সর্বশেষ সংবাদ-
সাংবাদিক সামিউল মনিরের উপর হামলার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনশ্যামনগরে যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর হামলা: আটক -০২তালার নগরঘাটা ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা ভূগর্ভ থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের শীর্ষে আশাশুনিদীর্ঘ দুই মাস নিষেধাজ্ঞা শেষ : কাঁকড়া আহরণ অনুমতি পেলো বনজীবীরাসাতক্ষীরা কারাগারে হাজতির মৃত্যুনার্সিং ভর্তি পরীক্ষা খারাপ হওয়ায় মায়ের বকুনিতে ছাত্রীর আত্ম#হত্যাশ্যামনগরে পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নেতা ও তার পরিবারকে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা বাস্তহারা দলের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি অনুমোদনΜια βραδιά φωτός και ήχου στα ψηφιακά σαλόνια

gold

নিজস্ব প্রতিবেদক:  স্বর্ণ তো নয়, বিপ্লব চ্যাটার্জি একজন মাদক চোরাচালানি। ২১১ পিস  ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েছিল সে। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সাতক্ষীরা জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে একই সময়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের হাতে আটক এএসআই আব্দুর রউফ পল্টু ও কনস্টেবল মারুকে হস্তান্তর করা হয়েছে তাদের কর্মস্থল ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের কাছে। তাদেরকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হতে পারে।  বহুল আলোচিত ও রহস্যজনক এ ঘটনার জন্ম শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের সেনপুর বাজারে। সেখানে তিনজনকেই গনপিটুনি দিয়ে উদোম গায়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, যশোরের কেশবপুরের ভাটপাড়া গ্রামের সুধীর চ্যাটার্জির ছেলে বিপ্লব একজন স্বর্ণর্  চোরাচালানি হিসাবে পরিচিত। শুক্রবার বিপ্লব তিন কেজি স্বর্ণ ভারতে পাচারের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা অভিমুখে আসতে  খুলনার  সোনাডাঙ্গা থেকে বাসে চড়ে বসেন। এ সময় তার  পিছু ধাওয়া করে  গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে বাস থেকে নামান হরিনাকুন্ডু থানার উপসহকারি পরিদর্শক (এএসআই) আবদুর রউফ পল্টু ও তার সহযোগী কনস্টেবল মারুফ। বিপ্লবকে তারা একটি মোটর সাইকেলের মধ্যখানে  বসিয়ে নিয়ে আসেন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা ইউনয়নের সেনপুর বাজারে। বিপ্লবের কাছে থাকা স্বর্ণ ছিনতাইয়ের লক্ষ্যে তাকে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যেতে থাকলে বিপ্লব ‘আমাকে বাঁচান, আমাকে বাঁচান’ বলে চিৎকার দেন। বাজারের লোকজন ছিনতাইকারী ডাকাত সন্দেহে  গাড়িটি থামিয়ে সাদা পোশাক পরিহিত পুলিশের দুই সদস্যকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এএসআই পল্টু ও কনস্টেবল মারুফ এ সময় নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিলে ক্ষুব্ধ জনতা তাদের ইন্ধনে বিপ্লবকে মারপিট শুরু করেন। গনপিটুনির পর ছিন্ন বস্ত্র ও  উদোম গায়ে তিনজনকেই সেনপুরের বাবুর দোকানে আটকে রাখা হয়।  খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানার এএসআই মুরাদ তাদের গনরোষ থেকে উদ্ধার করে আনেন ।  এদিকে রাতে ওসি মহিবুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিপ্লব স্বীকার  করেছে যে তার কাছে দুই পিস স্বর্ন ছিল’। তবে সেই স্বর্ণ কোথায় তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেন নি।  এদিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দিনভর সংবাদকর্মীসহ সবার কৌতুহল ছিল ঘটনাটির শেষ কোথায় কিভাবে হয় এবং কতটুকু স্বর্ন উদ্ধার হয়েছে তা জানার জন্য। এ সময় পুলিশের সাথে নানাভাবে দরকষাকষির খবরও আসে সংবাদকর্মীদের কাছে। এমনকি পুলিশ কিছু মাদকদ্রব্য খুঁজছে বলেও চাউর হয়। এ নিয়ে পুলিশও সংবাদকর্মীদের এড়িয়ে নানাভাবে লুকোচুরি খেলতে থাকে। অবশেষে বিকালে পাটকেলঘাটা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম জানান বিপ্লবের খোয়া যাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার হয়নি। এমনকি এই সোনা তিন কেজি নাকি মাত্র দুই পিস তাও তিনি নিশ্চিত করতে পারেন নি।  তিনি জানান, বিপ্লব স্বর্ণ চোরাচালানি নন। দেহ তল্লাশি করে তার কাছে পাওয়া গেছে ২১১ পিস ইয়াবা। তাকে ইয়াবা চোরাচালান মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে পুলিশ সদস্য আবদুর রউফ পল্টু ও মারুফ ছুটিতে থাকাকালে এবং বাইরের কোনো জেলায় কোনো সন্দিগ্ধ ব্যক্তির সন্ধান পেয়ে তাকে গ্রেফতার করতে চাইলে স্থানীয় থানার সহায়তা না নিয়ে ভুল করেছেন। এজন্য তারা গনপিটুনি খাওয়ায় পুলিশের ভাবমুর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে। এসব কারনে তাদেরকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনার লক্ষ্যে তাদের কর্মস্থল ঝিনাইদহ জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি। আলোচিত এএসআই আবদুর রউফ পল্টু ও কনস্টেবল মারুফ ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু থানায় কর্মরত। হরিনাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহতাবউদ্দিন জানান, এএসআই পল্টু ঢাকায় সাক্ষী দিতে ও মারুফ তার বাবার অসুস্থতার কারনে ছুটিতে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় গিয়েছিলেন। সেখানে যেয়ে তারা এমন অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হন বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-footag20161008-1221150
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার ও তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের দূর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠীত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টাই বাংলাদেশ ন্যসনাল আওয়ামীলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠীত হয়। এ সময় সাতক্ষীরা ন্যাপ সহসভাপতি হায়দার আলি সান্তর সভাপত্বিতে প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ এর সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুর রহমান, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, প্রগতিশীল সংগঠনের আহবায়ক মোঃ মুনসুর রহমান, বাস্তহারা লীগের আব্দুস সামাদ, বাসদ সংগঠনের এড খগেন্দ্রনাথ ঘোষ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা বলেন আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার মুহাঃ গোলাম এলাহী তুয়ারডাঙ্গা মৌজার অর্পিত সম্পত্তি ‘ক’ তালিকায় গেজেট ভুক্ত (ভিপি সম্পত্তি) এস.এ ১৯৮ নং খতিয়ানে ২১৫ দাগে ৪.৪২ একর এবং এর মধ্যে ৪.৩৯ একর জমি দুই টি দলিলে গত ৫ মে রেজিষ্ট্রি সম্পূর্ণ করেছেন যার মধ্যে একটি দলিল নং ১৩৯৩ গ্রহিতা তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের রিয়াজউদ্দিন সরদারের পুত্র রওশন সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পুত্র জাকির হোসেনের জমির পরিমান ১.৪২ একর। অপর দলিল নং ১৩০৯২ গ্রহিতা তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের গনেশ চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রী পুস্প রাণী মন্ডল জমির পরিমান ২.০৯৭ একর যার দুইটি দলিলেরই দাতা ছিলেন তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত কালিপদ ধানকির পুত্র কৃষ্ণপদ ধানকি। তবে সরকারি নিতি মালাকে তুয়াকা না করে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত দলিল রেজিষ্ট্রি করা কালে কোন মিউটেশন ও খাজনার চেক দাখিল জমা ছাড়াই রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করেন। অপরদিকে তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মৃত ব্যক্তির উপস্থিতি ও আপস নামার স্বাক্ষর দেখিয়ে এক জনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দিয়েছেন। হাজরাকাটি মৌজার শরবানু বেগম এবং কহিনুর বেগমের সম্পত্তি রেকর্ড করে নেয়ার জন্য ৩৭৯ ডিপি খতিয়ানে ৩১ ধারায় মামলা করেন ওই রেকর্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেয় পরে বিরোধি পক্ষ ওমর খাঁ ও ইমাদুলের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে সরকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামানকে ম্যানেজ করে মৃত গহর আলী ও শহর আলীকে হাজির দেখিয়ে তাদের মধ্যে আপস নামা তৈরি করে বিবাদি পক্ষে রেকর্ড বহাল দেখান। এ সময় বক্তারা আরও বলেন আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার মুহাঃ গোলাম এলাহী এবং তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান। সেই সাথে কিছু অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের দুর্নীতির কারনে জনগনের দুর্ভোগ বেড়েছে এ জন্য এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475915042বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকে সোনালি বেন্দ্রে ছিলেন বলিউডে আবেদনের এক অনন্য উদাহরণ। ‘সুপার মডেল’ পরিচয়কে পাশে রেখে বলিউডের ছবিতে অভিনয় করেছেন, গ্ল্যামারের ঝলকও দেখিয়েছেন নিজের মতো করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বি টাউন থেকে সরে এলেও এখনো বড়পর্দায় অভিনয়ের আগ্রহ রাখেন ‘সারফারোশ’-এর অভিনেত্রী।
এমটিভি ইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপে সোনালি বলেন, ‘আমার যা কাজ করার তা করেছি। এখন ব্যতিক্রম কিছু না এলে কাজ করব না। ছবি করার আগ্রহ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে আমি কথা বলি। কাজেই এমন একটা চরিত্র পেতে হবে যা আমাকে একেবারে চমকে দেয়, তখন তার জন্য একেবারে ঘরবাড়ি ছেড়ে কাজে নেমে পড়ব।’
সোনালি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মডেল হিসেবেই। এই ক্যারিয়ারে দারুণ সাফল্যের পর বলিউডে অভিনয় করেছেন। ‘দিলজ্বলে’, ‘সারফারোশ’, ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবিগুলো তাঁর ক্যারিয়ারের সাফল্যের উদাহরণ। ‘কাল হো না হো’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। সবশেষ তাঁকে দেখা গিয়েছে ২০১৩ সালের ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই দোবারা’ ছবিতে।
এখনকার সময়ের সঙ্গে আগের পরিপ্রেক্ষিত একেবারেই মেলে না বলে মনে করেন সোনালি। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘ছবির ব্যবসার ঘরানা বদলে গেছে। এটা খুবই ভালো বিষয়। এখন স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র তৈরি হচ্ছে, এগুলোর আলাদা দর্শকও রয়েছে। এর আগে এসব কাজ করার সুযোগই তো ছিল না। এ ধরনের ছবি নিয়ে কাজ করার সুবিধাটা এখন অনেক।’ এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য সোনালির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475911707স্বাস্থ্য ডেস্ক: আমাদের দৈনন্দিন জীবনপ্রণালি ও খাদ্যে বিভিন্ন উপাদানের অভাব ব্যথানাশকের ব্যবহার বাড়িয়ে দিয়েছে।  তাই কিছু হলেই ওষুধের  দোকান থেকে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই হরহামেশা ব্যথার ওষুধ খেয়ে থাকি আমরা। যে কারণে বা যেভাবেই ব্যথার ওষুধ খাই না কেন, এর ব্যবহারে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। অনিয়ন্ত্রিত বা মাত্রাতিরিক্ত ব্যথানাশক শরীরের বিশেষ ক্ষতি করতে পারে।
ব্যথানাশক মূলত কাজ করে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরিতে বাধাদানের মাধ্যমে। প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন শরীর ফোলা ও ব্যথার জন্য দায়ী। ব্যথানাশক শরীরে সাইক্লো অক্সিজেনেস থেকে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি হতে দেয় না, ফলে ব্যথার অনুভূতি হয় না। কিন্তু প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন শরীরে ব্যথার অনুভূতিই শুধু জাগায় না, অন্য কাজও করে। এক ধরনের প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন আছে, যেটি পরিপাকতন্ত্রের উপরিভাগে প্রতিরক্ষামূলক আবরণ তৈরি করে। কিন্তু ব্যথানাশকের প্রভাবে এই প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরি না হওয়ায় মিউকাস লেয়ারে ক্ষত হয়।
ফলে গ্যাস্ট্রিক ও ক্ষত বা আলসার হয়। কক্স-২ ইনহিবিটর নামের যে নতুন ব্যথানাশক বাজারে আছে, সেগুলো ব্যথার জন্য দায়ী প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন তৈরিতে বাধা দিলেও যে প্রোস্টাগ্ল্যান্ডিন পরিপাকতন্ত্রে প্রতিরোধী আবরণ তৈরি করে তাকে বাধাগ্রস্ত করে না। ফলে গ্যাস্ট্রিক বা আলসার হয় না। কিন্তু এ জাতীয় ব্যথানাশকে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি থাকে। আজকাল গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্ত থাকার জন্য ডাইক্লোফেনাকের সঙ্গে মিসোপ্রোস্টোল যুক্ত করে নতুন ওষুধ ব্যবহার করা হচ্ছে।
মনে রাখা দরকার, মিসোপ্রোস্টোল গর্ভপাত ঘটায় এবং বিকলাঙ্গ শিশু জন্মানোর ঝুঁকি বাড়ায়। তাই গর্ভবতীদের কখনোই এ ওষুধ দেওয়া উচিত নয়। ব্যথানাশক যথাসম্ভব ব্যবহার না করা উচিত যেসব ক্ষেত্রে তা হলো-

গর্ভাবস্থায়, শিশুকে বুকের দুধ দেন এমন মায়েরা, রক্ত পাতলা করার ওষুধ খেতে থাকলে, গ্যাস্ট্রিক বা আলসার থাকলে।
ব্যথানাশকের অপব্যবহারে যে শুধু গ্যাস্ট্রিক বা আলসার হয় তা নয়, এ থেকে রক্তক্ষরণও হতে পারে। মাথা ঘোরা, বমি, পাতলা পায়খানা, চুলকানি, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া প্রভৃতিও হতে পারে। হাঁপানি থাকলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে। কিডনি ও যকৃতের সমস্যাও হতে পারে। তাই ব্যথানাশক ব্যবহারে একটু বেশি সতর্ক হওয়া দরকার।
অল্প ব্যথায় বরফ দিলে বা গরম সেঁক দিলে উপকার পাওয়া যায়। ব্যথানাশক ওষুধ যদি খেতেই হয়, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মতো ও পরিমিত খাবেন।
লেখক : শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ , ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475835231ডেস্ক রিপোর্ট: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, সীমান্ত হত্যার প্রধান কারণ গরু চোরাচালান। আর ভারত ও তাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সহযোগিতা ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা সম্ভব নয়।
সম্প্রতি ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ের সীমান্ত বৈঠক শেষে শুক্রবার রাজধানীর পিলখানায় সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিজিবি মহাপরিচালক। আজিজ আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের অনুরোধে সীমান্তে ফেনসিডিল কারখানা বন্ধ করতে কাজ করছে ভারত সরকার। এ ছাড়া সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণসহ স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সীমান্ত আছে চার হাজার ৪৭৫ কিলোমিটার, যার বেশির ভাগ এলাকাই কাঁটাতারের বেড়ায় বেষ্টিত। সীমান্তের দুই পাশেই ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশের সীমান্ত বাহিনী ২৪ ঘণ্টাই পাহারা দেয়। তারপরও সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশের ঘটনা বন্ধ করা যাচ্ছে না। এসব অনুপ্রবেশকারীর অন্যতম লক্ষ্য থাকে গরু চোরাচালান। গরু চোরাচালানকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়। প্রতিটি মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে হত্যা বন্ধের বিষয় আলোচনার এক নম্বর এজেন্ডা থাকে। এ বছরও তার ব্যত্যয় ঘটেনি। বিজিবি মহাপরিচালক জানান, ভারতের সহযোগিতা ছাড়া সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে না।
দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠক প্রসঙ্গে আজিজ আহমেদ বলেন, ‘যেটা আমাদের জয়েন্ট ডিক্লারেশনেও (যৌথ ঘোষণা) আছে, যে তোমার লোকজন তো নন লেথাল উইপেন (অ-প্রাণঘাতী অস্ত্র) ইউজ করে সেটা তোও মানুষ মারা যাওয়ার কথা না। আমার লোকজন তো লেথাল উইপেন (প্রাণঘাতী অস্ত্র) ইউজ করে এবং আমার লোকজনও আক্রান্ত হয়। কই, আমরা তো মানুষ মারি না। আমরা যদি ফায়ার রিজোর্ট করতে হয়, হিপ লেভেলের নিচে ফায়ার করি। তোমার লোকজন কেন চেস্টে ও মাথায় গুলি করে?’
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, আলোচনা শেষে তাঁরা বলেন, গরু চোরাচালান বন্ধ করতে এবং নিয়ন্ত্রণ করতে ভারতের সবচেয়ে বেশি দায়িত্ব। ভারত তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারলে সীমান্ত হত্যা অনেক কমে আসবে এবং অনেক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। এবারের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকটিকে সফল উল্লেখ করে মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, মানবিক কারণে সীমান্ত রেখার ১৫০ গজের বাইরেও কিছু কিছু এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে বিজিবি।
আজিজ আহমেদ বলেন, ‘এটা হলো যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমাদের লোকজন ওই শূন্য রেখা থেকে শুরু করে দেড়শ গজের মধ্যে যায় শুধু চাষাবাদের জন্য, অন্য কিছু না। ওরাও আসে চাষাবাদ করে, অন্য কিছু না। তখন তারা বলেছিল, আমরা যদি গ্রামগুলোকে নিয়ে আসি, ওই খানে আমরা যদি কোনো গেট না রাখি, কৃষকগুলো তাদের জমিতে কীভাবে যাবে? আপনারা যদি অনুমোদন দেন আমরা ওখানে গেট করতে চাই সিঙ্গেল ইয়ার ফেন্সিংয়ের সঙ্গে। তখন আমি তাঁদের বলেছিলাম, আপনারা যেখানে গেট দিতে চান সেখানে ডাবল লেয়ার ফেন্সিং দিতে হবে।’
বিজিবি মহাপরিচালক জানান, বাংলাদেশের অনুরোধে সীমান্তে ফেনসিডিল কারখানা বন্ধসহ ভারতে পালিয়ে থাকা প্রায় এক হাজার ২০০ সন্ত্রাসীর একটি তালিকা বিএসএফের কাছে দিয়েছে বিজিবি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_37290414_1475916819ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের চার অঙ্গরাজ্য ফ্লোরিডা, জর্জিয়া, দক্ষিণ ক্যারোলিনা ও উত্তর ক্যারোলিনায় জারি করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। ক্যারিবীয় অঞ্চল বিধ্বস্ত করে হারিকেন ম্যাথিউ আঘাত হেনেছে দেশটিতে। ফ্লোরিডায় ঝড়ের আঘাতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিদ্যুৎ সংযোগ হারিয়ে প্রায় ১২ লাখ মানুষ অন্ধকারে রয়েছেন।
ফ্লোরিডার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ঝড়ের আঘাতে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। সেন্ট লুসি কাউন্টির এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, ঝড়ের তাণ্ডবে সেখানে দুইজন মারা যায়। প্রবল ঝড়ো বাতাস ও বৃষ্টিপাতের কারণে আর্তদের কাছে সময়মতো পৌঁছানো যায়নি। ভলুসিয়া কাউন্টিতে ৫০ বছর বয়সী এক নারী মারা গেছেন। তিনি ঝড়ের সময় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান বলে এক বিবৃতিতে জানা গেছে।
ফ্লোরিডায় আঘাত করার সময় ম্যাথিউ অনেকটাই শক্তি হারিয়েছে বলে জানা গেছে। হাইতিতে আঘাতের সময় যেখানে সেটি ছিল ক্যাটাগরি চার মাত্রার ঝড়, সেখানে ফ্লোরিডায় তা পরিণত হয়েছে ক্যাটাগরি দুই মাত্রার ঝড়ে। অঙ্গরাজ্যটির জলোচ্ছ্বাসদুর্গত এলাকা জ্যাকসনভিলের দক্ষিণে অবস্থিত সেন্ট অগাস্টিনে মাপা বাতাসের গড় গতিবেগ পাওয়া গেছে ঘণ্টায় প্রায় ১৩৭ কিলোমিটার।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, বিদ্যুৎ সংযোগ হারিয়ে ফ্লোরিডা, জর্জিয়া এবং দক্ষিণ ক্যারোলিনায় প্রায় ১২ লাখ মানুষ অন্ধকারে রয়েছেন।
এর আগে ফ্লোরিডার অন্তত ১৫ লাখ মানুষকে জরুরিভিত্তিতে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে। অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর আর্তদের সহায়তায় উদ্ধার অভিযানের জন্য বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন রেখেছে।
সূত্র: সিএনএন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_154513469_1475811759ডেইলি সাতক্ষীরা ডেস্ক: সারাদিন আমরা বিভিন্ন ধরণের খাবার গ্রহণ করে থাকি। খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমরা অনেকেই না জেনে ভুল সময়ে ভুল খাবার খেয়ে থাকি। কিছু খাবার আছে যেগুলো সকালে খেোলে বেশি উপকার পাওয়া যায় আবার অনেক খাবার রাতে খাওয়া ভাল। জেনে নিন কিছু খাবার খাওয়ার সঠিক সময়-
# কলা: দুপুরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও ত্বক সুন্দর করে। আর রাতে হজম ও শ্লেষ্মাজনিত সমস্যা হতে পারে।
# আলু: সকালে আলু কোলেস্টরেল কমাতে সাহায্য করে ও মিনারেলের অভাব পূরণ করে। প্রচুর ক্যালরি থাকার কারণে ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।
# মাংস: দুপুরে এই খাবার খেলে অবসাদ দূর করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। মাংস চার-পাঁচ ঘণ্টা ধরে হজম হয় বলে হজম শক্তিতে বাঁধা দেয়। তাই রাতে এই খাবার গ্রহণ করা ঠিক নয়।
# বাদাম: বাদাম দুপুরে খেলে উচ্চ রক্তচাপ কামায় ও হার্ট সুস্থ রাখে। এতে প্রচুর পরিমাণ ফ্যাট ও ক্যালরি থাকায় ওজন বৃদ্ধি পেতে পারে।
# দই: রাতে দই খেলে এটি খাবার হজমে সাহায্য করে। কিন্তু সকালে খালি পেটে দই খেলে খালি পাকস্থলিতে প্রচুর পরিমাণে এসিড তৈরি করে।
# ভাত: দুপুরে ভাত আপনাকে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট সারাদিন শক্তি যোগায়। কিন্তু রাতে এটি ওজন বৃদ্ধি করে।
# কমলা: সন্ধ্যায় কমলা হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও মেটাবলিজমে সাহায্য করে। আর সকালে খালি পেটে খেলে পাকস্থলিতে গ্যাস তৈরি হয়।
# চকলেট: সকালে চকলেট খেলে এন্টি অক্সিডেন্টের মাধ্যমে ত্বক সুন্দর রাখে ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
# টমেটো: সকালে হজম শক্তি বৃদ্ধি করে ও মেটাবলিজমে সাহায্য করে। আর রাতে পেকটিন ও অক্সালিক এসিড নিঃসৃত হওয়ার ফলে পেট ফেঁপে যায়।
# আপেল: রক্ত থেকে সুগার ও কোলেস্টরলের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। রাতে আপেল হজম হতে সময় নেয় ও পাকস্থলিতে এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

full_1590372822_1475912757ডেস্ক রিপোর্ট: সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের অবস্থার আগের চেয়ে ভাল। সে চোখ খুলেছে, হাত-পাও নেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জন ডা. রেজাউস সাত্তার। আজ শনিবার দুপুর একটার সময়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
এরআগে স্কয়ার হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহযোগী কনসালটেন্ট ডা. মির্জা নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আপনারা জানেন গত ৪ অক্টোবর সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১৯ বছরের একটি রোগী আমাদের এখানে আসেন। তার মাথায় কোপানোর আঘাত রয়েছে। একারণে তার মাথায় একটি অপারেশনও করা হয়েছে।
তার চিকিৎসার ব্যাপারে আপনাদের বেশ আগ্রহ রয়েছে। ওই রোগীকে ৭২ ঘন্টা পর্যবেকক্ষণ করার পরেও আরো কিছু সময় পর্যবেকক্ষণে রাখা হয়েছিল। সময়ই বলে দিবে কতক্ষণ লাগতে পারে। কি উন্নতি হয়েছে আর কি উন্নতি হতে পারে তা বলতে পারবেন নিউরো সার্জন ডা. রেজাউস সাত্তার। তাই এ ব্যাপারে বিস্তারিত তিনিই বলবেন।
ডা. রেজাউস সাত্তার বলেন, ‘৭২ ঘন্টা পর্যবেকক্ষণ করার পরেও আরো কিছু সময়ে পর্যবেকক্ষণে রাখা হয়েছিল। পর্যবেকক্ষণে রাখার উদ্দেশ্যে পার্ট অফ ট্রিটমেন্ট প্রথমত আমাদের চিকিৎসার উদ্দেশ্যে ছিল তার কনসাসনেসের উন্নতি করা। আরো ৯৬ ঘন্টার পরে বলা যাবে তার কি অবস্থা। তবে সে চোখ খুলেছে এবং ডান হাত ডান পা নেড়েছে।
প্রসঙ্গত গত ৩ অক্টোবর সন্ধ্যায় সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসকে প্রেমে সাড়া না দেয়ায় চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক বদরুল আলম।
পরে জনতা তাকে গন পিটুনি দিয়ে পুলিশের সোপর্দ করেন। পরের দিন রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘বদরুল এখন ছাত্রলীগের কেউ নন। আমরা তার বিচারের দাবি করছি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest