সর্বশেষ সংবাদ-

1-copy
তালা প্রতিনিধি : ‘শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ -শ্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তালা সদর ইউনিয়নে হতদরিদ্রের মাঝে সূলভ মূল্যে দশ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রয় কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শনিবার বিকালে তালা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সরদার জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ও ফেয়ারপ্রাইজের ১০ টাকা দরে চাউলের কার্ড উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১(তালা-কলারোয়া)আসনের সংসদ সদস্য এড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমানের পরিচালনায়, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণব ঘোষ বাবলু,তালা থানা সেকেন্ড অফিসার ওহিদ জেএসডির কেন্দ্রীয় নেতা মীর জিল্লুর রহমান,তালা সদর ইউনিয়নের সভাপতি শাহাবুদ্দীন বিশ্বাস,সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খাঁ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন তালা থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক সেলিম হোসেনসহ ৯টি ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি,সাধারণ সম্পাদক,ইউপি সদস্যবৃন্দ। প্রকাশ,তালা সদর ইউনিয়নে ১হাজার ৬’শ ৪৪ জন কার্ডধারীর ১০টাকা কেজি দরে প্রতি মাসে ৩০ কেজি চাউল নির্দিষ্ট ডিলারের কাছ থেকে কিনতে পারবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

বাবুল আক্তার : পাইকগাছার প্রতিমা ঢালী ওরফে খাদিজা মৃত্যুর এক মাস অতিবাহিত হলেও পুলিশ এখনও মৃত্যুর কারণ উদঘাটন করতে পারেনি। পরিবারের পক্ষ থেকে কথিত স্বামী মহিতোষকে দায়ী করলেও এলাকাবাসী মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিমার পিতা ৭ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেছে। সরেজমিনে তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার দারুণমল্লিক গ্রামের খাদিজা খাতুনের ঝুলন্ত লাশ ৭ সেপ্টেম্বর নিজ ঘরের ভিতর থেকে উদ্ধার হয়। ইতোপূর্বে প্রতিমা ঢালী এফিডেভিটের মাধ্যমে খাদিজা নামে সাতক্ষীরার খলিলের সহিত বিবাহ হয়। সেখানে সে প্রায় দেড় বছর সংসার করে বলে স্বামী খলিল ও এলাকার একাধিক সূত্রে জানা যায়। তাদের নিয়ে দেলুটী ইউপিতে শালিস হয় বলে ইউপি পরিষদ সদস্যরা জানিয়েছেন। মুসলিম থেকে নিজ ধর্মে ফিরেছে কিনা তাও কেউ বলতে পারেনি। এ ঘটনার কিছু দিন পর নোয়াই গ্রামের কাদের গাজীর পুত্র খোকন এর সহিত বারোআড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পে আটক হয়। সেখান থেকে প্রতিমার মামা তাদের ছাড়িয়ে আনে। খোকনের সহিত প্রতিমার বিবাহ হয়েছিল কিনা তাও কেউ বলতে পারিনি। এদিকে প্রতিমার মা উষা রানী ঢালী বলেন, মহিতোষের পিতা অরবিন্দুর সাথে আমাদের ধর্ম আত্মীয়তা পাতানো ছিল কয়েক বছর পূর্বে। সেখান থেকে আমি ও আমার মেয়ে প্রতিমা তাদের ওখানে যাতায়াত করি। মহিতোষ আমার কন্যাকে এফিডেভিটের মাধ্যমে বিবাহ করেছে কিন্তু কখনও শাখা সিদুর পরায়নি। দিনের বেলায় সে কখনও আমার বাড়ী আসেনি। মাঝে মধ্যে রাতে আসতো এবং রাত শেষ হওয়ার আগেই চলে যেত। ঘটনার আগের দিন অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বর রাত অনুমান ৯ টায় মহিতোষকে সাথে নিয়ে আমার কন্যা বাড়ীতে আসে। সকালে আমি শাড়ী বিক্রি করতে যাই। ফিরে এসে তালাবদ্ধ ঘরে প্রতিমার ঝুলন্ত লাশ দেখি। এ সময় মহিতোষের খোজ খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে মহিতোষের গ্রাম দক্ষিণ কাইনমুখীতে তাদের বিয়ের ঘটনা কেউই বলতে পারিনি। প্রতিমার পিতা দীর্ঘদিন ছোট স্ত্রীকে নিয়ে খুলনায় থাকে। এ ঘটনায় সে বাড়ী এসে মহিতোষ সহ ৭ জনকে আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করে। কিন্তু পুলিশ আজও তার মৃত্যু কাহিনী উদঘাটন করতে পারেনি। তদন্ত কর্মকর্তা এস,আই গৌতম জানায়, মৃত্যুর কাহিনী উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। দ্রুত সম্ভব হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

4
তালা প্রতিনিধি : তালা উপজেলার সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ সাইফুল আলমের ২২তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকালে তালার রহিমাবাদ পারিবারিক কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদে উপজেলা ছাত্রদল দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক মির্জা আতিয়ার রহমান, তালা সদর বিএনপি’র সভাপতি মো.আবুল কালাম বিশ্বাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মারুফ-উল ইসলাম,কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাসান, ছাত্রদলের সভাপতি সাঈদুর রহমান, মৎস্যজীবী আহবায়ক গাজী মাহাবুবুর রহমান, জাসাস এর সভাপতি সেলিম হায়দার, স্বেচ্ছাস্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, বাস্তহারা দলের সভাপতি আবুল কালাম, ছাত্রনেতা,ফরাদ হোসেন রনি, মোতাহার,তালা সরকারি কলেজ সাবেক সদস্য সচিব জিএম ফারুক, তালা সরকারি কলেজ সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন মোড়ল,ছাত্রনেতা সুমন, মফিজুল ইসলাম, হাসান, ইমরান, আব্দুল্লাহ আল মামুন সৈকত,আলিফ,সরদার কামরুল,কালাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। উল্লেখ্য ১৯৯৪সালে ৮ই অক্টোবর ছাত্রদলের উদ্যোগে নবীনদের আগমনে একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল তালা সরকারি কলেজ মাঠে প্রবেশ করার সময় বিপদগামী কিছু দূর্বৃত্তদের বোমা হামলায় সাবেক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নিহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরা জেলার তিন বছর মেয়াদী অগ্রধিকার ভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শীর্ষক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ সভায় জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার উপ পরিচালক অচিন্ত্য কুমার পোর্দ্দার, স্থানীয় সরকার বিভাগ সাতক্ষীরার উপ পরিচালক এ.এন.এম মঈনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট সৈয়দ ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ.এফ.এম এহতেশামূল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অরুন কুমার মন্ডল, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মোদাচ্ছের আলী, লাবসা সরকারি পলিটেকনিক কলেজের অধ্যক্ষ জি.এম আজিজুর রহমান, তালা উপজেলার চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার উপ পরিচালক আব্দুল মান্নান, বিআরটিএ সাতক্ষীরা সার্কেলের সহকারী পরিচালক প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ চৌধুরী, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু সায়েম মোঃ মনজুর আলম, আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুষমা সুলতানা, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মনিরা পারভীন, এনডিসি আবু সাঈদসহ বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসারবৃন্দ। সভায় জেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, কৃষিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূল কাজের অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

566666
নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্রাহকদের নামে মামলা করে ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডর চেয়ারম্যান ও ম্যানেজার তোপের মুখে পড়েছে। সাতক্ষীরায় ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড ভিক্ষুকসহ একাধিক গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। টাকা ফেরত না দিয়ে এবার উল্টো গ্রাহকদের নামে আদালতে মামলা দায়ের করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা। গ্রাহকরা ক্ষিপ্ত হয়ে  শনিবার ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডর চেয়ারম্যান এস.এম. শরিফ-উজ জামান ও ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুকের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে টাকা ফেরত পেতে বিক্ষোভ করে গ্রাহকরা। এ সময় গ্রাহকদের তোপের মুখে পড়ে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্র“তি দিয়ে এ যাত্রায় রেহাই পাই এ প্রতিষ্ঠানের দুই কর্মকর্তা। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা এ প্রতিনিধিকে জানান, অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড গ্রাহকের কাছ থেকে আমানত হিসেবে কোটি টাকা সংগ্রহ করে ২০১৪ সালের মে মাসে লাপাত্তা হয়ে যায়। গ্রাহকদের প্রতারণার পরেও বহাল তবিয়তে এসব প্রতারক চক্র। সাতক্ষীরায় বিভিন্ন নামে বেনামে গড়ে উঠেছে এসব কো-অপারেটিভ প্রতারণার কার্যক্রম। কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া অধিকাংশ প্রতারক চক্র রয়েছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। ভুক্তভোগীরা জানান, ২০১০ সালে এ প্রতিষ্ঠাটি যাত্রা শুরু করে। ডিপোজিট ডিপিএস’র নামে অধিক মুনাফার কথা বলে অসংখ্য গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া হয় কয়েক লক্ষ টাকা। এক পর্যায়ে  প্রায় ২শ’ গ্রাহকের কোটি টাকা নিয়ে তারা লাপাত্তা হয়ে যায়। সূত্রে জানা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠানের গ্রাহক রফিকুল ইসলাম ডিপোজিট করে ৮ লক্ষ টাকা, মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ডিপোজিটের নামে নেয়া হয় ২ লক্ষ টাকা, আব্দুর রশিদের ১ লক্ষ টাকা, ক্যাপ্টেন বাবু’র ১ লক্ষ টাকা, আব্দুর রহিম নামের আরেক গ্রাহকের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা, চায়ের দোকানী ছালেহা খাতুনের নিকট থেকে ৪ লক্ষ  ৩৫ হাজার টাকা, ভিক্ষুক সায়েরা বিবি’র কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা। এভাবে বিভিন্ন গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে নতুনভাবে প্রতারণার ফাঁদ পেতে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক কাটিয়া টাউন বাজার সংলগ্ন শাহী মসজিদের পাশে তার হোমিও প্যাথিক চেম্বার বিসমিল্লাহ ক্লিনিকের উপর প্রতিষ্ঠানের সাইন বোর্ড খাটিয়ে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৪ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলে গা বাঁচাতে ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ লিমিটেডের প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ-উজ-জামান রুমি কোন রেজুলেশন ছাড়াই স্থানীয় একটি পত্রিকায় অব্যাহতি জানান। তাদের টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো গ্রাহকদের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরার বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(গ) ধারায় মামলা করেছে। যার নং ৮২৫/১৬ (সাত)।
শনিবার ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ সোসাইটির ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুকের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকরা টাকা ফেরত পেতে জমায়েত হয়। এ সময় ম্যানেজার প্রথমে মুখ খুলতে না চাইলে গ্রাহকদের তোপের মুখে টাকা ফেরত দেবে বলে আশ্বাস দেয়। তবে গ্রাহকরা বলছে ম্যানেজারকে আর পাওয়া যাবেনা। সে পালিয়ে যাবে। অপর দিকে গ্রাহকরা চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ উজ-জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গেলে সেও কথা বলতে না চাইলে ও পরে ক্যামেরার সামনে বাধ্য হয়ে এক পর্যায়ে সে টাকা ফেরত দেবে বলে জানিয়ে দেয়। শনিবার ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ সোসাইটির ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুকের ব্যাবসা গেলে সে বলে এসব বিষয়ে বিস্তারিত সমবায় অফিসার শেখ শফিকুল ইসলাম জানেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ উজ জামানের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে গেলে সমবায় অফিসারকে সেখানে পাওয়া যায়। গ্রাহকরা বলছে আমাদের কে প্রতারণা করে সমবায় অফিসারকে বেতনা ট্রেডার্স থেকে টিভি এস মোটরসাইকেল উপহার দিয়েছে চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় আগে থেকে সমবায় অফিসার কেন বেতনা ট্রেডার্সে পাওয়া গেল? চলতি বছরের ১লা জুলাই সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর ছালেহা খাতুন বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করে। স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে এস.আই দেলোয়ার সদর থানায় ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো- অপারেটিভ সোসাইটির ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক কে নিয়ে গ্রাহকদের  টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে সে বিষয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনায় ম্যানেজার গ্রাহকদের টাকা পরিশোধের জন্য তিন দিন সময় চেয়ে নেয়। এর পর থেকে সে লাপাত্তা হয়ে গেছে। লাপাত্তার ২ মাস পর গ্রাহকদের টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ২৭.০৯.১৬ তারিখে মামলা করে ম্যানেজার ডাঃ ওমর ফারুক। ওই মাল্টিপারপাসের চেয়ারম্যান এস.এম শরিফ-উজ জামান রুমি, ম্যানেজার শহরের কাটিয়া এলাকার সামছুর রহমানের ছেলে ডাঃ ওমর ফারুক ও  শেখ ফারুক আহমেদ বাবলু মূলত এই তিন জন মিলে প্রতারণার জাল বিছিয়ে  গ্রাহকদের কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানান গ্রাহকরা । ভুক্তভোগী ও সচেতন মহলের দাবী ফাষ্ট মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের প্রতারণার নতুন ফঁদে যেন সাধারণ মানুষ না পড়ে। এ জন্য এ ধরনের প্রতারক চক্রদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এবং অসহায় গ্রাহকরা যাতে করে তাদের জমাকৃত টাকা ফেরত পায় এবং জড়িত কর্মকর্তারা পালিয়ে যেতে না পারে এ ব্যাপারে জেলা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

gold

নিজস্ব প্রতিবেদক:  স্বর্ণ তো নয়, বিপ্লব চ্যাটার্জি একজন মাদক চোরাচালানি। ২১১ পিস  ইয়াবাসহ হাতেনাতে ধরা পড়েছিল সে। এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে সাতক্ষীরা জেল হাজতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে একই সময়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের হাতে আটক এএসআই আব্দুর রউফ পল্টু ও কনস্টেবল মারুকে হস্তান্তর করা হয়েছে তাদের কর্মস্থল ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের কাছে। তাদেরকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনা হতে পারে।  বহুল আলোচিত ও রহস্যজনক এ ঘটনার জন্ম শুক্রবার রাত ৯ টার দিকে তালা উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের সেনপুর বাজারে। সেখানে তিনজনকেই গনপিটুনি দিয়ে উদোম গায়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এলাকাবাসী। জানা গেছে, যশোরের কেশবপুরের ভাটপাড়া গ্রামের সুধীর চ্যাটার্জির ছেলে বিপ্লব একজন স্বর্ণর্  চোরাচালানি হিসাবে পরিচিত। শুক্রবার বিপ্লব তিন কেজি স্বর্ণ ভারতে পাচারের লক্ষ্যে সাতক্ষীরা অভিমুখে আসতে  খুলনার  সোনাডাঙ্গা থেকে বাসে চড়ে বসেন। এ সময় তার  পিছু ধাওয়া করে  গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে তাকে বাস থেকে নামান হরিনাকুন্ডু থানার উপসহকারি পরিদর্শক (এএসআই) আবদুর রউফ পল্টু ও তার সহযোগী কনস্টেবল মারুফ। বিপ্লবকে তারা একটি মোটর সাইকেলের মধ্যখানে  বসিয়ে নিয়ে আসেন সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার কুমিরা ইউনয়নের সেনপুর বাজারে। বিপ্লবের কাছে থাকা স্বর্ণ ছিনতাইয়ের লক্ষ্যে তাকে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যেতে থাকলে বিপ্লব ‘আমাকে বাঁচান, আমাকে বাঁচান’ বলে চিৎকার দেন। বাজারের লোকজন ছিনতাইকারী ডাকাত সন্দেহে  গাড়িটি থামিয়ে সাদা পোশাক পরিহিত পুলিশের দুই সদস্যকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি মারতে থাকেন। এএসআই পল্টু ও কনস্টেবল মারুফ এ সময় নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিলে ক্ষুব্ধ জনতা তাদের ইন্ধনে বিপ্লবকে মারপিট শুরু করেন। গনপিটুনির পর ছিন্ন বস্ত্র ও  উদোম গায়ে তিনজনকেই সেনপুরের বাবুর দোকানে আটকে রাখা হয়।  খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানার এএসআই মুরাদ তাদের গনরোষ থেকে উদ্ধার করে আনেন ।  এদিকে রাতে ওসি মহিবুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বিপ্লব স্বীকার  করেছে যে তার কাছে দুই পিস স্বর্ন ছিল’। তবে সেই স্বর্ণ কোথায় তা তিনি নিশ্চিত করতে পারেন নি।  এদিকে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দিনভর সংবাদকর্মীসহ সবার কৌতুহল ছিল ঘটনাটির শেষ কোথায় কিভাবে হয় এবং কতটুকু স্বর্ন উদ্ধার হয়েছে তা জানার জন্য। এ সময় পুলিশের সাথে নানাভাবে দরকষাকষির খবরও আসে সংবাদকর্মীদের কাছে। এমনকি পুলিশ কিছু মাদকদ্রব্য খুঁজছে বলেও চাউর হয়। এ নিয়ে পুলিশও সংবাদকর্মীদের এড়িয়ে নানাভাবে লুকোচুরি খেলতে থাকে। অবশেষে বিকালে পাটকেলঘাটা থানার ওসি মহিবুল ইসলাম জানান বিপ্লবের খোয়া যাওয়া স্বর্ণ উদ্ধার হয়নি। এমনকি এই সোনা তিন কেজি নাকি মাত্র দুই পিস তাও তিনি নিশ্চিত করতে পারেন নি।  তিনি জানান, বিপ্লব স্বর্ণ চোরাচালানি নন। দেহ তল্লাশি করে তার কাছে পাওয়া গেছে ২১১ পিস ইয়াবা। তাকে ইয়াবা চোরাচালান মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে পুলিশ সদস্য আবদুর রউফ পল্টু ও মারুফ ছুটিতে থাকাকালে এবং বাইরের কোনো জেলায় কোনো সন্দিগ্ধ ব্যক্তির সন্ধান পেয়ে তাকে গ্রেফতার করতে চাইলে স্থানীয় থানার সহায়তা না নিয়ে ভুল করেছেন। এজন্য তারা গনপিটুনি খাওয়ায় পুলিশের ভাবমুর্তিও ক্ষুন্ন হয়েছে। এসব কারনে তাদেরকে বিভাগীয় শাস্তির আওতায় আনার লক্ষ্যে তাদের কর্মস্থল ঝিনাইদহ জেলায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান ওসি। আলোচিত এএসআই আবদুর রউফ পল্টু ও কনস্টেবল মারুফ ঝিনাইদহ জেলার হরিনাকুন্ডু থানায় কর্মরত। হরিনাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহতাবউদ্দিন জানান, এএসআই পল্টু ঢাকায় সাক্ষী দিতে ও মারুফ তার বাবার অসুস্থতার কারনে ছুটিতে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় গিয়েছিলেন। সেখানে যেয়ে তারা এমন অপ্রীতিকর ঘটনার সম্মুখীন হন বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

satkhira-footag20161008-1221150
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার ও তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের দূর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠীত হয়েছে। শনিবার বেলা ১১ টাই বাংলাদেশ ন্যসনাল আওয়ামীলীগের আয়োজনে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠীত হয়। এ সময় সাতক্ষীরা ন্যাপ সহসভাপতি হায়দার আলি সান্তর সভাপত্বিতে প্রধান আলোচক হিসাবে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ এর সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইদুর রহমান, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, প্রগতিশীল সংগঠনের আহবায়ক মোঃ মুনসুর রহমান, বাস্তহারা লীগের আব্দুস সামাদ, বাসদ সংগঠনের এড খগেন্দ্রনাথ ঘোষ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ সময় বক্তারা বলেন আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার মুহাঃ গোলাম এলাহী তুয়ারডাঙ্গা মৌজার অর্পিত সম্পত্তি ‘ক’ তালিকায় গেজেট ভুক্ত (ভিপি সম্পত্তি) এস.এ ১৯৮ নং খতিয়ানে ২১৫ দাগে ৪.৪২ একর এবং এর মধ্যে ৪.৩৯ একর জমি দুই টি দলিলে গত ৫ মে রেজিষ্ট্রি সম্পূর্ণ করেছেন যার মধ্যে একটি দলিল নং ১৩৯৩ গ্রহিতা তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের রিয়াজউদ্দিন সরদারের পুত্র রওশন সরদার ও ইব্রাহিম সরদারের পুত্র জাকির হোসেনের জমির পরিমান ১.৪২ একর। অপর দলিল নং ১৩০৯২ গ্রহিতা তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের গনেশ চন্দ্র মন্ডলের স্ত্রী পুস্প রাণী মন্ডল জমির পরিমান ২.০৯৭ একর যার দুইটি দলিলেরই দাতা ছিলেন তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত কালিপদ ধানকির পুত্র কৃষ্ণপদ ধানকি। তবে সরকারি নিতি মালাকে তুয়াকা না করে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত দলিল রেজিষ্ট্রি করা কালে কোন মিউটেশন ও খাজনার চেক দাখিল জমা ছাড়াই রেজিষ্ট্রি সম্পাদন করেন। অপরদিকে তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামান মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মৃত ব্যক্তির উপস্থিতি ও আপস নামার স্বাক্ষর দেখিয়ে এক জনের জমি অন্যের নামে রেকর্ড করে দিয়েছেন। হাজরাকাটি মৌজার শরবানু বেগম এবং কহিনুর বেগমের সম্পত্তি রেকর্ড করে নেয়ার জন্য ৩৭৯ ডিপি খতিয়ানে ৩১ ধারায় মামলা করেন ওই রেকর্ড পাইয়ে দেওয়ার নামে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেয় পরে বিরোধি পক্ষ ওমর খাঁ ও ইমাদুলের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে সরকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামানকে ম্যানেজ করে মৃত গহর আলী ও শহর আলীকে হাজির দেখিয়ে তাদের মধ্যে আপস নামা তৈরি করে বিবাদি পক্ষে রেকর্ড বহাল দেখান। এ সময় বক্তারা আরও বলেন আশাশুনি উপজেলার সাব রেজিস্টার মুহাঃ গোলাম এলাহী এবং তালা সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার গাজী মনিরুজ্জামনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানান। সেই সাথে কিছু অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের দুর্নীতির কারনে জনগনের দুর্ভোগ বেড়েছে এ জন্য এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

photo-1475915042বিনোদন ডেস্ক: নব্বই দশকে সোনালি বেন্দ্রে ছিলেন বলিউডে আবেদনের এক অনন্য উদাহরণ। ‘সুপার মডেল’ পরিচয়কে পাশে রেখে বলিউডের ছবিতে অভিনয় করেছেন, গ্ল্যামারের ঝলকও দেখিয়েছেন নিজের মতো করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বি টাউন থেকে সরে এলেও এখনো বড়পর্দায় অভিনয়ের আগ্রহ রাখেন ‘সারফারোশ’-এর অভিনেত্রী।
এমটিভি ইন্ডিয়ার সঙ্গে আলাপে সোনালি বলেন, ‘আমার যা কাজ করার তা করেছি। এখন ব্যতিক্রম কিছু না এলে কাজ করব না। ছবি করার আগ্রহ রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে আমি কথা বলি। কাজেই এমন একটা চরিত্র পেতে হবে যা আমাকে একেবারে চমকে দেয়, তখন তার জন্য একেবারে ঘরবাড়ি ছেড়ে কাজে নেমে পড়ব।’
সোনালি ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মডেল হিসেবেই। এই ক্যারিয়ারে দারুণ সাফল্যের পর বলিউডে অভিনয় করেছেন। ‘দিলজ্বলে’, ‘সারফারোশ’, ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবিগুলো তাঁর ক্যারিয়ারের সাফল্যের উদাহরণ। ‘কাল হো না হো’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। সবশেষ তাঁকে দেখা গিয়েছে ২০১৩ সালের ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন মুম্বাই দোবারা’ ছবিতে।
এখনকার সময়ের সঙ্গে আগের পরিপ্রেক্ষিত একেবারেই মেলে না বলে মনে করেন সোনালি। এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য, ‘ছবির ব্যবসার ঘরানা বদলে গেছে। এটা খুবই ভালো বিষয়। এখন স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র তৈরি হচ্ছে, এগুলোর আলাদা দর্শকও রয়েছে। এর আগে এসব কাজ করার সুযোগই তো ছিল না। এ ধরনের ছবি নিয়ে কাজ করার সুবিধাটা এখন অনেক।’ এই পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে বলে মন্তব্য সোনালির।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest