সর্বশেষ সংবাদ-
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণদেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি সেঁজুতিআসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি: প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ড

দেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে চার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চুরির মামলা : প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : দেবহাটায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক শ্রমিককে পিটিয়ে মিথ্যা চুরির মামলায় কারগারে পাঠানোসহ তিনজন নিরাপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আশাশুনি থানার বাশিরামপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ তরফদারের স্ত্রী জোহরা খাতুন।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমরা অতিশয় দরিদ্র। আমাদের নিজস্ব কোন সম্পত্তি না থাকায় খালের ধারে খাস জমিতে অতিকষ্টে বসবাস করে আসছি। সংসার পরিচালনার জন্য আমার স্বামীসহ তার অন্য ভাইয়েরা দেশের বিভিন্ন স্থানের ইটের ভাটায় শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। সংসার চালাতে আমিসহ আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়িও শ্রমিকের কাজ করে। সম্প্রতি আমার স্বামী ঋণ করে একটি পুরাতন মোটর সাইকেল ক্রয় করেছেন।

গত ১০ জুন ২৬ তারিখে ওই পুরাতন মোটরসাইকেল নিয়ে স্বামী আব্দুস পুটিমারী বাজারে গিয়েছিল। বাজার থেকে ফেরার পথে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা দেবহাটার রঘুনাথপুর(টিকেট) গ্রামের মৃত আমানত মিস্ত্রির পুত্র কহিনুর আলমসহ কয়েকজন আমার স্বামী সামাদের গতিরোধ করে। তার উপর অতর্কিত হামলা করে তাদের কাছে থাকা লোহার রড ও লাঠিসোটা দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়ী আয়েশা খাতুন এগিয়ে গেলে তার কোমরে লাথি মেতে গুরুতর আহত করে।

এছাড়া সাথে থাকা মোটরসাইকেলটি ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। পরে ওই মোটরসাইকেল এবং স্বামীর কাছে থাকা নগদ ৭ হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। এরপর দেবহাটার এস আই বেলায়েত হোসেনকে ডেকে নিয়ে আমার স্বামী আব্দুস সামাদকে তুলে দেয়। পরে ওই দারগাকে ম্যানেজ করে আমার স্বামীসহ তার তিন ভাই আরিফুল ইসলাম, খায়রুল এবং প্রতিবেশী এবাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কহিনুর আলম একটি মিথ্যা ভ্যান চুরির মামলা দায়ের করে। সে সময় দারগা বেলায়েত হোসেন আমার কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে আমার স্বামীকে ইয়াবা বড়িসহ চালান দেওয়ার হুমকিও প্রদর্শন করে। উপায়ন্তর হয়ে ধার দেনা করে নগদ ১৪ হাজার টাকা প্রদান করি দারগা বেলায়েত হোসেনের কাছে। এরপরও বাকী টাকা বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করে আসছে এস আই বেলায়েত। এছাড়া আমাদের উচ্ছেদ করে তাড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও প্রদর্শন করে যাচ্ছে তারা।

তিনি আরো বলেন, আমরা দরিদ্র পরিবারের হলেও কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করি। সংসার পরিচালনা করতে স্বামীর পাশাপাশি নিজেও কাজ করি এমন কি আমার বৃদ্ধা শ^াশুড়ীও শ্রমিকের কাজ করে। আমার স্বামী, তার ভাইয়েরা এবং প্রতিবেশী ইবাদুলের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে কখনো চুরি বা কোন ধরনের কোন অভিযোগ নেই। সকলেই শ্রমজীবী। অথচ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার স্বামীকে শায়েস্তা করতেই পুলিশের ওই অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোজসাজস করে এই মিথ্যা ঘটনা ঘটিয়েছে। ওই মামলায় আমার স্বামী বর্তমানে কারাগারে আছেন। এছাড়া ওই মিথ্যা মামলায় আসামী হওয়ায় আমার দুই দেবরও পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এছাড়া প্রতিবেশী ইবাদুলও পলাতক। ফলে আমাদের বাড়ি একেবারে পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে। তিনি ওই মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি, এস আই বেলায়েত এবং মিথ্যা মামলার বাদী কহিনুর আলমের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরা জেলা পর্যায়ে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : মানব পাচার প্রতিরোধ করতে হলে ঘরে ঘরে গনসচেতনতার গড়ে তুলতে হবে। স্হানীয় ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, বিশেষ করে যেসব সরকারি অফিসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ সরকারের পরিসেবা বা ভাতা গ্রহন করে থাকে সেসব দপ্তর গুলোকে আরো বেশি শক্তিশালী করতে হবে। যেসব পরিবারের সদস্যরা একবার মানব পাচারের শিকার হন সেসব পরিবারে সারা জীবনের লালিত সপ্ন ধ্বংস হয়ে যায় । বিধায় মানব পাচার প্রতিরোধে যেসব আইন আছে তা কঠোর প্রয়োগ করতে হবে।

বুধবার সকালে সীমান্তবর্তী সাতক্ষীরা জেলা শহরের একটি আবাসিক হোটেল সম্মেলন কক্ষে সুইজারল্যান্ড সরকারের সহায়তায় উইনরক ইন্টারন্যাশনাল- এর বাস্তবায়নে এবং উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির জেলা সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন ।

সম্মেলনে রুপান্তরের নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক রফিকুল ইসলাম, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম কামরুজ্জামান, অগ্রগতি সংস্হার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, স্বদেশের নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত প্রমুখ।

রুপান্তরের প্রকল্প সমন্বয়কারী সুবল কুমার ঘোষের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মানব পাচার প্রতিরোধ কমিটির এই জেলা সম্মেলনে
উইনরক ইন্টারন্যাশনালের প্রোগ্রাম অফিসার মাসনুন হকসহ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-ইউপি সদস্য, সিটিসি কমিটির সদস্য, বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় কৃষকদের মাঝে অপসিজন তরমুজ বীজ বিতরণ

দেবহাটা প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় অপসিজন তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে তরমুজ বীজ বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জয়দেব কুমার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিলন সাহা।

উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের মধ্যে যেসব এলাকায় অপসিজন তরমুজ চাষের সম্ভাবনা ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে ভালো অবস্থানে রয়েছে, সেসব এলাকার মোট ৭০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে তরমুজের বীজ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা বলেন, দেবহাটায় অপসিজন তরমুজ চাষে ইতোমধ্যে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ ও সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিতে এবং এই লাভজনক চাষের পরিধি বাড়াতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক ও লাভজনক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি এবং কৃষি খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের তিন ডাকাত আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি : অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড।

বুধবার ১০ কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর সদস্যরা সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানাধীন কালিঞ্চি সুইচগেইট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। তথ্যের ভিত্তিতে গত ৯ জুন মঙ্গলবার রাতে কোস্ট গার্ড স্টেশন কৈখালী কর্তৃক উক্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর তিন জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়। আটকের পর ডাকাতদের তথ্যের ভিত্তিতে ওই রাতে শ্যামনগর থানাধীন হরিণটানা খাল সংলগ্ন এলাকা হতে ১টি একনলা বন্দুক ও ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

আটককৃত ডাকাত আজিবার গাজী (৪৭), রবিউল গাজী (৪৪) এবং ফারুক হোসেন (৩৬) সকলেই সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা। তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জোনাব বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে সুন্দরবন এলাকায় ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল। উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আটককৃত ডাকাতদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মিডিয়া কর্মকর্তা আরো জানান, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে “অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন” এবং “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড” নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানের ধারাবাহিকতায় “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর আওতায় অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক করা হয়। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নিয়মিত অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন সাতক্ষীরা জেলার পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সদস্যরা।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদের প্রশাসকের কার্যালয়ে পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগার এর সভাপতি মকবুল হোসেন এর নেতৃত্বে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান,হাফিজুর রহমান হাফিজ সাংবাদিক আব্দুল মোমিন, মিহির সাধু মনা, উদায় ঘোস, মাহমুদুল হক লাল্টু, মোসফেক বিশ্বাস, আনিছুর জামান।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে জেলা প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব বলেন নতুন প্রজন্মকে বিভিন্ন খেলাধুলার দিকে মননিবাস করতে হবে। বর্তমান সমাজ থেকে মাদক দূর করতে হবে আর মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য এবং শরীর ঠিক রাখার জন্য খেলাধুলার বিকল্প কিছু নাই। পাটকেলঘাটা ক্লাব ও পাঠাগারটি অনেক পুরাতন এই ক্লাব থেকে অনেক খেলোয়ার একসময় তৈরি হয়েছে। ক্লাবটির সুনাম ধরে রাখতে হবে। এবং এ ক্লাবের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভালো ভালো প্লেয়ার তৈরি করতে হবে।খেলাধুলা সহ বিভিন্ন ভালো কাজের জন্য আমার পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় পুলিশের অভিযানে চোরাই গরুসহ আটক ১, থানায় মামলা

দেবহাটা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় পুলিশের অভিযানে চোরাই একটি গরু উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অপর এক আসামিকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার দেবীশহর গ্রামের মৃত মোহর আলীর ছেলে আব্দুর সাত্তার গাজী (৬৫) গত ৫ জুন সকাল ৭টার দিকে দেবীশহর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে ময়নাতলা বিলের মাঠে তার তিনটি গরু ঘাস খাওয়ানোর জন্য বেঁধে রেখে বাড়িতে যান। পরে সকাল ১০টার দিকে গরুগুলো দেখতে গিয়ে তিনি দেখতে পান, তিনটির মধ্যে দুটি গরু বিলে বাঁধা থাকলেও একটি কালো রঙের এঁড়ে গরু নিখোঁজ রয়েছে।

এ ঘটনায় আব্দুর সাত্তার গাজী বাদী হয়ে দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রামনাথপুর (মাঝিপাড়া) গ্রামের রবিন ঘোষের ছেলে অনিল ঘোষ (২৪)-এর বাড়ি থেকে চোরাই গরুটি উদ্ধার করে। এ সময় অপর অভিযুক্ত জগন্নাথপুর গ্রামের রাশেদ সরদারের ছেলে মাসুদ সরদার (৪০) পালিয়ে যায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অনিল ঘোষকে গ্রেফতার করে এবং উদ্ধারকৃত গরুটি মালিকের কাছে ফেরত দেয়।
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে চোরাই গরুটি উদ্ধার এবং একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। পলাতক অপর আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আশাশুনিতে বিএনপির সাবেক আহবায়কের নেতৃত্বে সরকারি ইজারাকৃত জলমহল অবৈধভাবে দখলের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা।
মঙ্গলবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ আশাশুনি উপজেলার মৃত করিম শেখের পুত্র নজির উদ্দিন শেখ।

লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে আশাশুনি নাটানা মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি লিঃ যার রেজিঃ নং ১৫ এর সভাপতি সঞ্জয় কুমার মন্ডল এর নামে আশাশুনি উপজেলা কোদন্ডা মৌজার হাড়িয়া নদী জলমহাল ১নং খতিয়ানের ৩২৪ ,৩২৬,৩২৮,৪১১,৪১৯,৫৬৫,৫৬৭ দাগের ৩৫ বিঘা ও একই মৌজার সলুয়া নদীর বাংলাদেশ সরকারের ১ নং খতিয়ানের ৬৭২,২১২২,২২২,২২৬ দাগের ৩২ বিঘা জলমহালটি ইজারা দেয়। পরবর্তীতে আশাশুনি সহকারী কমিশনার ভূমি ,রাশেদ হোসাইন ও উপজেলা জলমহল ব্যবস্থাপনা কমিটি সদস্য সচিব কয়েকটি চুক্তি ও শর্ত অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর নির্দেশনায় ৩ বছর মেয়াদে এজারাকৃত টাকা পরিশোধ করে বাংলা ১৪৩২ সনের পহেলা বৈশাখ হইতে বাংলা ১৪৩৪ সনের ৩০ চৈত্র পর্যন্ত ইজারাকৃত জল মহলটি দখল বুঝিয়ে দেন। সমিতির সভাপতিসহ ২৫ থেকে ২২জন ব্যক্তি ওই জলমহলটিতে মৎস্যচাষ করে ভোগদখল করে আসছিলাম। কিন্তু আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক হেদায়েতুল ইসলামের নেতৃত্বে তার পুত্র বিএনপি নেতা সরোয়ার আলম লিটন, হাফিজুল ইসলাম এর পুত্র জুয়েল, শাহানুর মিস্ত্রি এর পুত্র পলাশ, করিম মোড়ল এর পুত্র মোখলেছুর রহমান, হাবিবুল্লাহ (হাবিল), আজিজ মোড়ল এর পুত্র নুর ইসলাম, সুবাহান সানা এর পুত্র শফিকুল সানা, আরশাদ গাজী এর পুত্র তুহিন গাজীসহ কতিপয় ভূমিদস্যু রা ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বেআইনিভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সলুয়া ও হাড়িয়া নদীর নেট পাটা কেটে ও বাসা ভাঙচুর করা সহ বিভিন্ন প্রজাতের মাছ ধরিয়া লুটপাট করে আনুমানিক ১৫ লক্ষ অধিক টাকার ক্ষতি সাধন করে।

সেখানে থাকা আমাদের লোকজনদের খুন জখমের হুমকি প্রদর্শন করে তাড়িয়ে দিয়ে তারা দখল নেয়। এরপর থেকে উল্লেখিত ব্যক্তিরা প্রতিনিয়ত জাল টানা দিয়ে মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে ২৭ এপ্রিল আশাশুনি থানায় একটি এজাহার জমা দেওয়া হলেও এখনো পর্যন্ত মামলা রেকর্ড না করে তাল বাহানা করে যাচ্ছে পুলিশ। ইতোমধ্যে দুই মাস অতিবাহিত হয়েছে। এদিকে উল্লেখিত ব্যক্তিরা প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার মাছ ধরে বিক্রি করে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরাও জাতীয়তাবাদীদলের আদর্শের রাজনীতির সাথে জড়িত। সরকার বাহাদুরের কাছ থেকে বৈধভাবে ইজারা নিয়ে চাষাবাদ করছিলাম। কিন্তু আমাদের দলেরই কিছু ভুমিদস্যু শ্রেণির ব্যক্তির অবৈধ লোভের কারনে আমরা পথে বসার উপক্রম হয়ে পড়েছি। আমরা ধার দেনা করে জল মহলটি ইজারা নিয়ে মাছ ছেড়েছিলাম। সেখান থেকে কোন মাছ ধরতে পারেনি। ফলে ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। আমাদের সমিতিভুক্ত কয়েকজন অন্ধ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিও রয়েছে। তারা সমিতির পক্ষ থেকে ওই ভূমিদস্যুদের কবল থেকে জল মহলটি উদ্ধার পূর্বক আমাদের উপর হামলা ও মারপিটের তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
উন্নয়ন প্রচেষ্টার উদ্যোগে কলারোয়ায় খামারিদের জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ
নিজস্ব প্রতিনিধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সাতক্ষীরার কলারোয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জলবায়ু বিপন্নতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
সোমবার (৮ জুন) কলারোয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে দিনব্যাপী উন্নয়ন সংস্থা উন্নয়ন প্রচেষ্টা বাস্তবায়িত সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্ট ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট) প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) অর্থায়িত এ কর্মশালায় উপজেলার প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা, খামারি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
প্রশিক্ষণে গবাদিপশু পালন ও দুগ্ধ পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন উৎপাদনের উত্তম চর্চা, জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্কুলার ইকোনমি সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের কারিগরি জ্ঞান ও সক্ষমতা বৃদ্ধির দিকেও গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ সাংবাদিক ও তরুণ সংগঠক মো. হোসেন আলী। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ খাত দিন দিন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশবান্ধব ও জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানে উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্মার্ট প্রকল্পের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশাল অফিসার জাহিদুল ইসলাম এবং এসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল অফিসার শেখ আসিফ রেজা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় খামারি ও উদ্যোক্তারাও প্রশিক্ষণে অংশ নেন।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest