সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরায় জমি দখলের অভিযোগ আ.লীগ নেত্রী রওশন আরা রুবির বিরুদ্ধে প্রবাসীর সংবাদ সম্মেলনসাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

ভিয়েতনামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১২

বিদেশের খবর: ভিয়েতনামের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ লাই চাও-এ এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। শনিবার ট্রাক ও আন্তঃপ্রাদেশিক কোচের মধ্যে সংঘর্ষের পর কেম ডুয়াং প্রদেশের একটি ব্রিজের নিচে নদীতে গাড়ি দু’টি পড়ে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দেশটির প্রাদেশিক পুলিশ সিনহুয়াকে এ কথা জানিয়েছে।
ট্রাফিক পুলিশের কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ভিয়েতনামে গত জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত ১১ হাজার ৭৮২টি ট্রাফিক দুর্ঘটনা ঘটে। আর এসব দুর্ঘটনায় পাঁচ হাজার ৩৬৬ জন নিহত ও তিন হাজার ২৪৯জন আহত হন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
৫ দফা দাবি ও ৯ লক্ষ্য ঘোষণা বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যের

দেশের খবর: জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নিজেদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করেছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া ও ডা. এ কি এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট। সংগঠনটি তাদের ৫ দফা দাবি ও ৯ দফা লক্ষ্য ঘোষণা করেছে।

শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়। এই ঘোষণা জাতীয় শহীদ মিনারে দেয়ার কথা থাকলেও সেখানে তাদের অনুষ্ঠান করতে না দেয়ায় পরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে তারা এই ঘোষণা দেন।

এই দাবিগুলো হলো :
১. আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবার জন্য সবার সমান সুযোগ সুবিধা। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে বর্তমান সংসদ ভেঙে দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন করতে হবে। নির্বাচনকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রার্থী হতে পারবেন না।
২. অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্যক্তি, সংবাদপত্র, টেলিভিশন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করতে হবে।
৩. কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মুক্তি দিতে হবে। এখন থেকে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা যাবে না।
৪. নির্বাচনের এক মাস আগে থেকে নির্বাচনের পর ১০ দিন পর্যন্ত মোট ৪০ দিন প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ও নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে।
৫. নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তা ও পরিকল্পনা বাদ দিতে হবে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর যুগোপযোগী সংশোধন করতে হবে।

জাতীয় ঐক্য নয়টি লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছে। রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে তারা কী করবে, এই লক্ষ্যে তা বলা হয়েছে। তাদের লক্ষ্য হলো :
১. বাংলাদেশে স্বেচ্ছাচারী শাসন ব্যবস্থা থেকে পরিত্রাণ এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক নির্বাহী ক্ষমতা অবসানের লক্ষ্যে সংসদ, সরকার, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা এবং প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণ, ন্যায়পাল নিয়োগ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকর করা। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ ও সৎ যোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের জন্য সাংবিধানিক কমিশন গঠন করা।
২. দুর্নীতি দমন কমিশনকে যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা। দুর্নীতিমুক্ত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তুলে সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে দুর্নীতি কঠোর হাতে দমন ও দুর্নীতির দায়ে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনা।
৩. বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিবেশ সৃষ্টি, বেকারত্বের অবসান ও শিক্ষিত যুব সমাজের সৃজনশীলতা ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাকে একমাত্র যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা।
৪. কৃষক-শ্রমিক ও দরিদ্র মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সরকারি অর্থায়নে সুনিশ্চিত করা।
৫. জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সরকারসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতি ও দলীয়করণ থেকে মুক্ত করা।
৬. বাংলাদেশ ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা আনা, সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার, সুষম বণ্টন ও জনকল্যাণমুখী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
৭. জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে জাতীয় ঐকমত্য গঠন এবং প্রতিশোধ, প্রতিহিংসা ও নেতিবাচক রাজনীতির বিপরীতে ইতিবাচক সৃজনশীল এবং কার্যকর ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।
৮. ‘সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’-এই নীতির আলোকে পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা। এর নীতির আলোকে জনস্বার্থ ও জাতীয় নিরাপত্তাকে সমুন্নত রেখে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করা। প্রতিবেশি দেশগুলো সঙ্গে বন্ধুত্ব ও সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা বাণিজ্য, যোগাযোগ ও বিনিয়োগ ইত্যাদির ক্ষেত্রে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া।
৯. বিশ্বের সব প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও সমর সম্ভারে সুসজ্জিত, সুসংগঠিত ও যুগোপযোগী করা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শ্যামনগরে মহিলাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী আটক:ইয়াবা, হিরোইন ও মদ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানা পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযানে ১ মহিলাসহ ৪ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছেন। এসময় তাদের কবজা থেকে বিপুল পরিমান মাদক দ্রব্য জব্দ করে পুলিশ। শনিবার দিনের বিভিন্ন সময়ে তাদের আটক করা হয়। আটককৃত ৪ মাদক ব্যবসায়ী হলেন- মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের অনান্ত মন্ডলের ছেলে শচিন্দ্র নাথ মন্ডল (২৮),সিংহড়তলী গ্রামে প্রভাত মন্ডলের ছেলে ডাচবাংলা মোবইল ব্যাংকিং এ কর্মরত জগন্নাথ মন্ডল (২৭), হরিনগর গ্রামের সুপদ মল্লিকের ছেলে কৃষ্ণ মল্লিক (২৭) এবং শ্যামনগর সদর ইউনিয়নের বাদঘাটা গ্রামের আরিফুজ্জামান সাইলুর স্ত্রী পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী সাবিদা খাতুন (৩০)।
থানা সূত্র মতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের উপ-পরিদর্শক শংকর কুমার হরিনগর বাজার থেকে ৩ লিটার মদ সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী কে  আটক করেন। ধৃত জগন্নাথ মন্ডলের সাথে কথা বলে জানা যায়, কালিগঞ্জ এলাকার বিমলের কাছ থেকে মদ নিয়ে হরিনগর বাজারে কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমীরন মন্ডলের কাছে পৌছে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পথিমধ্যে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। অপর এক অভিযানে পুলিশের উপ-পরিদর্শক আকরাম হোসেন ২৫০ গ্রাম হিরোইন ও ৫২ পিচ ইয়াবা সহ সাবিদা কে আটক করেন। শ্যামনগর থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন আটক মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

খেলার খবর: এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি বাংলাদেশ। উদ্বোধনী ম্যাচেই টস ভাগ্যটা গেল বাংলাদেশের পক্ষে। লঙ্কান অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের সঙ্গে টস করতে নেমে কয়েন নিক্ষেপে জিতলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। টস জিতেই প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৪১ ডিগ্রি তাপমাত্রার আবহাওয়ায় খেলতে নামছে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা। দিবারাত্রির এই ম্যাচে নিশ্চিত অর্থেই বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে সুবিধা পাবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘নাকাব’-এর প্রচারণায় ঢাকায় আসছেন না নুসরাত-সায়ন্তিকা

বিনোদনের খবর: কলকাতার শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস প্রযোজিত ‘নাকাব’ মুক্তি পাবে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর। নির্মাতা রাজীব কুমার বিশ্বাসের এই চলচ্চিত্রটি পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাওয়ার পাশপাশি সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশেও মুক্তি পাবে। ছবিটিতে নায়ক হিসেবে আছেন ঢাকাই সুপারস্টার শাকিব খান। আর ছবিতে তাঁর নায়িকা কলকাতার নুসরাত জাহান ও সায়ন্তিকা।
ছবিটির প্রচারণার জন্য আগামীকাল (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় আসার কথা ছিল এই দুই নায়িকার। তাঁদের সঙ্গে শাকিব খানও প্রচারণায় অংশ নেবেন বলে জানিয়েছিল জাজ মাল্টিমিডিয়ার একটি সূত্র।
তবে সর্বশেষ সংবাদটি হচ্ছে, আপাতত ঢাকায় আসছেন না তাঁরা। জাজ মাল্টিমিডিয়ার পক্ষ থেকে আজ শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
জাজের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিডিউলজনিত ঝামেলা থাকার কারণে ১৬ তারিখে ঢাকায় আসা হচ্ছে না নুসরাত ও সায়ন্তিকার। তাঁদের আসার তারিখ চূড়ান্ত হলে পরে আবার জানিয়ে দেওয়া হবে।
আগামী ২১‌ সেপ্টেম্বর ‘নাকাব’ মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে। যদিও ওই তারিখে ছবিটি মুক্তি নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর ছবিটি মুক্তির প্রচারণা চালালেও এখনও নিশ্চিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটি।
‘নাকাব’ ছবির মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ভৌতিক চরিত্রে দেখা যাবে শাকিব খানকে। এতে দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। শাকিব, নুসরাত, সায়ন্তিকা ছাড়া ‘নাকাব’-এ আরো অভিনয় করেছেন রুদ্রনীল ঘোষ, সুদীপ মুখোপাধ্যায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চেয়ারম্যান মোশাররফের খুনী তরুণলীগ নেতা জলিল মেম্বর গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক: কালিগঞ্জের জাতীয় পার্টি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনর হত্যাকারী জলিল গাইনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতার করে কালিয়াকৈর (গাজীপুর) মৌচাক ফাঁড়ি পুলিশ। গ্রেফতার জলিল গাইন সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শস্করপুর এলাকার হাবিবুল্লাহ গাইনের ছেলে। সে তার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর বাজারে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, খুনের পর সে এলাকা থেকে পালিয়ে কালিয়াকৈর উপজেলার রাখালিয়াচালায় আত্মগোপন করে। পত্রিকায় ছবি দেখে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে ফাঁড়ি পুলিশ উপজেলার রাখালিয়াচালা এলাকার সরকার মার্কেট থেকে তাকে গ্রেফতার করে।

উল্লেখ্য, নয় বছর আগে চাঞ্চল্যকর একটি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে খুনের জগতে পা রেখেছিল জলিল গাইন। এরপর একাধিক হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি আর দখলবাজি করে স্থানীয়ভাবে নাম পেয়েছে ‘খুনে জলিল’।
সর্বশেষ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাতীয় পার্টির নেতা মোশাররফ হোসেনকে হত্যা করে জলিল গাইন।

দশ বছরে জলিল তিনবার দল পরিবর্তন করে। প্রথমে জাতীয় পার্টি, তারপর বিএনপি, সবশেষে আওয়ামী লীগে যোগ দেয় জলিল গাইন। বর্তমানে সে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন তরুণলীগ লীগের সভাপতি ও কৃষ্ণনগর ইউপির সদস্য। চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে হত্যার পর জলিল গাইন এখন পলাতক।

২০১৬ সালে কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রার্থী হয় জলিল। তার প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকবারের সদস্য রামনগর গ্রামের হাবিবুল্লাহ সরদারকে ভোট না দেয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দিতে থাকে জলিল। এতে আতঙ্কিত ভোটাররা তাকে ভোট দিতে বাধ্য হয়। ভোটে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয় জলিল। অনেকের ধারণা ছিল, এবার বোধ হয় সে ভালো হয়ে যাবে। কিন্তু সে আশা বৃথা। সর্বশেষ তার পরিষদেরই চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনকে ৮ সেপ্টেম্বর রাতে কালিগঞ্জের কৃষ্ণনগর বাজারে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে সে। পুলিশ তাকে খুঁজছিল।

কালিগঞ্জ থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে মোশাররফ হত্যায় ব্যবহৃত জলিলের মালিকানাধীন একটি মোটরসাইকেল ও ধারালো অস্ত্র শ্যামনগরের কাশিমাড়ি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে মামলার অপর আসামি মোজাফফর বিশ্বাস মঙ্গলবার সাতক্ষীরার আমলি আদালত-১ এর বিচারক হারুনার রশীদের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানিয়েছে, জলিলই চেয়ারম্যানকে হত্যা করেছে।

জলিলের বাড়ি কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের শঙ্করপুর গ্রামে। ছোটবেলায় মাঠে দিনমজুরের কাজ করত সে। বাবা হাবিবুল্লাহ গাইন পারিবারিক দারিদ্র্যের কারণে তাকে লেখাপড়া শেখাতে পারেননি। এখন জলিল জমি কিনে ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত বাড়িতে বসবাস করে। তার গ্রামে বিদ্যুৎ গেলেও সোলার প্যানেলের মাধ্যমে গ্রামের বাড়িতে এসি লাগিয়ে বসবাস করছে তার পরিবার।

২০০৯ সালে কাশিমাড়ি ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে আওয়ামীলীগ কর্মী কৃষক মাজেদ পাড় খুন হয়েছিলেন পারিবারিক বিরোধের জেরে। তাকে খুন করে লাশ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়া হয়। এ হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল ভাড়াটে খুনি জলিল গাইন। মামলাও হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। কিন্তু এলাকার একজন প্রভাবশালী জনপ্রতিনিধি তাকে মুক্ত করে নেন। ২০১২-১৩ সালের দিকে বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে জড়িত ছিল জলিল। ২০১৩ সালে সরকারবিরোধী সহিংসতার সময় এতে তার সক্রিয় অংশগ্রহণও ছিল।

এছাড়া বিএনপির বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে সরকারবিরোধী বক্তব্যও রাখে সে। সে সময়ে মিছিলে অংশগ্রহণকারী বিএনপি নেতা ওলিউর রহমান ওরফে ওলি মোল্লা পরবর্তীতে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন। ওলির পরিবারের দাবি, জলিল গাইন টাকা খেয়ে তাকে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছিল।

অথচ এই ওলিই ছিলেন তার সে সময়কার রাজনৈতিক নেতা। এমনকি যে মোশাররফ চেয়ারম্যানকে সে হত্যা করেছে বলে পুলিশ বলছে, জলিল তারও লোক ছিল দীর্ঘদিন। এরপর আওয়ামী লীগ দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগে যোগদান করে জলিল। পরবর্তীতে কাশিমাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মো. আনিছুর রহমানকে হত্যার ব্যর্থ পরিকল্পনাও করেছিল সে। স্থানীয়রা জানান, মূলত জলিল একজন ভাড়াটিয়া খুনি। বিভিন্ন স্থানে ভাড়ায় গিয়ে খুন করে আসে সে। মোশাররফ হত্যার কয়েক দিন আগে কৃষ্ণনগর বাজারে মহসিন ডাকাতকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়েছিল জলিল ও তার সহযোগীরা।

একসময় সেই মহসিনের সঙ্গেও ছিল তার দহরম মহরম। শ্যামনগরের কাশিমাড়ি ইউনিয়নের একজন সাবেক চেয়ারম্যান নাম প্রকাশ না করে বলেন, কৃষ্ণনগর ও কাশিমাড়ি পাশাপাশি এলাকা। দুই ইউনিয়নে খুন, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িত জলিল।

পুলিশ বলছে, জলিল গাইন দুই এলাকার ডাকাতদের সর্দার। বছর কয়েক আগে প্রকাশ্যে সাত লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় সে ধরা পড়েও পাড় পেয়ে যায়। শুক্রবার কালিগঞ্জ থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান বলেন, জলিল গাইনের অপরাধের অন্ত নেই।
সে ধরা পড়লে তার অপরাধ জগতের আরও অনেক জানা-অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভারতে শিশু সদনে যৌন নির্যাতনে ৩ শিশুর মৃত্যু, মালিক গ্রেফতার

বিদেশের খবর: ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি প্রতিবন্ধী শিশু আশ্রয় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তিন শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওই কেন্দ্রের শিশুরা জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে তারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ওই আশ্রয় কেন্দ্রের তিন বালক ও দুই বালিকা প্রথম সোস্যাল জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের কাছে এ অভিযোগ করে। পরে তারা থানায় এফআইআর করেছে।
শিশুদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আশ্রয় কেন্দ্রের মালিক ৭০ বছরের এক সাবেক সেনাসদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।
শিশুদের অভিযোগ, সদনের এক বালক যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা গেছে। আরেক শিশুকে যৌন নিপীড়নের সময় দেয়ালে জোরে মাথা ঠুকে তার মৃত্যু হয়। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে তৃতীয় আরেক শিশুকে রাতে বাইরে থাকতে বাধ্য করা হলে সেখানে সে মারা যায়।
ওই আশ্রয় কেন্দ্রটি ১৯৯৫ সাল থেকে নিবন্ধিত এবং কেন্দ্র পরিচালনার জন্য নিয়মিত তহবিল পায়। সেখানে ৪২ বালক এবং ৫৮ বালিকা বসবাস করে। তাদের বেশিরভাগই শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী, ২০০৩ সাল থেকে তারা সেখানে বাস করছে।
গত ১০ বছর ধরে সেখানে স্থায়ী তত্ত্বাবধায় না থাকায় চারজন শিক্ষক কেন্দ্রটির দেখাশুনা করেন।
সোস্যাল জাস্টিক ডিপার্টমেন্টের পরিচালক কৃষ্ণা মোহন তিওয়ারি বলেন, শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী কয়েকজন শিক্ষার্থী সঙ্গে ইশারা ভাষা বোঝেন এমন একজনকে নিয়ে আমাদের অফিসে আসে। তারা হোস্টেলের মালিকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ লেখা একটি চিঠি দেয়। আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালেক্টর এবং জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাদের চিঠি লিখেছি।
গতমাসে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সব আশ্রয় কেন্দ্র ও এতিম খানার পরিবেশের ওপর নজর রাখতে মাসিক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ইয়েমেনে সৌদি হেলিকপ্টার বিধ্স্ত, পাইলট নিহত

বিদেশের খবর: ইয়েমেনের পূর্বাঞ্চলীয় আল-মাহরান প্রদেশে সৌদি আরবের একটি গোয়েন্দা হেলিকপ্টার বিধ্স্ত হয়েছে। এ ঘটনায় হেলিকপ্টারের পাইলট ও কো-পাইলট নিহত হয়।
আরবী ভাষার ওয়েবসাইট আল-ওমানার খবর অনুসারে, শুক্রবার ইয়েমেনের তানহালা পাহাড়ি এলাকায় গোয়েন্দা অভিযানের সময় হেলিকপ্টারটি বিধ্স্ত হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মুখপাত্র কর্নেল তুর্কি আল-মালিকি জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ বোয়িং এএইচ-৬৪ মডেলের অ্যাপাচি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
ইয়েমেনের কয়েকটি সূত্র বলেছে, তেল-সমৃদ্ধ মাহরান অঞ্চলে সৌদি সেনারা ছড়িয়ে পড়ছে। সম্প্রতি ইয়েমেনের সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদি এ প্রদেশ সফর করেছেন এবং সেখানে তাকে স্বাগত জানান ইয়েমেনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদ আল-জাবের।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest