সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক জিন্নাহ’র ওপর সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের বিবৃতিদেবহাটা উপজেলাকে শিশু শ্রমমুক্ত করতে সুশীলনের অবহিতকরন সভা সাতক্ষীরায় এনটিভির সাংবাদিককে পিটিয়ে জখম: জমির মালিককে আটকে রেখে নির্যাতনসাতক্ষীরায় বেশী দামে তেল বিক্রির অভিযোগে ৫ হাজার টাকা জরিমানা: দুই মাসের জেলকালিগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ঘের মালিকের মৃত্যুআর্ন্তজাতিক বর্ণ বৈষম্য বিলোপ দিবসে ৮ দফা দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনFaire une pause stratégique : comment la fonction « cool‑off » transforme les tournois de casino en ligne en moments de jeu responsableইতিহাসের বিচার ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা: ফুল কি ক্ষমা করতে পারে?Guide complet du casino en ligne – Tout ce que vous devez savoirWas Sie über das Online Casino SG wissen müssen, bevor Sie anfangen

এস,এম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু : ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের অদম্য সাহস ও মনোবলের কারণে পাক সেনারা সে দিন হটে যেতে বাধ্য হয়েছিল। একাত্তরের ২০ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘ ৮ মাস যুদ্ধ করে কালিগঞ্জ অঞ্চলকে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করেন। এযুদ্ধে কালিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারা তেমন বেশী হতাহত না হলে ও পাক বাহিনীর অনেক সদস্যরা মুক্তিসেনাদের হাতে প্রাণ হারায় এই মাটিতে। ক্যাপ্টটেন নূরুলহুদার নেতৃতে কালিগঞ্জে ২০ নভেম্বরের দুপুরে প্রথমে ওয়াপদা ডাকবাংলাস্ত পাকসেনা ঘাটি দখল করে জাতীয় পতাকা উত্তলন করার পর সোহরাওয়ার্দ্দী পার্ক প্রাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধারা সমবেত হয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন। বাঙালীর জাতির আশা-আকাঙ্খার প্রতীক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক ভাষনে সরাসরি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলে সারা বাংলা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। শ্যামলীঘেরা শান্ত সুশীতল কালিগঞ্জ ও সেই বিপ্লবে উত্তাল হয়ে ওঠে। সে সময় মুক্তি সংগ্রামকে সংগঠিত করতে তৈরি হয়েছিল ২৩ সদস্যের “কালিগঞ্জ সংগ্রাম পরিষদ”। সংগ্রাম পরিষদের সদস্যরা রাত দিনের কর্ম-তৎপরতায় মাঝে কালিগঞ্জের রাজনৈতিক চিত্র পাল্টে দিল। একাত্তরের ৮ মার্চ কালিগঞ্জের ডাকবাংলা চত্বরে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে উন্মত্ত আক্রোশে সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে পুড়িয়ে ফেলা হয় পাকিস্থানের পতাকা। এ সময় লাঠি মিছিলও হয়েছিল কালিগঞ্জ থানা সদরে। ফেটে পড়েছিল কালিগঞ্জের ছাত্র ও সকল তৌহিদী জনতা। সেদিন ঠিক করা হয়েছিল যশোরের এ পাশে পাক হানাদার আর্মিকে আসতে দেয়া হবে না। ১০ ও ১১ এপ্রিলের দিকে রটে যায় পাক আর্মি কালিগঞ্জের দিকে আসছে। এখবর শুনে ক্রোধে ও উত্তেজনায় কাঁপতে থাকে সংগ্রাম পরিষদ। দ্রুত এলাকার সমস্ত বন্দুকধারীদের সংঘবন্ধ করে কালিগঞ্জ বাজার থেকে থানা পর্যন্ত নদীর তীরে গেওয়া বাগানের ঝোঁপের মধ্যে পজিসন নিয়েছিল বন্দুকধারীরা। হঠাৎ রটে গেল সংগ্রাম পরিষদের একটা নামের লিস্ট পাক আর্মির কাছে পৌছে গেছে। সে মোতাবেক জন্মভূমি ত্যাগ করে ১৪ এপ্রিল থেকে ২০ এপ্রিলের মধ্যে সংগ্রাম পরিষদের সদস্যবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহনের জন্য সীমান্ত পার হয়ে ভারতে চলে যায়। এদিকে সকল বাধা বিপত্তি মায়া মমতা কাটিয়ে মে মাসের মধ্যে শত শত দামাল ছেলেরা দেশমুক্তির শপথ নিয়ে মুক্তি যুদ্ধে অংশ গ্রহণের জন্য চলে যায়। এদিকে পাক আর্মি ঘাঁটি গাড়লো ওয়াপদা ডাক বাংলা ভবন, বসন্তপুর চন্দ্রদেবের পরিত্যাক্ত বাড়ি, কালিগঞ্জ হাসপাতালের সংলগ্ন এলাকা, দমদম ফেরি ঘাটের বরফকল এবং খানজিয়া ই.পি.আর ক্যাম্প। দ্রুত তাদের পরিধি আরো সম্প্রসারিত করে সাদপুর ব্রীজ, ভাড়াশিমলা, সুইলপুর, খানজিয়া, নাজিমগঞ্জ, বসন্তপুর, উকস্ াপিরোজপুরসহ গোটা সীমান্ত এলাকা ঘিরে ফেলে হায়না বাহিনী নিরিহ নিরস্ত্র গ্রামবাসীর উপর ঝাপিয়ে পড়ে। এসময় তারা সারা দেশের ন্যায় কালিগঞ্জেও গঠণ করে পিস কমিটি ও রাজাকার বাহিনী। এদিকে মুক্তিযোদ্ধারা প্রতিশোধ স্পৃহায় দ্রুত আর্মস ট্রেনিং নেয় ভারতের হিঙ্গলগঞ্জসহ বিভিন্ন শিবিরে। মে মাসের মধ্যে ট্রেনিং শেষে তারা ফিরে আসেন সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে। ৯নং সেক্টরের অধিনায়ক মেজর জলিল ও তার সহযোগি ক্যাপ্টেন নূরুল হুদা, লে. বেগ, লে. আরেফিন ও লে. শচীন এদের নেতৃত্বে জুন থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধারা বিভিন্ন সময়ে নিজ বাসভূমির উপর কৌশলে হায়না বাহিনীর উপর অসংখ্য আক্রমন পরিচালনা করে। এসময় পাক সেনারা কালিগঞ্জ দখলে রাখতে বিভিন্ন ক্যাম্পে ভারী অস্ত্র মেশিনগ্যান, কামান, মটার ইত্যাদি মজুদ করে। এবং মুক্তিযোদ্ধাদের খোজ খবর পেতে তারা গোয়েন্দা নিয়োগ করে। তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্র শস্ত্রের বিরুদ্ধে অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধারা দেশীয় নিম্ন মানের অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে মনোবল কে সম্বল করে অসম যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। প্রথমে তারা বসন্তপুর বিওপি, খানজিয়া ক্যাম্প ও কালিগঞ্জ থানা সদরের বিওপি ক্যাম্পের উপর আক্রমণ শুরু করে। পরে বাগবাটি, পিরোজপুর, ভাড়াশিমলা, রতনপুর, নজিমগঞ্জ, উকস্,া দুদ্লীসহ বিভিন্ন পাক ঘাঁটিতে বারবার চোরাগুপ্তা আক্রমণ করে পাক বাহিনীকে পর্যুদস্ত করে ফেলে। মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিকে অক্টোবর ও নভেম্বরে কালিগঞ্জ একটা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। আক্রমন পাল্টা আক্রমন আর রাইফেল, মেশিনগান, গ্রেনেড, রকেট লাঞ্চারের শব্দে ও আগুনে কালিগঞ্জের আকাশ, বাতাস, মাটি, প্রকম্পিত হতে থাকে। উকসা বিওপি ক্যাম্প আক্রমন পিরোজপুর ও খানজিয়ার সম্মুখ সমরে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে কালিগঞ্জের আপামর জনসাধারণ পাকিস্তানী নরপশুদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। সে সময় সকল স্থরের জনতা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে থাকে। এযুদ্ধে কালিগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধারা খুব বেশী হতাহত না হলে ও পাক বাহিনীর অনেক সৈন্যদের প্রাণ হারাতে হয়েছিল সেদিন। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের তোপের মুখে হানাদার বাহিনী ২০ নভেম্বর ভোরে কালিগঞ্জ ছেড়ে সাতক্ষীরার পুস্পকাটি নামক স্থানে তাদের ঘাঁটিতে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। এখবরে উল্লাসিত হয়ে ২০ নভেম্বর কালিগঞ্জের ডাকবাংলা চত্বরের বকুল তলায় মুক্তিযোদ্ধারা সমবেত হয়ে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কালিগঞ্জের স্বাধীনতার শুভ সুচনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

img_20161118_095525
পাইকগাছা ব্যুরো: পাইকগাছা আলোকিত পৌরসভা নামে খ্যাত এ পৌরসভাটি চলছে যত্রতভাবে। মাংস বাজার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে সিন্ডিকেটের দখলে, দেখার কেউ নেই। কর্তৃপক্ষ নিরব। স্বচ্ছ পৌরসভার দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী। জানাযায়, পাইকগাছা পৌর সদরে মাংস ও মুরগী মার্কেট নামে দুটি মার্কেট রয়েছে। কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে তারা স্বেচ্ছাচারিতা ও সিন্ডিকেট করে ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছে। যেখানে পূর্বের খাসী মাংস বাজারে ৮/১০ জনের নামে লাইসেন্স ছিল। সেখানে তারা কর্তৃপক্ষের চোখে ধুলা দিয়ে হাসান ও কালাম নামের দুই ব্যক্তির নামে মাত্র দুটি লাইসেন্স করে সকলেই এক সাথে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসা করছে। এতে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব। অপর দিকে ক্রেতারা যাচাই বাচাই করে মাংস খরিদ করতে ব্যর্থ হয়ে চড়াদামে খরিদ করছে। কারণ একাধিক ব্যক্তির লাইসেন্স না থাকায় সম্মিলিতভাবে এক টেবিলে একই দোকানে প্রতিদিন ৩০/৪০ টি খাসী জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে রুগ্ন বা ভেড়া বিক্রি হচ্ছে কিনা যাচাই করার কোন উপায় নাই। ঠিক গরুর মাংস মার্কেটের চিত্র একই। আগে যারা গরু জবাই করতো এমন একাধিক ব্যক্তি একই সাথে জাকিরের নামের একটি মাত্র লাইসেন্সে গরুর মাংস বিক্রয় করে চলেছে। মাংস বিক্রি করা এই সিন্ডিকেটের কারণে ক্রেতারা পড়েছে চরম দুর্ভোগে। কয়েকবার আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ ব্যাপারে বক্তব্য থাকলেও কার্যত: কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। যেকারণে তাদের দৌরাত্ব বেড়েই চলেছে। আবার গরু বা ছাগল জবাই করার কোন নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় ধর্মীয় বিধান না মেনে যেখানে সেখানে নোংরা পরিবেশে গরু ছাগল জবাই করা হচ্ছে। আর মলমূত্র ফেলানো হচ্ছে পাশেই। যেকারণে দূর্গন্ধে সামান্য বাতাস হলেই বাজারে থাকা কঠিন হয়ে যায়। এছাড়া রয়েছে, মুরগী বাজার যেখানে প্রতিদিন শত শত মুরগী বিক্রয় হয়। উক্ত মুরগী জবাই পূর্বক পরিস্কারের জন্য গড়ে তোলা হয়েছে দুটি অবৈধ স্থাপনা। যেখানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে মুরগী জবাই করে পরিস্কার পূর্বক প্যাক করা হয়। আবার পৌর কর্তৃপক্ষ বাজারের মাংস মার্কেট ইজারা দিলেও নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থানে মুরগী জবাই করে খোলা আকাশের নিচে বিক্রয় করছে। এতে এক দিকে যেমন মাংসে ধুলা বালি যুক্ত হচ্ছে তেমনি ইজারাদাররাও বঞ্চিত হচ্ছে ইজারা থেকে। শিবসা ট্রলার ঘাটের প্রবেশ দ্বার, তেল পাম্পের পাশে, সিনেমা হলের সামনে, বাসষ্ট্যান্ড সহ কয়েকটি স্থানে আইন বহির্ভূত ছাগল ও মুরগী জবাই করে বিক্রয় করায় তাদের নিকট থেকে ইজারা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্যানিট্যারী ইন্সেপেক্টর উদয় মন্ডল জানান, আমি স্বচ্ছ পরিবেশের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পৌরবাসী সরকারি বিধি মোতাবেক মাংস মার্কেটের সিন্ডিকেট ছাড়াই স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষ সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

fb_img_1479536864550
পাইকগাছা ব্যুরো: পাইকগাছায় মদের সাথে এ্যালকোহাল জাতীয় তরল পদার্থ পান করে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি উপজেলার মেলেক পুরাইকাটী গ্রামে। মৃত্যু যুবক সাধন দাসের পুত্র শুভ। জানাযায়, পাইকগাছা উপজেলার মেলেক পুরাইকাটী গ্রামে সাধুঁখা পাড়াস্থ শ্রীশ্রী জগধাত্রী পূজা মন্দিরে পূজার শেষ দিনে গত ১২ নভেম্বর রাতে উক্ত গ্রামের লহ্মীকান্ত সাধুর পুত্র বিশ্বনাথ সাধু একই গ্রামের সাধন দাসের পুত্র শুভ দাসকে রাতে তাদের বাড়িতে ডেকে নেয়। বাড়িতে রেখে বিশ্বনাথ সাধু শুভকে বিদেশী মদের সহিত তরল এ্যালকোহল জাতীয় পদার্থ মিশিয়ে পান করায়। রাত ৩ টায় শুভ’র পেট ব্যাথা শুরু হলে পরিবারের লোকজন স্থানীয় ডাক্তার গোবিন্দ কে বাড়িতে আনে। অবস্থার বেগতিক দেখলে ডাক্তার তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। পরের দিন সকালে শুভকে পরিবারের লোকজন পাইকগাছা হাসাপাতালে ভর্তি করলে কর্তব্যরত ডাক্তার শুভকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত ডাক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার গভীর রাতে শুভ’র মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অন্যদিকে বিশ্বনাথ সাধু শুভ’র মৃত্যু সংবাদ শুনে গা ঢাকা দিয়েছে। একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, উক্ত বিশ্বনাথ দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে ভারত থেকে মাদক সহ বিভিন্ন মালামাল চোরাকারবারি করে আসছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

পাইকগাছা ব্যুরো: দায়িত্ব অবহেলার কারণে পাইকগাছা আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্রে ২ শিক্ষককে বহিস্কার করা হয়েছে। শনিবার  জেডিসি পরীক্ষার শেষ দিনে ইংরেজি ১মপত্র পরীক্ষায় সকাল ১০ টায় ২নং কক্ষে পরীক্ষার পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন মোঃ আব্দুস সাত্তার ও মোঃ আব্দুল মাজেদ। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে দায়িত্ব অবহেলার কারণে পরীক্ষা পরিদর্শক কর্মকর্তা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং কেন্দ্র সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন ঐ ২ শিক্ষককে আগামী দাখিল পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শক হতে বহিস্কার করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

কলারোয়া প্রতিনিধি: কলারোয়ার তল্ইুগাছা সীমান্তের বিজিবির সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ভারতীয় শাড়ী,পলিথিন,জুুতা ও চা-পাতা উদ্ধার করে। শনিবার সকালে উপজেলার উত্তর কাকডাঙ্গা মাঠের মধ্যে থেকে এই মালামাল উদ্ধার করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তলুইগাছা বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার বাসারাতের নেতৃত্বে ওই মাঠের মধ্যে টহলরত অবস্থায় চোরাচালানীদের তাড়া করে ভারতীয় ২ বস্তা শাড়ী, ৩ বস্তা পলিথিন,২ বস্তা জুতা ও ৩ বস্তা চা-পাতা উদ্ধার করে। তবে উদ্ধারের সময় বিজিবি কোন চোরাচালানীকে আটক করতে পারেনি। জব্দকৃত মালামাল সাতক্ষীরা বিজিবির হেড কোয়াটারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রিফাত আমিনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভানেত্রী সাবেক এমপি বেগম আশরাফুর নেছা মোশারফ। সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভানেত্রী সাবেক এমপি বেগম ফরিদা রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদিকা মাহমুদা বেগম প্রমুখ। এসময় মহিলা আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদা আক্তার সাতক্ষীরা জেলা সংগঠনটির সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং ব্যর্থতা দেখে বলেন, “১৯৬৯ সালে বাংলাদেশে মহিলা আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে আরো শক্তিশালী করতে দেশে বিদেশে জোর প্রচেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামীলীগের যতগুলো শাখা আছে তার মধ্যে খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা জেলার কমিটি সবচেয়ে অকার্যকর কমিটি। সবচেয়ে দুর্বল কমিটি। অযোগ্য কমিটি। শুধুমাত্র মিটিং দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মতো এরকম একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দল চলতে পারেনা।” তিনি উপস্থিত ডেলিগেটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা যদি চান তাহলে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী কমিটি দেওয়া হবে। কারণ এখানে রাজনীতি করবেন আপনার, দল পরিচালনা করবেন আপনারা।” সম্মেলন শেষে জানানো হয়, সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে এবং দ্রুত জেলা আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের পরামর্শক্রমে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের ৭১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হবে। এদিকে, অনুষ্ঠানে কালিগঞ্জ উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভা নেত্রী জেবুন্নাহার তার বক্তব্যের শেষে বলেন, জয় হোক বঙ্গবন্ধুর, জয় হোক জঙ্গিবাদের। এঘটনার পর অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দসহ সকলে হাসা-হাসি শুরু করেন। যদিও তিনি কিছুই বুঝতে না পেরে বক্তৃতা শেষ করেন। এ ঘটনা নেতাকর্মীদের মনে ক্ষোভের সঞ্চার করেছে। উল্লেখ্য সাতক্ষীরা জেলায় মহিলা আ.লীগের প্রথম কমিটি গঠিত হয় ১৯৮৬ সালে। সেখানে মিসেস রিফাত আমিনকে সভানেত্রী করা হয়। এরপর ১৯৯৭ সালে দ্বিতীয় এবং ২০০৬ সালে তৃতীয় ও শেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিবারই তিনি সভানেত্রী নির্বাচিত হন। গত ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের পর তিনি জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হন। কিন্তু জেলার কোথাও মহিলা আ.লীগের কোন অফিস বা কার্যক্রম নেই বললেই চলে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

ict
নিজস্ব প্রতিবেদক: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ও ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সারা দেশে আউট সোর্সিং এর আইকন আউট সোর্সিং লিমিটেড ঢাকার সার্বিক তত্বাবধায়নে প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সাতক্ষীরায় ১৮ নভেম্বর থেকে ৩দিন ব্যাপি আউট সোর্সিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। শহরের পলাশপোল এলাকায় শনিবার সকালে প্রশিক্ষণের ২য় দিনে সভাপতিত্ব করেন, আইকন আউট সোর্সিং লিমিটেড ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল। প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রশিক্ষক এস. এম রিশাদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, আনোয়ারা মেমোরিয়াল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার ইন্সট্রাক্টর আসাদুর রহমান আসাদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মীর শরীফ হাসান নাসের। প্রশিক্ষণে ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রধান অতিথি বলেন, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বেকার যুব সমাজ কর্মদক্ষ হিসেবে গড়ে উঠবে। ঘরে বসেই তারা অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে। এছাড়া সার্ভে, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইনসহ ১০ প্রকার কাজের সম্পূর্ণ প্রশিক্ষণের জ্ঞান অর্জন করবে তারা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩৪ জনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত জেলার আটটি থানার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে, সাতক্ষীরা সদর থানা থেকে ১৪ জন, কলারোয়া থানা থেকে ০৭ জন, তালা থানা ০৩ জন, কালিগঞ্জ থানা ০৩ জন, শ্যামনগর থানা ০২ জন, আশাশুনি থানা ০৩ জন, দেবহাটা থানা ০১ জন ও পাটকেলঘাটা থানা থেকে ০১ জনকে আটক করা হয়। সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নাশকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে। তাদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest