photo-1496995454চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ‘এ’ গ্রুপের খেলার অনেকটাই কেড়ে নিয়েছে বৃষ্টি। প্রকৃতি বাধায় টানা দুটি ম্যাচে ফল দেখেনি অস্ট্রেলিয়া। বৃষ্টির কারণে নিশ্চিত জয় বঞ্চিত হয়েছে নিউজিল্যান্ড। আজ গ্রুপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। আবহাওয়া রিপোর্ট বলছে, এ ম্যাচেও বৃষ্টি হানা দিতে পারে।

কার্ডিফের আবহাওয়া প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, আজ সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রিতে সেটা নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সকালে শহরটিতে তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি। বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ছিল ১৯ কিলোমিটার। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৭৮ শতাংশ। দুপুর পর্যন্ত বৃষ্টি না হলেও এরপরই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। মেঘে ঢেকে আছে কার্ডিফের আকাশ।

যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, এই ম্যাচেও বৃষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাংলাদেশের জন্য ‘অঘোষিত ফাইনাল’ এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই ম্যাচে হারলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেবে মাশরাফির দল। আর জয় পেলে টিকে থাকবে সেমিফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা।

বৃষ্টির কারণে গত বৃহস্পতিবার থেকেই ভেন্যুতে অনুশীলন করতে পারেনি বাংলাদেশ দল। অবশ্য এই বৃষ্টির কারণে অবশ্য একটি মূল্যবান পয়েন্ট পেয়েছিল মাশরাফিরা। যে কারণে এখনো সেমিফাইনালে খেলার আশা জিইয়ে রেখেছে তারা। তবে এই ম্যাচে বৃষ্টি হলে বাংলাদেশের স্বপ্নটা ভেঙে যাবে। বিষয়টা মানছেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফিও। বৃষ্টি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমাদের একটা কথা মানতেই হবে, বৃষ্টি হলে কারোই কিছু করণীয় থাকবে না। তাই এই বৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করে কোনো লাভও নেই। কারণ বিকল্প কোনো রাস্তা নেই আমাদের হাতে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1496895279সম্প্রতি খবরের কাগজ কি আকাশ খবরের পর্দা খুলিলেই দেখা যায়, দেশে বড় বড় অপরাধ যেমন ঘটিতেছে তেমনই মুড়ি-মুড়কির মতন মৃত্যুদণ্ডও আকছার বাঁটিয়া দেওয়া হইতেছে। আমাদের দেশে এখনও যে বিলিতি আইনের চল আছে তাহার অন্তর্গত নীতি এই যে বরং দুইজন অপরাধী ছাড়া পাক, কোন নিরপরাধ যেন অকারণ দণ্ড না লাভ করে। আইনের ফোকর দিয়া বহু দাগী অপরাধী ছাড়া পাইয়া যাইতেছে—একথা অসত্য নয়। বড় বড় অপরাধীপ্রবর মধ্যে মধ্যে দেশাহিতৈষীর বেশে দাঁড়াইয়া ওয়াজ-নসিহতও করিতেছেন। আমরা তো একপ্রকার মানিয়াই লইয়াছি—অপরাধ দুই চারিটা হইলে হউক, উন্নতির অগ্রযাত্রা যেন ব্যাহত না হয়।

দেশে বিচার আচার যে কম হইতেছে—তাহাও নয়। প্রতিদিন কাগজের পর্দা সরাইলেই খবর পাওয়া যায় দুই কি চারিটা মৃত্যুদণ্ড বিতরণ করা হইয়াছে। আমাদের দেশে গণতন্ত্র নাই—এমন গুজব যাঁহারা ছড়াইতেছেন তাঁহাদের ভাবিয়া দেখিতে বলি দেখুন, আমাদের বিচার-ব্যবস্থায় অন্তত গণতন্ত্র বিরাজমান। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই মৃত্যুদণ্ডের স্বাদ ভোগ করিতেছেন। মাঝে মধ্যে দেওয়ালে সাঁটা পোস্টারও দেখি দুইদশটা। এই বা সেই অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড দাবি করা এইসব পোস্টারে কথিত অপরাধীর ফাঁস-আটা মুখচ্ছবিও দেওয়া থাকে। একদণ্ড ভাবিলেই বোঝা যায়, মৃত্যুদণ্ড জিনিশটা আমাদের সাধ্যের মধ্যে আসিয়া গিয়াছে। আমি এই নিবন্ধে সাহস করিয়া বলিতে চাই—এখন মৃত্যুদণ্ড একটা সাধের বস্তুও হইয়া উঠিয়াছে। সত্য বলিতেছি, দেওয়ালেরও চোখ আছে।

১৯৭১ সালের পরের কোন একসময় আমাদের প্রবীণ বন্ধু আবু সালেহ একটি ছড়ায় বলিয়াছিলেন, ‘ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না, বলা যাবে না কথা। রক্ত দিয়ে পেলাম শালার মরার স্বাধীনতা।’ কথাটা এতদিনে বুঝি আক্ষরিক সত্য হইয়া উঠিতেছে। কাহারও কাহারও জন্য স্বাধীনতা পাইবার একমাত্র পথ মৃত্যুদণ্ড লাভ করা। আর কাহারও জন্য বা মৃত্যুদণ্ড পাইবার একমাত্র পথ স্বাধীনতা লাভ করা।

এক্ষণে একটা প্রশ্ন আমাদের জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন দেখা দিয়াছে—এই যে আমরা এত ঘন ঘন মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করিতেছি, তাহাতে কি অপরাধের মাত্রা বা অপরাধ-প্রবণতা আদৌ কমিতেছে? এ বিষয়ের সঠিক উত্তর পাওয়া অসম্ভব। কেননা এহেন সস্তায় মৃত্যুদণ্ড বিতরণ না করিলে—যে কেহ যুক্তি দেখাইতে পারেন—দেশে খুন, অপহরণ, রাহাজানি বা ধর্ষণক্রমে শত অপরাধ আরো হাজারগুণে বাড়িয়া যাইত। আমরা শুদ্ধ ভয়ে ভয়ে বলিতেছি, এত যে মৃত্যুদণ্ড ‘বিক্রয়’ করিতেছেন তাহাতেও কি অপরাধ কিছু পরিমাণে কমিয়াছে? তাহা হইলে উপায়?

আমরা স্বীকার করিয়া বলিব, এই প্রশ্নের সত্য উত্তর বলিয়া কিছু নাই। একটা উত্তর অবশ্য গ্রহণ করা যায়। মৃত্যুদণ্ডসহ এই দুনিয়ার সকল শাস্তির লক্ষ্য কিন্তু অপরাধ দূর করা নয়, অপরাধকে খানিক তফাতে রাখা। কে না জানে, এইভাবে অপরাধ রোধ করা যায় না। তাহাকে তাঁবে রাখা যায় বড়জোর। কথাটা খুলিয়া বলিতে হয়, মুষ্টিভিক্ষায় যেমন দারিদ্র দূর হয় না, তেমনি মৃত্যুদণ্ডেও অপরাধ পায়ে হাঁটিয়া চলিয়া যায় না। তো আমরা প্রতিদিন এহেন শাস্তির বিধান রাখিতেছি কেন? এক কদম আগাইয়া বলি, দিন দিন মনে হয় দেশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান জনপ্রিয় হইতেছে।

সৃষ্টির আদি হইতেই শাস্তির একটা লক্ষ্য বলা হইয়া থাকে অপরাধ দমন। কিন্তু আরেকটা লক্ষ্য সমানেই জারি আছে—ইহার নাম প্রতিশোধ গ্রহণ। কেহ কেহ ‘প্রতিশোধ’ শব্দটার সংশোধন করিয়া ‘প্রতিকার’ বলিয়া একটা মতবাদও খাড়া করিয়াছেন। ইঁহাদের মধ্যে এমানুয়েল কান্টের মতন বড় বড় জগদ্বিখ্যাত তত্ত্ববিজ্ঞানীও আছেন—একথা আমরা ভুলি নাই। তাহা হইলে এই দুঃখের শেষ কোথায়? আরও বলি—শেষ বলিয়া আদৌ কিছু আছে কি?

এখন হইতে আনুমানিক পাঁচশত বৎসর আগের কথা। যে দেশ পৃথিবীব্যাপী সাম্রাজ্যবিস্তার করিবার পর এতদিনে বৃদ্ধ হইয়া ঘাগু সিংহের মতো নিজের গুহায় ঝিমাইতেছে সেই প্রবীণ ইংলন্ড দেশের কথা। সেকালে ঐদেশের প্রবীণ তত্ত্বজ্ঞানী স্যার টমাস মোর (১৪৭৮-১৫৩৫) ‘এয়ুটোপিয়া’ বা ‘কল্পলোক’ নামে একটি উপন্যাস (১৫১৬-১৭) লিখিয়াছিলেন। ঐ উপন্যাসের গোড়ায় তিনি ইংলন্ডের তৎকালীন বিচারব্যবস্থার এক অবিস্মরণীয় ছবি আঁকিয়াছিলেন। স্যার টমাস মোর ছিলেন গ্রিক তত্ত্বজ্ঞানী প্লাতোন ওরফে আফলাতুনের পরম অনুরাগী। আফলাতুনের অনুকরণে দুই পণ্ডিতের সংলাপ আকারে টমাস মোরও তাঁহার উপন্যাসটা ফাঁদিয়াছিলেন।

‘কল্পলোক’ উপন্যাসের এক জায়গায় জনৈক আইনজীবী বলিতেছেন, ইংলন্ডের আইনই এই দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ আইন, কেননা ইংলন্ডের আইনে কোন চোর-ছ্যাঁচড়কেও একরত্তি ছাড় দেওয়ার অবকাশ হয় না। প্রমাণস্বরূপ তিনি এক আইনের নজির দেখাইলেন। তখন সে দেশের সব জায়গায় চোর ধরা পড়িবামাত্রই ফাঁসি দেওয়া হইতেছিল। তিনি জানাইলেন, একই ফাঁসির কাঠ হইতে কখনো কখনো একযোগে বিশজন করিয়া চোরও ঝোলানো হইতেছে।

এইটুকু বলিয়াই ভদ্রলোক ক্ষান্ত হন নাই। তিনি আরো একটা কথা বলিলেন, ‘অবাক কাণ্ড কি জানেন, যেখানে হাতে গোনা দুইচারিজন বাদে প্রায় সকল চোরকেই ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হইতেছে সেখানে কোথা হইতে জানি না এত এত চোর গজাইয়া উঠিতেছে।’ এই প্রস্তাবের উত্তরে টমাস মোরের নায়ক—ইঁহার নাম রাফায়েল হিথলোদে আর ইনি ভুবন পর্যটকও বটেন—বলিলেন, ‘এখানে তো অবাক হইবার কিছু নাই : চোর-ছ্যাঁচড়ের শাস্তিস্বরূপ এইভাবে মৃত্যুদণ্ড বাঁটিয়া দেওয়াটার মধ্যে আর যাহাই থাকুক ন্যায়-বিচার আদৌ নাই। আর সবচেয়ে বড় কথা ইহাতে দেশের ও দশের কোন উপকারও হইতেছে না। শাস্তির মধ্যে মৃত্যুদণ্ডই হইল সবচেয়ে বড় শাস্তি, অথচ অপরাধ দমনের ওষুধ বিচারে এই দণ্ড তো মোটেও কাজে আসিতেছে না।’

রাফায়েল হিথলোদে কথাটার আরো একটু ব্যাখ্যা যোগ করিলেন, ‘সাধারণ ছিঁচকা চুরিও অপরাধ বটে—একথা সত্য। কিন্তু এই লঘু অপরাধে মানুষের মাথা কাটিবার মতন গুরুদণ্ড দেওয়া তো সমীচীন নয়। তদুপরি, যাহাদের জীবনধারণের কোন উপায়-উপকরণ নাই তাহারা চুরি বা ডাকাতি তো করিবেনই—শাস্তিটা যত কঠিনই হোক, যত নির্দয়ই হোক, তাহাতে কেহ চুরি কিংবা ডাকাতি রোধ করিতে পারিবেন না।’ উপন্যাসের কাহিনী অনুসারে, রাফায়েল হিথলোদের বাড়ি পর্তুগাল দেশে। তিনি ভুবন ভ্রমিয়া শেষে টমাস মোরের দেশে আসিয়াছেন। তিনি একাধারে তত্ত্বাবিশরাদ এবং অভিজ্ঞ নাবিক।

রাফায়েল বলিলেন, ‘এই অপরাধ ও শাস্তি বিষয়ের এস্তেমাল করিতে বসিয়া আপনারা—এই ইংলন্ডদেশীয় বিজ্ঞলোকেরা—কোন কোন আজেবাজে শিক্ষকের মতো আচরণ করিতেছেন। বাজে শিক্ষকরা কি করেন, তাঁহারা ছাত্র-ছাত্রীদের না পড়াইয়া উল্টা তাহাদের ধরিয়া ধরিয়া ঠ্যাঙানি দেন। আপনারাও চুরির মতন সামান্য অপরাধে কঠিন কঠিন ও ভয়ানক শাস্তির আইন বানাইয়াছেন। অথচ তাহা না করিয়া আপনারা এমন ব্যবস্থা তো করিতে পারিতেন যাহাতে দেশের সকল মানুষ যে যাহার জীবিকা হয় মতো আয়-উপার্জন করিতে পারেন। অথচ এখন কিনা তাহারা বাঁচিয়া থাকিবার ভয়াবহ দায়ে পড়িয়া প্রথমে করিতেছেন চুরি আর পরে পরিণামে—চুরির দায়ে—মারা পড়িতেছেন।’

আলাপের এই পর্যায়ে আইনজীবী মহোদয় বলিলেন, ‘সে ব্যবস্থা তো আছেই। দেশে কাজের অভাব নাই। ইচ্ছা করিলেই তাহারা একটা না হোক আরেকটা কাজে নামিয়া পড়িতে পারেন—দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য আছে না? চাষবাসের কাজ তো পড়িয়াই আছে। ইহারা ইচ্ছা করিয়াই বদমায়েশি করিতেছে।’

রাফায়েল তখন বলিলেন, ‘এইভাবে যুক্তি দেখাইয়া তো আপনি পাড় পাইবেন না। যাহারা বিগত দুই দুইটা যুদ্ধে—একটা দেশের ভিতরের অভ্যুত্থান প্রচেষ্টায়, অন্যটা ফ্রান্সের রাজার সহিত যুদ্ধে—এই ইংলন্ডেই না কত লোক যে আহত ও পঙ্গু হইয়া ফিরিয়াছে। বিদ্যার মধ্যে ইহারা জানিতেন একটাই—সেই যুদ্ধবিদ্যা—এখন যুদ্ধে তাহাদের কাজ কি! এদিকে এই বয়সে নতুন কোন বিদ্যাশিক্ষার মুরোদও তাহাদের নাই।’ রাফায়েলের মতে, এই ছাঁটাই হওয়া সৈনিকেরাই দেশের একটা বিরাট বোঝা হইয়া দাঁড়াইয়াছেন। চুরি-ডাকাতি ছাড়া তাহাদের আর উত্তম কোন পেশা নাই।

তাহা ছাড়া দেশের বড়লোকেরা তো রহিয়াছেনই। তাহাদের মধ্যে যাঁহারা জমিদার তাহার দিনকে দিন জমির খাজনা বাড়াইতেছেন আর গরিব চাষীদের সুযোগ পাইলেই কৃষিজমি হইতে উচ্ছেদ করিতেছেন। বড়লোকদের থাকে পাইক পেয়াদা বরকন্দাজ লাঠিয়াল। কখনো যদি এক জমিদারের মৃত্যু হয়, তখন অনেক পাইক পেয়াদা চাকরি হারায়। তখন ইহাদের চোর-ডাকাতের দলে যোগ দেওয়া ছাড়া অন্য পথ থাকে না। কারণ দেশে ততদিনে পরিবর্তন ঘটিতেছে। পুঁজির প্রাথমিক সঞ্চয়ন শুরু হইয়াছে।

স্যার টমাস মোর—রাফায়েলের মুখ দিয়া—পরিশেষে বলিলেন, ষোড়শ শতকের গোড়ার দিকে ইংলন্ডে ভেড়ায় মানুষ খাওয়া শুরু করিয়াছিল। কারণ জমির মালিকেরা পশমের চাষ করিবার মতলবে হাজার হাজার কৃষকের জমি কাড়িয়া লইতেছিলেন। আর সেই জমিতে ফসলের চাষ না করিয়া পশম ছাঁটিবার উপযোগী ভেড়া চরাইতে শুরু করিয়াছিলেন তাঁহারা। এইভাবে ভূমি হইতে উচ্ছেদ হইয়া চাষীসমাজের একাংশ চুরি-ডাকাতির পথ বাছিয়া লইতে বাধ্য হইয়াছিলেন। উনিশ শতকের একজন বিখ্যাত গবেষক—রাফায়েল হলিনশেড—দেখাইয়াছেন একা অষ্টম হেনরি নামক এক রাজার রাজত্বকালেই (১৫০৯-১৫৪৭) ইংলন্ড দেশে ৭২,০০০ চোরকে ফাঁসিতে ঝোলানো হইয়াছিল। তাহাতে চুরির প্রকোপ দুই আনাও কমে নাই।

লেখক : প্রাবন্ধিক ও অধ্যাপক, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

8576e87fcb3174f78ede58fede994d47-593a3f9a6d375ব্রিটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে তিন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী আবারও জয়ী হচ্ছেন এমন আভাস পাওয়া গিয়েছিল আগেই। সে আভাসকে সত্যি করে অবশেষে নিজ নিজ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ের ধারা বজায় রাখলেন টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক, রুশনারা আলী এবং রূপা হক। এর মধ্যে, টিউলিপ ও রূপা দ্বিতীয়বারের মতো আর রুশনারা তৃতীয়বারের মতো জয় পেয়েছেন।

২০১৫ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে রেকর্ড বিজয় অর্জন করেন টিউলিপ,রুশনারা ও রূপা। এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশি প্রার্থীর সংখ্যা আরও তিনজন বেড়ে ১৪ জন হয়। এদের মধ্যে ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন লেবার পার্টি থেকে, একজন লিবারেল ডেমোক্র্যাট পার্টি থেকে এবং ৪জন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৮ জুন (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে টিউলিপ বিজয়ী হয়েছেন লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে, রুশনারা বিজয়ী হয়েছেন বেথনাল গ্রিন এন্ড বো আসন থেকে এবং রূপা বিজয়ী হয়েছেন লন্ডনের ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসন থেকে।  আগের বারও তারা একই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। অনেকে তাদেরকে ‘তিন কন্যা’ হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন।

এবার বাংলাদেশি এ রাজনীতিক লন্ডনের হ্যাম্পস্টেড ও কিলবার্ন আসনে প্রায় ১৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। গতবারের নির্বাচনে জয়ের ব্যবধান ছিল এক হাজারের একটু বেশি । সেই তুলনায় এবার ১৪.৬ শতাংশ বেশি ভোট পেয়েছেন তিনি। গতবার টিউলিপ জিতেছেন মাত্র এক হাজার ১৩৮ ভোটের ব্যবধানে। তবে এবার ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টি লেবার পার্টির আসনগুলোতে জয় পেতে মরিয়া ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত টিউলিপ জয় ধরে রাখলেন।

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সাধারণ নির্বাচনে রুশনারা পেয়েছেন ৪২ হাজার ৯৬৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ পার্টির চার্লট চিরিকো পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৭৬ ভোট। অর্থাৎ ৩৫ হাজার ভোটের বিশাল ব্যবধানে জয় পেয়েছেন রুশনারা।

লেবার প্রার্থী রূপা হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসির প্রাপ্ত ভোট  ১৯ হাজার ২৩০ । গতবার মাত্র ২৭৪ ভোটে জয় পাওয়া রূপা এবার জিতেছেন ১৩ হাজার ৮০৭ ভোটের ব্যবধানে। ২০১৫ সালে রূপা হক প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে হঠাৎ করে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ায় রূপা হককে দুই বছরের মাথায় আসনটি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হয়।

টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক লন্ডনের মিটচ্যামে ১৯৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লন্ডনের কিংস কলেজ থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এবং রাজনীতি, নীতি ও সরকার বিষয়ে দুইটি মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ২০১৫ সালে টিউলিপ নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিনের ছায়া মন্ত্রিসভায় নিযুক্ত হন। চলতি বছরের শুরুতে পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট বিলের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন তিনি। এ কারণে তিনি লেবার পার্টির ছায়া মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

রুশনারা আলী ২০১০ সালে প্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হন। তিনিই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য। ২০১৫ সালে তিনি পুননির্বাচিত হন। তার পূর্বসূরীরা বাংলাদেশের সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার বাসিন্দা ছিলেন।

আর কিংসটন ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক রূপা লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে তার আদি বাড়ি পাবনায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

a68a41468f373fd289d76956787cb376-593a372eda28eএই প্রতিবেদন রচনার সময় পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি ব্রিটেনের নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল। ৬৫০ আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ফলাফল পাওয়া গেছে ৬৪৬টি আসনের। প্রাপ্ত ফলাফলে কনজারভেটিভরা পেয়েছে ৩১৫ টি আসন। লেবার পার্টি পেয়েছে ২৬১টি আসন। আর মাত্র ৪টি আসনের ফলাফল বাকি। নিরঙ্কুশ জয় নিশ্চিত করতে একটি দলকে ৩২৬টি আসনে জয়ী হতে হয়।
গাণিতিকভাবেই এখন আমরা বলতে পারি, ব্রিটেনে এবার এককভাবে কেউ সরকার গঠন করতে পারছে না। দেশটি একটি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট পেতে যাচ্ছে। আর ভোটের ফলাফল ঝুলন্ত পার্লামেন্টের পক্ষে যাওয়ায় নিশ্চিত হওয়ার উপায় নেই কে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন। কেননা এই ধারার পার্লামেন্ট মানেই চৈতন্যে অস্থিতিশীলতা।
মূলত এধরনের পরিস্থিতি হলে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতায় থাকবেন এবং ডাউনিং স্ট্রিটেই বসবাস করবেন যতক্ষণ না কারা নতুন সরকার গঠন করবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। তারপর ঝুলন্ত ওই সাংসদরা নিজেদের মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক করবেন। তারা চেষ্টা করবেন জোট গঠন করে একটা সরকার গঠন করতে অথবা কনজারভেটিভ দলের নেতা থেরেসা মে অথবা লেবার নেতা জেরেমি করবিনকে প্রধানমন্ত্রী করে হয়ত কোনো একটা সমাঝোতার ভিত্তিতে সরকার গঠন করতে। অথবা দুই দলের মধ্যে কোনও একটি দলের নেতা সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে তারা সংখ্যালঘু সরকার গঠন করবেন; এই ভিত্তিতে যে যখন পার্লামেন্টে আইন পাশ করতে হবে, তখন ছোট দলগুলোর সমর্থন তারা নিশ্চিতভাবে পাবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক :02 আসন্ন বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।
শুক্রবার (৯ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সামনে সদর উপজেলার মাছখোলা ও জেয়ালা নারী সংগঠন, তুজুলপুর কৃষক কাব, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা সংস্থা এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক সম্মিলিতভাবে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
এতে সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণের দাবিতে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি আনিছুর রহিম, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, তুজলপুর কৃষক কাবের সভাপতি ইয়ারব হোসেন, জেয়ালা গ্রামের কৃষক নেতা এমদাদুল হক, দামারপোতার সাইদুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে জেলার সাতক্ষীরা সদর, তালা ও  কলারোয়া উপজেলার ৪০টিরও বেশি ইউনিয়ন ও সাতক্ষীরা পৌরসভা জলাবদ্ধতা কবলিত হয়। ছয় মাসেরও বেশি সময় দুই শতাধিক গ্রামে জলাবদ্ধতা থাকায় ধ্বংস হয় ঘর-বাড়ি, রাস্তা-ঘাট, সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকা-সহ স্থানীয় জীববৈচিত্র্য। কর্ম হারায় মানুষ। কিন্তু আগে থেকেই নেট-পাটা ও বাধ অপসারণ পূর্বক খাল-বিল, নদী-নালা মুক্ত করে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করতে পারলে এই ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
বক্তারা অবিলম্বে জেলার সকল খাল-বিল, নদী-নালা মুক্ত করে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত করে জলাবদ্ধতা প্রতিরোধে পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণের দাবি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

R0NVgB_lasরাজধানীর তুরাগের রানাভোলা বটতলা এলাকার একটি বাসা থেকে তিন সন্তানসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহতরা হলেন, স্ত্রী রেহেনা পারভীন (৪০), তার বড় মেয়ে শান্তা (১৩), ছোট মেয়ে শেফা (৮) ও  আট মাসের ছেলে সাদ।
তাদের বাবার নাম মোস্তফা কামাল।

রেহেনার স্বামীর কাছ থেকে পাওয়া প্রাথমিক তথ্যের বরাত দিয়ে তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবে খুদা জানান, গতকাল দিবাগত রাত ১২টার পর রেহেনার স্বামী মোস্তফা কামাল বাসায় ফিরে দেখতে পান, তিন শিশুর লাশ খাটের ওপর পড়ে আছে। তাদের গলায় ওড়না দিয়ে গিঁট দেওয়া ছিল। আর পাশের রুমে রেহেনা বেগমকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুসহ মাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। তাদের মৃত্যুর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

9NrhMy_neymarব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে অপেক্ষা করে থাকেন ফুটবলপ্রেমীরা। আজ মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিল-আজেন্টিনা মহারণ। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের এক ও দুই নম্বর দল। প্রীতি ম্যাচ হলেও আর্জেন্টিনার জন্য বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে এই ম্যাচ। দুদলের মুখোমুখি লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার চেয়ে এগিয়ে ব্রাজিল।

কোথায়-কখন
প্রীতি ম্যাচটি মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ০৫ মিনিটে। আর ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করবে অ্যারেনা স্পোর্ট ১, পিটিভি স্পোর্ট, ফক্স স্পোর্টস ১, ফক্স স্পোর্টস ২।

মেসি-নেইমার খেলবেন?
এই ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে সাম্পাওলি-মেসি যুগ। মেসির কোচ হওয়ার ইচ্ছার কথা অনেকবারই বলেছেন চিলি ও সেভিয়াকে কোচিং করিয়ে আলোচিত এই কোচ। অবশেষে তাঁর স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। মেসি এই ম্যাচের অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন। তবে এই ম্যাচে খেলবেন না নেইমার। বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে।

মুখোমুখি লড়াই
ফিফার মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যান বলছে, দুদল ১০৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ব্রাজিল জিতেছে ৪০ বার, ৩৭ বার আর্জেন্টিনা। ২৬টি ম্যাচ হয়েছে ড্র। সর্বশেষ দেখায় আর্জেন্টিনাকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ব্রাজিল। গত নভেম্বরের এই পরাজয় প্রভাব ফেলেছে আর্জেন্টিনার বাছাই পর্বের দুর্দশায়। দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চল থেকে সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা এখনো পাঁচে পড়ে আছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

jLRavZ_Tulipডেস্ক রিপোর্ট : মাত্র ২ বছরের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক। ৩৪ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন টিউলিপ। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ১৮ হাজার ৯০৪ ভোট। যুক্তরাজ্যের হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন থেকে টিউলিপ লেবার পার্টির হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে নির্বাচিত হয়েছেন আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রূপা হক। ২০১৫ সালে রূপা হক প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। লন্ডনের ইলিং সেন্ট্রাল অ্যান্ড অ্যাকটন আসনে জয় পেয়েছেন তিনি।
লেবার প্রার্থী রূপা হক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৭। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ দলের প্রার্থী জয় মোরিসির প্রাপ্ত ভোট ১৯ হাজার ২৩০। প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে হঠাৎ করে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘোষণা দেওয়ায় রূপা হক ও টিউলিপকে দুই বছরের মাথায় আসনটি ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হয়। রুশনারা ২০১০ সালে প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
কিংসটন ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক রূপা লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলাদেশে তার আদি বাড়ি পাবনায়। লন্ডনের মধ্যে এবার রুপার আসনটি এবার সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
রুশনারা আলী বেথনাল গ্রিন অ্যান্ড বো আসনে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতনি টিউলিপ রেজওয়ানা সিদ্দিক হ্যাম্পস্টেড অ্যান্ড কিলবার্ন আসন ধরে রাখতে লড়েন। রুশনারা ২০১০ সালে প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হিসেবে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest