
দেবহাটা প্রতিনিধি: দেবহাটার বিখ্যাত জমিদার বাবু ফনিভূষন মন্ডল স্মৃতি ৪০ উদ্ধ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনীয় খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে দেবহাটা মডেল হাই স্কুল মাঠে উপজেলা আওয়ামীগের যুগ্ম সম্পাদক আনারুল হকের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ২য় বছরের ন্যায় উক্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনীয় খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে খেলার উদ্বোধন করে সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবু বকর গাজী। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আফসার আলী মাস্টার, প্রভাষক ইয়াসিন আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক ও খেলার আহাবায়ক আনারুল হক, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার কোষাধ্যক্ষ বাবু সরৎ কুমার ঘোষ, দেবহাটা রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম, ইউপি সদস্য মোক্তার হোসেন, মাহবুব রহমান বাবলু প্রমূখ। উদ্বোধনীয় খেলায় ভাতশালা ও টাউনশ্রীপুর ফুটবল একাদশ অংশ গ্রহণ করে। খেলার শেষ পর্যায়ে টাউনশ্রীপুর ফুটবল একাদশ ভাতশালাকে ২-০ গোলে পরাজিত করে। খেলার রেফারির দায়িত্ব করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার রেফারি রফিক হোসেন, সহকারী রেফারি ছিলেন মিজানুর রহমান ও দিলিপ কুমার এবং ধারাভাষ্য প্রদান করেন শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ।


প্রেসবিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নুর বিরুদ্ধে পারুলিয়া ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি ও জামায়াত-শিবিরের হামলায় নিহত আবু রায়হানের ভাই শহিদুল্লাহ গাজীকে নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ইউপি সদস্য শহিদুল্লাহ গাজী এই অভিযোগ করেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। তার ভাই আবু রায়হানকে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা নৃশংসভাবে হত্যা করে। সম্প্রতি জামায়াত-শিবিরের কর্মী-সমর্থক ও তার ভাইয়ের খুনিদের সাথে নিয়ে দেবহাটা উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে নানাভাবে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে রেশন কার্ড বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ তোলেন যুবলীগের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্নু। যা তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এরপরও নব্য আওয়ামী লীগার খায়রুল, ইমরান, রায়হান হত্যা মামলার আসামি সাইফুল, সাবেক ছাত্রদল নেতা আফসার, রিংকু ও রায়হানকে দিয়ে মিজানুর রহমান মিন্নু তাকে হয়রানি করছেন। তিনি বলেন, রায়হান হত্যা মামলার আসামিদের সঙ্গে মিন্নুর ভাইয়ের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ না নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লাগা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



বিনোদন ডেস্ক: প্রকাশ্যে অনুষ্কা শর্মার কাছে ক্ষমা চাইলেন আলিয়া ভট্ট। অবশ্য কোনো প্রফেশনাল সমস্যা নয়। বরং সহকর্মী হিসেবে একে অপরের প্রশংসাই করে থাকেন। এ নিতান্তই অনুষ্কার ব্যক্তিগত বিষয়। আসলে ক্ষমা চাওয়ার কারণ বিরাট কোহলি!