সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন নেতা গ্রেফতারসাতক্ষীরায় প্রভাষকের পদোন্নতিতে মহাপরিচালকের প্রতিনিধি হলেন ঝাউডাঙ্গা কলেজ অধ্যক্ষগণঅভ্যুত্থান স্মরণে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের স্মরণসভামাদকের আখড়ায় অতিষ্ঠ ঝাউডাঙ্গার দত্তবাগ এলাকাবাসীচলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভা

টেলিফিল্মে অরুণা বিশ্বাস

বিনোদনের খবর: অভিনেত্রী ও নির্মাতা অরুণা বিশ্বাস বিজয় দিবসের জন্য নির্মিত একটি টেলিফিল্মে অভিনয় করেছেন। নাম ‘জয়নব বিবি মরে নাই’। মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে মান্নান হীরা রচিত এই টেলিফিল্মটি পরিচালনাও করেছেন তিনি।
এতে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে অরুণাকে। সম্প্রতি ধামরাইয়ের বাড়িগাঁওতে টেলিফিল্মটির দৃশ্য ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। এতে অরুণার পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে জ্যোতিকা জ্যোতিকেও দেখা যাবে। টেলিফিল্মটি প্রসঙ্গে অরুণা বিশ্বাস বলেন, ‘আগে বিভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে আমি অভিনয় করতাম। কিন্তু এখন প্রেক্ষাপট ভিন্ন।
বিভিন্ন ধরনের গল্প নিয়ে আমি নাটক টেলিফিল্ম নির্মাণ করেছি। মান্নান হীরা ভাইয়ের কাছ থেকে যখন এই টেলিফিল্মের স্ক্রিপ্ট পেলাম, এক নিমিষে পড়ে ফেললাম। জয়নব বিবির চরিত্রে আমি নিজেকেই দাঁড় করলাম।
এ সময়ে এসে নিজেকে এ ধরনের চরিত্রের জন্য পূর্ণ মনে করি। তাই চরিত্রটিতে অনেক আন্তরিকতা নিয়ে অভিনয় করেছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা মুক্তিযুদ্ধের গল্প নিয়ে কাজ করেন তাদের সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা উচিত।
যেন তারা ধারাবাহিকভাবে তা নির্মাণ করে যেতে পারেন। তাতে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জাগ্রত থাকবে।’ আগামী বিজয় দিবসে চ্যানেল আইতে টেলিফিল্মটি প্রচার হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। এছাড়াও অরুণা বিশ্বাস আরও কয়েকটি নাটকের কাজ হাতে নিয়েছেন। শিগগিরই সেগুলোর শুটিং শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশসহ ৯ দেশে কূটনীতিক মিশনে রদবদল আনছে ভারত

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত একাধিক কূটনীতিক মিশনে ব্যাপক রদবদল আনতে চলেছে ভারত। পরিকল্পনা অনুসারে, বাংলাদেশে নিযুক্ত হাই-কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলাকে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন নাভতেজ স্বর্ণা। এই বছরের শেষে তার অবসর গ্রহণের কথা রয়েছে।
শ্রিংলাকে যুক্তরাষ্ট্রে বদলি করা হলে তার জায়গায় বাংলাদেশে হাই-কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন রিভা গাঙ্গুলি দাস। তিনি বর্তমানে ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক বিভাগ ‘আইসিসিআর’-এর ভারপ্রাপ্ত প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।
সব মিলিয়ে ৯টি দেশে নিযুক্ত কূটনীতিকদের মধ্যে রদবদল আনতে চলেছে ভারত। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য, স্পেন ও রাশিয়া।
চীনের আগামী ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হিসেবে গৌতম বাম্বাওয়ালেকে প্রতিস্থাপন করতে পারেন বিক্রম মিসরি। বর্তমানে মিয়ানমারে ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পালন করছেন মিসরি। আর মিসরির জায়গায় বদলি হতে পারেন ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সৌরভ কুমার। চীনে মিসরির নিয়োগ নিশ্চিত হলে ভারতের সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এস জয়শঙ্করের পরে তিনিই হবে দ্বিতীয় দূত, যিনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্যাপকভাবে পরিচিত ‘চায়না ব্লকে’র অংশ নন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সুপার স্পেশালাইজড’ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের খবর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতাধীন এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার সকালে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রকল্পের স্থাপনাগুলো উদ্বোধন করেন।
২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ২০১২ সালে বর্তমান হাসপাতালের উত্তর পাশের ৩ দশমিক ৮ একর (প্রায় ১২ বিঘা) জমির বন্দোবস্ত দেন।
দক্ষিণ কোরিয়া সরকারের সহযোগিতায় এ ৩ দশমিক ৮ একর জমির ওপর নির্মিত হবে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল। ২০১৬ সালে ১৩৬৬ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক। ১৩ তলাবিশিষ্ট হাসপাতালটিতে থাকবে এক হাজার শয্যা।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বিএসএমএমইউ) সেন্টার অব এক্সিলেন্সে পরিণতকরণ ২য় পর্যায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়েই সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের আওয়তায় ইতিমধ্যে কেবিন ব্লকের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ, পাঁচতলা পর্যন্ত দুটি সর্বাধুনিক বহির্বিভাগ নির্মাণ, পাঁচতলাবিশিষ্ট ডক্টরস ডরমিটরিস নির্মাণ, সর্বাধুনিক মেডিকেল কনভেনশন সেন্টার এবং পাঁচতলাবিশিষ্ট অনকোলজি ভবন নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ।
এ প্রকল্পের মোট ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৫২৬ কোটি টাকা। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হলেও বিস্ময়করভাবে ২০ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন ৬ হাজার, যোগ্য দেড় হাজার

দেশের খবর: এমপিওভুক্তির জন্য তৈরি করা সফটওয়্যার নতুন এমপিওভুক্তির জন্য ১ হাজার ৫৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে যোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে। তবে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছিল ৬ হাজার ১৪১টি প্রতিষ্ঠান। সফটওয়ারের বিবেচনায় এমপিওভুক্তি করা হলে আবেদন করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাদ পড়বে ৪ হাজার ৬০৪টি প্রতিষ্ঠান।
গত ৫ আগস্ট থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য সারাদেশের প্রায় ৬ হাজার ১৪১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আবেদন জমা পড়ে। সফটওয়্যারে মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনলাইনেই বাছাই করা হয় আবেদনগুলো। তথ্য অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন জমা পড়েছে ১ হাজার ৯৬৭টি। এর মধ্যে এমপিওভুক্তির সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে ৫৭৯টি প্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য ২ হাজার ৭৩৯টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য বিবেচিত হয়েছে ৭৬৪টি প্রতিষ্ঠান। উচ্চ মাধ্যমিক (ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ) ৩৩৫টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ করে যোগ্য ৬৬টি, উচ্চ মাধ্যমিক শুধু কলেজের ৫৪৫টি আবেদনের মধ্যে সব শর্ত পূরণ যোগ্য ৮৫টি। এছাড়া ডিগ্রি স্তরের এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেছে ৫৫৫টি যার মধ্যে যোগ্য বিবেচিত হয়েছে ৪৩টি প্রতিষ্ঠান। এমপিওভুক্তির নীতিমালা ২০১৮ এর আলোকে এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে মূল্যায়ন করা হয়। যে প্রতিষ্ঠানগুলো নীতিমালার সব শর্ত পূরণ করেছে তাদের প্রাথমিকভাবে যোগ্য হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন এমপিওভুক্তির জন্য কত টাকা লাগবে
অন্যদিকে আবেদন করা নিম্নমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুলগুলোর সবগুলো এমপিওভুক্তি করতে কত টাকা লাগবে তার একটি হিসাব তৈরি করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। নিম্নমাধ্যমিক স্তরের একটি স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক, ১১ জন সহকারী শিক্ষক, ২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী এবং ৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ ১৮ জন এমপিওভুক্তি হবে। উত্সবভাতা বাড়ি ভাড়াসহ এক বছরে একটি স্কুলের পেছনে সরকারের ব্যয় ৩৪ লাখ ৮২ হাজার ৩শ’ টাকা। সে হিসাবে নিম্নমাধ্যমিকে আবেদন করা ১ হাজার ৯৬৭টি প্রতিষ্ঠানের জন্য বছরে প্রয়োজন ৬৮৪ কোটি ৯৬ লাখ ৮৪ হাজার ১শ’ টাকা।
মাধ্যমিক স্কুলে একজন প্রধান শিক্ষক, একজন জন সহকারী প্রধান শিক্ষক, ১৩ জন সহকারী শিক্ষক, ১ জন গ্রন্থগারিক, ২ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী এবং ৪ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীসহ মোট জনবল হবে ২২ জন। মাসিক বেতন, উত্সবভাতা বাড়িভাড়াসহ প্রতিটি স্কুলের পেছনে সরকারের বছরে ব্যয় হবে ৪৫ লাখ ১৬ হাজার ৮শ’ টাকা। সে হিসাবে মাধ্যমিক স্কুল এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা ২ হাজার ৭৩৯টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য ১ হাজার ২৩৭ কোটি ১৫ লাখ ১৫ হাজার ২শ’ টাকা প্রয়োজন। এদিকে গত ২৬ আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে কারিগরি ও মাদরাসা এমপিওভুক্তির আবেদন কার্যক্রম। ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এ প্রক্রিয়া।

২০১০ সালে এক হাজার ৬২৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে এমপিওভুক্তি সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। শিক্ষক সংগঠনগুলোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে এমপিওবিহীন দেশের ৮ হাজার স্কুল ছিল, আর শিক্ষক ১ লাখ ২০ হাজার। আর্থিক সুবিধা না পাওয়ার কারণে গত ছয় বছরের মধ্যে ২ হাজার স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সংসদে গান গেয়ে প্রশ্ন মমতাজের

বিনোদনের খবর: জাতীয় সংসদে গান গেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করলেন আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরের দিনে ফোকসম্রাজ্ঞী খ্যাত মানিকগঞ্জ-২ আসনের এ সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে তাঁর মৌখিক প্রশ্নের জবাব পাওয়ার পর কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ পান। তিনি তাঁর মূল প্রশ্নটি করার আগে সরকারের খাতভিত্তিক উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন। সারা দেশের মানুষ উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য প্রধানমন্ত্রীর গুণগান গেয়ে থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় মমতাজ উন্নয়ন নিয়ে সম্প্রতি পরিবেশিত নিজের একটি গানের দুটি লাইন গেয়ে শোনান। গানটি হলো ‘রাখব ধরে এই উন্নয়ন, আমরা দেশের জনতা, শেখ হাসিনার হাতে আবার দিয়ে ক্ষমতা’। এ সময় তিনি এ-ও বলেন, ‘গানের সুবাদে আমি সারা দেশের জেলা-উপজেলায় যাই। সারা দেশের মানুষের মনের কথা এই একটাই।’
নিজের নির্বাচনী এলাকায় প্রধানমন্ত্রী আঞ্চলিক মহাসড়ক, বিদ্যুতায়নসহ ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন উল্লেখ করে সিঙ্গাইরের ওপর দিয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক নির্মাণ, ঢাকা-মানিকগঞ্জ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং নির্বাচনী এলাকায় গ্যাস দেওয়ার পরিকল্পনা আছে কি না প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চান মমতাজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
চীনে পথচারীদের ওপর গাড়ি; নিহত ৯, আহত ৪৩

বিদেশের খবর: চীনে পথচারীদের ওপর গাড়ি তুলে দেয়ার ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরো ৪৩ জন।
বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে হুনান প্রদেশের হেনজিয়াং নগরীর বিনজিয়াং স্কয়ারে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সরকারী কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন।
আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত চালক ইয়াং জানয়ুনকে আটক করেছে পুলিশ।
এটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কি-না তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সূত্র: বিবিসি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমানের বিরুদ্ধে ‘ধর্মানুভূতিতে’ আঘাতের অভিযোগ

বিনোদনের খবর: কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলা ইস্যুতে সম্প্রতি বলিউড সুপারস্টার সালমান খানকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। এখন আবার হিন্দু ধর্মানুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে আইনি জটিলতায় তিনি।
জানা যায়, হিন্দু ধর্মানুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে সালমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে বিহারের মোজাফফর কোর্ট পুলিশকে আদেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু সালমানের নামে নয়, এ মামলায় তার সাথে আরো ৬ জন জড়িত রয়েছেন।
এবার যে কারণে তার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তা হল- সালমান খান ‘লাভরাত্রি’ নামের একটি সিনেমার প্রযোজক। আর এই ছবিটিকে হিন্দু ধর্মের অনুভূতিতে আঘাত হিসেবে দেখছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। ভারতে ছবিটির মুক্তি ঠেকাতে এবং ছবির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবিতে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ব্যাপারে সরকারি পক্ষের উকিল বলছেন, দুর্গা পূজার মতো ধর্মীয় মহোৎসবকে ছোটো করার অভিপ্রায় নিয়েই ছবির নাম ‘লাভরাত্রি’ দেয়া হয়েছে। দূর্গা পূজার গুরুত্বপূর্ণ রাতকে ভারতে ‘নবরাত্রি’ বলা হয়। এছাড়া চলতি বছরের শুরুর দিকেও এই ছবির নাম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা অলোক কুমার। তিনি বলেছিলেন, পবিত্র ‘নবরাত্রি’কে বিকৃত করে এই নামের ব্যবহার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আর এসব কারণেই মামলাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে দেশটির আদালত। শুধু তাই নয়, এরইমধ্যে তদন্তও শুরু হয়েছে। দোষী সাভ্যস্ত হলে গ্রেফতারও হতে পারেন আসামিরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্বকের যত্নে গোলাপ জল

স্বাস্থ্য কনিকা: ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে এবং র‌্যাশ, একজিমা, অতিরিক্ত শুষ্ক ত্বক ইত্যাদি জটিলতা কমাতে সহায়ক গোলাপ জল।
এই সুগন্ধি তরল তৈরি হয় গোলাপ ফুলের পাপড়ির নির্যাস মিশিয়ে। প্রদাহনাশক হিসেবে সুনাম রয়েছে এই তরলের। পাশাপাশি আরও কিছু গুণাগুণ জানানো হলে রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে।
টোনার: বাজার থেকে কেনা দামি টোনারগুলোর পরিবর্তে গোলাপ জল ব্যবহার করতে পারেন। এটি ত্বকের অম্ল-ক্ষারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। আর অন্যান্য টোনারের মতো মুখ পরিষ্কারের পর গোলাপ জল মাখলে ত্বক থেকে ধুলাবালি ও বাড়তি তেল দূর হবে।
ময়েশ্চারাইজার: যেসব দিনগুলোতে আপনার ত্বক অত্যন্ত খসখসে অনুভূত হয় সেই দিনগুলোতে কাজে আসবে গোলাপ জল। ত্বকের সামান্য গোলাপ জল ছিটালেই পাবেন তরতাজা অনুভুতি।
মেইকআপ তুলতে: মেইকআপ রিমুভারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন গোলাপ জল। গোলাপ জলে কয়েক ফোঁটা নারিকেল মিশিয়ে নিন এবং ‘ক্লেনজিং প্যাড’য়ে লাগিয়ে মেইকআপ তুলে ফেলুন।
চোখের ফোলাভাব কমাতে: গোলাপ জল ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। এবার এই ঠাণ্ডা গোলাপ জল দিয়ে তুলা ভিজিয়ে চোখের পাতার উপর কিছুক্ষণ বসিয়ে রাখতে হবে। এতে চোখে আসবে প্রশান্তির অনুভুতি, দূর হবে প্রাদাহ।
ব্রণ সারাতে: গোলাপ জলের ব্যাকটেরিয়ানাশক উপাদান ব্রণ সারাতে বেশ উপকারী। গোলাপ জলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে ২০ মিনিট মাখিয়ে রাখুন, পরে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest