সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

বিয়ে পাকাপাকি, আঙুলে হীরার আংটি!

বিনোদন সংবাদ: ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সেলিব্রেটিদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবি পোস্ট দিয়েছেন। অনেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। তবে যে ছবিটি এখন অনলাইনে ঘুরছে বেশি, ভক্তরা যে ছবির অপেক্ষায় ছিলেন, সেটি দিয়েছেন বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাভিনা ট্যান্ডন। কেন?

বলিউড তারকা প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সংগীত তারকা নিক জোনাস বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন, এ খবর সবার জানা। কিছুদিন আগে বাগদান সেরেছেন, এমন খবরও গণমাধ্যমগুলোতে এসেছে। বিয়ের আংটি নিয়ে বেশ লুকোচুরি করেছেন প্রিয়াঙ্কা। পাপারাজ্জিদের দেখে না কি একবার আঙুল থেকে খুলেও ফেলেছিলেন। সবার নজর তো ওই আংটির দিকেই ছিল। তাই, এবার আর লুকোছাপা হলো না তাঁর!

রাভিনা ট্যান্ডন ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছেন, যেখানে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া তাঁকে জড়িয়ে ধরে আছেন। পরস্পরকে চুমুর ভঙ্গিও আছে। আর বাম হাতে প্রিয়াঙ্কার জ্বলজ্বল করছে হীরার আংটি। এ আংটি নিকের সাথে বাগদানের। পাকাপাকি সম্পর্কের।

এবার তাহলে পাপারাজ্জিরা নিশ্চয়ই বলতে পারবেন : হ্যাঁ, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া আনুষ্ঠানিকভাবে নিক জোনাসের সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন করেছেন!

কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, এয়ারপোর্ট থেকে নামার পর প্রিয়াঙ্কা আংটি খুলে ফেলছেন।

সূত্র নিশ্চিত করেছে, এই হীরার আংটিটি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ‘তিফানিস’ থেকে কেনা। এটা বিশেষ অর্ডারে তৈরি করা হয়েছে। সূত্র বলছে, এই আংটির মূল্য ৫০ হাজার ডলার। আর এ হীরার একেবারেই খাঁটি। কর্মকর্তা বা বিক্রয়কর্মীরা মুখ খোলেননি অবশ্য। সূত্র বলছে, নিক জোনাস যখন আংটিটি কিনতে গিয়েছিলেন, তখন ওই শোরুমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পিপল ম্যাগাজিনকে ওই সূত্র বলেছে, নিক জোনাস যখন প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার জন্য হীরার আংটি কিনতে যান, তখন তিনি তিফানি অ্যান্ড কোম্পানির দোকানটি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছিলেন।

কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে নিক জোনাস সন্তান নেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়ে বলেছিলেন, ‘একটি পরিবার পাওয়াই আমার লক্ষ্য।’ কিন্তু ‘আমি নিশ্চিত করে সময়টা বলে দিতে পারি না।’

তবে গত সপ্তাহে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ব্যক্তিগত বিষয়ে যেকোনো কথাই এড়াতে চান বলে জানান। বলেন, ‘আমার সমস্ত জীবন, আমার ব্যক্তিগত জীবন জনসমক্ষে বলার জন্য নয়। জীবনের ৯০ শতাংশ জনসমক্ষে জানানোর মতো হলেও ১০ শতাংশ একান্তই আমার।’

এ কারণেই হয়তো তিনি দামি হীরার আংটিটিও লুকাতে চেয়েছিলেন। তবে রাভিনা ট্যান্ডনের বদৌলতে ভক্তরা সেই হীরার আংটির সন্ধান পেলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
দীপিকা-রণবীরের বিয়ের তারিখ নির্ধারণ!

বিনোদন সংবাদ: রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন বিয়ে করতে চলেছেন এমন গুঞ্জন বলিউডে অনেক দিন ধরেই। পাত্র-পাত্রীর কেউই স্পষ্ট করে কিছু বলছিলেন না। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় দু’জনের গতিবিধি দেখলে বোঝা যাচ্ছে, গুঞ্জন সত্যি।

১০ না ২০, নভেম্বরের কত তারিখে চার হাত এক হবে? এই প্রশ্নই এখন বিটাউনের চর্চার বিষয়। সর্বশেষ খবর হলো, ২০ নভেম্বর সম্ভবত সাত পাকে বাঁধা পড়বেন ‘দীপ-বীর’।

বলিউডপাড়ার সবচেয়ে আবেদনময়ী এ যুগলের আসন্ন বিবাহবন্ধনের খবর শিরোনাম হচ্ছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কেউ কেউ বলছেন, মধুচন্দ্রিমার জন্য তাঁরা বিভিন্ন লোকেশনও নির্ধারণ করে রেখেছেন।

স্থানীয় একটি পত্রিকার দাবি, ইতালির লেক কোমোতে বিয়ের অনুষ্ঠান হবে। অতিথি তালিকা ইতোমধ্যেই তৈরি হয়ে গেছে। আত্মীয় এবং নিকট বন্ধু মিলিয়ে ৩০ জনের বেশি তালিকায় রাখা হচ্ছে না।

শোনা যাচ্ছে, বিয়ে সেরে ভারতে ফিরে রাজকীয় রিসেপশন দেবেন তারা। এখন মিডিয়ার নজর নিমন্ত্রিতের তালিকায় কারা কারা থাকবেন, তা নিয়ে। দু’জনের প্রাক্তনদের কি দেখা যাবে সেই তালিকায়?

এর আগে বিরাট এবং অনুশকা শর্মার বিয়ে ইতালিতে আয়োজিত হয়েছিল। অনেকটা সেই ধাঁচেই বিয়ের আয়োজন করছেন তারা। এই সব জল্পনা নিয়ে দীপিকা বা রণবীরের পরিবার মুখ খোলেনি।

কিন্তু ইতোমধ্যে বর্ষীয়ান অভিনেতা কবির বেদি ট্যুইটারে ‘দীপ-বীর’কে আগাম অভিনন্দন জানিয়ে দিয়েছেন।

তিনি লিখেছেন, সেরা দম্পতি! সেরা জায়গা ইতালি! সেরা অনুষ্ঠান! রণবীর এবং দীপিকাকে বিয়ের আগাম শুভেচ্ছা। তাদের জীবন সুখে কাটুক।

গত জুন মাসে শোনা গিয়েছিল, ১০ নভেম্বর বিয়ে করবেন রণবীর-দীপিকা। কারণ দীপিকাকে তার বোনের সাথে বিয়ের জন্য শপিং করতে দেখা গেছে।

ফিল্মফেয়ার পোর্টালকে একটি সূত্র বলেছে, ‘এটা রণবীর ও দীপিকার বিশেষ দিন, সে কারণে তারা চান ওইদিন বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের খুব কাছের মানুষ থাকুক। তাদের পরিবার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা থাকবেন। ইতালি এ জুটির খুব প্রিয় স্থান, আর তাদের ব্যক্তিগত বড় দিনটির জন্য ওই দেশকেই বেছে নিয়েছেন।’

২০১৩ সালে তারকা পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির রামলীলা ছবিতে কাজের সময় রণবীর-দীপিকার প্রেমের গল্প শুরু হয়। রুপালি পর্দায় তাদের প্রেমকাহিনী দর্শক সানন্দে গ্রহণ করেছিলেন। ভক্তরা চেয়েছিলেন বাস্তবেও এ জুটির পরিণয় হোক।

ভক্তদের এই ইচ্ছাই গুঞ্জনে জল ঢেলেছে বারবার। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ জুটির পারস্পরিক ক্রিয়াকাণ্ড মাতিয়ে রেখেছে ভক্তদের। আর ভক্তরাও অপেক্ষা করছেন বিয়ের পিঁড়িতে বসার দিনটির জন্য।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পপি কি আমিন খানকে বিয়ে করলেন?

বিনোদন সংবাদ: ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় মুখ চিত্রনায়ক আমিন খান ও লাস্যময়ী নায়িকা পপির প্রেম নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি মিডিয়া পাড়ায়। লুকোচুরির খোলস ভেঙে একটা সময় তারা নিজেরাই ঘোষণা দিয়েছিলেন একে অপরকে ভালবাসেন। তারপর অপেক্ষা ছিলো কেবল বিয়ের। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই সম্পর্কে ফাটল ধরে। একসাথে ছবি করা দূরে থাকে, কেউ কারো ছায়াও মারাতেন না তখন। তারপর অনেক জল গড়িয়েছে।

আসল কথা হলো সম্প্রতি মান ভেঙেছে দুই তারকার। আবারো তারা একসঙ্গে ছবি করছেন। প্রেমও নাকি করছেন ছুটিয়ে। নতুন করে জোড়া লাগা সেই সম্পর্ক মিডিয়া উস্কে দিয়েছে একটি ছবিতে। সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে আমিন খান ও পপির বিয়ের ছবি। তাই দেখে সবাই ভাবছেন- লুকিয়ে বুঝি বিয়েটাই সেরে ফেললেন ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই জুটি। কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেল এ ছবি সত্যিকারের বিয়ের নয়। তারা ‘সাহসী যোদ্ধা’ নামে একটি চলচ্চিত্রে কাজ করছেন। সেখানেই এই সাজ।

‘সাহসী যোদ্ধা’র নির্মাতা সাদেক সিদ্দিকী বলেন, ‘মাঝে মাঝে আমি নাটকও নির্মাণ করি। নাটক নির্মাণের ক্ষেত্রে হাতে সময় থাকে দু’দিন কিংবা বেশি হলে তিনদিন। কিন্তু সেই আমি যখন চলচ্চিত্র নির্মাণ করি তখন যথেষ্ট সময় নিয়ে ভালোভাবে কাজটা শেষ করার চেষ্টা করি। কারণ চলচ্চিত্র বিশাল ক্যানভাসের বিষয়। খুব ছোট ছোট ভুলগুলোও বড় হয়ে চোখের সামনে ধরা দেয়। তা যেন না হয়।’

পপি বলেন, ‘সাহসী যোদ্ধা’ শেষ হতে যাচ্ছে, এটাই অনেক আনন্দের বিষয়। মাঝে যে জটিলতা তৈরি হয়েছিলো তা আর নেই এখন। ধন্যবাদ সাদেক সিদ্দিকী ভাইকে আন্তরিকতা নিয়ে সিনেমাটি শেষ করার উদ্যোগ নেবার জন্য। একটি সিনেমা একজন শিল্পী হিসেবে আমাদের একেকটি স্বপ্নপূরণের গল্পের মতো। ‘সাহসী যোদ্ধা’ ঠিক তেমনি একটি স্বপ্নপূরণের গল্পের মতো। আমি খুব আশাবাদী সিনেমাটি নিয়ে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মা-বোনকে বেঁধে রেখে শিশুকে ধর্ষণ, শিশুর মৃত্যু

দেশের খবর: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ধর্ষনের শিকার হয়ে ১১ বছর বয়সের কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশুটি মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। মা-মেয়ে দুজনেই ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে। উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের সেরাজপুর গ্রামে মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এমন অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এ ঘটনার ব্যাপারে পুলিশ কিছুই বলতে পারেনি।

মারা যাওয়া শিশুটির চাচা মোঃ ইউসুফ ঘরামী জানান, মঙ্গলবার রাত সাড়ে আটটার সময় চারজন মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাঁর ভাইয়ের ঘরে অতর্কিতে এসে এমন পাশবিকতা চালিয়ে গেছে। ঘটনার সময় বাড়িতে তার ভাইসহ কোনো পুরুষ সদস্য ছিল না। দুর্বৃত্তরা চলে যাওয়ার পর তার ভাইয়ের স্ত্রী দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে ডাক-চিৎকার দিলে আশেপাশের বাড়ির বাসিন্দারা ছুটে আসে। এ সময় ধর্ষিতা শিশুটিকে ঘরটির দোতলায় বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া যায়। তবে তার কোনো জ্ঞান ছিল না। তার শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। মেয়েটির মা তখন চিৎকার করে সকলকে জানায়, তার দুই মেয়ের আরেকজনকে ওরা বেঁধে রেখেছে!

স্থানীয়রা ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে আমার ভাইয়ের স্ত্রীর কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পেরেছি।

সেরাজপুর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, দুর্বৃত্তরা সংখ্যায় চারজন ছিল। মুখ বেঁধে এরা বাড়িতে প্রবেশ করে। দুর্বৃত্তদের দ্বারা মা-মেয়ে দুজনেই ধর্ষনের শিকার হয়েছে। উপুর্যপরি ধর্ষনের কারণে হয়তো শিশুটি মারা গেছে।

শিশুটির ফুপু পারভীন আক্তার জানায়, দুর্বৃত্তরা ঘরে ঢুকেই ছোট বাচ্চা দুইটার মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়। তারপর অত্যাচার করেছে। মেয়েটি ধর্ষনের শিকার হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।

কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের চিকিৎসক মো. আরিফুর রহমান ধর্ষনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, শিশুটি হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। তবে শরীরে ক্ষতের চিহ্ন দেখা গেছে। শিশুটি কী কারণে মারা গেছে তা ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন না দেখে বলা যাবে না।

সেরাজপুর গ্রামের ইউপি সদস্য মো. মামুন হাওলাদার বলেন, আমি হাসপাতালে গিয়ে শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখেছি। তবে তার শরীরের গোপনাঙ্গ থেকে তখনও রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

মহিপুর কো-অপারেটিভ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুস ছালাম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, এ অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিতে হবে। সেই সঙ্গে আমরা এ নির্মমতার সুষ্ঠু বিচার চাই।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে তা স্পষ্ট নয়। তা ছাড়া শিশুটি ধর্ষনের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে কী না তা এখনই বলা যাবে না। আমরা শিশুটির মৃতদেহের ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করেছি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলা যাবে। কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা চিহ্নিত করা যায়নি বলে তিনি জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে; স্কুলছাত্রীসহ নিহত ৩

দেশের খবর: রাজশাহী থেকে নওগাঁগামী এ্যারো বেঙ্গল পরিবহণের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ায় এক স্কুলছাত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, নগরীর শাহ্ মখদুম থানার মোড়ের মোটরসাইকেল আরোহী ইসমাইল হোসেন পিঙ্কু (২৪) ও সবুজ ইসলাম (৩২) এবং নগরীর শাহ্ মখদুম থানার ভাড়ালিপাড়ার রুস্তমের ৭ম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে আনিকা (১৩)।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন, মন্ডলের ছেলে আসমত (৩০), বুলবুলের ছেলে সজিব (২৫), মৃত সোহরাবের স্ত্রী রিনা (৪৫) ও মিঠু। আহতদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর নওদাপাড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নগরীর শাহ্ মখদুম থানার ওসি জিল্লুর রহমান জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহী থেকে নওগাঁর উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল এ্যারো বেঙ্গল পরিবহণের একটি বাস। এ সময় বাসটি নওদাপাড়া বাজারের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তার পাশের তিনটি দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী সবুজ ও পিঙ্কু মারা যান এবং অপর ৫জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে পাঠান। পরে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক স্কুল ছাত্রী আনিকা মারা যায়। চারজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক রাস্তা অবরোধ করে যানবাহন ভাংচুরের চেষ্টা করে ও দুটি যানবাহন ভাংচুর করে। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এ বিষয়ে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) শাহ্ মখদুম ডিভিশনের উপ-কমিশনার হেমায়েতুল ইসলাম বলেন, এ্যারো বেঙ্গল পরিবহণের বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ার ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে এবং ৪ জন আহত হয়েছে।

অন্যদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত স্কুল ছাত্রীকে রামেক হাসপাতালে দেখতে পান আরএমপি কমিশনার একেএম হাফিজ আক্তার। তিনি হাসপাতালে গিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে লাশ হস্তান্তরের ব্যবস্থা করেন।

শোক র‌্যালি শেষে বাড়ি ফেরা হলো না আনিকার
জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালি শেষে বাড়ি বাসায় ফেরা হলো না স্কুল ছাত্রী আনিকার। বুধবার সকালে জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালি শেষে দুই বোন বাড়ি ফেরার পথে নওদাপাড়ার একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে আইসক্রিম খাচ্ছিল। এ সময় রাজশাহী থেকে নওগাঁগামী এ্যারো বেঙ্গল পরিবহণের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আনিকাকে চাপা দিয়ে দোকানের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে গুরুতর আহত আনিকা (১৩) রামেক হাসপাতালে মারা যান। সে নওদাপাড়া শাহ্ মখদুম স্কুলের স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। তিনি নগরীর নওদাপাড়ার ভাড়ালিপাড়া এলাকার রুস্তমের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে জাতীয় শোক দিবসের র‌্যালি শেষে তারা বাড়ি ফিরছিলো। পথে তারা নওদাপাড়া বাজার এলাকায় আইসক্রিম খাচ্ছিলো দাঁড়িয়েছে। এসময় নিয়ন্ত্রণ হারা এ্যারো বেঙ্গল নামের বাসিটি দ্রুত ছুটি আসে। এ সময় পাশে থাকা ঋতু সরে গেলেও আনিকা সরে যেতে পারেনি। এতে বাস ও দোকানের দেওয়ালের সঙ্গে চাপা লাগে আনিকা। স্থানীয়রা আরও জানায়, ঘাতক বাসটি হেলপার বাসটি চালাচ্ছিল। অদক্ষ হওয়ায় অসাবধানতায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। এ ঘটনায় বাকি নিহতরা হলেন, শাহ্ মখদুম থানার মোড় এলাকার ইসলামের ছেলে ইসমাইল হোসেন পিংকু (২৪) এবং মোহাম্মদ আলীর ছেলে সবুজ ইসলাম (৩২)।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীর তালিকায় বাংলাদেশি আজিজ খান

দেশের খবর: এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। সেখানকার শীর্ষ পঞ্চাশ ধনীর তালিকায় উঠে এসেছে বাংলাদেশের আজিজ খান ও তার পরিবারের নাম।

ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী ২০১৮ সালের জুলাই মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের শীর্ষ পঞ্চাশ ধনীর তালিকায় মুহাম্মদ আজিজ খান ও তার পরিবার ৩৪তম শীর্ষ ধনীর তালিকায় অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

মুহাম্মদ আজিজ খান সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান তিনি ও তার পরিবারের সিঙ্গাপুরে মোট সম্পদের পরিমাণ ৯১০ মিলিয়ন ইউএস ডলার বলে উল্লেখ করেছে ফোর্বস।

সামিট পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের জাতীয়তা বাংলাদেশি হলেও তিনি বর্তমানে সিঙ্গাপুরের স্থায়ী বাসিন্দা এবং সিঙ্গাপুরের বিদ্যুৎ ইউনিট সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনা করছেন।

তার কন্যা আয়েশা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনাল পরিচালনা করছেন। ৬৩ বছর বয়সী মুহাম্মদ আজিজ খানের মূল সম্পদের উৎস নিজের তৈরি বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।

ব্যক্তিজীবনে মুহাম্মদ আজিজ খান তিন সন্তানের জনক। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ থেকে মাস্টার্স করেছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
গুজব ছড়ানোর অপরাধে দুই শিক্ষার্থী গ্রেফতার

দেশের খবর: গুজব ছড়ানোর অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেফতার করেছে সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইম (সাইবার ক্রাইম ইউনিট)। গ্রেফতারকৃত দুই শিক্ষার্থী হলেন- আহমাদ হোসাইন (১৯) ও নাজমুস সাকিব (২৪)। মঙ্গলবার ও বুধবার তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সিআইডির গণমাধ্যম শাখার সহকারী পুলিশ সুপার শারমিন জাহান জানান, সড়কে দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন উস্কানিমূলক লেখা, ফটো ও ভিডিওর মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির অপচেষ্টাকারী হিসেবে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে পল্টন থানার আইসিটি আইনে করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, সিআইডি সোস্যাল মিডিয়া মনিটরিং করে তাদের চিহ্নিত করা হয়। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট ও লেখার স্ক্রিনশট সংগ্রহ করে কামরাঙ্গীর চর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এই খাওনের সময় ভিতরে আইছিস ক্যা? উঠ!’-ভাইরাল ভিডিও

ভিন্ন স্বাদের সংবাদ: জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গণভোজের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি সম্ভবত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি স্কুলের বারান্দায় কিছু লোক খাওয়ার জন্য বসে আছেন। তাদেরকে পাশের রুম থেকে খাবার ভর্তি প্লেট পরিবেশন করা হচ্ছে। বারান্দার সিঁড়ির ওপর হাফপ্যান্ট পরা, খালি গায়ে দুজন পথশিশুকে বসে থাকতে দেখা যায়।

এমন সময় সাদা প্যান্ট ও নীল রঙের ফুল শার্ট পরা একজন লোক এসে ছেলে দুজনকে ধমক দেন। বলেন, ‘এই খাওনের সময় ভিতরে আইছিস ক্যা? উঠ!’ ধমক খেয়ে ছেলে দুজন সিঁড়ি থেকে উঠে দাঁড়ায়। একজনকে ফের খাবারের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায়। তখন সেই লোক ফের ধমক দেন, ‘আবার দাঁড়াইয়া রইছোস কি জন্য?’ কিন্তু ছেলেটি সেখান থেকে সরতে চায় না। খাবারের দিকে তাকিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। এবার সেই লোকটি বলেন, ‘এই, বাইরে গিয়ে বসো, আগে দেইখ্যা লই’। শেষ পর্যন্ত এই পথশিশুকে খাবার দেয়া হয়েছিলো কি না সেটা জানা যায়নি।

গণমাধ্যমকর্মী মাসুক হৃদয় আজ সন্ধ্যায় তার ফেসবুকে ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, ‘লুটেরাদের দাপটে যুগ যুগ ধরেই দরিদ্র শ্রেণি বঞ্চিত হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নাম ভাঙ্গিয়ে এমনটি মানা যায় না। অথচ শেখ মুজিবুর রহমান কত মহান, কত বিশাল মনের অধিকারি ছিলেন। তিনি তো চতুর্থ শ্রেণির মানুষের জন্য কথা বলতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হয়েছিলেন। ভিডিওতে একজন নামধারী মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি দুই অনাথ শিশুকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে আয়োজিত ভোজ সভা থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাড়ানো এই ব্যক্তিকে নামধারী বললাম এই কারণে যে, তার মুক্তিযোদ্ধা বনে যাওয়ার গল্পটি বিতর্কিত।’

এরপর মুহূর্তে ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই নানা রকম মন্তব্য করছেন। কেউ বলছেন, এরা মানুষ নামের অমানুষ। আবার কেউ বলছেন, অথচ খাবারের দাবিদার এই অনাথ শিশুগুলি।

আবুল হাসনাত রাফি লিখেছেন, ‘আমাদের সমাজে অতি দরিদ্রদের কাঙ্গাল বলি, কিন্তু কিছু মানুষ মনে দিক দিয়ে বড় কাঙ্গাল প্রকৃতির। তাদের মন-মানসিকতা খুব ছোট। তারা কাঙালি ভোজের নাম করে অথচ সত্যিকারের কাঙ্গালদের ভোজ থেকে বিতাড়িত করে।’

এ এ মোমিন লিখেছেন, ‘কাদের জন্য কাঙ্গালি ভোজ ….. কিছু বলার নাই…..আর এই সময় কে রাজাকার আর কে মুক্তিযোদ্ধা দেখে চেনা যায় না।’

রাসেল চৌধুরী লিখেছেন, ‘অথচ খাবারের দাবিদার এই অনাথ শিশুগুলি।’

সাইফুল ইসলাম লিখেছেন, ‘সে তো মুক্তিযোদ্ধা নন, তাকে অতি উৎসাহী নামধারী লুটেরা, আদর্শ ত্যাগী জনগনবিচ্ছিন্ন নেতারা মাথায় তুলে রেখেছে, এর পরিনাম এরচেয়ে বেশী জাতি আশা করেনা, ছি ছি ছি ধিক্কার জানাই তাদের …’

সাদেকুর রহমান লিখেছেন, ‘এই মানুষগুলো হলো মানুষ নামের অমানুষ।’

ইসরাত জাহান জানু লিখেছেন, ‘ভিডিওটা দুইবার দেখলাম, উনি কেমন মানুষ!’

মাসুম মোহাম্মদ লিখেছেন, ‘লজ্জাহীন লোক এটা গরীবের অধিকার ওরা খেয়ে বেশি হলে আপনারা খাবেন।’

মনির হোসেন লিখেছেন, ‘এই বাচ্চাটাকে আমি পেট পুরে খাওয়া চাই।’

নূর আহমেদ লিখেছেন, ‘উনাকে আমি ব্যক্তিগতভাবে চিনি। উনার নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হুরাইরা। উনার ভাব দেখে মনে হইছে উনি অনেক দিন যাবত ক্ষুধার্ত। বাচ্চাগুলোকে কি করে কুকুরের মত তাড়িয়ে দিচ্ছে। এখন আপনারাই বলুন প্রকৃত কাঙালি ভোজ কাদের। বাচ্চাগুলোর নাকি উনার।’

দেখুন ভিডিওটি :

লুটেরাদের দাপটে যুগ যুগ ধরেই দরিদ্র শ্রেণী বঞ্চিত হয়েছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর অাদর্শের নাম ভাঙ্গিয়ে এমনটি মানা যায় না। অথচ শেখ মুজিবুর রহমান কত মহান, কত বিশাল মনের অধিকারি ছিলেন। তিনি তো চতুর্থ শ্রেণির মানুষের জন্য কথা বলতে গিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত হয়েছিলেন। ভিডিওতে একজন নামধারী মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি দুই অনাথ শিশুকে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্যোগে অায়োজিত ভোজ সভা থেকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন। তাড়ানো এই ব্যক্তিকে নামধারী বললাম এই কারণে যে, তার মুক্তিযোদ্ধা বনে যাওয়ার গল্পটি বিতর্কিত।

Posted by Masuk Hridoy on Wednesday, 15 August 2018

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest