সর্বশেষ সংবাদ-
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোগে দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণদেবহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দফের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি সেঁজুতিআসুন মিলেমিশে দেশের জন্য কাজ করি: প্রধানমন্ত্রীসাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উচ্চমান সহকারী রাকেশের বিরুদ্ধে খুলনায় তদন্ত সোমবারদেবহাটায় প্রবাসী নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার অতিবর্ষণে জেলার ৩৮টি প্রাইমারি স্কুল বন্ধহাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৮৬স্কুল-কলেজে সিসিটিভি ও অনলাইন নজরদারি, মাউশির জরুরি নির্দেশনাশেষের ঝড়ে আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে, প্রতিপক্ষ সেখানে ইংল্যান্ড

শ্যামনগরে বিজিবি সদস্যের বাড়িতে চুরি: র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার আসামির জন্য রাজনৈতিক তদবির!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভার কাঁচড়াহাটি এলাকায় এক বিজিবি সদস্যের বসতবাড়িতে চুরি মামলায় সন্দেহভাজন এক আসামিকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।

মামলা তদন্তের একপর্যায়ে গত ৩০ জুন সাতক্ষীরা শহরের বড়বাজার এলাকা থেকে শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শাহামীম সিকদারকে সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করে র‍্যাব-৬। পরে তাকে শ্যামনগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। থানাপুলিশ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। আদালত সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। বর্তমানে শাহামীম সিকদার শ্যামনগর থানায় রিমান্ডে রয়েছেন।

এদিকে, চুরির ঘটনায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে রিমান্ডে থাকা শাহামীম সিকদারকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য বিভিন্ন মহল থেকে তদবির চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

তাদের দাবি, ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সন্দেহভাজন আসামির পক্ষে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। এর ফলে মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, মামলাটির গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। তাই তারা কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের ঊর্ধ্বে থেকে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান নূর বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। আদালতের নির্দেশে সন্দেহভাজন আসামিকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তে কোনো ধরনের প্রভাব বা তদবিরের সুযোগ নেই। তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মামলার বাদী বিজিবি সদস্য জি.এম. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, গত ৩১ মে তিনি স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা কালিগঞ্জে তার বোনের বাড়িতে বেড়াতে যান। পরিবারের অনুপস্থিতির সুযোগে ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্বৃত্তরা বাড়ির মূল ফটক ও ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে।

চোরেরা শয়নকক্ষের আলমারি ভেঙে প্রায় ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি হওয়া স্বর্ণালঙ্কারের মধ্যে ছিল একটি নেকলেস, দুটি রুলি, এক জোড়া কানের দুল, এক জোড়া রিং দুল, একটি স্বর্ণের আংটি, একটি স্বর্ণের চেইন এবং পাঁচটি নাকফুল।

এ ছাড়া আলমারিতে রাখা দুটি প্লাস্টিকের পাত্র থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ড্রয়ার থেকে ২১ হাজার ৩০০ টাকা নগদ অর্থ, জনতা ব্যাংকের একটি এটিএম কার্ডসহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীও চুরি হয়।

রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যরা চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা করা হলেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বাড়িতে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরায় ঘটনার কিছু ফুটেজ ধারণ হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এ ঘটনায় গত ৩ জুন মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে শ্যামনগর থানায় অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এনসিপির সমাবেশে হামলা নিয়ে নাহিদের বক্তব্য রাজনৈতিক: ডা. জাহেদ

অনলাইন ডেস্ক :  সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে বোমা হামলার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। সরকার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

একই সঙ্গে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দলটির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামের মন্তব্যকে ‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ‘‘গতকালের ঘটনাটা খুবই দুঃখজনক। আমরা এটার প্রতিবাদ জানাই। সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে যারা এটার সঙ্গে জড়িত সেই তদন্ত করা, তাদেরকে ধরা। নাহিদ ইসলামের বক্তব্য সম্পর্কে আমি এটুকু বলব যে রাজনৈতিক বক্তব্য বলে এক ধরনের কথা প্রচলিত আছে, সেই রাজনৈতিক বক্তব্য তিনি দিয়েছেন। সেটা তার অধিকারও আছে, তিনি সেটা বলতে পারেন। এমন ঘটনায় সরকারের দায়িত্ব হলো নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা। একই সঙ্গে আমরা একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের মুখ থেকে, যিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন আমাদের গণঅভ্যুত্থানে-আরেকটু দায়িত্বশীল মন্তব্য…(আশা করি)।’’

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘‘সরকার তদন্ত করবে। ঘটনা তো এখন ২৪ ঘণ্টাও যায়নি। সবসময় যে খুব দ্রুত কাজটা করে ফেলা যাবে তা না। সরকার অবশ্যই অ্যারেস্ট করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে এবং দ্রুতই আমরা আশা করি করবে। একটা প্রসেস আছে, তদন্ত আছে, নানান রকমভাবে সেই চেষ্টা হবে। সরকার করছে না কিনা সেটা দেখার ব্যাপার আছে।’’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘‘একটা রাষ্ট্র বা সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পরও কখনো অঘটন ঘটতে পারে। সরকার সেটাকে কগনিজেন্সে সিরিয়াসলি নিচ্ছে কিনা, ব্যবস্থা নিচ্ছে কিনা সেটা জরুরি ব্যাপার। এ সরকার নিচ্ছে, আমি আপনাকে এটা কনফার্ম করতে পারছি।’’

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা বিগত সরকারের আমলে অর্থ পাচার, বিদ্যুৎ খাতে অনিয়ম এবং এসব ঘটনায় বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়েও প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। এটি প্রমাণ করে সরকার আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এগোচ্ছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘বিদ্যুৎ ও কুইক রেন্টালসহ বিভিন্ন খাতে যে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর অনেকটাই তৎকালীন আইনি কাঠামোর ভেতরে করা হয়েছিল। সে সময় এমন আইন করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সুবিধা পেয়েছে।’’

ডা. জাহেদ বলেন, ‘‘পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা আন্তর্জাতিকভাবে অত্যন্ত জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এ জন্য সময় লাগবে। তবে সরকার একদিকে পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ভবিষ্যতে যাতে অর্থ পাচার না হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’’

জুলাই আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তি এবং কিছু সাংবাদিকের বক্তব্যের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘জুলাই নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তার ব্যক্তিগতভাবেও তা কষ্ট দেয়। তবে বর্তমানে এ ধরনের মন্তব্যকে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে কোনো আইনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’’

তিনি বলেন, ‘‘জুলাই নিয়ে কটূক্তিকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে কি না, সে বিষয়ে সমাজে বিস্তৃত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। আলোচনার ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। বর্তমানে যেহেতু এ ধরনের বক্তব্যকে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি, তাই কেবল এ কারণে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই।’’

সরকারের অবস্থান তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘‘বর্তমান সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। অতীতের সরকারের মতো ভিন্নমত দমনে বলপ্রয়োগের পথে বর্তমান সরকার হাঁটতে চায় না।’’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ

তালা প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার তালায় উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে “নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ নিরোধ, মানবপাচার প্রতিরোধ, আত্মহত্যা রোধ, মাদকাসক্তি প্রতিরোধ ও লিগ্যাল এইড প্রাপ্তি” বিষয়ক নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকালে তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।

তালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল আফরোজ স্বর্ণার সভাপতিত্বে এবং জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাজমুন নাহারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তালা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাহাত খান, তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন এবং তালা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক।

বক্তারা বলেন, সমাজে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবারে নারীরা শুধু পুরুষের নয়, অনেক ক্ষেত্রে নারীদের দ্বারাও নির্যাতনের শিকার হন। তাই নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে নারী-পুরুষ উভয়কেই সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তারা আরও বলেন, পরিবার থেকেই সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ছেলে ও মেয়ে উভয়কেই সুশাসন ও পারিবারিক মূল্যবোধের মধ্যে বড় করে তুলতে হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের অপরাধ, হয়রানি বা অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে অনেক অভিভাবক অল্প বয়সী ছেলে-মেয়েদের মোবাইল ফোন ও মোটরসাইকেল কিনে দিলেও তাদের যথাযথ তদারকি করেন না। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনা, কিশোর অপরাধ এবং বাল্যবিবাহসহ নানা সামাজিক সমস্যা বাড়ছে। এসব প্রবণতা রোধে পরিবার, সমাজ ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নারী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক এবং সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গাবুরায় ভেড়িবাঁধের ওপর অবৈধ ভাবে বসানো নাইনটি পাইপ অপসারণ

শ্যামনগর প্রতিনিধি :  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরাকে ঘিরে থাকা ১৫ নং পোল্ডারের আওতাধীন উপকুল রক্ষা বাঁধ থেকে ১২টি নাইনটি অপসারণ করেছে প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের চকবারা, ডুমুরিয়া, চাদনীমুখা ও ৯ নং সোরা এলাকার বাঁধ হতে থেকে এসব নাইনটি অপসারণ করা হয়।

চিংড়িঘেরে নদীর লবন পানি সরবরাহের জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরা সম্প্রতি উপরিভাগের ব্লক সরিয়ে বাঁধ কেটে ও ছিদ্র করে পাইপের সাহায্যে সেখানে এসব নাইনটি স্থাপন করেছিল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাশেদ হোসাইন, অফিসার ইনচার্জ সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ইউপি চেয়ারম্যান মাসুদুল আলম বেড়ীভাধের উপরে অবৈধ নাইন্টি পাইপ অপসারণ শুরু করেন। তিনি বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষায় সরকারের মেগা প্রকল্পের আওতায় নির্মিত টেকসই ভেড়িবাঁধের ওপর দিয়ে কিছু মৎস্যঘের মালিক অবৈধভাবে ‘নাইনটি’ পাইপ স্থাপন করে আসছিলেন। এর ফলে কোটি কোটি

এদিকে, পাউবো’র উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী ইমরান সরদারের ভাষ্য এখনো পর্যন্ত গাবুরার চারপাশে টেকসই বাঁধ নির্মান কাজ শেষ হয়নি। অনেকে নৌকা আটকানোর জন্য খুঁটি স্থাপনের পাশাপাশি কয়েকজন রীতিমত নির্মানাধীন বাঁধ কেটে পাইপের সাহায্যে নাইনটি স্থাপন করেছে। বাঁধের ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নিজে থেকে নাইনটিগুলো অপসারণে নির্দেশনা দেয়া সত্ত্বেও স্থানীয়রা তাতে কর্নপাত করেনি। বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে বাঁধের জন্য ক্ষতিকর নাইনটি গুলো অপসারণ করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান, টেকসই বাঁধ নির্মাণের অংশ হিসেবে এক হাজার ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে গাবুরার চারপাশজুড়ে পুনর্বাসন প্রকল্প চলমান। বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি সদ্য নির্মিত বাঁধের উপরের ব্লক সরিয়ে মাটি কেটে পাইপ স্থাপনের মাধ্যমে নাইনটি তৈরি করেছে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিভিন্ন অংশের বাঁধ হতে ১০টিরও বেশী নাইনটি অপসারণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে কেউ বাঁধের ক্ষতির চেষ্টা করলে আইনের আওতায় আনা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার ও শ্রমিক ইউনিয়নে অবৈধ হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, নারিকেলতলা (রেজি. নং-খুলনা ৭৬৪)-এর সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারের ‘অবৈধ’ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার এবং শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপর উপদেষ্টাদের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে সাতক্ষীরা জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল।

সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬) বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের সঙ্গীতা মোড়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় এজিএস ও সাতক্ষীরা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক সিকদার, তালা উপজেলা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব সামিরুল ইসলাম মিলন, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সেক্রেটারি মো. মজনু সরদার এবং সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিক ইউনিয়নের গঠনতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে নির্বাচিত সেক্রেটারি মো. মজনু সরদারকে অবৈধভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কার্যক্রমে উপদেষ্টাদের অযাচিত ও অবৈধ হস্তক্ষেপের কারণে ইউনিয়নের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলেও তারা দাবি করেন।

তারা অবিলম্বে মজনু সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নিশ্চিত করা এবং উপদেষ্টাদের সব ধরনের হস্তক্ষেপ বন্ধের দাবি জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি শেখ মিলন হোসেন, ইব্রাহিম খলিল টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়ারাজ আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম মনি,পৌর শ্রমিক দলের রেজাউল ইসলাম রেজা, সাতক্ষীরা জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরি, ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান (ভিআইপি) শ্রমিক ইউনিয়নের সহ-সভাপতি শাহজান আলী, সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, জেলা ইমারত শ্রমিক দলের সভাপতি তফুর আলীসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬

নিজস্ব প্রতিনিধি  : সাতক্ষীরায় ৫৪২ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬-এর সিপিসি-১, সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার হাড়দ্দাহ এলাকার আব্দুল মাজেদের পুত্র আসাদুল মোড়ল (৪৫) ও ইয়ার আলী মোল্যার পুত্র রুহুল আমিন মোল্লা (৩৯)।

র‍্যাব জানায়, অভিযানে ৪৫৪ বোতল উইনকেরিক্স ও ৮৮ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মোট ৫৪২ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দতালিকা প্রস্তুত করে মাদকগুলো জব্দ করা হয়।

র‍্যাব-৬-এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মুহাম্মদ যিয়াদ বলেন, গ্রেফতার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ফেনসিডিলসহ তাদের সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।##

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দেবহাটার পারুলিয়ায় মৎস্য ঘেরে ডাকাতিতে বাধা : মৎস্য চাষীকে কুপিয়ে জখম

দেবহাটা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের ঘুরনচন্ডি এলাকায় একটি মৎস্য ঘেরে ডাকাতির ঘটনায় বাধা দিতে গিয়ে ইয়াদিন আলী মোল্যা নামে এক মৎস্য চাষী গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার দিবাগত ভোর রাতে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ইয়াদিন আলী মোল্যা দক্ষিণ পারুলিয়া গ্রামের মৃত সামসুদ্দিন মোল্যার ছেলে। এ ঘটনায় তার ছেলে গোলাম আইয়ুব আজম বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে দেবহাটা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ইয়াদিন আলী নিজের মৎস্য ঘেরে পাহারায় ছিলেন। ভোর রাত আনুমানিক ৪টার দিকে পারুলিয়া পলগাদা এলাকার শফিকুল ইসলামের দুই ছেলে মোহাম্মদ আলী ও ওমর আলী এবং একই এলাকার পুটুর ছেলে লাদেন সংঘবদ্ধভাবে ঘেরে নেমে আটল থেকে মাছ তুলে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ইয়াদিন আলী তাদের বাধা দিলে হামলাকারীরা তার ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
তার চিৎকারে আশপাশের ঘেরের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয় মৎস্য চাষী খায়রুল ইসলাম, মাসুদ রানা ও ওহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন জানান, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিভিন্ন মৎস্য ঘেরে প্রবেশ করে মাছ লুট করে নিয়ে যায়। অস্ত্রের মুখে তারা কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেন না। ফলে দীর্ঘদিন ধরে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
এ বিষয়ে দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল আলিম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তালায় শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচারের অভিযোগ

সাতক্ষীরার তালায় স্ত্রীকে শ^াসরোধ করে হত্যার ঘটনা আত্মহত্যা বলে প্রচার চালিয়েছে ঘাতক স্বামী ও তার সহযোগীরা। এ হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে নিহতের মাতা রোজিনা খাতুন।
রোববার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে কলারোয়া রাজপুর গ্রামের গফুর সরদারের কন্যা রোজিনা খাতুনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার ভাই আকবর আলী।
তিনি বলেন, আমার বড় কন্যা আশা আক্তার(১৯) এর সাথে তালা উপজেলার আলাদীপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে রিয়াদ খাঁ (২৩) এর সাথে অনুমান ২০২৫ সালের শেষের দিকে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে রিয়াদ খাঁ বিভিন্ন সময়ে যৌতুকের দাবিতে আমার কন্যা উপর অমানুষিক নির্যাতন করতে থাকে। সে সময় আমার নগদ ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল দাবি করে আসছিল। এ নিয়েই বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং রিয়াদ খাঁ, তার মাতা নাহার খাঁ, পিতা- আইয়ুব আলী খাঁ আমার কন্যা আশার উপর অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একপর্যায়ে গত ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ৯ তারিখে যশোরে বসবাসরত চাচাতো ভাই আমাদের ফোন করে জানান আমার কন্যা আত্মহত্যা করেছে। জামাতার বাড়ি থেকে কেউ কোন খবর আমাদের দেয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে গিয়ে জানতে কন্যার লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তখনই আমাদের সন্দেহ হলেও থানা পুলিশ এবং জেলা সমবায় কর্মকর্তা সোহরাবের কারনে তালা থানায় তড়িঘড়ি করে একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়। যার কিছুই আমার বুঝতে পারেনি। অথচ আসামীরা হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়। তারপরও থানার এস আই জিয়াদ জোরপূর্বক আমার স্বামীর কাছ থেকে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।

ঘটনার পরের দিন আমরা নানাভাবে খবর নিয়ে জানতে পারি রিয়াদ খাঁর অন্য মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেটা আমার কন্যা জানতে পারে আপত্তি করার কারনেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। এটা বুঝতে পারার পর প্রমান জোগাড় করা জন্য সমবায় কর্মকর্তা সোহরবারে সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে আমার ভাই আকবর আলী। কথাবার্তার একপর্যায়ে সোহরাব বলেন “রিয়াদ ভালো ছেলে না, তার অন্য মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এবং রিয়াদের মাতা নাহারও সুবিধাজনক না, সে বিদেশে থাকত, সেখান থেকে এসে বড় বড় সন্তান রেখে অন্যত্র বিবাহও করেছে”। এখান থেকেই স্পষ্ট যে রিয়াদ তার অবৈধ প্রেমের কারনেই আমার কন্যাকে হত্যা করেছে। এরপর এবিষয়ে থানা হত্যা মামলা করতে গেলে থানা ওসি শহিদুল ইসলাম হাওলাদার মামলা না দিয়ে তাড়িয়ে দিয়ে বলে আদালতে যাও। উপায়ন্ত হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করলে আদালত ইউডি মামলার কপি চেয়ে থানাকে নির্দেশ দিলেও থানা দীর্ঘ ৫মাস ধরে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেন। এরপর আদালত মামলাটির তদন্তের জন্য ডিবি পুলিশের উপর দায়িত্ব দিয়েছেন।

আমরা ধারনা করছি সোহরাব থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে আমার কন্যা হত্যার বিষয়টি আত্মহত্যা বলে চালাচ্ছে। ডিবিপুলিশকেও সে ম্যানেজ করতে পারে। তিনি একজন সন্তান হারা মা হিসেবে সন্তানের হত্যার প্রকৃত ঘটনা উৎঘটন এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তবে এবিষয়ে সমবায় কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন। আমি সাতক্ষীরা শহরে বসবাস করি। ওই ঘটনার সাথে জড়িত না। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest