LUNhwo_anupamতিনি বিজেপি সমর্থক, কিন্তু সেই তাঁকেই দেখা যাবে কংগ্রেসি মেজাজে! কেন জানেন? আসলে, ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর মিডিয়া উপদেষ্টা সঞ্জয় বারুর বই, ‘দ্য অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার: দ্য মেকিং অ্যান্ড আনমেকিং অব মনমোহন সিং’-এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি হতে চলেছে একটি ছবি৷ আর তাতেই মনমোহন সিং-এ ভূমিকায় দেখা যাবে অনুপম খেরকে৷ বুধবার মুক্তি পাবে এই ছবির ফার্স্ট লুক৷ এমনকি সব ঠিক থাকলে আগামী বছর ডিসেম্বরেই হয়তো প্রধানমন্ত্রী অনুপম খেরকে দেখতে পাবেন দর্শকেরা৷

জাতীয় পুরস্কার বিজয়ী হনসল মেহতা রয়েছেন এই ছবির চিত্রনাট্যের দায়িত্বে৷ মুখ্য ভূমিকায় অনুপম খের স্থির হয়ে গেলেও, অন্যান্য ভূমিকায় কাদের দেখা যাবে তা এখনো স্থির হয়নি৷ চলছে শেষ মুহূর্তের অডিশন পর্ব৷ গ্যাংস অব ওয়াসেপুর, সাহেব বিবি অউর গ্যাংস্টারের প্রযোজক সুনীল বোহরা এই ছবির প্রযোজনা করছেন৷ বরাবরই চ্যালেঞ্জিং রোলে দেখা দিয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অনুপম খের৷ তাই এবার এমন একটি গুরুদায়িত্ব পেয়ে তিনি যে খুশি এবং সেই সঙ্গে প্রস্তুতও, জানিয়েছেন একটি সংবাদমাধ্যমকে৷ প্রধানমন্ত্রী তো হল, এবার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাগুলিতে কারা দেখা দেবেন সেটাই দেখার৷ সূত্র-সংবাদ

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ঈদের ছুটি ১০ দিন!

কর্তৃক Daily Satkhira

8db7b26d930cff8aa404a4c40aea3564-57c95d235d56eএ বছর ১০ দিনের ঈদের ছুটির ফাঁদে পড়তে পারে দেশ। আগামী ২৩ জুন থেকে ১ জুলাই পর্যন্ত টানা এ সময়ের মধ্যে শবে কদরের একদিন, ঈদুল ফিতরের তিনদিন এবং ঈদের আগে ও পরে সাপ্তাহিক ছুটি তিন দিনসহ মোট আটদিন ছুটি থাকছে। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ২৮ ও ২৯ জুন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দুইদিন সরকারি অফিস-আদালত খোলা থাকবে। তবে ওই দুইদিনের ছুটির ব্যবস্থা হলেই এবছর সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারিরা ঈদের ছুটি ভোগ করতে পারবেন টানা ১০দিন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশ অনযায়ী বিদ্যমান সরকারি হিসাবে ২৮ মে থেকে শুরু হওয়া রোজার হিসাব অনুযায়ী আগামী ২২ জুন ২৬ রমজান। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ওইদিন (২২ জুন বৃহস্পতিবার)  দিবাগত রাতে পালিত হবে শবে কদর। শবে কদরের সরকারি ছুটি শুক্রবার (২৭ রমজান), ওইদিন সাপ্তাহিক ছুটি। পরের দিন শনিবারও ছুটি (২৮ রমজান)। রবিবার ২৯ রমজান।

এবছর রোজা ২৯টি হলে রবিবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে। যদি ২৫ জুন রবিবার ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে ঈদুল ফিতর পালিত হবে ২৬ জুন সোমবার। পরের দিন ২৭ জুন মঙ্গলবার ঈদের পরের দিন এমনিতেই ছুটি থাকে। সেক্ষেত্রে ২৮ ও ২৯ জুন বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই দুইদিন খোলা। আর রোজা ৩০টি হলে ঈদুলফিতর পালিত হবে ২৭ জুন মঙ্গলবার। তাহলে ২৮ জুন ঈদের পরের দিন বুধবার এমনিতেই ছুটি থাকবে। এক্ষেত্রে ২৯ জুন বৃহস্পতিবার একদিন অফিস খোলা থাকবে। এর পরদিন ৩০ জুন শুক্রবার ও ১ জুলাই শনিবার আরও দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। সেক্ষেত্রে ২ জুলাই রবিবারের আগে সরকারি অফিস ও আদালত পুরোদমে কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ সামনে দুইদিনের সাপ্তাহিক ছুটি রেখে একদিনের জন্য অফিস করতে কর্মকর্তা-কর্মচারিরাও কর্মস্থলে আসতে চাইবেন না। সেক্ষেত্রে অনেকেই প্রত্যাশা করছেন, সরকার নির্বাহী আদেশে ২৯ জুন বৃহস্পতিবার ১ দিনের ছুটি দিলেও দিতে পারেন। আর তা যদি হয় তাহলে এ বছরের ঈদের ছুটি হবে টানা ১০ দিন।

সবিচালয়ে একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, যদি নির্বাহী আদেশে ২৯ জুন বৃহস্পতিবার ছুটি নাও হয়, তাহলে অনেকেই আগেভাগে এই দুইদিনের ছুটি নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারির সঙ্গে কথা বলে এমনটাই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তবে বিষয়টি আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে সুরাহা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহামম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, ‘নির্বাহী আদেশের বিষয়টি আমার এখতিয়ারভূক্ত নয়। তবে আগামী সপ্তাহের শেষ দিকে বিষয়টি নিস্পত্তি হবে।’

এদিকে, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অপর একটি সূত্র জানায়, সংসদে চলছে বাজেট অধিবেশন। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে বাজেট পাসের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আগামী ৩০ জুন শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি। আর এ কারণে সংসদের কার্যবিবরণীতে ২৯ জুন বাজেট পাস করার কথা বলা হয়েছে। সে কারণে ২৯ জুনের মধ্যেই ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পাস করতে হবে। পরদিন ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এই বাজেট।

যদি ঈদ ২৭ জুন পালিত হয়, সেক্ষেত্রে ঈদ উপলক্ষে সংসদের অধিবেশন মুলতবি থাকবে সর্বোচ্চ ২৮ জুন পর্যন্ত। যেহেতু ২৯ জুন জাতীয় সংসদে বাজেট পাস হবে, সেক্ষেত্রে সংসদের অধিবশন ওই দিন চলবে নিশ্চিত। তাই এ বছর ২৯ জুন বৃহস্পতিবার নির্বাহী আদেশে ছুটি না দেওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496916189শাহরুখপুত্র আব্রাম, শহিদকন্যা মিশা বা সাইফিনা জুটির তৈমুর। বলিউডের এই তারকা শিশুদের তালিকায় যোগ হলো আরো একজন। রানী মুখার্জির এক বছর বয়সী শিশুকন্যা আদিরা। বয়স এক বছর হলেও এরই মধ্যে তাকে নিয়ে কৌতূহল ও সুখ্যাতি অন্যান্য বলিউড শিশুর মতোই ছড়িয়ে পড়েছে। কারণ, এখন পর্যন্ত রানীর ঘনিষ্ঠজন ছাড়া আদিরাকে কাছ থেকে দেখেনি কেউ। তাই গতকাল বুধবার মুম্বাই বিমানবন্দরে মা-মেয়ের ছবি তোলার জন্য হুমড়ি খেয়ে পড়ে পাপারাজ্জিরা (ছবি তোলার জন্য যে আলোকচিত্রীরা তারকাদের পেছনে ছোটেন)।

এনডিটিভির একটি খবরে জানা যায়, পাপারাজ্জিরা গিয়েছিলেন দুবাই থেকে রানী মুখার্জির মুম্বাইয়ে ফিরে আসা উপলক্ষে কিছু ছবি তুলতে। কিন্তু সেখানে মেঘ না চাইতে বৃষ্টির মতো ফ্রেমে ধরা দেন রানী মুখার্জির কন্যা আদিরা। রানীর পাশাপাশি আদিরাকে ফেমবন্দি করতে পারার সুযোগে হতভম্ব হয়ে যান পাপারাজ্জিরা। ছবি তোলার সময় আদিরা ছিল তার নানির কোলে। এ সময় তার পরনে ছিল গোলাপি রঙের পোশাক। অন্যদিকে রানীর পরনে ছিল গাঢ় কালো রঙের জাম্পস্যুট। এই ছবি প্রমাণ করে যে চোপড়া বাড়ির নতুন অতিথি ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে মোটেও ‘ভীত’ নয়।

২০১৪ সালে নির্মাতা আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন রানী মুখার্জি। ২০১৫ সালে রানীর কোলজুড়ে জন্ম নেয় আদিরা। এত দিন ধরে রানী ও আদিত্য গণমাধ্যম তো বটেই, সামাজিক মাধ্যম, এমনকি ভক্তদের কাছ থেকেও দূরে রেখেছিলেন কন্যাকে। তবে এবারই প্রথম পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ল আদিরা।

সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যম থেকে দূরে রাখা প্রসঙ্গে ‘মারদানি’খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘আমি নিজেও সামাজিক মাধ্যমে নেই। আমি আমার মেয়ের কোনো ছবি সেখানে দিই না, কারণ আমার স্বামী ব্যক্তিগত বিষয়গুলো আড়ালে রাখতেই পছন্দ করেন এবং আমি তাঁর এই জিনিসটাকে সম্মান করি। এ ছাড়া আমার ভক্তদের না বলতেও আমি পছন্দ করি না। বিশেষভাবে তারা যখন আমাকে আদিরার ছবি পোস্ট করতে বলে।’ যশরাজ ফিল্মসের ফেসবুক পেজের মাধ্যমে রানী তাঁর ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকেন।

রানীকে সর্বশেষ দেখা যায় ২০১৪ সালে ‘মারদানি’ চলচ্চিত্রে। সম্প্রতি তিনি শেষ করেছেন তাঁর আসন্ন চলচ্চিত্র ‘হিচকি’র কাজ। ছবিটি পরিচালনা করেছেন সিদ্ধার্থ পি মালহোত্রা। আর ছবিটি প্রযোজনা করেছেন মনীষ শর্মার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496923934ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের মান্দসুরে বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে নিহত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে গ্রেপ্তার হয়েছেন বিরোধী দল কংগ্রেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর অস্থায়ী কারাগার হিসেবে একটি গেস্টহাউসে রাখা হয় রাহুলকে।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র সিং বলেন, ‘সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙার চেষ্টা করেছেন রাহুল গান্ধী, যা ঠিক নয়। স্কুলছাত্রের মতো হেলমেট না পরে মোটরসাইকেলে চড়া একজন জাতীয় নেতার সঙ্গে যায় না।’

সকালে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের অন্য নেতাদের মান্দসুরে ঢুকতে দেওয়া হবে না।

শস্যের দাম বাড়ানো ও ঋণ মওকুফের দাবিতে কয়েকদিন ধরে মান্দসুরে বিক্ষোভ করছেন কৃষকরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্যে কারফিউ বলবৎ আছে। সেই বিক্ষোভের মধ্যে মঙ্গলবার গুলি চালায় পুলিশ। এতে পাঁচ কৃষক নিহত হন।

ঘটনার একদিন পর বুধবার সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম টুইটারে এক বার্তায় রাহুল জানান, তিনি নিহত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চান। আর এ বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। সংগঠনটির দাবি, রাহুল কৃষকদের বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাচ্ছেন।

বিক্ষোভে উত্তাল সেই রাজ্য সফরে যাওয়ার পথে রাহুল সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদি বিত্তশালীদের ছাড় দিয়েছেন। কিন্তু তিনি কৃষকদের ঋণ মওকুফ করতে পারছেন না।

এর আগে সকালে রাজস্থান রাজ্যের উদয়পুরে যান রাহুল। পরে সেখান থেকে তাঁকে বহনকারী গাড়িবহর রওনা দেয় ১৮০ কিলোমিটার দূরবর্তী মান্দসুরের দিকে। সীমান্তের কাছে গাড়ি আটকে দেওয়া হলে উপস্থিত নিরাপত্তাকর্মী, কংগ্রেস নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যদের ভিড়ের মধ্যেই একটি মোটরসাইকেলে চড়েন রাহুল। এরপর সীমান্ত থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে আবার তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। এরপর উপায়ান্তর না দেখে ত্বরিত গতিতে হাঁটা শুরু করেন কংগ্রেসের সহসভাপতি। এ সময় পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রাকেশ গুপ্তের সঙ্গে তাঁকে ধ্স্তাধস্তি করতে দেখা যায়। পুলিশি ব্যারিকেডের একপর্যায়ে মাঠ ধরে হাঁটতে থাকেন রাহুল। এর একপর্যায়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে একটি গেস্টহাউসে রাখা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ªªসোনাবাড়ীয়া (কলারোয়া ) প্রতিনিধি : বুঝতলা আবু বক্কর সিদ্দিকি সিনিয়র আলিম মাদ্রাসায় বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষার মান উন্নয়ন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯:০০ ঘটিকার সময় এসএম টুটুল এর উদ্যোগে দ্বিতল ভবন নির্মাণের শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং চন্দনপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গাজী রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মফিজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ও ৬নং সোনাবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল মোমিন, ইউনিয়ন যুবলীগের সেক্রেটারী, আলমগীর আজাদ খোকন, অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল মোঃ আব্দুল হাই, মাদ্রাসার সকল শিক্ষক-শিক্ষকা ও মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জুলফিকার আলী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ফেরদৌসি খাতুনসহ ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, অত্র মাদ্রাসার হাফিজিয়া খানার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ও অবসরপ্রাপ্ত হাবিলদার মোঃ আব্দুল জোহর ও ক্যাশিয়ার হাজী আব্দুল ওহাব, বিবিআরএনএস ইউনাইটড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ উয়ায়েস আলী সিদ্দিক বাবর, সহকারী শিক্ষক আলমগীর আজাদ, লাইব্রেরি শিক্ষক সেলিম রেজা, ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী, অলিয়ার রহমান, মাষ্টার মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য এরশাদ, সহ আরও উপস্থিত ছিলেন বুঝতলা বাজার কমিটির সভাপতি ফজলুর রহমান, ৭নং ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সদস্য তোফায়েল আহম্মেদ ও ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য কালুসহ স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01সেলিম হায়দার : সাতক্ষীরার তালায় ক্যান্সার ও হার্ট ছিদ্র রোগে আক্রান্ত ৫ রোগীকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকালে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেক রোগিকে ৫০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন।  তালা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ক্যান্সারে এবং হার্ট ছিদ্র রোগে আক্রান্ত তালা উপজেলার বারাত গ্রামের পাল প্রবীর, নওয়াপাড়া গ্রামের আমেনা বেগম, জুজখোলা গ্রামের তাজুুদ্দীন আহমেদ অপু, মোছঃ আমেনা খাতুন এবং সুজনশাহা গ্রামের সাহিদা বেগমের পক্ষে সুমাইয়া খাতুনের হাতে উক্ত চেক তুলে দেয়া হয়।
তালা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার অধীর কুমার গাইন জানান, সমাজসেবা অধিদপ্তরের  মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, হার্ট, স্ট্রোকে প্যাটরালাইজ্ড হয়ে বিছানায় শুয়ে আছেন এ ধরনের রোগীদের/অভিভাবকদের উপজেলা সমাজসেবা অফিস থেকে আবেদন ফরম সংগ্রহ করার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : আকস্মিক ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিবপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ হতে টিন ও সদর উপজেলা পরিষদ হতে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চত্বরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে’র বরাদ্দ হতে ৫ বান টিন ও সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ থেকে ৩০ হাজার টাকার সহায়তা তুলে দেওয়া হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিনসহ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির নেতৃবৃন্দ।
এসময় সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ নূর হোসেন সজল বলেন, ‘যে কোন ধরনের দুর্যোগে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সদর উপজেলা পরিষদ সার্বক্ষণিক সতর্ক রয়েছে। গতকাল ঝড়ে শিবপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এবং এ সহায়তা প্রদান করেছি। যাতে শিক্ষার্থীদের লেখা পড়া চলমান থাকে। আমরা চাই সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ হবে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা পরিষদ। এভাবেই আগামী দিনে সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

01নিজস্ব প্রতিবেদক : অবশেষে সাতক্ষীরা বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের স্থায়ী ঠিকানা করে দিলেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় বিদ্যালয়ের নির্ধারিত স্থান সরজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) দেবাশিষ চৌধুরী, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো: রফিকুল ইসলাম, সার্ভেয়ার বরকতউল্লাহসহ ভূমি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিকক্ষ কর্মচারিবৃন্দ।

সিমানা নির্ধারন কাজ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো: মহিউদ্দিন  বলেন, প্রতিবন্ধী স্কুল এখন আর ভাড়া বাড়িতে নয়। নির্ধারিত স্থানে তাদের উপযুক্ত করে তৈরী করা হবে বহুতল ভবন। শিক্ষা, ক্রীড়া, সাংস্কৃতি এবং বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সবই তাদের উপযুক্ত করে এভবন নির্মানের কাজ খুব শ্রীঘ্রই শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধীরা আমাদের সম্পদ। উপযুক্ত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আমরা তাদের বিভিন্ন কাজে লাগাতে পারিতাহলে তারা বোঝা নাহয়ে সমাজের সহায়ক সম্পদ হিসাবে গড়ে উঠবে।
উল্লেখ: ভূমি মন্ত্রনালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষ সাতক্ষীরা সিটি কলেজের পিছনে কাশেমপুর মৌজার ১০ শতাংশ জমি গত ৩ মে ২০১৭ তারিখে উক্ত বিদ্যালয়ের নামে দলিল সম্পন্ন করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest