সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

দেবকে বিশ্বাস করবেন না: রুক্মিনী

বিনোদনের খবর: ছিল ফটোশ্যুটের সেট। হয়ে গেল ‘হইচই’র ময়দান। সৌজন্যে দেব এবং রুক্মিনী। দেবের আগামী ছবি ‘হইচই আনলিমিটেড’ এ তিনি নেই ঠিকই তাই বলে দেবের সঙ্গে তাকে ভক্তরা দেখতে পাবে না এমনটাও নয়। ‘হইচই আনলিমিটেড’র সবরকম প্রচারেই বিহাইন্ড দ্য ক্যামেরায় রুক্মিনী সর্বদাই বিরাজমান।

ভক্তদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেবের সঙ্গে একই ফ্রেমে এলেন রুক্মিনী। পূজা স্পেশাল একটি ফটোশ্যুটে এথনিক আউটফিট পরে শ্যুট করার কথা তাদের।
ক্যামেরা রেডি, দুই সেলেব-কাপেলও রেডি। কিন্তু ফোটোশ্যুট করতে নারাজ দুই অভিনেতা-অভিনেত্রী। এখন তাদের মুড একটু হইচই করার। দেবের সঙ্গে রুক্মিনীর তো ছোট খাটো মিষ্টি ঝগড়া লেগেই থাকে। তেমনটাই ঘটল এবারও। নায়িকার বুলি করলেন তিনি। অবশ্য তাতে একেবারেই দমে নেই রুক্মিনী।
পাল্টা জবাবে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে বললেন, একেবারে দেবকে বিশ্বাস না করতে। তাদের এই ভিডিওটি দেব শেয়ার করেছেন ট্যুইটারে। যা রীতিমত ভাইরাল। কমেন্ট সেকশনে একটাই অনুরোধ করে যাচ্ছেন ভক্তরা। অফস্ক্রিন হোক বা অনস্ক্রিন দেব-রুক্মিনীর রসায়নে কোথাও খামতি নেই।
এদিকে টালিপাড়ার এই হটেস্ট কাপলের বিয়ের জন্যও সকলে অধৈর্য্য় হয়ে উঠেছে৷ ‌‘মেড ফর ইচ আদার’, ‘এবার বিয়েটা করেই ফেল’, ‘তোমাদের আবার মুভিতে দেখতে চাই’ এমনই সব কমেন্টস আসতে শুরু করেছে দেবের পোস্টে। এছাড়াও রুক্মিনী এবং দেবের সাজগোজ নিয়েও প্রশংসার অন্ত নেই। সাদা পোশাকে তাদের রূপকথার রাজপুত্র এবং রাজকন্যার চেয়ে কোনও অংশে কম কিছু লাগছে না।

তবে প্রশংসার ক্ষেত্রে দেবের পাল্লা অনেকটাই ভারি। কারণ দেবের এই ড্রুলওয়ার্দি লুক নজর কেড়েছে অসংখ্য মেয়েদের। প্রত্যেকের মুখে একই কথা, দেবের থেকে চোখই সরছে না।
দেবের এক অবাঙালি ফ্যান লিখেছেন, এতটাও হট লাগা উচিত নয়। ম্যান ইন ওয়াইট।
সব ফ্যানেদের উদ্দেশ্যে এটুকু বলা যেতেই পারে, আপনাদের যেমন দেবের দিকে চোখ রয়েছে তেমনই দেবেরও সবদিকে খেয়াল রয়েছে। তাই দেবের প্রতিটি আপডেট ফলো করুন। যেকোনও সময় দেবের নতুন আপডেট সারপ্রাইজ করে দিতে পারে আপনাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আগামীকাল বসছে বিদায়ী সংসদের শেষ অধিবেশন

দেশের খবর: বহুল আলোচিত দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন বসছে রোববার (৯ সেপ্টেম্বর)। বর্তমান সরকারের মেয়াদে এটিই শেষ অধিবেশন। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন।
জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এদিন বিকাল ৫টা অধিবেশন শুরু হবে। এর আগে বিকেল ৪টায় কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে শুরু হতে যাওয়া অধিবেশনের সময়সূচি নির্ধারিত হবে।
এ অধিবেশনের শুরুতেই থাকছে বর্তমান সংসদের দু’জন সদস্যের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সিটিং সংসদ সদস্য মারা গেলে তার ওপর শোক প্রস্তাবের আলোচনার পর সংসদ মুলতবি করতে হয়।সেই হিসেবে রোববার আওয়ামী লীগের এস এম মোস্তফা রশিদী সুজা ও জাতীয় পার্টির মো. তাজুল ইসলাম চৌধুরীর মৃত্যুতে কর্মময় জীবন নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আলোচনা করবেন। প্রশ্নোত্তর ও অন্য সব কিছু টেবিলে উত্থাপন করা হতে পারে।
বর্তমান সরকারের বিদায়ী অধিবেশনে ২২টি বিল কার্যতালিকায় রয়েছে। এরমধ্যে ১১টি নতুন বিল রয়েছে। তাছাড়া তিনটি বিল পাসের জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে। কয়েকটি বিল পাস ছাড়া এই অধিবেশনে উল্লেখ্যযোগ্য কিছু নেই। ধারণা করা হচ্ছে স্বল্প সময়ের মধ্যেই শেষ হবে অধিবেশন।
এই দশম সংসদের মাধ্যমে অনেক সংসদ সদস্যের জীবনেরও শেষ অধিবেশন হতে যাচ্ছে। এই তালিকায় প্রথমেই রয়েছে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, সাবেক ডেপুটি স্পিকার কর্নেল (অব.) শওকত আলী, ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী মুহা. ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক, ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ (দিলু) প্রমুখ। এরা বয়সের কারণে আগামী নির্বাচনে থাকছেন না বলে ধরা হচ্ছে। এদের জায়গায় নিজের সন্তান ও ভাই বা পরিজনদের গুঞ্জন রয়েছে আগামী নির্বাচনকে ঘিরে।
আগামী ২৮ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের দশম সংসদের পাঁচবছর পূর্ণ হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ পাঁচবছর পূর্ণ হওয়ার আগে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে অক্টোবর মাস থেকে নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হবে। নির্বাচন কমিশন এরই আগামী ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হতে পারে বলে জানিয়েছে।
এক অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে পরবর্তী অধিবেশনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই আগামী ২২তম অধিবেশনকেই ধরা হচ্ছে বর্তমান সরকারের শেষ অধিবেশন। তবে সরকার চাইলে এই অধিবেশন এক বা দু’দিন বসে মুলতবি করে আবারও বসাতে পারে।
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের শেষ বছর চলছে। আগামী ২৮ জানুয়ারি দশম সংসদের পাঁচ বছর পূর্ণ হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই হিসেবে অক্টোবর মাস থেকে নির্বাচনের দিনক্ষণ গণনা শুরু হবে। এরইমধ্যে সরকারের সিনিয়র মন্ত্রীরা আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ নিয়েও একটা আভাস দিয়েছেন।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন, আগামী ২৭ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে পারে। তাছাড়া চলতি মাসেই নির্বাচনকালীন ছোট সরকার গঠনেরও একটা ধারণা দিয়েছেন তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
এবার পিএসএল মাতাবেন ডি ভিলিয়ার্স

খেলার খবর: এবারের মৌসুমে পিএসএল’র প্লেয়ার ড্রাফটে অন্যতম আকর্ষণ হয়ে আসছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-২০ লিগে এবারই প্রথমবারের মত চুক্তিভুক্ত হয়েছেন তিনি।
এক ভিডিও বার্তায় ২০১৮-১৯ মৌসুমে পিএসএল’র সাথে চুক্তির বিষয়টি ঘোষণা দিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। সেখানে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের টি-২০ টুর্নামেন্টে খেলার জন্য তিনি মুখিয়ে আছে।
বিশ্বের অন্যতম হার্ডহিটার এ ব্যাটসম্যান বলেন, ‘পাকিস্তান সুপার লিগ বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ টি-২০ টুর্নামেন্টগুলোর মধ্যে অন্যতম। সাম্প্রতিক সময় আমি পিএসএল’র বেশ কয়েকটি ম্যাচ বেশ উপভোগ করেছি। এটা পাকিস্তান ক্রিকেটকে এগিয়ে যেতে অনেক সহযোগিতা করেছে। এখানে খেলার অপেক্ষায় আছি।’
চলতি বছরের শুরুতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। আইপিএল’এ খেলেছেন ১১ বছর, এছাড়া বার্বাডোজ ট্রাইডেন্টসের হয়ে ২০১৬ মৌসুমে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগও খেলেছেন। ক্যারিয়ারে সর্বমোট ২৫১টি টি২০ ম্যাচে ১৪৮ স্ট্রাইক রেটে ৬৬৪৯ রান সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে তিনটি সেঞ্চুরি ও ৪৫টি হাফ সেঞ্চুরি। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে ৭৮টি টি২০ ম্যাচে ১০টি হাফ সেঞ্চুরিসহ করেছেন ১৬৭২ রান।
পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি ডি ভিলিয়ার্সকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন তার আগমন তরুণদের জন্য দারুণ এক শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের ইলিশের জীবনরহস্য আবিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বে প্রথমবারের মতো আবিষ্কৃত হলো আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য। ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর দেশীয় ইলিশের জীবনরহস্য প্রস্তুতকরণ, জিনোমিক ডাটাবেজ স্থাপন এবং মোট জিনের সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে গবেষণায় সাফল্য পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম ও তার সহযোগী গবেষকরা।
আজ (শনিবার) সকালে বাকৃবি সাংবাদিক সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন বিজ্ঞানীদের দল।
ইলিশ জিনোম সিকোয়েন্সিং ও অ্যাসেম্বলি টিমের সমন্বয়ক ছিলেন ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল আলম। তিনি বলেন, জিনোম হচ্ছে কোনো জীবের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। জীবের জন্ম, বৃদ্ধি, প্রজনন এবং পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াসহ সকল জৈবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় জিনোম দ্বারা।
ইলিশের জিনোমে ৭৬ লাখ ৮০ হাজার নিউক্লিওটাইড রয়েছে যা মানুষের জিনোমের প্রায় এক চতুর্থাংশ। ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্স জানার মাধ্যমে অসংখ্য অজানা প্রশ্নের উত্তর জানা যাবে খুব সহজেই। বাংলাদেশের জলসীমার মধ্যে ইলিশের স্টকের সংখ্যা (একটি এলাকায় মাছের বিস্তৃতির পরিসীমা) কতটি এবং দেশের পদ্মা-মেঘনা নদীর মোহনায় প্রজননকারী ইলিশগুলো ভিন্ন ভিন্ন স্টক কিনা তা জানা যাবে এই জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে।
তিনি আরো বলেন, বছরে দুইবার ইলিশ প্রজনন করে থাকে। জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে এই দুই সময়ের ইলিশ জীনগতভাবে পৃথক কিনা তা জানা যাবে। এমনকি কোনো নির্দিষ্ট নদীতে জন্ম নেয়া পোনা সাগরে যাওয়ার পর বড় হয়ে প্রজননের জন্য আবার একই নদীতেই ফিরে আসে কিনা সেসব তথ্যও জানা যাবে এই জিনোম সিকোয়েন্সের মাধ্যমে।
তিনি জানান, এরকম নতুন নতুন তথ্য উন্মোচনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা যাবে ইলিশের টেকসই আহরণ। ইলিশের জন্য দেশের কোথায় কোথায় ও কতটি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন তা নির্ধারণ করা সহজ হবে। দেশীয় ইলিশ পৃথিবীর অন্যান্য দেশের (ভারত, মায়ানমার, পাকিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য) ইলিশ থেকে জীনতাত্ত্বিকভাবে স্বতন্ত্র কিনা তাও নিশ্চত হওয়া যাবে।
গবেষকরা জানান, ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে কাজ শুরু করেন তারা। ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই ইলিশের পূর্ণাঙ্গ ডি-নোভো জিনোম অ্যাসেম্বলি প্রস্তুত হয়। ওই বছরের ২৫ আগস্ট ইলিশের সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স আন্তর্জাতিক জিনোম ডেটাবেজ ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন’ (এনসিবিআই)-এ জমা করা হয়। এ ছাড়াও ইলিশের জিনোম বিষয়ে গবেষণালব্ধ ফলাফল ২টি আন্তর্জাতিক কনফারেন্সেও উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ টিমে সদস্য হিসেবে আরো ছিলেন পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. বজলুর রহমান মোল্যা, বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও ফিশারিজ বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ গোলাম কাদের খান।
বাংলাদেশের সম্পদ ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের গবেষণা কাজটি গবেষকদের নিজস্ব উদ্যোগ, শ্রম এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পারস্পারিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের মৎস্য সেক্টর পূর্ণাঙ্গ জিনোম গবেষণার যুগে প্রবেশ করেছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গবেষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত নেতা : এরশাদ

দেশের খবর: জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত নেতা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছি। আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেছেন। মানুষের ভালোবাসা রয়েছে, আমরা বিজয়ী হবো। তোমরা প্রস্তুতি নাও।
শনিবার রাজধানীর আইইবিতে জাতীয় পার্টির যৌথ সভায় বক্তৃতায় একথা বলেন এরশাদ।
এসময় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবে জানিয়ে এরশাদ নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন।
রওশন এরশাদ বলেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের সংগ্রাম।
সকালে শুরু হওয়া এ সমাবেশে পার্টির কেন্দ্রীয় ও জেলা-উপজেলা পর্যায় থেকে কয়েক হাজার নেতাকর্মী যৌথসভায় অংশ নিয়েছেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হকের স্মরণসভা

আসাদুজ্জামান ঃ সাতক্ষীরায় সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইনামুল হক বিশ্বাস স্মরনে এক স্মরনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আয়োজনে শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ স্মরন সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের আহবায়ক ফাহিমুল হক কিসলুর সভাপতিত্বে উক্ত স্মরন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য এড. মোস্তফা লুৎফুল্লাহ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোশারফ হোসেন মশু, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের সরদার, জেলা জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজ, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবু, কলারোয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজ আহমেদ স্বপন, তালা উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনদ কুমার, জজ কোর্টের পিপি এড. ওসমান গণি, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ নিমাই মন্ডল, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক লায়লা পারভীন সেজুতি, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাসানুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হান্নান, শ্যামনগর উপজেলা কমান্ডার দেবীরঞ্জন মন্ডল, তালা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মফিজউদ্দিন, এড. মুস্তফা নুরুল আলম,এড. অরুণ ব্যানার্জী, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সাংস্কৃতিক পরিষদের হেনরি সরদার, কলেজ শিক্ষিক সমিতির নিত্যনন্দ, উদীচীশিল্পী গোষ্ঠীর সিদ্দিকুর রহমান, জাসদের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা বাসদের শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক ইদ্রিস আলী, জেলা সিপিবি’র সভাপতি আবুল হোসেন, নাগরিক আন্দোলন মঞ্চের সদস্য সচিব আলীনুর খান বাবুল, প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হকের পুত্র রুবেল, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ রাশেদুজ্জামান রাশি। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন, প্রফেসর আব্দুল হামিদ, সাবেক অধ্যক্ষ মুক্তিযোদ্ধা সুভাষ সরকার, জেলা ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আবু বকর সিদ্দিক,বিশিষ্ট চিত্র শিল্পী এম এ জলিল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস ৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর আহবানে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহন করে সাতক্ষীরার ভোমরা, টাউনশ্রীপুরসহ ৮ ও ৯ নং সেক্টরের বিভিন্ন জায়গায় সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহন করে পাক সেনাদের পর্যদুস্ত করেছিলেন। তিনি যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মুক্তি যোদ্ধাদের সংগঠিত করে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৮৯ ও ২০১০ সালে দুই দুইবার জেলার নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হয়েছিলেন। তিনি মুক্তিাযোদ্ধার চেতায় বিশ্বাসী জনগনকে এবং নতুন প্রজন্মকে সংগঠিত করে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তিকে প্রতিরোধ ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে বলিষ্ঠ ভুমিকার পালন করেন।
উল্লেখ ঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনামুল হক বিশ্বাস ২০১৮ সালের ১৫ এপ্রিল ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগভোগের খুলনার আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে মারাযান।

০৮.০৯.১৮

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আজ বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার মিশন

খেলার খবর: ভারত এক ম্যাচ জিতেই সেমিফাইনালে, অথচ বাংলাদেশ টানা দুই ম্যাচ জেতার পরও আছে অপেক্ষায়! কোচ জেমি ডে তাই একটু অবাকই। তবে সেই অপেক্ষা শেষ হচ্ছে আজ। নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের ফলের ওপর নির্ভর করছে লাল-সবুজ দলের শেষ চারের অঙ্ক।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মুখোমুখি হচ্ছে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে। জিতলে তো বটেই, ড্র করলেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নাম লেখাবে সেমিফাইনালে। এমনকি হারলেও শেষ চার নিশ্চিত হয়ে যেতে পারে বাংলাদেশের। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচটি সরাসরি দেখা যাবে বিটিভি ও চ্যানেল নাইনে।
অবশ্য অনেক ‘যদি’, ‘কিন্তু’ জড়িয়ে আছে ‘এ’ গ্রুপে। পয়েন্ট টেবিলের অবস্থা এমন যে, চার দলেরই সম্ভাবনা আছে সেমিফাইনালে যাওয়ার। বাংলাদেশ দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। পাকিস্তান ও নেপালের সমান ম্যাচে ৩ পয়েন্ট, আর ভুটানের পয়েন্ট শূন্য। স্বাগতিকদের সেমিফাইনালে ওঠার সহজ সমীকরণ হলো নেপালের সঙ্গে ন্যুনতম ড্র করা। এছাড়া আগের ম্যাচে পাকিস্তান যদি ভুটানের কাছে পয়েন্ট হারায় তাহলে কোনও হিসাব-নিকাশের প্রয়োজন পড়বে না, নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়ে যাবে স্বাগতিকদের।
হিসাব-নিকাশের মধ্যে যেতে চাইছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ জেমি ডে। টানা তিন ম্যাচ জিতে গ্রুপসেরা হওয়ার লক্ষ্য তার। শুক্রবার কমলাপুর স্টেডিয়ামে অনুশীলনের আগে এই ইংলিশ কোচ বলেছেন, ‘আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আগের মতো ভালো খেলে গ্রুপ পর্ব পেরোনোই লক্ষ্য আমাদের। যদি না পারি তাহলে আমরা বাদও পড়তে পারি। সেটা হলে আমাদের জন্য বড় অঘটন হবে। তবে আমরা তা চাই না।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে ভালো খেলে হার আর ভুটানের বিপক্ষে ৪ গোলে জিতে নেপাল মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের। এই দলটিকে সমীহ করছেন জেমি, ‘নেপাল শক্তিশালী দল। তারা আমাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। পাকিস্তানের সঙ্গে ভালো খেলে হেরেছে, আর ভুটানের বিপক্ষে ৪ গোলে জিতেছে। তারা যে ভালো দল, এতেই পরিষ্কার। তবে আমরা ভালো খেলে সেমিতে যেতে চাই।’
ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিন টানা তিন ম্যাচ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন, ‘আগের দুই ম্যাচের মতো এবারও জিততে চাই। কোচের নির্দেশনা অনুযায়ী মাঠে খেলতে পারলে জয় আসবেই।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের নায়ক তপু বর্মণ জার্সি খুলে উল্লাস করতে গিয়ে হলুদ কার্ড দেখেছেন। আজ নেপালের বিপক্ষে কার্ড দেখলেই পড়বেন বিপদে। তখন বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠলে তাকে দর্শক হিসেবে থাকতে হবে। স্বভাবতই তপু তা চাইবেন না।
সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে বাংলাদেশের ন্যুনতম ১ পয়েন্ট দরকার, আর নেপালের দরকার পূর্ণ ৩ পয়েন্ট। তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভুটান জিতলে তখন পরিস্থিতি বদলে যাবে। নেপাল কোচ বাল গোপাল মহার্জন অবশ্য বাংলাদেশকে হারিয়েই সেমিফাইনালে যেতে চান।
২০১৬ সালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আন্তর্জাতিক ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন নেপাল। সেই দলের কোচ ছিলেন বাল গোপাল। এর পরেই ব্রাদার্স ইউনিয়নের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ঢাকার মাঠ তার জন্য পয়মন্ত। যদিও তিনি খুব সতর্ক, ‘বাংলাদেশ ভালো দল, নিজেদের মাঠে খেলবে। তাদেরকে হারানো সহজ হবে না। তবে আমরা জেতার জন্য মাঠে নামব। জিতেই সেমিতে খেলতে চাই।’
দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে। ২১বারের সাক্ষাতে বাংলাদেশ জিতেছে ১২ ম্যাচ, বিপরীতে নেপাল জিতেছে ৬টিতে, আর ড্র হয়েছে বাকি ৩ ম্যাচ। আজ জয়ের সংখ্যা আরও বাড়িয়ে সেমিফাইনালে ওঠার উৎসবে মাততে চায় বাংলাদেশ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘এখন আর কৃষককে গুলিতে প্রাণ হারাতে হয় না’

দেশের খবর: বিএনপি সরকারের সময় সারের দাবিতে লাইনে দাঁড়িয়ে গুলি খেয়ে প্রাণ দিতে হয়েছিল ১৮ জন কৃষককে। সেই প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এখন সারের জন্য কৃষকদের গুলি খেতে হয় না। সার কৃষকের হাতের মুঠোয় চলে আসে।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় কৃষি কনভেনশন ও আন্তজার্তিক কৃষি কনফারেন্সের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ভাষণকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘১০ টাকায় কৃষকদের জন্য ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়েছি। তাদের ভর্তুকির টাকা তাদের হাতে পৌঁছায়। সরকারে এসে তিন দফা সারের দাম কমিয়েছি। যাতে কৃষকরা উৎপাদন বাড়াতে পারেন।’
‘আগে বর্গাচাষীরা ঋণ পেত না। কিন্তু আমরা প্রথম এই প্রথম ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’
‘কৃষি ব্যাংকের তেমন শাখা ছিল না। হাটের দিন ব্যাংকের লোকজন পৌঁছে যেত। সেখানে টাকা নিয়ে কৃষকদের হাতে দিত এভাবেই আমরা তাদের ঋণের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। জামানতহীন ঋণের ব্যবস্থাটা আওয়ামী লীগ সরকারই প্রথম করেছিল।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা সারাটা জীবন সংগ্রাম করেছেন বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। পেটে ক্ষুধা, শোষিত বঞ্চিত মানুষের ভাগ্য কীভাবে তিনি পরিবর্তন করবেন সেটিই ছিল তার চিন্তা। সে কারণে তিনি ২৩ বছর সংগ্রাম করেছেন। তারই ডাকে ৯ মাসের মধ্যে আমরা সংগ্রাম করে স্বাধীনতা পাই।’
‘স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের দিকে নিয়ে যান। জাতির পিতার এ কর্মসূচির কারণে বাংলাদেশ সাড়ে তিন বছরে যুদ্ধের ভয়াবহতা অতিক্রম করে এগিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু কৃষিখাতকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি কৃষিবিদদের মর্যাদা প্রথম শ্রেণিতে উন্নীত করেন’ বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শূন্য থেকে ধীরে ধীরে যাত্রা ছিল বঙ্গবন্ধু। তিনি সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন। যে কারণে আমাদের দেশ কৃষিক্ষেতে খুব দ্রুত এগিয়ে যায়। কিন্তু ৭৫ এ তাকে হত্যা করা হয়। হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের কাজ ছিল এদেশের মানুষকে নিপীড়ন করা। বাংলাদেশ এগিয়ে যাক তা তারা চায়নি।’
‘৭৫ এ যারা ক্ষমতায় এসেছিল তাদের লক্ষ্য ছিল ব্যবসা করা। তারা চায়নি দেশে উৎপাদন বাড়ুক।’
‘সার, বীজ কৃষি উপকরণ যেন কৃষকরা পায় সেটাই আমাদের লক্ষ্য। জাতির পিতা যে ব্যবস্থা নিয়েছিল পরবর্তীতে যারা ক্ষমতায় এসেছে তা বন্ধ করে দিয়েছিল। জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া তাদের চিন্তাভাবনা বৈরী ছিল’ বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি আওয়ামী লীগ সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা ক্ষমতায় এনেছেন বলেই দেশের সেবা ও জনগণের সেবা করতে পারছি। ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসি বা না আসি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি যেন ব্যহত না হয়ে পড়ে আমি সেটিই আশা করি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest