সর্বশেষ সংবাদ-
আইনমন্ত্রীর সাথে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নেতৃত্বের সৌজন্য সাক্ষাৎতালায় বিএনপি নেতার বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট: সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনদেবহাটায় পুলিশের অভিযানে ১০ বোতল কেরেক্সসহ মাদক ব্যবসায়ী আটকজেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ককে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়রানির অভিযোগ: থানায় জিডিসাংবাদিক আলিমের মৃত্যুতে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোকসাংবাদিক শেখ আব্দুল আলিম আর নেইস্মার্ট মেডিকেল সেন্টারে ডাঃ শিহাবের তত্ত্বাবধানে শুরু হলো অত্যাধুনিক লিভারের পরীক্ষা ফাইব্রোস্ক্যানসাতক্ষীরায় পাঁচ দিনে ৭২ ডেঙ্গু রোগী, সচেতনতায় বাড়ি বাড়ি স্বেচ্ছাসেবকবিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাছের পোনা অবমুক্ত

৩ মাস ২৫ দিন পর দেশে ফিরল লেবাননে নিহত শুভ দাসের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিনিধি:

ভাগ্য বদলের আশায় স্বজনদের মুখে হাসি ফোটাতে সুদূর লেবাননে পাড়ি জমিয়েছিলেন তরুণ শুভ দাস। কিন্তু প্রিয় সন্তান আর জীবিত ফিরলেন না; দীর্ঘ ৩ মাস ২৫ দিন পর কফিনবন্দি হয়ে নিথর দেহে ফিরতে হলো তাঁকে।

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর মধ্যে কলারোয়ার শুভ দাসের (২৩) মরদেহ অবশেষে দেশে পৌঁছেছে।

রোববার সকালে মরদেহ তাঁর নিজ গ্রাম কলারোয়া উপজেলার কয়লা ইউনিয়নের শ্রীপতিপুরে পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয়দের কান্নায় বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। নেমে আসে গভীর শোকের ছায়া। শুভ দাস ওই গ্রামের দরিদ্র ভ্যানচালক সুরঞ্জন দাস ও ধানচাতাল শ্রমিক শিখা দাসের মেজো ছেলে। চার ভাই-বোনের মধ্যে শুভকে নিয়েই পরিবারটির ছিল সবচেয়ে বড় আশা।

গত ১২ মে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ জেলার জেবদিন এলাকায় একটি রুটি বহনকারী গাড়িতে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান একই এলাকায় কর্মরত তিন বাংলাদেশি কর্মী—সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শফিকুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলার নাহিদুল ইসলাম নাহিদ এবং কলারোয়ার শুভ দাস।

অন্য দুই প্রবাসীর মরদেহ গত ২৭ জুন দেশে আনা সম্ভব হলেও নানা প্রশাসনিক জটিলতায় শুভ দাসের মরদেহ ফেরানো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। দীর্ঘ তিন মাস ২৫ দিন পর অবশেষে তাঁর মরদেহ নিজ মাতৃভূমিতে আনা হলো।

স্বজনরা জানান, প্রায় তিন বছর আগে পরিবারের অভাব-অনটন দূর করতে জমি ও গবাদিপশু বিক্রি এবং ধারদেনা করে শুভকে লেবাননে পাঠায় তাঁর পরিবার। বাবার ভ্যান চালানোর টানাপোড়েনের সংসার আর মায়ের ধানচাতালের হাড়ভাঙা খাটুনি থেকে মুক্তি দেওয়াই ছিল শুভর একমাত্র লক্ষ্য। কিন্তু ভাগ্য বদলের সেই স্বপ্ন তছনছ করে দিল যুদ্ধবিধ্বস্ত লেবাননের একটি মর্মান্তিক ড্রোন হামলা।

শুভ দাসের মৃত্যুতে শ্রীপতিপুর গ্রামে এখন শুধু কান্নার রোল। ধারদেনা পরিশোধের চিন্তা আর উপার্জনক্ষম একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তাঁর নিঃস্ব পরিবারটি।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম বলেন, লাশ বহনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা এবং যুদ্ধের মারা যাওয়ার কারনে ৫০ হাজার টাকা সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৯৬ বছরের বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে মোঃ ইফাজউদ্দীন (৯৬) নামের এক বাকপ্রতিবন্ধী বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। গত বুধবার ৮ জুলাই সকালে তিনি পরিবারের সকলের অজান্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

নিখোঁজ বৃদ্ধের সন্ধান না পেয়ে তাঁর ছেলে মোঃ আব্দুল আলীম (৪৯) সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং: ৭৪৪, রবিবার ১২ জুলাই ২০২৬ সংক্রান্ত আবেদন করেছেন। জিডি ট্র্যাকিং নম্বর QFBU2D।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ ইফাজউদ্দীন বাকপ্রতিবন্ধী। তাঁর উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট ২ ইঞ্চি, শারীরিক গঠন মাঝারি এবং গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামলা। নিখোঁজের সময় তাঁর পরনে ছিল সবুজ রঙের জামা ও সাদা লুঙ্গি। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আত্মীয়-স্বজন ও সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

থানা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নিখোঁজ বৃদ্ধকে খুঁজে বের করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি উক্ত ব্যক্তির সন্ধান পেয়ে থাকেন, তবে নিকটস্থ থানা অথবা পরিবারের সাথে ০১৭৬৭৪০৫৭৭৯ বা ০১৭২৯৬৬৮১৮৮ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনির মহিষকুড় মৎস সেট সংলগ্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার কাজের উদ্বোধন

০৫ সেপ্টেম্বর আশাশুনি টু ঘোলা সড়কের মহিষকুড়ের সেট সংলগ্ন বাঁশতলা টু মহিষকুড়ের সংযোগের জলাবদ্ধ ও অসহনীয় ভাঙ্গাচুরা রাস্তার সংস্কারের কাজ উদ্বোধন করা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা তাঁতীদল এর সভাপতি হাসান শাহরিয়ার রিপন, ০৭ নং শ্রীউলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুজ্জামান ছোট্টু, আশাশুনি সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন প্রিন্স, বিএনপি নেতা মোঃ আবুল কালাম মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ এবং মহিষকুড় গ্রামের সর্ব সাধারণ।

উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা টু শ্যামনগরের রাস্তায় ৪ লেনের কাজ চলমান থাকায় শ্যামনগর এবং কালীগঞ্জ উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ বাঁশতলা উপর দিয়ে এসে মহিষকুড় হয়ে সাতক্ষীরা টু কোলাঘোলা রাস্তা দিয়ে সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্য চলাচল করে। অর্থাৎ প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে তিন হাজার যান বহন এই সংযোগ সড়ক দিয়ে চলাচল করে। উল্লেখ্য বিভিন্ন সময় দেখা যায় যে, উক্ত যানবাহনের মধ্যে বেশ কিছু ট্রাক, পিকআপ ওভারলোড নিয়ে এ রাস্তা দিয়েই চলাচল করে। যে কারণে রাস্তার ধারণক্ষমতার চেয়েও অধিক ওজন হওয়ায় রাস্তাটা দ্রুত নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। অন্য দিকে এই রাস্তার দুই ধারে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকাও রাস্তা ভাঙ্গার অন্যতম কারণ।
উল্লেখ্য যে, রাস্তার ভাঙাচোরা জায়গাটি মহিষকুড় নিবাসী আবুল কালাম মোল্লার বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায় উনার উদ্যোগে এবং উক্ত মহল্লার সাধারণ জনগণ একত্রিত হয়ে নিজেদের অর্থায়নে ইতিপূর্বে এই রাস্তা সংস্কারক করা হয়েছিলো।
কিন্তু জলাবদ্ধতার কারণে এবং ওভারলোডের যানবাহন অধিকার হারে চলাচল করায় সেই সংস্কারযুক্ত রাস্তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। যার ফলে বিগত কয়েক মাস যাবৎ এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের যানবাহন সহ সাধারণ মানুষ অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করে আসছে।
গত মাস খানেক পূর্বে আবুল কালাম মোল্লা, মালয়েশিয়া প্রবাসী মাসুদুল আলম কাজল মোল্লা বিএনপির জেলা, উপজেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে সাতক্ষীরা সদর ৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্জ কাজী আলাউদ্দিন এর সহযোগিতায় আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং এলজিইডি জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টিগোচর করেন। নেতৃবৃন্দ এবং এলজিইডি প্রকৌশলী ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর সম্মিলিত আন্তরিকতায় রাস্তাটির সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্ভব হয়েছে।
এ সময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে এলজিইডি প্রকৌশলী ও আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আরো বলেন যে, এই রাস্তা দ্রুত স্থায়ীভাবে নির্মাণ করণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং ওভারলোডের যানবাহন যাতে চলতে না পারে। তার জোর দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচন : সভাপতি মনির- সাধারণ সম্পাদক লিটন

শ্যামনগর প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ হয়।
সভাপতি পদে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সমকালের শ্যামনগর প্রতিনিধি ও সহকারী অধ্যাপক সামিউল ইমাম আজম (মনির)। তিনি ৩৩ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক নয়াদিগন্তের শ্যামনগর প্রতিনিধি এস.এম. মোস্তফা কামাল পেয়েছেন ১২ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে ২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি জি.এম. আসাদুজ্জামান (লিটন)। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দৈনিক যুগের বার্তার প্রতিনিধি আনিসুর রহমান সুমন পেয়েছেন ১৮ ভোট।
প্রেসক্লাবের ১১টি পদের মধ্যে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য পদে ভোটগ্রহণ হয়েছে। বাকি আটটি পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিতরা হলেন—সহ-সভাপতি পদে দৈনিক মানবজমিনের শ্যামনগর প্রতিনিধি জাহিদ সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের সংবাদের শ্যামনগর প্রতিনিধি হাজী মুরাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দৈনিক বিডি খবরের শ্যামনগর প্রতিনিধি জি.এম. আব্দুল কাদের, অর্থ সম্পাদক পদে দৈনিক সকালবেলার শ্যামনগর প্রতিনিধি মেহেদী হাসান মারুফ, দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক রানারের শ্যামনগর প্রতিনিধি অনাথ মন্ডল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠের শ্যামনগর প্রতিনিধি আব্দুল আলিম, প্রচার ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে দৈনিক খুলনা অঞ্চলের প্রতিনিধি এস.এম. আলমগীর হায়দার এবং শিক্ষা ও সাহিত্য সম্পাদক পদে দৈনিক দক্ষিণ অঞ্চল প্রতিদিনের শ্যামনগর প্রতিনিধি মো. আরিফুজ্জামান আরিফ।
কার্যকরী সদস্য পদে ভোটের মাধ্যমে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন। দৈনিক জবাবদিহির প্রতিনিধি শেখ সোহরাব হোসেন ২৬ ভোট পেয়ে ১ নম্বর সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯ ভোট পেয়ে দৈনিক অধিকরণ ও প্রতিদিনের কণ্ঠের স্টার রিপোর্টার এম. কামরুজ্জামান ২ নম্বর এবং ১৮ ভোট পেয়ে দৈনিক দিনকালের প্রতিনিধি মো. আলমগীর সিদ্দিক ৩ নম্বর সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইদ মাহমুদ। নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী ও অধ্যাপক জি.এম. মাহাবুব আলম।
ভোটগ্রহণ চলাকালে নির্বাচন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির, শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এ সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচনকে ঘিরে প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হলে নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নির্বাচিত সদস্যদের অভিনন্দন জানান উপস্থিত সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
কার্যকরী সদস্য পদে ভোটের মাধ্যমে তিনজন নির্বাচিত হয়েছেন। দৈনিক জবাবদিহির প্রতিনিধি শেখ সোহরাব হোসেন ২৬ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। দৈনিক অধিকরণ ও প্রতিদিনের কণ্ঠের স্টার রিপোর্টার এম. কামরুজ্জামান ১৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় এবং দৈনিক দিনকালের প্রতিনিধি মো. আলমগীর সিদ্দিক ১৮ ভোট পেয়ে তৃতীয় সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইদ মাহমুদ। নির্বাচন কমিশনার ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী ও অধ্যাপক জি.এম. মাহাবুব আলম।
ভোটগ্রহণ চলাকালে নির্বাচন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মনিরুজ্জামান মনির, শ্যামনগর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আব্দুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন।

এ সময় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ভোটগ্রহণ শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু সাঈদ মাহমুদের উপস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনার কৃষ্ণ নন্দ মুখার্জি ফলাফল ঘোষণা করা হয় এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। পরে উপস্থিত সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সদস্যদের অভিনন্দন জানান।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন: সাতক্ষীরার গাবুরায় লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরায় নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে মুক্তাদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তিকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি খুলনা জেলার পাইকগাছা এলাকার বাসিন্দা।

শুক্রবার বিকেলে শ্যামনগরের নীলডুমুর বিজিবি ক্যাম্পে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত হোসাইন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে গাবুরার লেবুবুনিয়া এলাকার নদী থেকে একদল দুর্বৃত্ত অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে ১৭ বিজিবিকে খবর দেন। সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বালগেট (বালু উত্তোলনের মেশিন) জব্দ করে ক্যাম্পে নিয়ে যান।

১৭ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার আবু সহল আব্দুল্লাহ বলেন, “স্থানীয়দের সংবাদের ওপর ভিত্তি করেই বিজিবি সদস্যরা বালগেটটি আটক করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা অনাদায়ী সম্পন্ন করেন।”

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত হোসাইন জানান, শ্যামনগর উপজেলায় কোনো অনুমোদিত বালুমহাল নেই। অবৈধভাবে নদী থেকে বালু তুলে পরিবেশ ও নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ নষ্ট করার অপরাধে অভিযুক্ত মুক্তাদুল ইসলামকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় জেলে-কৃষকের জীবন-জীবিকার কথা শুনলেন ড. হোসেন জিল্লুর

তালা প্রতিনিধি: জলদস্যুদের হামলা ও হুমকি, খাসজমি বন্দোবস্ত, পানি সংকট এবং নদী-খালের নাব্যতাসহ নানা সমস্যার কথা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের কাছে তুলে ধরেছেন সাতক্ষীরার তালার জেলে, কৃষক, ভূমিহীন, আমচাষি ও মৎস্যচাষিরা।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার গোনালী নলতা, হরিচন্দ্রকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হলরুমে এসব মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা ‘পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার’ (পিপিআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ও ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান মতবিনিময়ে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও সমস্যার কথা শোনেন। জেলে ও মৎস্যজীবীরা নদী ও জলাশয়ের ওপর নির্ভরশীলতা, মাছ ধরতে গিয়ে নিরাপত্তাহীনতা এবং জলদস্যুদের হামলা ও হুমকির কথা তুলে ধরেন।

কৃষক ও আমচাষিরা পানি সংকটসহ কৃষির বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা জানান। ভূমিহীনরা খাসজমি বন্দোবস্তের সমস্যা তুলে ধরেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এলাকার উন্নয়ন ও জীবন-জীবিকার বিভিন্ন বিষয়েও মতামত দেন।
ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, গণতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জবাবদিহিতা। আর জবাবদিহিতা কার্যকর করতে হলে মাঠপর্যায়ের মানুষের কথা শুনে তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তথ্যনির্ভর পরামর্শ তৈরি করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, ‘জেলে পরিবার, ভূমিহীন, কৃষক, মৎস্যচাষি ও আমচাষিদের দুঃখ-দুর্দশার কথা ধারাবাহিকভাবে শুনেছি। এখানকার বড় সমস্যাগুলোর মধ্যে জলদস্যুদের আক্রমণ ও হুমকির বিষয়টি উঠে এসেছে। খাসজমি বন্দোবস্ত নিয়েও সমস্যার কথা শুনেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে না এলে স্থানীয় মানুষের বাস্তব সমস্যাগুলো এতটা কাছ থেকে বোঝা সম্ভব হতো না।’
মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু।
এ সময় ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ এম. হাশেমী, পিপিআরসির সিনিয়র রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট নমিরা শামীম, জেন্ডার স্পেশালিস্ট মাহবুবা হক ও কমিউনিকেশন ম্যানেজার জয়ন্ত কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া তালা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম হায়দার, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ
দেবহাটা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার দেবহাটায় ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং এমএম মেডিকেল সেন্টারের ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সম্মাননা স্মারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার ঈদগাহ বাজারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও অতিথিদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ ইমরানুল হক-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন ময়না, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আর কে বাপ্পা, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান কাজল,
সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম রেজাউল করিম, সমাজসেবক আনারুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, মুফতি মুশাররফ হুসাইন, সহকারী অধ্যাপক ফিরোজ শাহ আলম, সাবেক শিক্ষক আলহাজ্ব এরশাদ আলী মাস্টার, ডাঃ মোঃ রবিউল ইসলাম, ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদেরসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অলিউল ইসলাম ও ফারিহা তৃষা।
এসময় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ৬২টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে তাদের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদেরও সম্মাননা স্মারক দেওয়া হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা মানবিক ও সামাজিক কাজে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
দিনব্যাপী আয়োজনের শেষপর্বে সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বৃষ্টি হলেই খানাখন্দে পানি, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কে চরম দুর্ভোগ : ধীরগতির কাজে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

কে এম রেজাউল করিম দেবহাটা :  সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া থেকে গাজীরহাট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কের উন্নয়নকাজ চলমান থাকলেও ধীরগতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হচ্ছে ছোট-বড় খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতা। এতে সড়কটি অনেকটা চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কুলিয়া থেকে গাজীরহাট পর্যন্ত এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। বর্তমানে সড়কের উন্নয়নকাজ চললেও কাজের গতি খুবই ধীর। ফলে নির্মাণাধীন সড়কে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

বৃষ্টির সময় সড়কের বিভিন্ন অংশে পানি জমে গর্ত ও খানাখন্দ ঢেকে যায়। এতে পথচারী ও যানবাহন চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাতায়াতে চরম অসুবিধা হচ্ছে। সড়কের বেহাল ও পিচ্ছিল অবস্থার কারণে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এলাকাবাসী বলছেন, সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ায় তারা আশায় বুক বেঁধেছিলেন—দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ এবার বুঝি শেষ হবে। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে সেই আশাও এখন অনেকটা হতাশায় পরিণত হয়েছে। কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে এবং কবে তারা স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রাস্তার কাজ হচ্ছে—এটা ভালো কথা। কিন্তু এত ধীরগতিতে কাজ হলে সাধারণ মানুষকে আর কতদিন দুর্ভোগ পোহাতে হবে?” দ্রুতগতিতে কাজ শেষ করে সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান তারা।

স্থানীয়দের মতে, কুলিয়া-গাজীরহাট সড়কটি এলাকার মানুষের যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে রোগী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। তাই কাজের ধীরগতি অব্যাহত থাকলে দুর্ভোগ আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের মান ঠিক রেখে দ্রুতগতিতে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি বৃষ্টির পানি যাতে সড়কে জমে না থাকে, সে জন্য কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাও নিশ্চিত করা জরুরি।

দেবহাটাবাসীর এখন একটাই প্রশ্ন—কুলিয়া থেকে গাজীরহাট সড়কের এই ভোগান্তি থেকে তারা কবে মুক্তি পাবেন?
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে কাজের গতি বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করবেন, যাতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান ঘটে এবং নিরাপদে চলাচল করতে পারেন সাধারণ মানুষ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest