সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে কবির হোসেনের যোগদাননূরনগর ইউনিয়নবাসীর জন্য সমাজসেবক লিটনের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালুসারসা বাহরুল উলুম মাদ্রাসার বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ  মৃত্যুঞ্জয় কুমার ও আবু তাহেরের নেতৃত্বে প্রথম আলো সাতক্ষীরা বন্ধুসভার কমিটি ঘোষণাখালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

মর্নিং সান প্রি ক্যাডেট স্কুলে শোক দিবস পালন

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি : জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা মর্নিং সান প্রি ক্যাডেট স্কুলের পক্ষ থেকে আলোচনাসভা ও শোক র‌্যালিতে অংশ গ্রহণ করে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসনের শোক র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করে। পরবর্তীতে স্কুল ক্যাম্পারে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসব অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে স্কুলের অধ্যক্ষ শেখ আমিনুর রহমান কাজল। প্রধান অতিথি ছিলেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন,পৌর কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর, ফারুকুজ্জামান ডেভিডসহ স্কুলের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পৌর তরুনলীগের শোক দিবস পালন

 

সাতক্ষীরা পৌর তরুণলীগের উদ্দোগে সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে ১৫ ই আগষ্ট জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্য বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোছাম্মাৎ জ্যোস্না আরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের যুগ্ম সম্পাদক বিদ্যুৎ বিশ্বাস, আজাদী সংঘের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা তরুণলীগের মনিরুল ইসলাম ফুলবাবু, কলেজ ছাত্রলীগের হাসিবুল হাসান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি
পৌর তরুনলীগের শোক দিবস পালন

সাতক্ষীরা পৌর তরুণলীগের উদ্দোগে সুলতানপুরস্থ আজাদী সংঘ ক্লাবে ১৫ ই আগষ্ট জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে খাদ্য বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোছাম্মাৎ জ্যোস্না আরা। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা জেলা তরুণলীগের যুগ্ম সম্পাদক বিদ্যুৎ বিশ্বাস, আজাদী সংঘের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম, উপজেলা তরুণলীগের মনিরুল ইসলাম ফুলবাবু, কলেজ ছাত্রলীগের হাসিবুল হাসান প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি মহিলা কলেজের শোক দিবস পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার কলেজ প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আব্দুল খালেক। আলোচনা সভয় বক্তব্য রাখেন কলেজ উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোঃ ইয়াহিয়া মোল্যা, শিক্ষক পর্ষদের সম্পাদক মোঃ শফিকুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শশী ভূষণ পাল সহ বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ছিলেন মোঃ রবিউল ইসলাম। ১৯৭৫ সালের সকল শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে অনুষ্ঠানে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন দর্শন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আব্দুল হাই সিদ্দিকী। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগের প্রভাষক মোঃ শাহীনুল হক।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবসে জনতা ব্যাংক সাতক্ষীরার আলোচনাসভা ও দোয়া

 

১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধা ও শোক জানিয়েছে জনতা ব্যাংক লিমিটেড সাতক্ষীরা এরিয়ার সকল নির্বাহী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সিবিএ নেতৃবৃন্দ।
এ উপলক্ষে বুধবার সকালে শোক র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করা হয় এবং এরিয়া অফিসে আলোচনাসভা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও কোরআনখানি অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এরিয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত)রঞ্জন কুমার বিশ্বাস। সভাপতির বক্তব্যে রঞ্জন কুমার বিশ্বাস বলেন, ১৫ আগস্টের শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে যে যেখানে আছে সেখান থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যেতে হবে। অন্যান্যের মধ্যে জনতা ব্যাংক লিমিটেড, সাতক্ষীরা কর্পোরেট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ সোলায়মান হোসেন, এরিয়া অফিসের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোঃ মতিয়ার রহমান, এসপিও মোঃ রুকনুজ্জামান, সুলতানপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক মোঃ রবিউল ইসলাম, মোঃ মাগফুর রহমান, বাবলু ভঞ্জ চৌধুরী, তহমিনা খাতুন, সিবিএ নেতা শেখ আব্দুল গণি, আব্দুল হান্নান প্রমুখ বক্তব্য দেন। আলোচনা অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সিবিএ সভাপতি একরামুল কবীর খান চৌধুরী। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবসে ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’র উদ্যোগে আলোকচিত্র প্রদর্শনী’

 

বুধবার জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-১৮ উপলক্ষ্যে ‘জাগ্রত সাতক্ষীরা’এর উদ্যোগে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব’এ ‘ছবি কথা বলে’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী এর আয়োজন করা হয়।
সংগঠনের সভাপতি সায়েম ফেরদৌস মিতুল এর সভাপতিত্বে উক্ত প্রদর্শনী উদ্বোধন করে। বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক কমিটির সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা আ.হ.ম তারেক উদ্দীন, সদর থানা আওয়ামীলীগ সভাপতি এস.এম শওকত হোসেন, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আবু সাঈদ, সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট সাংবাদিক আনিসুর রহিম, সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহাজান আলী, মোস্তাক আহমেদ সিদ্দিকি, রুহুল আমিন ময়না প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অস্ট্রেলিয়ান সিনেটে প্রথম মুসলিম নারী

বিদেশের খবর: প্রথম মুসলিম নারী সদস্য হিসেবে অস্ট্রেলিয়ান সিনেটে যোগদান করেছেন মেহরিন ফারুকি। দেশটিতে বর্ণবাদের সমস্যা প্রকট থাকার পরও এই ঘটনাকে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

পাকিস্তানে জন্ম গ্রহন করা মেহরিন ফারুকি বিবিসিকে জানান, ‘আমাদের এই বৈচিত্র্যের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ আরো শক্তিশালী হবে’। নিউ সাউথ ওয়েলস থেকে নির্বাচিত গ্রিন পার্টির এই এমপি, বুধবার সিনেটের একটি খালি আসনে নিযুক্ত হন। এক সপ্তাহ পর, শপথ নেবেন তিনি। মেহরিন ফারুকি, ফ্রেজার এনিংস এর ব্যবহৃৎ হলোকাস্ট সংক্রান্ত টার্মের প্রচন্ড সমালোচকদের একজন।

এনিংস যে বর্ণবাদ ও ঘৃণার উদগাতা, সে বিষয়টি তার প্রথম ভাষণে উল্লেখ করেন এই এমপি। আত্নবিশ্বাস সহকারে তিনি বলেন ‘আমি একজন মুসলিম অভিবাসী এবং সেখান থেকে এখন সিনেটর হতে যাচ্ছি, ফ্রেজার এনিংস এর মত মানুষ এ বিষয়ে কিছুই করতে পারবেনা’। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ছাত্র আন্দোলনে উস্কানি অভিযোগে ৫১ মামলায় ৯৭ জন গ্রেপ্তার

দেশের খবর: শহীদ রমিজ উদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের দু’জন শিক্ষার্থী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার প্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত গড়ে ওঠা ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলনে সহিংস ঘটনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির ব্যাপারে বিভিন্ন থানায় মোট ৫১টি মামলা করা হয়। এ সব মামলায় এখন পর্যন্ত মোট ৯৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর মধ্যে দণ্ডবিধি ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা মোট ৪৩ মামলায় ৮১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিএমপি জানায়, আন্দোলনে সহিংস ঘটনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানির প্রেক্ষিতে রমনা বিভাগে মোট ১৪টি মামলা করা হয় এবং মোট ৩১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। যার মধ্যে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা হয় ১০টি। যেখানে গ্রেপ্তার করা হয় ২০ জনকে এবং ৮৪ জনকে আসামি করে করা ৪টি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ১১ জনকে। ১৪টি মামলার মধ্যে ১৩টির তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং ১টি মামলা তদন্ত করছে ডিবি পুলিশ।
লালবাগ বিভাগে একজনসহ অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামি করে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
ওয়ারী বিভাগে মোট মামলা হয়েছে ২টি। অজ্ঞাতনামা ৩৫০/৪৫০ জনকে আসামি করে করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে একজনকে।
এ বিষয়ে মতিঝিল বিভাগে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ৬টি মামলা করা হয়েছে। ৬টি মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগে ৬ জনকে আসামি করে দু’টি মামলা করা হয়েছে। যার মধ্যে ২ জন এজাহারনামীয়সহ সন্দিগ্ধ আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মিরপুর বিভাগের মিরপুর মডেল থানায় বি.ইউ.বি.টি ইউনিভার্সিটি ও কমার্স কলেজসহ অন্যান্য কলেজের অজ্ঞাতনামা ৫০০/৬০০ জন ছাত্র শিক্ষককে আসামি করে ১টি মামলা, অজ্ঞাতনামা ৫০/৬০ জনকে আসামি করে কাফরুল থানায় ১টি মামলা এবং ৯৬ জনকে আসামি করে আরও ৩টিসহ মোট ৫টি মামলা করা হয়েছে।
গুলশান বিভাগে অজ্ঞাতনামা ২০০০/২৪৫০ জনকে আসামি করে ৭টি মামলা এবং ৩১জনকে আসামি করে আরও ২টি মামলাসহ মোট ৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ‍৯টি মামলায় মোট ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উত্তরা বিভাগে অজ্ঞাতনামা ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে ৩টি মামলা এবং ১১৩ জনসহ অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে ১টি মামলাসহ মোট ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মোট ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া তথ্য ও প্রযুক্তি আইনে ২৯ জনকে আসামি করে দায়ের করা মোট ৮টি মামলায় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ৮টি মামলার মধ্যে ৪টি মামলা ডিএমপি’র সাইবার সিকিউরিটি এন্ড ক্রাইম বিভাগ, ১টি ডিবি পুলিশ এবং ১টি থানা পুলিশ তদন্ত করছে।
এই আন্দোলনে নানাভাবে গুজব ছড়ানো ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছে পুলিশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আফগানিস্তানের গজনিতে তালিবান ও সরকারি বাহিনীর লড়াই, নিহত ৪০০

বিদেশের খবর: আফগানিস্তানের গজনি শহরে জঙ্গি গোষ্ঠী তালিবান ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত দু’পক্ষের মধ্যে লড়াইয়ে আনুমানিক ৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অগণিত। বাস্ত্যুচুত হয়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। খবর আল জাজিরার।

খবরে বলা হয়, মার্কিন সমর্থিত আফগান বাহিনী অবিরত লড়াই করে যাচ্ছে তালিবানের বিরুদ্ধে। দুই পক্ষের লড়াইয়ে প্রাণহানী হচ্ছে অসংখ্য মানুষের। স্থানীয়রা বাঁচার কোন পথ খুঁজে পাচ্ছে না।

টানা পঞ্চম দিনেও দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র লড়াই অব্যাহত রয়েছে। তালিবানের উদ্দেশ্য শহরের দখল নেওয়া। যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হওয়ায় সেখানকার পরিস্থিতি সম্বন্ধে নিশ্চিত করে কিছু জানা যাচ্ছে না। তবে জাতিসংঘ ও আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন আনুমানিক ৪০০ মানুষ। এর মধ্যে বেসামরিক রয়েছেন প্রায় ১৫০ জন।

‘আমরা বাঁচবো না’

কাবুলে পালিয়ে যাওয়া গজনির বাসিন্দা ইয়াসান ইয়াসান(২১) বলেন, লড়াই তীব্র আকার ধারণ করার পর আমরা বুঝে গিয়েছিলাম, আমরা সেখান থেকে কাবুলে না পালালে বাঁচবো না।

তিনি জানান, তালিবানরা পুরো শহরে পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ কেটে দিয়েছে।

ইয়াসান বলেন, আমি নিজে এক দল পলায়নরত মানুষ উদ্দেশ্য করে রকেট ছুড়তে দেখেছি। তাদের সবাই মারা গেছে। সরকারি কার্যালয়গুলোতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে তালিবানরা। কাবুল-কান্দাহার হাইওয়ের বেশ কিছু জায়গা অবরোধ করে রেখেছে। আমাদেরকে অনেক বিপজ্জনক জায়গা অতিক্রম করে কাবুলে পৌঁছাতে হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক আফগান সমন্বয়ক জানান, লড়াইয়ে কমপক্ষে ১৩০ থেকে ১৫০ জন বেসামরিক নিহত হয়েছেন। তবে নিশ্চিত করে এই সংখ্যা যাচাই করা যায়নি।

‘আমরা তোমাদের বাঁচাতে পারবো না’

নিজের স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে গজনি ছেড়ে পালিয়েছেন মোহাম্মদ রহিম। তালিবানরা তার বাসার ছাদে ওঠে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তিনি বলেন, আমরা তাদের কাছে আমাদের আঘাত না করতে ভিক্ষা চেয়েছি।

তারা বলেছে, আমরা তোমাদের বাঁচাতে পারবো না। তোমরা থাকবে কি পালাবে সেটা তোমাদের বিষয়।

রহিম বলেন, আমরা এখন কাবুলে আমার এক আত্মীয়ের বাসায় রয়েছি। তারা খুবই গরীব। তারা আমাদের খাওয়াতে পারবে না। আমি জানি না আমি কি করবো।

এদিকে, শহরের দখল নিয়ে দুই পক্ষ দুই ধরণের মন্তব্য করেছে। মঙ্গলবার তালিবানের এক মুখপাত্র দাবি করেছে, লড়াই চলছে। কিন্তু সরকারি বাহিনী দাবি করেছে উল্টোটা।

প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নাসির আহমেদ ফকিরি বলেন, আফগান নিরাপত্তা বাহিনী তালিবানদের গজনি থেকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে। এখন অনুসন্ধান অভিযান চলছে। নিরাপত্তা বাহিনী এখন তালিবানদের সঙ্গে শহরের উপকণ্ঠে লড়াই করছে।

উল্লেখ্য, কাবুলের সঙ্গে আফগানিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর মধ্যকার প্রধান সংযোগ রুট হচ্ছে গজনি। এই শহরটি তালিবানদের দখলে চলে গেলে অনেকাংশের নিয়ন্ত্রণ হারাবে আফগান সরকার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest