সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালাশ্যামনগরে সুপেয় পানির সংকট তুলে ধরতে দৌড়ে অংশ নিল ২ শতাধিক মানুষসাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন’র উদ্বোধনসাতক্ষীরায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে জেলা প্রেস ব্রিফিংচ্যানেল ওয়ান এর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক জাকিরপ্রশাসনকে ব্যবহার করে নিজের জমির শ্রীবৃদ্ধির জন্য দুই ভূমিহীন পরিবারকে উচ্ছেদ!সুনামগঞ্জ ৪ উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু, আহত ৭সাতক্ষীরা জেলা ধারাভাষ্যকার অ্যাসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী  নরেন্দ্র মোদির বিশেষ ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযানকেই তোয়াক্কা করেন না দেশটির কৃষি মন্ত্রী রাধামোহন সিং। ফলে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করতেও তার কোনও আপত্তি নেই। তাই কোন এক দেওয়ালের ধারে দাড়িয়েই  প্রস্রাব করলেন তিনি। আর এ ঘটনার ছবি এখন ভাইরাল। মন্ত্রীসহ সোশাল মিডিয়ায় তীব্র সমালোচিত হচ্ছে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।

ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা গেছে, দেওয়ালের ধারে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী প্রস্রাব করছেন। তাকে পাহারা দিচ্ছেন রক্ষীরা। তবে ছবিটি কোথায় তোলা হয়েছে তা জানা যায়নি। এইটুকু জানা গেছে যে, কোথায় যাওয়ার পথে কৃষিমন্ত্রী গাড়ি থামিয়ে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সাল থেকে ভারতে শুরু হয়েছে ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযান৷ এর মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ার বার্তা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। দিকে দিকে চলছে তারই প্রচার। কিছু ক্ষেত্রে এসেছে সুফল। কিন্তু কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী এসবের ধার ধারেন না৷ তিনি তাই এই কাজ করলেন।

বিহারের পূর্ব চম্পারণ লোকসভা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন কৃষি মন্ত্রী রাধামোহন সিং। তিনি বিহার বিজেপির অন্যতম নেতা। ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবকের সদস্য।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর সেভেন

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ভারতের নারীরা প্রতিবাদের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছেন গরুর মুখোশ। সম্প্রতি ভারতের নানা জায়গায় গরুর মুখোশ পরা নারীর ছবি দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এসব ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।  ইন্ডিয়া গেট, কলেজের ক্লাশরুম, ট্রেনের কামরা বা এমনকি রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনে নারীর তোলা এসব ছবি দেখা যাচ্ছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গরুর মুখোশ ভারতে নারীর প্রতি অবহেলা বা নারী কতটা নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছে তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২৩ বছর বয়সী ভারতীয় ফটোগ্রাফার সুজাত্র ঘোষ এই ফটোগ্রাফি প্রজেক্ট শুরু করেন। তিনি এর মাধ্যমে একটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিতে চেয়েছেন, তা হলো ভারতের মেয়েরা কি গরুর চেয়েও অধম। এখানে নারীর চেয়ে গরু বেশি নিরাপদ।

তিনি বলেন, আমার দেশে মেয়েদের তুলনায় গরুকে যে এত বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়, সেটা দেখে আমি বিচলিত। এখানে একজন মেয়ে ধর্ষিতা বা লাঞ্ছিত হবার পর বিচার পেতে যে সময় লাগে, তার চেয়ে অনেক দ্রুত বিচার পায় একটি গরু।  কারণ হিন্দুরা এই গরুকে পবিত্র মনে করে।

https://www.youtube.com/watch?v=82yyHp6sA6I

ভারতে প্রতি পনের মিনিটে একজন নারী ধর্ষিত হয়। এ ধরণের খবরের জন্য প্রায়ই ভারতে সংবাদ শিরোনাম হয়। সুজাত্র ঘোষ বলেন, এসব অপরাধের মামলা চলতে থাকে বছরের পর বছর। অথচ যখন একটি গরু জবাই করা হয়, তখন হিন্দু চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো গিয়ে তখনই সন্দেহভাজনদের ধরে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

তিনি আরো বলেন, এই হিন্দু গোরক্ষা গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা এবং তাদের প্রভাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবেই এই অভিনব ফটোগ্রাফির ধারণা নিয়ে কাজ শুরু করি। ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই গরু নিয়ে সমাজে তৈরি হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিভেদ।

গত দু’ বছরে তথাকথিত হিন্দু গোরক্ষকদের হাতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোন প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র গুজবের ওপর ভিত্তি করে মুসলমানদের ওপর এসব হামলা চালানো হয়। এমনকি গরুর দুধ পরিবহনের জন্য পর্যন্ত মুসলমানদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

সম্প্রতি নিউ ইয়র্কে এক সফরের সময় সেখানকার এক পার্টি শপ থেকে কিছু গরুর মুখোশ কেনেন সুজাত্র। সেখান থেকে ফিরে এসে তিনি এই ফটোগ্রাফি সিরিজের জন্য ছবি তুলতে শুরু করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাওয়া-দাওয়া করে থাকেন বেশিরভাগ মানুষ। তাঁদের রোজ ডায়েটের লম্বা লিস্টে একটি খাবার প্রায় প্রতিদিনই থাকে। তা হল কাঁচা ডিমের কুসুম। কারণ চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে ডিমের কুসুম নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে। পেশির গঠনকে মজবুত করার পাশাপাশি এনার্জির ঘাটতি দূর করতে এবং শরীরকে সার্বিকভাবে রোগ মুক্ত রাখতে ডিমের কুসুমের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

সুস্থ এবং দীর্ঘ জীবন পেতে কাল সকাল থেকেই শুরু করে দিন কাঁচা ডিমের কুসুম খাওয়া। কাঁচা ডিমের কুসুম থেকে সাধারণত যে যে উপকারগুলি পাওয়া যায়, সেগুলি হল…

১। অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়ঃ ডিম খেলেই যাদের অ্যালার্জি হয়, তারা এবার থেকে কাঁচা ডিম খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন ডিমের পুষ্টিও পাবেন, আবার কোনও শারীরিক সমস্যাও হবে না। কাঁচা ডিমের কুসুমে এমন কিছু উপাদান রয়েছে যা নানাবিধ অ্যালার্জির প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২। ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি দূর করেঃ একটা কাঁচা ডিমের কুসুমে প্রায় ০.২ মিলিগ্রাম ভিটামিন বি১২ থাকে। এই ভিটামনিটি শরীরে জমে থাকা চর্বি ঝড়িয়ে ফেলার পাশাপাশি নার্ভ সেলের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কাজে আসে। কাঁচা ডিমের কুসুমে ফলেট নামে একটি উপাদানও থাকে। এটি অ্যানিমিয়া রোগের প্রকোপ কমাতে সাহায্য করা।

৩। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের চাহিদা মেটায়ঃ দুটো কাঁচা ডিমের কুসুম খেলে শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের কোনও ঘাটতিই থাকে না। অ্যামাইনো অ্যাসিড, ট্রাইপোফেন এবং টাইরোসিনের মতো উপাদানের ঘাটতিও দূর করে। ফলে একাধিক রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবানা হ্রাস পায়। কারণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান যা একাই শরীরেরে নানাবিধ ক্ষয়কে রোধ করে দেয়।

৪। কোলেস্টেরলের যোগান বাড়ায়ঃ শরীরকে সচল রাখতে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াটা একান্ত প্রয়োজন। প্রতিদিন ডিমের কুসুম খেলেই ধীরে ধীরে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়তে শুরু করবে। তখনই বুঝবেন উপকারি কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে আপনার শরীরে।

৫। বায়োটিনের ঘাটতি দূর করেঃ শরীরে ফ্যাটি অ্যাসিড এবং গ্লোকজের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে বায়োটিন। তাই তো এই উপাদানটির ঘাটতিতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়। দেহে যাতে কোনও সময় বায়োটিনের অভাব দেখা না দেয়, সে কারণে প্রতিদিন কাঁচা অথবা সেদ্ধ করে কুসুম খেতেই হবে

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কনফেডারেশনস কাপের ফাইনালে যেতে রাশিয়ার সোচিতে আজ দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে  জার্মানি ও মেক্সিকো। জার্মানিকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানানো জোয়াকিম লো’র তরুণ তুর্কিদের সামনে লাতিন আমেরিকার কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নরা।

সোচিতে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায়। ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে এসেছে লোর জার্মানি। মেক্সিকো ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ। মেক্সিকো তাদের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের সঙ্গে ড্র করার পর হারিয়ে দেয় নিউজিল্যান্ড ও স্বাগতিক রাশিয়াকে। জার্মানি প্রথম ও তৃতীয় ম্যাচ জিতেছে অস্ট্রেলিয়া ও ক্যামেরুনের বিপক্ষে। মাঝে চিলির সঙ্গে করেছে ড্র। দুই দলই সেমিতে এসেছে সাত পয়েন্ট নিয়ে।

অন্যদিকে প্রথম সেমিফাইনালে বুধবার রাতে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়েছে লাতিন আমেরিকার আরেক দেশ চিলি। গোলকিপার ব্রাভোর অসাধারণ নৈপুণ্যে টাইব্রেকারে ৩-০ তে জয় পেয়েছে চিলি।

এবার অপেক্ষার পালা ফাইনালে চিলির প্রতিপক্ষ কে হয় জার্মানি নাকি প্রতিবেশি মেক্সিকো!

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বলিউলে ৪০ বছর পেরিয়েও এখনো অনেকে হিরোইন। আসলে নায়িকা হওয়ার জন্য বয়স এখন আর কোনো বাধা নয়। শুধমাত্র বয়সের ছাপটা চেহারায় বোঝা না গেলেই হল। আর বোঝা গেলেও সমস্য নেই। আছে মেকআপের কারিশমা। মালাইকা অরোরা, ঐশ্বরিয়া রায়, কারিশ্মা কাপুর, শিল্পা শেঠি, মাধুরী দীক্ষিতরা তারই উদাহরণ।

মালাইকা অরোরা: 
তার বয়স ৪৩। সদ্য ডিভোর্স হয়েছে। ১৪ বছরের ছেলের মা তিনি। কিন্তু নিজেকে এমনভাবে ধরে রেখেছেন, যা সত্যিই যে কোনো ২২-২৫ বছরের কাছে বড় একটা কৌতূহল। প্রতিদিনই জিমের এমন সব ওয়ার্ক আউটের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসছে, যাতে মালাইকার এই অসামান্য তন্বী চেহারার রহস্যময়তা বেড়েই যাচ্ছে। তার ওপর আরবাজ খানের সঙ্গে ডিভোর্সের পর থেকে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক জল্পনা বাড়িয়েই যাচ্ছে। শোনা যাচ্ছে আবারও বড়পর্দায় ফেরত আসছেন মুন্নি। এখন তাতে তিনি বদনাম হবেন, নাকি সুনাম কুড়াবেন তা অবশ্য সময়ের অপেক্ষা।

ঐশ্বরিয়া রায়:
কান চলচ্চিত্র উৎসবে যেভাবে বার্বি গাউন পরে পুতুলের মত হাঁটলেন রেড কার্পেটে, তাতে কে বলবে তাঁর বয়স ৪০ ছাড়িয়েছে। মেয়ে আরাধ্যার বয়স পাঁচ। ছবিতে ফিরেছেন বেশ কয়েকবছর আগেই পরিচালক সঞ্জয় গুপ্তার জসবায়। কিন্তু তখনও যেন শরীরটা তৈরি ছিল না। পরের ছবি সরবজিতে তাই অভিনয়েই মন দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু, আসলে তিনি বিশ্বসুন্দরী, মেইনস্ট্রিম নায়িকা। তাই ফেরত এলেন গ্ল্যামার ছড়িয়ে অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল-এ। এসময়ের নায়িকা অনুষ্কা শর্মাও হাঁ করে দেখলেন ঐশ্বরিয়ার রূপের ছটা।

কারিশ্মা কাপুর: 
বয়স ৪২। প্রাক্তন স্বামী সঞ্জীব কাপুরের সঙ্গে ডিভোর্সের পর থেকেই পুরনো সম্পর্ক ঝেড়ে ফেলে আবার যেন সজীব হয়ে উঠেছেন। দুই সন্তানের মা। প্রতিদিনের ওয়ার্ক আউটের পর যেন ফিরে গেছেন ৯০ এর সেই বছরগুলোয়, যখন বলিউড মানেই কারিশ্মা কাপুর। বোন কারিনা কাপুরের সঙ্গে মিলে যেন নতুন ক্যারিয়ার-গোল সেট করেছেন, শুধু নিজের জন্যই নয়, নতুনদের জন্যও।

শিল্পা শেঠি:
৪০ পেরিয়েছেন শিল্পা শেঠিও। কিন্তু তাঁর থেকে ফিট আর তাঁর থেকে তন্বী চেহারা বলিউডে আর একটাও আছে কিনা সন্দেহ। খুব কাছাকাছি থাকবেন কৃতি স্যানন, কিন্তু তাঁর বয়স মাত্র ২৬।

মাধুরী দীক্ষিত: 
আজও তিনি বলিউডের ধকধক গার্ল। এখনও তাঁর হাসি লক্ষ বুকে ঝড় তোলে। পর্দায় তাঁর কামব্যাককে স্মরণীয় করে রাখার জন্য রণবীর কাপুরকে আসরে নামতে হয়। বয়স তাঁর ৫০। বড়পর্দায় আজও তিনি স্বাগত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বীর্য কেলেঙ্কারিতে জড়াল এবার থাইল্যান্ড! থাইল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলীয় নঙ খাই শহর দিয়ে সীমান্ত অতিক্রমের সময় এক ব্যক্তির ব্যাগে থাকা একটি নাইট্রোজেন বাক্সের ভিতরে ওই শিশিগুলো পাওয়া যায়। পুলিশ জানিয়েছে, চিনা ও ভিয়েতনামের কয়েকব্যক্তির কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয় বীর্যভরতি এই সমস্ত শিশিগুলি। প্রাথমিক তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, লাওসের রাজধানীর ভিয়েনতিয়ানের একটি ফার্টালিটি ক্লিনিকে এগুলি পৌঁছে দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বীর্য পাচারের সময়ে হাতেনাতে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল থাইল্যান্ডের পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে ছটি শিশি। এই সমস্ত শিশিতে করেই বীর্য পাচার করা হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, লাওসে এই সমস্ত বীর্য পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ক্যাম্বোডিয়ার একটি হাসপাতালেও তিনি কয়েকটি চালান পৌঁছে দিয়েছেন বলে পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়। বেশ কয়েকটি স্ক্যান্ডালের পর বিদেশিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে থাই মহিলাদের সারোগেট হিসেবে কাজ করা ২০১৫ সালে নিষিদ্ধ করে দেশের সরকার। এর পরের বছর সারোগেসি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে ক্যাম্বোডিয়া।

থাইল্যান্ড ও ক্যাম্বোডিয়ায় সারাগেসি নিষিদ্ধের পর প্রতিবেশী লাওসে বাণিজ্যিক সারাগেসি ব্যাপক আকারে বাড়তে দেখা যায়। ‘ব্যাংকক পোস্টে’র প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়, ধৃত ওই থাই চোরাচালানকারী গত বছর একইভাবে ১২ বার লাওসে গিয়েছেন, যেখানে ব্যাংককের বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে বীর্য সংগ্রহ করে তিনি তা লাওসের কয়েকটি ক্লিনিকে পৌঁছে দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

অনেকে ভাবেন, কলা খেলে ওজন বাড়ে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নানা উপায়ে কলা ওজন কমাতে সাহায্য করে। সারা বছর মেলে—এমন সবজি বা ফলের মধ্যে কলায় রয়েছে প্রচুর পটাশিয়াম। কলা শরীর ফুলে-ফেঁপে ওঠা ঠেকাতে পারে। তাই যাঁরা পেটের চর্বি কমাতে চান, তাঁরা খাদ্যতালিকায় কলা রাখতে পারেন।

কলায় কোলিনসহ সব ধরনের ভিটামিন বি আছে। এতে শরীরে চর্বি জমতে বাধা দেয়। বিশেষ করে, পেটের মেদ কমাতে নিয়মিত কলা খেতে পারেন। যাঁরা জাঙ্ক ফুডে অভ্যস্ত, তাঁরা এই অভ্যাস ছাড়তে কলা খেতে পারেন। যখন এ ধরনের খাবার খেতে ইচ্ছা হবে, তখন কলা খেলে খিদে মিটবে, আর পুষ্টিও মিলবে। কলা পাকস্থলীতে দরকারি ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে সাহায্য করে, যাতে খুব সহজে খাবার হজম হয়। খাবার ঠিকমতো হজম না হওয়ায় ওজন বাড়ে।
তবে কলার যে শরবত পেটের মেদ কমাতে সাহায্য করবে, তা তৈরি করতে কিছু উপকরণ লাগবে।

উপকরণ:
১) কলা- ১টি
২) আদার গুঁড়া- ২ টেবিল চামচ
৩) দই- আধা কাপ
৪) ফ্লাক্সিড-১ টেবিল চামচ

তৈরিকরণ পদ্ধতি:
একসাথে সকল উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। শরবতের মত মিহি না হওয়া পর্যন্ত ব্লেন্ড করুন। প্রতিদিন সকালে নাস্তা করার আগে এই মিশ্রণটি এক গ্লাস পরিমাণ পান করুন। সকালের নাস্তা বাদ দিয়ে শুধু এই শরবতটিও খেয়ে দেখতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আগামী ২০১৭-১৮ অর্থবছরের ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পাস করা হয়েছে। এটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এটি টানা নবম বাজেট। এর আগে তিনি আরো দুটি বাজেট দিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর নেতৃত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০ টায়। এরপর বাজেটের ওপর আলোনায় বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা ৫৯টি ছাটাই প্রস্তাব এবং ৩২৫টি দাবি উত্থাপন করেন।

এরমধ্যে আলোচনার জন্য ৭টি দাবি গৃহীত হয়। দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাজেট পাস করার জন্য অর্থমন্ত্রী তা উপস্থাপন করেন। পরে সংসদে কণ্ঠভোটে বাজেট পাস করা হয়।

এ সময় সরকার দলীয় সংসদ্যরা টেবিল চাপড়ে অর্থমন্ত্রীকে সমর্থনক ও স্বাগত জানান। কাল ১ জুলাই থেকে নতুন এ বাজেট কার্যকর হবে। নতুন ২০১৭-১৮ অর্থবছরের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার টাকার নির্দিষ্টকরণ বিল পাস করা হয়।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনের শুরুতেই মঞ্জুরি দাবিতে আলোচনা করার কথা জানান। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা এসব দাবিতে আলোচনা করেন। পাস হওয়া বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) আয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি বাজেটে এনবিআরের টার্গেট ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৩ হজার ১৫২ কোটি টাকা।

এ ছাড়া এনবিআর-বহির্ভূত খাত থেকে কর রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৬২২ কোটি টাকা। করবহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩১ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি বাজেটে জিডিপির লক্ষ্য ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। পরিকল্পনা কমিশন ইতিমধ্যে আভাস দিয়েছে চলতি ২০১৬-১৭ অর্থবছর শেষে ৭ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৪ শতাংশ, যা বিগত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

এ ছাড়া বাজেটে মূল্যস্ফীতির চাপকে ৫ দশিমক ৫ শতাংশে ধরে রাখার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। নতুন এই বাজেটে অনুন্নয়নমূলক ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ২৬২ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩১ কোটি টাকা। তবে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোর অর্থায়নে আরও ১০ হাজার ৭৫৩ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। সে হিসেবে মোট এডিপির আকার ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৫ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে; যা জিডিপির ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। এই বাজেটে সার্বিক ঘাটতি ধরা হয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা।

এ ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক উৎস থেকে ৫১ হাজার ৯২৪ কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬০ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা জোগান দেওয়া হবে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে ২৮ হাজার ২০৩ কোটি, সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও অন্যান্য ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা সংস্থানের ব্যবস্থা রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। নির্দিষ্টকরণ বিল পাস : আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যয়ের বাইরে সরকারের বিভিন্ন ধরনের সংযুক্ত দাড়ায় মিলিয়ে সংযুক্ত তহবিল থেকে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকার নির্দিষ্টকরণ বিল কণ্ঠভোটে পাস করা হয়।

মঞ্জুরি দাবি ও ছাঁটাই প্রস্তাব: আগামী অর্থবছরের বাজেটের ওপর সংসদে উত্থাপিত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ খাতের ৩২৫টি মঞ্জুরি দাবির বিপরীতে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র সাংসদরা ৫৯টি ছাঁটাই প্রস্তাব আনেন। এরমধ্যে ৭টি দাবি আলোচনার জন্য গৃহীত হয়। এবং বাকি ছাটাই প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

বাজেট পাস হওয়ার পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত স্পিকারের অনুমতি নিয়ে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যদের সবাইকে বাজেটোত্তর নৈশভোজে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

খাতওয়ারি বরাদ্দ: সংযুক্ত বিল ৫ লাখ ৩৫ হাজার ২১৪ কোটি ১৫ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয় অর্থ বিভাগে। এ বিভাগের ব্যয় ২ লাখ ৬ হাজার ৫৩০ কোটি ৮৬ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ব্যয়ের দিক থেকে সবচেয়ে কম হচ্ছে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে। এ খাতে ব্যয় ২১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত ব্যয় পর্যায়ক্রমে হচ্ছে প্রতিরক্ষায় ২৫ হাজার ৭৪০ কোটি ৭৫ লাখ ৮ হাজার টাকা এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে ২৪ হাজার ৬৭৪ কোটি ১১ লাখ টাকা। অন্য খাতের ব্যয়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ খাতে ৩১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় খাতে ১ হাজার ৪৫৭ কোটি ৬৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ৯৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ১ হাজার ৭০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৪৮ কোটি ৪১ লাখ টাকা, সরকারি কম-কমিসন খাতে ৭৪ কোটি ২২ লাখ টাকা। অর্থ বিভাগ মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয় খাতে ১৯৬ কোটি ৫ লাখ টাকা, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে ২ হাজার ২০৬ কোটি ৩ লাখ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ২ হাজার ৫৪০ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ খাতে ১০ হাজার ৯৮১ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে। পাশাপাশি পরিকল্পনা বিভাগে ১ হাজার ৩৩২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগে ১০০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে ৫১৮ কোটি ৭ লাখ টাকা, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ৬১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ১৮৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ৩০ কোটি ৪১ লাখ টাকা, আইন ও বিচার বিভাগ ১ হাজার ৪২৩ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ধরা হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ ১৮ হাজার ২৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগে ২১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে ২২ হাজার ২৩ কোটি ২৮ লাখ ১৯ হাজার টাকা, মাদমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিবাগে ২৩ হাজার ১৪৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে ১১ হাজার ৩৮ কোটি ১৩ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য সেবা খাতে ১৬ হাজার ২০৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ৯৭৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ৪ হাজার ৮৩৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৫৭৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে ২৬২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খাতে ৩ হাজার ৭৩৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা, তথ্য মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ১৪৫ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৪১৭ কোটি ৭৭ হাজার টাকা।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬৫৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৩৮৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগে ১ হাজার ৮৮৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, শিল্প মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ৮২৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে ৮৯৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগে ২ হাজার ২২৪ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, কৃষি মন্ত্রণালয়ে ১৩ হাজার ৬০৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৯২৯ কোটি ৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ১২০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে ১ হাজার ৮৫৮ কোটি ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার টাকা, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ৫ হাজার ৯২৬ কোটি ৪৪ লাখ টাকা, খাদ্য মন্ত্রণালয়ে ১৪ হাজার ৪০২ কোটি ৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৮ হাজার ৮৫৩ কোটি ১২ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

এছাড়া সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে ১৯ হাজার ৬৯৭ কোটি ২১ লাখ টাকা, রেলপথ মন্ত্রণালয়ে ১৬ হাজার ১৩৫ কোটি ৯ লাখ টাকা, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৭৩২ কোটি টাকা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে ৬৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৫২২ কোটি ৯৪ লাখ টাকা, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ১ হাজার ১৫০ কোটি ১৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা, বিদ্যুৎ বিভাগ ১৮ হাজার ৮৯৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা, সুপ্রিমকোর্ট ১৬৫ কোটি ১৬ লাখ টাকা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে ৩ হাজার ৯৮৬ কোটি ৩৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে ৬৮৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে ১০১ কোটি ৭১ লাখ টাকা ও সেতু বিভাগে ৮ হাজার ৪২৯ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৫ হাজার ২৭০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা, সুরক্ষা সেবা খাত ২ হাজার ৮৮২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ খাতে বরাদ্দ ৪ হাজার ৪৭৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর আগে বুধবার সংসদে অর্থবিল-২০১৭ পাস হয়। যে বিলে করসংক্রান্ত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest