বিনেদন ডেস্ক: জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী জিনাত সানু স্বাগতা একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর ভীষণ চটেছেন। আজ রোববার দুপুরে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভ ভিডিওতে ওই কর্তৃপক্ষদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। ফেসবুকে বন্ধুদের উদ্দেশে স্বাগতা বলেন, ‘আমি একটা চ্যানেলে গিয়েছি। চ্যানেলের গেটের সামনে চারটা কুকুক বাঁধা ছিল। কী অদ্ভূত? শিল্পের প্রথম শব্দ হলো নন্দনতত্ত্ব। সেই নান্দিকতার মধ্যে চারটা কুকুর কি বাঁধা থাকতে পারে? তাহলে কি আপনি সেখানে যাবেন শিল্পচর্চা করতে?’ স্বাগতা জানান, ‘আপনাকে সেই কুকুর আদর করতে আসবে না, কামড়াতে আসবে। সবাই কুকুর পালুক কিন্তু সেটা কি গায়ের ওপর এসে পড়বে? রেড বেল্টে বাঁধা কুকুর ওদের সবাইকে স্বাগত জানায় আর আমাদের ভয় দেখিয়ে চ্যানেলে ঢোকায়।’ফেসবুক লাইভ ভিডিও প্রচার প্রসঙ্গেও স্বাগতা শুরুতে সোজাসাপ্টা বলেন, ‘সবাই খুব ফূর্তিতে, খুশিতে লাইভ থাকে। আজকে আমি অনেক দুঃখে লাইভ। প্লিজ আমার বন্ধুরা আমার সাথে আসেন। আমি আপনাদের সঙ্গে কিছু কথা শেয়ার করতে চাই। দিজ ইজ আরজেন্ট। রিয়েলি আরজেন্ট।’স্বাগতা আরো বলেন, ‘আমাদের দেশে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে এসে কিংবা ইউটিউবে নিজেরা বুস্ট করে যাঁরা হিট হয়েছে তাঁদের দিয়ে অভিনয় করানো হয়। দর্শক কি বোকা? মানুষের মাথায় কি বুদ্ধি নাই? টাকা পয়সা দিয়ে সময় নষ্ট করে আজাইরা জিনিস দেখবে? ’‘যাঁরা বাংলায় ঠিকমতো কথা বলতে পারেন না তাঁরা নাকি এখন অ্যাক্টর। এখন গান ও অভিনয়ের ট্রেনিং নাই। ফিল্মের যুগ তো আরো খারাপ। বিদেশ থেকে চার লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে সিরিয়াল আনা হবে আর আমাদের একটা টেলিফিল্ম বানানোর জন্য ৮০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।’ কীভাবে ভালো কিছু নির্মাণ করা সম্ভব?’ প্রশ্ন তোলেন স্বাগতা। একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করার কারণে তাঁকে নিষিদ্ধ করা হতে পারে আশংকা করে স্বাগতা বলেন, ‘এরপর থেকে কেউ আমাকে নাটকে নিবে না,গান গাইতেও কোনো চ্যানেল ডাকবে না। কারণ আমি চিৎকার করছি। আমাকে একটু পরে খুনও করতে পারে। মরে গেলে সবাই দায়ী। ’স্বাগতা আরো বলেন, ‘জন্মের পর থেকে শুনছি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। উন্নত দেশ কি হতে পারল? এ রকম দুর্নীতি হলে কীভাবে উন্নতি হবে? আমাদের জেনারেশনে ডিভোর্সের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। আমাদের সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে।’



নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্য দিনের মত গণসংযোগ না করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন নজরুল ইসলাম। বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামীলীগ মনোনিত কলারোয়ার সোনা বাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের গ্রেফতারের খবর শুনে গণসংযোগ বাতিল করে প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়েছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। রোববার সকালে তিনি ১ম জেলা আইনসৃঙ্খলা সভায় এ বিষয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। এরপর কলারোয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের আয়োজনে চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের মুক্তি ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ সভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রাথী ন্জরুল ইসলাম। এসময় তিনি বলেন আমি বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ধারন করা একজন আওয়ামীলীগের সৈনিক। আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কনো মানুষের বিপদের কথা শুনে বিপদ উদ্ধার করা না পর্যন্ত স্থির থাকে না। তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় আর জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ মনোনিত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান ষড়যন্ত্র মুলকভাবে জেল হাজেতে থাকবে আর আমি ঘরে বসে থাকব তা হয় না। বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা শেখ হাসিনার কাছ থেকে আমি এ ধরনে শিক্ষা পাইনি। যতদিন পর্যন্ত চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির মুক্তি না হয় ততদিন আপনাদের আন্দেলনের সাথে আছি থাকব। প্রতিবাদ সভায় তার সাথে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল মান্নান,সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, বাঁশদাহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন, শহর যুবলীগের সভাপতি মনোয়ার হোসেন অনু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক শেখ এহসান হাবিব অয়ন, যুবলীগনেতা সিদ্দিকুর রহমান সিদ্দিক সহ আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।
