সর্বশেষ সংবাদ-
 শ্যামনগরে ছেলের গাড়ীর পেট্রোল নিতে জন্য দীর্ঘ লাইনে মাসাতক্ষীরায় পেশাজীবী গাড়ি চালকদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ কর্মশালাকালিগঞ্জে মৎস্য ঘেরে বিষ প্রয়োগ- ২০ লাখ টাকার ক্ষতিসাংবাদিক শরীফুল্লাহ কায়সার সুমনের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতিচ্যানেল ওয়ানে জাকিরের নিয়োগ : প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দনসাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সংঘর্ষে আহত ১৪কালিগঞ্জে বিএনপির সভাপতির বিরুদ্ধে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে সম্পত্তি দখল ও লুটপাটের অভিযোগসাতক্ষীরার প্রাক্তন রোভার স্কাউটদের সংগঠন স্বপ্নসিঁড়ির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনসাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়-কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনারসাতক্ষীরায় জলবায়ু সহনশীলতায় নারী নেতৃত্বের ভূমিকা বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরায় সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি।

২০ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা-৩৩ বিজিবি হেডকোয়াটার চত্বরে ধ্বংস করা হয় এসব মাদক দ্রব্য।

বিজিবি জানায়, ১ জুন ২০২১ তারিখ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখ পর্যন্ত সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবির অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদক দ্রব্য ধ্বংস করা হয়।
এসব মাদক দ্রব্যের মধ্যে ছিল ১১ হাজার ৭৮৯ বোতল ফেন্সিডিল, বিভিন্ন প্রকার মদ ৫ হাজার ৭৮১ বোতল, ২৪৩ কেজি গাজা, ২৪ গ্রাম ৩১ মিলি গ্রাম হিরোইন, ১৭ হাজার ৭৮৬ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট, ৩৫ হাজার ৪৬৫ পিচ ভারতীয় অনাগ্রা ট্যাবলেট, ৪৭ হাজার ৪৩২ পিচ ভারতীয় সেনেগ্রা ট্যাবলেট, ১৪৮ পিচ ভারতীয় ভায়াগ্রা ট্যাবলেট, ৩ হাজার ৮৭ প্যাকেট পাতার বিড়ি, ৩২৫ কেজি তামাক পাতা এবং ৩০৫ কেজি তামাক পাতার গুড়া।

মাদক ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ৩৩ বিজিবি খুলনার সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মামনূর রশীদ, সাতক্ষীরার অধিনায়ক লে: কর্ণেল মো: আশরাফুল হক, অতিরিক্ত পরিচালক(অপারেশন) মেজর রেজা আহমেদ, সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সজীব তালুদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মীর আসাদুজ্জামান, সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের পরিদর্শক তাজুল ইসলাম, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাসুদ রানাসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সাতক্ষীরার ৪৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও জেলা শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে রবিবার সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে কেক কাটা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও নাটক মঞ্চস্থ হয়।

সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন’র সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মোঃ নজরুল ইসলাম।

এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বাসু, সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষা, শিল্পকলা একাডেমির সহ-সভাপতি নাসরিন খান লিপি, সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান মিল্টন প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে বিদেশি সাংস্কৃতিক পরিহার করে দেশি সাংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে হবে। শিল্প একাডেমি রয়েছে বলেই আমাদের দেশি সংস্কৃতি বিকশিত হচ্ছে এবং শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চায়ও আগ্রহ বাড়ছে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দেবহাটা প্রতিনিধি : দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বদলীজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১৯ শে ফেব্রুয়ারি ২৩ ইং দুপুর ১টায় হাসপাতালের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত উক্ত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ আব্দুল লতিফ।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সদ্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে যোগদানকারী ডাঃ বিপ্লব মন্ডল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মারুফ হাসান, ডাঃ রেহানা আক্তার খাঁন, দেবহাটা জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আর.কে.বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, ইমারজেন্সী ইনচার্জ ডাঃ মোনতেজউদ্দীন, ইপিআই কর্মকর্তা সালাহউদ্দীন আলী, সিনিয়র স্টাফ নাস রিতা সরকার, ফারিয়ার সভাপতি কবির আহম্মেদ, হাসপাতালের ক্যাশিয়ার আইয়ুব হোসেন, পরিসংখ্যানবীদ মামুন-অর রশিদ, অফিস সহায়ক নয়ন কুমার দাশ প্রমুখ।

বক্তারা এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ বিপ্লব মন্ডলের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দেন এবং তার ভবিষ্যত জীবনের সাফল্য কামনা করেন।

ডাঃ বিপ্লব মন্ডল এসময় তাকে সহযোগীতার জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং তার জন্য আর্শীবাদ কামনা করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ডাঃ আব্দুল লতিফ বিপ্লব কুমারের বিভিন্ন মানবিক কাজের বর্ননা দিয়ে বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে বিপ্লব মন্ডলের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে দেবহাটাবাসী মনে রাখবে বলে আলোকপাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

আসাদুজ্জামান ঃ ভাষা শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিকের স্বীকৃতি এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। আনোয়ার হোসেন স্মৃতি সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে রবিবার সকাল ১১টায় আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা বাজার সংলগ্ন আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কে উক্ত মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

সংগঠনটির আহবায়ক সচ্চিদানন্দ দে সদয়ের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, দৈনিক দক্ষিণের মশাল পত্রিকার সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যক্ষ মাহাবুবুল হক ডাবলু, কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি পলাশ, আশাশুনি প্রেসক্লাব সভাপতি আহসান হাবীব, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গফুর, আব্দুল গফফার, অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য শফিফুল ইসলাম, গ্রাম ডাক্তার কল্যাণ সমিতির সভাপতি রফিক আহমেদ, সাংবাদিক রঘুনাথ খাঁ প্রমূখ।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, সংগঠনটির সদস্য সচিব এস.কে হাসান ও হাসান ইকবাল মামুন।
বক্তারা বলেন, শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ১৯৩০ সালে নানার বাড়ি বুধহাটা গ্রামে আনোয়ার হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম ছিল কনুই গাজী ও মায়ের নাম পরীজান বিবি। তিন ভাইয়ের মধ্যে আনোয়ার হোসেন ছিল সবার বড়। মেধাবী আনোয়ার হোসেন বাড়ি সংলগ্ন বুধহাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া শুরু করেন। এর পর বুধহাটা বি.বি.এম কলেজিয়েট বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একপর্যায়ে তিনি খুলনা জেলা স্কুলে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৪৬ সালে এসএসসি পাস করেন। এরপর তিনি খুলনার বিএল কলেজে পড়াশুনাকালীন ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন। তরুণ আনোয়ার হোসেন ভাষা আন্দোলনের একপর্যায়ে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ খুলনার তৎকালিন গান্ধী পার্কে (বর্তমানে হাদিস পার্ক) ভাষা আন্দোলনের পক্ষে ইস্তেহার পাঠ করার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েকদিন পর তিনি মুক্তি পান। পরে ভাষা আন্দোলনের মিছিল থেকে ১৯৪৯ সালে পুলিশ তাকে আবারও গ্রেপ্তার করে প্রথমে তাকে কোতয়ালী থানায় রাখা হয়। পরে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় রাজশাহী কারাগারে।

সেখানে পাকিস্তান সরকারের নির্যাতন ও নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন তিনি। একপর্যায়ে ১৯৫০ সালে ২৪ এপ্রিল রাজশাহী জেলে খাপড়া ওয়ার্ডে গুলি চালানো হয়। তাতে সাতজন কারাবন্দি নিহত হন। তার মধ্যে ছাত্র নেতা আনোয়ার হোসেন ছিলেন অন্যতম। তাই আমরা বিশ্বাস করি মাতৃভাষা রক্ষার আন্দোলনে ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেন দেশের প্রথম শহীদ। অথচ রাষ্ট্রীয়ভাবে তার কোন স্বীকৃতি নেই। তাই আমাদের দাবি শহীদ আনোয়ার হোসেনকে দেশের প্রথম ভাষা সৈনিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান।

আশাশুনি সরকারি কলেজের নাম ‘শহীদ ভাষা সৈনিক আনোয়ার হোসেনের’ নামে নামকরণ করা, সাতক্ষীরা, আশাশুনি, বুধহাটা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে তার স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা, সাতক্ষীরা-আশাশুনি সড়ক তার নামে নামকরণ করা, সরকারিভাবে ট্রাস্ট গঠনের দাবী জানানো হয়। মানববন্ধন শেষে আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.ইয়ানুর রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির উদ্যোগে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক উন্মুক্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকাল ৫টায় সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদেরের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো: মোখলেছুর রহমান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, সমিতির প্রধান উপদেষ্টা শেখ নাসেরুল হক, ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নাজমুল হাসান, পৌরসভার সেনেটারী ইন্সপেক্টর রবিউল ইসলাম লাল্টু প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জামাল মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম পলাশ, আ: ছালাম, খলিলুর রহমান মুকুল, মো: জাহাঙ্গীর গাজী, কামরুল ইসলাম রানা।

প্রধান অতিথি বলেন, আমরা যেটা খেতে পারব না। সেটা আমার কাউকে খাওয়াব না ইসলামী শরিয়াহ মতে গরু ছাগল হাস মুরগী, জবাই দিব। কোন রোগাক্রান্ত প্রাণি জবাই দিয়ে কাউকে খাওয়াব না। ওজনে কম দিব না। ছাট মাংসে আলাদা রক্ত মেশাব না ওটা হারাম। বাজার মূল্য ছাড়া অতিরিক্ত কোন জিনিসের দাস ক্রেতার কাছে চাইব না। আমরা নিরাপদ খাদ্য খাবো এবং অন্যদের খাওয়াবো।

সভায় মাংস ব্যবসায় বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে আলোচনা হয়। সাধারণ সম্পাদক শেখ ওলিউল ইসলাম বলেন, অনিয়ম আছে। কিন্তু মাংস সমিতির কোন সদস্যগন কোন অনিয়ম করে না। নজরদারী সহায়তা চাই। প্রশাসনিক কর্মকর্তাগণ সহায়তার আশ^াস দেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালিউল ইসলাম।
অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মেম্বর আ: রাজ্জাক দৈনিক সাতক্ষীরার সকালের প্রতিনিধি মানবাধিকারকর্মী শেখ মনিরুল ইসলাম, মামুন হোসনে, রফিকুল ইসলাম, ইলিয়াস বাবু, আব্দুর রহিম, আমিনুল। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খলিষখালী ইউনিয়ন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড সুফল আইচের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড মনিরুজ্জামানের পরিচালনায় রোববার বিকাল ৪টায় খলিষখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কর্মী সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ও খলিষখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সাবীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এড ফাহিমুল হক কিসলু, তালা উপজেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সদস্য কমরেড অজিত বৈদ্য, শ্রমিক ফেডারেশন এর নেতা মকবুল হোসেনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন বর্তমানে তেল, গ্যাস,বিদ্যুৎসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, গরিব মানুষের রেশনিং ব্যবস্থা, চাঁদাবিহীন পেনশন স্কীম চালু, জলাবদ্ধতা নিরসনে টিআরএম ব্যবস্থা, জামাতের হত্যাকান্ড ও নৃশংসতার দ্রুত বিচার এবং বিএনপি-জামায়াতের নয়াষড়যন্ত্র প্রতিরোধে আগামী ৪ মার্চ-২০২৩ শনিবার দুপুর ২টায় শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক জনসভা সফল করার আহবান জানান। উক্তকর্মী সভায় জনসভাকে সফল করার জন্য ইউনিয়ন প্রস্তুতি কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক কমিটি, প্রচার ও অর্থ কমিটি গঠনসহ ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে দায়িত্ব বন্টন করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দিরে দূঃসাহসিক চুরি সংঘটিত হয়েছে। চোর চক্রের সদস্যরা মন্দিরের দুটি ফটকের গেটের তালা ভেঙে ব্রিটিশ শাসনামলে স্থাপিত রাধা, কৃষ্ণ ও গোপালের চারটি দু®প্রাপ্য পিতলের মুর্তি, প্রতিমার দেহে পরিহিত সাড়ে তিন ভরি ওজনের সোনার গহনা, রৌপ্যালঙ্কার ও দান বাক্সের নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে গেছে। শনিবার রাত ১২টার পরবর্তী কোন এক সময়ে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

দক্ষিণ পারুলিয়া সার্বজনীন রাধাগোবিন্দ মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মিস্ত্রী জানান, শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত পুজা অর্চনা শেষে পুরোহিত ও ভক্তরা যার যার মত বাড়ি চলে যান।

এর পরবর্তী কোন সময়ে অর্থাৎ রবিবার ভোরের আগে চোর চক্রের সদস্যরা মন্দিরের গেটের দুটি তালা কেটে মন্দিরে সংরক্ষিত বৃটিশ শাসনামলে স্থাপিত রাধা, কৃষ্ণ ও গোপালের চারটি পিতলের দু®প্রাপ্য চারটি পিতলের মুর্তি, প্রতিমার দেহে পরিহিত সাড়ে তিন ভরি সোনার গহণা, রৌপ্যালঙ্কার ও দানবাক্সে থাকা নগদ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

পারুলিয়া ইউপি সদস্য অসীম কুমার ঘোষ জানান, প্রতিদিনের ন্যয় মধ্যরাত পর্যন্ত পুজা অর্চনা শেষে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। সকালে পুজারী আঙুরবালা দেবী মন্দিরে ঢুকে চুরি সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে অবহিত করেন। তারা বিষয়টি মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ পুলিশকে অবহিত করেন।

দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ ওবায়দুল্লাহ জানান, মন্দিরের পাশে ভোমরা বন্দরের ধণাঢ্য সিএণ্ডএফ ব্যবসায়ি এবাদুর রহমানের বাড়ি। ড়ত তিনদিন ধরে এবাদুর রহমান ও তাদের পরিবারের সদস্যরা একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অন্যত্র অবস্থান করছিলেন। ওই বাড়িটি শূন্য পড়ে ছিল বলে ধারণা চোরচক্রের কাছে। শনিবার গভীর রাতে চোরচক্র প্রথমে ওই সিএণ্ডএফ ব্যবসায়ির বাড়িতে ঢুকে আলমারিসহ অন্যান্য আসবাবপত্র তছনছ করে। কিন্তু চোরচক্রের সদস্যরা সেখানে কোন মূল্যবান জিনিসপত্র না পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী রাধা গোবিন্দ মন্দিরের তালা ভেঙে দু®প্রাপ্য মুর্তি, সোনার ও রুপার গহনাসহ দানবাক্সে থাকা নগদ টাকা নিয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় রাধা গোবিন্দ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার মিস্ত্রী বাদি হয়ে রবিবার থানায়ঢ একটি চুরির মামলা (৭নং) দায়ের করেছেন। চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও চোরচক্রকে ধরার চেষ্টা চলছে।#

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
যুব, ছাত্র ও মহিলা গণ ফোরাম সাতক্ষীরা জেলা শাখার ত্রি- বার্ষিক সম্মেলন ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৮ই জানুয়ারী শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় জেলা যুব,ছাত্র ও মহিলা গণফোরামের আয়োজনে সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী হলরুমে এ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা গণফোরামের সিনিয়র সভাপতি প্রভাষক  জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন গণফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রওশন ইয়াজদানী। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন গণফোরাম খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি আলী নুর খান বাবলু।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তাজুল ইসলাম, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট মো. সানজিদ রহমান শুভ,সদর উপজেলা সভাপতি প্রভাষক কবির হোসেন। এসময় গণ ফোরামের জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে ফেরদৌসি খান ময়নাকে মহিলা গণ ফোরামের সভাপতি ও সেলিনা আসাদকে সাধারণ সম্পাদক, মো. বেল্লাল হোসেন মাসুমকে যুব গণ ফোরামের জেলা সভাপতি ও গোলাম সরোয়ার বাপ্পীকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। এছাড়া শুভ কর্মকরকে ছাত্র ফোরামের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মেহেদী হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আব্দুর রহমানসহ ৩১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়।

এসময় বক্তারা বলেন দ্রব্য মূল্যের দাম যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে জনগনের কষ্ট বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে । তারা আরো বলেন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ গড়তে হলে গণফোরামের কোন বিকল্প নেই।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest