সর্বশেষ সংবাদ-
কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭

কালিগঞ্জ ব্যুরো : কালিগঞ্জ উপজেলার একমাত্র নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে দিয়ে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণীর নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠান রবিবার সকাল ১১টায় কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ একেএম জাফরুল আলম বাবুর সভাপতিত্বে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লস্কর জায়াদুল হক। রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক অলিউর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু, সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব সাতক্ষীরা জেলার কো-অডিনেটর ফারুক হোসেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ডাঃ মিলন কুমার ঘোষ, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের ইংরেজী বিভাগে সহকারী প্রভাষক এবিএম আবেনুর রহমান। এসময় বক্তারা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা আগামী দিনে দেশ গড়ায় নেতৃত্ব দেবে। এরাই হবে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার একমাত্র কারিগর। সঠিক শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারে না। বর্তমান সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে সরকার সকল ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়ে আসছে। দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত শিক্ষা গ্রহণের সময়। পৃথিবীতে সব কিছুর ভাগ দেয়া সম্ভাব, কিন্তু শিক্ষার কোন ভাগ দিতে হয় না। শিক্ষার্থীদের একমাত্র বন্ধু হলো বই, আর এই বই এর সাথে সর্ম্পক না থাকলে কোন শিক্ষার্থী ভাল রেজাল্ট করতে পারবে না। কালিগঞ্জ উপজেলায় নারী শিক্ষার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তোমরা সুযোগ পেয়ে বোর্ডে মধ্যে সর্বউচ্চ রেজাল্ট করবে এটাই আমরা কামনা করি। নবীন বরণ অনুষ্ঠানে নবাগত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষিকা, সাংবাদিক সুধিবৃন্দসহ প্রায় ২ শতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শুরুতে মানপত্র পাঠ করেন দ্বিতীয় বর্ষে ছাত্রী আফরোজা আঁখি। কোরআন তেলওয়াত করে তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী রাবেয়া খাতুন, গীতাপাঠ করে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী শ্রবণী রায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কেএম রেজাউল করিম: দেবহাটার নাংলা এলাকার বেড়িবাঁধে ভয়াবাহ ভাঙ্গনে ভয়ে আশংঙ্কায় প্রতিটা সময় পার করছে স্থানীয়রা। ইছামতি নদীর নাংলা, ছুটিপুর, খানজিয়াসহ আশপাশের গ্রামগুলোকে নদী ভাঙন আতঙ্গে প্রতিটা সময় পার করছে। অন্যদিকে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহল ড্রেজার মেশিন দিয়ে নদীপাড়ে ব্লক বাঁধা অংশের নিচ থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করে তা বিক্রি করছে। এতে নদীভাঙন আতঙ্কে রয়েছে এলাকার জনসাধারণসহ আশপাশের ৮-১০ গ্রামের লোকজন। সরেজমিনে দেখা গেছে, নাংলা থেকে ছুটিপুর পযন্ত প্রায় ১ কিলোমিটারের মধ্যে ইছামতির নদীর বেড়ি বাধের চারভাগের তিন অংশ ভেঙে গেছে। তাছাড়া নাংলা হতে খানজিয়া পর্যন্ত অসংখ্য জায়গা থেকে প্রতিনিয়ত ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। নদীর বিভিন্ন স্থানে সারিবদ্ধভাবে ইঞ্জিনচালিত বড় বড় খননযন্ত্র ও নৌকা দিয়ে বালু তোলা হয়। বালু উত্তোলনকারীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না বলে স্থানীয়রা জানান। সাম্প্রতিক উক্ত এলাকার বেড়িবাঁধ ভাংতে বড় জোয়ার বা সামান্য বৃষ্টি হলেই বেড়িবাধ ভেঙে গ্রামে পানি প্রবেশ করবে। আর তাতে কয়েক কোটি টাকার সম্পদের পাশাপাশি শতার্ধীক পরিবার চরমবিপাকে পড়বে। প্রতিবছর ইছামতি নদীর বেড়িবাধ ভেঙে যাওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মূখিন হচ্ছে সীমান্তপাড়ের মানুষেরা। এতে এলাকাবাসী চরমদূর্ভোগে পড়ে। একই সাথে এসব এলাকার মৎস্যঘের, ফসলি জমির ফসল, বসতবাড়ি, খামার প্লাবিত হলে লক্ষ লক্ষ টাকার সম্পদ নদীর পানিতে ভেসে যাওয়ার আশংঙ্কা বিরাজ করেেছ। ইতোপূর্বে উক্ত এলাকায় বেড়িবাধে ভাঙন দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে বালুর বস্তা দিয়ে নাম মাত্র বাধ রক্ষা করা হলেও তাতে কোন স্থায়ী সমাধান মেলেনি। তাই সীমান্ত পারের ভুক্তভোগেীরা আতঙ্কে সময় পার করছেন একই সাথে নদী ভাঙনের স্থায়ী সমাধান হোক এমনটি দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : তালা উপজেলার কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ দখল করে দেদারছে সবজিসহ বিভিন্ন ফসলাদি চাষাবাদ করে চলেছে ভূমিদস্যুরা। এক কালের প্রবল স্রোতসিনী নদ কপোতাক্ষ ছিল মৃত প্রায়। সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক নদটি খনন করে বেড়িবাঁধের দু’পাশে খননের স্তুপকৃত মাটি রাখা হয়। সেখানে কতিপয় ভূমিদস্যুরা বেড়িবাঁধের মাটি সমান করে অবাধে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছে। অথচ প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী কপোতাক্ষ খননের মাটি পাড় থেকে কমপক্ষে একশ’ ফুট দুরে ফেলতে হবে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা না করায় এবং নিয়ন্ত্রণ না রাখায় ভূমিদস্যূরা নদের পাড় অবৈধভাবে দখলের সুযোগ পাচ্ছে। তবে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন বলেন, কেউ কপোতাক্ষ দখল কিংবা নদের পাড় দখল করে চাষাবাদ করলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালা উপ-শহরের বুকচিরে প্রবাহিত হয়েছে কবি মাইকেল মধুসুদন দত্তের কপোতাক্ষ নদ। এককালে তালা পাটকেলঘাটা ও তার পার্শ্ববর্তী কপিলমুনি বাজার শুধুমাত্র কপোতাক্ষ নদের কারণে বাণিজ্যে সমৃদ্ধ ছিল। কোলকাতা থেকে সেকালে কপোতাক্ষ নদে জাহাজে করে মালপত্র আসতো সাতক্ষীরার তালা পাটকেলঘাটা ও কপিলমুনিসহ বিভিন্ন থানা শহরে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আস্তে আস্তে জনবসতি গড়ে ওঠে কপোতাক্ষের তীর ঘেঁষে। ব্যবসা বাণিজ্যে সমৃদ্ধ বৃহৎ গঞ্জ গড়ে ওঠে তালা পাটকেলঘাটা ও পাশ্ববর্তী কপিলমুনিতে। কিন্তু আজ সেই কপোতাক্ষ নদ হারিয়েছে তার জৌলুস।
সম্প্রতি নদটি খনন করার ফলে বেড়িবাঁধের দু’পাশে খননের স্তুপকৃত মাটির উপর কতিপয় ভূমিদস্যুরা বেড়িবাঁধের মাটি সমান করে অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন ফসলের আবাদ। নদীর পাড় ঘেঁষে সেখানে ঘিরে দখল করে অবাধে চলছে ধান, ভুট্টা ও বিভিন্ন রকমের ফসলের চাষ। কেউ বা আবার বাগান করেছে, কপোতাক্ষের পাড় থেকে শুরু করে মাঝখান পর্যন্ত বড় বড় ইমারত নির্মাণ করে দখল করে নিচ্ছে কপোতাক্ষ নদের জমি। দেখে মনে হচ্ছে এ যেন নদী দখলের মহোৎসব।
অনেকেই কপোতাক্ষ নদের পাড় কেটে মাটি ও নদী থেকে বালি উত্তোলন করছে ইচ্ছেমতো। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেনের ঝটিকা অভিযানে সেগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও সম্প্রতি আবারো মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে ভূমিদস্যূরা। তারা বিভিন্ন কৌশলে কপোতাক্ষ দখল করে নদটির সৌন্দর্য্য বিলীন করে চলেছে। এভাবে চলতে থাকলে সদ্য খননকৃত নদটি আবারও ভরাট হয়ে বর্ষা মৌসুমে নি¤œাঞ্চল প্ল¬াবিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।
উপজেলা শহরের মেলাবাজার নামক স্থান থেকে কপোতাক্ষর পাড় দিয়ে একটি বাইপাস সড়ক নির্মাণ করার উদ্যোগ নিলে নদের পাড় রক্ষার পাশাপাশি উপ-শহরের ভিতরের যানজট অনেকটা নিরসন হবে বলে এলাকাবাসীর দাবী। বেদখলমুক্ত হলে শিশুদের চিত্তবিনোদন কেন্দ্র হবে, হবে দর্শনীয় স্থান, অন্যদিকে কয়েক লাখ হেক্টর জমি, সরকারী সম্পদ বেদখল মুক্ত হবে, নদীর পাড়ে সামাজিক বনায়ন সৃষ্টি করে পরিবেশ রক্ষায় সহায়ক হবে। তারা অবিলম্বে কপোতক্ষ নদের দু’পাড় থেকে অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে নদীর পাড় দখলমুক্ত করতে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও থানার ওসির হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সংশ্লি¬ষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কপোতাক্ষ তীরবর্তী লাখো মানুষের দাবি, দখল মুক্ত করে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে নদটি রক্ষা পাবার পাশাপশি এলাকা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

শেখ মমিন উদ্দীন : পাটকেলঘাটায় ৭ম শ্রেণির মেধাবী স্কুল ছাত্র নিশিত দত্ত (আকাশ) নিখোঁজের ১২ দিন অতিবাহিত হলেও আজও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোজের পর হতে তার পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করেও পুত্রকে না পেয়ে তার পিতা নিতাই দত্ত রবিবার বিকাল ৫টায় পাটকেলঘাটা ডাক বাংলোয় সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে হারিয়ে যাওয়া নিশিত দত্ত (আকাশ) এর পিতা পাটকেলঘাটার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আশিক সাইকেল স্টোরের মালিক নিতাই দত্ত লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২১ শে জুন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে তার পুত্র যার আনুমানিক বয়স ১২ বছর পাটকেলঘাটা আদর্শ বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত অবস্থায় পাটকেলঘাটা বলফিল্ড মোড় সংলগ্ন আলিম স্যারের নিকট প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেনি। এব্যাপারে ঐ দিনই পাটকেলঘাটা থানায় ৬০৯নং সাধারণ ডায়েরী করেন। এরপর নিকট আত্মীয় সহ পুত্রের সকল বন্ধুবান্ধবদের বাড়ি এবং এলাকার অধিকাংশ জায়গায় খোজ করেও পাওয়া যায়নি। এতে করে পুত্র হারানো পিতা-মাতা ও আত্মীয় স্বজনরা গভীর শংকার মধ্যে দিন অতিবাহিত করছেন। পুত্রকে না পেয়ে পরিবারের লোকজন আজ পাগলপ্রায়। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, গণমাধ্যমকর্মী, সুধীজন সহ সকলের প্রতি হারানো পুত্রকে ফিরে পাওয়ার জন্য আকুল আবেদন জানিয়েছেন। বক্তব্য শেষে নিতাই দত্ত তার পুত্রের সন্ধান পেলে ০১৭১২-৮১৩২০৭ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিশেষ অনুরোধ জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নজরুল ইসলাম রাজু : পাটকেলঘাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ হোসেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, শনিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ মাদক সেবনরত অবস্থায় মনোহরপুর গ্রামের মোহম্মদ আলীর পুত্র ঈসাক আলী বিশ্বাস (২২), কুমিরা রাঢ়ীপাড়া গ্রামের নজরুল শেখের পুত্র ইমন শেখ (২১) ও কুমিরার সবুর মোল্লার পুত্র আব্দুল্লাহ মোল্লা (২৭)কে হাতেনাতে আটক করে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্তকর্তার ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করে। পরে আদালতের বিচারক ফরিদ হোসেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ২৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ঈসাক কে ২ মাস, ইমন ও আব্দুল্লাকে কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাটকেলঘাটা(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তালা উপজেলা শাখার বর্ধিত সভা ও কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক ডাঃ এস. এম হাদিউজ্জামান সড়ক দূর্ঘটনা জনিত কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগতায় তাকে উক্ত পদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় তালা শিল্পকলা একাডেমী সভাকক্ষে তালা উপজেলা আ’লীগের সভাপতি শেখ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রথম পর্বের বর্ধিত সভায় প্রস্তবনা সূমহ দ্বিতীয় পর্বের কার্য-নির্বাহী কমিটির সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তালা উপজেলা আ’লীগের দপ্তর সম্পাদক ডাঃ এস এম হাদিউজ্জামান সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দীর্ঘদিন অসুস্থ্য থাকায় উক্ত পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দিয়ে সাধারন সদস্য করা হয়েছে। এছাড়ার তার স্থানে দায়িত্বপালন করবেন আবুল কালাম আজাদ। সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয় আগামী ৯ জুলাই খুলনা বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় তালা উপজেলা থেকে সকল প্রতিনিধি এক সংগে এক ব্যানারে যোগদান করবে। আগামী ১৫ আগস্টের পূর্বে প্রত্যেক ইউনিয়নে বর্ধিত সভার আয়োজন করে উপজেলা আ’লীগের গৃহিত সাংগঠনিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশেষ বর্ধিত সভা ও কর্মশালার আয়োজন করবে। যে সমস্ত সদস্য কর্মকর্তা অদ্যবদি কোন সভায় হাজির হয় নাই বা পর পর ৩ সভায় হাজির নাই ৭ দিনের মধ্যে তাদের কে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ তালা উপজেলার সভাপতি শেখ নুরুল ইসলাম ও উপজেলা আ’লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক উত্তম হরি স্বাক্ষতির প্রেস বিজ্ঞাপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ‘প্রতিভা অন্বেষণ’ বাছাই পর্বে চান্সপ্রাপ্ত ক্ষুদে ক্রীড়াবিদরা। রোববার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, সাতক্ষীরা স্টুডেন্ট একাডেমির পরিচালক খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, হাসিবুল হাসান, আফরা খন্দকার প্রাপ্তি, আফ্রিদা খন্দকার প্রান্তি, তৌফিকা সুলতানা রজনী, শাফিয়া, নাহিদ হাসান, মিজান, ইয়াছিন, জবা পারভীন, সজিবুর রহমান, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, ফাহিম আহমেদ, শামীম আহমেদ সাকিবুজ্জামান রাজ, মেহেদী হাসান প্রমুখ।
এসময় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন বলেন, আজকের এই ক্ষুদে ক্রীড়াবিদরা আগামী দিনে বিশ্বের দরবারে ক্রীড়াঙ্গণে সেরা তারকা হবে। বাংলাদেশ তথা সাতক্ষীরার জন্য সুনাম বয়ে আনবে বলে মনে করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

তিন হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন জঙ্গির বিস্তারিত তথ্য ও ছবিসহ একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। এরই মধ্যে তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সারাদেশে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে। গত বছর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে জঙ্গি হামলার পরই মূলত পুলিশ জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় সন্দেহভাজন জঙ্গিদের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, এটি ছিল পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি শিক্ষা। বিভিন্ন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ছাড়াও পুলিশের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারপোলও এখন বাংলাদেশ পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযানের অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে।

পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, শুধু জঙ্গি সংক্রান্ত মামলাগুলো নজরদারি করতে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা সার্বক্ষণিক এসব মামলার অগ্রগতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেবেন। জঙ্গিবাদ এখন আর কোনও একক দেশের সমস্যা নয়—এটা মাথায় রেখে প্রতিবেশী দেশগুলো ছাড়াও জঙ্গিবাদ দমনে আঞ্চলিক যোগোযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। তিন হাজারেরও বেশি সন্দেহভাজন জঙ্গির বিস্তারিত তথ্য ও ছবিসহ একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। সারাদেশের জেলাগুলোতে গঠন করা হয় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে তারা পুলিশের নিয়মিত পুলিশের সঙ্গে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে অংশ নেবে।

জঙ্গি দমনে কাজ করছেন এমন কর্মকর্তারা জানান, দেশে জঙ্গি তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার পর বিশেষ করে হলি আর্টিজান হামলার পর পুলিশের পক্ষ থেকে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ ও পুলিশের আধুনিকায়নে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট ছাড়াও পুলিশ সদর দফতরে ইন্টেলিজেন্স উইং ‘ল’ ফুল ইন্টারসেপশান সেল (এলআইসি) নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। এই গ্রুপের কর্মকর্তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের জঙ্গি দমনে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও ব্যাটালিয়নের জঙ্গিবিরোধী অভিযানগুলোর সমন্বয় করে যাচ্ছেন। এছাড়া জঙ্গি কার্যক্রমকে প্রতিরোধ করার জন্য সাইবার ইউনিটকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হয়। বিদেশি নাগরিক বিশেষ করে কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। অন্যান্য ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার বিষয়টিও সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে।

হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ পুলিশের সার্বিক কর্মকাণ্ডে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। নেওয়া হয় সর্বাত্মক পরিকল্পনা। কারণ হলি আর্টিজানের হামলার জঙ্গিদের আরও কয়েকটি বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ছিল। শোলাকিয়ার হামলার ঘটনাটি সেটারই অংশ। পুলিশের প্রতিরোধের মুখে যদিও সেখানে তারা সফল হামলা চালাতে পারেনি। হলি আর্টিজানের জঙ্গিদের প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে পুলিশও প্রযুক্তিগত উন্নয়নে জোর দেয়। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের প্রযুক্তিগত উন্নতি অন্য অনেক দেশের চেয়েও হাইটেক বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

এই হামলার পর বাড়ানো হয় সচেতনতামূলক সামাজিক কর্মকাণ্ড। মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের নেতৃত্বে এক লাখ আট হাজার আলেমের স্বাক্ষরে  ‘জঙ্গিবাদ হারাম’ মর্মে ফতোয়া জারি করা হয়। জঙ্গিবাদবিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে পবিত্র কাবা শরীফ ও মসজিদে নববীর দুই খতিবকেও বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়। জঙ্গিদের আস্তানা খুঁজে খুঁজে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। গত এক বছরে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে তিন শতাধিক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে ৭০ জন জঙ্গি মারা যায়। এসব অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশ ও র‌্যাবের আটজন সদস্য মারা গেছেন।

জঙ্গিবিরোধী অভিযানে নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের পরিবার ও আহতদের সম্মাননা প্রদানের এক অনুষ্ঠানে আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক বলেন, ‘জঙ্গিবাদবিরোধী লড়াই আর দশটি প্রথাগত অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে ভিন্ন। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। জঙ্গিদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদেরও চিহ্নিত করা হচ্ছে। পুলিশের জঙ্গিবিরোধী অভিযান দেশে-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।’

সারাদেশে জঙ্গিদের কর্মকাণ্ড অনেকাংশেই দমন করা সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন জঙ্গিবাদ মনিটরিংয়ে পুলিশ সদর দফতরের বিশেষায়িত সেল এলআইসি শাখার প্রধান ও এআইজি (গোপনীয়) মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দেশ এখন বাংলাদেশের জঙ্গি দমনের অভিজ্ঞতা নিয়ে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে। আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল ছাড়াও বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশ পুলিশের জঙ্গি দমনের সক্ষমতা প্রশংসিত হচ্ছে। বাংলাদেশ পুলিশ অনেক হাইটেক জানিয়ে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশ এ দেশের সাহসী জনতাকে সঙ্গে যেভাবে জঙ্গিবিরোধী শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, তাতে করে এদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তার কখনও সম্ভব হবে না। এ বিশ্বাস আমাদের আছে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest