image-20141নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিএনপি-জামায়াতের পাঁচজন কর্মীসহ ৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে আজ সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৬ জন,কলারোয়া থানা ৮ জন,তালা থানা ০৪ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৪ জন,শ্যামনগর থানা ০৪ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০৪ ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০৩ জনকে আটক করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা পুলিশর বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান তাদের আটককের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতা ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

109a464255447948b686590a1b643934-5796d6a7dc9ceনেতাকর্মীদের কাছে ভালো ইমেজ রয়েছে, রাজনীতিক হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত, সংগঠক হিসেবে দক্ষ,  সততা, নিষ্ঠা ও শিক্ষিত, এমন যোগ্যতা রয়েছে যাদের, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন তারা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব যোগ্যতা সম্পন্ন নেতাদের সারাদেশ থেকে বাছাই করে তালিকা করা শুরু করেছেন। বিভিন্ন মাধ্যমে সংগ্রহ করা এই তালিকা ইতোমধ্যে যাচাই-বাছাই করছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ওই সূত্রগুলো জানিয়েছে, শেখ হাসিনার দৃষ্টিতে এসব গুণাবলী যাদের রয়েছে, তারাই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য। দলীয় সভাপতি মনে করেন, আগামী নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক। এখানে দলীয় প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ-কারিশমাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই উল্লিখিত যোগ্যতা ও গুণাবলী যাদের রয়েছে, তাদের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত বলে নীতি-নির্ধারণী সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী নির্বাচন নিয়ে নেত্রীর নিজস্ব চিন্তাভাবনা ও হিসাবনিকাশ শুরু হয়ে গেছে। কাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে, কে মনোনয়ন পাওয়ার যোগ্য, এসব বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। নিয়মিত এগুলো নিয়ে স্ট্যাডি করছেন প্রধানমন্ত্রী এমন তথ্যও জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র। অন্য দুটি সূত্র জানায়, সভাপতি শেখ হাসিনা এবার দুইশ আসনে এমন প্রার্থী দিতে চান, যারা মনোনয়ন পাওয়া মানেই তাদের বিজয় নিশ্চিত। এ ধরনের প্রার্থী খুঁজে বের করতে কাজ করছেন তিনি। আর তাদের মধ্যে অবশ্যই উল্লিখিত গুণাবলী থাকতে হবে বলে ঘনিষ্ঠদের অবহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে ২০১৪ সালে মনোনয়ন পাওয়া অনেক এমপির কপাল পুড়তে পারে। সর্বশেষ সংসদীয় দলের সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের সংসদ সদস্যদের ইঙ্গিত করে বলেছেন, ‘এবার কাউকে পাস করানোর দায়িত্ব আমি নিতে পারবো না। এবার যার যার জয় সে-ই ছিনিয়ে আনতে হবে।’ এজন্যে এমপিদের এলাকায় যেতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। যার অবস্থা বেগতিক তার অবস্থা ভালো করার জন্যেও নির্দেশ দেন।
এর সঙ্গে নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা থাকা নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। জানা গেছে, সর্বশেষ দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে অনেকে এমপি হয়েছেন, যাদের নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা নেই। নির্বাচন না করেই এমপি হয়েছেন। এবার মনোনয়নের ক্ষেত্রে নির্বাচন করার অভিজ্ঞতা যাদের রয়েছে, তাদের প্রাধান্য দেওয়া হবে। তবে নির্বাচন না করেও এমপি হওয়ার পর ভালো করেছেন, এমন এমপিদের বাদ না দেওয়ারও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এবার দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতাকর্মীদের কাছে ভালো ইমেজ রয়েছে, রাজনীতিক হিসেবে স্থানীয়ভাবে এলাকায় সুপরিচিত, সংগঠক হিসেবে দক্ষ, সর্বোপরি শিক্ষা-সততা ও নিষ্ঠাবান এমন গুণসমৃদ্ধ প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। সারাদেশ থেকে তিনি প্রার্থী তুলেও এনেছেন। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে তুলে আনা এ তালিকা নিয়ে কাজও করছেন তিনি।’ আব্দুর রাজ্জাক  বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে ইমেজসম্পন্ন প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিত।’
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘মনোনয়ন কাকে দেবেন বিষয়টি একেবারেই সভাপতি শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত। তবে গ্রহণযোগ্য, স্বচ্ছ, সৎ, আদর্শের রাজনীতির ক্ষেত্রে অবিচল নেতারাই মনোনয়ন পাবেন। শেখ হাসিনা এ ব্যাপারে ডিটারমাইন্ড।’
আরেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েই বিজয় নিশ্চিত করতে চায় আওয়ামী লীগ। এর জন্যে এবার মনোনয়ন দেওয়া হবে অনেক যাছাই-বাছাই করে।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কাকে মনোনয়ন দেবেন, কাকে দেবেন না, তা নিয়ে তিনি কাজ করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘নেতাকর্মীদের কাছে ভালো ইমেজ রয়েছে, রাজনীতিক হিসেবে এলাকায় পরিচিত, সংগঠক হিসাবে দক্ষ ও নিষ্ঠাবান নেতাদের দিকে ঝুঁকবেন শেখ হাসিনা।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fWIp7n_8ধর্মিও নানা কাজে পান পাতার ব্যবহার অনেক আগে থেকে হয়ে আসছে। কিন্তু চিকিৎসা শাস্ত্রে এই পাতাকে কাজে লাগিয়ে একাধিক রোগের উপশম করাও হয়ে থাকে। পান পাতায় উপস্থিত একাধিক উপাদান নানারকম রোগের প্রকোপ হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নানান রকম শারীরিক সমস্যায় এই পাতাকে কাজে লাগিয়ে চিকিৎসা করা হয়ে থাকে। যেমন ধরুন-

১। ক্ষত স্থানের দাগ সরাতেঃ পান পাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানটি যে কোনও ক্ষত সারিয়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে প্রথমে অল্প করে পান পাতার রস দিয়ে দিন। তারপর তার উপর কয়েকটি পান পাতা রেখে ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে দিন। এমনভাবে ১-২ দিন থাকলে ক্ষত একেবারে সেরে যাবে।

২। যন্ত্রণা কমাতেঃ পলিফেনাল নামে এক ধরনের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে পান পাতায়, যা প্রদাহ বা যন্ত্রণা কমাতে দারুন কাজে আসে। এই জন্য আর্থ্রাইটিস রোগীদের পান পাতার রস লাগানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

৩। বদহজমের সমস্যা দূরঃ পান পাতায় রয়েছে গ্যাস্ট্রো প্রটেকটিভ এজেন্ট। সেই সাথে রয়েছে অ্যান্টি-ফ্লটুলেন্ট এবং কার্মিনেটিভ এজেন্ট, যা স্যালিভারি জুসের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ফলে হজম ক্ষমতার যেমন উন্নতি ঘটে। ফলে সার্বিকভাবে শরীরের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪। মুখের গন্ধ দূর করেঃ মুখ ভিতরে উপস্থিত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াদের দূর করে মুখের বদ গন্ধ দূর করতে পান পাতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পান পাতা চিবানোর সময় প্রচুর পরিমাণে স্যালাইভা তৈরি হয়, যা গন্ধ সৃষ্টিকারি ব্যাকটেরিয়াদের ধ্বংস করে দেয়। ফলে মুখের গন্ধ দূর হয়ে যায়।

৫। গলা ব্যাথা কমায়ঃ পান পাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান থাকার কারণে গলা ব্যথা এবং ঠান্ডা লাগার মতো সমস্যা খুব সহজেই দূর করে দেয়। এছাড়াও পান পাতার সঙ্গে অল্প করে মধু খেলে গলার সংক্রমণও দূর হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ycP68n_18893037খাবারের সঙ্গে শরীরের যে একটা সরাসরি যোগ রয়েছে সেটা আমরা সবাই জানি। রোগে ভোগার পিছনে আমরা কী ধরনের খাবার খাচ্ছি তা অনেকাংশেই নির্ভর করে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে শরীরের ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

ক্যান্সার রোগ হওয়ার পিছনে যে যে কারণগুলি দায়ি থাকে সেগুলি হল অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, ধূমপান, খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রম, কিছু নির্দিষ্ট সংক্রমণ, বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান প্রভৃতি।

কী কী খাবার খেলে ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক সে সম্পর্কেঃ-

১। প্রক্রিয়াজাত মাংসঃ আমেরিকার ‘ইউনিভার্সিটি অফ হাওয়াই’য়ের তত্ত্বাবধানে হওয়া এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাত মাংস ক্যান্সারের ঝুঁকি প্রায় ৬৭ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। কারসিনোজেন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ থাকে এসব খাবারে। যা এক প্রকার বিষ, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

২। চাষ করা মাছঃ বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছ অত্যন্ত অবৈজ্ঞানিক ভাবে বড় করা হয়। সেই সঙ্গে চাষের সময় মাছের নানারকম ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য নানারকম জীবণুরোধকারী ওষুধ, কীটনাষক ও অন্যান্য কারসিনোজেনিক রাসায়নিক উপাদান ব্য়বহার করা হয়। ফলে এই ধরনের মাছ খেলে শরীরে ওইসব কার্সিনোজেনিক উপাদানের মাত্রাও বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। যা শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।

৩। টিনজাত খাবারঃ দীর্ঘদিন তাজা রাখতে টিনজাত খাবারে এমন কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, যা শরীরের জন্য একেবারেই ভাল নয়। খাবারের স্বাদ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় তাই এসব রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এত মাত্রায় রাসায়নিক দেওয়া খাবার খেলে স্বাভাবিক ভাবেই শরীরের ক্ষয় হতে শুরু করে দেয়।

৪। মাইক্রোওয়েভ পপকর্নঃ প্যাকেট থেকে শুরু করে খাবারটি বানানোর পদ্ধিত, সব কিছুই এত অবৈজ্ঞানিক যে এমন খাবার খেলে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।

যেসব উপাদান ব্যবহার করে পপকর্ন বানানো হয়, সেগুলি শরীরে প্রবেশ করা মাত্র নানাভাবে শরীরের ক্ষয় করতে শুরু করে। তাই তো চিকিৎসকরা মাইক্রোওয়েভ পর্পকর্ন খেতে নিষেধ করে থাকেন। সূত্রঃ ফক্স নিউজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

indexকলারোয়া ডেস্ক : সাতক্ষীরার কলারোয়ায় না ফেরার দেশে চলে গেলেন সবার অতি প্রিয় পরিচিত মুখ ডাক্তার আব্দুল বারী খান। বৃৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুলনায় ইসলামী মেডিকেল হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যেুকালে তিনি স্ত্রী ২মেয়ে ১ছেলেসহ অসংখ্যা গুনাগাহী রেখে গেছেন। মরুহুম বারী খানের মৃতে্যুর সংবাদ এলাকায়  মুহুতের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে শুভাকাংক্ষিতদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। পারিবারিক সুত্রে জানা য়ায়, ২যুগের বেশি সময় ধরে বারী খান কলারোয়া মানুষের চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছিল। সেই ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অসুুস্থ অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যাওয়ায় আমরা মর্র্ম্যহত। বারী খানের জানাযার নামাজ সম্ভবত শুক্রবার তার নিজ জন্মভূমি পাইকগাছা শাহা পাড়ায় অনুষ্ঠিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

রোজায় ৫ ভুল

কর্তৃক Daily Satkhira

Kidnyস্বাস্থ্য ও জীবন : সারা দিন রোজা রেখে ক্লান্ত থাকেন, তাই ইফতার করার পরপরই অনেকে ব্যায়াম করা শুরু করে দেন। তবে বিষয়টি কি ঠিক? বিশেষজ্ঞরা কিন্তু ইফতারের পরপরই ব্যায়াম করতে নিষেধ করেন। এ রকম আরো ছোট ছোট ভুল আমরা রোজার সময় করে থাকি।
* অনেকে ইফতারের সময় খাবার খাওয়ার শুরুতেই প্রচুর পরিমাণ পানি পান করেন। অন্যান্য খাবার কম খান। এটি ঠিক নয়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত একটু একটু পানি বারবার পান করার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।
* ইফতারের পরপর অনেকে ব্যায়াম করা শুরু করেন বা জিমে চলে যান ব্যায়াম করতে। ইফতারের পর ব্যায়াম করতে চাইলে অন্তত দুই ঘণ্টা পর করুন। এতে খাবার হজমে সুবিধা হবে।
* অনেকে ইফতারে খুব দ্রুত খাবার খেতে থাকেন। খুব দ্রুত খাবার না খেয়ে ধীরে ধীরে ভালোভাবে চিবিয়ে খাবার খান। এতে হজম ভালো হবে। যেকোনো সময়ই খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
* অনেকে ইফতার করে খুব দ্রুত ডেজার্ট জাতীয় খাবান খান। এতে ঘুম ঘুম ভাব হয়। ইফতারের পর অন্তত দুই ঘণ্টা বিরতি দিয়ে ডেজার্ট খান।
* যেসব খাবারে সোডিয়াম থাকে, সেগুলো বেশি খেলে পানি পিপাসা পায়। তাই পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান। এ ক্ষেত্রে কলা খেতে পারেন। এটি পিপাসা কমাতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

2db0d4e99a4c746986aefdde93d40474-59393c2a85435স্বাস্থ্য ও জীবন : আসছে উৎসবের সময়। উৎসবে অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টি আইটেম তো রাখা চাই-ই। রসে টইটম্বুর রসমালাই বানিয়ে ফেলতে পারেন নিজেই।
জেনে নিন কীভাবে বানাবেন রসমালাই-
মিষ্টি তৈরির উপকরণ : ডিম- ১টি, বেকিং পাউডার- ১ চা চামচ, গুঁড়া দুধ- ১০০ গ্রাম, ময়দা- ১ টেবিল চামচ, ঘি- সামান্য।
মালাই তৈরি উপকরণ : তরল দুধ- দেড় লিটার, চিনি- স্বাদ অনুযায়ী, বাদাম- এক মুঠো, এলাচ- ৫/৬টি।
যেভাবে বানাবেন : মিষ্টি তৈরি করার জন্য গুঁড়া দুধ, বেকিং পাউডার, ডিম ও ময়দা একসঙ্গে মিশিয়ে ডো তৈরি করুন। হাতে ঘি মাখিয়ে ছোট ছোট আকৃতির বল তৈরি করে নিন।
মালাই বানানোর জন্য তরল দুধ জ্বাল দিয়ে ১ লিটার করে ফেলুন। চিনি ও এলাচ দিয়ে অল্প আঁচে চুলায় রেখে দিন কিছুক্ষণ। যদি দুধ বেশি পাতলা মনে হয় তাহলে সামান্য গুঁড়া দুধ অথবা কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে দিতে পারেন। চুলায় মাঝারি আঁচে মালাই রেখে মিষ্টিগুলো ধীরে ধীরে দিয়ে দিন। ৭ থেকে ১০ মিনিট মাঝারি আঁচে চুলায় রেখে নামিয়ে ফেলুন। ঠা-া হলে ফ্রিজে রেখে দিন। বেশি নাড়াচাড়া করবেন না। এতে মিষ্টি ভেঙে যেতে পারে। বাদাম কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার রসমালাই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

shiডেস্ক রিপোর্ট : দ্বিতীয়বার কন্যা সন্তান জন্ম হওয়ায় নিজের ১৫ দিন বয়সী শিশু সন্তানকে পুকুরে ফেলে হত্যা করেছে পাষণ্ড পিতা। বুধবার দিবাগত রাতে শিশিুটিকে পানিতে ফেলে দিলে বৃহস্পতিবার বিকালে শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ পাষ- পিতা আশরাফুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে।
নিহত শিশু আছিয়া খাতুন শ্যামনগর উপজেলার ভুরুলিয়া ইউনিয়নের ইছাকুড় গ্রামের আশরাফুল ইসলামের মেয়ে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আব্দুল মান্নান জানান, আশরাফুলের প্রথম সন্তান কন্যা হয়। দ্বিতীয় সন্তানও কন্যা হওয়ায় পিতা মেনে নিতে পারেননি। এই ক্ষোভে পাষ- পিতা নিজের শিশু সন্তানকে বাড়ির পাশে একটি পুকুরে ফেলে দেয়। বৃহস্পতিবার বিকালে এলাকাবাসী লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নিয়ে আসার সময় তার পিতার আচার আচরণ সন্দেহজনক হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। সে তখন পুলিশের কাছে স্বীকার করে দ্বিতীয় সন্তান কন্যা হওয়ায় সে মেয়েটিকে পানিতে ফেলে দিয়ে হত্যা করেছে।
কুসংস্কারাচ্ছন্ন একজন পিতার এমন পাশবিকতায় স্তম্ভিত সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest