টেনিস বিশ্বকাপ চলতি বছরেই শুরু

খেলার খবর: ফুটবল, ক্রিকেট, হকি, রাগবির মতো এবার থেকে টেনিসেরও বিশ্বকাপ উন্মাদনা শুরু হচ্ছে। বিশ্বকাপ ফুটবলের রেশ কাটতে না কাটতেই চলতি বছর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে টেনিসের বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে।
স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ ফুটবলের শিরোপা জেতা জেরার্ড পিকে ফুটবল, ক্রিকেট, হকির মতো টেনিস খেলাতেও বিশ্বকাপ চালুর প্রস্তাব করেন। যদিও কাগজে-কলমে না হলেও টেনিসের বিশ্বকাপ আগে ছিল। ডেভিস কাপ নামে। এবার সেই ডেভিস কাপের নিয়মেই টেনিস বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে।
বার্সেলোনার ফুটবলার জেরার্ড পিকের মালিকানাধীন কসমস গ্রুপ এই নতুন উদ্যোগে বিনিয়োগ করছে। ডেভিস কাপ থেকে অনেকটাই আলাদা এই নতুন টুর্নামেন্ট। নতুন টুর্নামেন্ট নিয়ে আশাবাদী আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি ডেভিড হ্যাগার্টি।
তার বক্তব্য, নতুন এই টেনিস বিশ্বকাপে বিনোদন থাকবে বেশি। ফলে টুর্নামেন্ট হবে অনেক বেশি আকর্ষণীয়।
১৯০০ সালে ডেভিস কাপের জন্ম। প্রথমে টুর্নামেন্টটি ‘আন্তর্জাতিক লন টেনিস চ্যালেঞ্জ’ নামে পরিচিত হলেও ১৯৪৫ সাল থেকে একে ডেভিস কাপ নামে ডাকা হয়। একে টেনিসের বিশ্বকাপ নামেই চেনে সবাই। মাত্র দুটি দেশ থেকে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা এখন একশো ছাড়িয়েছে।
সেই ডেভিস কাপই নতুন করে শুরু হচ্ছে টেনিস ওয়ার্ল্ড কাপ নাম দিয়ে। মোট দেশের সংখ্যা হবে ১৮। এই ১৮ দল নির্বাচিত হওয়ার পদ্ধতিটাও একটু অন্যরকম। আগের বছরের চার সেমিফাইনালিস্ট সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে। তার সঙ্গে বাছাইপর্ব থেকে কোয়ালিফাই করা হবে ১২টি দল। সেই সঙ্গে দুটি দল পাবে ওয়াইল্ড কার্ড। ১৮ দলকে ছয় গ্রুপে বিভক্ত করা হবে।

৬ গ্রুপ সেরা ও ২ সেরা রানার্সআপ মিলে হবে কোয়ার্টার ফাইনাল। সেখান থেকে নকআউট ভিত্তিতে নির্বাচিত হবে বিশ্বকাপের সেরা চার দল, যারা নিশ্চিত করবে পরের বছরের বিশ্বকাপ। এক-একটি ম্যাচ হবে তিন সেটের। নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে টেনিসের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শহীদুল আলমের মুক্তির দাবি ১০ নোবেলজয়ীর

অনলাইন ডেস্ক: ১০ জন নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ড. শহীদুল আলমের অবিলম্বে ও বিনা শর্তে মুক্তির দাবিতে একটি বিবৃতিতে সই করেছেন।
এছাড়া নিরাপদ সড়কে দাবিতে বিক্ষোভের জেরে যেসব শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে তাদেরও অবিলম্বে মুক্তি দেয়ার কথা জানান তারা। এ সময় তারা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি সকল নাগরিকের মানবাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
বিবৃতি দেয়া ১০ নোবেল পুরস্কারজয়ীর মধ্যে ৯ জনই শান্তিতে পদক পেয়েছেন। তাদের কয়েকজন হলেন শিরিন এবাদি, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ডেসমন্ড টুটু, তাওয়াক্কুল কারমান, বেটি উইলিয়ামস, অস্কার এরিয়াস, জোডি উইলিয়ামস। এছাড়া বিশিষ্ট অপর ১৩ ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্রো হারলেম ব্রান্টল্যান্ড, অভিনেত্রী ও অ্যাকটিভিস্ট শাবানা আজমি, শ্যারন স্টোন, চলচ্চিত্র পরিচালক রিচার্ড কার্টিস।
৫ অাগস্ট সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন ফটোগ্রাফার ড. শহীদুল আলমকে তার বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যান আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তাকে আটকের ৭ দিনের মাথায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশে ১২ অাগস্ট শহীদুল আলমকে তার আইনজীবীর উপস্থিতি ছাড়াই কারাগারে পাঠানো হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
প্রধানমন্ত্রী ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে যাবেন

দেশের খবর: জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) নিউইয়র্কে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার এ তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।
তথ্যমতে, ২৩ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকাল সাড়ে ৮টায় আমিরাত এয়ারওয়েজের একটি বিমানযোগে নিউইয়র্কে এসে পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
একইদিন সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটন শহরের হিলটন হোটেল হলরুমে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এক নাগরিক সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিবেন।
এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়সহ বাংলাদেশ সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ সংবর্ধনা সভায় অংশ নেবেন।
জাতিসংঘের ৭৩তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) ভাষণ দেয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও তিনি সাইডলাইনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাতে মিলিত হবেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) সকালে নিউইয়র্ক থেকে লন্ডনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করবেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এবারের যুক্তরাষ্ট্র সফরে ওয়াশিংটনে আসার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ

অনলাইন ডেস্ক: প্রচলিত ম্যাসেজিং অ্যাপগুলির মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপ অন্যতম৷ তবে এতদিন অ্যাপটির ব্যবহারিক দিক থেকে কোন সীমাবদ্ধতা ছিল না৷ কিন্তু ইউরোপিয় অঞ্চলগুলির বেশ কিছু জায়গায় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট বয়সসীমা৷
তাই সম্প্রতি সব দেশেই এটি ব্যবহারে বয়সসীমা নির্ধারণ করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। হোয়াটসঅ্যাপের নির্দেশিকা অনুযায়ী ইউজারের বয়স হতে হবে ১৬ বছরের উর্দ্ধে৷ কারণ অ্যাপটিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় বয়সের বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে৷ অন্যদিকে, ভারত বা বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলিতে হোয়াটসঅ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের জন্য ইউজারের বয়স হতে হবে কমপক্ষে ১৩ বছর৷
পাশাপাশি ভুয়া তথ্য দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে রেজিস্ট্রেশনের ঘটনাও কম নয়৷ এই ধরণের কার্যকলাপ নীতি লঙ্ঘনকারী বলে বিবেচিত হবে৷ যদি, কোন অনুর্দ্ধ ইউজার বিনা অনুমতিতে হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তবে, তা একটি অপরাধ৷ আইন লঙ্ঘনের বিষয়টি নিয়ে আপনি যদি সচেতন হন, দায়ের করতে পারেন অভিযোগও৷ এই ধরণের সুবিধাও দিতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷
অনুর্দ্ধ ইউজাররা ম্যাসেজিং অ্যাপটিকে ব্যবহার করলে আপনি তাকে কীভাবে হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্ট ডিলিট করতে হয় সেটি শিখিয়ে দিতে পারেন৷ অন্যদিকে, আপনি যদি অনুর্দ্ধ ইউজারদের বিষয়ে কোন তথ্য জানাতে চান সেক্ষেত্রে, মেল করতে পারেন কর্তৃপক্ষকে৷ তবে, অবশ্যই সঙ্গে থাকতে হবে প্রমাণ৷ যেমন-জন্ম তারিখ, মোবাইলের নম্বর ইত্যাদি৷ উপযুক্ত প্রমাণ বন্ধ করতে পারে উক্ত হোয়াটস অ্যাপ অ্যাকাউন্টকে৷ তবে প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলে সেটি সম্ভবপর হবে না৷

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরার কৃ‌তি সন্তান বিচারপ‌তি কামরুল ইসলাম সিদ্দী‌কি আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক: আশাশু‌নি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামের কৃতিসন্তান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন)। শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। শনিবার জোহর নামাজের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে মরহুমের প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার জোহর বাদ দরগাহপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে ২য় জানাজা শেষে আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীকে দাফন করা হবে। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ১৯৫০ সালের ৩০ মে আশাশুনি উপজেলার দরগাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৬ সালে এসএসসি ও ১৯৬৮ সালে এইচএসসি পাশ করেন। পরে ১৯৭৩ সনে স্নাতক (সন্মান) এবং ১৯৭৪ সনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৫ সনে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৭৫ সালের ২৬ ডিসেম্বর মুন্সেফ হিসেবে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসে যোগদান করেন বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। পরবর্তীতে সাব জজ, ডেপুটি সেক্রেটারি, হাইকোর্ট বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২২ আগস্ট ২০০৪ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার ছিলেন। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী ল’ কমিশনের প্রথম সেক্রেটারি এবং ১৯৯৬ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের তৎকালীন আইন উপদেষ্টা প্রয়াত ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমদের একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালের ২৩ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অস্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী। দুই বছর পর তিনি স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। ২০১৭ সালের ২৯ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগ থেকে তিনি অবসর নেন। দায়িত্ব পালনকালে বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী অনেক আন্তর্জাতিক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ট্রেনিং প্রোগ্রাম ও কোর্সে অংশগ্রহন করেন। সেই সুবাদে তিনি নেদারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফ্রান্স, পাকিস্তান, সুইজারল্যান্ড, ভারত, সিঙ্গাপুর, অস্টেলিয়াসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন। বিচারপতি কামরুল ইসলাম সিদ্দিকীর বাবা আব্দুল ওহাব সিদ্দিকী তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের কলকাতায় ৩০ ও ৪০ এর দশকে প্রথিতযশা সাংবাদিক, সম্পাদক ও সাহিত্যিক ছিলেন। তাঁর মাতা বদরুন্নেসা সিদ্দিকী ছিলেন ধর্মপ্রান মানুষ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও আত্মীয় স্বজন সহ অনেক গুনগাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে আশাশুনি উপজেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ঈদের দিনে বৃষ্টির আশঙ্কা

দেশের খবর: আর মাত্র দুই দিন পরেই দেশব্যাপী উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজের পর সারাদিন কোরবানির পশু জবাইয়ের পর কাটাকাটিতে ব্যস্ত থাকেন অনেকে। তবে এ ক’দিন প্রচন্ড গরম পরলেও ঈদের দিনে আবহাওয়া কেমন হবে তা নিয়ে চিন্তিত অনেকে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপও সৃষ্টি হতে পারে। এটির উপর নির্ভর করছে ঈদের দিনসহ আগামী কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়া না হওয়া। তবে ঈদের দিন পশলা বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেদিন রোদ এবং তাপমাত্রাও বেড়ে যাবে খানিকটা। আজ এবং আগামীকাল সোমবার (২০ আগস্ট) বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার পর্যন্ত বেশি বৃষ্টি হলে ঈদের দিন বৃষ্টি কম হতে পারে। তবে আবহাওয়ার ৭২ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়ার কথাই বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।
আবহাওয়া অধিদফতর শনিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ৯টার পূর্বাভাসে জানিয়েছে, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।
শনিবার ঢাকায় ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামীকাল হজ, মিনায় ৩০ লাখ মুসল্লি

বিদেশের খবর: সৌদি আরবে সোমবার পবিত্র হজ। এরই মধ্যে হজ পালনের উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ৩০ লাখ মুসল্লি দুই টুকরো সাদা ইহরাম কাপড়ে শরীর ঢেকে সমবেত হয়েছেন তাঁবুর শহর মিনায়।
কাল থেকেই ‘লাব্বায়িক আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠবে মক্কার আরাফাত ময়দান। এ বছর বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১২২টি দেশের হজযাত্রীরা হজে অংশ নিচ্ছেন। তবে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৬ হাজার ৭৯৮ জন হজ পালনের কথা থাকলেও নানা জটিলতায় ৬০৬ জন আসতে পারেননি।
এরই মধ্যে হজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। মক্কা, মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাত ময়দানে হাজিদের সব ধরনের সহযোগিতা ও নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে সৌদি প্রশাসন।
নারী নিরাপত্তাকর্মীরা হাজিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি পবিত্র কোরআন বিতরণ ও হাজিদের হজের নিয়মকানুন শিখিয়ে দেবেন। হজ চলাকালীন হাজিদের স্বাস্থ্যসেবা দিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক চিকিৎসক দল কাজ করবে। পাশাপাশি হজযাত্রীদের দ্রুত সেবা দিতে কাজ করবে ৩৬১টি অ্যাম্বুলেন্স।
শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে মুসল্লিরা মক্কা নগরী থেকে আট কিলোমিটার দূরের তাঁবুর শহর মিনার উদ্দেশে হেঁটে ও বাসে করে রওনা করেছেন। এর মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো।

আজ রোববার হাজিরা মিনায় অবস্থান করবেন। আগামীকাল সোমবার সূর্যোদয় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরাফাত ময়দানের উদ্দেশে রওনা হবেন হাজিরা। আরাফাত ময়দানে জোহর ও আসর নামাজ একসঙ্গে আদায় করবেন তাঁরা। তারপর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং রাতে সেখানেই অবস্থান করবেন। পথে শয়তানকে নিক্ষেপ করার জন্য পাথর সংগ্রহ করবেন।

হজের এই বিশাল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রশাসনিক প্রতিনিধিদল সৌদি আরব পৌঁছেছেন অনেক আগেই। সেইসঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার জন্য এসেছে চিকিৎসক দল।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নির্দেশ অমান্য করে মহাসড়কে চলছে পশুবাহী ট্রাক

অনলাইন ডেস্ক: নওগাঁর আলিম হোসেন ৪০টি গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানের হাটে। শুক্রবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলী পশুর হাটের ইজারাদারদের নিয়োজিত লোকদের কবলে পড়েন তিনি। আলিমের গরুবাহী ট্রাক থামাতে বাধ্য করেন ইজারাদারদের লোকজন। তাদের বক্তব্য, গরু গাবতলী হাটে নামাতে হবে। কিন্তু আলিম তো যাবেন চট্টগ্রাম। বারবার তিনি বলছেনও সে কথা। কিন্তু কে শোনে কার কথা! এরই মধ্যে দুয়েকজন উঠেও যান গরুবাহী ট্রাকের ওপর। অবশেষে কোনও রকমে ইজারাদারের লোকজনের হাত-পা ধরে এ যাত্রায় পার পান আলিম। তবে রাজধানীর ওপর দিয়ে যাওয়ার পথে আরও অনেক হাট পেরুতে হবে তাকে। তখন কী হবে? এভাবে কতবার অন্যের হাত-পা ধরবো, এমন প্রশ্ন আলিমের। গত কয়েক বছর ধরে কোরবানির ঈদের আগে এমন অভিযোগ অহরহ শুনতে পাওয়া যায় রাজধানীতে।
এমন পরিস্থিতি থেকে পশুবাহী ট্র্রাক ও সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের রক্ষায় একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ২২ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কোরবানির পশুবাহী গাড়ি কোন হাটের উদ্দেশে রওনা হয়েছে সেই স্থান ও বাজারের নাম লেখা ব্যানার লাগাতে হবে গাড়ির সামনে। এটি দেখে পশুবাহী ট্রাককে পথে কেউ আটকাতে পারবে না। জোর করে কেউ কোনও হাটে পশু নামাতে বাধ্য করতে পারবে না। এর ব্যত্যয় ঘটলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিষয়টি প্রতিহত করবে এবং গরু ব্যবসায়ীদের তাদের গন্তব্যে যেতে সার্বিক সহায়তা করবে। ওই সভায় বলা হয়, যে জেলা থেকে পশুবাহী ট্রাকটি বের হবে সেই জেলার পুলিশকেই বিষয়টি দেখভাল করতে হবে এবং ব্যানার লাগানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
তবে সরকারের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করেই রাজধানীর ওপর দিয়ে যাচ্ছে কোরবানির পশুবাহী ট্রাক। রাজধানীতেও আসছে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পশুবাহী ট্রাক। আজ শনিবার (১৮ আগস্ট) পর্যন্ত কোনও ট্রাকের সামনেই কোনও ধরনের ব্যানার চোখে পড়েনি।
নওগাঁর গরু ব্যবসায়ী আলিম হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি তো আমি জানি না। আমাকে কেউ বলেও নাই যে ট্রাকের সামনে ব্যানার লাগিয়ে পশুবাহী ট্রাক রাস্তায় বের করতে হবে।’
জানতে চাইলে গাবতলী পশুর হাটের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের একজন উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরাও জানি না। তবে সিদ্ধান্তটি তো খুবই ভালো। আলিম হোসেনের পশুবাহী ট্রাকের সামনে যদি ব্যানারে লেখা থাকতো যে এটি চট্টগ্রাম যাবে, তাহলে তো কেউ তার পথরোধ করতো না। সিদ্ধান্তটি আসলে সেভাবে প্রচার করা হয়নি।’
গরু ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাজধানীর হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে সড়ক ও নৌপথে গরু আসতে শুরু করেছে। রাজধানীতে এখনও সবগুলো পশুর হাটে পুরোদমে কেনা-বেচা শুরু হয়নি। তবে হাটগুলোয় প্রতিদিনই পশুর সমাগম বাড়ছে। সামনের কয়েকদিন অনেক পশুবাহী ট্রাক রাজধানীতে আসবে, রাজধানীর ওপর দিয়ে অন্য জেলাগুলোতেও যাবে। এমন প্রেক্ষাপটে জোর করে ট্রাক থামিয়ে ইজারাদারদের পছন্দসই হাটে গরু নামানোর ঘটনা অহরহ ঘটবে বলে তারা আশঙ্কা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘ব্যবসায়ীদের অভিযোগের ভিত্তিতেই তাদের সুবিধার্থে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা যদি সরকারের সিদ্ধান্ত না মেনে সমস্যায় পড়েন সেক্ষেত্রে তো আর পুলিশ নির্বিকার থাকতে পারে না। যতদূর সম্ভব পুলিশ ব্যবসায়ীদের সহায়তা করছে এবং করবে।’
মন্ত্রী জানান, এখন পর্যন্ত আমরা বড় কোনও অভিযোগ পাইনি। জেলা পর্যায় থেকে যদি ট্রাকের সামনে ব্যানারে গন্তব্যের নামটি লেখা থাকে তাহলে পুলিশের পক্ষে কাজটি করা সহজ হবে। কোনও ইজারাদারের লোকজন আর কাউকে গাড়ি থেকে গরু নামাতে বাধ্যও করবে না।
জানা গেছে, এবার উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও রংপুর এবং যশোর থেকে বেশি গরু, ছাগল ও মহিষ আসছে ঢাকায়। বেশি লাভের আশায় কোরবানির পশু নিয়ে ওই সব এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসছেন রাজধানীতে। আবার কেউ কেউ ছুটছেন রাজধানীর বাইরে অন্য জেলায়। নিজেদের হাটে পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু ওঠাতে তোড়জোড় চালাচ্ছেন ঢাকার ইজারাদাররাও। অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে খুঁটি কিনছেন ব্যবসায়ীরা, এমন অভিযোগও রয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের (ডিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর হাটগুলোর প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ পর্যায়ে। হাটে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। হাটগুলোকে কেন্দ্র করে র‌্যাব-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় রয়েছে। পশু কেনা-বেচার সময় টাকা লেনদেন ও জাল টাকা নিয়ে কোনও সমস্যায় যাতে পড়তে না হয় সে জন্য কাজ করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। মহাসড়কগুলোতে যাতে ছিনতাই বা চাঁদাবাজির ঘটনা না ঘটে সে জন্যও সক্রিয় রয়েছে র‌্যাব-পুলিশ।
র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, ‘প্রতি বছরই কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারাদেশের হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। রাজধানীসহ সারাদেশে পশু পরিবহন ও নির্দিষ্ট হাটে পৌঁছাতে চাঁদাবাজি বা অন্য কোনও সমস্যা যাতে না হয় সে জন্য র‌্যাব কাজ করছে। এখন কোনও সমস্যা হচ্ছে না।’
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে যে সংখ্যক গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া রয়েছে তা দিয়ে এ বছর কোরবানির পশুর চাহিদা মেটানো সম্ভব। সারাবছর দেশে প্রায় ২ কোটি ৩২ লাখ গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া জবাই করা হয়। এর প্রায় ৫০ ভাগ পশু জবাই করা হয় কোরবানির সময়। সে হিসাবে এ বছর কোরবানির যোগ্য প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ পশু রয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest