নিজস্ব প্রতিনিধি : “পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস- ২০২২ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় আলোচনা সভা ও বিশিষ্ট জনদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।

শনিবার (০১ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টায় শহরের তুফান কনভেনশন সেন্টার’র কনফারেন্স রুমে আরা সাতক্ষীরা’র আয়োজনে সংগঠনের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রবীণ দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর-২ আসেনর সংসদ সদস্য নৌ-কমান্ডো ০০০১বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. আসাদুজ্জামান বাবু, জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, জেলা তথ্য অফিসার মো. জাহারুল ইসলাম প্রমুখ। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আরা সাতক্ষীরা’র নির্বাহী পরিচালক শেখ আবুল কালাম আজাদ।

আলোচনা সভায় অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জি.এম নুর ইসলাম, প্রফেসর আবু নছর, এটিএন বাংলা জেলা প্রতিনিধি এম কামরুজ্জামান, প্রবীণ হিতৈষী সংঘের সভাপতি আব্দুর রব ওয়ার্ছি, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন আহমেদ, জেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়ব হাসান বাবু, পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক-উদ- দৌলা সাগর, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, পল্টু বাশার, সিদ্দিকুর রহমান, আরা পরিচালিত প্রবীণ আবাসন কেন্দ্রের সদস্য আশরাফ হোসেন প্রমুখ। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অধ্যাপক ইদ্রিস আলী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

দৈনিক বাংলার সম্পাদক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই। (ইন্না লিল¬াহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

বার্ধক্যজনিত জটিলতায় অসুস্থ হলে তাঁকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, শনিবার বেলা সাড়ে বারোটায় চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালে একুশে পদক পাওয়া তোয়াব খানের সাংবাদিকতা জীবনের শুরু ১৯৫৩ সালে সাপ্তাহিক জনতার মাধ্যমে। ১৯৫৫ সালে যোগ দেন দৈনিক সংবাদে। ১৯৬১ সালে তিনি দৈনিক সংবাদের বার্তা সম্পাদক হন। এরপর ১৯৬৪ সালে যোগ দেন দৈনিক পাকিস্তানে। দেশ স্বাধীনের পর দৈনিক পাকিস্তান থেকে বদলে যাওয়া দৈনিক বাংলার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তোয়াব খান।

১৯৭২ সালের ১৪ জানুয়ারি তিনি দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেস সচিব ছিলেন। প্রধান তথ্য কর্মকর্তা ও প্রেস ইনস্টিটিউট অফ বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে শব্দসৈনিকের ভূমিকা পালন করেন তোয়াব খান। সে সময় তার আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় নিয়মিত প্রচারিত হয় ‘পি-ির প্রলাপ’ নামের অনুষ্ঠান।

দৈনিক জনকণ্ঠের শুরু থেকে গত বছরের অক্টোবর পর্যন্ত পত্রিকাটির উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন তিনি।
এরপর নতুন আঙ্গিক ও ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত দৈনিক বাংলার সম্পাদকের দায়িত্ব নেন তিনি।
তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মাদ আলী সুজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ঈদুজ্জামান ইদ্রিস, সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক শেখ মাসুদ হোসেন, দপ্তর সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, নির্বাহী সদস্য মকসুমুল হাকিম, সেলিম রেজা মুকুল, আব্দুল গফুর সরদার, মাছুদুর জামান সুমন, এম শাহীন গোলদারসহ প্রেসক্লাবের সকল সদস্যবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হলো শারদীয়া দূর্গাপূজা। ১ম দিনে মন্দির পরিদর্শন করলেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ-জোহরা।

শনিবার (০১ অক্টোবর) সন্ধায় সাতক্ষীরা শহরের নারকেলতলা কর্মকারপাড়া সর্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন তিনি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা মো. ইয়ারুল হক, সদর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা মো. শহিদুর রহমান,

পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য, সংকর কুমার রায়, সমরেশ কুমার দাশ, মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিরন ময় সরকার, প্রশান্ত কুমার গাইন, উৎপল সাহা, তপন কর্মকার পুতুল চন্দ্র পূজাসহ উদযাপন কমিটি ও মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ।

এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দূগাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করার লক্ষ্যে পূজামণ্ডপের আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে সার্বিক খোজ খবর নেন।###

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি : “পরিবর্তিত বিশ্বে প্রবীণ ব্যক্তির সহনশীলতা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২২ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (০১ অক্টোবর) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামস্থ সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের কার্যালয়ে সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সুশান্ত ঘোষ’র সভাপতিত্বে আলোচনা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালির উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি রবি বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ালে মহান আল্লাহপাক খুশি হন। আমাদের একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। এই কথাটি মনে রেখে আমাদের কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়িার আবেদুর রহমান। আলোচনা সভা শেষে শহরের স্টেডিয়াম ব্রিজের উপর বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২২ এর উদ্বোধন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এমপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার শেখ সহিদুর রহমান, সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সদস্য ও জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি সহ-সভাপতি প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ভূধর সরকার, অধ্যক্ষ আশেক-ই এলাহী, মো. ফজলুর রহমান, প্রকৌশলী শেখ তহিদুর রহমান ডাবলু, সাতক্ষীরা পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-দপ্তর সম্পাদক জিয়াউর বিন সেলিম যাদু প্রমুখ। এসময় সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শেখ সহিদুর রহমান। অপরদিকে সিনিয়র সিটিজেন ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সেমিনারে গিয়ে মিলিত হয়। সেমিনারে মোড়ক উন্মোচন করেন এডিএম রেজা রশিদ, ভ্যাকসিন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. হুসাইন শাফায়াত। সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের এসোসিয়েট প্রফেসর ও মেডিসিন বিভাগীয় প্রধান ডা. কাজী আরিফ আহমেদ, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন কনসালটেন্ট ডা. মানস কুমার মন্ডল প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন পালনে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ১ হাজার ৭৬টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

শনিবার (১ অক্টোবর) কালিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর উদ্যোগে উপজেলার পিরোজপুর বাইপাস সড়কের পাশে শিমুল, পলাশ, সোনালু, জামরুল, কৃষ্ণচূড়া, ছাদিয়ান, আমড়া, বেল ও তালসহ দেশীয় প্রজাতির এসব গাছের চারা রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নরিম আলী মুন্সী’র সভাপতিত্বে কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ নাজমুল আহসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোজাহার হোসেন কান্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. হাবিব ফেরদৌস শিমুল, চম্পাফুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক গাইন, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোবিন্দ মন্ডল, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, মৌতালা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল গফুর গাজী, সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, রতনপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুল হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক পরেশ চন্দ্র মিস্ত্রি, কুশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী কাহফিল অরা সজল, উপজেলা বিআরডিবির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদাত হোসেন, ধলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এম আব্দুল গফফার, আওয়ামী লীগ নেতা প্রভাষক শামসুল হুদা কবির খোকন প্রমুখ অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী বলেন, রোপিত গাছের চারাগুলো পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও শোভাবর্ধনের পাশাপাশি ওষুধি, খাদ্য ও পুষ্টির চাদিহা পূরণে সহায়ক। প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন পালনে এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করতে পেরে আমরা স্বার্থক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী মশিউর রহমান হুমায়ূন এর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন জাতীয় শ্রমিক লীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহমুদুল আলম বিবিসি।

শনিবার ১ অক্টোবর মশিউর রহমান হুমায়ূন এর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা জানান মাহমুদুল আলম বিবিসি। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

খুলনা প্র্রতিনিধি :
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের চিঠি জাল করে অর্থ বরাদ্দ নিয়ে বাবার নামে কমপ্লেক্স ও এতিমখানার অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ করেন বর্তমান খুলনা জেলা পরিষদের প্রশানিক কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান।

মন্ত্রণালয়ের চিঠি বিকৃত করে এই কাজ করার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়ে খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের জেলা পরিষদ শাখার উপসচিব স্বাক্ষরিত এক পত্রে খুলনা জেলা পরিষদকে মামলা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর আগে তিনি এস এম মাহবুবুর রহমান আগে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। তার বাবার বাড়িও সেখানে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আছাদুজ্জামান।

২০১৫ সালে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের এক সমন্বয় কমিটির সভায় মুক্তিযোদ্ধা স ম আব্দুর রউফ কমপ্লেক্স ও এতিমখানার অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ৩৫ লাখ টাকা খরচ অনুমোদন চেয়ে পরদিন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। মন্ত্রণালয় তাতে অসম্মতি জানালে সেই মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মাহবুবুর রহমান ‘অ’ মুছে দিয়ে চিঠি জাল করেন। পরে জেলা পরিষদের টাকায় নির্মাণ করা হয় সেই এতিমখানা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় অসম্মতি জানানোর পর চিঠির ‘অ’ মুছে দিয়ে তাকে ‘সম্মতি’ হিসেবে উপস্থাপন করে বাবার নামে এতিমখানা করে ধরা পড়েছেন খুলনা জেলা পরিষদের এক কর্মকর্তা।

ওই চিঠিতে জানানো হয়, ২০১৬ সালের ৬ মার্চ স্থানীয় সরকার বিভাগের একটি চিঠিতে প্রকল্পের প্রস্তাবে ‘অসম্মতি’ জানানো হয়। তবে পরে ‘অ’ বর্ণটি মুছে ফেলে ‘সম্মতি’ শব্দ ব্যবহার করে বিকৃত করা হয়। চিঠিতে আরও বলা হয়, খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তদন্ত করে এই অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পেয়েছেন।

খুলনা জেলা পরিষদের একটি সূত্র জানায়, ২০১৫ সালের ১২ জুলাই সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের এক সমন্বয় কমিটির সভায় ধুলিহরে মুক্তিযোদ্ধা স ম আব্দুর রউফ কমপ্লেক্স ও এতিমখানার অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণের জন্য ৩৫ লাখ টাকা খরচ অনুমোদন চেয়ে পরদিন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। ওই বছরের ২৮ জুলাই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব জাকির হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে এতিমখানার প্রাক্কলন কত, এর আগে কত টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, সেই অর্থে কী কী কাজ করা হয়েছে এবং এতিমখানায় কতজন এতিম বা অনাথ রয়েছে- এ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। পরে সব তথ্য পেয়ে ৩৫ লাখ টাকার অনুমোদন দিতে অসম্মতি জানানো হয়। এরপর সেই চিঠি জাল করে জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থাপন করেন মাহবুবুর রহমান। পরে জেলা পরিষদের বরাদ্দে ৩৫ লাখ টাকায় স ম আব্দুর রউফ কমপ্লেক্স ও এতিমখানা অ্যাকাডেমি নির্মাণ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে এস এম মাহবুবুর রহমানের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন তোলেনি।

মো. আছাদুজ্জামান বলেন, গত ১১ সেপ্টেম্বর খুলনা জেলা পরিষদে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এর কিছু প্রসেস রয়েছে। তারপর শুনানি হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest

নিজস্ব প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা সদর থানা জামে মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদ জুম্মা মসজিদ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সভাপতি ও সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান।

এর আগে প্রথমবার থানা মসজিদে পুলিশ সুপারের আগমন উপলক্ষে ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়।

জুম্মার পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে মুসুল্লীদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, আপনারা সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের জন্য দোয়া করবেন। যাতে পুলিশের উপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করতে পারে। পুলিশ জনগনের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়া মাদক, ইভটিজিং, নারী ও শিশু নির্যাতন, পারিবারিক দ্বন্দ্ব-কলহ ও অন্যান্য সামাজিক অবক্ষয়, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সকলের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন। তিনি ধর্মীয় মূল্যবোধের আলোকে কাক্সিক্ষত সমাজ বিনির্মানে ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন মসজিদ কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ সজীব খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল)মীর আসাদুজ্জামান, মুনছুর আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল কায়ুম, এসময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা সদর থানা জামে মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির হিসাব রক্ষক শেখ আবুল কালাম, রোস্তম আলী, সদস্যযথাক্রমে মীর মোস্তফা হাসান, শেখ মঞ্জুরুজ্জামান, ডা: মিনহাজ আহমেদ, শেখ নিয়াজ হাসান, মো: মিজানুর রহমান,

মো: মমতাজ আহমেদ বাপী, রবিউল ইসলাম রবি, মফজুলার রহমান, হাবিবুর রহমান, মীর আহাছানুল হক, মো: আবু সাঈদ(শিক্ষক), জিয়াউর বিন সেলিম যাদু, আব্দুস সামাদ ও সিরাজুম মনি। জুম্মার নামায শেষে সাতক্ষীরা সদর থানা জামে মসজিদের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও পুলিশ সুপার কাজী মনিরুজ্জামান এর পিতার সুস্থ্যতা কামনায় দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন থানা জামে মসজিদের ইমাম মুহাদ্দিস মাও সাইফুল্লাহ আনোয়ার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest