সর্বশেষ সংবাদ-
খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরায় তাঁতীদলের দোয়াসাতক্ষীরার ৪টি সংসদীয় আসনে বিএনপির ২ বিদ্রোহী প্রার্থীসহ ২৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিলসাতক্ষীরা-০১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আ’লীগ নেতা মুজিবের মনোনয়ন জমাসাতক্ষীরা জেলা কিন্ডার গার্টেন এ্যাসোসিয়েশনের ফলাফল প্রকাশExploring the Flavorful Journey of Ground Beef Enchiladasজেলা ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠনচোরের উপদ্রবে অতিষ্ঠ কাটিয়া রেজিস্ট্রি অফিসপাড়ার বাসিন্দারা : মিথ্যা মামলার অভিযোগসাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের পিতার মৃত্যুতে শােকসাতক্ষীরায় পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা: আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগশ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে ভারতীয় মদ জব্দ

আলিপুরে শেখ রাসেল স্মৃতি মিনি ফুটবল ফাইনাল খেলায় মাহমুদপুর জয়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেখ রাসেল স্মৃতি ৮ দলীয় মিনি ফুটবল ফাইনাল খেলা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আলিপুর সেন্ট্রাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলাটি মাহমুদপুর স্পোটিং ক্লাব ও দক্ষিণ আলিপুর দ্য ইয়ং স্পোর্টিং ক্লাবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। টাইব্রেকারের মাধ্যমে মাহমুদপুর স্পোটিং ক্লাব বিজয়ী হয়। আলিপুর সেন্ট্রাল ফ্রেন্ডস ক্লাবের সভাপতি প্রকৌশলী মফিজুর রহমান ঢালীর সভাপতিত্বে খেলায় উদ্বোধক ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেরিনা আক্তার। প্রধান অতিথি ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি মহিউর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক সাহারুল ইসলাম, আলিপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মহিবুল্লাহ সরদার। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিন আলম সাদ্দাম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ওমর ফারুক। খেলায় রেফারির দায়িত্ব পালন করেন আনারুল ইসলাম। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ইমরান ফিরোজ সোহাগ। অনুষ্ঠানে মেরিনা আক্তার বলেন, খেলাধুলা বিনেদনের একটি অংশ। খেলাধুলার মাধ্যমে শরীর ও মন সুস্থ্য থাকে। বর্তমান সরকার খেলাধুলায় খুবই আন্তরিক। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ খেলাধুলার মাধ্যমে আলাদাভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার জঙ্গি, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। মাদক, জঙ্গি সহ সকল ধরনের অপরাধ নির্মল করতে আমরা বদ্ধ পরিকর। অপরাধী যেই হোক আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। পুলিশ জনগনের বন্ধু হিসাবে সব সময় আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চায়। অপরাধ দমনে আপনারা পুলিশকে সহযোগিতা করলে পুলিশ অপরাধ আরো দ্রুত কার্যকর করতে পারে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মুক্তিযোদ্ধা গফুরের ৭ম মাদক ও জঙ্গি বিরোধী প্রচারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমান সরকার কর্তৃক ঘোষিত জঙ্গি, চোরাকারবারি ও মাদক বিরোধী কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব জি.এম আব্দুল গফুর (সাবেক উপ পরিচালক বিআরডিবি) চোরাচালান, মাদক বানিজ্য, মাদক সেবী, ইভটিজিং, জঙ্গি ও সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে মসজিদ ভিত্তিক ৬ষ্ঠ দফায় গণসচেতনা মূলক প্রচারণা করেছেন।
১০আগস্ট আলীপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর আহলে হাদিছ জামে মসজিদে জুম্মার নামাযের পূর্বে এ প্রচারণা মূলক বক্তব্য উপস্থাপন করেন তিনি।
এসময় তিনি বলেন, চোরাচালন, জঙ্গি ও মাদক সেবন সমাজের জঘন্যতম ঘৃণ্য অপরাধ। সদরের ৭নং আলীপুর ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড অধীন ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর এলাকার দীর্ঘদিনের একটি সুনাম আছে। এই এলাকায় রয়েছে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বালিকা বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয়, এতিমখানা সহ অসংখ্যা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। সমাজের সকল সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে বসবাস করে। যা ঐতিহ্যবাহী মাহমুদপুর এলাকার জন্য সুনাম বহন করে আসছে। এই এলাকার কিছু জঙ্গি, চোরাকারবারী ও মাদকসেবী সেই সুনাম বিনষ্ট করার অশুভ প্রচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার মাদক নির্মুল করতে জিরো টলারেন্সনীতি হাতে নিয়েছে। সমাজ থেকে এহেন কর্মকান্ড যাতে নির্মূল হয় সেজন্য এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টে জঙ্গি, চোরাকারবারী ও মাদক বিরোধী পোস্টার লাগানো হয়েছে। এই কর্মকান্ডে তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন এবং এলাকা ভিত্তিক একটি কমিটি গঠন করার প্রস্তাব পেশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ কামরুচ্ছামা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম সাবেক উপজেলা কমান্ডার মাহবুবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা আঃ করিম সরদার, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি সাহাজুদ্দিন আকুঞ্জি, মোঃ রহমত আলী, ইবাদুল সানা, ফরিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট মসজিদের সভাপতি/সম্পাদক ও এলাকার মুসল্লিবৃন্দ। তিনি পর্যায়ক্রমে এলাকার সকল সচেতন গণমানুষকে নিয়ে একটি মাদক বিরোধী সমাবেশ করে প্রতিরোধ কমিটি গঠনের জন্য প্রশাসন সহ সকলকে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহবান জানান।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শোক দিবস পালন উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ এর প্রস্তুতি সভা

মহান স্বাধীণতার স্থাপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও মাস ব্যাপী শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ এর সাতক্ষীরা পৌর শাখার উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা শুক্রবার বিকাল ৪টায় পৌর অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সংগঠনের পৌরসভাপতি মোঃ আব্দুল আলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শোক দিবসের প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. আল মাহমুদ পলাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান, ইব্রাহিম হোসেন, কুটির শিল্প সম্পাদক মোছাক সরদার, কার্যকরী সদস্য মোঃ হাকিম ও আজিজুল ইসলাম।
বক্তব্য রাখেন, পৌর সহ-সভাপতি আবুল হোসেন, আব্দুল বারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হোসেন, খায়রুজ্জামান, আবুল হোসেন মোড়ল, ফারুক হোসেন, লুৎফর রহমান টুকু, ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি রহুল আমিন, ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি আবুল হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি ইউসুফ গাইন, ৩নং ওয়ার্ড সভাপতি ইস্রাফিল, ২নং ওয়ার্ড আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, ৪নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বাবু, ৭নং সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান মুকুল, ৫নং সাধারণ সম্পাদক এছাক সংস্থার ৬নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মহিদুল ইসলাম। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। সভায় আসামী ১৫ আগস্ট উপজেলার ৯টি ওয়ার্ডে স্ব স্ব ব্যানারে দোয়া অনুষ্ঠান ও কাঙ্গালী ভোজের আয়োজন এবং আগামী ৩১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু পেশাজীবি পরিষদ জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান সফল করার জন্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সদর উপজেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়ন’ র সাধারণ সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি: নং- খুলনা -২৩৪৪) এর সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকাল ৫টায় শহরের পাকা পুলের মোড়স্থ মুুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের ২য় তলায় এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা ইলেকট্রিশিয়ান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ আসাদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, যুগ্ম সম্পাদক এস, এম সেলিম, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক নির্মল চন্দ্র দাস, দপ্তর সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম হোসেন, কার্যকারী সদস্য মোঃ অরশাদ আলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা রং পালিশ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ জুম্মান আলী সরদার, সাধারন সম্পাদক ফারুকুজ্জামান ফারুক, সদর উপজেলা বোর্ড ফার্নিচার শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জামাল আহমেদ বাদল, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিসুল ইসলাম পলাশ, ফার্নিচার ও রং শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ইউছুফ আলী সরদার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইমরান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আ: রাজ্জাক, ক্রীড় সম্পাদক হাফিজুর রহমান, জেলা মোটর যান ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক আ: হাকিমসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। সভায় একতাবদ্ধ হওয়া, পরিচয় সংগ্রহ করা, মাসিক ৩০ টাকা চাঁদা নির্ধারণ এবং যারা এখনও সমিতির সদস্য হয়নি তাদের সদস্য হওয়ার জন্য আহবান জানানো হয়।

 

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কোটা ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে বিএনপি সুবিধা নিতে চেয়েছিল

দেশের খবর: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে ব্যর্থ হয়েছে এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলনের ওপর ভর করেও ব্যর্থ হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের শুক্রবার বিকালে গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চালকদের গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে বিএনপি সুবিধা নিতে চেয়েছিল। কিন্তু তা না পেয়ে হতাশ হয়ে নেতাকর্মীদের চাঙা করার জন্য তারা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা সড়কে সাত দিন ছিল, আর আমি সাত বছর ধরে আছি। তবে যতটুকু সাফল্য আসা দরকার ছিল সেই সাফল্য থেকে এখনও আমরা অনেক দূরে রয়েছি। এখনও গাড়ি চেকিং করতে যাই, সেখানে হয় গাড়ির ফিটনেস নেই, কারো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই।’

মন্ত্রী বলেন, আমরা এই মুহূর্তে একটি ক্র্যাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি, সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সারাদেশে বিআরটিএ এর অফিস লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন করবে। এতদিন যারা আলস্যে দিন কাটিয়েছে তাদের মধ্যে সচেতনতা এবং সতর্কতা ফিরে এসেছে। নবায়ন, লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না সেটা বুঝে গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিআরটিএ এর সেবা গ্রহণের সুবিধার্থে টাকা জমা দেয়ার দুর্ভোগ লাঘবের জন্য মোবাইল ব্যাংকিং চালু করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকা বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, সাসেক প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. ইসহাকসহ সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বড়দলে শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা

 

বড়দল প্রতিনিধি : আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসাদের উদ্যোগে ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকালে বড়দল ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসাদ কার্যালয়ে এ প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আকের আলী গাজীর সভাপতিত্বে ও বীরমুক্তিযোদ্ধা আকবর আলীর পরিচালনায় এসময় আশাশুনি উপজেলার সাবেক সহকারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মাদ আলী, বড়দলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মুনছুর আলী, বীরমুক্তিযোদ্ধা বেলাল হোসেন, সিরাজুল ইসলাম, আঃ ছাত্তার গাজী, সোহরাব হোসেন, শেখ আব্দুল হান্নান, আতিয়ার রহমান গাজী, আফছার আলী গাজী, কওছার আলী গাজী, সাবুদ আলি গাজী, ইউসুফ আলী খাঁ, ডা. আব্দুল খালেক সহ বড়দলের সকল মুক্তিযোদ্ধা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় ১৫ আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কাশিমাড়ী আ.লীগের শোক দিবস’র প্রস্তুতি সভা

শ্যামনগর প্রতিনিধি : ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলার ০২ নং কাশিমাড়ী ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের উদ্যোগে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাশিমাড়ী নতুন বাজারে আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ০৮ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি আশরাফ হোসেন মিন্টুর সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম আবুল হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম কারিকর, ইউনিয়ন আ.লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এস.এম শাহাবুদ্দিন, ০৫ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি সানাউল্লাহ সরদার, ০৭ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি আব্দুল হক তরফদার, ০৭ নং ওয়ার্ড আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইয়াহিয়ার রহমান খোকন, সাবেক সেনাসদস্য সমাজসেবক এস.এম সাহজাহান, ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য তৈয়বুর রহমান, ইউনিয়ন স্বাধীনতা প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমাম তাজ মেহেদী সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আগামী ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহন করা হয়।
সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ০৮ নং ওয়ার্ড আ.লীগের প্রচার সম্পাদক জাকির হোসেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
যেসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়

স্বাস্থ্য কণিকা: রক্তে কোলেস্টেরল পরিমাণ বেড়ে গেলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের আশঙ্কা বেড়ে যায়। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে পারলে হৃদরোগের আশঙ্কা কমে।

কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো হৃদপিণ্ডের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এগুলো রক্ত সঞ্চালনকে ব্যাহত করে এবং জটিল শারীরিক সমস্যা তৈরি করে।

আসুন জেনে নেই যেসব খাবার হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

ক্যানড সবজি

টিনজাত খাবারে থাকে প্রচুর সোডিয়াম। ছোটো টুকরা করে কাটা অর্ধেক কাপ টমেটোয় থাকে ছয় মিলিগ্রাম সোডিয়াম। কিন্তু টিনজাত সমপরিমাণ টমেটোতে আছে ২৫০ মিলিগ্রাম। অতিরিক্ত লবণ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

পাস্তা

সাদা পাস্তায় আছে কার্বোহাইড্রেট, সাধারণ চিনি। এতে যে চিনি থাকে তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে ধমনীর দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটায় ইনফ্লামেশন। এই চিনি রক্তবাহী নালীগুলোকে সরু করে তোলে।

বরফে জমাট খাবার

ব্যস্ত জীবনে ফ্রিজে রাখা খাবার আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। মাছ, মাংস কিংবা সবজি সবই বরফে জমিয়ে রাখি আমরা। আবার কিছু খাবার ফ্রিজেই রাখা হয়। ফ্রিজে থাকা খাবারে থাকে ফ্যাট আর সোডিয়াম। এগুলো হৃদস্বাস্থ্যের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ।

ডিম

এটা দারুণ স্বাস্থ্যকর এক খাবার। একটি ডিম থেকে মেলে ৭ দশমিক ৫ গ্রাম প্রোটিন আর মাত্র ৭৬ ক্যালরি। কিন্তু যাদের দেহে কোলেস্টেরল বেশি তাদের জন্যে একটি খবর আছে। তা হলো, প্রতিদিন যে পরিমাণ কোলেস্টেরল গ্রহণ করা দরকার, তার ৬২ শতাংশই চলে আসে মাত্র একটি ডিম থেকে।

বিস্কুট

ভালো বেকারির মজার বিস্কুটের লোভ সামলানো কঠিন। কিন্তু সাধারণ সাইজের একটি বিস্কুটে ৪৬০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। এর সঙ্গে বিস্কুট তৈরিতে আরো যোগ হয় ২ দশমিক ৫ গ্রাম সম্পৃক্ত ফ্যাট। এ ধরনের ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

সাদা চাল

এ ধরনের চাল এক ধরনের স্টার্চ। আর এটা প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশস্য। ফলে এর পুষ্টি উপাদান এবং ফাইবারের বেশির ভাগই চলে যায়। আমাদের দেহ শস্যদানার চেয়ে অনেক দ্রুত স্টার্চ ভেঙে ফেলে। ফলে রক্তে হঠাৎ করেই গ্লুকোজ বেড়ে যায়। এটা হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পনির

গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ৪০ গ্রাম পনির খেলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের দেশে ঘরে ঘরে না থাকলেও অনেকেই পনিরকে নিয়মিত খাবার বানিয়ে নিয়েছে। তাদের জন্যে খারাপ খবর আছে। পনিরে প্রচুর পরিমাণে সম্পৃক্ত ফ্যাট আর সোডিয়াম থাকে। এটা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest