সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangenসাতক্ষীরায় আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি দখলের অভিযোগসাতক্ষীরার মহাদেব সাধুর ম্যানেজারের দায়ের করা মামলায় জামিন পেলেন ব্যবসায়ি ইসমাইল

INAc9t_Sakhawt 11-06-2017জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর বিএনপি নেতা ফজল মেম্বারসহ ৩ হত্যা মামলার আসামী যুবলীগ নেতা নুরুল ইসলাম অস্থায়ী জামিনে এসে এলাকায় বিএনপি সমর্থিত পরিবারের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়াগেছে। আতঙ্কিত পরিবার গুলো ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। শুক্রবার রাতে ডিবি পরিচয়ে নিহত ফজল মেম্বারের ছোট ভাই যুবদল নেতা সাখায়াত হোসেনকে ঢাকার গাজীপুরের আশুলিয়া ভাড়াটিয়া বাসায় সেহরী খাবার সময় দু’জন ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরন করে। জামগড় থেকে তুলে এনে সরিষাবাড়ী উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের পশ্চিম নলসন্ধা গ্রামে ভাড়া করা নৌকায় ধারালো অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টা করে বলে জানাগেছে।

পুলিশ, স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৩ সালে ৪ নভেম্বর উপজেলার পিংনা ইউনিয়নের পশ্চিম নলসন্ধা গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক (ফজল মেম্বার), বিএনপি কর্মী কোরবান আলী ও নৌকার মাঝি ইউসুফ আলীকে বাড়ী ফেরার পথে অপহরণ করে একই গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হাই, নুরুল ইসলাম ও নুরনবীসহ একদল প্রতিপক্ষ। অনেক খুজাঁখুজির পর পার্শ্ববর্তী উপজেলা ভূয়াপুর যমুনা নদীর দুর্গম এলাকা থেকে ফজল মেম্বার ও ইউসুফের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে ৪ বছরেও বিএনপি কর্মী কোরবান আলী বা তার লাশ উদ্ধার হয়নি। এ ঘটনায় ফজল মেম্বারের স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন বাদী হয়ে ১৪ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ কোন আসামী না ধরতে পারায় এলাকাবাসীর সহায়তায় র‌্যাব নুরুল ইসলামকে আটক করে। সেই মামলায় গত মাসে হাইকোর্ট থেকে ৬ মাসের অস্থায়ী জামিনে এসে নুরুল ইসলাম বিএনপি সমর্থকদের উপর নির্যাতন শুরু করে। গত ২৯ শে মে তারা বিএনপি সমর্থক বিল্লাল উদ্দিন ও শফিকুল ইসলামকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করে। লুটে নেয় নূরল ম্যাম্বারের ভাতিজা আঃ আলীম ও মোগলার ২৯ মন ধান।

গুরুতর আহত সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমাকে গাজীপুরের আশুলিয়া ভাড়াটিয়া বাসা থেকে শুক্রবার রাতে সেহরী খাবার সময় হত্যা মামলার আসামী আব্দুল হাই, ফরিদ, রতন, হালিম, নূর নবী, নুরুল ইসলাম, জোরন সহ আরো দু’জন ডিবি পুলিশ পরিচয়ে বাসায় ডুকে আমাকে অপহরন করে প্রথমে গোপলপুরের হ্যাম নগর নিয়ে যায়। অপহরনকারীরা পরিকল্পনা মাফিক আমাকে যমুনা নদীতে নিয়ে একটি ভাড়া নৌকায় তুলে নদীর মাঝখানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে পঙ্গু করে দেয়। আমি মারা গেছি ভেবে তারা আমাকে নৌকায় ফেলে রেখে পুলিশকে ফোন দিয়ে চলে যায়। শনিবার সকালে আমাকে তারাকান্দি তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ রক্তাক্ত এবং প্রায় অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে আসে। পুলিশ ফাড়ীতে এনে টাকা দাবী করে এবং এক পর্যায়ে আমাকে লাথিও মারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। গুরুত্বর আহত সাখায়াত হোসেনকে উদ্ধার করে প্রথমে সরিষাবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনিত হলে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে প্রেরন করা হয়।

তারাকান্দি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এস আই রুস্তম আলী জানান, সাখাওয়াত হোসেন একজন ওয়ারেন্টেভুক্ত আসামী। ফোন পেয়ে তাকে পিংনা নৌ ঘাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। কে বা কাহারা তাকে নির্মম ভাবে মেরেছে তাহা জানা নেই। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে অফিসার ইনর্চাজ রেজাউল ইসলাম খান বলেন, সাখায়াত হোসেনের বিরুদ্ধে ডাকাতী ও নারী নির্যাতনসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রতিপক্ষরা তাকে ধরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

TWgonh_4আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ ‘এ’ দুইটি দলের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলেও ‘বি’ গ্রুপে এখনও নিশ্চিত হয়নি কে যাচ্ছে শেষ চারে। নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে ওভালে মুখোমুখি হচ্ছে গ্রুপ ‘বি’ এর দুই টেবিল টপ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত। টেবিল টপ হলেও আসলে গ্রুপের সবারই পয়েন্ট সমান। চার দলের ঝুলিতে আছে এক জয় আর এক হার। তাই শেষ ম্যাচটি হচ্ছে বাঁচা মরার লড়াই। জয়ী দল চলে যাবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে।

শেষ ম্যাচে হেরেছে দুই দলই। শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩২১ রান করেও জয় পায়নি ভারত। অনবদ্য ব্যাটিং এ জয় তুলে নিয়েছে লংকানরা। অন্যদিকে পাকিস্তানের সাথে বৃষ্টি আইনে হেরেছে ফেভারিট ‘চোকার’ খ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকা। এ ম্যাচ যে জিতবে সেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে তা অনেকটা নিশ্চিত। আর সে দল মুখোমুখি হবে টাইগারদের।

এ ম্যাচে জয় পেতে জয় পেতে ভারত চেয়ে থাকবে তাদের ব্যাটিং এর দিকেই। আফ্রিকানরা তাকিয়ে থাকবে অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স এর উপর। এখনও টুর্নামেন্টে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি প্রোটিয়া কাপ্তান। প্রথম ম্যাচে ভাল খেললেও ২য় ম্যাচে ব্যাটিং মোটেই ভাল হয়নি আফ্রিকানদের। সেমিতে ভাল একটি দাপুটে জয় নিয়ে যেতে চাইবে দুদলই।

ভারত শ্রীলংকা ম্যাচের পিচ ব্যবহৃত হবে এই ম্যাচে। তিন ম্যাচে দুইবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সর্বোচ্চ রান চেজ করার রেকর্ড ভাঙ্গা হয়েছে এই মাঠে। তাই অনেক রান হবে এ ম্যাচে তা মোটামুটি নিশ্চিতই। জয়ের আগে সংবাদ সম্মেলনে দুদলের অধিনায়কই জয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

njrv2R_7নতুন এক গবেষণায় জানা গেছে, বিয়ে করলে মানুষের হায়াত বাড়ে। মানুষ আরও বেশি দীর্ঘজীবী হয়। ভারতের এক বিজ্ঞানী গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন, বিয়ে করার ফলে রক্তচাপের সমস্যা, কোলেস্টেরল এবং ডায়াবেটিকের সমস্যা দূর হয়।

যুক্তরাজ্যের অ্যাস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রাহুল পতলুরি জানান, হার্ট অ্যাটাকের রোগীদের মাঝে যারা বিবাহিত তাদের বেঁচে যাবার আশা বেশি। এই গবেষণার মাধ্যমে অনেক গড়মিল হিসাবও মিলিয়ে নেয়া সম্ভব হয়েছে।

১০ লক্ষ তরুণের মাঝে প্রধান ৩ শারীরিক সমস্যা নিয়ে গবেষণা করা হয়। তারা মূলত উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা, অতিরিক্ত কোলেস্টেরল এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিকের সমস্যা নিয়ে গবেষণা করেন। তারা ৫ বছর পর সেই ব্যক্তিদের আবার চেকআপ করেন।

গবেষক দল পড়ে দেখতে পায় উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা থাকার পরও যারা বিবাহিত তারা ১৬ শতাংশ বেশি বাঁচে। উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিকের সমস্যার ক্ষেত্রেও এরকম ফলাফল পাওয়া যায়। অবিবাহিতদের তুলনায় বিবাহিত ব্যক্তিদের যথাক্রমে ১৪ ও ১০ শতাংশ বেশি বাঁচার সম্ভাবনা রয়েছে।

গবেষক দলের প্রতিনিধি পাউল কারটার জানান, আমাদের গবেষণা বলছে বিবাহের কারণে মানুষের মাঝে প্রতিরক্ষামূলক ভঙ্গি দেখা যায়। তারা বিশ্বাস করেন, সঙ্গীর যত্ন নেয়ার কারণে মানুষের মাঝে বেশিদিন বেঁচে থাকার প্রেরণা বাড়ে। এতে করে বিবাহিত ও অবিবাহিত ব্যক্তিদের শারীরিক রোগের পার্থক্য সৃষ্টি হয়।

যার একজন সঙ্গী হিসেবে নিজের স্ত্রী রয়েছে, তাদের ঔষধ গ্রহণ, ভাল খাবার খাওয়া এবং যথেষ্ট ব্যায়াম করা খুব সহজে সম্ভব হয়। তাদের অসুস্থতায় এবং স্বাস্থ্যের জন্য তাদের যত্ন নেয়ার জন্য পাশে সবসময় একজন থাকে। এতে করে অবিবাহিতদের তুলনায় তাদের মৃত্যুর ঝুঁকি হ্রাস পায়।-সূত্রঃ জি নিউজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

DSC08518 copyপ্রেস বিজ্ঞপ্তি : ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের নামে অবৈধভাবে গ্রামবাসীর জমি দখল বন্ধ করার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের সামনে সাতক্ষীরাবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপত্বি এস এম রফিকুল ইসলাম।
মানববন্ধনে উপস্থিত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্য  রাখেন অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম। উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ওয়ার্ক পার্টির সভাপতি এড. ফাহিমুল হক কিসলু, আ’লীগ নেতা জিয়াউর রহমান, ক্ষেতমজুর সমিতির সভাপতি ইয়ার আলী প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরা জেলা একটি শান্তিপ্রিয় মানুষের জেলা।
দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরাবাসীর প্রাণের দাবি ছিলো বাইপাস সড়ক। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আফম রুহুল হকের ঐক্যন্তির প্রচেষ্টায় আমরা ইতোমধ্যে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ পেয়েছে। সাতক্ষীরার কতিপয় ব্যক্তিবর্গের স্বার্থের জন্য এই বাইপাস সড়কের মুল নকশা বাদ দিয়ে মেডিকেল কলেজের সামনে দিয়ে হচ্ছে যেটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক একটি বিষয়। মেডিকেল কলেজের পাশ দিয়ে যদি বাইপাস সড়ক এবং এরই পাশে ট্রাক টার্মিনাল হয় তাহলে এলাকার পরিবেশ, মেডিকেল কলেজের পরিবেশ দূষিত হয়ে যাবে। মানুষ মেডিকেলে সুস্থ হওয়ার জন্য এসে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরবে। যে কখনও কাম্য নয়। সাতক্ষীরায় বাইপাস সড়ক পূর্বের নকশা অনুযায়ী করার দাবি জানান তারা।
বক্তারা আরোও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মূল নকশা বাদ দিয়ে মেডিকেলের পাশ দিয়ে রাস্তা করার অনুমোদন দিয়েছে। আমরাও চাই বাসপাস সড়ক হোক কিন্তু সেটা হতে হবে সড়কের মূল নকশা অনুযায়ী। কারো স্বার্থ উদ্ধারের জন্য নয়। বাকালে ট্রাক টার্মিনাল করার জন্য জোর পূর্বক স্থানীয় জমির মালিকদের কাছ থেকে জমি গ্রহণ করা হচ্ছে। এখানে ট্রাক টার্মিনাল হলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হবে। অবিলম্বে পূর্বের নকশা অনুযায়ী পাইপাস সড়ক নির্মাণ, জোরপূর্বক ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণ বন্ধ করা না হলে কঠোর কর্মসূচির দেওয়ার ঘোষণা দেন বক্তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01মাহফিজুল ইসলাম আককাজ : সাতক্ষীরা জেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির উপদেষ্টা সাতক্ষীরা ০২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মুনসুর আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে.এম আরিফুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল খালেক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান বাবু, দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাফিজ আল-আসাদ, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার উত্তম কুমার, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদ হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. ফরিদুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের উপ-পরিচালক দেবাশিষ সরদার, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার আতিকুল হক, এন.এস.আই’র সহকারি পরিচালক আনিসুজ্জামান, সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফুজ্জামান, বাংলাদেশ পুজা উদ্যাপন পরিষদ জেলা সভাপতি মনোরঞ্জন মুখার্জী, বিআরটিএ’র সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা শেখ সহিদুর রহমান, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার রবীন্দ্র নাথ দাস, মহিলা কাউন্সিলর জ্যোৎন্সা আরা, পৌর কাউন্সিলর শেখ আব্দুস সেলিম প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘শহরে ইঞ্জিন ভ্যানের কারণে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। মা বোনেরা এতে ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারেনা। এটা বন্ধ করা হয়েছে তবে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে। ব্যাটারী চালিত ভ্যান বন্ধ থাকলে সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ভালো হবে। শুধু মাত্র পৌর এলাকায় ব্যাটারী চালিত ব্যান চলবে না। তবে ব্যাটারী খুলে তার চালাতে পারবে এবং লেগুনা সার্ভিস চলবে। আর ব্যাটারী চালিত ভ্যান পৌর এলাকার বাইরে চালাতে পারবে। এ পর্যন্ত মোট ৪০০টি ইঞ্জিন ভ্যান আটক করা হয়েছে। আটক অভিযান আরো বাড়াতে হবে। তবে ব্যাটারি চালিত ভ্যান আটক করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ পেলে সেটি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব শ্রীঘই জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৫০০ টি রিক্সা প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়। বক্তারা আরো বলেন, সাতক্ষীরার মানুষ অত্যন্ত আতিথিপরায়ণ। এ জেলার সব মানুষ জঙ্গী না, সাধারণ মানুষ অনেক ভালো। এজন্য সাধারণ মানুষ যাতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে হয়রাণীর স্বিকার না হয় সেদিকে পুলিশ বিভাগকে খেয়াল রাখতে হবে। বিদ্যুতের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন এগিয়ে চলেছে।’ জেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটি’র সভায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ৪ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। শহরের প্রধান সড়কটি সংস্কারের কাজ দ্রুত শুরু করা, ভুয়া ডাক্তার ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালানা করে ব্যবস্থা গ্রহণ, নাম্বার বিহীন মোটর সাইকেল এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং বিআরটিএ’র কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে হবে, যুবলীগ নেতা রাসেল কবির হত্যা মামলার তদন্ত অগ্রগতি হয়েছে এবং ছাত্রলীগ নেতা ইমন হত্যা মামলাটি সিআইডিতে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাণ সায়ের খাল পুন: খনন করণ, সাতক্ষীরা জেলায় কোচিং বাণিজ্য বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং শ্রেণি কক্ষে নৈতিক শিক্ষা বিষয়ে অবগত করানো। এছাড়া সাতক্ষীরা জেলার থানা ওয়ারী মামলা অনুযায়ী মে ২০১৭ মাসে মামলা হয়েছে ২শ’ ৫৬টি এবং  এপ্রিল ২০১৭ মাসে মামলা ছিল ২শ’ ৫৫টি। এসময় জেলার মাসিক আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক কমিটির সভায় কমিটির সদস্য ও প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

Assasuni Pic 11-06-17আসাদুজ্জামান : সাতক্ষীরার আশাশুনিতে স্বামীর পরকিয়ায় বাধা দেয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রোববার ভোরে উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক স্বামী বিজন মন্ডলকে আটক করেছে। নিহতের নাম কঙ্কাবতী মন্ডল (৩৮)। তিনি একই ইউনিয়নের ফকরাবাদ গ্রামের অনিল মন্ডলের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয়ররা জানান, গত বিশ বছর আগে আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের গোয়ালডাঙ্গা গ্রামের মনোহর মন্ডলের ছেলে বিজন মন্ডলের সাথে বিয়ে হয় ফকরাবাদ গ্রামের অনিল মন্ডলের মেয়ে কঙ্কাবতীর। বিয়ের পর থেকে বিজন মন্ডল প্রায় সময়ই তার স্ত্রীর সাথে খুটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া করতো। সম্প্রতি বিজন মন্ডল তার বাড়ির পাশে এক মেয়ের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আর এই পরকিয়ায় বাধা দেয়ায় স্বামী বিজন মন্ডল ভোরে তার স্ত্রী কঙ্কাবতীর সাথে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাকে পিটিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তার লাশ বাড়ির পাশে গাছে ঝুলিয়ে রাখে। সকালে স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে। এ সময় পুলিশ নিহতের স্বামী বিজন মন্ডলকে আটক করে।
আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিদুল ইসলাম শাহিন এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘাতক স্বামী তার স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তিনি আরো জানান, নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4782c332efe271e6388230bd935da07e-593c576eaaf8b‘আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! আমরা করবো জয়! একদিন…। আহা বুকের গভীরে আছে প্রত্যয়, আমরা করবো জয়! একদিন…।’ বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মুখেও এই গান! ২২ গজের লড়াই সফল হওয়ার পরই মূল যোদ্ধাকে মধ্যমনি করে এই গানটি বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ড্রেসিং রুমে নিয়মিতই পরিবেশন করে। শুক্রবার কিউইদের হারিয়েও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। যদিও ম্যাচের একদিন পর সেমিফাইনাল নিশ্চিত হওয়ার পরই ফেসবুকে ভক্তদের জন্য ভিডিওটি ছড়িয়ে দেন ক্রিকেটাররা।

শুক্রবার সাকিব-মাহমুদউল্লাহর বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে পড়েছে কিউরা। ২২৪ রানের রেকর্ড জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ড্রেসিংরুমে মুশফিকের নেতৃত্বে ‘আমরা করবো জয়’ গানটি দলের সকল খেলোয়াড়রা মিলে গেয়েছেন। সেখানে মধ্যমনী ছিলেন মোসাদ্দেক, সাকিব ও মাহমুদউল্লাহ।

মুশফিকের কণ্ঠে ওয়ান, টু, থ্রি…এরপরই সবাই সমবেত কণ্ঠে গেয়ে ওঠেন, ‘আমরা করবো জয়’ গানটি। কিউইদের বিপক্ষে মোসাদ্দেকের ব্যাটেই জয়সূচক রানটি আসে। ফলশ্রুতিতে গানের মাঝামাঝিই চিয়ার্স ফর মোসাদ্দেক হিপ হিপ হুররে…বলে মুশফিক চিৎকার দিতেই সমবেত কণ্ঠে মোসাদ্দেককে অভিনন্দন জানানো হয়। এরপর সাকিব ও রিয়াদের রেকর্ড জুটিতে স্পেশাল চিয়ার্স করে সতীর্থরা। মুশফিকের কণ্ঠে ভেসে ওঠে। স্পেশাল চিয়ার্স ফর সাকিব এবং রিয়াদ ভাই..হিপ হিপ হুররে…! এরপর উল্লাস চিৎকার আনন্দ উৎযাপন শেষ হয় টাইগারদের। এই ভিডিওটি শুক্রবারের ম্যাচের পর করা হলেও শনিবার মধ্যরাতে মুশফিক ও তাসকিন তাদের ফেসবুকে ভক্তদের উদ্দেশ্যে উন্মুক্ত করেন।

শনিবার ইংলিশদের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া হেরে যাওয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক কোনও টুর্নামেন্টের সেমিফাইনাল খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

হয়তো সেমিফাইনালের জয়ের ধাপটা পেরিয়ে সকলে মিলে গলা ছেড়ে আবারও গান ধরবে, ‘আমরা করবো জয়… আমরা করবো জয়… আমরা করব জয় একদিন! ওওও… বুকের গভীরে… আছে প্রত্যয়… আমরা করবো জয় একদিন!’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

7de49858ce5323b2e15b2f6de94cd764-593cbf9bbc1a6সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি জুনেই পিলারের ওপর বসানো হবে স্প্যান (দুই পিলারের সঙ্গে সংযোগ অবকাঠামো)। আর তখনই দৃশ্যমান হবে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ কার্যক্রম। তবে কবে নাগাদ স্প্যান বসবে, তা এখনও ঠিক করা হয়নি। চেষ্টা চলছে চলতি জুন মাসের যেকোনও দিন বসানোর। বিষয়টি নির্ভর করছে আবহাওয়া, নদীর গতি প্রকৃতির ওপর। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম এমন তথ্য জানিয়েছেন।
প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘আমরা দিনরাত কাজ করছি। এতে কোনও গাফিলতি নেই। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ সেতুর কাজ শেষ করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে আছি।’

জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম জানান, ‘দ্বিস্তর বিশিষ্ট পদ্মা সেতুর স্প্যানের ওপর বসানোর জন্য স্ল্যাব নির্মাণের কাজ গত দুই সপ্তাহ আগে শুরু হয়েছে। মোট তিন হাজার স্ল্যাব বসানো হবে। এই স্ল্যাবের ওপর বিটুমিন দেওয়া হবে। এটির ওপর দিয়েই যানবাহন চলবে। পদ্মা নদীতে আরও অপেক্ষা করছে ৪ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ক্রেন। যেটির কাজ হবে স্প্যানগুলোকে দুই পিলারের ওপর বসিয়ে দেওয়া। চলতি মাসে স্প্যান বসানোর কাজ শুরু হলেই পদ্মা সেতুর কাজের অগ্রগতি সবাই দেখতে পাবেন।’ তিনি জানান, ‘মে পর্যন্ত এই প্রকল্পের কাজ ৪২ শতাংশ শেষ হলেও মূল কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। রোজার ঈদের সময় কাজের গতি হয়তো সামান্য কিছুটা কমবে, কারণ শ্রমিকরা অনেকেই বাড়ি যাবেন। তবে তা যেন কোনোভাবেই বেশি সময় না নেয়, এ জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে বলা হয়েছে।’

প্রকল্প দফতরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবা থেকে মাদারীপুরের কাওড়াকান্দি পর্যন্ত দৈর্ঘ সাড়ে ১০ কিলোমিটারের বেশি অংশে অ্যাপ্রোচ সড়ক, ৫টি সংযোগ সেতু, ৮টি আন্ডারপাস ও ২০টি কালভার্ট নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত পদ্মা সেতু প্রকল্পটির জাজিরা প্রান্তে অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ শতকরা হিসেবে ৯৫ শতাংশ, মাওয়া প্রান্তে অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ ১০০ শতাংশ, সার্ভিস এরিয়া-২-এর কাজ ১০০ শতাংশ, নদীশাসন কাজ ৩০ শতাংশ শেষ হয়েছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য সংশোধিত এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৪ হাজার ৬৭৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। এর মধ্যে গত এপ্রিল পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ১৯৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আরএডিপি বরাদ্দের ৪৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ। আগামী অর্থবছর (২০১৭-১৮) এ প্রকল্পে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫২৪ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, ‘এ পর্যন্ত ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ কাজ শেষ হলেও এর অগ্রগতি বোঝা যায় না। কারণ, প্রকল্পের বেশিরভাগ কাজই হয়েছে পাইলিংয়ের কাজ। যা মাটির নিচে। পুরো সেতুতে ৪০টি স্প্যান বসবে। এর মধ্যে ২০টি প্রস্তুত রয়েছে। যার একটিও বসানো হয়নি। যে সুপার স্ট্র্যাকচারগুলো তৈরি হয়েছে, তা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে প্যানেল করে রাখা আছে। ২০ টি স্প্যানের মধ্যে প্রকল্প সাইডের মাওয়া প্রান্তে আছে ৭টি, বাকি ১৩টি এখনও চীন থেকে আনা হয়নি। স্প্যানগুলো চীনের চিন হোয়াং ডক থেকে জাহাজে সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। সেখান থেকে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্সের পর মাওয়ায় এসে পৌঁছাতে মোট সময় লাগে ২৮ দিন। কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে স্থান সংকুলানের কথাও আমাদের চিন্তা করতে হয়। তাই তৈরি স্প্যানগুলো এখনও চীনে আছে। বসানোর কাজ শুরু হলে পর্যায়ক্রমে আনা হবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর কাজের গতি বাড়ানোর জন্য অতিরিক্ত একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হ্যামার আনার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে যে দু’টি হ্যামার দিয়ে পাইলিংয়ের কাজ হচ্ছে, এগুলোর ক্ষমতা যথাক্রমে ২ হাজার ৪০০ ও ২ হাজার কিলোজুল। আর নতুন যে বিশাল আকৃতির হ্যামারটি জুন মাসের ১০ তারিখে সেতুর পাইলিংয়ের কাজে যুক্ত করা হবে, তার ক্ষমতা ৩ হাজার কিলোজুল। এতে দ্রুত গতিতে পদ্মা সেতুতে পাইলিংয়ের কাজ করা যাবে।

এদিকে দেওয়ান আবদুল কাদের জানান, ‘গত এপ্রিল মাস পর্যন্ত পদ্মা সেতুর কাজের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৮ শতাংশ। কিন্তু কাজ হয়েছে ৪২ দশমিক পাঁচ শূন্য শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়ার কারণে কাজের গতি বাড়াতে হবে, যদি ঠিক সময়ে কাজটি সম্পন্ন করতে চাই। সেই লক্ষ্যে একটি নতুন হ্যামার আনা হবে। আর এখন যেখানে ৬টি কপার ড্রামে কাজ চলছে, তার পরিবর্তে ১৩টি প্লাটফরমে কাজ করা হবে। তখন কাজের অগ্রগতি হবে।’

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মাওয়া প্রান্তে ১ দশমিক ছয় সাত কিলোমিটার মেইন রোড ও দুই কিলোমিটার লিংক রোডের কাজ গত বছরের জুলাই মাসে শেষ হয়েছে। জাজিরা প্রান্তে ১০ দশমিক পাঁচ সাত কিলোমিটার (প্রায়) মেইন রোড, ৩ কিলোমিটার লিংক রোড, ১২ কিলোমিটার সার্ভিস রোড ও ৬ কিলোমিটার ফেরি শিফটিং রোডের কাজ শেষ হয়েছে প্রায় ৯৮ শতাংশ। নির্বাহী প্রকৌশলী ( অ্যাপ্রোচ রোড) সৈয়দ রজব জানান, ‘গত ডিসেম্বর মাসেই অ্যাপ্রোচ রোডের কাজ ৮৫ শতাংশ শেষ হলেও গত পাঁচ মাসে ধীর গতিতে বাকি ১৩ শতাংশ কাজ করতে হয়েছে। কারণ মাটি সেটলম্যান্টের ব্যাপার আছে। এছাড়া, সেতুর দুই প্রান্তে থানা তৈরির কাজও করে দেওয়া হয়েছে।’

প্রকৌশলী দেওয়ান কাদের জানান, ‘এই সেতু প্রকল্পে দেশি-বিদেশি মিলে প্রায় চার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন। তবে এই সংখ্যা কিছুটা ওঠানামা করে। প্রায় ৮ শ বিদেশি শ্রমিকের মধ্যে চীনাদের সংখ্যাই বেশি। তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ শ্রমিকসহ প্রজেক্ট ম্যানেজার ও ম্যানেজম্যান্ট লেভেলের কর্মকর্তা রয়েছেন।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest