এস,এম,আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু: কালিগঞ্জ উপজেলার পারুলগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’ছাত্রী এক সাথে আকষ্মিক নিখোঁজ হয়েছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মাঝে নানামুখি সংশয় সৃষ্টির পাশাপাশি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ওয়ার্ড পুলিশিং কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম ঢালী জানান, ২১ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরের দিকে পারুলগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী পারুলগাছা গ্রামের মনিরুল ইসলামের বাক প্রতিবন্ধি মেয়ে মমতাজ পারভীন (১০) ও একই বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী পারুলগাছা পূর্বপাড়ার আব্দুর ছাত্তার গাজী ওরফে বাটুলের মেয়ে রীনা পারভীন (১২) স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। স্কুলের ছুটির পর ঐ দু ছাত্রী বাড়িতে না যাওয়ায় অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে অভিভাবকবৃন্দ বিষয়টি পুলিশিং কমিটি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অবহিত করেন। এক পর্যয়ে দুই শিশুকন্যা নিখোঁজের সাথে জড়িত সন্দেহে এলাকাবাসী পারুলগাছা গ্রামের অলোক মন্ডলের ছেলে একই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সুজন (১৩) ও একই গ্রামের ছলেমান বিশ্বাসের ছেলে ই¯্রাফিল (১৪) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় খবর দেন। থানার উপ-পরিদর্শক সেকেন্দার আলী আটক দু’জনকে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় নিয়ে আসেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় অভিভাবকদের জিম্মায় পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দেয়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই দুই ছাত্রীর সন্ধান পায়নি পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা। দুই শিশু কন্যা নিখোঁজ হওয়ায় এলাকাবাসী, অভিভাবক ও পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বেগের মধ্যে দিনাতিপাত করছেন। এব্যাপারে জানতে চাইলে পারুলগাছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম জানান, পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রীনা পারভীন সকালে স্কুলে এসে ক্লাস করে। দুপুর ১২ টায় টিফিনের পর থেকে তাকে আর ক্লাসে পাওয়া যায়নি। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মমতাজ পারভীন স্কুলে এসে ছিল শ্রেণিকক্ষে বই রেখে ক্লাস শুরুর পূর্বে কাউকে না জানিয়ে চলে যায়। পরে বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানানো হয়েছিল। কাউকে কিছু না বলে ওই দুই ছাত্রী একসাথে স্কুল ত্যাগ করেছে বলে তিনি প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছেন।




নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও শিশুদের সার্বিক উন্নতির জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের থেরাপি ইউনিট থেকে সর্বমোট ১১ টি সহায়ক উপকরণ বিতরণ করা হয়। গতকাল সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে এ উপকরণ বিতরণ করা হয়। যা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির থেরাপি সেবার পাশাপাশি দ্রুত শারিরীক অবস্থার উন্নতির ক্ষেত্রে সহায়ক হিসাবে কাজ করবে। ডিআরআরএ পরিচালিত বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সিবিএম-এর কারিগরি সহায়তায় এবং অস্ট্রেলিয়ান এইড-এর অর্থায়নে সাতক্ষীরা, মানিকগঞ্জ ও চট্টগ্রামের সর্বমোট ৯ টি উপজেলায় পিআইএইচআরএস প্রকল্পটি বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের ২১৭ নং রুম থেকে ফিজিও ও অকুপেশনাল থেরাপি প্রদান করা হয়। সহায়ক উপকরন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ উৎপল কুমার দেবনাথ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান- কোহিনুর ইসলাম অংশগ্রহণ করেণ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার মোঃ আবুল হোসেন, এ সময় ডিআরআরএ সাতক্ষীরা জেলার আঞ্চলিক প্রধান – জি.এম আনজির হোসেন, এবং প্রকল্পের কর্মী বৃন্দও উপস্থিত ছিল। সহায়ক উপকরণ বিতরণ শেষে প্রকল্পের অকুপেশনাল থেরাপিষ্ট মাসুদা আক্তার উপকরণ ব্যবহারকারি ও অভিভাবকদের সহায়ক উপকরণ ব্যবহারের উপর ওরিয়েন্টেশন প্রদান করেন যাতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তার অভিভাবক বাড়ীতে তার নিজস্ব পরিবেশে সহায়ক উপকরণটি ব্যবহার ও তার রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারে।