কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীর নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান রবিবার সকাল ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক। রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক অলিউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সাতক্ষীরা জেলার কো-অডিনেটর ফারুক হোসেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডাঃ মিলন কুমার ঘোষ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইংরেজী বিভাগে সহকারী প্রভাষক এবিএম আবেনুর রহমান। এসময় বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশ গড়ায় নেতৃত্ব দেবে। এরাই হবে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার একমাত্র কারিগর। সঠিক শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের সময়। পৃথিবীতে সব কিছুর ভাগ দেয়া সম্ভাব, কিন্তু শিক্ষার কোন ভাগ দিতে হয় না। শিক্ষার্থীদের একমাত্র বন্ধু হলো বই, আর এই বই এর সাথে সর্ম্পক না থাকলে কোন শিক্ষার্থী ভাল রেজাল্ট করতে পারবে না। কালিগঞ্জ উপজেলায় নারী শিক্ষার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তোমরা সুযোগ পেয়ে বোর্ডে মধ্যে সর্বউচ্চ রেজাল্ট করবে এটাই আমরা কামনা করি। নবীন বরণ অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষিকা, সাংবাদিক সুধিবৃন্দসহ প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে মানপত্র পাঠ করেন দ্বিতীয় বর্ষে ছাত্রী আফরোজা আঁখি। কোরআন তেলওয়াত করে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী রাবেয়া খাতুন, গীতাপাঠ করে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী শ্রবণী রায়।

কেএম রেজাউল করিম: দেবহাটার নাংলা এলাকার বেড়িবাঁধে ভয়াবাহ ভাঙ্গনে ভয়ে আশংঙ্কায় প্রতিটা সময় পার করছে স্থানীয়রা। ইছামতি নদীর নাংলা, ছুটিপুর, খানজিয়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোকে নদী ভাঙন আতঙ্গে প্রতিটা সময় পার করছে। অন্যদিকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীপাড়ে ব্লক বাঁধা অংশের নিচ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে। এতে নদীভাঙন আতঙ্কে রয়েছে এলাকার জনসাধারণসহ আশপাশের ৮-১০ গ্রামের লোকজন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নাংলা থেকে ছুটিপুর পযন্ত প্রায় ১ কিলোমিটারের মধ্যে ইছামতির নদীর বেড়ি বাধের চারভাগের তিন অংশ ভেঙে গেছে। তাছাড়া নাংলা হতে খানজিয়া পর্যন্ত অসংখ্য জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে সারিবদ্ধভাবে ইঞ্জিনচালিত বড় বড় খননযন্ত্র ও নৌকা দিয়ে বালু তোলা হয়। বালু উত্তোলনকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলে স্থানীয়রা জানান। সাম্প্রতিক উক্ত এলাকার বেড়িবাঁধ ভাংতে বড় জোয়ার বা সামান্য বৃষ্টি হলেই বেড়িবাধ ভেঙে গ্রামে পানি প্রবেশ করবে। আর তাতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদের পাশাপাশি শতার্ধীক পরিবার চরমবিপাকে পড়বে। প্রতিবছর ইছামতি নদীর বেড়িবাধ ভেঙে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মূখিন হচ্ছে সীমান্তপাড়ের মানুষেরা। এতে এলাকাবাসী চরমদূর্ভোগে পড়ে। একই সাথে এসব এলাকার মৎস্যঘের, ফসলি জমির ফসল, বসতবাড়ি, খামার প্লাবিত হলে লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ নদীর পানিতে ভেসে যাওয়ার আশংঙ্কা বিরাজ করেেছ। ইতোপূর্বে উক্ত এলাকায় বেড়িবাধে ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা দিয়ে নাম মাত্র বাধ রক্ষা করা হলেও তাতে কোন স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাই সীমান্ত পারের ভুক্তভোগেীরা আতঙ্কে সময় পার করছেন একই সাথে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান হোক এমনটি দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : তালা উপজেলার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ দখল করে দেদারছে সবজিসহ বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ করে চলেছে ভূমিদস্যুরা। এক কালের প্রবল স্রোতসিনী নদ কপোতাক্ষ ছিল মৃত প্রায়। সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নদটি খনন করে বেড়িবাঁধের দু’পাশে খননের স্তুপকৃত মাটি রাখা হয়। সেখানে কতিপয় ভূমিদস্যুরা বেড়িবাঁধের মাটি সমান করে অবাধে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছে। অথচ প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কপোতাক্ষ খননের মাটি পাড় থেকে কমপক্ষে একশ’ ফুট দুরে ফেলতে হবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা না করায় এবং নিয়ন্ত্রণ না রাখায় ভূমিদস্যূরা নদের পাড় অবৈধভাবে দখলের সুযোগ পাচ্ছে। তবে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন, কেউ কপোতাক্ষ দখল কিংবা নদের পাড় দখল করে চাষাবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শেখ মমিন উদ্দীন : পাটকেলঘাটায় ৭ম শ্রেণির মেধাবী স্কুল ছাত্র নিশিত দত্ত (আকাশ) নিখোঁজের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও আজও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোজের পর হতে তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেও পুত্রকে না পেয়ে তার পিতা নিতাই দত্ত রবিবার বিকাল ৫টায় পাটকেলঘাটা ডাক বাংলোয় সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে হারিয়ে যাওয়া নিশিত দত্ত (আকাশ) এর পিতা পাটকেলঘাটার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক সাইকেল স্টোরের মালিক নিতাই দত্ত লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২১ শে জুন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার পুত্র যার আনুমানিক বয়স ১২ বছর পাটকেলঘাটা আদর্শ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মোড় সংলগ্ন আলিম স্যারের নিকট প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেনি। এব্যাপারে ঐ দিনই পাটকেলঘাটা থানায় ৬০৯নং সাধারণ ডায়েরী করেন। এরপর নিকট আত্মীয় সহ পুত্রের সকল বন্ধুবান্ধবদের বাড়ি এবং এলাকার অধিকাংশ জায়গায় খোজ করেও পাওয়া যায়নি। এতে করে পুত্র হারানো পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনরা গভীর শংকার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। পুত্রকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন আজ পাগলপ্রায়। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী, সুধীজন সহ সকলের প্রতি হারানো পুত্রকে ফিরে পাওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। বক্তব্য শেষে নিতাই দত্ত তার পুত্রের সন্ধান পেলে ০১৭১২-৮১৩২০৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান।
নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন।
পাটকেলঘাটা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তালা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক ডাঃ এস. এম হাদিউজ্জামান সড়ক দূর্ঘটনা জনিত কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতায় তাকে উক্ত পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ‘প্রতিভা অন্বেষণ’ বাছাই পর্বে চান্সপ্রাপ্ত ক্ষুদে ক্রীড়াবিদরা। রোববার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট একাডেমির পরিচালক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, হাসিবুল হাসান, আফরা খন্দকার প্রাপ্তি, আফ্রিদা খন্দকার প্রান্তি, তৌফিকা সুলতানা রজনী, শাফিয়া, নাহিদ হাসান, মিজান, ইয়াছিন, জবা পারভীন, সজিবুর রহমান, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, ফাহিম আহমেদ, শামীম আহমেদ সাকিবুজ্জামান রাজ, মেহেদী হাসান প্রমুখ।
তিন হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন জঙ্গির বিস্তারিত তথ্য ও ছবিসহ একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এরই মধ্যে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সারাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে। গত বছর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার পরই মূলত পুলিশ জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।