সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভাদেবহাটায় ৬৯৬ বোতল উইনকেরেক্সসহ নারী আটক : দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাসাতক্ষীরায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতপ্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতা সুমনের: অপসাংবাদিকতার চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনফেক ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম আইডি খুলে ছবি বিকৃতি ও ব্ল্যাকমেইলিং সাতক্ষীরায় থানায় জিডিসখিপুরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শিশুদের মাঝে খেলাধুলার পোশাক বিতরণসাতক্ষীরায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের উদ্যোগে সমন্বয় সভাতালায় রেকর্ডীয় জমি উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধনসাতক্ষীরা সদরের লাবসায় ‘পাবলিক হেয়ারিং’অনুষ্ঠিতসাতক্ষীরায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক নিয়ে কল্যাণ ব্যানার্জি’ ফেসবুক আইডির পোস্ট: ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ

সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা পৌরসভার কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরও কার্যকর ও টেকসই করতে ২৫টি মুভেবল স্কিপ বিন ও ৪টি বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান হস্তান্তর করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা পৌরসভা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরঞ্জাম পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক মিস কাওসার আজিজ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
GO4IMPact-রূপান্তরের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কো-অর্ডিনেটর–ক্যাপাসিটি বিল্ডিং মিসেস জোহুরা খাতুন মীরা, কো-অর্ডিনেটর–মনিটরিং, ইভ্যালুয়েশন অ্যান্ড লার্নিং কবিরুল হাসনাত প্রান্তসহ প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, নতুন মুভেবল স্কিপ বিন ও বর্জ্য সংগ্রহ ভ্যান ব্যবহারের মাধ্যমে নির্ধারিত স্থান থেকে বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন আরও সুশৃঙ্খল হবে। এতে অপরিকল্পিতভাবে বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমার পাশাপাশি পৌর এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু সহনশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পানি ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
GO4IMPact প্রকল্পটি রূপান্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে WaterAid Bangladesh ও Swisscontact Bangladesh কনসোর্টিয়াম সহযোগী হিসেবে কাজ করছে এবং Swiss Agency for Development and Cooperation (SDC) প্রকল্পটির অর্থায়ন করছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ইছামতীর পাড়ে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দেবহাটা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার দেবহাটায় ইছামতি নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় উপজেলার কোমরপুর এলাকায় শাখরা-কোমরপুর ব্রিজ সংলগ্ন ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মঈনুল ইসলাম মঈন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটার সহকারী কমিশনার (ভূমি) চৌধুরী আল মাহমুদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমের গুরুত্ব তুলে ধরে জেলা প্রশাসক মো. কাউসার আজিজ বলেন, নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ করা হলে বাঁধের স্থায়িত্ব ও মাটি ধরে রাখার সক্ষমতা বাড়ে। একই সঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্লাবনের ক্ষয়ক্ষতি কমাতেও বৃক্ষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি বলেন, সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির লক্ষ্য বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন কাজ করছে। শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যেক পরিবারকে বাড়ির আঙিনা ও আশপাশের খালি জায়গায় বৃক্ষরোপণ করতে হবে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষায় সবাইকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে জেলা প্রশাসক ও অতিথিরা ইছামতি নদীর বেড়িবাঁধের পাশে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা রোপণ করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শরৎ এলো — নাসির খলিল

পেঁজা তুলোর ওড়না গায়ে
কিশোরী মেঘ দল বাঁধে,
নীল আকাশের আঙিনাতে
পাতালপুরীর সুর সাধে।

কপালেতে নীল টিপ পরা
নীলকণ্ঠ মল বাজে পায়,
ঝুমুর ঝুমুর নৃত্যের তালে
শিশির ছড়ায় শিউলি গায়।

শুভ্র মেঘের সিঁড়ি বেয়ে
নামলো এসে কাশবনে,
জুঁই চামেলি দোলনচাঁপা
গন্ধ বিলায় চনমনে।

মুক্ত হাওয়া মাতলো দেখো
হাজার ফুলের বন্দরে,
ধরার মাঝে শরৎ এলো
পুলক জাগায় অন্তরে।

লেখক : নাসির খলিল, কুমিল্লা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ৪

আশাশুনি প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার আশাশুনিতে থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে বুধবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৃথক পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে এসআই নিতিশ বিশ্বাস, এসআই আনজির হোসেন, এসআই আব্দুর রউফ, নাজিরসহ সঙ্গীয় ফোর্সের সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কল্যাণপুর গ্রামের মৃত মিনহাজ উদ্দিনের ছেলে সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি রফিকুল ইসলাম (৪০), বৈকার ঝুটি গ্রামের মৃত ক্ষতীন্দ্রনাথ ঘোষের ছেলে সন্তোষ কুমার ঘোষ, বাউশুলি গ্রামের মৃত এনায়েত আলী সরদারের ছেলে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবুল হাশেম (কেনা) এবং শ্যামনগর উপজেলার কাশিমারি গ্রামের আব্দুস সবুর গাজীর ছেলে সিআর মামলার আসামি মোঃ শহিদুল ইসলাম (৪৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

এর মধ্যে মোঃ শহিদুল ইসলামকে আশাশুনি উপজেলার বুড়াখরাটি ক্লাব মোড় সংলগ্ন সড়ক থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গ্রেফতারকৃত চার আসামিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আশাশুনি থানার ওসি জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় এক স্কুলেই ১৩ ছাত্রীর বাল্যবিয়ে : প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ

তালা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি সামনে আসার পর তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার নির্দেশে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে তলব করা হয়।

সেখানে হাজির হয়ে অভিভাবকেরা অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের বিয়ের বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে মুচলেকা দিয়ে শিক্ষার্থীদের পুনরায় স্কুলে ফেরত পাঠানো এবং ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বাবার বাড়িতে রাখার অঙ্গীকার নেওয়া হয় পরিবারের পক্ষ থেকে।

সাতক্ষীরা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহার জানান, ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির পাঁচজন এবং দশম শ্রেণির ছয়জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে হওয়ার প্রাথমিক তথ্য মেলে। পরবর্তীতে তদন্তকালে একই বিদ্যালয়ের আরও দুই ছাত্রীর বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হন তারা। পরে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করা হয়। তলব করার পর অভিভাবকেরা জানান, সাতক্ষীরার বাইরে থেকে কাজি বা হুজুর ডেকে গোপনে এসব বিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

সাতক্ষীরা জেলা বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির সদস্য জানান, গত ৩১ আগস্ট তিনি ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে ১১ জন শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ের বিষয়টি জানতে পারেন। পরবর্তীতে শিক্ষকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসক ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণা বলেন, “অভিভাবকদের স্বীকারোক্তির পর শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে নেওয়া এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বাবার বাড়িতে রাখার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এই শিক্ষার্থীদের নিয়মিত খোঁজখবর ও তদারকির জন্য একজন কর্মকর্তাকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এসএসসির খাতা পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ, জিপিএ-৫ পেল ৩০৭৯ শিক্ষার্থী

অনলাইন ডেস্ক : এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার পুনর্নিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফলে নতুন করে জিপিএ-৫ পেল ৩ হাজার ৭৯ জন শিক্ষার্থী। ফেল থেকে পাস করেছে ৪৫৮৫ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ বা গ্রেড পরিবর্তন হয়েছে ২৭ হাজার ৮৩৬ জনের।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে পুনঃনিরীক্ষণসহ মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হয়।

শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে তথ্য দিয়ে ফল সংগ্রহ করতে পারছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সব শিক্ষার্থীকে তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার মূল ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সে হিসাবে মূল ফল প্রকাশের ৩১ দিন পর পুনঃনিরীক্ষণের ফল প্রকাশ করা হলো।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য এবার বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট প্রায় পৌনে ১৩ লাখ খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন শিক্ষার্থীরা।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১ লাখের বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছে। তাদের মধ্যে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে। একজন পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ের উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করতে পারায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তুলনায় আবেদনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে।

গত ১১ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু হয়। ১৭ আগস্ট রাত পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ৪ লাখ ২ হাজার ৫১ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করে।

এর মধ্যে লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৪৫৫টি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষার উত্তরপত্রের জন্য আবেদন করা হয় ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭১টি।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডে ৯৪ হাজার ২৩৬ জন পরীক্ষার্থী লিখিত পরীক্ষার ২ লাখ ৭৭ হাজার ৬৬৫টি এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার ৫৮ হাজার ১২টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে।

এ ছাড়া কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ৩৫ হাজারের বেশি, রাজশাহীতে ৩৯ হাজারের বেশি, যশোরে ২৮ হাজারের বেশি, চট্টগ্রামে ৩৯ হাজারের বেশি, বরিশালে ১৭ হাজারের বেশি, সিলেটে ২০ হাজারের বেশি, দিনাজপুরে ৩৭ হাজারের বেশি এবং ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ২৭ হাজার ৬৭৬ জন পরীক্ষার্থী পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে।

অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪০ হাজারের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাদক ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে: ওসি শাহিন
 দেবহাটা প্রতিনিধি : মাদক ও অনলাইন জুয়ার ভয়াবহ বিস্তার ঠেকাতে শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর না করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এইচ এম শাহিন।
তিনি বলেন, “মাদক ও অনলাইন জুয়া একটি পরিবার, সমাজ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিতে পারে। পুলিশ নিয়মিতভাবে মাদকবিরোধী অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তবে শুধু আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পুলিশের পাশাপাশি জনগণকেও সচেতন হতে হবে এবং মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”
ওসি এইচ এম শাহিন বলেন, বর্তমানে মাদকের পাশাপাশি অনলাইন জুয়াও তরুণ সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সহজে অর্থ উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের জুয়ার দিকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এতে অনেকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। একপর্যায়ে পারিবারিক অশান্তি, ঋণগ্রস্ততা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, “অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা ও অনলাইন কার্যক্রমের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। সন্তান কার সঙ্গে মিশছে, কী ধরনের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করছে—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের খোঁজ রাখতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ সমাজের দায়িত্বশীল সবাইকে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
দেবহাটা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তরুণ ও শিক্ষার্থীদের মাদক থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় দেবহাটায় মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সক্রিয় ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো এলাকায় মাদক কেনাবেচা, সেবন কিংবা অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িত কার্যক্রমের তথ্য পাওয়া গেলে তা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না; এর পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণদের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা এবং সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।
ওসি এইচ এম শাহিন বলেন, “আমরা চাই দেবহাটার প্রতিটি পরিবার মাদকমুক্ত ও নিরাপদ থাকুক। একটি সুন্দর সমাজ গড়তে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অপরিহার্য। সবাই যদি নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেন, তাহলে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিস্তার অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।”
তিনি মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে দেবহাটার সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আহ্বান জানান।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দুটি মামলায় দেবহাটার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়ার বিএনপি কর্মী আব্দুর রউফকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সখীপুর কলেজ মাঠে পায়ে গুলি করে পঙ্গু করে দেওয়া ও ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি সকালে একই উপজেলার দক্ষিণ নাংলা গ্রামের জামায়াত নেতা আনারুল ইসলামকে ঘের থেকে তুলে নিয়ে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত পৃথক দুটি মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ মুজিবর রহমানের জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম বিলাস মণ্ডল এ আদেশ দেন। মোঃ মুজিবর রহমান(৭৫) দেবহাটা উপজেলার সাংবাড়িয়া গ্রামের মাদার আলীর ছেলে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের আব্দুল মাজেদ মোল্লার ছেলে বিএনপি কর্মী আব্দুর রউফকে ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর ভোর সাড়ে তিনটার দিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়ে চোঁখ বেঁধে মারপিট করে পুলিশ ভ্যানে করে সখীপুর কলেজ মাঠে নিয়ে ডান পায়ে দুটি গুলি করে। পরে তার হাঁটু ও হাঁটুর নীচ থেকে কেটে বাদ দিতে হয়। এ ঘটনায় ভিকটিম আব্দুর রউফ ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানকে প্রধান আসামী করে ৪৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৩০ জনকে আসামী করা হয়। আদালতের নির্দেশে ওই সালের পহেলা নভেম্বর মামলাটি রেকর্ড করে দেবহাটা থানা।

অপরদিকে দক্ষিণ নাংলা গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে আনারুল ইসলামকে ২০১৪ সালের ১৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা ঘের থেকে ধাওয়া করে ৪০০ গজ দূরে আটকের পর দুই হাতে হাতকড়া পরিয়ে বাম পায়ের হাঁটুতে গুলি করে পুলিশ ভ্যানে করে তুলে নিয়ে যায়।

স্বজনরা পরদিন সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে আনারুলের লাশ খুঁজে পায়। এ ঘটনায় রাতেই পুলিশ বাদি হয়ে থানায় ১২ নং মামলা করে। ২৭ জানুয়ারি পুলিশ হত্যা ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি চুড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে। তবে ২০২৪ সালের ২২ আগষ্ট নিহতের ভাই রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে সাতক্ষীরা আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি দেবহাটা থানায় রেকর্ড করা হয়। দেবহাটা উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ মুজিবর রহমানসহ ৫৪ জনের নামে উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ১৬ জনকে আসামী করা হয়।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মঈনউদ্দিন জানান, উপরোক্ত মামলা দুটিতে আসামী মুজিবর রহমান হাইকোর্টের বিচারপতি কেএম জাহিদ সরোয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের বেঞ্চ থেকে গত ৮ জুলাই আট সপ্তাহের পৃথক অন্তবর্তীকালিন জামিন পান। একই আদেশে তাকে সোমবারের মধ্যেই সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করতে বলা হয়। সে অনুযায়ি মুজিবর রহমান তার আইনজীবীদের মাধ্যমে সোমবার সাতক্ষীরার ভারপ্রাপ্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। বিচারক বিলাস মণ্ডল শুনানী শেষে তার জামিন আবেদন না’মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আসামীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানীতে অংশ নেন সাতক্ষীরা জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক অ্যাড. মিজানুর রহমান পিন্টু, অ্যাড. অজয় সরকার, অ্যাড. ওসমান গণি প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest