সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠনচোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ কাটিয়া রেজিস্ট্রি অফিসপাড়ার বাসিন্দারা : মিথ্যা মামলার অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে শােকসাতক্ষীরায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগশ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

এখন আপনিও হতে পারেন ডেইলি সাতক্ষীরার সংবাদকর্মী

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: পাঠক, আপনি নিশ্চয়ই ডেইলি সাতক্ষীরার সংবাদে নিয়মিত চোখ বোলান, পাঠ করেন। আপনারও নিশ্চয়ই ইচ্ছে জাগে আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সংবাদ প্রকাশিত হতে দেখতে। কিন্তু অনেক সময় আপনার আশপাশে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সংবাদের খোঁজ হয়ত আমরা রাখি না। এক্ষেত্রে আপনি নিজেই হয়ে উঠতে পারেন কন্ট্রিবিউটর বা প্রদায়ক। ডেইলি সাতক্ষীরার বার্তা কক্ষে সময়মত সংবাদ ও ছবি পাঠিয়ে আপনিও হতে পারেন আমাদের পরিবারের অংশ। আপনার এলাকার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, সাফল্যসহ সকল সংবাদ সবাইকে জানানোর উত্তম মাধ্যম হতে পারে ডেইলি সাতক্ষীরা। আর এর মাধ্যমে আপনি হয়ে উঠতে পারেন এলাকার উন্নয়নের অংশীদার, এলাকাবাসীর কাছের মানুষ।
আমরা সাতক্ষীরার ৭৮ টি ইউনিয়ন, ২ টি পৌরসভা ও ৮ টি (৭ টি উপজেলা) থানা, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডেইলি সাতক্ষীরার জন্য সংবাদকর্মী খুঁজছি। আপনিও হতে পারেন সমাজের একজন বিবেকবান মানুষ ও সংবাদকর্মী। সাংবাদিকতার মহান পেশায় যুক্ত থাকতে চাইলে পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃতান্তসহ আজই যোগোযোগ করুন আমাদের সাথে।

যোগাযোগ:
ডেইলি সাতক্ষীরা
ই-মেইল: dailysatkhira@gmail.com
মোবাইল: ০১৭৪৬৫৪৫১১৯ ও ০১৯০৮৫০৩৯১৬

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সময় থামাবে মানুষ!

ভিন্ন স্বাদের খবর: সময়কে জয় করার কত চেষ্টাই না করেছে মানুষ। কিন্তু নিজের কাজ ঠিকই করে চলেছে সময়। সবকিছুর মতো মানুষের শরীরের উপরও দাপটের সাথে প্রভাব বিস্তার করে চলেছে। হলিউডের সায়েন্স ফিকশন মুভিতে দেখা যায় সময়ের অনেক পেছনে ফিরে যাবার কিংবা বর্তমানে বসে ভবিষ্যতে ঢুকে পড়ার নানা দৃশ্য। কিন্তু বাস্তবে কি এটা সম্ভব? যদি সম্ভব হতো তবে কত মজাই না হতো। একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থা উপভোগ করতে পারতো।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সময়কে থামানো বাস্তবে সম্ভব নয়। সেটার চেষ্টা করাও বোকামি। তবে আমরা নিজেদের শরীরের প্রক্রিয়াটাকে সময়ের বিপরীতে থামিয়ে দিতে পারি। তাহলেই তো সেটা সময়কে ‘থামিয়ে’ দেয়ার সামিল হবে। একই ‘স্থানে’ আমরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারব বছরের পর বছর। আমাদের প্রকৃতিতে ব্যাঙসহ বেশ কিছু প্রাণীর ‘হাইবারনেশন’ বা শীতনিদ্রা থেকে বিজ্ঞানীরা এই বিষয়টি মাথায় এনেছেন। তারা বলেছেন, তাদের গবেষণা শুরু হয়েছে মূলত দুর্গম এলাকায় যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সেনাদের চিকিত্সার স্বার্থে। হাসপাতালে নেয়ার আগ পর্যন্ত যাতে আহতকে বাঁচিয়ে রাখা যায় সেই প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে তাদের গবেষণায়। আহতকে ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে তার শারিরীক অবস্থার এমন পরিবর্তন করা হয় যাতে শারিরীক প্রক্রিয়াগগুলো ধীরগতিতে হয়। এতে শরীরের ক্ষতস্থানের অবনতিও হবে না। শরীরে প্রয়োগ করা ওষুধ রোগীর আহত হবার সেই মুহুর্তটিকেই ধরে রাখবে, সামনে এগোবে না। তার মানে অনেকটা সময়কে থামিয়ে দেয়ার মতোই!

বিজ্ঞানীরা এই প্রক্রিয়াটিকে বলেছেন বায়োস্টাসিস। আনবিক স্তরে এটি শরীরের জৈবিক প্রক্রিয়াকে বহুগুনে কমিয়ে দিতে পারবে। এতে শরীরের বিপাক এত ধীরগতিতে হবে যে আমাদের শরীর একই অবস্থায় থাকতে পারবে বছরের পর বছর। ৩০ বছর বয়সে কারো উপর এই প্রক্রিয়ার প্রয়োগ হলে অনেক বছর ধরে তার চেহারা কিংবা শারিরীক সক্ষমতা সেই ৩০ বছর বয়সের মতোই থাকবে। তারা বলছেন, মানুষের যৌবন ধরে রাখা তাদের গবেষণার উদ্দেশ্য নয়। গুরুতর আহতকে চিকিত্সা শুরুর আগে যাতে তার মৃত্যু না হয় সেজন্য আহতাবস্থার মুহুর্তটিকে ‘পজ’ করে দেয়া বা থামিয়ে দেয়া। আর মঙ্গল গ্রহ কিংবা বহু আলোকবর্ষ দূরের অন্য কোনো গ্রহে যদি মানুষকে যেতে হয় তবে এভাবেই সময়কে থামিয়ে দিতে হবে। নইলে সেখানে পৌছানোর আগেই তার মৃত্যু হবে। যাহোক তাদের এই গবেষণা সফল হবে কি না সেটা সময়ই বলে দেবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সিপিএলে মাহমুদউল্লাহদের প্রথম জয়

খেলার খবর: সিপিএলের এবারের আসরে প্রথমবারের মতো সুযোগ পেয়ে ব্যাটিংয়ে খুব একটা ভালো করেননি মাহমুদউল্লাহ। তবে সহজেই ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সকে হারিয়েছে তার দল সেন্ট কিটস ও নেভিস প্যাট্রিয়টস।
হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করা সেন্ট কিটস ও নেভিস দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছে ৪২ রানে। ২০৩ রান তাড়ায় ত্রিনবাগো থমকে যায় ১৬১ রানে।
ছয় নম্বরে নেমে একটি করে ছক্কা-চারে ১০ বলে ১৬ রান করেন মাহমুদউল্লাহ। ঝড় তোলার আগেই তাকে বোল্ড করে ফেরান অফ স্পিনার সুনিল নারাইন।
কুইন্স পার্ক ওভালে বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে শুরু হওয়া ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ডেভন টমাসের ফিফটিতে বড় সংগ্রহ গড়ে সেন্ট কিটস ও নেভিস। কিপার-ব্যাটসম্যান টমাস ৩৪ বলে করেন ৫৮।
শেষ দিকে ১৫ বলে ৫ ছক্কা ও ১ চারে ৪১ রানের টর্নেডো ইনিংসে দলের সংগ্রহ দুইশ রানে নিয়ে যান অধিনায়ক কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। ওপেনার ক্রিস গেইল ৩০ বলে করেন ৩৫।
বড় রান তাড়ায় শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ত্রিনবাগো। প্রথম ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্যে কেবল ত্রিস মানরো (৩১) ও ড্যারেন ব্রাভো (৪১) যান দুই অঙ্কে। শেষের দিকে কেভন কুপারের (৪২*) ঝড়ো ব্যাটিংয়ে পরাজয়ের ব্যবধান কমায় দলটি।
এক ওভার বোলিং করে পাঁচ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন মাহমুদউল্লাহ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাস আছে চালক নেই!

বাস আছে চালক নেই!

কর্তৃক daily satkhira

দেশের খবর: শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের পর পরিবহন ব্যবস্থায় শুরু হয়েছে ‘শুদ্ধি’ অভিযান। বিশেষ করে গণপরিবহনে এই অভিযানের প্রভাব বেশি। যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, ফিটনেস ও রুট পারমিট সনদ ছাড়া কোনও পরিবহন রাস্তায় নামতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি সঠিক লাইসেন্স ছাড়াও কোনও চালককে গাড়ি চালাতে দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের পাশাপাশি পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠনগুলোও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তারা টার্মিনালগুলোর টার্নিং পয়েন্টে চেক পোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র দেখছেন। এ অবস্থায় সঠিক কাগজপত্রধারী পরিবহন থাকলেও চালক পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে বেকায়দায় রয়েছেন অনেকেই। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন অথরিটির (বিআরটিএ) হিসাব অনুযায়ী চলতি বছরে ৩১ জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে রেজিস্ট্রেশনধারী পরিবহন রয়েছে ৩৫ লাখ ৮২ হাজার ৪৬০টি। এই পরিবহনের মধ্যে শুধু সাড়ে ২২ লাখই হচ্ছে মোটরসাইকেল। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে ১১ লাখ ৬০ হাজার ৮৩টি যানবাহন। এসব যানবাহনের মধ্যে তিনটি ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহনের জন্য রাজধানী গণপরিবহন রয়েছে গণপরিবহন রয়েছে ৬৬ হাজার ২৩৫টি। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতেই রয়েছে ৪৪ হাজার ৭১৪টি। এর মধ্যে বাস ৪৫ হাজার ৩৪৭টি, মিনিবাস ২৮ হাজার ৬৩টি ও হিউম্যান হলার ১৮ হাজার ২৫টি। কিন্তু এ পরিমাণ লাইসেন্সধারী চালক নেই।
আইন অনুযায়ী এধরনের গণপরিবহন চালাতে হলে চালকের অবশ্যই পাবলিক সার্ভিস ভেহিক্যাল (পিএসভি) সনদ লাগবে। তবে এর বিপরীতে বিআরটিএ অনুমোদিত পিএসভি লাইসেন্সধারী পরিবহন চালক রয়েছেন মাত্র ১০ হাজার ২৫৬ জন। এ হিসেবে একজন চালক একটি করে বাস চালালেও বাকি ৫৫ হাজার ৯৭৯টি গাড়ি চালানোর উপযোগী চালক নেই। এর বাইরেও একই নম্বরধারী একাধিক পরিবহনসহ অনেক রেজিস্ট্রেশনবিহীন পরিবহন রয়েছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এতদিন ভারি যানবাহন (বাস/ট্রাক ইত্যাদি)চালানোর সনদ থাকলে একজন চালক গণপরিবহন (বাস)চালাতে পারতেন। এতে তেমন কোনও বাধাও ছিল না। এতদিন পিএসভি সনদের জন্য কাউকে আটক করা হতো না। অনেক চালক বিষয়টি সম্পর্কে ঠিকমতো জানতেনও না। যদিও বিআরটিএ’র বিধিমালায় বিষয়টি ছিল, কিন্তু এর প্রয়োগ তেমন একটা কার্যকরী ছিল না। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পর চালু করা বিশেষ ট্রাফিক সপ্তাহে পিএসভি সনদের বিষয়টি সামনে আসায় মারাত্মক বিপত্তির মধ্যে পড়েছেন বাসচালকরা।ট্রাফিক সার্জেন্ট ও পরিবহন মালিকরা বিষয়টি এখন কড়াকড়িভাবে দেখার কারণে এই সনদের অভাবে বাসের স্টিয়ারিংয়ে হাত রাখতে পারছেন না অনেক চালক।
অপরদিকে বেসরকারি হিসাবে সারাদেশে যানবাহনের চালকের সংখ্যা ৫০ লাখের বেশি হলেও চালক রয়েছে কমপক্ষে ৭০ লাখ। এসব চালকের মধ্যে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিআরটিএ অনুমোদিত সনদ রয়েছে ১৮ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৬ জনের। এরমধ্যে পেশাদার চালক ৮ লাখ ৩০ হাজার ৯০ জন। আর অপেশাদার ১০ লাখ ৩৯ হাজার ৭২৬ জন। কিন্তু সব মিলিয়ে অবশিষ্ট সাড়ে ৫১ লাখ অবৈধ ও অদক্ষ চালকই সড়কে নৈরাজ্যের মূল কারণ।
তবে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘গণপরিবহনের চালকদের অধিকাংশের সঠিক লাইসেন্স (সনদ) নেই। অনেক চালকের লাইসেন্স ভুয়া। তারা কোনও পরীক্ষা ছাড়াই বিআরটিএর কর্মকর্তা ও দালালদের মাধ্যমে এসব লাইসেন্স তৈরি করেছে। এই ভুয়া লাইসেন্সগুলো কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে নেই। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন আর আমাদের দাবির মুখে পুলিশ এখন একটু কঠোর হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার নগরীর বিভিন্ন স্থানে পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, ট্রাফিক সার্জেন্টরা পিএসভি সনদের জন্য চালকদের আটকে দিয়েছেন। কেউ কেউ মামলাও দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ মামলা না দিলেও চালকদের সতর্ক করেছেন। তাছাড়া বর্তমানে গণপরিবহন চালানো চালকদের অনেকেরই লাইন্সে ভুয়া। তবে চালকরা বলছেন তারা পরীক্ষা না দিয়ে বিআরটিএতে বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে লাইসেন্স সংগ্রহ করছেন। কিন্তু এসব লাইসেন্স বিআরটিএ নির্ধারিত ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত নেই। যে কারণে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা তাদেরকে আটকে দিচ্ছেন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন,‘আমাদের যে পরিমাণ পরিবহন আছে সে পরিমাণ চালক নেই। চালকের অনেক চালক সংকট রয়েছে। আমরা সরকারকে বলেছি আমাদেরকে চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য একটা ইনিস্টিটিউট করে দেওয়ার জন্য। আমরা এও বলেছি ঢাকায় না হলেও অন্তত ঢাকার আশেপাশে যদি আমাদেরকে কিছু জমি দেওয়া হয় তাহলে আমরা নিজ উদ্যোগে হলেও একটা ইনিস্টিটিউট স্থাপন করে দক্ষ চালক তৈরি করতে চাই। কিন্তু সেটা হচ্ছে না।’
একই কথা বলেন, সায়েদাবাদ আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কালাম। তিনি বলেন, ‘বৈধ লাইসেন্সধারী চালকের অভাব। গাড়ি বসে আছে। রাস্তায় নামানো যাচ্ছে না।’
জানতে চাইলে বিআরটিএ’র উপ-পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার-১) শেখ মো. মাহবুব-ই রাব্বানী বলেন,‘বাণিজ্যিকভাবে যদি কোনও পরিবহন যাত্রীবহন করে তবে তাকে অবশ্যই পিএসভি সনদ নিতে হবে। এই সনদ ছাড়া পরিবহন চালানো বেআইনি।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা গেছে অনেক বাসই টার্মিনালের ভেতরে বসে আছে। অনেক বাসের সঠিক কাগজপত্র থাকলেও চালকের সঠিক লাইসেন্স না থাকায় রাস্তায় বের হতে পারছে না। নাজিম উদ্দিন নামে একজন চালক বলেন, ‘৮ হাজার টাকা খরচ করে একটি ভারি গাড়ি চালানোর লাইসেন্স সংগ্রহ করেছি। এজন্য কোনও পরীক্ষা দেই নাই। এখন শুনি এটা নাকি জাল। কাল ট্রাফিক পুলিশ ধরেছে। বলেছে,এই লাইসেন্স ভুয়া। সঠিক লাইসেন্স ছাড়া রাস্তায় না নামতে বলেছে।’
ওই চালক বলেন, শুধু আমি নই,এমন অনেক চালক আছে যারা কোনও পরীক্ষা ছাড়াই লাইসেন্স সংগ্রহ করেছে। এখন দেখি যারা পরীক্ষা না দিয়ে লাইসেন্স নিয়েছে তাদেরগুলো ভুয়া। তাদের লাইসেন্সের ডাটা বিআরটিএতে নেই। সে কারণে পুলিশ ধরে। আমরা রাস্তায় বাস নিয়ে যেতে পারছি না। এখন নতুন করে লাইসেন্স করতে গেলেও শুরু থেকে প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। অনেক দিন সময় লাগবে।
গত ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের সামনের বিমানবন্দর সড়কে জাবালে নূর পরিবহনের বাসচাপায় শহীদ রমিজউদ্দীন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম ওরফে রাজীব ও একই কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম ওরফে মিম নিহতের ঘটনায় দেশ জুড়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের মুখে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় সরকার। পাশাপাশি পুলিশ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা সড়কে কড়াকড়ি শুরু করে।
সঠিক লাইসেন্স ছাড়া কোনও পরিবহন রাস্তায় না চলাচল করতে বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) থেকে টার্মিনাল থেকে বের হওয়ার পথে অভিযান শুরু করেছে ঢাকাভিত্তিক পরিবহন মালিকদের সংগঠন ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি ও কয়েকটি শ্রমিক সংগঠন। এ সময় ৫টি পরিবহনের সাংগঠনিক রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়। বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য চারটি ভিজেলেন্স কমিটিও গঠন করে মালিক সমিতি। পাশাপাশি সড়কেও ট্রাফিক পুলিশও কঠোরভাবে কাগজপত্র চেক করছে। এ অবস্থায় অনেক পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র থাকলেও চালক পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ধর্ম ত্যাগ করে পর্ণস্টার হলেন ইয়াসমিনা আলি

বিনোদনের খবর: পর্ণছবিতে কাজ করতে এসে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটাই নাম, ইয়াসমিনা আলি৷ সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এই আফগানি তরুণী যেসব কথা বলেছেন তার জন্যই চর্চায় ইয়াসমিনা৷

ওই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তার বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে তাঁর জন্ম৷ সেসময় দেশের বেশিরভাগ স্থানেই তালিবানি সন্ত্রাস কায়েম ছিল৷ যদিও পরে তিনি ৯বছর বয়সে ব্রিটেনে চলে আসেন৷ বর্তমানে ইয়াসমিনা পর্ণ ছবির দুনিয়ায় খুবই পরিচিত এক নাম৷

ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে ইয়াসমিনা জানান, ইসলাম এবং তার কালো অধ্যায়ের বিষয়ে তিনি অনেক কিছু জানেন৷ পোশাকের ওপর কড়াকড়ি রয়েছে, নিয়ম ভঙ্গ করলে শারীরিক দণ্ড ও দেওয়া হয়৷ জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়৷ সবথেকে খারাপ পরিস্থিতিতে ইসলামের ভূমিকা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি৷

ইয়াসমিন আলি জানান, তাঁর বাবা-মা তাকে জানিয়েছেন,যে কোনও কিছুর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ইসলাম৷ এমনকি মা-বাবা এবং সন্তানের মধ্যে ভালোবাসার থেকেও তার মূল্য অনেক বেশি৷ এই দর্ম অনুযায়ী তার বাবা-মা তাকে কি পোসাক পরা উচিত সেই নির্দেশ দিতেন৷ আলি জানান, নরকে যাওয়ার ভয়ের মধ্যেই বড় হয়েছেন তিনি৷

প্রতিটি আধুনিক বিষয়কে ঘৃণার চোখে দেখতে শিখিয়েছে তার অভিভাবক এমনটাই বলেন তিনি৷ সভ্য এবং ধর্মনিরপেক্ষ পরিস্থিতিকেও ঘৃণার চোখে দেখাতে শেখান৷ আর তার এই বক্তব্য ইতিমধ্যেই তাকে সংবাদ শিরোনামে তুলে এনেছে৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পেঁয়াজের মূল্য টনে ৫০ ডলার বাড়ালেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

বিদেশের খবর: ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা পেঁয়াজের রফতানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার (১০ আগস্ট) থেকে টন প্রতি ৫০ ডলার করে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা। শনিবার (১১ আগস্ট) থেকে বাড়তি মূল্যেই পেঁয়াজের এলসি খুলেছেন আমদানিকারকরা। শনিবার দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আসন্ন ঈদুল আজহাকে ঘিরে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়ায় বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি বাড়িয়ে দিয়েছেন আমদানিকারকরা। পেঁয়াজ রফতানিতে ন্যূনতম রফতানি মূল্য নির্ধারণ না থাকায় পূর্বে বন্দর দিয়ে প্রতিটন পেঁয়াজ আমদানি করা হতো দুইশ থেকে আড়াইশ মার্কিন ডলার মূল্যে। বর্তমানে দেশের বাজারে পেঁয়াজের বাড়তি চাহিদাকে ঘিরে দাম কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন ভারতীয় ব্যবাসয়ীরা। শুক্রবার থেকে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য টনপ্রতি ৫০ মার্কিন ডলার করে বাড়িয়ে দিয়েছেন তারা। দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে বাড়তি মূল্যেই পেঁয়াজ আমদানি করা হচ্ছে।’ তবে পেঁয়াজের রফতানি মূল্য বাড়ার কারণে দাম কিছুটা বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।

হিলি স্থলবন্দরের অগ্রনী ব্যাংকের ম্যানেজার আকতারুজ্জামান জানান, বেশ কিছু দিন ধরে পেঁয়াজের এলসি প্রতিটন প্রকারভেদে দুইশ থেকে আড়াইশ মার্কিন ডলার মূল্যে খোলা হলেও এখন ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম কিছুটা বাড়ার কারণে প্রতিটন পেঁয়াজ আড়াইশ থেকে তিনশ মার্কিন ডলার মূল্যে এলসি ওপেন করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ভি এস নাইপল আর নেই

সাহিত্য ও সংস্কৃতি: নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ভি এস নাইপল (৮৫) মারা গেছেন। তার স্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছে ব্রিটেনের প্রেস অ্যাসোসিয়েশন।

স্যার ভি এস নাইপলের জন্ম ত্রিনিদাদে, ১৯৩২ সালে। ত্রিনিদাদের কুইন্স রয়াল কলেজে পড়াশুনা শেষে ১৯৫০ সালে সরকারের বৃত্তি নিয়ে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হন। এর পরের বছরই তার প্রথম বই প্রকাশিত হয়।

‘এ বেন্ড ইন দ্য রিভার’ ও সবচেয়ে আলোচিত ‘এ হাউস ফর মিস্টার বিশ্বাস’ সহ প্রায় ৩০ এর বেশি বই লিখেছেন তিনি। ২০০১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
খালেদা জিয়ার জামিন বহাল

দেশের খবর: কুমিল্লায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বহাল রয়েছে। এ জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সগীর হোসেন বলেছেন, আপিল বিভাগের এ আদেশের ফলে ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রইল।

এর আগে ওই মামলায় খালেদা জিয়াকে দেওয়া হাইকোর্টের জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের ওপর গত বৃহস্পতিবার শুনানি হয়। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আদেশের জন্য আজ দিন ধার্য করেন।

এর আগে ৬ আগস্ট কুমিল্লায় বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় খালেদা জিয়া ছয় মাসের জামিন পান। খালেদা জিয়ার করা আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।আইনজীবী সূত্র বলেছে, ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপে আট যাত্রীর মৃত্যুর হয়। এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলায় হয়। একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলা, অপরটি হত্যা মামলা।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দিয়ে রায় দেন বিচারিক আদালত। এরপর থেকে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest