সর্বশেষ সংবাদ-
ভারতের উপকূলে জাহাজ ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাতক্ষীরার মামুন : উদ্বিগ্ন পরিবারদেবহাটায় শিশু শ্রমমুক্ত ও শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়ামুক্ত ইউনিয়ন ঘোষণাদেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন চাষীরাঅবশেষে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারি রাকেশ মেহেরপুরে বদলিভারতে চিকিৎসা নিতে যেয়ে কলকাতার হোটেলে মারা যাওয়া সাতক্ষীরার সাজুর দাফন সম্পন্নমৎস্য খাতের উন্নয়নে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় জোর দিল ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটিআমিরুন্নেছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন : সভাপতি প্রভাষক আরিফুলদেবহাটা থানায় নবাগত ওসি এইচএম শাহীন-এর যোগদানপ্রধান শিক্ষকের বরখাস্তের তিনদিন পর নবারুণ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতির পদ স্থগিতসাতক্ষীরা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ : কারণ দর্শানোর নোটিশ

ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ৮৮% শিশু-কিশোর, ৫৩% অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাইবার স্পেসে শিশু, যুব ও নারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা এবং সাইবার বুলিং, যৌন নির্যাতন ও মানসিক সহিংসতা প্রতিরোধে সাতক্ষীরায় অংশীজনদের এক গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স’-এর আয়োজনে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটিতে টেকনিক্যাল সহায়তা প্রদান করে ‘টেরে ডেস হোমস্ নেদারল্যান্ডস’ এবং অর্থায়ন করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

সভায় উপস্থাপিত এনসিবিআই -এর গবেষণার পরিসংখ্যান তুলে ধরে জানানো হয়, বর্তমানে শিশু-কিশোর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৮৮ শতাংশই কোনো না কোনোভাবে অনলাইন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ শিশু অনলাইন যৌন হয়রানির শিকার এবং ৫৩ শতাংশ শিশু অনলাইন গ্রুমিংয়ের মুখে পড়ছে। এছাড়া ৩৮ শতাংশ শিশু সাইবার ফ্ল্যাশিং এবং ১৮ শতাংশ কিশোর-কিশোরী ছবি বা ভিডিও ফাঁসের ভয় দেখিয়ে যৌন ব্ল্যাকমেইল (সেক্সটর্শন)-এর শিকার হচ্ছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রে অপরিচিতদের চেয়ে পরিচিত মানুষদের মাধ্যমেই শিশুরা এসব অনলাইন ঝুঁকিতে বেশি পড়ছে।

ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্সের পরিচালক (পরিকল্পনা ও কর্মসূচি) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিজ্ কাউসার আজিজ। অনুষ্ঠানে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর (খুলনা বিভাগ)-এর পরিচালক ও যুগ্ম সচিব মোঃ হুসাইন শাওকত।

ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স-এর ম্যানেজার প্রোগ্রাম ও ডিস্ট্রিক্ট ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলামের পরিচালনায় মুক্ত আলোচনা বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সঞ্জীব কুমার দাস, সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসার আলমগীর কবীর, সাতক্ষীরা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি আখতারুজ্জামান, সাতক্ষীরা পাবলিক লাইব্রেরী সাধারণ সম্পাদক রাসেল কামরুজ্জামান,

সনাকের সভাপতি তৈয়ব হাসান বাবু, নারী নেত্রী ফরিদা আখতার বিউটি, সাংবাদিক এম কামরুজ্জামান এবং গোলাম সরোয়ার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে অপরাধের ধরণও পাল্টাচ্ছে। সাইবার স্পেসকে শিশুদের জন্য নিরাপদ করতে অভিভাবক, শিক্ষক, গণমাধ্যম, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সুশীল সমাজকে একসাথে কাজ করতে হবে। অ্যাকাউন্টে টু-স্টেপ ভ্যারিফিকেশন চালু রাখা, টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ও গুগল সেফসার্চ ব্যবহারের মতো প্রযুক্তিগত সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও তারা জোর দেন।

ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনের ডিজিটাল নিরাপত্তা, শিশু আইন ২০১৩, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫-এর আইনি দিক তুলে ধরেন‌।

উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও টিডিএইচ নেদারল্যান্ডস-এর সহযোগিতায় ব্রেকিং দ্যা সাইলেন্স সাতক্ষীরা সদরে “স্পিক আপ” প্রকল্পের আওতায় ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত শিশুদের ডিজিটাল নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
২৪ ঘন্টা ধরে নিখোঁজ ব্যবসায়ী হাকিমের সন্ধান চায় পরিবার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : টাকা আদায়ের কথা বলে থেকে বাড়ি থেকে বের হওয়া ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিমের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে পরিবার। উপায়ন্তর হয়ে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেছে পরিবারটি। নিখোঁজ ব্যবসায়ী সাতক্ষীরা শহরের গড়েরকান্দা গ্রামের শাহাজান মন্ডলের পুত্র।

পরিবার জানায়, গত ২৮ জুলাই কালিগঞ্জে টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। তার ব্যবহৃত নাম্বারটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কয়েকটি নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে বিভিন্ন অংকের টাকা দাবি করে আসছে। এঘটনায় ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন নিখোঁজ হাকিমের পিতা শাহাজান মন্ডল। যার নং-১৮৮২।

তার পিতা জানান, তার ছেলে চা এর ডিলারের ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ২৪ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা চরম উদ্বিগ্নের মধ্যে দিন পার করছেন। ##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পুলিশও হবেন, দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেনএটা হতে পারে না, বললেন হাসনাত

অনলাইন ডেস্ক : এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘রাজনীতি করলে ব্যানার খুলে রাজনীতি করুন, বিএনপি করুন।’ বুধবার হবিগঞ্জের সমাবেশে যাওয়ার পথে তাদের বাধা দেন পুলিশ সদস্যরা। সেখানে বাগ্বিতণ্ডার সময় এনসিপি নেতা এ কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, ‘পুলিশও হবেন, আবার দলীয় এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করবেন—এটা হতে পারে না। নিরাপত্তার জন্য যারা হুমকি, আপনারা তাদেরকে না ধরে আমাদেরকে বাধা দিচ্ছেন।’ পুলিশকে প্রশ্ন করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আপনি কোন আইনে আমাকে বাধা দিচ্ছেন?’

মঙ্গলবারের ‘জুলাই পদযাত্রা’য় হামলার অভিযোগে বুধবার সেখানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতা ও দলটির কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হলেও পথে পথে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। বিকেলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশি বাধার মুখে তারা হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মুষলধারে বৃষ্টি নামে। এনসিপি নেতারা বৃষ্টিতে ভিজেই সেখানে অবস্থান করছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে বাহুবলে এনসিপি নেতারা

অনলাইন ডেস্ক :  মঙ্গলবারের জুলাই পদযাত্রায় হামলার অভিযোগে বুধবার সেখানে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি।

এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতা ও দলটির কর্মীরা হবিগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হলেও পথে পথে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে। বিকালে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশি বাধার মুখে তারা হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার কামাইছড়ায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান করেন। এ সময় মুষলধারে বৃষ্টি নামে। এনসিপি নেতারা বৃষ্টিতে ভিজে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

এনসিপির নেতারা জানান, বিকেল চারটার কিছু আগে এনসিপির গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।

ওই বহরে থাকা এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘আমরা আমাদের কর্মসূচি পালন করতে যাওয়ার পথে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিন জায়গায় আমাদের আটকে দেওয়া হয়েছে। প্রথমে পুলিশ দিয়ে, তারপর রাস্তায় ট্রাক আটকে চাকা পাংচার করে এবং সর্বশেষ রাস্তার ওপর ট্রাক্টর রেখে আটকে দেওয়া হয়েছে।’

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তার ফেসবুকে জানান, তারা চতুর্থ ব্যারিকেড অতিক্রম করে হবিগঞ্জের পথে রয়েছেন।

শ্রীমঙ্গল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘তাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করেই গাড়ি বহর আটকে দেওয়া হয়েছিল। তারা আমাদের কথা শোনেনি। বহর শ্রীমঙ্গল পার হয়ে গেছে।’

এদিকে, এই কর্মসূচিকে ঘিরে শ্রীমঙ্গলে ১৪৪ ধারা জারি করার কারণে বিকেল সাড়ে চারটায় হবিগঞ্জ সার্কিট হাউজে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছিল এনসিপি। তবে এখনও সেখানে পৌঁছাতে পারেননি দলটির নেতাকর্মীর।

ওই বহরে রয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দক্ষিণাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির সিনিয়র নেতারা।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওসি জাহিদুল হক জানান, হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। মাঠে বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। সেখানে ম্যাজিষ্ট্রেটও দায়িত্ব পালন করছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ : তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটার পারুলিয়া মৎস্য আড়তে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দের পর আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে চিংড়িতে জেলি পুশ করার দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে মোট ৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সাতক্ষীরা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিএম সেলিম, এফআইকিউসি, খুলনার ইন্সপেক্টর আলমগীর হোসেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম এবং দেবহাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারুলিয়া মৎস্য আড়তসহ আশপাশের কয়েকটি আড়তে অবৈধভাবে চিংড়িতে জেলি পুশ করে বিক্রি করা হচ্ছিল। এর আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেলি-পুশকৃত চিংড়ি জব্দ ও জরিমানা করা হলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা এ অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করেনি। এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সুজয় মণ্ডলকে ৫ হাজার টাকা, সুমন ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা এবং আল কাইয়ুম ফিসকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া জব্দ করা ১০০ কেজি জেলি-পুশকৃত চিংড়ি তাৎক্ষণিকভাবে বিনষ্ট করা হয়।

 

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরের ভেটখালী বিলে পানিতে জলাবদ্ধতা : কৃষকের মাথায় হাত

শ্যামনগর প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী বিল পানিতে তলিয়ে আছে। ধান রোপন করতে না পারায় কৃষকের মাথায় হাত। বিলের পানি নিষ্কাষনের জন্য হিমখালী খাল ও বিকল্প ব্যবস্থা থাকলেও বহু বছর ধরে জবর দখল আছে। যার ফলে প্রতি বছর দুই শতাধিক ধান্য ফসল ও সবজির জমি পানিতে তলিয়ে যায়।

সরজমিনে দেখা যায় , রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী বাজার , ভেটখালী বিল , তারানীপুরের পানি নিষ্কাষনের জন্য হিমখালী খালসহ বিকল্প ব্যবস্থা থাকলেও জবর দখলের কারনে পানি নিষ্কাষন হয়না। যার ফলে ধান্য ফসলের মাঠ , বসত ভিটা , পুুকুর , গাছগাছালি, রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। হিমখালী খালটি বহু বছর ধরে জবর দখল করে রেখেছে শতাধিক ব্যক্তি। অপর দিকে বিকল্প ভাবে ভেটখালী বিলের পানি নিষ্কাষনের পথ জবর দখল করে রেখেছে ভেটখালী গ্রামের সনদ যোদ্দার , মন্টু যোদ্দার, মিন্টু যোদ্দার, নিরাপদ যোদ্দার, কিশোরী যোদ্দার, জয়ন্ত বাছারসহ অনেকে। ভেটখালী কোলুনীপাড়ায় বিলের পাশ দিয়ে বহু গরীব , অসহায় মানুষ বসবাস করে। বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের কাচা ঘরবাড়ী ধ্বস নেমেছে এবং খুবি কষ্টে জীবন ধারণ করে চলেছে।

স্থানীয় মৃত আনছার আলী গাজীর পুত্র মোঃ মুত্তালিব হোসেন বলেন , হিমখালী খাল ও বিকল্প ব্যবস্থায় পানি নিষ্কাষনের জায়গা জবর দখলে থাকায় পানি নিষ্কাষন না হওয়া প্রতি বছর আমরা বর্ষা মৌসুমে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে আসছি। এ বছর ধানের বীজ বপন করতে পারছি না। উপর দিকে বসত ভিটারও ক্ষতি হচ্ছে। এ ভাবে চললে আমরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হব এবং এলাকার মানুষের মধ্যে দারিদ্রতার হার বৃদ্ধি পাবে।

মোঃ আব্দুর রাশেদ গাজীর স্ত্রী মোছাঃ নুর জাহান খাতুন বলেন , আমাদের প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দূর্ভোগের শেষ থাকে না। ধানের মাঠ , বাড়ীর উঠান , কাঁচা ঘরবাড়ী, সবজি চাষের জমি পানিতে তলিয়ে যায় । বিলের পানি নিষ্কাষনের জায়গা ও খাল দখল মুক্ত করে পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করছি।

এ বিষয়ে শ্যামনগর সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদ হোসাইনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য মুঠেফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কৈখালী ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল ইসলাম বলেন , বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংবাদ সম্মেলনে রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার : রাস্তাটি ক্রয়কৃত দাবি ওমর ফারুকের

নিজস্ব প্রতিনিধি :

নিজের বিরুদ্ধে আনা পারিবারিক রাস্তা দখলের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক।

বুধবার বিকালে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, স্থানীয় মো. শরিফুল আলম (মনু) তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছেন, তার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতেই তিনি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন বলে জানান।

লিখিত বক্তব্যে জামায়াত নেতা ওমর ফারুক দাবি করেন, ইফতা হাউজিং লিমিটেডের পক্ষে তিনি ১০ ফুট প্রশস্ত একটি রাস্তা ক্রয় করেছেন, যার উল্লেখ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত দলিলে সুস্পষ্টভাবে রয়েছে।

তিনি জানান, ১৯ ডিসেম্বর ২০১১ তারিখে সম্পাদিত পারিবারিক রেজিস্ট্রি বণ্টননামা অনুযায়ী মো. শরিফুল আলম (মনু) সাবেক দাগ নং-২০৪৯, হাল দাগ নং-৬৩৫২-এর ২৫.৬০ শতক জমির একক মালিক হন। পরে তিনি নিজের সম্পত্তি থেকে ইফতা হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে ৫.৮৪ শতক জমি বিক্রয়ের চুক্তি করেন।

ওমর ফারুকের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ এপ্রিল ২০১৬ তারিখের ২৭৮১ নম্বর নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে ৬ ফুট এবং বিক্রিত অংশ থেকে আরও ৪ ফুটসহ মোট ১০ ফুট প্রশস্ত ও ২৬৭ ফুট দীর্ঘ রাস্তা হস্তান্তর করা হয়। এছাড়া ১৯ জুলাই ২০১৬ তারিখের ৪৯৫৪ নম্বর দলিলের মাধ্যমেও খোরশেদ আলম গং-এর নামে জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ওই ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, নিবন্ধিত দলিলসমূহে ১০ ফুট রাস্তার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় এটিকে পারিবারিক রাস্তা হিসেবে দাবি করার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। তাঁর দাবি, এটি মো. শরিফুল আলম (মনু)-এর নিজস্ব সম্পত্তি থেকে নিবন্ধিতভাবে বিক্রয়কৃত রাস্তা।

সংবাদ সম্মেলনে ওমর ফারুক বলেন, তিনি কারও পারিবারিক রাস্তা দখল করেননি। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা বলে তিনি দাবি করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, গণমাধ্যম ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি নিবন্ধিত দলিল, ভূমি-সংক্রান্ত রেকর্ড এবং প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বিষয়টি দেখার আহ্বান জানান।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দক্ষিণ আফ্রিকায় অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক :

দক্ষিণ আফ্রিকার কুইনসটাউনের কাছে একটি বসতবাড়িতে অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও একজন বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।  মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকার বাংলাদেশ দূতাবাস।

পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের আফ্রিকা বিষয়ক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় সোমবার গভীর রাতে দক্ষিণ আফ্রিকার কুইনসটাউন থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার দূরের চামু এলাকায় একটি সেকেন্ড-হ্যান্ড পণ্যের দোকানে আগুন লাগে। দোকানটির একটি অংশে সাত বাংলাদেশি বসবাস করতেন। আগুনে ছয়জন নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হন।

আহত বাংলাদেশিকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ মিশন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে। আগুনটি দুর্ঘটনাবশত লেগেছে, নাকি অগ্নিসংযোগের ঘটনা— তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কুইনসটাউনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করেন। বাংলাদেশ মিশন ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করছে। যাচাই-বাছাই শেষে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানানো হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest