সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

মসজিদে অতিরিক্ত বায়ুত্যাগের অপরাধে এক পাকিস্তানি যুবককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে অতিরিক্ত বায়ু নির্গত করার কারণে তিনি সেখানের ৬টি মসজিদ থেকে অন্তত ১৭বার বহিষ্কৃত হয়েছিলেন।

জানা গেছে, গত রমজান মাসে মসজিদে অতিরিক্ত বায়ু নির্গত করার অপরাধে সেই পাকিস্তানি যুবককে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। তবে মোহাম্মদ আল ওয়াহাবি নামে সেই ৩৩ বছর বয়সী যুবকের মারাত্মক পেট ফাঁপার সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

পাকিস্তানি বিচারক বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি মারাত্মক ধর্ম অবমাননা করেছেন। তিনি একবার ৫৩ জন মুসল্লিকে মসজিদ ছাড়তে বাধ্য করেছেন। তার কঠোর বিচার হওয়া উচিত। রমজান মাসকে মুসলমানদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় উৎসব হিসেবে উল্লেখ করেন বিচারক।

তবে বিচারক শাস্তির ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখিয়েছেন! শিরশ্ছেদ বা পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের মধ্যে যেকোনো একটাকে বাছাই করার স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে সেই যুবককে। বিচারক মনে করেন শিরশ্ছেদে শাস্তি কম কারণ সেখানে মৃত্যুবেদনা খুব কম সময়ের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ-সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। এতে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকছে না; বরং তা আগের মতোই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত থাকবে।

আজ সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ১ জুন আপিলের শুনানি শেষ হয়। সেদিন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছিলেন। গতকাল রোববার আপিল বিভাগের ওয়েবসাইটে আজকের কার্যতালিকার শুরুতেই ষোড়শ সংশোধনীর আপিলের রায় ঘোষণার জন্য রাখা হয়েছিল।

সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ মোট ১১ দিন রাষ্ট্র ও রিটকারীর বক্তব্য শোনেন। আপিলের শুনানি শুরু হয়েছিল ৮ মে। এতে মোট ১০ জন অ্যামিকাস কিউরি আদালতে মতামত দিয়েছেন, যার মধ্যে নয়জনই ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে মতামত দেন।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি এ মামলার আপিল শুনানিতে সহায়তার জন্য আদালত ১২ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। ১২ জনের মধ্যে ১০ জন আদালতে তাঁদের মতামত উপস্থাপন করেন। অ্যামিকাস কিউরি নিযুক্ত হলেও ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ মতামত দেননি।

বক্তব্য প্রদান করা ১০ জনের মধ্যে শুধু ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ষোড়শ সংশোধনী রাখার পক্ষে মত দেন। বাকিরা এই সংশোধনী বাতিলের পক্ষে নিজেদের যুক্তি তুলে ধরেন। সংশোধনী বাতিলের পক্ষে মত দেওয়া নয় আইনজীবী হলেন—ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, বিচারপতি টি এইচ খান, ড. কামাল হোসেন, এ এফ হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, এম আই ফারুকী এবং এ জে মোহাম্মদ আলী।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়। যেটি ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।

সংবিধানে এই সংশোধনী হওয়ায় মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করবে—এমন যুক্তিতে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একই বছরের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর রুল জারি করেন। গত বছরের ১০ মার্চ মামলাটির চূড়ান্ত শুনানি শেষে ৫ মে রায় দেন আদালত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্পোর্টস ডেস্ক : তারুণ্যের কাছে টিকতে পারলো না অভিজ্ঞতা। স্রেফ খামখেয়ালের বসেই যেন একটি আনকোরা দল নিয়ে রাশিয়ায় কনফেডারেশন্স কাপ খেলতে গিয়েছিল জার্মানি। অথচ সেই জার্মানিই কি না শেষ পর্যন্ত বাজিমাত করলো।

যে চিলি টানা দু’বার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হলো, সেই চিলিকে ফাইনালে ১-০ গোলে হারিয়ে কনফেডারেশন্স কাপের চ্যাম্পিয়ন হলো জার্মানি। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে খেলার ২০তম মিনিটে একমাত্র জয়সূচক গোলটি করেছেন লার্স স্টিন্ডল।

বিস্তারিত আসছে…

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আগামী বিশ্বকাপে বাংলাদেশ সরাসরি খেলছে এটা তো আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে বলা যায়। কারণ, র‌্যাংকিংয়ে এখন বাংলাদেশ সাত নম্বরে। আট নম্বরে শ্রীলঙ্কা। নয় নম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ সেরা আটটি দলের মধ্যে থাকতে পারলে ২০১৯ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত।

আইসিসি র‌্যাংকিংয়ে এখন যে অবস্থান, তাতে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ সেরা আটের পেছনে পড়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ ৯ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে বাংলাদেশের পয়েন্টের ব্যবধান ১৮। বাংলাদেশের পয়েন্ট ৯৪। নয় নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের পয়েন্ট ৭৬। আট নম্বরে থাকা শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট ৯১।

আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেই বলতে গেলে বাংলাদেশের আগামী বিশ্বকাপ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবুও আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রেসিডেন্ট নাজমুল হাসান পাপন নিজে থেকে দাবি করেছেন, বাংলাদেশের আগামী বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা নিশ্চিত। তার মতে, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলার জন্য র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের যেখানে থাকা দরকার সেখানেই থাকবে। ধানমন্ডিতে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন পাপন।

পাপন বলেন, ‘বাংলাদেশকে বাছাই পর্ব খেলতে হবে না। এ কথা আগেও বলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত যে হিসাব, তাতে মনে হচ্ছে না যে বাংলাদেশকে বাছাই পর্ব খেলতে হবে না। সেদিক থেকে বলতে পারি বাংলাদেশ এবার সরাসরি খেলবে। এ বিষয়ে আইসিসি যেভাবে পরিকল্পনা করছে, আমরাও সেভাবেই এগোচ্ছি। কারণ, পয়েন্টের ব্যবধান এত বেশি যে অন্য কিছু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।’

বাংলাদেশের পেছনে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং শ্রীলঙ্কা এখন ওয়ানডে সিরিজ খেলছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলছে ভারতের বিপক্ষে। শ্রীলঙ্কা খেলছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ভারতের কাছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ম্যাচ টানা হার এবং র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা জিম্বাবুয়ের কাছে শ্রীলঙ্কার হারের কারণে বাংলাদেশ পৌঁছে গেছে আরও নিরাপদ স্থানে। ফলে বাংলাদেশের আগামী বিশ্বকাপ খেলা নিশ্চিতই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মানসিক অসুস্থতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অপসারণ করতে প্রতিনিধি পরিষদ কংগ্রেসে উপস্থাপিত একটি বিলে সমর্থন দিয়েছে দেশটির বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটের অন্তত ২৫ সদস্য। মার্কিন এই প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আনা মানসিক অসুস্থতার অভিযোগ প্রমাণিত হলে হোয়াইট হাউস থেকে বিদায় নিতে হবে তাকে।

কংগ্রেসে ডেমোক্র্যাট দলীয় সদস্য জেমি রাসকিন বিলটি উপস্থাপন করেছেন। কংগ্রেসে আনা এই বিলের ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক সুস্থতা ও সক্ষমতা যাচাইয়ে ১১ সদস্যের একটি প্যানেল গঠন করা হবে। প্যানেলের অধিকাংশ সদস্যই থাকবেন চিকিৎসক ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।

এছাড়া প্যানেলে দেশটির সাবেক উচ্চপদস্থ দুই অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও থাকবেন। এই দুই সদস্যের মধ্যে সাবেক কোনো প্রেসিডেন্ট, ভাইস প্রেসিডেন্ট অথবা অ্যাটর্নি জেনারেলও থাকতে পারেন। মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট শারীরিক অথবা মানসিকভাবে দায়িত্ব পালনে সক্ষম কিনা মেডিকেল পরীক্ষার মাধ্যমে তা ঠিক করবেন প্যানেলের সদস্যরা।

মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর ওপর ভিত্তি করে প্রেসিডেন্টের শারীরিক অসুস্থতা প্রমাণের পদক্ষেপ নিয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় সদস্যরা।

বেশ চাঞ্চল্যকর এ পদক্ষেপের পক্ষে মার্কিন সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী আইনি সহায়ক হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিলটির উপস্থাপক রাসকিন। ১৯৬৭ সালে দেশটির প্রেসিডেন্ট জনএফ কেনেডির গুপ্তহত্যার পর ওই সংশোধনী আনা হয়। প্রেসিডেন্ট কোনো কারণে দায়িত্ব পালনে অযোগ্য হলে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া যাবে সে প্রক্রিয়া যুক্ত করা হয় ওই সংশোধনীতে।

মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, রাসকিনের আনা ওই প্রস্তাবে গত বৃহস্পতিবার অন্তত দুই ডজন ডেমোক্র্যাট সদস্য সাক্ষর করেছেন। কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্য এই বিলে সমর্থন দিলে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পাবেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট। তবে প্রেসিডেন্টের শারীরিক সক্ষমতা মূল্যায়নে ভাইস প্রেসিডেন্টকেও একমত পোষণ করতে হবে।

তবে কংগ্রেসে ওই বিল পাস হলে এর বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব থেকে অপসারণে প্যানেলের ওই মূল্যায়ন বাস্তবায়নে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যেরও সমর্থন প্রয়োজন হবে। যদি দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন না পাওয়া যায় তাহলে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে আর কোনো বাধা থাকবে না।

কংগ্রেসে উপস্থাপিত বিলের বিষয়ে মন্তব্য জানতে হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিএনএন যোগাযোগ করলেও কোনো সাড়া পায়নি।

গত ডিসেম্বরে মার্কিন নির্বাচনের আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত তিন মনোবিজ্ঞানী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কাছে ট্রাম্পের মানসিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পরে হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার অধ্যাপকরা নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘পূর্ণ চিকিৎসা ও স্নায়ুবিক মনোরোগ মূল্যায়ন’ এ নির্দেশ দিতে বারাক ওবামার প্রতি আহ্বানও জানিয়েছিলেন।

চলতি বছরের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট মনরোগ বিশেষজ্ঞদের একটি গ্রুপ সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ট্রাম্পের ‘বিপজ্জনক মানসিক অসুস্থতা’র লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে দেশ পরিচালনায় ট্রাম্পকে অযোগ্য ঘোষণা করেন তারা।

সেই সময় মনোবিজ্ঞানী জন ডি. গার্টনার বলেন, ট্রাম্প মানসিকভাবে ভয়াবহ অসুস্থ এবং মানসিক দিক থেকে প্রেসিডেন্টের অযোগ্য তিনি। ট্রাম্পের মাঝে ‘মারাত্মক আত্মমগ্নতা’র লক্ষণ দেখা গেছে। যা অসামাজিক ব্যক্তিত্ব ব্যাধি, আগ্রাসন ও অন্যের ওপর নিপীড়ন চালিয়ে যৌনসুখলাভের মতো মানসিক বিকারগ্রস্ততার প্রকাশ ঘটায়।

কানেকটিকাটের নিউ হ্যাভেনের ইয়েল স্কুল অব মেডিসিনের এই অধ্যাপক বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিপজ্জনক মানসিক অসুস্থতা সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তিনি মাঠের লোক, রাজনীতির সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই বললেই চলে ফুটবল ঈশ্বর ডিয়েগো ম্যারাডোনার। তবে রাজনীতির প্রতি তাঁর কিছুটা আগ্রহ আছে, তা বোঝা গেছে বহুবার। সম্প্রতি রাজনীতি কথা বলতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘একজন কার্টুন চরিত্র’ বলেছেন আর্জেন্টিনার এই সাবেক তারকা ফুটবলার।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী দলের অধিনায়ক ম্যারাডোনার এই বক্তব্য চমকজাগানিয়া হলেও সত্য। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের আচার-আচরণও তাঁর কাছে নাকি বিরক্তিকর।

কনফেডারেশনস কাপ দেখতে ম্যারাডোনা এখন রাশিয়ায়। সেখানেই সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে ম্যারাডোনা বলেন, ‘যদি রাজনীতির কথা বলি, আমার কাছে ট্রাম্প একজন কার্টুন চরিত্র। যখন আমি তাঁকে টিভিতে দেখি, প্রত্যেকবার চ্যানেল বদলে দেই।’

অবশ্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশংসা করেন, ‘পুতিন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন। সে পারে বিশ্বে শান্তি এনে দিতে। আমার কাছে সে বিস্ময়কর একজন নেতা, এক কথায় অসাধারণ।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা থেকে ফ্লোরিডা যাচ্ছিলেন টম ম্যাককালাহ নামের এক ব্যক্তি। বিমানে উঠে যথারীতি বসলেন নিজের আসনে। আর তখন থেকেই শুরু হলো বিপত্তি। বিমানটির সিলিং ফুটো হয়ে টপটপ করে পানি পড়তে শুরু করল ম্যাককালাহর গায়ে। এর পর হাতে থাকা একটি সাময়িকী ওপরে ধরে গায়ে পানি পড়া থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু এতেও শেষ রক্ষা হয়নি। পুরো যাত্রায় টপটপ করে পড়া পানি তাঁর পুরো শরীর ভিজে যায়। একই পরিণতি হয় বিমানের অন্য আরো কয়েকজনের।

গত শুক্রবার ডেলটা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটেছে। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভুক্তভোগী যাত্রী ম্যাককালাহর ছেলে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে পোস্ট করেন।

তবে এ ঘটনার জন্য ম্যাককালাহ টুঁ শব্দটিও করেননি। তিনি বেশ আনন্দের সঙ্গেই ঘটনাটি উপভোগ করেছেন।

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানের ফুটো ছাদ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়ার পরও টমসহ কয়েকজন যাত্রীকে তাঁদের সিটে বসে থাকতে বাধ্য করা হয়। বিমান ছাড়ার আগপর্যন্ত কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তবে বিমান ছাড়ার পর টিস্যু পেপার দিয়ে পানি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হয়নি। গন্তব্যে পৌঁছাতে পৌঁছাতেই ভিজে যান বেশ কয়েকজন যাত্রী।

ভিডিওতে দেখা যায়, পাইলট যখন বিমান ছাড়ার ঘোষণা দিচ্ছেন, তখন যাত্রী ম্যাককালাহ একটি ম্যাগাজিনের সাহায্যে সেই পানিকে ভিন্ন দিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। বিমানটি যাত্রীবোঝাই ছিল। ফলে যাত্রীরা এদিক-সেদিক নড়াচড়া করারও কোনো সুযোগ পাননি।

এক হাজার ৮০০ ডলার দিয়ে টিকেট কেটেছিলেন ম্যাককালাহ। এর পরও যাত্রাপথে এমন অসুবিধায় পড়তে হয়েছে তাঁকে। অবশ্য বিমান কর্তৃপক্ষ মাশুল হিসেবে তাঁকে ১০০ ডলার দিয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

গত রোববার (২ জুলাই) ধানমণ্ডিতে নিজের চাকরিরত অফিসে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে আর থাকবেন না বলে জানিয়েছেন নাজমুল হাসান পাপন। তবে বিগত সময়ও এমন ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। বিসিবির বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে চলতি বছরের অক্টোবরে। কিন্তু নাজমুল হাসান জানালেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

পাপন জানান, মন থেকেই তিনি আর সভাপতি থাকতে চান না। তিনি এতো চাপ নিতে পারছেন না। তবে পরিচালক হিসেবে থাকার ইচ্ছে রয়েছে তার। এছাড়া আগামী ওয়ানডে বিশ্বকাপের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নেতৃত্ব নিয়েও চিন্তাভাবনা করছে বিসিবি।

কয়েকদিন আগে শ্রীলংকান মিডিয়ায় এসেছে তারা কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহকে ফিরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন। কিন্তু বিসিবি নির্ভার যে, কোচ ২০১৯ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের সঙ্গেই থাকছেন।

পাপন বলেন, ক্রিকেট থেকে দূরে সরে থাকাটা আমার জন্য কঠিন। আমার মনের কথা ক্রিকেটে থাকলে পরিচালক হয়েই থাকা আমার জন্য ভালো। সভাপতি হয়ে থাকাটা আমার জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অনেক বেশি সময় দিতে হচ্ছে।

পাপন বলেন, ‘দেখা যায়, কোনো না কোনো খেলোয়াড়ের সমস্যা আছে। তারা যেহেতু আমার সঙ্গে সরাসরি কথা বলে তাই অনেক বেশি সময় চলে যায়। এছাড়া আইসিসি, এসিসি, চাকরি, রাজনীতি সব কিছু মিলিয়ে অনেক বেশি চাপ হয়ে যাচ্ছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest