সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠনচোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ কাটিয়া রেজিস্ট্রি অফিসপাড়ার বাসিন্দারা : মিথ্যা মামলার অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে শােকসাতক্ষীরায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগশ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

প্রেমিকাকে পাঁচ বন্ধু মিলে ধর্ষণ!

বিদেশের খবর: এক নাবালিকার সাথে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল রাজু মান্ডি নামের এক যুবকের। এরপর বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাকে একদিন বাড়ি থেকে নিয়ে যায় ওই যুবক।

স্থানীয়রা জানান, চলতি মাসের ৬ তারিখ থেকে মেয়েকে নিখোঁজ দেখে আত্মীয়দের বাড়িতে খোঁজ করছিলেন ওই নাবালিকার মা। কোথাও কেউ তাঁর সন্ধান পাচ্ছিলেন না। পরে ৮ অাগস্ট ভারতের খড়গপুরের ২ নম্বর ব্লকের কয়তা গ্রামের ওই আদিবাসী কিশোরীর মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছিলেন। পুলিশও খোঁজ শুরু করে।

এরই মাঝে ৯ অাগস্ট গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে রাস্তার পাশে ওই নাবালিকাকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের কাছে খবর পেয়ে পুলিশ ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে পুলিশের কাছে ওই নাবালিকা সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।

পুলিশ বলছে, পুরনো প্রেমের সম্পর্ক থেকেই রাজু মান্ডি ওই কিশোরীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিয়ে ডেকে নিয়ে যায়। ৬ অাগস্ট রাজুর সঙ্গে বেরিয়ে পড়ে ওই কিশোরী। রাজু সন্ধ্যার সময়‌ গ্রামের পাশে একটি পাম্প হাউসে তাকে নিয়ে ওঠে। সেখানে রাতে তাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ করেছে কিশোরী। পরে আরো পাঁচ বন্ধু মিলে তাকে ধর্ষণ করে বলেও অভিযোগ করেছে কিশোরী।

সেদিন থেকে তিন দিন ধরে ওই পাম্প হাউসে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ চালায় ছয়জন আদিবাসী যুবক। পরে ওই নাবালিকার পরিস্থিতি খারাপ মনে হওয়ায় রাস্তার পাশে ফেলে পালায় তারা।

কিশোরীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাজু মান্ডিসহ চার যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বাকি দু’জন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফেসবুকে গুজব ঠেকাতে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন!

বিদেশের খবর: মিশরে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ঠেকাতে টেলিভিশনে সতর্কতামূলক বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়েছে। এসব বিজ্ঞাপনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপনি যা দেখবেন, তার সবটাই বিশ্বাস করবেন না। এর কোনও খবর শেয়ার করার আগে তার সত্যতা যাচাই করে নিন। খবর জানার জন্য বিশ্বাসযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য মাধ্যমের ওপর নির্ভর করুন। খবর বিবিসি’র।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত একটি বিজ্ঞাপনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আটটি গুজব ছড়ানোর বিষয় তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ফেসবুকসহ সামাজিক মাধ্যম মিথ্যার একটি প্ল্যাটফরম।
দেশটিতে সবশেষ ছড়ানো গুজব হলো, একটি মানব পাচারকারী দল তিনটি শিশুকে কায়রোতে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর হত্যা করেছে। নিরাপত্তা বাহিনীকে উদ্ধৃত করে এটি গুজব বলে উল্লেখ করা হয় একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত বিজ্ঞাপনে।
দেশটিতে তিন মাসে ২১ হাজার গুজব ছড়িয়েছে উল্লেখ করে এক জনসমাবেশে প্রেসিডেন্ট আবদুল ফাত্তাহ আল-সিসি এর বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এরপর থেকে গুজবের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশকে রুট ধরে বন্য প্রাণী পাচার

দেশের খবর: বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে বিদেশ থেকে বন্য প্রাণী পাচার হয়ে আসার ঘটনা ঘটেই চলেছে। আকাশপথে এসে সড়কপথে প্রাণীগুলো চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেখান থেকে চলে যাচ্ছে ভারত, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, চীন, সিঙ্গাপুরের মতো দেশে।

গত ছয় বছরে পাচার হয়ে আসা ৮ হাজার ২৪৭টি বন্য প্রাণী ধরা পড়েছে। গত সাত মাসে দুটি পাচারের ঘটনায় সিংহ ও চিতাবাঘের শাবক এবং জেব্রা জব্দ করেছে পুলিশ। এ ছাড়া ৬ আগস্ট বিমানবন্দরের কার্গো এলাকা থেকে বানর, লাভ বার্ডসহ ৭৬৯টি বন্য প্রাণী জব্দ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ঢাকা, সীমান্ত ঘেঁষা জেলা কিংবা দেশের মধ্যাঞ্চলে চিতাবাঘ, সিংহ, কুমির, জেব্রা, বানর, ছোট লাভ বার্ড হরহামেশাই ধরা পড়ছে। কিন্তু পাচারকারীরা থেকে যাচ্ছে আড়ালে। ধরা পড়লেও দ্রুত জামিনে বের হয়ে যায়।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর এবং চলতি বছরের ৮ মে দুটি আলাদা ঘটনায় যশোর জেলায় নয়টি জেব্রা, দুটি সিংহ ও দুটি চিতা বাঘের শাবক জব্দ করে পুলিশ। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাচারকারীদের শনাক্ত করা যায়নি। তবে এই ১৩টি প্রাণী পাচারের ঘটনা তদন্তে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব প্রাণীর মধ্যে বর্তমানে ১০টি বেঁচে আছে বলে জানা গেছে। ইতিমধ্যে একটি জেব্রা ও চিতাবাঘের দুটি শাবক মারা গেছে।বন সংরক্ষক মো. জাহিদুল কবিরকে (বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষক অঞ্চল) আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের ওই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে বন মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের একজন, যশোর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বন অধিদপ্তরের দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সদস্য করা হয়েছে। গত ৬ জুলাই গঠিত এই কমিটিকে সরেজমিন তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও প্রতিষ্ঠানকে শনাক্ত করে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্য প্রাণী আমদানি-রপ্তানি করতে পারে না। এ জন্য সাইটিসের (বিলুপ্ত নয় এমন প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণী রপ্তানিতে দেওয়া সনদ) ছাড়পত্র প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে এই ছাড়পত্র দিয়ে থাকে বন অধিদপ্তর। তবুও এই ছাড়পত্র ছাড়া এ দেশে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বন্য প্রাণী অবৈধভাবে আনা হচ্ছে আকাশপথে। ২০১২ থেকে ২০১৮ সালের জুলাই পর্যন্ত বন অধিদপ্তরের বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জব্দ করে ৮ হাজার ২৪৭টি বন্য প্রাণী। এর মধ্যে কচ্ছপ ৭ হাজার ২০টি, পাখি ১ হাজার ৬৭টি ও স্তন্যপায়ী প্রাণী ১৬০টি। এ ছাড়া চলতি বছরের ৭ আগস্ট বিমানবন্দরের কার্গো এলাকা থেকে ৭৬৯টি বন্য প্রাণী জব্দ করে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট।

বন বিভাগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বিমানবন্দরে যে কচ্ছপগুলো জব্দ করা হয়, সেগুলোর বেশির ভাগই ভারত থেকে আনা হয়েছে। আর বাঘ, সিংহ, বানরসহ স্তন্যপায়ী বন্য প্রাণীর অধিকাংশ আনা হয় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। দেশে আনার পর এগুলোকে স্থায়ীভাবে কোথাও রাখা হয় না। কার্গো বিমানে পাচার করে আনার পর ভুয়া ঠিকানা, জাল কাগজপত্র দেখিয়ে দ্রুত বিমানবন্দর থেকে খালাস করা হয়। সেখান থেকে ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করানো হয়। প্রথমে প্রাণীগুলোকে রাখা হয় রাজধানীর উত্তরা ও আশপাশের এলাকায়। পরে সুযোগ বুঝে সেগুলো সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করা হয়। তবে কচ্ছপগুলো আকাশপথে চীন, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পাচার করা হয়। সেখানে ছোট কচ্ছপের খোলস দিয়ে গয়নার বাক্স ও পার্স তৈরি করা হয়। কচ্ছপের মাংস দিয়ে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের হোটেল-রেস্তোরাঁয় স্যুপ বানানো হয়। কর ফাঁকি দিতে বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করে বাঘ, সিংহের মতো বন্য প্রাণীগুলো পাচার করা হয় ভারতে।
৬ আগস্টের অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া সহকারী বন সংরক্ষক আবু নাসের মহসিন হোসেন প্রথম আলোকে জানান, ঢাকার দক্ষিণ গোরান এলাকার ইনফোবিজ ইন, ভাটারার বিডি ইনোভেটিভ লাইভস্টকস ও উত্তরা এলাকার সজীব এন্টারপ্রাইজ নামের তিনটি প্রতিষ্ঠান জব্দ হওয়া এসব বন্য প্রাণী দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমদানি করেছিল। তিনটি প্রতিষ্ঠানই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে এসব প্রাণী আমদানি করে।

গত ৮ মে যশোরের শার্শা উপজেলায় এক গরুর হাট থেকে জব্দ করা হয় নয়টি জেব্রা। এর মধ্যে একটি মারা যায়। পরে ১০ মে আটটি জেব্রা ছাড়া হয় গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে। পাচারের শিকার কিছু প্রাণী জব্দ করা গেলেও সেগুলোর বেশির ভাগকে বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। ২০১৩ সালে বিমানবন্দরে জব্দ হওয়া ১৭০টি প্রাণীর মধ্যে টিয়া ও কমন মারমুসেট মাংকি (ছোট বানর) ছিল। সেগুলোকে জব্দ করে প্রথমে গাজীপুরের জয়দেবপুরের ভুরুলিয়ায় বন বিভাগের অস্থায়ী উদ্ধার কেন্দ্রে রাখা হয়। সেখানে বেশির ভাগ প্রাণী মারা যায়। এক বছর পর কয়েকটি বানর ও পাখি আনা হয় বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে। এর মধ্যে পাখি ছাড়া বানরগুলোও মারা যায়। গত বছরের নভেম্বরে যশোরে ধরা পড়া প্রাণীর মধ্যে চিতা বাঘের দুটি শাবক সাফারি পার্কে মারা গেছে।
উপপ্রধান বন সংরক্ষক জহির উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বন্য প্রাণী পাচার বিলিয়ন ডলারের একটি ব্যবসা। পাচারকারীরা আমাদের রুট ব্যবহার করে। এটার সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র আমদানির বিষয়টিও সম্পৃক্ত আছে। বাংলাদেশকে রুট হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। আমাদের এখানে চাপ সৃষ্টি করলে হয়তো এই রুট পরিবর্তন করবে পাচারকারীরা। আমরা সক্রিয় দেখেই বন্য প্রাণীগুলো ধরা পড়ছে। এর মূলে কারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’

দায়সারা তদন্ত, আসামিরা জামিনে মুক্ত
জেব্রা, সিংহ ও চিতাবাঘের বাচ্চা জব্দের দুটি ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে যশোর জেলা পুলিশ। জেব্রা পাচার মামলায় চারজন ও সিংহ ও চিতাবাঘের বাচ্চা পাচারের মামলায় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। দুটি মামলাতেই রানা, কামরুজ্জামান, মুক্তি ও ইয়াসিন নামের চারজন আসামি হিসেবে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে প্রধান আসামি ইয়াসিন। এর বাইরে সিংহ ও চিতাবাঘের বাচ্চা পাচারের মামলায় ঢাকার মিরপুর ১২ নম্বর এলাকার সৈয়দ আলী শাহবাজ নামে এক ব্যক্তির নাম আসামির তালিকায় আছে। মামলার অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয় শাবক বহনকারী প্রাডো গাড়ির মালিককে।

১৩ নভেম্বর যশোর শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট মোড় থেকে চিতাবাঘ, সিংহের শাবকসহ রানা ভূঁইয়া ও কামরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা জানান, জসিম নামের এক ব্যক্তি চিতা ও সিংহ শাবকগুলো তাঁদের যশোরে নিয়ে যেতে বলেন। রাজধানীর উত্তরা জসীমউদদীন সড়ক থেকে কয়েকটি খাঁচাসহ প্রাডো গাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় ভাড়া নেন।
তবে কারাগারে পাঠানোর কয়েক দিন পর জামিনে মুক্তি পান কামরুজ্জামান ও রানা ভূঁইয়া। চিতাবাঘ ও সিংহের বাচ্চা কীভাবে সীমান্তে গেল, তা-ও তদন্তে উঠে আসেনি।
যশোর জেলা পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান বলেন, ইদ্রিস আলী ও মুক্তি নামের দুই ব্যক্তি যশোরে প্রাণী পাচারের পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেন। তাঁরা শুধু বন্য প্রাণী পাচার নয়, চোরাচালানের সঙ্গেও জড়িত। সিংহ ও চিতাবাঘ পাচারে ব্যবহৃত প্রাডো গাড়িটি আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছিল। গাড়িটি চোরাই ছিল। কিন্তু আদালতের আদেশ নিয়ে মালিক গাড়িটি ছাড়িয়ে নিয়ে যান।
যশোর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার প্রধান আসামি ইয়াসিন চার্জশিট জমা দেওয়ার আগে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। তবে ইয়াসিনের ব্যাপারে আনিসুর রহমান বলেছেন, তাঁর (ইয়াসিন) নামে ইন্টারপোলে রেড অ্যালার্ট জারি করা আছে।
পাচার মামলার আসামি ‘প্রাণীরক্ষক’!
২০১৩ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৭০টি বন্য প্রাণী ও পাখি আটক করেছিল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। পাকিস্তানের করাচিতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কেনা হয়েছিল। কিন্তু করাচিতে না নিয়ে কাতার এয়ারওয়েজে করে ঢাকায় আনা হয়। এ ঘটনায় নাজমুল হুদা নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করে বিমানবন্দর থানায় বন্য প্রাণী আইনে একটি মামলা করে বন বিভাগ। ওই মামলার নিষ্পত্তি এখন পর্যন্ত হয়নি।
২০১৩ সালের ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন নাজমুল হুদা। পরে এই নাজমুল হুদাকেই গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের পশুপাখি দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছিল বন বিভাগ। তৎকালীন বন সংরক্ষক তপন কুমার দে তখন দাবি করেছিলেন, নাজমুল হুদা পশুপাখি পালনে ‘নিবেদিতপ্রাণ’ ও ‘অভিজ্ঞ’।
পাশাপাশি দরপত্র ছাড়াই বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের প্রাণী দেখভালের দায়িত্ব পায় নাজমুলের মালিকানাধীন রাজু ট্রেডার্স। ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাফারি পার্কে ম্যাকাও ল্যান্ড, অ্যাকুরিয়াম, প্যাডেল বোট রাইডিং, ময়ূর শেড, শকুন, ধনেশ ও প্যারট অ্যাভিয়ারির টিকিট বিক্রির দায়িত্বে ছিল নাজমুলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রাজু ট্রেডার্স।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আনারসের পুষ্টিগুণ

স্বাস্থ্য কণিকা: মৌসুমী ফল আনারস অসংখ্য গুণে গুনান্বিত। এই ফল যেমন শরীরে পানির চাহিদা মেটায়, তেমনি বাড়তি পুষ্টিগুণ পেতে জুড়ি নেই এর। জেনে নেই আনারসের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে।
১. আনারস আমাদের হজমশক্তি বৃদ্ধি করতে বেশ কার্যকরী। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলিন, যা আমাদের হজমশক্তিকে উন্নত করতে সাহায্য করে। বদহজম বা হজমজনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে প্রতিদিন আনারস খাওয়া অত্যন্ত জরুরি।

২. আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ। ক্যালসিয়াম হাড়ের গঠনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাঙ্গানিজ হাড়কে করে তোলে মজবুত। প্রতিদিনের খাবার তালিকায় পরিমিত পরিমাণ আনারস রাখলে হাড়ের সমস্যাজনিত যে কোনও রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

৩. শুনতে অবাক লাগলেও আনারস আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার এবং অনেক কম ফ্যাট রয়েছে। সকালে আনারস বা সালাদ হিসেবে এর ব্যবহার অথবা আনারসের জুস অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।

৪. আনারস পুষ্টির বেশ বড় একটি উৎস। আনারসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ফসফরাস। এসব উপাদান আমাদের দেহের পুষ্টির অভাব পূরণে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

৫. দেহে রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এই ফল। ফলে শিরা-ধমনির (রক্তবাহী নালি) দেয়ালে রক্ত না জমার জন্য সারা শরীরে সঠিকভাবে রক্ত যেতে পারে। হৃদপিণ্ড আমাদের শরীরে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ করে। আনারস রক্ত পরিষ্কার করে হৃদপিণ্ডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন ৫ সেপ্টেম্বর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর মাওয়ায় পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন।
শনিবার পদ্মা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে সার্ভিস এরিয়া-১ এ এ কথা জানান রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
পরিদর্শন শেষে রেলমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করে দেখান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর মাওয়ায় এসে পদ্মা সেতুর রেল সংযোগের ফলক উন্মোচন করবেন। পদ্মা সেতু নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু তিনি এতটাই দ্রুত প্রত্যয় ছিলেন যে, নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু আজ দৃশ্যমান হয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলো পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেল যাবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, অবশ্যই যাবে। এখন পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেল সংযোগের উদ্বোধন করবেন তিনি। আপনারা দেখবেন পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে রেল চলবে।
মুজিবুল হক বলেন, রেললাইন শুরু হবে ঢাকা থেকে মাওয়া ক্রস করে জাজিরা, ভাঙ্গা, নড়াইল হয়ে যশোর পর্যন্ত। আমরা খুব দ্রুতই কাজ শুরু করবো। যখন অন্যান্য যানবাহন চলবে, তার সঙ্গে যাতে ট্রেন চলে সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের টোল প্লাজা ও চার লেনের কাজের অগ্রগতি ঘুরে দেখেন। এ ছাড়া ফলক উন্মোচনের স্থান নির্ধারণ করেন।
এ সময় মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, রেল সচিব মো. মোফাজ্জেল হোসেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাঈদ মাসুদ, জেলা প্রশাসক সায়লা ফারজানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যশোরে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

দেশের খবর: যশোরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় তাজিম্মুল আলম অভি (২১) নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে যশোর-চুকনগর আঞ্চলিক মহাসড়কের মণিরামপুর পল্লি বিদ্যুৎ অফিসের সামনে এ দুর্ঘঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় মুরাদ হোসেন (১৯) নামে এক ছাত্র গুরুতর আহত হন।
নিহত অভি যশোর সরকারি সিটি কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং মণিরামপুর উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আলম মাস্টারের ছেলে। আহত মুরাদ হোসেন একই এলাকার আব্দুর রহিমের ছেলে।
মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকাররম হোসেন জানান, মৃতদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্বাচনি প্রচারণায় অনলাইনে সর্বোচ্চ জোর দেবে বিএনপি

দেশের খবর: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় নতুন ধরনের গতি আনতে চায় বিএনপি। নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত নাহলেও নির্বাচনি প্রস্তুতি চলছে তুমুলভাবে। ইতোমধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রার্থী তালিকা তৈরির পাশাপাশি নির্বাচনি প্রচার কৌশলে নতুনত্ব আনতে চায় দলটি। এ লক্ষ্যে একটি বিশেষ টিম কাজ করছে গত এক বছরের বেশি সময় ধরে। দলের নির্বাচনি প্রস্তুতি সম্পর্কে অবগত এমন একাধিক দায়িত্বশীল নেতা এ তথ্য জানান।

নির্বাচনি প্রচারণা কৌশল প্রণয়নের সঙ্গে যুক্ত একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানান, নির্বাচনি ইশতেহার প্রণয়নের আগে দলীয় দাবিগুলোকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয় করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০-এর কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।
জানা গেছে, নির্বাচনি ইশতেহারে স্থান পাওয়া সম্ভাব্য বিষয়গুলোকে সারাদেশের নেতাকর্মী, সমর্থক ও ভক্তদের মাধ্যমে মানুষের সামনে তুলে ধরতে চায় বিএনপি। এতে করে সাধারণ মানুষের মনোভাবও ওঠে আসবে, এমন প্রত্যাশা করছেন উদ্যোক্তারা। ইশতেহার তৈরির আগে এসব বক্তব্যগুলোকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করার চিন্তাও আছে তাদের।
দায়িত্বশীলরা বলছেন, আগামী নির্বাচনে অনলাইন প্রচারণাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজে লাগানোর সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যদিও তরুণ নেতা তাবিথ আউয়ালের ভাষ্য— ‘নির্বাচনকালে ইন্টারন্টে নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। সবকিছু মাথায় রেখে কাজ করতে হচ্ছে।’
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য জানান, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের গত ১০ বছরের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরা হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন সেক্টরের দুর্নীতি বিশেষ গ্রাফিক্সের মাধ্যমে পরিসংখ্যানসহ বিবরণী দেওয়া হবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, এনজিও কর্মী, তরুণ রাজনৈতিক কর্মী দেশ ও বিদেশে এ নিয়ে কাজ করছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডন থেকে বিষয়টি তত্ত্বাবধান করছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে টাকা চুরির ঘটনা নিয়েও বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছে বিএনপি। এরপর এবছর বিভিন্ন ব্যাংকের দুর্নীতি নিয়েও বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেনস দলটির নেতারা।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেন, ‘প্রথমত নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। যদি আমাদের দল নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তো সব কাজই শুরু হবে। এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ টেলিভিশন, অনলাইন পত্রিকা, দৈনিক পত্রিকায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হবে। যেন যে মাধ্যমেই চোখ রাখবেন, তিনি যেন বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতিগুলো দেখতে পান।’
স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, ‘দুর্নীতির বাইরে রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক ব্যক্তিদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা, খুন, দলের কর্মসূচিতে বাধা, হামলা ও বিভিন্ন অরাজনৈতিক কর্মসূচিতে আইনশঙ্খলা বাহিনীর হামলার ভিডিও প্রচার করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ বিভিন্নভাবে এসব ভিডিও, তথ্যচিত্রের প্রচার নিশ্চিত করা হবে।’
নির্বাচনি প্রচারণার কৌশল নির্ধারণে কাজ করছেন এমন একজন দায়িত্বশীল জানান, এক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অন্তত কয়েক লাখ দেশি-বিদেশি আইডিকে কাজে লাগানো হবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, বিচার বহির্ভূত হামলার বিষয়গুলোকে তুলে আনা হবে। বিশেষ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে— এমন বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে প্রচারণায়।
চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং-এর সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘ফেসবুক, টুইটার, ব্লগ, ইউটিউবসহ আধুনিক প্রযুক্তিকে সর্বোচ্চ কাজে লাগিয়ে প্রচারণা চালানো হবে। এজন্য বিএনপির একটি গবেষণা টিম কাজ করছে।’
জানা গেছে, অনলাইনে প্রচারণার পাশাপাশি পোস্টার, লিফলেট ও ব্যানার করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাবে বিএনপি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ রমিজ উদ্দিন কলেজের আন্ডারপাসের ভিত্তিপ্রস্তর

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বিমানবন্দর সড়কে শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নিকটে আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং সূত্র জানিয়েছে, ‘আজ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।’
সূত্র জানায়, প্রতিষ্ঠানটির দুই শিক্ষার্থীর সড়ক দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক মৃত্যুর পর প্রধানমন্ত্রী তাঁর অঙ্গীকার অনুযায়ী এই আন্ডারপাস নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
গত ২৯ জুলাই জাবাল-ই-নূর পরিবহনের একটি বাস একই কোম্পানির আরেকটি বাসের সঙ্গে যাত্রী উঠা-নামা নিয়ে প্রতিযোগিতাকালে ধাক্কায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মীম এবং আবদুল করিম রাজিব ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী নিহত দুই শিক্ষার্থীর প্রতি পরিবারকে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র প্রদান করেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য পাঁচটি বাসও হস্তান্তর করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest