সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

energetic 02কে না চায় সারাদিন চাঙ্গা থাকতে? কে না চায় কাজের সময় সকল প্রাণশক্তির প্রয়োগে সময়ের সঠিক ব্যবহার করতে? সবাই কি পারি এমন?
পারি না বলেই আমরা খুঁজে ফিরি সেই আলাদিনের যাদুর চেরাগ যার বদৌলতে আমরা থাকতে পারবো সারাটা দিন সতেজ, কর্মক্ষম।
বাস্তবের দুনিয়ায় আলাদিনের চেরাগ নেই, তাই আজ আমরা জেনে নেবো কর্মক্ষম থাকার কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান যেগুলো আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।

১। ঘুমাতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে:
ঘুমকে অবহেলা করা যাবে না। অবহেলা করেছেন কি মরেছেন। ঘুমের সময়ে শরীর তার ক্ষয় পুরণ করে, তার যন্ত্রাংশগুলোকে মেরামত করে, নতুন করে গড়ে তোলে শরীরকে। তাই ঘুম দরকার প্রয়োজনমত। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারনত ৭-৮ ঘন্টার ঘুমই যথেষ্ট তরতাজা হয়ে জেগে ওঠার জন্য।
ঘুমাতে যাবার জন্য ভালো সময় রাত ১০ টার মাঝে। এ সময় ঘুমালে লাভ হচ্ছে আমাদের দেহের গ্রোথ বা বৃদ্ধির জন্য নিয়োজিত হরমোন রাত ১১ থেকে রাত ১ টার মাঝে নিঃসৃত হয় যা ঘুমের সময় দেহের বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করে।

২। প্রাতরাশে নেই কোন ফাঁকিঃ
প্রাতরাশ হবে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার কেননা এটা সমগ্র দিন চলার গ্যাসোলিনের যোগান দেবে। ক্ষুধা না লাগলেও খেতে হবে ব্রেকফাস্ট।
ব্রেকফাস্ট শব্দকে ভাঙ্গলে আমরা পাই ব্রেক এবং ফাস্ট অর্থাৎ অনাহার থেকে মুক্ত হবার খাবার। আপনি অনাহারী থেকে কাজ শুরু করলে কাজে বার বার ব্রেক নিতে হবে। ব্রিটিশ এক গবেষণা থেকে দেখা যায় পর্যাপ্ত প্রাতরাশ আপনার স্ট্রেস হরমোন বা করটিসলের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্ত করে যার ফলাফল স্ট্রেস বা ক্লান্তি কম আসা। তাই শুরু হোক প্রাতরাশের জয়গান আজ থেকে।

৩। আহারে যোগ করুন আঁশযুক্ত খাবারঃ
বলা হচ্ছে সারাদিনের আহারে থাকতে হবে ২৫ থেকে ৩০ গ্রাম আঁশ যদিও গড়ে মাত্র ১০ থেকে ১৫ গ্রাম আঁশ আমরা গ্রহণ করছি দিনে। আশের প্রতি এতো গুরুত্ব দেয়া হওয়ার পেছনে কারণ ও রয়েছে। খাবারে আঁশ থাকলে সেটি শর্করা শোষণে দেরী করায়, যার ফলাফল হচ্ছে একবারে দ্রুতগতিতে রক্তে শর্করা প্রবেশ না করে ধীরে ধীরে মধ্যম গতিতে অনেক সময় নিয়ে প্রবেশ করা। অর্থাৎ অনেক সময় ধরে শক্তির যোগান বজায় থাকা যা একজন ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও খুবই দরকারী এক ব্যবস্থা। আঁশের জন্য দেশি খাবারের মাঝে বরবটি, সজিনা, ঢেঁড়স ইত্যাদি বেশ ভালো কাজ করে। খেতে পারেন আপেল, জামরুল, পেয়ারা ইতাদি ফল। জামরুল অনেকেরই প্রিয় ফল যা একাধারে পানি ও আঁশ বহন করে যথেষ্ট পরিমাণে। প্রচণ্ড গরমে দেশি ফল হিসেবে জামরুলের মজাই আলাদা।

৪। কম খাবেন, বার বার খাবেনঃ
একবারে বেশি করে না খেয়ে কম করে বার বার খেতে বলা হচ্ছে বর্তমান সময়ে। একবারে অধিক খাবার খেলে সেটা হজম করতে দেহের অনেক শক্তি একবারে প্রয়োজন পড়ে যার ফলে ভুরিভোজের পরে আমরা ক্লান্তি অনুভব করি। প্রধান তিন আহারের পরিমাণ মাঝারি রেখে তার মাঝে মাঝে সময়ে ২ বার হাল্কা কিছু খেয়ে নিন। যাকে বলে স্ন্যাক্স, সেই স্ন্যাক্স গ্রহণ করুণ।
৪। পান করুন প্রচুর পানিঃ
পানি খান বা পান করুন বেশি করে। পানি রক্তকে রাখে তরল, দেহের যন্ত্রাংশগুলোকে রাখে সতেজ। পানির অভাবে রক্ত হয়ে পড়ে ঘন, ঘন রক্তকে সারা দেহে সঞ্চালন করতে আমাদের আবেগের হৃদয়কে খাটুনী দিতে হয় বেশি, সে হয়ে পড়ে দুর্বল, আর আমরাও হয়ে পড়ি ক্লান্ত। প্রতি ২ থেকে ৪ ঘন্টায় একবার মূত্র ত্যাগের অভ্যাস গড়ে তুলুন, সেভাবে পানি পান করুন আর মূত্র যেনো হয় পরিস্কার অথবা হালকা হলদে।
৫। মস্তিস্কের প্রয়োজন ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডঃ
মস্তিস্কের চনমনে ভাব আনার জন্য ওমেগা ৩ ফ্যাটি এসিডের ভূমিকা খুঁজে পেয়েছেন গবেষকেরা। আমাদের দেশের সামুদ্রিক মাছ যেমন ইলিশে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে এই মেদঅম্ল। এই অম্ল দেহের শর্করাকে নিরেট মেদের বদলে গ্লাইকোজেনে রুপান্তরিত হতে সাহায্য করে আর গ্লাইকোজেন হলো আমাদের দেহের সঞ্চিত শক্তির প্রধান উৎস যা সাধারণ মেদের মতো অপকারী নয়।৬। চা বা কফিঃ
ক্লান্তি এড়াতে জুড়ি নেই চা বা কফির। ১ বা ২ কাপ কফি হলেই চলে যায় অনেকের সারাটা দিন। আগামীকাল ভাইভা পরীক্ষা, অনেক পড়া বাকি, সারারাত জাগতে হবে, এমন অবস্থায় গরম এক মগ কফির জুড়ি নেই। তবে ঘুমানোর আগে এসব পানীয় পান করলে কিন্তু ঘুমটাই নস্ট হবে, তাই পান করুন হিসেব রেখে।
৭। শ্বাস নিন গভীর ভাবেঃ
আমাদের একটা সাধারণ অভ্যাস হলো হাল্কা করে বুক দিয়ে শ্বাস নেওয়া। পেট ফুলিয়ে শ্বাস নেয়ার মানে ফুসফুসে অতিরিক্ত অক্সিজেন প্রবেশ করা যা দেহের জ্বালানী পোড়াতে অধিক সাহায্য করে। ফলশ্রুতিতে মস্তিস্ক হয়ে ওঠে চাঙ্গা, শরীর পায় অতিরিক্ত শক্তি।

৮। গোসলের জুড়ি নেইঃ
সতেজ থাকতে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল বা শাওয়ার বেশ উপকারী। মনকে করবে উৎফুল্ল, দূর করবে দেহের ময়লা আর চোখের ঘুম। খুব ক্লান্তি এলে মুখে দিতে পারেন ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা।

৯। অনুভূতিকে প্রকাশ করুন, বেধে রাখবেন নাঃ
সব কিছু বেদনা, দুঃখ, কস্ট মনের মাঝে চেপে রেখে আমরা নিজেরদের ম্যাচিউরিটি প্রকাশ করতে চাই যা প্রকারন্তরে বয়ে আনে ক্লান্তির অনুভূতি।
কারো সাথে নিজের অনুভুতির বা সমস্যার আলোচনা আপনার মনের জানালায় প্রবাহিত করে তাজা হাওয়া আর আপনিও হয়ে ওঠেন তরতাজা মানসিক দিক দিয়ে।
১০। হাঁটুন বা ব্যায়াম করুনঃ
খুব ক্লান্ত লাগলে কিছুটা হেটে নিতে পারেন অথবা শরীর চর্চা।
গবেষকেরা দেখেছেন ক্লান্তি দূর করতে শরীর চর্চার ভালো ভূমিকা রয়েছে। শরীর চর্চা করলে শরীরে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, হৃদয়ের গতি বাড়ে, দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে প্রবেশ করে অতিরিক্ত অক্সিজেন, দ্রুত রক্ত সঞ্চালনের কারনে দেহ পায় অধিক জ্বালানী। এভাবে দেহ হয় ‘বুস্টেড আপ’।
১১। শুনতে পারেন গান, প্রশান্তিদায়ক সঙ্গীতঃ
সঙ্গীতের সুমধুর সুর মনকে এনে দেয় প্রশান্তি, আনন্দময় এক মুহূর্ত। দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে সঙ্গীত বেশ ভালো কাজ করে।

মানুষের ক্লান্তি আসবেই, দুর্বলতা থাকবেই। আমরা মেশিন নই তবু যতটা পারা যায় শক্তির সঠিক বিজ্ঞানসম্মত ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা দেহের অপটিমাম ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারি। পরিশেষে কবি গুরুর একটি কবিতা দিয়ে আজকের আলোচনার ইতি টানবো-
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু,
পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু॥
এই-যে হিয়া থরোথরো কাঁপে আজি এমনতরো
এই বেদনা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥
এই দীনতা ক্ষমা করো প্রভু,
পিছন-পানে তাকাই যদি কভু।
দিনের তাপে রৌদ্রজ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায়,
সেই ম্লানতা ক্ষমা করো, ক্ষমা করো, ক্ষমা করো প্রভু॥

ডা. রায়হান কবীর খান

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

001মূল শব্দ : চিকনগুনিয়া হচ্ছে মশা বাহিত ভাইরাস রোগ যার ১ম প্রাদুর্ভাব হয়েছে ১৯৫২ সালে তানজেনিয়ার দক্ষিণ এলাকায়।এটা একটা RNA ভাইরাস যা আলফা ভাইরাসের অন্তর্ভূক্ত।এ “Chikungunya” শব্দটা এসেছে কিমাকোনডি(kimakonde) ভাষা থেকে যার অর্থ”to become contorted”

১। চিকুনগুনিয়া হচ্ছে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মানুষ থেকে মশার দ্বারা স্থানান্তরিত হয়।এ ভাইরাসের কারনে জ্বর এবং বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা হয়ে থাকে।এছাড়াও মাংশপেশিতে ব্যাথা, মাথাব্যাথা, বমি করা, ক্লান্তি অনুভব এবং ফুসকুড়ি হয়ে থাকে।
২। জয়েন্টের ব্যাথা দূর্বল হলেও স্থায়িত্ব অনেক বেশি।
৩। এ রোগে ডেঙ্গু এবং জিকার মতন কিছু ক্লিনিক্যাল চিহ্ন আছে।
৪। এ রোগের নির্দিষ্ট কোনো ভ্যাক্সিন নেই,সুস্থতার জন্য উপসর্গ গুলোকে ফোকাস করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
৫। মানুষের আবাসস্থলের আশেপাশে মশার বসবাস চিকনগুনিয়া হওয়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ কারন।
৫। প্রধানত চিকনগুনিয়া হয়ে থাকে আফ্রিকা,এশিয়া এবং ভারতবর্ষে।২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন দেশে এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব শুরু হয়েছে।

চিহ্ন এবং লক্ষণ:
চিকনগুনিয়ার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে জয়েন্টের ব্যাথা সহ হঠাৎ করে পুনঃপুন জ্বর হওয়া। এবং অন্যান্য সাধারণ যে উপসর্গ আছে সে গুলো হচ্ছে মাংশপেশির ব্যাথা, মাথাব্যাথা, বমি হওয়া, ক্লান্তি অনুভব করা ফুসকুড়ি পড়া।
জয়েন্টের ব্যাথা কম হলেও এটার স্থায়িত্বকাল কয়েকদিন অথবা কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত থাকে।ফলে অবস্থা সংকটাপন্ন হয়।
অধিকাংশ রুগি সুস্থ হলেও কারো কারো ক্ষেত্রে কিছু জয়েন্টের ব্যাথা অবিরাম চলতে থাকে কয়েক মাস এমনকি বছর পর্যন্ত।
আকস্মিকের কারনে চোখ,ব্রেন এবং হর্টের জটিল অবস্থা হতে পারে।
সাধারণত এ রোগে মারাত্মক কোন ক্ষতি হয় না কিন্তু নবজাতক শিশু এবং বৃদ্ধমানুষদের ক্ষেত্রে একটু সচেতন থাকতে হবে।না হলে এ রোগ মৃত্যুর কারন হয়ে দাঁড়াবে।

স্থানান্তর:
এশিয়া,আফ্রিকা,ইউরোপ এবং আমেরিকার ৬০এর অধিক দেশে চিকনগুনিয়া চিহ্নিত করা হয়েছে।
এ ভাইরাসটা স্থানান্তরিত হয়ে থাকে মানুষ থেকে মানুষে,Aedes aegypti & Aedes albopictus নামক স্ত্রী মশার মাধ্যমে।
এ মশা গুলো দিনে দংশন করে থাকে বিশেষ করে,খুব ভোরে এবং সন্ধ্যায়।
সাধারণত মশা দংশনের ৪-৮ দিন পরে অসুস্থতা শুরু হয়,তবে এর সময়কাল ২-১২ দিন।

রোগ নির্ণয়:
সেরোলজিক্যাল(যেমন:ELISA-Enzyme Linked Immunosorbent Assays), IgM & IgG anti-chikungunya antibodies(may confirm the presence) ইত্যাদি পরীক্ষা করে চিকনগুনিয়া শনাক্ত কারা যায়।
IgM antibody লেভেল খুব উচ্চ কারন অসুস্থ হবার ৩-৫ সপ্তাহ পরেও IgM antibody পাওয়া যায়।
উপসর্গ গুলো দেখা দেওয়ার ১ম সপ্তাহ পরেও নমুনা সংগ্রহ করে সেরোলজিক্যাল(serological) এবং ভিরোলজিক্যাল( virological) পদ্ধতিতে পরীক্ষা করা যায়।
সম্ভবত সংক্রমকের ১ম কয়েকদিন ভাইরাসটা রক্ত থেকে আলাদা থেকে বিভিন্ন ট্রান্সক্রিপটেসকে উল্টো দিকে পাঠায়।PCR(Polymerase ChainReactio) পদ্ধতিতে কিন্তু এর সংবেদন খুবই পরিবর্তনশীল। কিছু উপযুক্ত উপাদান(RT-CPR) গুলো আলাদা থাকে ভাইরাসের বিভিন্ন genotyping এ ব্যবহৃত নমুনা গুলো থেকে।এ ভাইরাস গুলোকে বিভিন্ন ভৌগলিক উৎসের সাথে তুলনা করা হয়ে থাকে।

চিকিৎসা :
চিকনগুনিয়া চিকিৎসার জন্য কোন নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল ঔষুধ নাই।চিকিৎসা সরাসরি প্রাথমিকভাবে দেওয়া হয়ে থাকে।এখনও পর্যন্ত চিকনগুনিয়ার কোন ব্যাণিজিক ভ্যাক্সিন তৈরী হয় নাই।

 প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণ :
আমাদের আবাসস্থলের আশেপাশে মশা উৎপাদনে চিকনগুনিয়া হওয়ার অন্যতম কারন।মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার করতে হবে।জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় পানি ফেলে দিতে হবে যেমন-ছাদের পানি,ফুলের টপের পানি,কন্টেইনারের পানি,নারিকেলের খোসার পানি,গাড়ির টায়ারে জমা পানি,ইত্যাদি।এমনকি ড্রেনের ময়লা পানি অপসারনের ব্যবস্থা করতে হবে এবং ঢেকে রাখতে হবে।বিভিন্ন কিটনাশক ব্যবহার করেও মশা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
চিকনগুনিয়ার উপদ্রব থেকে রক্ষা পেতে হলে এমন জামা কাপড় পরিধান করতে হবে যেন সমস্ত দেহ ঢাকা থাকে।ঘুমানোর সময় প্রত্যেককে মশারি ব্যবহার করতে হবে বিশেষ করে চিকনগুনিয়া রুগিকে।এছাড়া মশার কয়েল অথবা বাষ্পিভূত হওয়া কিটনাশক ব্যবহার করলে মশার উপদ্রব কমে যায়।

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার আগে ঐ জায়গায় Aedes aegypti & Aedes albopictus মশার ঘনত্ব কেমন তা জেনে রাখতে হবে।যদি মশার ঘনত্ব বেশি থাকে তা হলে না যাওযায় ভালো।একান্তই তা সম্ভব না হলে ঐ জায়গায় অবস্থানের পূর্বে মশা নিধন ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।
মশা নিধনের জন্য সমাজের সবার এগিয়ে আশা খুবই প্রয়োজন।।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4e70369f21b4113614bda2932cfa9c6e-593fab01156adগানটি নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু এটি ইউটিউবে মুক্তির আগে আমরা বেশ কয়েকবারই গানটি দেখেছি। তখন সবাই প্রশংসাই করেছেন। কিন্তু এভাবে প্রতিক্রিয়া আসবে তা কখনোই মনে হয়নি। যা হোক, গানটির কথা চেঞ্জ করে ফেলেছি। আবার নতুন করে লেখা হয়েছে এটি।

সোমবার (১২ জুন) নিজ কার্যালয়ে বসে এভাবেই কথাগুলো বলছিলেন ‘বস-টু’ ছবির বাংলাদেশি প্রযোজক আবদুল আজিজ। ছবিটির ‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানটি নিয়ে কথা বলছিলেন তিনি।

জানালেন, নানা সমালোচনার মুখে ও দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়েই গানটির কথায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। আগামী ২০ জুন জাজের ইউটিউব চ্যানেলে এটি অবমুক্ত করা হবে। আর অপর একটি সূত্র জানাচ্ছে, গানটির মূল বির্তকের জায়গা সৃষ্টিকর্তার নাম ‘আল্লাহ’ শব্দটি বাদ দেওয়া হচ্ছে গান থেকে। যোগ করা হচ্ছে ‘ইয়ারা’ শব্দটি। তাই গানের নতুন নাম হচ্ছে ‘ইয়ারা মেহেরবান’।

২৮ মে ‘আল্লাহ মেহেরবান’ গানটি প্রকাশের মাধ্যমে মুসলিম অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগ এনে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুইটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া বরাবর।

দুটি চিঠির ভাষ্য প্রায় একই।  সেখানে বলা হয়, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের নতুন ছবি ‘বস-টু’-এর একটি গানে আল্লাহ’র পবিত্র নামকে ব্যবহার করে অশ্লীলভাবে দৃশ্যায়ন করেছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবি সংশ্লিষ্ট সবাই ব্যাপক সমালোচনায় পড়েন।

পরে (৩০ মে) জাজ মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব থেকে প্রত্যাহার করা হয়ে তুমুল আলোচিত-সমালোচিত গান ‘আল্লাহ মেহেরবান’।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

53d7630208d3ff4168c858a9df119677-594001061f0ecওয়ানডে ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছেন তামিম ইকবাল। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবার আগের থাকা এই ওপেনার আইসিসির প্রকাশিত নতুন র‌্যাংকিংয়ে রয়েছেন ১৭তম স্থানে। শীর্ষস্থানটা দখল করেছেন বিরাট কোহলি। এবি ডি ভিলিয়ার্সকে সরিয়ে দুই ধাপ এগিয়ে ওয়ানডে ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ের ‘এক নম্বর’ ব্যাটসম্যান এখন ভারতীয় অধিনায়ক।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সবশেষ ম্যাচে রান পাননি তামিম। শূন্য রানে আউট হওয়া এই ওপেনার আগের দুটো ম্যাচে অবশ্য কাঁপিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষদের। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলেছেন যথাক্রমে ১২৮ ও ৯৫ রানের ইনিংস। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সে ওয়ানডে ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছেন তিনি। যাতে তামিম ১৯ থেকে এখন জায়গা পেয়েছেন ১৭তম স্থানে।

সেরা ২০-এর মধ্যে আর কোনও বাংলাদেশি নেই। তবে আগের মতো ২১তম স্থানটা দখল করে আছেন মুশফিকুর রহিম। সাকিব আল হাসান রয়েছেন ৩০ নম্বরে।

ওয়ানডে ব্যাটিংয়ের শীর্ষস্থানটা নিজের করে নিয়েছেন কোহলি। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পারফরম্যান্স তাকে যেমন দুই ধাপ এগিয়ে তুলে দিয়েছে এক নম্বরে, তেমনি বাজে পারফরম্যান্সে এক থেকে তিনে নামিয়ে দিয়েছে ডি ভিলিয়ার্সকে। দ্বিতীয় স্থানটা ধরে রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার।

বোলিংয়ে ইমরান তাহিরকে সরিয়ে শীর্ষস্থানে উঠে গেছেন জশ হ্যাজেলউড। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির পারফরম্যান্সে চার ধাপ এগিয়েছেন তিনি। দ্বিতীয় স্থানে নেমে যেতে হয়েছে তাই তাহিরকে। তবে সবচেয়ে বেশি উন্নতি হয়েছে রশিদ খানের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১৮ রানে ৭ উইকেট পাওয়া আফগান এই লেগ স্পিনার ১৮ ধাপ এগিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন সেরা দশে! ১৮ বছর বয়সী এই স্পিনার এখন সপ্তম স্থানে।

অবনমন হয়েছে বাংলাদেশের বোলারদের। সাত ধাপ নিচে নেমে সাকিব এখন ১৬তম স্থানে। মাশরাফি বিন মুর্তজা নেমে গেছেন চার ধাপ (১৮ নম্বরে)। আর মুস্তাফিজুর রহমান ৬ ধাপ পিছিয়ে রয়েছেন ২১তম স্থানে।

অলরাউন্ডারের শীর্ষস্থানটা অবশ্য ধরে রেখেছেন সাকিব। দ্বিতীয় স্থানে পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ। আইসিসি বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

3q54T8_19149230পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও স্বাগতিক রাশিয়ার পর ২০১৮ বিশ্বকাপে তৃতীয় দল হিসেবে টিকেট নিশ্চিত করেছে ইরান। সারদার আজমাউন ও মেহদি তারেমির গোলে উজবেকিস্তানকে ২-০ গোলে পরাজিত করে পঞ্চম বারের মত বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিজেদের খেলা নিশ্চিত করে।

এশিয়ান জোন বাছাইপর্বে গ্রুপ-এ’তে আট ম্যাচে এটি ইরানের ষষ্ঠ জয়। এর ফলে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ইরান। ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

বাছাইপর্বের ততীয় রাউন্ডে ইরান এখনো অপরাজিত রয়েছে। আশ্চ্যর্যজনকভাবে এখন পর্যন্ত কোন গোল হজম করেনি ইরান।
রাশিয়া যাবার পথে তারা বাছাইপর্বে দ্বিতীয়বারের মত উজবেকদের পরাস্ত করলো। ঘরের মাঠ তেহরানের আজাদী স্টেডিয়ামে সমর্থকদের সামনে ইরান প্রথম থেকেই আধিপত্য বিস্তার করে খেলতে থাকে।

২৩ মিনিটে রোস্তোভ ফরোয়ার্ড আজমাউন আলিরেজা জাহানবাক্সের থ্রু বল থেকে প্রথম গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ৪৮ মিনিটে টারেমির আদায় করা পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মাসুদ শাওজায়ে। ৮৮ মিনিটে আজমাউনের পাস থেকে টারেমি দ্বিতীয় গোল করলে ইরানের জয় নিশ্চিত হয়।

এর আগে চারবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল ইরান। ১৯৭৮, ১৯৯৮, ২০০৬ ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলেছে ইরান। অন্যদিকে উজবেক এখনো বাছাইপর্বের বাঁধা পেরুতে পারেনি। ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট অর্জণ করা উকবেকদের সামনে এখনো অবশ্য সুযোগ শেষ হয়ে যায়নি। সরাসরি রাশিয়ার টিকিট পেতে হলে বাকি দুটি ম্যাচে অবশ্যই উজবেকিস্তানকে জয় নিশ্চিত করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

CwN7Tw_sana

চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসে নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ১৩১ জন নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকেই। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে রাঙামাটিতে। সেখানে ৩৬ জন নিহত হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটির পুলিশ সুপার।

নিহত ৩৬ জনের মধ্যে সেনাবাহিনীর ছয় সদস্য রয়েছেন রয়েছেন। এঘটনায় আহত ৮ সেনা সদস্যদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২ জন।

১৩ জুন মঙ্গলবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতরের (আইএসপিআর) পরিচালক লে. কর্নেল রাশেদুল হাসান এ তথ্য জানান।

নিহত সেনা সদস্যদের মধ্যে ৪ জনের নাম জানা গেছে তারা হলেন- মেজর মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, ক্যাপ্টেন তানভীর সালাম শান্ত, করপোরাল মো. আজিজুল হক ও সৈনিক মো. শাহীন আলম। অন্যদিকে পাহাড় ধসে বান্দরবানে সাতজন এবং চট্টগ্রামে ২৫ জন মারা গেছেন।

এদিকে, টানা বর্ষণে বান্দরবানের কালাঘাটা এলাকায় তিনটি স্থানে পাহাড় ধসে পড়েছে। এতে তিন শিশুসহ ৭ জন প্রাণ হারিয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও ২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। সোমবার রাত ৩টার দিকে প্রবল বর্ষণের সময় কালাঘাটা এলাকার কবরস্থানের পাশে, জেলেপাড়া ও লেমুঝিরি আগাপাড়া এলাকায় পাহাড় ধসে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও অনেকটা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পায়ে হেঁটে বিভিন্ন এলাকায় যেতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সস্পর্কে পরিষ্কার চিত্র পেতে আরো অপেক্ষা করতে হবে। প্রবল বর্ষণে ভূমি ধসের সাথে গাছপালা ভেঙ্গে পড়েছে। জেলার অধিকাংশ জায়গায় কোন বিদ্যুৎ নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a41c80bf0d250a15b2328e45eb1627b5-593ff0ffb1615এবার আরও অদ্ভুত ফরমেশন নিয়ে হাজির হলেন হোর্হে সাম্পাওলি। ৩-৬-১! আর্জেন্টিনা কোচ হওয়ার পর দুটি ব্যাপার পরিষ্কার করে দিয়েছেন। এই দলে অনেক ওলট-পালট আসবে। পরিবর্তন আসবে খেলার ছকেও। আজ আর্জেন্টিনার ৬-০ গোলের বড় জয়ের ৫টিতেই গোলদাতার তালিকায় সব অচেনা নাম। প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর ছিল, এটাও হয়তো এর কারণ।

ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে যাত্রা শুরু করা সাম্পাওলির আর্জেন্টিনা আরেকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া থেকে উড়ে এসেছে সিঙ্গাপুরে। সেখানে স্বাগতিকদের আধডজন গোল দিয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রীতি ম্যাচের প্রীতি রক্ষা করেনি। ৬টি গোলই ভিন্ন ছয় গোলদাতার। ২৫ মিনিটে একবার গোলমুখ খোলার পর নিয়মিত বিরতিতে সেদিক দিয়ে বল পাঠিয়েছে আর্জেন্টিনা।
গোল করেছেন ফেদেরিকো ফাজিও, হোয়াকুইন কোরেয়া, আলেহান্দ্রো গোমেজ, লিয়ান্দ্রো পারেদেস (রোমা), লুকাস আলারিও। আর্জেন্টিনার ম্যাচের স্কোরলাইনে এই নামগুলো দেখে অভ্যস্ত নয় কেউ। শেষে যোগ করা সময়ে আঙ্গেল ডি মারিয়া গোল করেছেন বলে তারকার উপস্থিতি জানান দিচ্ছে।

এই ম্যাচে মেসি-হিগুয়েইনদের খেলাননি সাম্পাওলি। সিঙ্গাপুরের দর্শকদের তাই কিছুটা বঞ্চিতই হতে হলো। ডিবালা-ডি মারিয়ারা অবশ্য শুরু থেকে খেলেছেন।
একই দিন আরেক প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেয়েছে ব্রাজিল। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে তারা। সেখানেও স্কোরশিটে চেনা নামগুলো নেই। ডিয়েগো সুজা করেছেন জোড়া গোল। বাকি দুটি গোল থিয়াগো সিলভা ও তাইসনের। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল করেছিল ব্রাজিল। কিন্তু ৬১ মিনিট পর্যন্ত স্কোরটাকে বদলাতে দেয়নি অস্ট্রেলিয়া। এরপর সিলভা ২-০ করেন। ৭৫ মিনিটে তাইসন আর যোগ করা সময়ে ম্যাচের সমাপ্তি টেনে দেন শুরুর গোলটা করা সুজা। সূত্র: গোল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1497365067এই কয়দিন আগে এক  প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছিল ব্রাজিল। নেইমারকে ছাড়া সেই ম্যাচে ১-০ গোলে পরাজিত হয় সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। যে মেলবোর্নে মেসিদের কাছে হেরেছিল, সে মাঠেই স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলের বড় জয় ঘরে তোলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আজ মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ব্রাজিলের জয়ে জোড়া গোল করেন থিয়েগো সুজা। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পক্ষে অন্য দুটি গোল করেন থিয়াগো সিলভা ও তাইসন।

গত শুক্রবার এই অস্ট্রেলিয়াতেই আর্জেন্টিনার কাছে এক গোলের ব্যবধানে হেরেছিল ব্রাজিল।  তাই হয়তো এদিন তারা অস্ট্রেলিয়াকে পেয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। গোলের দেখা পেতেও খুব একটা সময় লাগেনি, ম্যাচ শুরুর ১০ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় তারা দিয়েগো সুজার চমৎকার একটি গোলে।

৬২ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সিলভা, ৭৫ মিনিটে তাইসন ব্রাজিলের পক্ষে তৃতীয় গোল করেন। অতিরিক্ত সময়ে অস্ট্রেলিয়ার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকেন সুজা। এটি দলের দলের পক্ষে চতুর্থ এবং ব্যক্তিগত দ্বিতীয় গোল।

নিজেদের মাঠে খেললেও অস্ট্রেলিয়া পারেনি এমন কোনো সুযোগ তৈরি করতে যা দ্বারা সম্ভব হতো প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ ভাঙা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest