সর্বশেষ সংবাদ-
শ্যামনগরে পৃথক ঘটনায় একই দিনে দুজনের মৃত্যুসাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণ

গাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা ১৫ নং পোল্ডারের আওতাধীন উপকুল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি নাইনটি অপসারণ করেছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নং সোরা এলাকার বাঁধ হতে থেকে এসব নাইনটি অপসারণ করা হয়।

চিংড়িঘেরে নদীর লবন পানি সরবরাহের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরা সম্প্রতি উপরিভাগের ব্লক সরিয়ে বাঁধ কেটে ও ছিদ্র করে পাইপের সাহায্যে সেখানে এসব নাইনটি স্থাপন করেছিল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাশেদ হোসাইন, অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বেড়ীভাধের উপরে অবৈধ নাইন্টি পাইপ অপসারণ শুরু করেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি

এদিকে, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারের ভাষ্য এখনো পর্যন্ত গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মান কাজ শেষ হয়নি। অনেকে নৌকা আটকানোর জন্য খুঁটি স্থাপনের পাশাপাশি কয়েকজন রীতিমত নির্মানাধীন বাঁধ কেটে পাইপের সাহায্যে নাইনটি স্থাপন করেছে। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিজে থেকে নাইনটিগুলো অপসারণে নির্দেশনা দেয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা তাতে কর্নপাত করেনি। বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে বাঁধের জন্য ক্ষতিকর নাইনটি গুলো অপসারণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, টেকসই বাঁধ নির্মাণের অংশ হিসেবে এক হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি সদ্য নির্মিত বাঁধের উপরের ব্লক সরিয়ে মাটি কেটে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে নাইনটি তৈরি করেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন অংশের বাঁধ হতে ১০টিরও বেশী নাইনটি অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতির চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, নারিকেলতলা (রেজি. নং-খুলনা ৭৬৪)-এর সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারের ‘অবৈধ’ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর উপদেষ্টাদের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল।

সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় এজিএস ও সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব সামিরুল ইসলাম মিলন, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি মো. মজনু সরদার এবং সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিক ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে নির্বাচিত সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারকে অবৈধভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রমে উপদেষ্টাদের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে ইউনিয়নের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

তারা অবিলম্বে মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং উপদেষ্টাদের সব ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি শেখ মিলন হোসেন, ইব্রাহিম খলিল টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়ারাজ আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনি,পৌর শ্রমিক দলের রেজাউল ইসলাম রেজা, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান (ভিআইপি) শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শাহজান আলী, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, জেলা ইমারত শ্রমিক দলের সভাপতি তফুর আলীসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

নিজস্ব প্রতিনিধি  : সাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬-এর সিপিসি-১, সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার হাড়দ্দাহ এলাকার আব্দুল মাজেদের পুত্র আসাদুল মোড়ল (৪৫) ও ইয়ার আলী মোল্যার পুত্র রুহুল আমিন মোল্লা (৩৯)।

র‍্যাব জানায়, অভিযানে ৪৫৪ বোতল উইনকেরিক্স ও ৮৮ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মোট ৫৪২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দতালিকা প্রস্তুত করে মাদকগুলো জব্দ করা হয়।

র‍্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মুহাম্মদ যিয়াদ বলেন, গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিলসহ তাদের সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ঘুরনচন্ডি এলাকায় একটি মৎস্য ঘেরে ডাকাতির ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ইয়াদিন আলী মোল্যা নামে এক মৎস্য চাষী গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার দিবাগত ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইয়াদিন আলী মোল্যা দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় তার ছেলে গোলাম আইয়ুব আজম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ইয়াদিন আলী নিজের মৎস্য ঘেরে পাহারায় ছিলেন। ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে পারুলিয়া পলগাদা এলাকার শফিকুল ইসলামের দুই ছেলে মোহাম্মদ আলী ও ওমর আলী এবং একই এলাকার পুটুর ছেলে লাদেন সংঘবদ্ধভাবে ঘেরে নেমে আটল থেকে মাছ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ইয়াদিন আলী তাদের বাধা দিলে হামলাকারীরা তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
তার চিৎকারে আশপাশের ঘেরের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষী খায়রুল ইসলাম, মাসুদ রানা ও ওহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। অস্ত্রের মুখে তারা কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অভিযোগ

সাতক্ষীরার তালায় স্ত্রীকে শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচার চালিয়েছে ঘাতক স্বামী ও তার সহযোগীরা। এ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের মাতা রোজিনা খাতুন।
রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে কলারোয়া রাজপুর গ্রামের গফুর সরদারের কন্যা রোজিনা খাতুনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার ভাই আকবর আলী।
তিনি বলেন, আমার বড় কন্যা আশা আক্তার(১৯) এর সাথে তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে রিয়াদ খাঁ (২৩) এর সাথে অনুমান ২০২৫ সালের শেষের দিকে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে রিয়াদ খাঁ বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে আমার কন্যা উপর অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। সে সময় আমার নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল দাবি করে আসছিল। এ নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং রিয়াদ খাঁ, তার মাতা নাহার খাঁ, পিতা- আইয়ুব আলী খাঁ আমার কন্যা আশার উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে গত ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ৯ তারিখে যশোরে বসবাসরত চাচাতো ভাই আমাদের ফোন করে জানান আমার কন্যা আত্মহত্যা করেছে। জামাতার বাড়ি থেকে কেউ কোন খবর আমাদের দেয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে জানতে কন্যার লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তখনই আমাদের সন্দেহ হলেও থানা পুলিশ এবং জেলা সমবায় কর্মকর্তা সোহরাবের কারনে তালা থানায় তড়িঘড়ি করে একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়। যার কিছুই আমার বুঝতে পারেনি। অথচ আসামীরা হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। তারপরও থানার এস আই জিয়াদ জোরপূর্বক আমার স্বামীর কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

ঘটনার পরের দিন আমরা নানাভাবে খবর নিয়ে জানতে পারি রিয়াদ খাঁর অন্য মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেটা আমার কন্যা জানতে পারে আপত্তি করার কারনেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এটা বুঝতে পারার পর প্রমান জোগাড় করা জন্য সমবায় কর্মকর্তা সোহরবারে সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আমার ভাই আকবর আলী। কথাবার্তার একপর্যায়ে সোহরাব বলেন “রিয়াদ ভালো ছেলে না, তার অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এবং রিয়াদের মাতা নাহারও সুবিধাজনক না, সে বিদেশে থাকত, সেখান থেকে এসে বড় বড় সন্তান রেখে অন্যত্র বিবাহও করেছে”। এখান থেকেই স্পষ্ট যে রিয়াদ তার অবৈধ প্রেমের কারনেই আমার কন্যাকে হত্যা করেছে। এরপর এবিষয়ে থানা হত্যা মামলা করতে গেলে থানা ওসি শহিদুল ইসলাম হাওলাদার মামলা না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে বলে আদালতে যাও। উপায়ন্ত হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত ইউডি মামলার কপি চেয়ে থানাকে নির্দেশ দিলেও থানা দীর্ঘ ৫মাস ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেন। এরপর আদালত মামলাটির তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন।

আমরা ধারনা করছি সোহরাব থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে আমার কন্যা হত্যার বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালাচ্ছে। ডিবিপুলিশকেও সে ম্যানেজ করতে পারে। তিনি একজন সন্তান হারা মা হিসেবে সন্তানের হত্যার প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে এবিষয়ে সমবায় কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। আমি সাতক্ষীরা শহরে বসবাস করি। ওই ঘটনার সাথে জড়িত না। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক জিএম নূর ইসলামের সুস্থতা কামনায় প্রেসক্লাবের বিবৃতি

সাতক্ষীরার বহুল প্রচারিত দৈনিক দৃষ্টিপাত পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক জিএম নূর ইসলামের বিশেষ একটি অপারেশন পরবর্তী চিকিৎসার জন্য ডিজিটাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর আশু সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান,

যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন,সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার,অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে এড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ ও আসাদুজ্জামান সরদার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার রোটার‍্যাক্ট ক্লাবের নেতৃত্বে কেডি – মেহেদী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
সামাজিক সেবা, নেতৃত্বের বিকাশ এবং মানবিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে স্মার্ট মেডিকেল সেন্টারের হলরুমে রোটার্য্যক্ট ক্লাব অব সাতক্ষীরার পাস্ট প্রেসিডেন্ট আবুল হোসেন এর পরিচালনায় ২০২৬-২৭ রোটা বর্ষের জন্য সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি এবং সেক্রেটারি মেহেদী হাসান নির্বাচিত হন।
ক্লাবের অন্যসদস্যরা হলেন নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আতিক মুজাহিদ ও মুজাহিদুল ইসলাম ।

কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন মো : আমিনুর রহমান । যুগ্ম সম্পাদক শারমিন আক্তার রিয়া, অন্যান্য সদস্যরা হলেন- নূর ইসলাম (ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ডিরেক্টর), সাদিয়া সুলতানা (প্রফেশনাল সার্ভিস ডিরেক্টর), সুকান্ত দাস (কমিউনিটি সার্ভিস ডিরেক্টর), মোকাররম বিল্লাহ ইমন (ক্লাব সার্ভিস ডিরেক্টর),পূজা সরকার (ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস ডিরেক্টর), আতিক(সার্জেন্ট অ্যাট আরমস)।

নবনির্বাচিত সভাপতি কর্ণ বিশ্বাস কেডি বলেন, আমাদের ক্লাবকে সত্যিকারের পরিবর্তনের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। আগামী এক বছরে আমরা এমন কিছু উদ্যোগ নিতে চাই, যা শুধু রোটার‍্যাক্ট সদস্যদের নয়, যা সাতক্ষীরার যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্ব বিকাশ, ক্যারিয়ার প্রস্তুতি এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও সমাজের অসহায় পরিবার ও শিশুদের পাশে দাড়ানোই আমাদের লক্ষ্য।

নতুন কমিটি সাতক্ষীরা জেলার সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং যুবদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খুলনা বিভাগীয় ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : খুলনা বিভাগ টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সাতক্ষীরা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ। এর মাধ্যমে খুলনা বিভাগের ক্যামেরা সাংবাদিকদের বৃহত্তর সংগঠনের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলো সাতক্ষীরা জেলা কমিটি।

গতকাল (৩ জুলাই) বিকালে খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে খুলনা বিভাগ টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান আল-মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল মোল্লা মিলনের যৌথ স্বাক্ষরিত অনুমোদনপত্র সাতক্ষীরা জেলা কমিটির সভাপতি মাসুদ রানা মনা ও সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেনের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, গত ১ জুলাই ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় উপস্থিত সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে ও কণ্ঠভোটে ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য ১৬ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।

নবগঠিত কমিটিতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মাসুদ রানা মনা (এখন টিভি), সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেন (৭১ টিভি), সহ-সভাপতি জাকির হোসেন (এসএটিভি), যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইয়ারুল ইসলাম (এটিএন বাংলা), সাংগঠনিক সম্পাদক সোহারাব হোসেন সৌরভ (ইনডিপেনডেন্ট টিভি), সিনিয়র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সবুজ (ডিবিসি নিউজ), দপ্তর সম্পাদক সাগর হোসেন (সময় টিভি), অর্থ সম্পাদক রাকিব হোসেন (বাংলাভিশন), প্রচার ও ক্রীড়া সম্পাদক একরামুলজ্জামান জনি (মাই টিভি), কার্যকরী সদস্য হাবিবুর রহমান পলাশ (চ্যানেল আই) এবং সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন জাফর হোসেন (জিটিভি), ইমন হোসেন (এনটিভি), জহিরুল জুয়েল (আরটিভি), তানভির নাইম (এশিয়ান টিভি) ও রাসিক সিহাব (চ্যানেল ওয়ান)।

নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ বলেন, খুলনা বিভাগের ক্যামেরা সাংবাদিকদের এই বৃহৎ পরিবারের অংশ হতে পেরে তারা সম্মানিত ও অনুপ্রাণিত। এটি তাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের একটি মুহূর্ত। সবার দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা নিয়ে পেশাদারিত্ব, ঐক্য এবং সংবাদকর্মীদের স্বার্থ রক্ষায় তারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যেতে চান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest