ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের নাম শুননেই প্রতিটি পুরুষ হৃদয়ে দোলা দিয়ে যায়। শুধু পুরুষ হৃদয়েই নই মেয়েদের মনেও দোলা খায়। ঐশ্বরিয়ার রুপের আসল রহস্য কি। এই বিশ্বসুন্দরী ফ্যাশন সরণীতে হোক বা বলিউডে বা হলিউডে সব জায়গাতেই সবার হৃদয় জয় করে নিয়েছেন। মাঝে মাঝেই নিশ্চই আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগে উনি নিজেকে এত সুন্দর রাখেন কীভাবে? চলুন চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক ঐশ্বর্যর বিউটি সিক্রেটসের দিকে।
ঐশ্বর্য রাইয়ের বিউটিসিক্রেটস :
ঐশ্বর্য জিনগতভাবে সুন্দর স্কিন আর চুলের অধিকারী। তা সত্ত্বেও উনি খুব হেল্দি লাইফস্টাইল ফলো করেন সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য। ফ্রায়েড ফুড,জাঙ্ক ফুড, প্যাকেজড ফুড, মদ, স্মোকিং এইসবের থেকে দূরে থাকেন উনি। ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আর ফাইবার যুক্ত ফল ও সব্জি খান প্রচুর পরিমাণে। আর শ্যুটিং এর সময় ঘরের খাবার খেতেই পছন্দ করেন উনি। সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে জল পান করেন স্কিন হাইড্রেটেড আর ফ্রেশ রাখার জন্য। এছাড়াও বেশ কিছু বিউটি সিক্রেটস ফলো করেন যা আমরাও রোজকার জীবনে ফলো করতে পারি।
ঐশ্বর্যের স্কিনকেয়ার রুটিন :
ঐশ্বর্য বেসন দুধ আর হলুদ ব্যবহার করেন স্কিন এক্সফলিয়েট করার জন্য। সঙ্গে দই ও ব্যবহার করেন ত্বকেরআর্দ্রতা ধরে রাখতে। আর শসার মাস্কও লাগান। এর সঙ্গে রোজ ব্যবহার করেনময়শ্চারাইজার। তবে ত্বকের জন্য বেশিরভাগ ন্যাচরাল জিনিস লাগাতেই পছন্দ করেন উনি।
ঐশ্বর্যের মেক আপ সিক্রেট:
ঐশ্বর্য কোন সময়ই উগ্র মেক আপ পছন্দ করেন না। বেশিরভাগ সময়ই পিঙ্ক, পিচ আর ব্রাউনের শেড বেছে নেন ঠোঁট আর গালের জন্য। ম্যাক, রেভলন, মেবিলিন ওঁর প্রিয় ব্র্যান্ড।
ঐশ্বর্যের ডায়েট:
যে কোন ফ্যাটি খাবারের থেকে দূরে থাকেন ঐশ্বর্য। সব্জি সেদ্ধ খেতে পছন্দ করেন খুব। মাঝে মাঝে ব্রাউন রাইসও খান। একসঙ্গে প্রচুর খাবার না খেয়ে মাঝে মাঝে অল্প অল্প খাবার খান।
ঐশ্বর্যের ফিটনেস সিক্রেট:
এই গ্ল্যাম কুইন সব সময় মেনে নিয়েছেন উনি কোনদিন জিরো ফিগারের পিছনে ছোটেন নি। একমাত্র ‘ধুম ২’ এর জন্য অনেকটাই টোনড ডাউন আর ফিট হতে হয়েছিল ওঁকে।
মাঝে মা হওয়ার পর প্রায় ব্যায়াম করা ছেড়ে দিয়েছিলেন, ফলে একটু মোটা হয়ে যান কিন্তু এখন আবার পুরনো অ্যাশকে ফিরে পেয়েছি আমরা। সকালে উঠে ৪০ মিনিট দ্রুত মর্নিং ওয়াক করার পর প্রায় এক ঘন্টা ফ্রি হ্যান্ড আর যোগ ব্যায়াম করেন উনি।
ঐশ্বর্য সব সময় বিশ্বাস করেন সিম্পল যোগ ব্যায়াম আর সহজ লাইফস্টাইল ফলো করলে যে কেউ ফিট এবং সুন্দরী থাকবেন। তাই আপনিও যদি এই বিশ্বসুন্দরীর মতো সবার মন জয় করতে চান তা হলে আজ থেকেই ফলো করুন ওঁর বিউটি রেজিম।

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর থানায় রোববার একই দিনে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : পাটকেলঘাটা হারুন-অর-রশিদ ডিগ্রী কলেজে গতকাল সকাল ১০টায় ২০৬ নং কক্ষে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির পরিচিতিমূলক ক্লাস অনুষ্ঠিত হয়। কলেজের অধ্যক্ষ ওয়াজিহুর রহমান খানের সভাপতিত্বে ও অধ্যাপক ফকির আহমদ শাহের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক শেখ আব্দুল মালেক, অধ্যাপক সুব্রত কুমার দাশ, অধ্যাপক আব্দুল গফ্ফার, অধ্যাপক আরশাদ আলী, অধ্যাপক আহ্লাদ চন্দ্র, অধ্যাপক সরদার নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক মো. নাজমুল হক, অধ্যাপক লক্ষ্মী রানী দাশ প্রমুখ। এ সময় নবাগত শিক্ষার্থীদের মাঝে রজনীগন্ধা ফুল বিতরণ করা হয়।
অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী রেবেকা বেগম
আশাশুনি ব্যুরো : ডেইলি সাতক্ষীরা’য় আশাশুনি উপজেলার ১১নং কাদাকাটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য অনুকুল চন্দ্র বাছাড় কতৃক ভিজিএফ’র গম আতœসাতের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে এলাকায় বিষয়টি নিয়ে গুনজন শুরু হয়েছে। গরীবের হক মেরে খাওয়া ইউপি সদস্যের বিচার চেয়ে এলাকাবাসির পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে। বৈরমপুর গ্রামের মৃত গফুর আলি গাজীর পুত্র রবিউল ইসলাম, শ্রীরামকাটি গ্রামের কবির আহম্মদের ছেলে জিয়উর রহমান ও বৈরমপুর গ্রামের আঃ খালেকের ছেলে আব্বাস উদ্দিন এলাকাবাসির পক্ষে জেলা প্রশাষক বরাবর এ অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শ্যামনগর ব্যুরো: শ্যামনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত ফেনসিডিল ব্যবসায়ী আবুল কাশেম শেখ (৪০) কে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল রোববার ভোরের দিকে কৈখালী ইউনিয়নের শৈলখালী গ্রামে নিজ বাড়ী থেকে ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করে এস আই আশরাফুল ইসলাম। সে ওই গ্রামে সোবান শেখের ছেলে। এ সময়ে অপর সহযোগী কৈখালী গ্রামে মুজিবর রহমানের পুত্র মফিজুল ইসলাম পালিয়ে যায়। শ্যামনগর থানার ওসি সৈয়দ মান্নান আলী সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ফেনসিডিল বিক্রির সময় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিলসহ কাশেমকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় শ্যামরগর থানায় মামলা হয়েছে।
দেবহাটা ব্যুরো : দেবহাটায় বিভিন্ন প্রকার সহযোগীতার চেক বিতরন ও বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ-আল-আসাদ। রবিবার সকাল ১০টায় বিভিন্ন সহযোগীতার চেক বিতরন করা হয় এবং উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বরাদ্ধ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করা হয়। সহযোগীতার মধ্যে উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের প্রায়ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজর আলীর দাফন/কাফন ও লাশ পরিবহন বাবদ দুই স্ত্রীর হাতে ২,৪০০ টাকা করে মোট ৪ হাজার ৮ টাকা প্রদান করা হয়। অপরদিকে ধর্মমন্ত্রাণালয়ের অধিনে সহয়তার চেকা প্রদান করেছেন নির্বাহী কর্মকর্তা। উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের মাঝ-পারুলিয়া জামে মসজিদের সংস্কার বাবদ ২০ হাজার টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। উক্ত প্রদান কালে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার ইয়াসিন আলী, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হারুন অর রশীদসহ সহযোগীতা গ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রদত্ত সখিপুর ইউনিয়নের কাজিমহল্যা দারুল উলুম কুরআন মাদ্রাসার মসজিদ সংস্কার বাবাদ প্রথম কৃস্তিতে ১ লাখ ৪৪হাজার ৫৭০ টাকার কাজ পরিদর্শন করা হয়। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজ আল আসাদ, উপজেলা ত্রাণ শাখার সহকারী প্রকৌশালী ওলিউল্লাহ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার মিজানুর রহমান, মাদ্রাসার পরিচালক শফিকুল ইসলামসহ সকল শিক্ষক ও ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।