সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন : ৫০ হাজার টাকা জরিমানাদেবহাটায় বিভিন্ন বাজার ও স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা প্রচারাভিযানবিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাতক্ষীরায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার মৃত্যু৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহসাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজআশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধনশ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটনঅবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানাতালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুরদেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ

একটি সভ্য সমাজের সুস্থ মানুষরা পরিবারের মৃত মানুষের দেহের সঙ্গে জীবনযাপন করছেন। এটাই নাকি তাঁদের সামাজিক রীতি! অবাক করা এই রীতি ইন্দোনেশিয়ার সুলাওয়েসির টোরাজা উপজাতির। মৃত্যু, জীবনের শেষ এখানেই। এটাই চরম সত্য। কিন্তু এই সত্যটিকেই মানেন না ইন্দিনেশিয়ার এই গ্রামের মানুষ। তাঁদের কথায়, ‘ওঁরা মারা যেতে পারে। কিন্তু তবুও ওঁরা আমাদের জীবনেরই অঙ্গ। ‘

প্রিয়জন মারা গেলে তাঁর দেহ পুড়িয়ে দেওয়া, অথবা কবর দেওয়া হয়। এটাই সাধারণ সমাজের রীতি। কিন্তু সুলাওয়েসির মানুষরা একটু আলাদারকমভাবে চিন্তা করেন। তাঁদের দাবি একজন মারা গেলেন মানেই তিনি আমাদের থেকে চিরদিনের মতো চলে গেলেন তা নয়। তাঁরা মনে করেন মৃতরা যতদিন তাঁর কাছের মানুষদের কাছে থাকবেন ততই ভালো, কারণ এই জগতের মায়া কাটাতে যেমন তাঁদের সময় লাগে। তেমনই এই পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সময় লাগে ইহজগতের মানুষেরও। পুড়িয়ে বা কবর দিয়ে দিলে সেই সময়টা পাওয়া যায় না।

এই সময়কে মানিয়ে নেওয়ার আজব রীতি চলে মাসের পর মাস ধরে। কিছুক্ষেত্রে এই প্রথা চলে বছরের পর বছর ধরে। মৃতদের দেহ একটি আলাদা ঘরে এনে রেখে দেন তাঁরা। তারপর নিয়ম করে প্রত্যেক দিন দু বেলা খেতে দেওয়া হয় মৃতদেহকে। টোরাজাদের দাবি, শুধু দেহ রেখে দিলেই হয় না। মৃতরা যখন তাঁদের সঙ্গে আছেন তখন ওদের সাধারণ দিনের মতোই খেতে পড়তে দিতে হবে। তাঁরা মনে করেন এই ব্যবস্থা না করলে আত্মারা রুষ্ট হতে পারেন। পরিবারের ক্ষতিও হতে পারে।

কিন্তু এর শেষ কোথায়? জানা গেছে, যতদিন না মৃতের পরিবার তাঁর শ্রাদ্ধ শান্তির জন্য বিশাল জমকালো অনুষ্ঠান করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ পয়সা জোগার করতে পারছে ততদিন চলবে এই মৃতের সঙ্গে প্রতিদিনের এই অদ্ভুত জীবনযাপন।

যা করা হয় সেই বিশেষ দিনে:
সেদিন মহাজাঁকজমকের সঙ্গে কফিনে করে বিদায় দেওয়া হয় প্রিয় মানুষটিকে। বলি দেওয়া হয় প্রচুর মোষ। কারণ টোরাজাদের বিশ্বাস মোষ তাঁদের প্রিয় মানুষটিকে স্বর্গের পথে নিয়ে যাবে।

গল্পের এখানেই শেষ নয়। প্রত্যেক বছর মানেনে নামে এক অদ্ভুত উৎসব পালিত হয়। ওইদিন সমস্ত টোরাজাদের পরিবার তাঁদের পরিবারের মৃতদের দেহকে বের করে আনে। ইহ জগতের আলোয় তাঁদের ফের আনা হয়। তারপর কঙ্কাল সার দেহ সাজিয়ে গুজিয়ে ছবি তুলে ফের পাঠিয়ে দেওয়া হয় কবরে। মৃতের ইহলোকের সঙ্গে দেখা আবার পরের বছরের উৎসবে। ১০০০-এরও বেশি বছর ধরে চলে আসা এই প্রথায় কোনও খামতি নেই। আছে বিশ্বাস, ভালোবাসা।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন নিউজ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

এবারের কোরবানির ঈদে যে কয়েকটি ছবি মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এরমধ্যে অন্যতম ‘অহংকার’। শাহাদাৎ হোসেন লিটন পরিচালিত ‘অহংকার’-এ শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন শবনম বুবলী। এটি এই জুটির তৃতীয় ছবি।

আজ শনিবার ইউটিউবে প্রকাশিত হয়েছে ‘অহংকার’ ছবির গান ‘তুই যে আমার এই অন্তরে’।

সম্প্রতি সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া ‘অহংকার’ ছবিতে গান গেয়েছেন এস আই টুটুল, ন্যান্সি, ইমরান, মিমি ও লেমিস। আরও অভিনয় করেছেন আফজাল শরীফ, সাদেক বাচ্চু, নাদিম, প্রয়াত মিজু আহমেদ, আবুল হায়াত প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ডেস্ক রিপোর্ট : নাগরিক সেবায় অসামান্য অবদান রাখায় সাতক্ষীরার সন্তান বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গাজী তারিক সালমনকে পাবলিক সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বরগুনা জেলা প্রশাসন।
শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফেসবুকে বরগুনা জেলা প্রশাসন পরিচালিত ‘সিটিজেনস ভয়েস বরগুনা’ নামক গ্রুপে এক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুজ্জামান।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, পাঁচটি ক্যাটাগরিতে মোট ১৬ জনকে আগামীকাল রোববার সকাল ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল একখণ্ড হীরা! বর্তমানে বাজারে এই হীরকখণ্ডের দাম প্রায় ১৮ লাখ টাকা। একেই বলে কপাল!
কখন যে কীভাবে ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে বলা মুশকিল। গল্প নয়, বাস্তবেই এমন এক ঘটনা ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ড এলাকায়। সেখানে মাটি খুঁড়তে গিয়ে ১৮ লাখ টাকা মূল্যের একখণ্ড হীরা পেয়েছেন রাজ্যের এক কৃষক।

হঠাৎ লাখোপতি বনে যাওয়া ওই কৃষকের নাম সুরেশ যাদব (৪০)। মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা হীরার টুকরাটির ওজন প্রায় ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট।

হঠাৎ লাখোপতি বনে যাওয়া ওই কৃষকের নাম সুরেশ যাদব (৪০)। মাটির নিচ থেকে বেরিয়ে আসা হীরার টুকরাটির ওজন প্রায় ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট

টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, মধ্যপ্রদেশের বুন্দেলখণ্ডর পান্না এলাকায় ২৫০ টাকার বিনিময়ে প্রশাসনের কাছে থেকে জমি ইজারা নেয়ার বিধান রয়েছে। পান্নায় রয়েছে হীরার খনি। সেখানে গিয়ে নিজের ভাগ্য যাচাই করেন অনেকেই। জেলা প্রশাসনকে মাত্র ২৫০ টাকা দিয়ে ৮ মিটার জায়গা ইজারা নেয়া যায়। এই এলাকায় যেহেতু হীরার খনি আছে, তাই মাঝেমধ্যে মাটি খুঁড়ে হীরা পাওয়ার ঘটনাও এখানে শোনা যায়। তেমনটাই ঘটেছে সুরেশ যাদবের সঙ্গে।

চাষাবাস করে সংসার চালাতে পারছিলেন না সুরেশ। জমি ইজারা নিয়ে খুঁড়তে শুরু করেন ৪০ বছরের এই কৃষক। সকালে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করেন। বাসায় ফিরে রাতে জমি খোঁড়া শুরু করেন তিনি। এভাবেই চলছিল। হঠাৎ গত সপ্তাহে মাটি খুঁড়তে গিয়ে হাতে পেলেন এক টুকরা হীরা।

বুন্দেলখণ্ডের বাসিন্দা সুরেশ এই হীরকখণ্ডকে সাধারণ পাথর ভেবে ভুল করেননি। হীরা বিশষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান ওই খণ্ডটিকে। পরে বিশেষজ্ঞরা জানান, এটি হীরকখণ্ড। ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট ওজনের হীরার খণ্ডটির বাজারমূল্য ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, নিলামে তোলা হবে ওই হীরার টুকরাটি। যা দাম উঠবে তার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ সরকারকে দিতে হবে। বাকিটা তার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে অনুষ্ঠিত ৫৮তম আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে উপমহা‌দে‌শের সেরা ফলাফল বাংলাদে‌শের। এবারের গণিত অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নিয়েছিলেন ছয়জন খুদে গণিতবিদ।

এদের মধ্যে ‌রৌপ্যপদক পেয়েছেন আহমেদ জাওয়াদ চৌধুরী (ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চট্টগ্রাম) ও আসিফ-ই-ইলাহী (এমসি কলেজ, সিলেট)। ব্রোঞ্জ পদক পেয়েছেন তামজিদ মোর্শেদ রুবাব (নটর ডেম কলেজ) ও রাহুল সাহা (ঢাকা কলেজ)। অনা‌রেবল মেনশন পেয়েছেন এ এম নাঈমুল ইসলাম (অমৃত লাল দে মহাবিদ্যালয়, বরিশাল) ও মো. সাব্বির রহমান (নটর‌ডেম ক‌লেজ)।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি ও বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান জানান, সোনা হাতছাড়া করা এক অর্থে কষ্টকর। বিন্তু আমাদের ফলাফলে আমি অখুশী নই। আমি আমাদের বিডিএমও টিমকে নিয়ে গর্বিত। আমাদের টিমের প্রতিটি দলকে হারানো ও র‌্যাঙ্কিংয়ে ৮ ধাপ উন্নতি নিশ্চয়ই অনেক মজার।

এদিকে উপমহাদেশের অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। স‌ম্মিলিতভা‌বে বাংলাদেশের ২৬তম। এছাড়া অন্যান্য দেশগু‌লোর মধ্যে ভারতের অবস্থান-৫২তম, শ্রীলংকার-৬২তম, পা‌কিস্তানের-৮১তম ও নেপালের অবস্থান ১১০তম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

স্পের্টস ডেস্ক : আবারও দেশের দ্রুততম মানব-মানবী হলেন তাঁরা দুজন। দুজনই বিকেএসপির সাবেক অ্যাথলেট। আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১৩তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকসে দ্রুততম মানব হয়েছেন মেজবাহ আহমেদ। দ্রুততম মানবীর নামটাও নতুন নয়—শিরিন আক্তার।
জাতীয় স্তরে মেজবাহর এটি টানা ষষ্ঠ শিরোপা। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ গেমস দিয়ে এক শ মিটার স্প্রিন্টে তাঁর শুরু। তারপর তিনটি জাতীয় মিট ও দুটি সামার মিটে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখলেন। এক শ মিটারে শিরিনের এটি টানা পঞ্চম শিরোপা। তিনটি জাতীয় মিট ও দুটি সামার মিটে নিজেকে সবার ওপরে রাখলেন শিরিন।
আজ হাতঘড়িতে মেজবাহর টাইমিং হয়েছে ১০.৮০ সেকেন্ড। কদিন আগে ভারতের ভুবনেশ্বরে এশিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ইলেকট্রনিকস বোর্ডে তাঁর টাইমিং ছিল ১০.৮৮। হাতঘড়িতে এর আগে সেরা টাইমিং করেছেন ১০.৭২। আগামী মাসের শুরুতে লন্ডনে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে টাইমিংয়ে উন্নতির কথাই বললেন আজ, ‘বিশ্বাস করি ভালো সুযোগ-সুবিধা পেলে আমার পক্ষে আরও ভালো টাইমিং করা সম্ভব। লন্ডনে সেই চেষ্টাই করব।’
শিরিনও তাঁর সেরা টাইমিং করতে পারেননি আজ (১২.৩০)। যদিও ইলেকট্রনিকস বোর্ডে তাঁর ব্যক্তিগত সেরা ১১.৯৯, হাতঘড়িতে ১১.৮৪। এমন টাইমিং নিয়ে এসএ গেমসে সোনা জেতা দূরে থাক, মেয়েদের স্প্রিন্টে পদক জেতাই কঠিন। সেই স্বপ্ন অ্যাথলেটিকস অঙ্গনের কেউ আসলে দেখে না। তবে শিরিন দেখছেন, ‘ভালো প্রশিক্ষণ নিতে পারলে আগামী এসএ গেমসে সোনা জিততে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : বিশ্বে মানবমৃত্যুর ৪০ শতাংশই হৃদরোগের কারণে হয়ে থাকে। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া হলে এই হার অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব।
হৃদরোগ সচেতনতা বিষয়ক এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় এ কথা বলেছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।
তারা আরও বলেন হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসার আগে হৃদরোগে আক্রান্ত ২৫ শতাংশ রোগীই মারা যায়। হাসপাতালে এনে দ্রুততার সাথে তার রক্তনালী খুলে দেওয়া গেলে এই মৃত্যু হার ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব বলেও উল্লেখ করেন তারা।
শনিবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে হৃদরোগ রোগ বিষয়ক এই হেলথ টকের আয়োজন করে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ও খুলনার ফরটিস এসকর্টস হাসপাতাল। প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. হাবিবুর রহমান, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কাজী আরিফ আহমেদ ও ফরটিস এসকর্টস হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মামুন ইকবাল।
তারা আরও বলেন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ধুমপান ত্যাগ করা জরুরি। একই সাথে খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে হৃদরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
হৃদরোগের প্রধান উপসর্গ বুকে ব্যথা একথা উল্লেখ করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা বলেন স্বল্পতম সময়ের মধ্যে ইনজেকশন দিয়ে এবং পিসিআই পদ্ধতিতে রক্তনালী খুলে দেওয়া হলে ৬৫ থেকে ৯৫ শতাংশ রোগী রক্ষা পায়। দক্ষিণ এশিয়ায় হৃদরোগের অন্যতম প্রধান কারণ বংশগত ধারাবাহিকতা। কোনো পরিবারে ৫২ বছরের পুরুষ এবং ৬০ থেকে ৬৫ বছর বয়সের কোনো নারী মারা গেলে বিষয়টি উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তারা বলেন এর নেপথ্য কারণ হৃদরোগ। লাল মাংস খাদ্য তালিকা থেকে বাদ রাখার পরামর্শ দিয়ে তারা আরও বলেন, মাংসের মগজ, কলিজা ও চামড়া খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। খাবারের সাথে বাড়তি কাঁচা লবণ না খাবার পরামর্শ দিয়ে তারা আরও বলেন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্যোগ নিতে হবে। সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটার পরামর্শ দিয়ে বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন তিরিশ মিনিটে আড়াই কিলোমিটার হাঁটার অভ্যাস করতে হবে ।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ অধ্যক্ষ ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা নিয়মিত স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে পরিবর্তনের জন্য কাজ করছি। জীবনঘাতি ব্যাধি হৃদরোগ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করে এই রোগ থেকে আমরা পরিত্রাণ পেতে পারি। জনবল বৃদ্ধি করে সাতক্ষীরা হাসপাতালে অচিরেই কার্ডিয়াক ইউনিট ও ক্যাথ ল্যাব গঠন করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন পরিমিত খাদ্য গ্রহনের অভ্যাস গড়ে তুলতে সচেতন হতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজে কখনও নিজের চিকিৎসার দায়ভার নেবেন না বলেও পরামর্শ দেন তিনি।
হেলথ টক অনুষ্ঠানে ফরটিস এসকর্টস হাসপাতালে ওপেন হার্ট বাই পাস, রিং বসানো, এনজিওপ্লাস্টি, পেস মেকার বসানোসহ সব ধরনের আধুনিক চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে মন্তব্য করে ডা. মামুন ইকবাল বলেন দিল্লীর ফরটিস এসকর্টস প্রধান হাসপাতালের সাথে ভিডিও কনফারেন্স করে খুলনায় এই চিকিৎসা দেওয়া হয়। ফরটিস হাসপাতালে হৃদরোগে কারও মৃত্যুর আগের ২৪ ঘণ্টার চিকিৎসার কোনো অর্থ নেওয়া হয় না এমনকি মৃত ব্যক্তিকে ফরটিসের অ্যাম্বুলেন্সে তার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার নিয়মও রয়েছে। সাতক্ষীরার সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের হৃদরোগ চিকিৎসায় ফরটিস এসকর্টস হাসপাতাল সাধ্যমত আর্থিক ছাড় দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ ছাড়া পবিত্র রমজান মাস , ডিসিম্বর ও মার্চ মাসে চিকিৎসায় স্বল্প খরচে বিশেষ প্যাকেজ রয়েছে। ডা. মামুন ইকবাল ও ডা. আরিফ আহমেদ হৃদরোগ বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এ সময় তারা উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার পরামর্শ দেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

মাহাফিজুল ইসলাম আককাজ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার-০২ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আলিম নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রকাশ্যে কোন সভা-সমাবেশ বা দলীয় কর্মসূচি পালন না করলেও প্রচারণায় পিছিয়ে নেই তিনি। নীরবেই বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন দলের তৃণমূল নেতা-কর্মীদের কাছে। দলীয় একাধিক সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে কেন্দ্র থেকে এখনো কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে, প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। একই সাথে জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।
আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও লাবসা ইউপি চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আলিম বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। ইতিমধ্যে তিনি সাতক্ষীরা ০২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। আব্দুল আলিম ১৫ অক্টোবর ১৯৫৯ সালে লাবসা ইউনিয়নের খেজুরডাঙ্গা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মৃত আবুল কাশেম ছিলেন লাবসা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। ১৯৬২ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত তার পিতা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। মাতা মৃত বকুল জান বিবি ছিলেন গৃহীণি। ১৯৮৮ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত পর পর ৬ বার আব্দুল আলিম লাবসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
আব্দুল আলিম ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমানের সময়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিতে যোগদান করেন এবং লাবসা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের গ্রাম সরকার নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আব্দুস সাত্তারের সময়ে ইউনিয়ন গ্রাম সরকারের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে রাজনীতি করে যাচ্ছেন। ২৭ অক্টোবর ২০১৩ থেকে ১৭ মার্চ ২০১৭ পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে তার কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমি বিএনপির কঠিন ক্লান্তিলগ্নে হাল ধরেছিলাম এবং বার বার জেল, জুলুমের শিকার হয়েছি। আমি আশাবাদী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিবেন এবং আমি জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে সাতক্ষীরার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা নিরসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতিদের কর্মসংস্থান, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করবো। তিনি আরো বলেন, বিএনপির ত্যাগী, নিবেদিত নেতাকর্মীদের নিয়ে আমরা কাজ করছি। মনোনয়ন তো সবাই চাইতেই পারেন। দলীয় চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ত্যাগী নেতার হাতেই ধানের শীষ তুলে দেবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest