সর্বশেষ সংবাদ-
মোটরসাইকেলের ওপর প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধনসাতক্ষীরা দেশের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভূমিসেবা কেন্দ্রের জেলা—-জেলা প্রশাসকসাতক্ষীরায় অন্ত:স্বত্তা স্ত্রীকে জবাই করে হত্যার অভিযোগ: স্বামী পলাতকহিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ৩০ মে রিইউনিয়নের লোগো উন্মোচনলীজ নিয়ে অবৈধভাবে সম্পত্তি দখল করতে না পেরে বিএনপির দুই নেতার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন মানববন্ধনের অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কোর কমিটির সভা অনুষ্ঠিতঅপরাধীকে অপরাধী হিসেবে আইনের আওতায় আনা হবে, সে যে দলেরই হোক –সাতক্ষীরার নবাগত এসপিআশাশুনির কুল্যায় মাদক কারবারী ও অনলাইন জুয়াড়ীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিলসম্মিলিত সাংবাদিক এ্যাসোসিয়েশনের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন

মন্ত্রীত্ব হারানো মুরাদ দেশ ছেড়েছেন

দেশের খবর: সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান দেশ ছেড়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৫০ মিনিটে দেশ ছাড়ার উদ্দেশে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন।

এরপর এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রাতেই তিনি বিমানবন্দর ছেড়ে গেছেন বলে গোয়েন্দা সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, আগে থেকে বুকিং করা টিকিটে রাত ১১টা ২০মিনিটে এমিরেটস এয়ারলাইনসের বিকে ৫৮৫৮ নম্বর ফ্লাইটে ঢাকা থেকে কানাডার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। মুরাদ হাসান দুবাই হয়ে কানাডার টরন্টোয় পৌঁছবেন।

এর আগে রাত ৯টা ২০ মিনিটে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করেন। বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ রজনীগন্ধায় ডা. মুরাদ হাসানকে দেখতে পাওয়া ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘উনি এয়ারপোর্টে আশার পর পরই আমরা তাকে অনুসরণ করি। এরপর বিভিন্ন সংস্থাকে বিষয়টি জানাই। বিশেষ করে উনার বিষয়ে কোনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি না- তা যাচাইবাছাই করা হয়। যদিও তাৎক্ষানিভাবে এ ধরনের কিছু পাওয়া যায়নি।’

মুরাদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হলেও তার দেশত্যাগে কোনো বাধা নেই জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, মুরাদ হাসান বিদেশে যেতে চাইলে সরকার বাধা দেবে না। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুরাদ হাসান বিদেশে যাবেন কি না- সেটা তার সিদ্ধান্ত। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তিনি যেকোনো দেশে যেতে পারেন।

নারীর প্রতি অশ্লীল ও আপত্তিকর মন্তব্য করায় তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারান ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্য মুরাদ হাসান।

ফেসবুকে এক লাইভ অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়েকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ও ছাত্রলীগ নেত্রীদের নিয়ে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য করেন তিনি।

এরপরই চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে তার একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হয়। সেখানে মাহির সঙ্গে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন তিনি। এমনকি মাহিকে ধর্ষণ এবং উঠিয়ে আনার হুমকি দেন। সে সময় চিত্রনায়িকাকে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। তখন ফোনে চিত্রনায়ক ইমনকে প্রতিমন্ত্রী বলছিলেন, ঘাড় ধরে যেন মাহিকে তার কাছে নিয়ে যান।

সেই অডিও ভাইরাল হলে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন মুরাদ হাসান। পরে তাকে ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে ৭ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন মুরাদ হাসান। ওইদিন রাতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

একই দিন সন্ধ্যায় জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদকের পদ থেকেও মুরাদ হাসানকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে জেলা আওয়ামী লীগ। ওই সুপারিশ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভিকি ও ক্যাটরিনা বিয়ে সম্পন্ন

বিনোদন ডেস্ক: শত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ে করলেন বলিউড তারকা ক্যাটরিনা কাইফ ও ভিকি কৌশল। বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজস্থানের একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদে মালা বদল করেন তারা। এরই মধ্যে ফাঁস হয়ে গেছে বিয়ের ছবিও।

ভিকি-ক্যাটের বিয়ের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। অতিথিদের পর্যন্ত ক্যামেরা ব্যবহার নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। তবুও ফাঁস হয়ে গেল ছবি, দেখা গেল কেমন সাজে সেজেছেন বর ভিকি, কনে ক্যাটরিনা।

জানা গেছে, হিন্দু রীতিতেই সম্পন্ন হয়েছে ভিক্যাটের বিয়ে। বহুল আলোচিত এই বিয়ে স্বচক্ষে দেখেছেন তাদের পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা। গত দুই দিন যথাক্রমে সংগীত ও মেহেদী অনুষ্ঠানের পর সাত পাকে ঘুরলেন তারা।

জানা গেছে, বারওয়ারা ফোর্টের শীষমহলে তৈরি রাজকীয় মণ্ডপে অগ্নি সাক্ষী রেখে সাত পাকে ঘুরেছেন ভিকি ও ক্যাটরিনা। এদিন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের ডিজাইনে লাল লেহেঙ্গায় সেজেছেন ক্যাটরিনা। দুর্গের জানালা দিয়ে তার হাস্যোজ্বল মুখসমেত ক্যামেরাবন্দি করেছে পাপারাজ্জিরা।

এদিকে ভিকি-ক্যাটরিনার বিয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ইন্টারনেটের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে তাদের স্বামী-স্ত্রী পদবীতে নাম যুক্ত হয়ে গেছে। ক্যাটরিনার স্বামী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ভিকির নাম, একইভাবে ভিকির স্ত্রী হিসেবে দেখা যাচ্ছে ক্যাটের নাম।

ভিকি ও ক্যাটরিনার বিয়েতে এতো গোপনীয়তা রাখার একটি কারণও রয়েছে। সেটা হলো, তাদের বিয়ের ছবি ও ভিডিও কিনে নিয়েছে আমাজন প্রাইম। ৮০ কোটি রুপিতে ভিডিওস্বত্ত্ব কিনেছে প্রতিষ্ঠানটি। শিগগিরই তারা সেটি প্রচার করবে। তাই কোনোভাবেই ভিডিও কিংবা ছবি ফাঁস করতে চাইছিলেন না এ দম্পতি। কিন্তু হাতের তালুতে থাকা জলের মতো ছবি ঠিকই ফসকে গেল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপি হারুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

রাজনীতির খবর: শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানি সুবিধা নিয়ে পরবর্তীতে তা বিক্রি করে শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় বিএনপির এমপি মো. হারুনুর রশীদকে নিম্ন আদালতের দেওয়া পাঁচ বছরের সাজা বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. সেলিমের একক বেঞ্চ এমপি হারুনের আপিল আবেদনটি খারিজ করে আদেশ দেন।

এ মামলায় তিন আসামির কারাভোগের সময়কালকে (১৬ মাস) সাজা হিসেবে গণ্য করে তাদের আপিল খারিজ করেন হাইকোর্ট। ফলে সাজা বহাল থাকলেও এমপি হারুনকে নতুন করে কারাভোগ করতে হবে না।

এদিন আদালতে এমপি হারুনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন। তার সঙ্গে ছিলেন সৈয়দ মিজানুর রহমান ও এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো.খুরশীদ আলম খান।

২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম দণ্ডবিধির ৪০৯ ধারায় এমপি হারুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে ওই রায়ে তাকে ৫০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন আদালত।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ে এমপি হারুন ছাড়াও চ্যানেল নাইনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসামি এনায়েতুর রহমান বাপ্পীকে (এমডি, চ্যানেল ৯) ৪০৯ ও ১০৯ ধারায় দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং অপর আসামি ইশতিয়াক সাদেককে তিন বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৪০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল।

বিচারিক আদালতের দেওয়া পাঁচ বছরের সাজার বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ২৮ অক্টোবর হাইকোর্টে আপিল করেন বিএনপি নেতা মো. হারুনুর রশীদ। পরে উচ্চ আদালত আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে অর্থদণ্ড স্থগিত এবং আসামিদের জামিন আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, হারুন চার দলীয় জোট সরকারের সময় ২০০৫ সালে ব্রিটেন থেকে একটি হ্যামার ব্র্যান্ডের গাড়ি শুল্কমুক্তভাবে ক্রয় করে। গাড়িটি তিনি পরে আরেক আসামি ইশতিয়াক সাদেকের কাছে ৯৮ লাখ টাকায় বিক্রি করে দেন। এরপর সাদেক গাড়িটি চ্যানেল নাইনের এমডি বাপ্পীর কাছে বিক্রি করেন।

নিয়ম অনুযায়ী শুল্কমুক্ত গাড়ি তিন বছরের মধ্যে বিক্রি করলে শুল্ক দিতে হয়, কিন্তু আসামি হারুন শুল্ক না দিয়ে বিশ্বাস ভঙ্গ করেন। এ অভিযোগে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তেজগাঁও থানার উপ-পরিদর্শক ইউনুছ আলী এমপি হারুনসহ তিনজনের নামে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলায় ২০০৭ সালের ১৮ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। ওই বছরই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং আদালত ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

মো. হারুনুর রশীদ সর্বশেষ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হন। এর আগেও তিনি দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেধা তালিকায় পঞ্চম তবুও পুলিশে চাকরি হচ্ছে না আসপিয়ার

বিশেষ ডেস্ক: বরিশালে পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষায় পঞ্চম হয়েও চাকরি পাচ্ছেন না আসপিয়া ইসলাম কাজল (১৯)। লিখিত, স্বাস্থ্য ও মৌখিক সব ধাপে উত্তীর্ণ হলেও স্থায়ী ঠিকানা বরিশালে না হওয়ায় অযোগ্য বিবেচিত হন তিনি।

বিষয়টি জানার পর আসপিয়া ইসলাম কাজল ও তার পরিবারের সদস্যরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আসপিয়া ইসলাম কাজলের দাদার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। তার বাবা শফিকুল ইসলাম প্রায় তিন দশক আগে কাজের সন্ধানে বরিশালের হিজলায় আসেন। সেখানে এসে ঠিকাদারি কাজ করতেন। বিয়ের পর স্ত্রীকে নিয়ে বরিশালের হিজলায় একটি বাসাভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই জন্ম হয় আসপিয়া ইসলাম কাজলসহ তিন মেয়ে এবং এক ছেলের। বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় হলেও জীবিকার তাগিদে শফিকুল ইসলাম তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে হিজলা উপজেলায় বসবাস করছিলেন। ২০১৯ সালে শফিকুল ইসলামের মৃত্যু হয়। বর্তমানে তারা হিজলা উপজেলার খুন্না-গোবিন্দপুর এলাকার মেজবাহ উদ্দিন অপু চৌধুরীর বাড়িতে ভাড়া থাকছেন।

স্থানীয়রা জানান, শফিকুল ইসলামের তিন মেয়ে ও এক ছেলের হিজলায়ই জন্ম হয়। চার সন্তানের মধ্যে ছেলে বড়। তিনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। আসপিয়াসহ তার দুই মেয়ে কলেজে পড়েন। সরকারি হিজলা ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০২০ সালে এইচএসসি পাস করেছেন আসপিয়া। ছোট মেয়েটি স্কুলে পড়ে।

আসপিয়ার স্বজনরা জানান, শফিকুল ইসলামের ছয় সদস্যের সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু তার মৃত্যুর পর সংসারে অভাব-অনটন দেখা দেয়। এর মধ্যে পুলিশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে আবেদন করেন আসপিয়া। গত ১৪, ১৫ ও ১৬ নভেম্বর জেলা পুলিশ লাইন্সে শারীরিক যোগ্যতা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ১৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন। ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত লিখিত পরীক্ষার ফলাফলেও উত্তীর্ণ হন। এরপর ২৪ নভেম্বর একই স্থানে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মেধা তালিকায় পঞ্চম হন। ২৬ নভেম্বর জেলা পুলিশ লাইন্সে চিকিৎসকরা প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন। এতেও উত্তীর্ণ হন আসপিয়া। সবশেষ ২৯ নভেম্বর মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ঢাকার রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে চূড়ান্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয়। সেখানেও উতরে যান আসপিয়া। স্বপ্ন নিয়ে লিখিত, স্বাস্থ্য ও মৌখিক সব ধাপে উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্ত নিয়োগের অপেক্ষায় ছিলেন তিনি।

নিয়োগ পেলে সংসারের অভাব-অনটন দূর হবে এমন স্বপ্ন দেখছিলেন আসপিয়া। তবে ওই সময় ঘটে বিপত্তি। চূড়ান্ত নিয়োগের আগে নিয়ম অনুযায়ী পুলিশের পক্ষ থেকে স্থায়ী ঠিকানা, নাম, পরিচয় তদন্ত করে দেখা হয়। প্রতিবেদনে আসপিয়া হিজলা উপজেলার অস্থায়ী বাসিন্দা বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর স্থায়ী ঠিকানা বরিশালে না হওয়ায় আসপিয়ার চাকরি হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। চাকরির স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আসপিয়ার হাসিমুখ মুহূর্তের মধ্যে মলিন হয়ে যায়। এমন খবরে আসপিয়া শুধু নন, তার পরিবারের সদস্যরা ভেঙে পড়েছেন।

আসপিয়ার নাম, ঠিকানা ও পরিচয় তদন্তের কাজ করেছেন হিজলা থানার এসআই আব্বাস উদ্দিন। তিনি বলেন, চাকরির আবেদনে আসপিয়ার উল্লেখ করা খুন্না-গোবিন্দপুর এলাকার ঠিকানায় তদন্তে গিয়ে জানা যায়, ওই এলাকার মেজবাহ উদ্দিন অপু চৌধুরীর বাড়িতে আসপিয়া ও তার পরিবারের সদস্যরা ভাড়া থাকছেন। তারা সেখানের স্থায়ী বাসিন্দা নন। তাদের আদি বাড়ি ভোলার চরফ্যাশনে। ২০১৯ সালে তার বাবা শফিুকল ইসলামের মৃত্যু হলে তাকে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় দাদার বাড়ি নিয়ে দাফন করা হয়।

এসআই আব্বাস উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নিশ্চিত হতে আসপিয়ার এবং তার বড় ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। আসপিয়া জানান, তার জন্ম হিজলা উপজেলায়। লেখাপড়াও হিজলায়। সে কারণে তিনি ঠিকানা হিসেবে হিজলা উল্লেখ করেছেন।

এ বিষয়ে আসপিয়া ইসলাম কাজল জানান, তিনি ও তার পরিবার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। কথা বলতে পারবেন না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

বরিশাল জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. ইকবাল হোছাইন জানান, চাকরি বিধিমালায় উল্লেখ আছে, যে জেলা থেকে নিয়োগ পরীক্ষা দেবেন সে জেলার স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। নিয়োগপ্রত্যাশী ওই জেলার বাসিন্দা, তার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ থাকতে হবে। তবে আসপিয়ার ক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানা সঠিক পাওয়া যায়নি। তাই নিয়োগ বিধিমালায় যেভাবে উল্লেখ আছে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবসে কালিগঞ্জে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : ”আপনার অধিকার, আপনার দায়িত্ব, দূর্নীতিকে না বলুন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে রাস্তার উপর ঘন্টাব্যাপি এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী। উপজেলা দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল আহসান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান দিপালী রানী ঘোষ, প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাইফুল বারী সফু,

উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, এ্যাডঃ জাফরুল্লাহ ইব্রাহিম, নির্বাহী সদস্য ইলাদেবী মল্লিক, সৈয়দ মাহমুদুর রহমান, ইউনিয়ন দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির শ্যামাপদ দাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহম্মাদ আলী গাজী, আলহাজ¦ আব্দুস সত্তার, এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্চু, এম হাফিজুর রহমান শিমুল, গাজী মিজানুর রহমান, মনিরুল ইসলাম মনি, আমজাদ হোসেন, আলহাজ¦ শেখ খোরশেদ আলম, মঞ্জুরুল কবীর, আবু তাহের, গোলাম রব্বানি প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, দূর্নীতি দমন কমিশনের বাস্তবায়নে উপজেলা ও ইউনিয়ন দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি তৃনমূল পর্যায়ে দূর্নীতির বিরুদ্ধে গনসচেতনতার বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে। অনুষ্ঠানে উপজেলা ও ইউনিয়ন দূর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির নেতৃবৃন্দ, সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, এনজিও প্রতিনিধি সহ সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কালিগঞ্জে বেগম রোকেয়া দিবস উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

কালিগঞ্জ প্রতিনিধি : নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ্ব গড়ি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কালিগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিনোধ পক্ষ এবং বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপনে মানববন্ধন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপনে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলা পরিষদ প্রঙ্গণে এই মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ল্যাবরেটরী স্কুলের হলরুমে উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তি‘র সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সুকুমার দাশ বাচ্চুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রবিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নির্বাহী কর্মকর্তার সহধমীনি সামিরা খন্দকার,

রেসক্লাবের সহ-সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এম, হাফিজুর রহমান শিমুল, তথ্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এসএম, আহম্মাদ উল্যাহ বাচ্ছু, লেডিসক্লাবের সম্পাদিকা ইলাদেবী মল্লিক প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে শ্রেষ্ট জয়িতাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

জয়িতারা হলেন অর্থনৈতিক ভাবে সাফল্যে চাম্পাফুল ইউনিয়নের ময়না আক্তার, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্যে কুশুলিয়া ইউনিয়নের মরিয়ম আক্তার, সফল জননী নারী কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের মায়ারানী ঘোষ,

নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন শুরু করা নারী ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের ছালিমা বেগম ও সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের শ্যামলী অধিকারী। অনুষ্ঠানে সরকারী কর্মকর্তা, সাংবাদিক,

এনজিও প্রতিনিধি ও বিভিন্ন নারী সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের সুপার ভাইজার জয়দেব দত্ত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সফল জননী নারী মাছুরা বেগমকে পুরুস্কার প্রদান করলেন সাতক্ষীরা প্রশাসন

আবু ছালেক: বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টার সময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরাই সফল জননী নারী মাছুরা বেগমকে পুরুস্কার প্রদান করলেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন, জানা গেছে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের জোড়দিয়া গ্রামের আ: কাদের মোড়লের স্ত্রী,

বর্তমান কর্মরত শেরপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মোমিনুর রশীদের মা মোছা: মাছুরা বেগমকে সাতক্ষীরা জেলার সফল জননী নারী হিসাবে পুরুস্কার প্রদান করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন,

মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর সাতক্ষীরার আয়োজনে, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস ২০২১ উপলক্ষে জয়িতাদের সন্মাননা প্রদান করা হয়,সন্মাননা প্রদান করেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: আছাদুজ্জামান বাবু, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা,সাতক্ষীরা জেলা মহিলা বিষয়ক প্রোগ্রাম অফিসার ফাতেমা জোহরা,

জাতীয় মহিলা সংস্হা সাতক্ষীরার চেয়ারম্যান জোৎস্না আরা,ফেরদৌসি বেগম,পুরুস্কার প্রাপ্ত সাতক্ষীরা জেলার সফল জননী নারী মোছা: মাছুরা বেগমের মেঝ পুত্র মো. মোমিনুর রশীদ ২১ জুন ২০২১ শেরপুর জেলা প্রশাসনে নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি এর আগে ঢাকা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মজীবনে তিনি মাঠ পর্যায়ে সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চার্জ অফিসার (ঢাকা জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলাতে দায়িত্ব পালন করেছেন।জেলা প্রশাসক মো: মোমিনুর রশীদ ২২তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন সদস্য। তিনি শিক্ষা জীবনে এসএসসি হতে মাস্টার্স পর্যন্ত প্রতিটি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম বিভাগ প্রাপ্ত।
তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ফরেস্ট্রিতে অনার্স এবং মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মাস্টার্সে ডিস্টিংশনধারী। এছাড়া তিনি যুক্তরাজ্যের কোভেন্ট্রি বিশ্ববিদ্যালয় হতে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখানেও তিনি ৭০% এর অধিক নম্বর পেয়ে মেরিট উপাধি লাভ করেন।তিনি দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তার প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বিষয়ের মধ্যে এন্টারপ্রাইজ আর্কিটেকচার, এমআইএস, জিআইএস উল্লেখযোগ্য। তিনি ব্যক্তিগত ও চাকুরী ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনে ইতোমধ্যে ভারত, বাহরাইন, সৌদিআরব, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্য ভ্রমণ করেছেন।২০১৮ সালে তিনি ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অধীনে জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া ভূমি মন্ত্রণালয়ের হতে জাতীয় ইনোভেশন পুরস্কার লাভ করেন ২০২০ সালে। অন্যদিকে একই বছরে অনলাইন ভূমি জরিপ সফটওয়্যার উদ্ভাবনের মাধ্যমে সারাদেশের ভূমি জরিপ কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য ‘ই-গভর্নেন্স (নাগরিক সেবায় বিশেষ অবদান)’ ক্যাটাগরিতে তিনি ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পুরস্কার’ লাভ করেন। শেরপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: মোমিনুর রশীদের মা মোছা: মাছুরা বেগমকে সাতক্ষীরা জেলার সফল জননী হিসাবে পুরুস্কার প্রদান করাই
কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক,সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান,ফিংড়ীর কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মো: নজরুল ইসলাম,ফিংড়ী ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান, পল্লী চেতনা সংস্হার নির্বাহী পরিচালক আনিছুর রহমান,জোড়দিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ঈমাম মাও: মনিরুল ইসলাম বিলালী, ফিংড়ী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত মেম্বর, সাংবাদিক মো: আবু ছালেক,আ: রশীদ রেজা,রবিউল ইসলাম শানা,আলহাজ্ব মো: রবিউল ইসলাম,মাসুম বিল্লাহ, বিশিষ্ট কবি শেখ তামিম বিল্লাহ সহ ফিংড়ীর সর্বস্তর জনগন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় বেগম রোকেয়া দিবস পালিত

তালা অফিস : “নারী নির্যাতন বন্ধ করি, কমলা রঙের বিশ^ গড়ি” এই শ্লোগান সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও ৫ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর ) সকালে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে ও তালা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রশান্ত কুমার বিশ^াস। উপজেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সরদার মশিয়ার রহমান, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মুরশিদা পারভীন পাঁপড়ি

,তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান, পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) বাবলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আলাউদ্দীন জোয়ার্দ্দার, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাজিরা খাতুন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ¯িœগ্ধা খাঁ বাবলী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ ওবায়দুল হক প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest