
বাবুল আক্তার, পাইকগাছা : পাইকগাছা আলোকিত পৌরসভা নামে খ্যাত এ পৌরসভাটি চলছে যেনতেন ভাবে। একের পর এক দখল হয়ে যাচ্ছে জেলা পরিষদসহ পৌরসভার জায়গা। দেখার কেউ নেই। কর্তৃপক্ষ নিরব। স্বচ্ছ পৌরসভার দাবি জানিয়েছেন পৌরবাসী। তথ্যে প্রকাশ, শিবসা নদীর অববাহিকতায় প্রতিষ্ঠা হয়েছে ১৯৯৭ সালের ১ ফেব্র“য়ারি পাইকগাছা আলোকিত পৌরসভা। উক্ত শিবসা নদীটি পলি জমে চরাঞ্চলে রূপ নিয়েছে। বেড়েছে পৌরসভার সীমানাও। পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর ও তার পরিষদ বর্গের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পৌরসভাটি তৃতীয় শ্রেণি থেকে প্রথম শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়েছে। বেড়েছে পৌরসভার সরকারি বাজেট ও জনসেবা। কিন্তু পৌর এলাকার চরা ভরাটি ও বিভিন্ন এলাকার পতিত জায়গা চলে যাচ্ছে প্রভাবশালীদের দখলে। আইনের তোয়াক্কা না করে পৌরসভা ও জেলা প্রশাসকের সরকারি জায়গায় দখলের প্রতিযোগিতা চলছে। বিশেষ করে, শিবসা নদীর চরা ভরাটি এলাকায় গড়ে উঠেছে একাধিক চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। শিবসা ব্রীজ, ডিপো মার্কেট, শিববাটী ব্রীজ, পুরাতন ট্রলার ঘাট, খেয়াঘাট সহ বিভিন্ন এলাকার এক শ্রেণির ভূমিদস্যুরা দোকানপাট ও বাড়ি ঘর তৈরি করে দখল করে নিচ্ছে। পাইকগাছা উপজেলার সাবেক নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ কবির উদ্দীন বাজারে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের স্বার্থে এলোপাতাড়ী চায়ের স্টলগুলো সরিয়ে চর ভরাটি জায়গায় বসানোর জন্য বাজার ইজারাদারের উপর দায়িত্ব অর্পণ করেন। এ সুযোগে তারা চায়ের দোকানদারসহ তাদের নিজেদের পরিবারের লোকজনের নামে পজেশনের তালিকা প্রণয়ন করেন। সেখান থেকে চায়ের দোকানদাররা অদ্যাবধি পর্যন্ত তাদের দখলীয় কাগজপত্র তৈরি করতে পারেনি। এছাড়া অত্র চরভরাটি এলাকায় প্রভাবশালীরা অবৈধ দখলে রেখেছে। জানা যায়, শিবসা নদীর চর ভরাটিয়া জায়গা পৌর অভ্যন্তরে হলেও মালিক জেলা প্রশাসক। যে কারণে পৌর কর্তৃপক্ষ রয়েছে দো-টানায়। পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর জানান, চর ভরাটিসহ পতিত জায়গা পৌরসভার অনুকুলে আনার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। আনতে পারলে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে স্বচ্ছ পৌরসভা গড়া হবে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নাজমুল হক জানান, শিবসা চর ভরাটি এলাকা অবৈধ দখলের কথা শুনেছি। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের এক চিকিৎসক সাংবাদিকদের নিজের চেম্বারে ডেকে ঘোষণা করেছেন যে তিনি জীবিত ও সুস্থ আছেন।
অনলাইন ডেস্ক: ২০১৭ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ৮টি সাধারণ বোর্ডের এসএসসি, মাদ্রাসা বোর্ডর দাখিল ও কারিগরি বোর্ডের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি।
তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় অসহায় ও দরিদ্র ৩৪টি পরিবারের মধ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে ঘর বিতরণ করেছে বেসরকারি সংস্থা ‘উত্তরণ’। বুধবার বিকেল উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের জালালপুর গ্রামের কপোতাক্ষ নদের তীরে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা উত্তরণ কর্তৃক বাস্তবায়িত এবং বাংলাদেশ সরকার ও মিজেরিওর জার্মানীর সহযোগিতায় উক্ত গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলাম। কলেজ শিক্ষক রেজাউল করিমের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ কবীর হোসেন, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মহিবুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণব ঘোষ বাবলু, কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম সফিকুল ইসলাম, খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন রাজু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, এম ময়নুল ইসলাম, আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, আব্দুস সোবহান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমান, উত্তরণ কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, সাধনা রানী গুহ, হাসিনা পারভীন, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আজিজের ভাই এলাহী বক্স এবং উপকারভোগি সালেহা বেগম। এ সময় প্রত্যেক পরিবারকে একটি করে সোলার প্যানেল বিতরণ করা হয়। উল্লেখ্য, তালা উপজেলার পাখিমারা বিলে জোয়ারাধার বাস্তবায়নের ফলে উচ্ছেদ হওয়া ৩৪ টি পরিবারের পুনর্বাসনের সহযোগিতা চেয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গত ১১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে একটি পত্র মারফত উত্তরণ-কে অনুরোধের প্রেক্ষিতে উত্তরণ জালালপুর গ্রামে সরকার প্রদত্ত খাসজমি ভরাট করে ৩৪টি ঘর তৈরির কাজ সম্পন্ন করেছে। উল্লেখিত পরিবারগুলোকে ইতিপূর্বে আরও ১৩ হাজার করে টাকা তাদের গৃহিত আয়মূলক কাজের জন্য প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া পাখিমারা বিলে জোয়ারাধার ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১০ টি পরিবারকে ইউএনডিপি এর সহযোগিতায় ১৩ হাজার টাকা করে মোট ১৪ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল এর আর্থিক সহযোগিতায় আরও ১৯৫ টি পরিবারকে ১৮ হাজার থেকে ২২ হাজার টাকা করে মোট ৩৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা তাদের গৃহিত বিভিন্ন আয়মূলক কর্মকান্ডে অনুদান হিসেবে দেওয়া হচ্ছে।
তালা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫৫ পরিবারের মাঝে কৃষি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগী পালনের জন্য ২য় কিস্তির নগদ ৯হাজার টাকা করে বিতরণ করা হয়। বুধবার বিকালে বিকালে ইকো’র অর্থায়নে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল এর সহযোগিতায় উত্তরণ এর বাস্তবায়নে জালালপুর গ্রামে সদ্য নির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আজিজ-সুশীল পল্লীতে উক্ত বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড. মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। উত্তরণ পরিচালক শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মোঃ মহিউদ্দিন। উত্তরণের প্রকল্প সমন্বয়কারী হাসিনা পারভীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তালা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ফরিদ হোসেন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন্নেছা খানম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ কবীর হোসেন, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সম্পাদক উপাধ্যক্ষ মহিবুল ইসলাম, সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক প্রণব ঘোষ বাবলু, কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম সফিকুল ইসলাম, খেশরা ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রাজিব হোসেন রাজু, তালা সদর ইউপি চেয়ারম্যান সরদার জাকির হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, এম ময়নুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সরদার মশিয়ার রহমান, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল এর প্রজেক্ট ম্যানেজার সত্যজিৎ রায়, প্রজেক্ট অফিসার উত্তম কুমার চৌধুরী, ট্রেনি দিলশাদ খানম, পারমিতা দত্ত, সারমিন সুলতানা, উত্তরণ এর প্রজেক্ট অফিসার নাজমা আক্তার, উত্তরণের কামরুন্নেছা, সাজ্জাদ হোসেন, শিমুল, হেদায়েতুল্লাহ মুকুল প্রমুখ।
নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি শিশু পরিবার (বালক) এতিম শিশুদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকালে সরকারি শিশু পরিবারে জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক দেবাশিষ সরদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে এ শীত বস্ত্র বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন। এ সময় তিনি বলেন, ‘এতিম শিশুদের লালন পালন ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা হতে নিয়ে কাজ করছে। সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদেরকেও এগিয়ে আসতে হবে এবং এতিম শিশুদের পাশে দাঁড়াতে হবে। এতিম শিশুদের লেখা পড়া শিখে মানুষের মত মানুষ হওয়ার আহবান জানান।’ সাতক্ষীরা সরকারি শিশু পরিবার এর ৬৬ জন এতিম শিশুকে শীত বস্ত্র সোয়েটার দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা সমাজ সেবা অফিসার (রেজিঃ) এমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।