নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বস্তরের মানুষের ভক্তি শ্রদ্ধা আর অফুরান ভালবাসায় সিক্ত হয়ে চির বিদায় নিলেন সাতক্ষীরার প্রবীণ সাংবাদিক সাপ্তাহিক দখিনায়ন সম্পাদক মুফতি আবদুর রহিম কচি। বেদনাশ্রু আর ফুলেল শুভেচ্ছায় একাকার হয়ে সবার প্রিয় কচি ভাই শায়িত হয়েছেন চির নিদ্রায়।
শনিবার দুপুরে সুলতানপুর ক্লাব ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় তার জানাযার নামাজ। এতে শরিক হন অগনিত মানুষ। তাদের শোক শ্রদ্ধা আর ভালবাসা নিয়ে শেষ বিদায় নেন মুফতি আবদুর রহিম কচি। পরে তাকে কামাননগর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
জানাযার নামাজে অংশ নিয়ে বক্তারা তার জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বলেন মুফতি আবদুর রহিম কচি ছিলেন একজন নির্লোভ, নির্মোহ সজ্জন ব্যক্তি। সততার পরীক্ষায় তিনি ছিলেন শীর্ষ স্থানে। কোনো লোভ, ক্রোধ, অহংকার বা কোনো হিংসা-দ্বেষ কিছুই তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। কোনো বিলাসিতা তাকে কখনও ছুঁতে পারেনি। প্রচার বিমুখ অবস্থায় নিজেকে আড়ালে রেখে একদিকে যেমন সাংবাদিকতা করেছেন অন্যদিকে সংস্কৃতি চর্চায় তিনি ছিলেন প্রথম কাতারে। দারিদ্য ও অভাব অনটন যার নিত্য সঙ্গী ছিল সে মানুষটি কখনও বাণিজ্যিক সাংবাদিকতার পথ অনুসরণ করে দারিদ্য দূরীকরণের চেষ্টা করেন নি। বরং দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে টিকে থাকবার অবিরাম চেষ্টা করে গেছেন তিনি। তিনি ভেবেছেন সমাজের নিপীড়িত মানুষের কথা। নির্ভয়ে নিঃসংশয়ে লিখেছেন দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিপক্ষে। কোনোদিন উঁচু স্বরে কথা বলেন নি। কোনো কটূ বাক্য উচ্চারন করে কাউকে আঘাত করেন নি। একটি আলোকিত সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়তে তিনি ছিলেন একজন নির্ভেজাল কারিগর। তার অকাল প্রয়াণ আমাদের সমাজকে বহুলাংশে ক্ষতি করে দিয়েছে। বক্তারা তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।
মুফতি আবদুর রহিম কচির জানাযায় অন্যান্যদের মধ্যে শরিক হন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি নাসিম ফারুক খান মিঠু, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির আহবায়ক ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন অর রশীদ, মুক্তিযোদ্ধা বিএম আবদুর রাজ্জাক, শিল্পকলা একাডেমির সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিল্টন, পৌর কাউন্সিলর ফিরোজ হাসান, সাংস্কৃতিক পরিষদ সম্পাদক হেনরি সরদার, সভাপতি সুভাষ চৌধুরী ও অধ্যক্ষ আনিসুর রহিম, এম কামরুজ্জামান, মো. আমিনুর রশীদ, জেলা সাহিত্য পরিষদ সভাপতি শহিদুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মঞ্জুরুল হক, লিনেট ফাইন আর্টসের আবু আফফান রোজ বাবু, সাংবাদিক ফিফা রেফারী তৈয়ব হাসান বাবু, ফয়সাল মসজিদের ইমাম হাফেজ সাইফুদ্দিন, শিক্ষক মো. তমিজউদ্দিনসহ প্রয়াত আবদুর রহিম কচির বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজন সহপাঠী ও অগণিত গুণগ্রাহী। জানাযায় আবদুর রহিম কচির একমাত্র ছেলে মুফতি মখদুম আবদুর রহিম বাপী তার প্রয়াত বাবার পক্ষে সবার দোয়া চান এবং তিনি তার জীবদ্দশায় কাউকে কোনোভাবে কষ্ট দিয়ে থাকলে তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরে বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়।

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : কালিগঞ্জ উপজেলার ৯ নং মথুরেশপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি কার্ডধারীদের ট্যাগ অফিসার ছাড়াই গম বিতারণকালে গম কম দেওয়ার অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান গাইন এলাকার জনসাধারণের জনরোষে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।
তালা প্রতিনিধি : তালা মহিলা কলেজ’র ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠদানের উদ্বোধন ও নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবরার বেলা ১১টায় মহিলা কলেজ হলরুমে কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
জি.এম আবুল হোসাইন : রোটারি ক্লাব অব সাতক্ষীরা, রোটার্যাক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরা ও পাটকেলঘাটা এর যৌথ উদ্যোগে রোটাবর্ষ ২০১৭-১৮ এর বর্ষবরণ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোটারী ক্লাব অব সাতক্ষীরার প্রেসিডেন্ট এনছান বাহার বুলবুলের নেতৃত্বে ১লা জুলাই শনিবার সকালে সাতক্ষীরা শহরের পুরাতন আইনজীবী ভবন থেকে শুরু হয়ে র্যালীটি টাউন বাজার প্রদক্ষিণ করে শেষ হয়।
তালা ডেস্ক: তালায় বীর মুক্তিযোদ্ধা অমেদ আলী সরদার (৩০জুন) শুক্রবার সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্নালিল্লাহি….রাজিউন)। নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা অমেদালী কাটিপাড়া গ্রামের ইনতাজ আলী সরদারের পুত্র। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যুর সময় স্ত্রী, ১পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুণগ্রহী রেখে গেছেন।শনিবার (১ জুলাই) সকাল ১১টার সময় তালা উপজেলা মাঠচত্বরে তার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার পূবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।
অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামের উইকেট রান তোলার জন্য যে খুব আদর্শ ছিল, সেটি বলা যাবে না। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ৪০ ওভারে ভারতের মতো ব্যাটিং শক্তির মাত্র ১৫২ রান তোলা, সেটিরই প্রমাণ। কিন্তু সেই উইকেটেই শেষ ১০ ওভারে ঝড় তুললেন মহেন্দ্র সিং ধোনি আর কেদার যাদব। এই সময় দারুণ গতিতে ঘুরল স্কোরবোর্ডের চাকা। রান উঠল ১০০। হাল জমানায় হরহামেশাই তিন শ করা ভারতের জন্য ২৫১ রানটাকে খুব বেশি মনে হচ্ছিল না। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ সেই ২৫১ রানই তাড়া করতে পারল না স্পিনারদের দাপটে—কুলদীপ যাদব আর রবিচন্দ্রন অশ্বিন দুজনেই তুলে নিলেন ৩টি করে উইকেট। পাশাপাশি হার্দিক পান্ডিয়ার ২ উইকেট। ক্যারিবীয়রা শেষ ১৫৮ রানেই। ৯৩ রানের বড় জয় নিয়ে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল।
অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারদের সঙ্গে দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের ঝামেলা চলছিল বেশ কিছুদিন ধরে। বোর্ডের লভ্যাংশের একটা অংশ আনুপাতিক হারে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে দেওয়া নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দর্শক হয় না, এই যুক্তিতে সে পর্যায়ে খেলা ক্রিকেটারদের লভ্যাংশ দিতে চাইছে না সিএ। ক্রিকেটারদের আপত্তি সেখানেই, তারা চাইছে সব পর্যায়ের ক্রিকেটারদের মধ্যে বণ্টন করতে হবে বাড়তি আয়ের অংশ। তা নিয়ে দুক্ষের মধ্যে ঝামেলার শেষ দিন গতকাল শুক্রবারও সমঝোতা হয়নি। বোর্ডের শর্ত মেনে নতুন চুক্তিতে সই করেননি তাঁরা। তাই অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা কার্যত এখন বেকার।