সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

হজমশক্তি ফেরায় ত্রিফলা

স্বাস্থ্য কণিকা: ত্রিফলা কী
এটি চূর্ণ বাদামি রঙের পাউডার, যা আমলকী, হরীতকী ও বহেরার মিশ্রণ। আয়ুর্বেদ বলে, কোষ্ঠকাঠিন্যসহ পেটের নানা পীড়া নিরাময়ে সেরা সমাধান ত্রিফলা। হজমশক্তি পুনরুদ্ধারকারী ত্রিফলার উপাদান সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক—

হরীতকী
ত্রিফলার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হরীতকী। এতে মেলে গুরুত্বপূর্ণ রেচক উপাদান। এটি পাকস্থলীর সংকোচক এবং পিচ্ছিলকারক উপাদান হিসেবে কাজ করে। এতে মল তৈরি হয় এবং অন্যান্য সমস্যা দূর হয়।

আমলকী
এতেও আছে রেচক উপাদান। পেট ঠাণ্ডা রাখে আমলকী। পাকস্থলীর অভ্যন্তরীণ অঞ্চলকে স্থিতিশীল রাখে। ইনফ্লামেশন হতে দেয় না। পেটের যেকোনো জ্বালা-পোড়া এবং অস্বস্তিকর অবস্থা সামাল দেয় এই হারবাল।

বহেরা
এতেও আছে প্রাকৃতিক রেচক উপাদান। হজমযোগ্য ফাইবার আছে। ফলে এটি হজমে সহায়ক। কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য বহেরা খুবই উপকারী।

ত্রিফলার ব্যবহার
ত্রিফলার পানি পান করলেই আপনার পেটের সমস্যা থাকবে না। এক চা চামচ ত্রিফলা চূর্ণ এক জগ পানিতে মিশিয়ে দিন। সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পান করুন। কিংবা সারাদিন ধরে এই পানি খেতে পারেন। ত্রিফলায় আছে মূত্রবর্ধক উপাদান। কাজেই রাতে এর পানি বেশি খেলে অসুবিধায় পড়তে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় ভোরবেলা যদি খান। ভোর ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে পান করুন। যদি এর স্বাদ ভালো না লাগে তবে এতে মধু মেশাতে পারেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বাধীনতা প্রজন্মলীগ সাতক্ষীরা জেলা কমিটি অনুমোদন

 

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বাধীনতা প্রজন্মলীগ সাতক্ষীরা জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর’১৮ তারিখে কেন্দ্রীয় চেয়াম্যান মোঃ আনিছুর রহমান আনিছ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক পত্রে আব্দুল্যাহ আল মামুন কে সভাপতি, মোমিনুর ইসলাম, শওকত হোসেন, ফজর আলীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, ডাঃ বাকী বিল্লাহ(বাপ্পী)কে সাধারণ সম্পাদক, মোজাহিদুল ইসলাম (তুষার) কে যুগ্ম সম্পাদক, রাইসুল ইসলাম, ডি এম সুজন, জাহাঙ্গীর আলমকে সহ-সাধারণ সম্পাদক ও রাজ ইসলাম রাজুকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ৯১ সদস্য বিশিষ্ট সাতক্ষীরা কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় চেয়াম্যান মোঃ আনিছুর রহমান আনিছ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির জননেত্রী শেখ হাসিনার ডাকে সকল আন্দোলন সংগ্রামে এবং আগামী সংসদ নির্বাচনে সকলকে একযোগে নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের কুইজ প্রতিযোগিতা

জি.এম আবুল হোসাইন : ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের আয়োজনে সদর উপজেলার আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিয়ে শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মো. হাবিবুল্লাহ, সহকারি শিক্ষক অর্চনা বালা, সহকারি শিক্ষক মো. মেজবাহ উদ্দীন, সহকারি শিক্ষিকা নাছিমা বেগম, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর মো: মনিরুজ্জামান টিটু, প্রজেক্ট অফিসার আব্দুল হান্নান, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার সালমা আক্তার ও সামছুদ্দীন কাজল, জেলা এডলোসেন্ট ও ইয়ুথ ক্লাবের সদস্য মো. হাবিবুল্লাহ ইসলাম, আতিকুর রহমান, মোত্তালিব হোসেনসহ সকল ইউনিয়ন ইয়ুথ সদস্যবৃন্দ।
কুইজ প্রতিযোগিতায় মোট ১১০জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতায় মো. ফিরোজ হোসেন ১ম, ফিরোজ হাসান ২য় ও মো.
অনিক ৩য় স্থান অধিকার করায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা  হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
একসঙ্গে কাজ করবে বিজিবি-বিএসএফ

অনলাইন ডেস্ক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মহাপরিচালক (ডিজি) পর্যায়ে ৪৭তম সীমান্ত সম্মেলন আজ জয়েন্ট রেকর্ড অব ডিসকাশন (জে আর ডি) স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে শেষ হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া সীমান্ত সম্মেলন শেষে আজ সীমান্ত হত্যা বন্ধ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীদের অনুসন্ধান ও মানবপাচার রোধসহ আটটি বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছে একসঙ্গে কাজ করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ঐক্যমতে পৌঁছানো বিষয়গুলো হল সীমান্ত হত্যা বন্ধে পদক্ষেপ, বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর অনুসন্ধান, সীমান্ত লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, মানবপাচার রোধ, জাল মুদ্রা পাচার রোধ, আলোচনার মাধ্যমে সীমান্তে উন্নয়ন, ক্রাইম ফ্রি জোন ঘোষণা, সুসম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করা।

শুক্রবার দিল্লির লোধি রোডে অবস্থিত বিএসএফ’এর সদর দফতর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ-বিজিবি)-এর ডিজি পর্যায়ের ৪৭ তম বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই বাহিনীর ডিজি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিজিবি’র ডিজি মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ভারতের মাটিতে বড় ধরনের কোন অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। আপনারা জানেন এই মুহূর্তে বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার চলছে, আমাদের জিডিপি এখন ৭.১ শতাংশ এবং দেশের মানুষ প্রকৃত অর্থেই খুব সুন্দর জীবন উপভোগ করছেন। তাই সংঘবদ্ধভাবে বা বিশাল সংখ্যায় দেশত্যাগ করার কোন ঘটনা নেই।’
বিজিবি ডিজি’র অভিমত যে সমস্ত বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আসেন, তারা মূলত সাংস্কৃতিক বন্ধন ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কারণেই সীমান্ত অতিক্রম করেন। তিনি জানান ‘অনেক বাংলাদেশি নাগরিকেরই আত্মীয়-স্বজনরা এপারে (ভারত) থাকেন। সেই সম্পর্কের খাতিরেই তারা এপারে আসেন। তাই প্রধান এই কারণেই অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে। কিন্তু বন্ধু ও পরিবারের সাথে দেখা করে তারা আবার ফিরেও আসেন এবং সেই সংখ্যটাও নগন্য।’
অন্যদিকে বিএসএফ ডিজি কে. কে. শর্মা বলেন, ‘ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে চলতি বছরে ১৫২২ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৬৬ জন অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, বাকিরা পাচার হয়ে আসা। নির্যাতিত ও অপরাধীদের মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্য আমাদের সেনাবাহিনীকে আরও সংবেদনশীল করা হয়েছে।
সীমান্ত বরাবর গবাদি পশু পাচারের ঘটনাও কমেছে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন দুই দেশের ডিজি। তাদের অভিমত সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে গবাদি পশু পাচারের সংখ্যা অনেকটাই কমেছে-এর প্রথম কারণ সীমান্তে নজরদারি বৃদ্ধি, দ্বিতীয়ত বাংলাদেশে গবাদি পশুর লালন-পালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
অন্যদিকে সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর হার কমেছে বলে জানান বিজিবি’র ডিজি। তিনি বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা নিয়ে বাংলাদেশ যথেষ্ট উদ্বিগ্ন এবং যারা পাচারের সাথে জড়িত থাকে তাদের সাথেই এই জিনিস বেশি হয়ে থাকে। এই বিষয়টি অনুধাবন করে দুই বাহিনী একযোগে কাজ করছে। আমরা এই সীমান্ত হত্যার সংখ্যা শূণ্যে নামিয়ে আনতে চাই। সীমান্তে যাতে গবাদি পশু পাচারের ঘটনা না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক রয়েছি। তাছাড়া পাচারের ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়ছে কিন্তু পাচার কম হওয়ার ফলে দেশের মানুষও স্বয়ং সম্পূর্ণ হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
বিএসএফ ডিজিও আরো বলেন, ‘আমি খুবই খুশি যে চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত সীমান্তে একটিও বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা নেই।’
রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে কে. কে. শর্মা জানান, ‘আমরা পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। মিয়ানমার থেকে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে প্রচুর সংখ্যায় রোহিঙ্গা নাগরিক আশ্রয় নিয়েছে এবং সেখান থেকে ছোট ছোট দলে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছে। কিন্তু আমরা তাদের সেই প্রচেষ্টাকে সফল হতে দেইনি। তাই সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে বড় সংখ্যায় কোন রোহিঙ্গা প্রবেশের ঘটনা নেই। দেশে এখনও পর্যন্ত যে রোহিঙ্গারা অবস্থান করছে, তারাও কিছু কিছু জায়গায় যথেষ্ট চাপে রয়েছে এবং সেই কারণেই তারা এখন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছেন। কারণ এই রাজ্যটিতে তারা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করার কারণেই দেশের অন্য প্রান্ত থেকে সেখানে আসছে এবং সেই রোহিঙ্গাদের জন্য শিবিরও খোলা হয়েছে।’ এখনও পর্যন্ত রাজ্যটিতে ৭০ টি পরিবারের খোঁজ মিলেছে বলেও জানান তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে সতর্ক রয়েছে বিজিবিও। বিজিবি প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে প্রচুর রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন এবং বিজিবিসহ অন্য নিরাপত্তা এজেন্সিগুলি সবসময় তাদের ওপর নজর রাখছে এবং একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও দেশের অন্য প্রান্তে তারা চলে যাচ্ছেন।’
ভারত সফরকালে বিজিবি ডিজি সফিনুল ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং’এর সাথেও সাক্ষাত করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সব মাথাব্যথাকে অবহেলা নয়; হতে পারে মারাত্মক রোগের লক্ষণ

স্বাস্থ্য কণিকা: কম-বেশি সকলেই মাথা ব্যথার সমস্যায় ভুগে থাকেন। রোদে ঘোরাঘুরি, ঠাণ্ডা লেগে সর্দি, মাইগ্রেন-সহ অন্যান্য অনেক কারণেই মাথা ব্যথার সমস্যা হতে পারে। আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অনেকেই মাথা ব্যথার সমস্যাকে খুব অবহেলা করি। কখনও কম, কখনও বেশি এ সব ব্যথাকে আমরা অধিকাংশ সময়েই তেমন একটা গুরুত্ব দিতে চাই না। অথচ এ সব ব্যথাই হতে পারে অনেক বড় কোনও সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ যা ভবিষ্যতে মৃত্যুর কারণ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়াতে পারে! তাই এ সব ব্যাথাকে মোটেই অবহেলা করা উচিত নয়। হয়তো আপনার অবহেলার কারণে মারাত্মক সমস্যাটি বেড়েই চলেছে দিনের পর দিন! তাই জেনে রাখা ভাল কোন ধরণের মাথাব্যথা মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে। চলুন জেনে নেয়া যাক…
১। হুট করে শুরু হয়ে মাত্র ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে অসম্ভব রকমের মাথাব্যথার সমস্যা শুরু হওয়া অনেক মারাত্মক একটি সমস্যা। আর এই মাথাব্যথার কারণ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ, স্ট্রোক এবং অ্যানিউরিজম। সুতরাং, সতর্ক থাকুন!
২। মাথায় কোনও আঘাত পাওয়ার পর থেকে মারাত্মক ব্যথা শুরু হলে তা মোটেই অবহেলা করবেন না। অনেকেই ভাবেন আঘাত পেলে ব্যথা তো করবেই! কিন্তু আপনার অবহেলার কারণে আপনি পড়তে পারেন মারাত্মক সমস্যায়। খুব সামান্য আঘাতের কারণেও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হতে পারে যা মাথার খুলিতে চাপের সৃষ্টি করে।
৩। প্রতিদিন সকালে উঠে কি মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন? মাথাব্যথা সেই সাথে বমি করার সমস্যা প্রায় নিয়মিত লক্ষ্য করলে তা অবহেলা করা মোটেই উচিত নয়। এটি হতে পারে মারাত্মক একটি রোগের লক্ষণ। যদি বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যথা কমতে থাকে, আবার হাঁটাচলা, শারীরিক পরিশ্রম, মাথা নিচু করা ইত্যাদির সঙ্গে সঙ্গে মাথাব্যথা বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিত্সকের পরামর্শ নিন কারণ, এটি ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে।
৪। সবচেয়ে মারাত্মক মাথাব্যথার সমস্যা হচ্ছে সেলেব্রাল অ্যানিউরিজমের। মাথার সঙ্গে এই ব্যথা গলা, ঘাড়েও অনুভূত হতে থাকে, সেই সঙ্গে বমি বা বমি বমি ভাব। এরই সঙ্গে আলোতেও ব্যথা বাড়ার প্রবনতা দেখা দেয়। এই সমস্যা লক্ষ্য করলে যত দ্রুত সম্ভব চিকিত্সকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘সংসদে দুই নম্বর চেয়ারে বসতে চাই না’

দেশের খবর: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, ‘আমরা আর বিরোধী দলে থাকতে চাই না, এবার আমরা ক্ষমতায় যেতে চাই। সংসদে দুই নম্বর চেয়ারে বসতে চাই না।’
আজ শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, পার্টির যৌথসভায় প্রমাণ হবে, আমরা শক্তি অর্জন করেছি। আমরা ক্ষমতায় যেতে প্রস্তুত।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি।
শনিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় এখানে জাতীয় পার্টির যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক জেলা, উপজেলা ও মহানগর ছাড়াও অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা এতে উপস্থিত থাকবেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গোপন নথির বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

দেশের খবর: তৎকালীন পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা গোপন নথি নিয়ে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডের বইয়ের প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে গণভবন প্রাঙ্গণে বইটির প্রকাশনা উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রথম খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববিসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্যাতিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু আন্দোলন করেছেন, আত্মত্যাগ করেছেন। কিন্তু স্বাধীনতার পর একটা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে বঙ্গবন্ধুকে সময় দেয়া হয়নি। ৭৫-এ নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই দেশে উন্নয়ন। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের উন্নয়নে কাজ করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। তাই আজ বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।
ইমেরিটাস অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।
অন্যদের মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) দায়িত্বপালনের সময় এসব গুরুত্বপূর্ণ দলিল সংগ্রহে সহায়তাকারী বর্তমান পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সদস্য সচিব শেখ হাফিজুর রহমান, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের কিউরেটর মো. নজরুল ইসলাম খান, হাক্কানী পাবলিশার্সের প্রকাশক গোলাম মোস্তফা।।
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে অমূল্য এসব ডকুমেন্ট দেশ, জাতি ও বহির্বিশ্বে পৌঁছে দেয়ার প্রয়াসে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ শীর্ষক ১৪ খণ্ডে বই আকারে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ত্রীর চাপেই রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ

বিনোদনের খবর: সুনিতাকে বিয়ে করেছেন। নর্মদা আহুজা এবং যশবর্ধন নাম দুই সন্তানকে নিয়ে আপাতত সুখেই সংসার করছেন অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ। কিন্তু সুনিতার সঙ্গে বাগদান পর্ব সেরেও প্রথমে সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন তিনি। কিন্তু কেন?
গোবিন্দর বর্তমান থেকে যদি বেশ কয়েক ধাপ পিছিয়ে যাওয়া যায়, তাহলে এমন কিছু সত্যি সামনে আসবে, যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও। গোবিন্দ যখন উঠতি নায়ক, সেই সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় নিলমের। বলিউডের সেই সময়ের নবাগতা নিলমকে দেখে কী মনে হয়েছিল, তখন একটি সাক্ষাতকারে তা প্রকাশ করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দা বলেন, সাদা শর্টস পরে, চুল ছেড়ে দেওয়া নিলমকে যখন দেখেছিলেন, তখন যেন নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। প্রাণলাল মেহতার অফিসে নিলমের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর থেকেই যেন তাকে ভুলতে পারছিলেন না গোবিন্দা। এরপর নিলমের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ারও শুরু করেন তিনি। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে মনের কথা বলে উঠতে পারেননি।
এসবের মাঝেই সুনিতার সঙ্গে তার বিয়ে ঠিক করে দেওয়া হয় বাড়ির তরফ থেকে। কিন্তু কোনভাবেই নিলমকে ভুলতে পারছিলেন না তিনি। এমনকি, মায়ের চাপে যখন সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দ, তখন হবু স্ত্রীকে পাল্টে ফেলার চেষ্টা করেন তিনি।
সেই সাক্ষাতকারে গোবিন্দ বলেন, নিলমের মত করে নিজেকে তৈরি করতে হবে বলে বার বার চাপ দিতেন সুনিতাকে। যাতে রেগে যেতেন সুনিতা। কোনভাবেই নিজেকে পরিবর্তন করতে পারবেন না বলেও গোবিন্দাকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন সুনিতা। শুধু তাই নয়, নিলমের সঙ্গে কি সম্পর্ক আছে? সুনিতা সেই প্রশ্নও বার বার করতেন। ফলে হবু স্ত্রীর উপর রেগে যান তিনি। এবং বাগদান ভেঙে দেন।
বাগদান ভেঙে দেওয়ার পর সুনিতা নাকি ৫ দিন ধরে তার সঙ্গে কথা বলেননি। যোগাযোগও করেননি। এরপর গোবিন্দর মায়ের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত সুনিতাকে বিয়ে করতে রাজি হয়ে যান গোবিন্দা। এরপর নিলমও ক্রমশ বলিউডের অন্য অভিনেতাদের সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার শুরু করেন। যে দেখে মনে মনে রেগে যেতেন বলেও জানান গোবিন্দা। কিন্তু ততদিনে সবকিছু হাতের বাইরে চলে যায়। মন থেকে চেয়েও নিলমকে এই কারণেই আর বিয়ে করতে পারেননি বলে সেই সাক্ষাতকারে জানান গোবিন্দা।
শুধু তাই নয়, নিলমের পাশাপাশি জুহি চাওলা এবং দিব্যা ভারতীকেও তার ভাল লাগত। দিব্যা এমন একজন অভিনেত্রী, যাকে দেখে যে কোনও পুরুষেরও ভাল লাগতে পারে বলেও মন্তব্য করেন গোবিন্দা। শুধু তাই নয়, যদি কখনও তিনি চান এবং তার কুন্ডলীতে লেখা থাকে, দ্বিতীয় বিয়ের কথা, তাহলে তিনি অবশ্যই করবেন। এর জন্য সুনিতাকে সব সময় মনের দিক থেকে তৈরি থাকতে হবে বলেও জানান গোবিন্দা।
যদিও তা আর হয়নি। সুনিতার সঙ্গেই সুখে সংসার করছেন বলিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক। তবে শুধু নিলম, জুহি বা দিব্যাই নন, রানি মুখার্জির সঙ্গেও এক সময় সম্পর্কে জড়ান গোবিন্দা। শোনা যায় ‘হাদ কর দি আপনে’-র শুটিংয়ের সময় রানির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি। রানিকে নিয়ে মুম্বইতে থাকতেও শুরু করেন গোবিন্দ।
রানিকে ফ্ল্যাট কিনে দেওয়া থেকে শুরু করে দামি উপহার এবং গাড়ি, কোনও কিছু দিতেই কসুর করেননি তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গেও ভেঙে যায় গোবিন্দর সম্পর্ক। শোনা যায়, স্ত্রী সুনিতার চাপে পড়েই শেষ পর্যন্ত রানির সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙতে বাধ্য হন গোবিন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest