সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটার সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের মৃত্যুসাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচন

১ যুগ পর ফিরছে প্লুটো

অনলাইন ডেস্ক: আবার গ্রহ তালিকায় ফিরছে মহাকাশের ক্ষুদ্রতম গ্রহ প্লুটো। দীর্ঘ ১২ বছর পর তার এই প্রত্যাবর্তন। প্রায় এক যুগ পর বিজ্ঞানীরা আবার বলছেন, প্লুটোকে গ্রহ তালিকাভুক্ত করা যায়।
২০০৬ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোন্মিক্যাল ইউনিয়ন, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের সংগঠন একটি গ্রহের সংজ্ঞা প্রকাশ করেন। তাতে স্পষ্ট করে বলা হয় একটি গ্রহের একটি সুস্পষ্ট কক্ষপথ থাকা জরুরি। এরপর নেপচুন প্লুটোর কক্ষপথের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চাইলে গ্রহ তালিকা থেকে ছিটকে যায় প্লুটো।
যদিও একটি জার্নালে প্রকাশিত এই খবর দেখে এখনই প্লুটোকে গ্রহ বলা নিয়ে নিশ্চিত হচ্ছেন না সবাই। বিজ্ঞানীরা ২০০ বছরের পুরোনো জার্নাল ঘেঁটে বের করার চেষ্টা করছেন একটি গ্রহ হওয়ার জন্য কি কি বৈশিষ্টের প্রয়োজন। ১৮০২ সালের একটি জার্নাল থেকে তারা এই তথ্যের সন্ধান পান। এদিকে গ্যালিলিওর সময় থেকেই স্যাটার্নের টাইটান ও জুপিটারের ইউরোপাকে উপগ্রহ হিসেবে পরিগণিত করা হয়
‘এটি সৌর জগতের দ্বিতীয় সবচেয়ে জটিল এবং উল্লেখযোগ্য গ্রহতে পরিণত হবে’ প্লুটো প্রসঙ্গে একথা বলেন আমেরিকার সেন্ট্রাল ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ফিলিপ মারটজার।
তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমাদের হাতে ১০০ টিরও বেশী উদাহরণ আছে যেখানে বিজ্ঞানীরা এমন কয়েকটি ক্ষেত্রে প্লুটো কথাটি ব্যবহার করেছেন যার সাথে ইন্টারন্যাশানাল অ্যাস্ট্রোন্মিক্যাল ইউনিয়নের দেওয়া সংজ্ঞার কোনো মিল নেই। তবে তাঁরা এটা করছেন কারণ কার্যক্ষেত্রে এর গুরুত্ব রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘শেখ হাসিনা ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন’

দেশের খবর: কওমি মাদ্রাসা সনদের স্বীকৃতির বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড গওহরডাঙ্গার চেয়ারম্যান ও গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মহাপরিচালক আল্লামা মুফতি রুহুল আমীন।
পাশাপাশি তিনি শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদে বহুল আলোচিত বিলটি উত্থাপনের পর এক বিবৃতিতে আল্লামা রুহুল আমীন বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসা সনদের স্বীকৃতির বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপিত হয়েছে। আশা করি এটি পাস করার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবেন।’

বিবৃতিতে মুফতি রুহুল আমীন বলেন, ‘আল হাইয়াতুল উলিয়া লিল জামিয়াতিল কাওমিয়া বাংলাদেশের অধীন কওমি মাদ্রাসাসমূহের দাওরায়ে হাদিস তাকমিলের সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রি (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবির সমমান প্রদান) বিল ২০১৮’- সংসদে উত্থাপিত হওয়ায় সনদের স্বীকৃতির জন্য আর কোনো বাধা রইলো না। আশা করি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিলটি যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত সময়ে সংসদে প্রতিবেদন প্রদান করবে এবং সকল সদস্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়ে বিলটি পাস করবেন।’
এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদ দাওরায়ে হাদিসকে ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবিতে মাস্টার্সের সমমান দেয়ার বিল সংসদে উত্থাপিত হয়। সাত দিনের মধ্যেই এই বিলটি পরীক্ষা নিরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেবে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এরপর বিলটি পাসের উদ্যোগ নেয়া হবে।
গত ১৩ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। আর সেদিনই বর্তমান সংসদের শেষ অধিবেশনে বিলটি তোলার কথা জানানো হয়। এর আগে ২০১৭ সালের এপ্রিলেই এটি স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
কওমি সনদের স্বীকৃতির বিষয়টি এই মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি। আর এই দাবি পূরণের আশ্বাস দেয়ার পর ১৯৯৯ সালে বিএনপি-জামায়াত ও জাতীয় পার্টির সঙ্গে জোট করে কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রীক রাজনৈতিক দল ইসলামী ঐক্যজোট।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ধর্মভিত্তিক এই দলগুলোর আক্বিদাগত ব্যাপক পার্থক্য থাকলেও কেবল এই ইস্যুতে তারা ‘শত্রুর’ সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হয়। তবে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে এই স্বীকৃতির বাস্তবায়ন হয়নি।
তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর এ বিষয়ে উদ্যোগ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় কওমি আলেমদের গুরু আহমেদ শাহ শফিকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়। তবে সে সময় নিজেদের মধ্যে বিরোধের পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ শক্তির বিরোধিতায় সেটা আর আগায়নি।
২০১৭ সালের ১১ এপ্রিল কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতির ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিন গণভবনে উপস্থিত ছিলেন আহমেদ শাহ শফিও যিনি হেফাজতে ইসলাম নামে একটি সংগঠনের আমির।
এর দুই দিন পর কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ সনদকে সাধারণ শিক্ষার স্নাতকোত্তর ডিগ্রির স্বীকৃতি দিয়ে আদেশ জারি করে সরকার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) উচ্চপর্যায়ের আলেমদের সঙ্গে দফায় দফায় বসে এ সংক্রান্ত আইনের খসড়া চূড়ান্ত করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
লাইভ টকশোতে হঠাৎ মারা গেলেন আলোচক

অনলাইন ডেস্ক: ভারতে টেলিভিশনে লাইভ টকশোতে কথা বলার সমায় হঠাৎ মারা গেলেন দেশটির বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী রীতা যতীন্দ্র। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে একটি টিভি চ্যানেলে ‘গুড মর্নিং জে অ্যান্ড কে’ নামের লাইভ টকশো চলাকালিন এ ঘটনা ঘটে। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
খবরে বলা হয়েছে, আলোচনার এক পর্যায়ে হঠাৎ রীতা যতীন্দ্রর দুই চোখ কুঁচকে যায়। ডান পাশে হেলে পড়ে মাথাটা। ডান হাতটাও খানিকটা নড়ে ওঠে কোলের ওপর পড়ে যায়। মাথাটা টলতে টলতে একেবারে স্থির হয়ে পড়ে। চোখ দুটি দেখা যায় খোলা। ঠোঁট দুটি উপরের দিকে হা হয়ে খোলা।
এ অবস্থায় একেবারে অসাড় হয়ে পড়ে দেহটি। অচেতন রীতাকে দেখে তখন কার্যত হতভম্ভ হয়ে যান অনুষ্ঠানের সঞ্চালক। সঙ্গে সঙ্গে রীতাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা জানান, হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে রীতার।
লাইভ সম্প্রচারে উপস্থিত এক কর্মী বলেন, অনুষ্ঠানে কথা বলার সময় হার্ট অ্যাটাক হয় রীতার। সঙ্গে সঙ্গে তাকে গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যাই আমরা। সেখানে বলা হয়, কিছুক্ষণ আগেই মৃত্যু হয়েছে রীতার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পরকীয়ার জের; স্ত্রীর মাথা হাতে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

অনলাইন ডেস্ক: স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে আত্মসমর্পণ করতে থানায় উপস্থিত হলেন স্বামী। এই ঘটনার কেন্দ্রস্থল ভারতের কর্ণাটকের চিকমাঙ্গালুর।
বাড়ি ফেরার পর স্ত্রীকে অন্য পুরুষের সঙ্গে দেখার পর মাথা ঠিক রাখতে পারেননি সতীশ। রাগের বসে স্ত্রীর সঙ্গীকে আক্রমণ করতে গিয়ে সেই কোপ পড়ে যায় স্ত্রীর উপর। বিপদ বুঝে পালিয়ে যায় স্ত্রীর সঙ্গী।
৩০ বছর বয়সী সতীশের সঙ্গে রূপার বিয়ে হয় নয় বছর আগে। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। এদিকে গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন রূপা। সতীশ তাদের বারবার সতর্ক করলেও লাভ হয়নি কিছুই। রবিবার বেঙ্গালুরু থেকে ফিরে সতীশ এই ঘটনা দেখার পর নিজেকে আর স্থির রাখতে পারেনি।
রাগের বশে সেখানেই মাথা দেহ থেকে বিচ্ছেদ করেন। তারপর সেই কাটা মাথা একটি ব্যাগে নিয়ে মোটরবাইক চালিয়ে ২০ কিলোমিটার দূরের থানায় উপস্থিত হন। এরপর থানায় ঢোকার আগে ব্যাগ থেকে সেই মাথা বের করে চুলের মুঠি ধরে নিয়ে যান পুলিশের কাছে। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
চিকমাঙ্গালুর পুলিশ সুপার আন্নামালাই কুপ্পাস্বামী জানিয়েছেন, তার বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রতিদিন পেয়ারা খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন সি, লাইকোপেন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরের প্রতিটি অংশকে সুস্থ এবং সুন্দর রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম, শরীর যাতে খাবারে উপস্থিত নানাবিধ পুষ্টিকর উপাদান ঠিক মতো গ্রহণ করতে পারে, সেদিকেও খেয়াল রাখে। এখানেই শেষ নয়, শরীরকে চাঙ্গা রাখতে আরও নানাভাবে সাহায্য করে থাকে এই ফলটি। এর আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপকারিতা রয়েছে যেমন:

১. সংক্রমণের আশঙ্কা কমে: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! আসলে এই ফলটিতে উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, শরীরে প্রবেশ করা মাত্র ক্ষতিকর জীবাণুদের মারতে শুরু করে। ফলে কোনও ধরনের সংক্রমণের আশঙ্কা কমে যায়। সেই সঙ্গে শরীরে উপস্থিত সমস্ত ধরনের বিষাক্ত উপাদানও বেরিয়ে যায়। ফলে নিমেষে শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে আয়ুও বাড়ে চোখে পরার মতো।

২. ত্বককে ফর্সা করে তোলে: অল্প পরিমানে পেয়ারার খোসা নিয়ে তার সঙ্গে ডিমের কুসুম মিশিয়ে একটা মিশ্রন বানিয়ে ফেলুন। তারপর সেটি ভাল করে মুখে লাগিয়ে কম করে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। সময় হয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন মুখটা। এইভাবে সপ্তাহে ২-৩ ত্বকের পরিচর্যা করলে দেখবেন ত্বক ফর্সা এবং উজ্জ্বল হয়ে উঠতে সময় লাগবে না।

৩. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন একটা করে পেয়ারা খাওয়া শুরু করলে দেহের অন্দরে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে সময় লাগে না।

৪. দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে: প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার কারণে নিয়মিত পেয়ারা খেলে দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে ছানি, ম্যাকুলার ডিজেনারেশন এবং গ্লকোমার মতো রোগও দূরে থাকে।

৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে: আপনাদের কি জানা আছে পেয়ারায় রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটা মজবুত করে তোলে যে ছোট-বড় কোনও ধরনের রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। এখানেই শেষ নয়, নানা ধরনের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচাতেও ভিটামিন সি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো একেবারে ছোট বেলা থেকে বাচ্চাদের পেয়ারা খাওয়ানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা।

৬. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: পেয়ারায় উপস্থিত ভিটামিন বি৩ এবং বি৬ মস্তিষ্কে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ব্রেনের কগনেটিভ ফাংশন, অর্থাৎ স্মৃতিশক্তি, বুদ্ধি এবং মনোযোগের উন্নতি ঘটে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ক্যান্সার প্রতিরোধে লেবুর রস

স্বাস্থ্য কণিকা: খাবারের সঙ্গে শুধু লেবুর রস মিশালেই অন্যরকম স্বাদ পাওয়া যায়। তাইতো মানুষের লেবুর প্রতি এত আকর্ষণ। শুধু খাবারের সঙ্গে সকালবেলা লেবুর রস খালি পেটে খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়। এতে অনেক উপকারিতা রয়েছে। এসব উপকারিতা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো :

শক্তি বৃদ্ধি:
লেবুর রস পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ফুরফুরা করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

কিডনির পাথর:
লেবুতে উপস্থিত লবণ বা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথর গঠনে বাধা দেয়। সবচেয়ে সাধারণ কিডনি পাথরগুলোর মধ্যে এটি একটি।

লিভার পরিষ্কার রাখে:
লেবুতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড কোলন, পিত্তথলি ও লিভার থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।

ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ:
ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে লেবুর রস।

হজমে সাহায্য করে:
লেবুর রস হজমে ব্যাপক সাহায্য করে। সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।

ত্বক পরিষ্কার করে:
লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি ত্বকের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয়, এই উপাদান শরীরে কোলাজেন তৈরি করে। যা মুখের অবাঞ্ছিত দাগ দূর করে ঔজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।

ওজন হ্রাস:
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। যা ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খালি পেটে লেবুর রস খান, তাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়। সুতরাং ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিদিন সকালে লেবুর রস খান।

মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর:
যদি মূত্রনালীতে সংক্রমণ ঘটে। তাহলে প্রচুর পরিমাণে লেবুর রস পান করুন। এটি আরোগ্য লাভে সাহায্য করবে।

চোখের স্বাস্থ্য:
লেবুর রস চোখের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

ক্যান্সার প্রতিরোধ :
লেবু অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর জুড়িমেলাভার।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মেয়ের রডের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, সাতক্ষীরায় জোড়া খুন!

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। সন্ধ্যায় ঝড়গাছা গ্রামের একটি ডোবা থেকে গোপাল ঘোষের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। অপরদিকে নগরঘাটা গ্রামে মেয়ের রডের আঘাতে মা মমতাজ বেগমের মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার দুপুরে জেলার নগরঘাটা গ্রামের আব্দুস সবুরের স্বামী পরিত্যক্তা টুম্পা খাতুন পারিবারিক কলহের জেরে তার মা মমতাজ খাতুনকে ঝগড়ার এক পর্যায়ে রড দিয়ে সজোরে আঘাত করে। এতে মমতাজ খাতুন মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা তাকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পরে খুলনার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে সোমবার রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান। টুম্পা খাতুন সাতক্ষীরা সংরক্ষিত নারী সাংসদ রিফাত আমিনের ছেলে রুমনের সাবেক স্ত্রী। তার আড়াই বছর বয়সী একটি পুত্র সন্তান আছে।

অপরদিকে, ঝড়গাছা গ্রামের গোপাল ঘোষ রোববার বিকেলে জমিতে ধান দেখার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। অনেক খোজাখুজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশে একটি বিলের ডোবায় বিকেলে তার মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ডোবায় ফেলে দেয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালা সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার জানান,দু’টো ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়স ৩৫ করার সুপারিশ স্থায়ী কমিটির

দেশের খবর: সরকারি চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ৩৫ এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ থেকে আরও বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। একইসঙ্গে আগামী একমাসের মধ্যে তথ্য ক্যাডারের ডিজি পদকে গ্রেড-১ হিসেবে উন্নীতকরণের সুপারিশ করা হয়েছে।

সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এইচ এন আশিকুর রহমান। বৈঠকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, মো. আব্দুল্লাহ, মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এবং খোরশেদ আরা হক অংশ নেন।

সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ বিভাগ জানায়, বৈঠকে দেশের উন্নয়ন ব্যবস্থাপনার স্বার্থে বিসিএস (প্রশাসন) ও বিসিএস ইকোনোমিক ক্যাডার একীভূতকরণের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে কমিটি। সেইসঙ্গে একই কর্মস্থলে তিন বছরের অধিককাল কর্মরত রয়েছেন এমন কর্মকর্তাদের তালিকাটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কমিটির পরবর্তী বৈঠকে পাঠানোর সুপারিশ করা হয়। এছাড়া বৈঠকে ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জমি ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত সরকারি নির্ধারিত ফি অনলাইনের মাধ্যমে জমা প্রদান এবং জমি নিবন্ধনের ফি-সহ অন্যান্য বিষয় স্বচ্ছ করার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest