সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা‌র গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে‌ পিআইবির দুই দিনের নির্বাচনকালীন প্রশিক্ষণসাতক্ষীরায় -৭নং ওয়ার্ডে ঘরে ঘরে ৮ দফার বার্তাসাতক্ষীরা জেলা রোভার স্কাউটসের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতাসাতক্ষীরায় তারেক রহমানের ৮ দফার লিফলেট ছড়িয়ে দিল ‘আমরা বিএনপি পরিবার’সাতক্ষীরায় রাইচ মিলের কালো ধোঁয়া ও বর্জ্যে অতীষ্ট এলাকাবাসী: ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সড়ক অবরোধপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদসাতক্ষীরায় মাদক এবং মাদক বিক্রির অবৈধ টাকাসহ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারতালায় বাস মোটরসাইকেল সংঘর্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতার মৃত্যুঝাউডাঙ্গা কলেজের অধ্যক্ষ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান নির্বাচিতআশাশুনিতে হাইকোর্টের রিট পিটিশন মামলার তদন্তে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার

dsc02027-copyমাহফিজুল ইসলাম আককাজ: সাতক্ষীরায় ফাস্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড ভিক্ষুকের টাকাসহ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা। গ্রাহকের টাকা বেমালুম হজম করার জন্য আদালতে মামলা করেছে এ প্রতারক চক্র। ভুক্তভোগীরা জানান, ২০১০ সালে এ প্রতিষ্ঠাটি যাত্রা শুরু করে। ডিপোজিট ডিপিএস’র নামে অধিক মুনাফার কথা বলে অসংখ্য গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া হয় কয়েক লক্ষ টাকা। এক পর্যায়ে  প্রায় ২শ’ গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে তারা লাপাত্তা হয়ে যায়। জানা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক রফিকুল ইসলাম ডিপোজিট করে ৮ লক্ষ টাকা, মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ডিপোজিটের নামে নেয়া হয় ২ লক্ষ টাকা, আব্দুর রশিদের ১ লক্ষ টাকা, ক্যাপ্টেন বাবু’র ১ লক্ষ টাকা, আব্দুর রহিম নামের আরেক গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, চায়ের দোকানী ছালেহা খাতুনের নিকট থেকে ৪ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা, ভিক্ষুক সায়েরা বিবি’র কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা। এভাবে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা সাংবাদিকদের জানান, অধিক মুনাফার কথা বলে আমাদের কে ওই প্রতিষ্ঠানে একাউন্ট করায়। আমরা সেই আশায় আমাদের সর্বস্ব জমা রাখি। প্রথমে শহরের মিনি মার্কেটে অফিস খুলে বসে। এর পরে নারিকেলতলা মোড়ে সাইন বোর্ড তুলে এই প্রতিষ্ঠানটি  গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানী ও প্রতারণার ফাঁদ পাতে। পরবর্তীতে খুলনা রেড মোড় নাফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিচ তলায় চলে যায়। ২০১৪ সালে মে মাসে এই প্রতিষ্ঠানটি হঠাৎ সেখান থেকে লাপাত্তা হয়ে যায়। এর পর ২০১৬ সালে নতুনভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক কাটিয়া টাউন বাজার সংলগ্ন শাহী মসজিদের পাশে তার হোমিও প্যাথিক চেম্বার বিসমিল্লা ক্লিনিকের উপর প্রতিষ্ঠানের সাইন বোর্ড খাটিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠান বন্ধ  হয়ে গেলে গা বাঁচাতে ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ-উজ-জামান রুমি কোন রেজুলেশন ছাড়াই স্থানীয় একটি পত্রিকায় অব্যাহতি জানান। শহরের হাসিনা পল্লী ফোনের মালিক গ্রাহক আব্দুর রশিদ ও আর এক গ্রাহক সায়রা বিবি জানান, চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ-উজ-জামান রুমির স্বাক্ষরে লক্ষ লক্ষ টাকা লেন দেন হয়েছে। তার স্বাক্ষরিত চেক আমাদের কাছে রয়েছে। ভিক্ষুকসহ গ্রাহকদের আতœসাৎকৃত টাকায় তৈরি হয়েছে বেতনা ট্রেডার্স এমন দাবি করেছেন গ্রাহকরা। হতাশাগ্রস্থ হয়ে চেয়ারম্যান  এস.এম শরিফ-উজ-জামান রুমির স্বরণাপন্ন হন গ্রাহকরা। তিনি গ্রহকদের আশ্বস্ত করে বলেন ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক আসলে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু টাকা ফেরত পাওয়া তো দুরের কথা উল্টো গ্রাহকদের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(গ) ধারায় মামলা করেছে। যার নং ৮২৫/১৬ (সাত)। এ সব ঘটনায় ফাস্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহরের মুনজিতপুর এলাকার ছালামত উল্লাহর ছেলে এস.এম. শরিফ উজ-জামান রুমির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুকের সাথে আমার অনেকদিন যোগাযোগ নেই। তার সাথে যোগাযোগ হলে শুনে দেখবো কেন গ্রাহকদের নামে মামলা করেছে। এখন ওই প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার কোন যোগাযোগ নাই। প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার ডাঃ ওমর ফারুক টাকা তোলাসহ সব কিছুই দেখাশুনা করতো। কিন্তু আমার কাছে কোন হিসাব নিকাশ দিত না। এ ব্যাপারে ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুকের একাধিক সেল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সব গুলি নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে ০১.০৭.২০১৬ তারিখে সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর গ্রাহক ছালেহা খাতুন বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করে। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এস. আই দেলোয়ার সদর থানায় ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ সোসাইটির ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক কে নিয়ে আলোচনায় বসেন গ্রাহকদের  টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে। আলোচনায় ম্যানেজার গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের জন্য তিন দিন সময় চেয়ে নেয়। এর পর থেকে সে লাপাত্তা হয়ে গেছে। লাপাত্তার ২ মাস পর গ্রাহকদের টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ২৭.০৯.১৬ তারিখে মামলা করে ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক। এদিকে ওই মাল্টিপারপাসের গ্রাহক ভিক্ষুক সায়েরা বিবি সাংবাদিকদের জানায়, সারা জীবন ভিক্ষা করে অনেক কষ্টে ৮০ হাজার টাকা জমিয়েছি। সেই টাকা আমি ওখানে জমা রাখি। এখন তারা পালাইছে। এখন শেষ বয়সে আমার কি হবে বাপ?  তোমরা আমার টাকার ব্যবস্থা করে দাও। তা নইলে আমি মরে যাব। অন্যান্য গ্রাহকরা আরো জানায়, ওই মাল্টিপারপাসের চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ-উজ জামান রুমি, ম্যানেজার শহরের কাটিয়া এলাকার সামছুর রহমানের ছেলে ডাঃ ওমর ফারুক ও  শেখ ফারুক আহমেদ বাবলু মূলত এই তিন জন মিলে প্রতারণার জাল বিছিয়ে  গ্রাহকদের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবি আর যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের প্রতারণার স্বীকার না হয় এ জন্য এ ধরনের প্রতারক চক্রদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

monora
প্রেসবিজ্ঞপ্তি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবুর মাতা ও ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল গফুর (গফ্ফার) এর স্ত্রী আলহাজ্ব মোছাঃ মনোয়ারা সুলতানা মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ঢাকার উত্তরার বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। মৃত্যুর পূর্বে তিনি ৩ পুত্র, ১ কন্যা সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনী জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। মঙ্গলবার মাগরিব নামাজের পর মরহুমার প্রথম জানাযা ঢাকার উত্তরার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বুধবার সকালে মরহুমার দ্বিতীয় জানাযা ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের শাল্যে গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। তার এই মৃত্যুতে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা এবং বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
জেলা আওয়ামীলীগ: সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক মুনসুর আহমেদ, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা: আ.ফ.ম রুহুল হক এমপি, সাবেক এমপি একে ফজলুল হক, আবুল খায়ের, সাবেক এমপি ডা: মোখলেছুর রহমান, এড. এস এম হায়দার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সৈয়দ ফিরোজ কামাল শুভ্র, শেখ সাহিদ উদ্দিন, কৃষি সম্পাদক সরদার মুজিব, তথ্যগবেষনা সম্পাদক সৈয়দ হায়দার আলী তোতা, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক এড. আজহারুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক শেখ হারুন উর রশিদ, প্রচার সম্পাদক শেখ নুরুল হক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. গোলাম মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক এনামুল হক বিশ্বাস, শিক্ষা সম্পাদক শফিউল  আযম লেলিন, যুব ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আব্দুল কাদের, শিল্প বাণিজ্য সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, অধ্যক্ষ জাফরুল আলম বাবু, উপ- দপ্তর সম্পাদক জে এম ফাত্তাহ, উপ-প্রচার সম্পাদক অধ্যাপক প্রণব ঘোষ বাবলু, কোষাধ্যক্ষ আসাদুল হক, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শেখ মুজিবুর রহমান প্রমুখ। অনুরূপ শোক জানিয়েছেন, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি স ম জগলুল হায়দার এমপি, বেগম রিফাত আমিন এমপি, জেলা মহিলা সম্পাদিকা মনোয়ারা ফারুক, শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউল হক দোলন, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য মমতাজুন নাহার, এড. শাহানাজ পারভীন মিলি, কোহিনুর ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব শেখ অহেদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সাঈদ মেহেদী, আশাশুনি উপজেলার সভাপতি এ বিএম মোস্তাকিম, সাধারণ সম্পাদক এড. শহীদুল ইসলাম পিন্টু, দেবহাটা উপজেলার সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামন মনি, কলারোয়া উপজেলার সভাপতি ফিরোজ আহমেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, তালা উপজেলার সভাপতি শেখ নূরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ঘোষ সনৎ কুমার, সাতক্ষীরা সদর উপজেলার সভাপতি এস এম শওকত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শাহাজান আলী, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আবু সায়ীদ, সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন প্রমুখ। স্বেচ্ছাসেবকলীগ: সাতক্ষীরা জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মারুফ হাসান মিঠু, সাধারণ সম্পাদক মীর মোস্তাক আলীসহ জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।  যুবলীগ : সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন মারুফ, বাঁশদহা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, কুশখালী ইউনিয়নের সভাপতি খায়রুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মতলেবুর রহমান টুটুল, বৈকারি ইউনিয়নের সভাপতি জুলফিকার আলী জুলু, সাধারণ সম্পাদক ইনজামুল হক, ঘোনা ইউনিয়নের সভাপতি ইউনুস আলী, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, শিবপুর ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, ভোমরা ইউনিয়নের কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পলাশ, আলীপুর ইউনিয়নের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার, সাধারণ সম্পাদক  আসিফ হোসেন, ধুলিহর ইউনিয়নের সভাপতি আজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক বাবলুর রহমান বাবু, আগরদাড়ী ইউনিয়নের সভাপতি সামসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আক্তারুল, বল্লী ইউনিয়নের সভাপতি শেখ আজহারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আফতাবুজ্জামান লাল্টু, ঝাউডাঙ্গা ইউনিয়নের সভাপতি মাস্টার তারক নাথ পাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, লাবসা ইউনিয়নের সভাপতি আসাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বাবু, ফিংড়ী ইউনিয়নের সভাপতি সোহাগ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার দাশ প্রমুখ। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ: ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি নিলিপ মল্লিক, সাধারন সম্পাদক নূর ইসলাম মগরেব, সাংগঠনিক সম্পাদক অজিয়ার রহমান, সহ ইউনিয়ন আ’লীগের সদস্যবৃন্দ। বিডিএফ প্রেসক্লাব: বিডিএফ প্রেসক্লাবের কর্মরত সাংবাদিক শাহাদাৎ হোসেন বাবু, এম. আর মিঠু, এস,এম ইসমাইল হোসেন, মাষ্টার আসাদুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, আরশাদ আলী, আবু সাঈদ, শরিফুল ইসলাম রানা, আব্দুল হাকিম, ইয়াছিন আলী, জাহারুল ইসলাম, সাদ্দাম হোসেন, শামীম রেজা প্রমূখ। ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ: ব্রহ্মরাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান এস,এম শহিদুল ইসলাম, সচিব সেরাজুর রহমান, মহিলা মেম্বার মালঞ্চ খাতুন, মোছাঃ মর্জিনা খাতুন (লিলি), ভৈরবী বিশ্বাস, সাধারণ মেম্বর এস,এম রেজাউল ইসলাম, মোঃ নূর ইসলাম (মগরেব), মোঃ মতিয়ার রহমান, মোঃ কামরুজ্জামান, মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (ময়না), মোঃ রেজাউল করিম (মিঠু), মোঃ রেজাউল করিম (মঙ্গল), মোঃ কুরবান আলি ও কালিদাস সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

5
নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার সিলভার জুবিলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ২০১৬ সালের খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা খুলনা বিভাগীয় উপ পরিচালক এ,কে,এম গোলাম মোস্তফার স্বাক্ষরিত সাতক্ষীরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেওয়া এক চিঠিতে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর আগে ২০১৫ সালের এ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক চায়না ব্যানার্জী খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন।
চায়না ব্যানার্জী জানান, গত ১০ আগস্ট শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে সাতক্ষীরার সিলভার জুবিলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচন করা হয়। পরে বিভাগীয় পর্যায়ে যাছাই-বাছাইয়ের জন্য তার বিদ্যালয়ের নাম পাঠানো হয়। সেখানে খুলনা বিভাগের ১০ জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় মধ্যে গত ৬ সেপ্টেম্বর যাচাই-বাছাই করা। সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৩৫ সালে সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এ  বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ৪২০জন। এর মধ্যে ছাত্র ২১৬ ও ছাত্রী ২০৪জন। এ বিদ্যালয়ে  দুইজন প্যারা শিক্ষকসহ শিক্ষকের সংখ্যা ১৫জন। প্রধান শিক্ষকসহ দক্ষ শিক্ষকবৃন্দের প্রচেষ্টায়  ২০১১-১৫ সালের সমাপনী পরীক্ষায় পাশের হার শতভাগ। এ বিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর পঞ্চম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়ে থাকে। ২০১২-১৫ সাল তিন বছরে ১১ জন ট্যালেন্টপুলে ও ৫ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে। বিদ্যালয়ে দৈনিক সমাবেশ, সকল ছাত্র-ছাত্রীর ইউনিফর্ম, শিক্ষকদের ইউনিফর্ম, দেয়ালিয়া প্রকাশ, চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা, দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কোচিঙের ব্যবস্থাসহ নানাবিধ ব্যবস্থা রয়েছে। চায়না ব্যানার্জী ২০১১ সালে সাতক্ষীরা সিলভার জুবিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তারপর থেকে  বিদ্যালয়ে লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিবেশগত পরিবর্তন আসতে থাকে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শৃঙ্খলা চোখে পড়ার মতো। চায়না ব্যানার্জী জানান, তার নেতৃত্বে দক্ষ শিক্ষক মন্ডলীর চেষ্টার পাশাপাশি বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সহযোগিতায় তাদের এ  বিদ্যালয় খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয় নির্বাচিত হয়েছে ও ২০১৫ সালে তিনি বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্থানীয় সাংসদ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবুসহ সাতক্ষীরা জেলা ও সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সদর উপজেলা ইউআরসি কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়টি এগিয়ে নিতে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে আসছেন।  সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাসেম মো; মহিউদ্দিন বিদ্যালয়টি সার্বিক উন্নয়নে খোঁজখবর রাখেন ও সহযোগিতা করে থাকেন। সাতক্ষীরার সাবেক জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসান ও বর্তমান বিভাগীয় কমিশনার আব্দুস সামাদ বিদ্যালয়ে মানোন্নয়নে সহযোগিতা দিয়ে গেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ২৫ মামলার আসামি মিজানুর রহমান মন্টুর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে একটি পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের ইয়াকুব আলী গাজী এই অভিযোগ করেন। এসময় লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ইয়াকুব আলী গাজীরা ৫ ভাই ও ২ বোন। পিতার মৃত্যুর পর পৈত্রিক সূত্রে তেতুলিয়া বাজারে তারা প্রত্যেকে এক শতক করে জমি প্রাপ্ত হন। এর মধ্যে তার সেঝ ভাই দাউদ আলী ২০১১ সালে নিজের অংশের জমি বিক্রি করে দিয়ে ইয়াকুব আলীর জমি দখলের চেষ্টা করতে থাকেন। এই জন্য দাউদ আলী টাকার বিনিময়ে আশাশুনি উপজেলার ২৫ মামলার আসামি মিজানুর রহমান মন্টুকে ভাড়া করে ইয়াকুবের পিছনে লেলিয়ে দেন। এরই প্রেক্ষিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর ইয়াকুবের ছেলে নুর ইসলাম গাজী ও রবিউল ইসলাম গোয়ালডাঙ্গা বাজারে যাওয়ার পথে মন্টু বাহিনী তাদের ধাওয়া করে। ওই সময় নুর ইসলাম ও রবিউল তিতুখালীর জগদীশ বাবুর বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখান থেকে তাদের বের করে আনে মন্টু বাহিনীর সদস্যরা। তারপর রাস্তায় ফেলে তাদের দুইভাইকে বেদম মারপিট করা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় তাদের দুইভাইয়ের পা। এরপর সেখান থেকে তাদেরকে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে চলে যায় মন্টুসহ তার লোকজন। পরে বিকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের সামনে থেকে তাদের উদ্ধার ও মন্টু বাহিনীর সদস্য ফজলু গাজীকে আটক করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মিজানুর রহমান মন্টু চুরি, ডাকাতি, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, নারী নির্যাতনসহ ২৫টি মামলার আসামি। তার ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান মন্টুকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ইয়াকুব আলী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন তার ছেলে নুর ইসলাম ও রবিউল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার ২৫ মামলার আসামি মিজানুর রহমান মন্টুর বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে সমর্থন না করায় এক ব্যক্তির ঘের দখলের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম এই সংবাদ সম্মেলন করে। এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তিনি গত ২০ বছর যাবত তেতুলিয়া এলাকার ১১জন মালিকের কাছ থেকে একটি জমি হারি নিয়ে ঘের পরিচালনা করছেন। সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে মিজানুর রহমান মন্টু চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিল। নির্বাচনে তাকে সমর্থনা না করে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দিপংকর কুমারকে সমর্থন করায় তিন মাস পূর্বে তার ঘেরটি দখল করে নেয় মিজানুর রহমান মন্টু। বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমারকে জানালে তিনি পদক্ষেপ নিতে গেলে মিজানুর রহমান মন্টু ইউপি চেয়ারম্যান দিপংকর কুমারকে জীবননাশের হুমকি দেয়। চেয়ারম্যান এ ব্যাপারে আশাশুনি থানায় একটি জিডি করেন এবং জীবনের ভয়ে ওইদিন রফিকুল ইসলামের বাড়িতে রাত ১১টা পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরে আশাশুনি থানার ওসি গিয়ে তাকে বাড়ি পৌঁছে দেন।  সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, মিজানুর রহমান মন্টু তার বাহিনী দিয়ে কাদাকাটি এলাকার একাধিক খাল দখল করে রেখেছে। তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। সংবাদ সম্মেলনে তাকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

1
তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার কৃতী সন্তান ও ঢাকা থেকে প্রকাশিত দৈনিক মুক্ততথ্য পত্রিকার সম্পাদক আব্দুল মাজেদের অকাল মৃত্যুতে তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব ও তালা উপজেলা বিএনপি। তালা উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দরা হলেন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, সাধারণ সম্পাদক উপাধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুজ্জামান, উপজেলা বিএনপি সহ-সভাপতি শেখ জিল্লুর রহমান, খান আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক প্রভাষক মোশারাফ হোসেন, মির্জা আতিয়ার রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক লিটু, জাহাঙ্গীর আলম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান লেয়াকত হোসেন, উপজেলা যুবদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক স.ম. ইয়াছিন উল্লাহ, কৃষক দলের সভাপতি আলী হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আনিছুজ্জামান আনিচ, মৎস্যজীবি আহবায়ক গাজী মাহাবুবুর রহমান, জাসাস এর সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক রাসেল বিশ্বাস, শ্রমিক দলের সভাপতি গাজী আব্দুল হামিদ, এম এ মান্নান,শেখ আলামিন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, বাস্তহারা দলের সভাপতি আবুল কালাম, আহম্মাদ,ছাত্রনেতা এহছান,সরদার রনি,মেহেদী হাসান,সৈয়দ আজম,মীর মিল্টন, জিএম ফারুক, মফিজুল ইসলাম,রাজু,শাহিনুর,সরদার কামরুল,কালাম প্রমুখ। নেতৃবৃন্দরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

10
শ্যামনগর ব্যুরো : শ্যামনগরের আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চত্ত্বরে স্বাস্থ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ অক্টোবর পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগীতায় নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে সমৃদ্ধি কর্মসূচীর আওতায় বিশেষায়িত স্বাস্থ্য ক্যাম্প (চর্ম,যৌন, এলার্জী ও গাইনী) উদ্বোধন করেন আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবু সালেহ বাবু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এইচ, এম, মামুনুর রশিদ সমন্বয়কারী সমৃদ্ধি কর্মসূচি, ডাঃ রায়হান আতিকুল্লাহ, ডাঃ সাইজুল ইসলাম, ডাঃ শাহিদা, এম হাবিবুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ প্রবীর মুখার্জী  বিশেষজ্ঞ চর্ম,যৌন, এলার্জী ও সেক্স রোগ, ডাঃ নাসরিন সুলতানা গাইনী বিশেষজ্ঞ। মেডিকেল ক্যাম্পের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করেন মোঃ আবু সালেহ বাবু চেয়ারম্যান ১০নং আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ। অনুষ্ঠানে বক্তাগণ বলেন, পল্লী কর্ম- সহায়ক ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগীতায় নওয়াবেঁকী গণমূখী ফাউন্ডেশনের বাস্তবায়নে ১০ নং আটুলিয়া ইউনিয়নে চলমান সমৃদ্ধি কর্মসূচি একটি যুগাস্তকারী কর্মসূচি। ইউনিয়নে স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে যথেষ্ট অবদান রেখে চলেছে। গরীব অসহায় দুস্থ মানুষের স্বল্প মূল্যে চিকিৎসা সেবা দিয়ে ইতোমধ্যে যথেষ্ট সুনাম কুড়াতে সক্ষম হয়েছে। আমরা পিকেএসএফ ও এনজিএফ কে এমন একটি কর্মসূচি পরিচালনা করার জন্য আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাচ্ছি। উদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ারম্যান মোঃ আবু সালেহ বাবু  বলেন, ভৌগলিক কারণে আমাদের ইউনিয়নটি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ঝুিকপূর্ণ,এখানে বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। মানুষের সাজানো জীবন তছনছ করে দেয়। লবনাক্ততার মতো চলমান দূর্যোগ নিত্য সঙ্গী। যে কারণে এখান কার জনসাধারনের মধ্যে মারাত্মক চর্ম,এলার্জী রোগের  প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। রয়েছে যৌন রোগের মতো নীরব ঘাতক ব্যাধি। গ্রামের অল্প শিক্ষিত,অক্ষর জ্ঞানহীন নারীদের রয়েছে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা- যাহা মুখ ফুটে বলতে পারেনা। এমনই বাস্তবতায় আজকের স্বাস্থ্য ক্যাম্পটি খুবই বাস্তব সম্মত। আমি এনজিএফ এবং পিকেএসএফ কে অনুরোধ করবো এ ধরনের স্বাস্থ্য ক্যাম্প বেশী বেশী আয়োজন করে  ইউনিয়নের মানুষের সেবায় অবদান রাখতে। এ ক্যাম্পে  ২৩৫জন নারী ও  জন পুরুষ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

13
পাটকেলঘাটা প্রতিনিধি : আদালতের আদেশ অমান্য করে পুলিশের সহযোগিতায় প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার নার্সারি চারা কেটে ক্ষতিসাধনসহ উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে জবর দখলের মাধ্যমে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার প্রতিবাদে পাটকেলঘাটা প্রেসক্লাবে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী পাটকেলঘাটা থানার দাদপুর গ্রামের মৃত শেখ অহেদ আলীর পুত্র শেখ আঃ হান্নান তার লিখিত বক্তব্যে বলেন আমি এক পা হারানো একজন পঙ্গু ব্যক্তি । দীর্ঘ বছর যাবত ক্রাচের মাধ্যমে কোনো রকম এক পায়ে চলাফেরা করছি। পরিবার পরিজন নিয়ে অনাহারে অর্ধাহারে জীবন জীবিকা নির্বাহ অত্যন্ত কষ্টের বিধায় ১০/১২ বছর আমার ভোগদখলীকার দাদপুর মৌজাধীন এস.এ ৮৮৮ খতিয়ানের ৩১২ দাগের ১ একর ২০ শতকের মধ্যে আমার প্রাপ্ত ৩০ শতক সম্পত্তিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ গাছের চারা ও বীজ রোপন করে তা বিক্রির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি। এমতাবস্থায় আমার ভোগদখলীকার নার্সারি ক্ষেত আমার প্রতিপক্ষ মোজাম শেখের পুত্র শাহিন ও শহীদকে ভুল বুঝিয়ে প্রতিবেশী বিডিআর বিদ্রোহ মামলার সাজাপ্রাপ্ত শেখ আতিয়ার রহমানের নেতৃত্বে ১০/১৫জন লাঠিয়াল বাহিনী দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে গত ১৮ সেপ্টেম্বর জবর দখলের পায়তারা করে। পঙ্গু ও অসহায় বিধায় নিরুপায় হয়ে আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কাঃবিঃ ১৪৫ ধারা মতে পিটিশন মামলা দাখিল করি। যার নং পি-১০২৬/২০১৬। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক সৈয়দ ফারুক হোসেন শুনানী শেষে স্থিতিবস্থাদেশ দিয়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশকে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু পাটকেলঘাটা থানার এস.আই মনোজিত দেবনাথ গত ২০ সেপ্টেম্বর নোটিশ জারি করার নামে আদালতের আদেশকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে দ্বিতীয় পক্ষদের সঙ্গে গোপন আতাতের মাধ্যমে ঘরবাড়ি নির্মাণ করার সুযোগ করে দেন। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দ্বিতীয় পক্ষরা ২ সেপ্টেম্বর হতে ২৫ সেপ্টেম্বর নালিশি সম্পত্তিতে আমার ৬শতাং জমিতে রোপনকৃত বিভিন্ন প্রজাতির ৪ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের অন্তত ৫ হাজার চারা কেটে সম্পূর্ণ নষ্ট করে এবং উক্ত সম্পত্তিতে জবর দখলের মাধ্যমে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে। এমতাবস্থায় পুনরায় আদালতের শরনাপন্ন হয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় আবেদন করলে বিজ্ঞ বিচারক নালিশি সম্পত্তিতে দ্বিতীয় পক্ষদের প্রবেশে বারিত আদেশ দেন। পাটকেলঘাটা থানার এস.আই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মনোজিত দেবনাথ আদালতের আদেশকে ভ্রুক্ষেপ না করে দ্বিতীয় পক্ষদের ঘরবাড়ি নির্মাণের সহযোগিতা করেন। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন আমার দাখিলকৃত পিটিশন মামলায় আদালতের আদেশ পাওয়া স্বত্বেও পুলিশ কর্মকর্তার উৎকোচ বানিজ্যে আমি বিপুল পরিমাণ আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। বর্তমানে নালিশি সম্পত্তিতে প্রতিপক্ষরা জবর দখলের মাধ্যমে ঘরবাড়ি নির্মাণ করেছে। দাঙ্গাবাজ দ্বিতীয় পক্ষরা গত ১০/১২ দিন ধরে আমার এবং পরিবারের লোকজনদের জিম্মি করে রেখেছে। আমি পঙ্গু বিধায় অসহায়ত্বের সুযোগে প্রতিপক্ষরা আমাকে যেকোনো সময় জীবননাশ এমনকি পরিবারের লোকজনদের নানাভাবে ক্ষয়ক্ষতি করিতে পারে এমন আশংকায় দিনাতিপাত করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest