বলেন, সংবাদপত্র আছে বলেই আজো দেশ টিকে আছে। দুর্নীতিবাজরা আজো সংবাদপত্রকে ভয় পায়। তবে সংবাদপত্রকে অবশ্যই সত্য প্রকাশে আপোষহীণ হতে হবে।
এম. কামরুজ্জামান বলেন, সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ, আর সাংবাদিকরা হলো জাতির বিবেক। সে কারণে সংবাদপত্র অবশ্যই স্বচ্ছ হতে হবে। একটি সংবাদ কিভাবে উপস্থাপন করতে হবে, শব্দ চয়ন কিভাবে করতে হবেÑ এসব বিষয় মাথায় রেখেই সংবাদ উপস্থাপন করতে হবে। সেদিক দিয়ে দৈনিক আজকের সাতক্ষীরা অনেকটাই এগিয়ে। তিনি পত্রিকায় উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র সৈয়দ আমিনুর রহমান বাবু, এডিশনাল পিপি এ্যাড. ফাহিমুল হক কিসলু, জেলা পরিষদ সদস্য নূরুজ্জামান জামু, মাহফুজা খাতুন রুবি, আজ‌কের সাতক্ষীরার সহ-সম্পাদক শেখ তো‌হিদুর রহমান ডাবলু, সিনিয়র সাংবাদিক সেলিম রেজা মুকুল, আসাদুজ্জামান, এম. শাহীন গোলদার, আব্দুল জলিল, মো. আমিনুর রশিদ, সাতক্ষীরা জেলা শিল্পকলা একাডেমির সদস্য সচিব শেখ মুশফিকুর রহমান মিল্টন, হাসান হাদী, সাতক্ষীরা পৌর আ. লী‌গের যুগ্ম-সম্পাদক রা‌শেদুজ্জামান রা‌শি, আমির হোসেন খান চৌধুরী, এম বেলাল হোসাইন, মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ, খন্দকার আনিছুর রহমান, প্রথম আলো বন্ধুসভার সভাপতি হাসানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিবৃন্দ।v

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অপার সম্ভবনার হাতছানি ইছামতির তীরে ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবন

কেএম রেজাউল করিম : দেবহাটা “রূপসী ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্র” উপজেলার একটি ঐতিহ্যবাহি পর্যটন কেন্দ্র। ইছামতি নদীর তীরে কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি এ ম্যানগ্রোভ পর্যটন কেন্দ্রটি উপজেলার মানুষকে গর্বিত করে। উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা প্রশাসনের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় টাউনশ্রীপুর এলাকায় ভারতের টাকী পৌরসভার বিপরীতে ইছামতি নদীর তীরে শীবনগর মৌজায় প্রায় ৫০ একর জমিতে এ বনটি তৈরি করা হয়েছে। এই পর্যটন কেন্দ্রর সার্বিক উন্নয়নের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। পর্যটন কেন্দ্রটিতে অধিকাংশ সময়ে জেলা, উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পারিবারিক ভাবে বনভোজনের আয়োজন করা করা হয়। এই বনটিতে বহু প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষ রয়েছে। সুন্দরবনের আদলে বিভিন্ন প্রজাতির বনজ বৃক্ষের চারা এনে রোপন করে ব্যাপক বনের সৃষ্টি করা হয়েছে। এখানে ১০একর জমির বুকে রয়েছে “অনামিকা লেক”। এই লেকে রয়েছে শান বাধানো পাকা ঘাট। বিনোদন প্রিয়াসীদের জন্য রয়েছে বসারস্থান। শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য কৃত্রিম বিভিন্ন প্রজাতীর পশুপাখি থাকলেও সংরক্ষণের অভাবে স্থাপন সম্ভব হয়নি। স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এটি পরিপূর্ণ বনে পরিণত হবে। উপজেলা পরিষদের সাধারণ সভায় এক সিদ্ধান্তে জানাগেছে, সভায় উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকা- নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি ম্যানগ্রোভ বনকে পরিপূর্ণ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তাছাড়া ম্যানগ্রোভ বনে যাওয়ার রাস্তা পাকা, টাউনশ্রীপুর থেকে নদী পথে বন পর্যন্ত যাওয়ার সুব্যবস্থা, সমগ্র বনটির উপভোগের জন্য বনের উপর দিয়ে ক্রেনের ব্যবস্থা, কৃত্রিম জীবজন্তুর ব্যবস্থা, বনের লেকে বোটের ব্যবস্থাসহ নানামুখী প্রস্তাবনা ও বাস্তাবায়নে সিন্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ইতোমধ্যে বনটির সৈন্দর্য বৃদ্ধি করতে ২রুম বিশিষ্ট ভবন, একটি টিকিট কাউন্টার, প্রবেশদার গেটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে। এদিকে, সাতক্ষীরা জেলার ইছামতি সীমান্তের ইছামতির তীরে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দিত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য ম্যানগ্রোভ মিনি সুন্দরবনটির পরপর পরিধি বাড়ছে। ২০০৯ সালে দেবহাটার সুশিলগাতী এলাকার নদীর বেড়ি বাধ ভেঙে প্লাবিত হলে বাধ রক্ষায় ২০১০ সালে উপজেলার প্রশাসনের উদ্যোগে বাধ রক্ষায় ও প্রাকৃতিক ভারসম্য রক্ষার জন্য ১০একরের মত জায়গা জুড়ে তৈরি এই ম্যানগ্রোভ বন। বেশ কয়েক বছর যেতে যেতে বনের আকার বৃদ্ধি পেতে থাকে। আর রক্ষা পায় আশে পাশের এলাকাবাসীরা। প্রতিবছরে উপজেলার ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ উপভোগ করতে আসে প্রকৃতির এই দৃশ্য। সেই সাথে রান্নাবান্না করে ধুমধাম চড়–ই ভাতিও করে। তাছাড়া শীতের প্রথম থেকে শুরু হয় পিকনিক উৎসব। কয়েক মাস ধরে চলতে থাকে উৎসবের আমেজ। সেই আমেজ ছড়িয়ে পড়ে সকলের মাঝে। বর্তমান স্থানটিতে কোন প্রকার ফি দিতে না হওয়ায় স্্েরাতাবহ ইছামতির তীরে নিরিবিলি সময় কাটাতে আসেন বিনোদন প্রেমিরা। এখানে ঘুরতে আসা কয়েক জনের সাথে কথা বললে তারা জানায়, স্থানটি অনেক নিরিবিলি, মনোমুগ্ধকর হওয়ায় মাঝে মধ্যে আসি। সরকারি ভাবে যদি উদ্যোগ নেওয়া হয় তাহলে ম্যানগ্রোভ বনের মর্যদা আরো বৃদ্ধি পাবে। সেই সাথে সরকার রাজস্ব পাবে। তাছাড়া দেবহাটার সুনাম ছড়িয়ে পড়বে। এদিকে, বর্তমান সময়ে বনের চারপাশ দিয়ে বেড়ি দিয়ে জোয়ারের পানি আটকিয়ে রেখে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে একদিকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘসময় ধরে পানি আটকে রাখায় জলাবদ্ধতায় ম্যানগ্রোভ বনের গাছের শিকড় পঁচতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের দাবি সকল প্রকার চক্রান্ত বন্ধ করে একটি বিনোদন স্পট নির্মাণ করতে পারলে এই উপজেলায় দেশি-বিদেশি পর্যটকের উপস্থিতিতে ভরে উঠবে এবং সরকারের রাজস্ব তহবিল বৃদ্ধি পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি কলেজে রোভার এর ইফতার অনুষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে রোভার স্কাউট ওন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় সরকারি কলেজ রোভার স্কাউট গ্রুপের আয়োজনে রোভার ডেনে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি কলেজ রোভার নেতা আ.ন.ম গাউছার রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ ও গ্রুপ সভাপতি প্রফেসর বিশ্বাস সুদেব কুমার। সিনিয়র রোভার মেট মোঃ আরিফুল ইসলামের পরিচালনায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামের ইতিহাস বিভাগের মোহাঃ আল মুস্তানছির বিল্ল্যাহ, মোঃ মোখলেছুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের মোঃ সাইদুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র রোভার মেট মোঃ মেহেদী হাসান, গার্ল ইন সিনিয়র রোভার মেট শাহানা শাহরিন জুহি, সম্পাদক মোঃ আজিমুল ইসলাম, সদস্য ইয়াকুব আলী, আল-মামুন, সাইদুর, মেহেদী, হারুন অর রশিদসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লন্ডন হামলা ; এক অসাধারণ ইমামের মানবিকতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লন্ডনের হামলায় জনতার হাতে আটক লোকটিকে যখন অন্যরা লাথি মারছিল, তখন একজন এসে সবাইকে থামালেন। তাঁকে চিৎকার করতে দেখা যাচ্ছিল, ‘কেউ তাকে স্পর্শ কোরো না, কেউ স্পর্শ কোরো না।’ প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, লন্ডনের ওই সন্দেহভাজন হামলাকারীর প্রাণে বেঁচে যাওয়ার কারণ ওই ব্যক্তির সাহস ও পরিস্থিতি শান্ত করার ক্ষমতা। লন্ডনের সোমবারের সন্ত্রাসী হামলা ঘটনার অহিংস নায়ক হলেন স্থানীয় এক মসজিদের ইমাম। ব্রিটেনের গণমাধ্যমে তাঁকে বর্ণনা করা হচ্ছে লন্ডনের মর্মান্তিক সন্ত্রাসী হামলার বিপক্ষের বীর।
ঘটনাটা ঘটেছিল দ্রুত। একটি সাদা ভ্যান দ্রুতগতিতে উঠে যায় তারাবির নামাজ পড়ে ফিরতে থাকা মানুষজনের ওপর। এ ঘটনায় নিহত হন একজন প্রবাসী প্রবীণ বাংলাদেশি, আহত হন অন্তত ১০ জন। গত সোমবার লন্ডনের ফিন্সবাড়ি পার্ক এলাকায় তারাবির নামাজের পর মসজিদ-ফেরতা লোকদের ওপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার সময় হামলাকারী চিৎকার করে বলছিল, ‘আমি সব মুসলমানকে হত্যা করতে যাচ্ছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে তিন ব্যক্তি ছিলেন। দুজন পালাতে পারলেও মসজিদের মুসল্লিদের হাতে একজন আটক হন।
হামলাকারীকে আটক করায় জড়িত ছিলেন তিনজন। তাঁদের একজন স্থানীয় এক ক্যাফের মালিক ২৯ বছর বয়সী মোহাম্মদ বলেন, ‘ওই ইমামের কারণেই হামলাকারী লোকটি এখনো জীবিত আছে।’ মোহাম্মদ বলেন, ধরা পড়া ব্যক্তির প্রাণরক্ষায় স্থানীয় ইমামের ভূমিকা ছিল প্রশংসাজনক। তিনি রোজার মাসে সবাইকে সংযম ধারণ করার আহ্বান জানান। হামলাকারীর কোনো ক্ষতি করা থেকে তিনি ক্ষুব্ধ জনতাকে বিরত করেন। পরে পুলিশ এসে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করে।
দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ওই ইমামের নাম মোহাম্মদ মাহমুদ। ফিন্সবারি পার্কের মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তা ইমাম মোহাম্মদ মাহমুদের প্রশংসা করে বলেন, তাঁর কারণেই হামলার পরের পরিস্থিতি শান্ত করা গেছে এবং সম্ভাব্য আরেকটি জীবননাশের ঘটনা এড়ানো গেছে। ইমাম মাহমুদ ওই এলাকার মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের ইমাম।
ক্ষিপ্ত জনতার আক্রমণ থেকে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে রক্ষার জন্য ওই ইমামের ‘সাহস ও দৃঢ়তা’ প্রশংসিত হচ্ছে। প্রশংসাকারীদের মধ্যে রয়েছে লন্ডনের পুলিশ বিভাগ এবং শহরটির মেয়র সাদিক খান।
ব্রিটেনের প্রধান বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা জেরেমি করবিন হামলার পরপরই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এই নেতা বলেন, ‘আমি একে অন্যান্য হামলার মতোই অতীব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি।’ উল্লেখ্য, হামলাটি হয় তাঁর নির্বাচনী এলাকায়।
মুসলিম ওয়েলফেয়ার হাউসের নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিক কাসিমি বলেন, ‘এই ফিন্সবারি পার্ক এলাকায় আমরা বহুদিন ধরে শান্তিময় ও প্রীতিময় পরিবেশ তৈরি জন্য পরিশ্রম করে আসছি এবং আমরা আমাদের সমাজের মধ্যে বিভক্তির যেকোনো চেষ্টার নিন্দা জানাই।’
সূত্র: বিবিসি, গার্ডিয়ান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নতুন উদ্যমে আওয়ামীলীগ

বিশেষ প্রতিবেদন : একটা সময় হয়তো কেউ মনে করতে পারেনি আওয়ামী লীগ দলটি আবার বাংলাদেশে সরকার গঠন করতে পারবে। কারণ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা পর এ দলটিতে তেমন কেউ ছিলনা যে আবার সরকার গঠন করবেন। এ দলটি ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ও পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর জননেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হকের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
শুরুতে এই দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থাকলেও পরবর্তীতে ধর্মনিরপেক্ষতা নীতি গ্রহণের মাধ্যমে ১৯৫৫ সালে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দল হিসেবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ নামকরণ করা হয়।
১৯৫২ সালে মায়ের ভাষা বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আন্দোলনের ধারবাহিকতায় আসে ৫৪ সালের নির্বাচন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন নিয়ে এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্টকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে এদেশের মানুষ।
কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানিদেরহীন চক্রান্তের ফলে মেয়াদ উত্তীর্ণের পূর্বেই ভেঙে দেওয়া হয় মন্ত্রিসভা। শুরু হয় লাগাতার গণতান্ত্রিক আন্দোলন। ৬২-এর গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, ৬৬-এর বাঙালি মুক্তি সনদ ৬-দফা ঘোষণার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে পরিণত হন।
তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত শুরু করে এবং দায়ের করা হয় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। তাঁকে গ্রেফতার করে সম্পন্ন করা হয় ফাঁসিতে ঝুলানোর যাবতীয় আয়োজন। কিন্তু বাঙালি বুকের তাজা রক্ত ঢেলে ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাদের প্রিয় নেতাকে কারাগার থেকে মুক্ত করেন। শেখ মুজিব অভিষিক্ত হন ‘‘বঙ্গবন্ধু” উপাধিতে।
তারপর ৭০-এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ লাভ করে ইতিহাসের নজিরবিহীন সংখ্যাগরিষ্ঠতা। তবু ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি পাকিস্তানিরা। অবশেষে আসল সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ৭১ সালের ৭ মার্চ। ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ঘোষণা, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’।
২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি ঝাঁপিয়ে পড়ে মরণপণ মুক্তির সংগ্রামে। অবশেষে দীর্ঘ ৯ মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে ৩০ লাখ শহীদের রক্ত আর ২ লাখের মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অভ্যুদ্বয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বঙ্গবন্ধুর সরকার স্বাধীনতার মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল তখনই স্বাধীনতা বিরোধীচক্র আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তায় ১৯৭৫-এর ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করে। জেলখানায় জাতীয় চারনেতাকে হত্যার মাধ্যমে এই সংগঠনটিকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়।
১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসেই। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নবউদ্যামে সংগঠিত করেন। তারই ধারাবাহিকতায় জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬-এর সরকার গঠন করে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। ২০০৮ সালে পুনরায় সরকার গঠন করে ‘রূপকল্প ২০২১’-এর আলোকে মধ্যম আয়ের সুখী-সমৃদ্ধশালী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখান এবং ২০১৪ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ‘রূপকল্প ২০৪১’-এর আলোকে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তার নেতৃতত্ব এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। এখন তার রাষ্ট্রনীতি বুঝতে চেষ্টা করেন বিশ্বের বড় বড় রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এর স ম আলাউদ্দিনের মৃত্যুবার্ষিকী পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সোমবার বিকালে সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্র্রি’র নিজস্ব কার্যালয়ে আধুনিক সাতক্ষীরার স্বপ্নদ্রষ্টা সাতক্ষীরা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র সাবেক সভাপতি স. ম. আলাউদ্দিন এর ২১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি নাছিম ফারুক খান মিঠু’র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আসাদুজ্জামান বাবু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্সের ঊর্দ্ধতন সহ-সভাপতি এনছান বাহার বুলবুল, সহ-সভাপতি শেখ কামরুজ্জামান মুকুল, পরিচালক কাজী মনিরুজ্জামান মুকুল, শেখ আবুল বাশার পিয়ার, আব্দুল্লাহ আল মামুন, শেখ কামরুল হক চঞ্চল, গোলাম আজম, দীনবন্ধু মিত্রসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার ব্যবসায়ীরা। দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কোর্ট মসজিদের পেশ ইমাম শেখ ফিরোজ আহমেদ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest