সর্বশেষ সংবাদ-
সাতক্ষীরা কম্পিউটার সমিতির নবগঠিত কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর ও সংবর্ধনাসাতক্ষীরায় পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কালিগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু: হত্যার অভিযোগে চাঞ্চল্যদেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠন

কমিটি ভাঙার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি! জেলা ছাত্রলীগের সেক্রেটারি সাদিকের বহিস্কার দাবি নেতাদের

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমানের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের বিভিন্ন উপজেলা ও কলেজ কমিটি ভেঙে দেয়া ভয় দেখিয়ে চাঁদাদাবির অভিযোগ উঠেছে। জেলার ৭ উপজেলা ও সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ১২জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সাদিকের বহিস্কার দাবি করেছেন।
অভিযোগে স্বাক্ষরকারী ১২জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত থেকে বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিকট এই অভিযোগ তুলে দেন।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর লেখা ‘‘সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের অনুপ্রবেশকারী সাধারণ সম্পাদকের অব্যহতি প্রসঙ্গে’’ শিরোনামে এক অভিযোগে এ সকল নেতৃবৃন্দ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদিককে বহিস্কার করা না হলে তারা সকলে গণপদত্যাগ করবেন বলে উল্লেখ করেছেন।
পাঠকের সুবিধার্থে পত্রটি হুবুহু উল্লেখ করা হলো-
‘‘আমার বিভিন্ন উপজেলা ও কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি। সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিকের অসদাচরণ তথা অশ্লীল ভাষা, গালিগালাজ ও আমাদের উপজেলা এবং কলেজ কমিটি ভেঙে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি ও তার বিভিন্ন দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকা-ের কারণে আমার বিব্রত।
এমত অবস্থায় সাধারণ নেতা-কর্মী ও শিক্ষার্থীরা জেলা ছাত্রলীগের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলছে এবং সাংগঠনিক স্থবিরতা দেখা দিচ্ছে। যা আগামী নির্বাচনে নৌকার বিজয়ে সাতক্ষীরার সকল উপজেলা ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের পক্ষে যথাযথ ভূমিকা রাখতে কোন অবস্থাতেই সম্ভব না। তাই এখনই যদি সৈয়দ সাদিকুর রহমান সাদিককে অব্যহতি প্রদান করা না হয় তাহলে আমরা গণপদত্যাগ করবো।
অতএব জননেত্রী শেখ হাসিনার ছাত্রলীগের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে এই অনুপ্রবেশকারী সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের বিতর্কিত সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাদিকুর রহমানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা (বহিস্কার) নিতে বিনয়ের সাথে আবেদন করছি।’’
লিখিত এই অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন- সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী শাহেদ পারভেজ ইমন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিন আলম সাদ্দাম, কলারোয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম আবু সাঈদ, সাধারণ সম্পাদক শাকিল খান জজ, তালা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সাদী ও সাধারণ সম্পাদক মশিউল আলম সুমন, সাতক্ষীরা সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মহিদুল ইসলাম, আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আসমাউল হোসাইন, কালিগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাওন আহমেদ সোহাগ, শ্যামনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাকিম সবুজ, দেবহাটার উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান সবুজ, সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজুল ইসলাম হাফিজ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ মোহাঃ মোস্তাফিজুর

প্রেস বিজ্ঞপ্তি: দ্বিতীয় বারের মতো আগস্ট/২০১৮ মাসের সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ নির্বাচিত হয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাঃ মোস্তাফিজুর রহমান। সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদুর রহমানের নিকট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সেরা অফিসার ইনচার্জের সম্মাননা গ্রহন করছেন মোহাঃ মোস্তাফিজুর রহমান। জেলার শ্রেষ্ঠ চৌকশ এসআই হিসাবে ক্রেষ্ট গ্রহন করেন মোঃ মনির হোসেন, সাতক্ষীরা থানা, সাতক্ষীরা। জেলার শ্রেষ্ঠ চৌকশ এএসআই হিসাবে ক্রেষ্ট গ্রহন করেন মোঃ আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার, সাতক্ষীরা থানা, সাতক্ষীরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
মাছখোলায় আ’লীগের স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা

নিজস্ব প্রতিবেদক: হাজার হাজার জনতার ঢলে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় সাতক্ষীরা পারমাছখোলা সাইক্লোন সেন্টার চত্বরে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবু নিলীপ কুমার মল্লিকের সভাপতিত্বে ও জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাস্টার বিএম শামছুল হকের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু, সদর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এসএম শওকত হোসেন, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কোহিনুর ইসলাম, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মোহাম্মাদ আবু সায়ীদ, সদর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাজাহান আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনছান বাহার বুলবুল, আব্দুর রশিদ, পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাশি। এসময় উপস্থিত ছিলেন সদর থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক গনেষ চন্দ্র মন্ডল, জেলা শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ সরদার, পৌর কৃষকলীগের আহবায়ক এসএম শামছুজ্জামান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক শাহ মোঃ আনারুল ইসলাম, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এড. ফারুক হোসেন, সদর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান, ৮নং ধুলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান (বাবুসানা), ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূর ইসলাম (মগরেব), ইউপি সদস্য মোঃ ফজলুর রহমান, ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি রাজ উদ্দীন ঢালী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম, মাছখোলা বাজার কমিটির সভাপতি মোঃ শাহাবুদ্দীন (বতু), সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মিন্টু, মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শাহাজান আলী, ৭,৮ ও ৯নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের সংরক্ষিত কাউন্সিলর ভৈরবী রানী বিশ্বাস। এসময় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার বর্তমান বিশ্বের উন্নয়নের রোল মডেল। শেখ হাসিনা সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকলে এদেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যায়। শিক্ষা, চিকিৎসা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে বিগত সরকারের তুলনায় শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ব্হু গুনে উন্নত হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকার প্রতিটি গ্রামকে উন্নত ধরনের মডেল গ্রামে রুপান্তরিত করতে বদ্ধপরিকর। বক্তারা আরো বলেন, আজকের বিশাল জনসমুদ্র প্রমাণ করে শেখ হাসিনা সরকার জনগনের সরকার। তিনি জনগনের কল্যাণেই কাজ করেন। বক্তারা আরো বলেন, অবহেলিত মাছখোলা এলাকা উন্নয়নের জন্য আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। আগামীতে উক্ত এলাকা যাতে আর অবহেলিত না থাকে সে জন্য আমরা আপনাদের পাশে থেকে কাজ করে যাবো। আগামী মহান জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরায় যাকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তার পক্ষে কাজ করে নৌকা প্রতিক কে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনা সরকারকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ফলোআপ : আশাশুনির বড়দলের কলেজ ছাত্র কমোলেশের মৃত্যু নিয়ে ধ্রুবজাল

নিজেস্ব প্রতিনিধি:
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের কলেজ ছাত্র কমোলেশের মৃত্যু নিয়ে ধ্রুবজাল সৃষ্টি হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা এ নিয়ে এলাকার ব্যাপক আলোচনা-সমলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টিকে বিভিন্ন গন মাধ্যমে বিভিন্ন ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। কোন কোন পত্রিকা বলছে গলায় গামছা দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু কমোলেশের গলায় অনেক লম্বা রশ্মি অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে (ছবি )। কমোলেশের পরিবার সূত্রে জানাগেছে, নিহত কলোলেশ সাতক্ষীরা সরকারী কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কমোলেশ কিছুক্ষন পরপর বাড়িতে আসা যাওয়া করছিলো। ঐ দিন  সে রাতের খাবার না খেয়ে বাড়ী থেকে বেরিয়ে যায় । পরে তার কোন খোঁজ না পেয়ে পরের দিন বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে তার দিদিমা ও মা ইন্তামনি মন্ডল ঘেরের বাসায় গিয়ে দেখে বাসার আড়ার সাথে গলায় দড়ি দিয়ে তার পা বাসার পাটাতনের উপর ভাজ করা অবস্থায় ঝুলে আছে। তারা ঘটনা দেখে দ্রুত স্থানীয় ও তাদের পরিবারকে খবর দেয়। পরে খবর পেয়ে আশাশুনি থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আক্তারুজ্জামান ও পিএসআই আঃ রাজ্জাক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশের সুরোত হাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেন। তবে নিহত কমোলেশের দাদা পরীক্ষিত মন্ডলের দাবী তার ভাই কমোলেশকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি অশ্রু ভেড়া কন্ঠে বলেন আমার ভাইকে হত্যার আগে পেটানো হয়েছিলো। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের ক্ষত চিহ্ন ছিলো। তার অন্ডকোষ টিপে গলিয়ে দেওয়া হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন স্থানীয় কোন এক পক্ষ আমাদের মামলা করতে বাঁঁধা প্রদান করছে।নএমনকি মামলা করলে আমাকেও (দাদা পরীক্ষিত) হত্যা করা হবে। এব্যাপারে জানতে চাইলে নিহতের মা ইন্তামনি মন্ডল এ প্রতিবেদককে বলেন আমার ছেলে আত্মহত্যার করার ছেলে নয়। তাকে হত্যা করে ঘেরের বাসায় পা ভাজ করে ঝুলিয়ে রেখেছে হত্যাকারীরা। কমোলেশের মৃত্যুর বিষয় নিয়ে বর্তমানে তারা আতংকের মধ্যে আছে বলে জানান। এব্যাপারে নিহতের খালাত ভাই পলাশ মৌখিক অভিযোগ করে বলেন কমোলেশকে হত্যা করা হয়েছে। বর্তমানে আমাদেরকে কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও আমরা নির্যাতিত। তারই বাস্তব প্রমান কমোলেশ হত্যাকান্ড। নিহত কমোলেশের পরিবারের একাধিক ব্যক্তির কাছে থানায় মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, কি মামলা হয়েছে তা আমরা জানিনা। তবে আমাদেরকে মামলা দায়ের না করতে বিভিন্ন পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এব্যাপারে জানতে চাইলে আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বিল্পব কুমার নাথ জানান আত্মহত্যার ব্যাপার জানতে পেরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এব্যাপারে আশাশুনি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হাতে পেলেই সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে বৃহস্পতিবার কমোলেশের ময়না তদন্ত শেষে লাশ তার গ্রামের বাড়ীতে পাঠানো হয়েছে এবং সন্ধ্যায় তার সৎকার সম্পন্ন হয়েছে বলে নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ট্রাম্পকে পদচ্যুত করতে চলছে গোপন প্রস্তুতি

বিদেশের খবর: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেপরোয়া কর্মকাণ্ড থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষায় মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা গোপনে কাজ করছেন বলে দাবি করা হয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন পত্রিকা নিউইয়র্ক টাইমস এর এক উপ-সম্পাদকীয়তে। বুধবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার লেখা ঐ নিবন্ধে বলা হয়, প্রেসিডেন্টকে পদচ্যুত করতে সংবিধানে ২৫তম সংশোধনী আনার বিষয়ে কাজ করছেন তারা।
এর তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। প্রশাসনের ওই কর্মকর্তাকে ভীতু এবং নিউইয়র্ক টাইমসের খবরকে ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছে হোয়াইট হাউজ। সেইসঙ্গে নিবন্ধের লেখককে বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়ে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানানো হয়।
‘আমি প্রতিরোধকারীদের একজন শিরোনামে’ বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসে একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ওই নিবন্ধের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রচিয়তা নিজেকে ট্রাম্প প্রশাসনেরই একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা দাবি করে বলেন, ট্রাম্পের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড এবং ভয়াবহ আচরণ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন তারা।
নিবন্ধে ট্রাম্পকে নীতিহীন, অতিআবেগী এবং বেপরোয়া আচরণকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া, ট্রাম্পকে পদচ্যুত করতে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী আনার বিষয়েও তারা কাজ করছেন বলে দাবি করা হয়। প্রেসিডেন্টের মন্ত্রিসভার সদস্যরাই তাকে ইমপিচ করতে পারবেন, সম্ভাব্য ২৫তম সংশোধনীতে এমন বিধান যুক্ত করার কথা বলা হয়।
নিবন্ধটি প্রকাশ করে নিজেদের গর্বিত বলে দাবি করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। গণমাধ্যমটির দাবি, ওই নিবন্ধের মাধ্যমে পাঠক জানতে পারছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অন্দরে আসলে কী চলছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের নিবন্ধকে বিশ্বাসযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন সিনেটর ডিক ডারবিন। তার মতে, গণতন্ত্রের জন্য এসব ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মার্কিন সিনেটর ডিক ডারবিন বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে যে সব তথ্য দেয়া হয়েছে আমার কাছে মনে হয় সেগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা আছে। তার মেজাজ হারানো অবস্থায়, আমরা যারা তার আশপাশে থাকি, তার ঘরে থাকি, বিশ্বাস করুন আপনারা তখন সেখানে থাকতে চাইবেন না। যখন তিনি দেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নিতে যান, সম্ভবত ঈশ্বরই তা থেকে রক্ষা করেন।
নিবন্ধ রচিয়তাকে অকৃতজ্ঞ, বিশ্বাসঘাতক আখ্যা দিয়ে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছে হোয়াই হাউস। আর খবরটিকে বরাবরের মতোই ভুয়া বলে উড়িয়ে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, প্রশাসনের তথাকথিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার অস্তিত্ব আদৌ আছে কী? নাকি নিউইয়র্ক টাইমস আবারো ভুয়া খবর প্রকাশের ফাঁদে পড়লো? ভীতু, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যক্তির যদি অস্তিত্ব থেকে থাকে নিউইয়র্ক টাইমসের উচিৎ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তার পরিচয় প্রকাশ করা।
এর আগের দিন ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর রচিত বিখ্যাত সাংবাদিক বব উডওয়ার্ডের ফিয়ার বইয়ের সারাংশ প্রকাশিত হয় ওয়াশিংটন পোস্টে। হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বরাতে সেখানে বব জানান, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা প্রশাসনিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্টের হাত থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। তাদের কর্মকাণ্ডের মধ্যে ট্রাম্পের ডেস্ক থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সরিয়ে ফেলার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়।
সবশেষ নিউইয়র্ক টাইমসে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তার নিবন্ধ প্রকাশিত হওয়ায়, বব উডওয়ার্ডের প্রশাসনিক অভ্যুত্থান দাবির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আমাকে ব্যান করবেন না প্লিজ: কোহলি

খেলার খবর: বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা বিরাট কোহলি। যেকোন শক্তিশালী প্রতিপক্ষের জন্যই আতঙ্ক তিনি। তবে ২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে মেজাজ হারিয়ে বিরাট এক বিতর্কে জড়ান কোহলি। ওই সফরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিডনি টেস্টে দর্শকদের দিকে ‘মধ্যমা’ দেখিয়ে তীব্র মসালোচনার শিকার হন এই ভারতীয় ক্রিকেটার। সেই ঘটনা নিয়ে এই প্রথম মুখ খুললেন ভারত অধিনায়ক।
২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে বাউন্ডারি লাইনের ধারে ফিল্ডিং করছিলেন কোহলি। তখন বেশ কিছু অস্ট্রেলিয়ান সমর্থক কোহলিকে উদ্দেশ্যে করে কিছু কথা বলেছিলেন। যা বিরাট সহ্য করতে পারেননি। মাথা গরম করে দর্শকদের দিকে খারাপ অঙ্গভঙ্গি করেছিলেন তিনি। নিজের ‘মধ্যমা’ দর্শকদের দেখিয়েছিলেন। গোটা ঘটনাটি ভিডিও ক্যামেরায় ধরাও পড়ে।
উইজডনের এক সাক্ষাত্কারে কোহলি বলেন, “‌২০১২ সালে সিডনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদের মধ্যমা দেখিয়েছিলাম। পরের দিন ম্যাচ রেফারি রঞ্জন মধুগালে আমাকে নিজের ঘরে ডেকে পাঠান। তিনি আমাকে বলেন, বাউন্ডারি লাইনের ধারে কী হয়েছিল?‌ আমি বলেছিলাম, তেমন কিছুই না। এরপরেই তিনি খবরের কাগজটা আমাকে খুলে দেখান, যেখানে প্রথম পাতায় ছিল আমার ছবিটা। আমি এরপর ওনাকে বলেছিলাম সত্যি আমি দু:খিত। আমাকে ব্যান করবেন না প্লিজ। সত্যি বলতে রঞ্জন মধুগালে খুব ভাল মানুষ ছিলেন। আমায় শাস্তি দেননি। কারণ উনি বুঝেছিলেন আমার বয়স তখন কম। কম বয়সে এমন ভুল মানুষ করে ফেলে।”
প্রসঙ্গত, সেই ঘটনার জন্য কোহলিকে শুধু ম্যাচ পারিশ্রমিকের ৫০ শতাংশ কেটে নিয়েই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই অস্ট্রেলিয়া সফরে বেশ ভালই খেলেছিলেন কোহলি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি : কলারোয়ায় দুঃস্থ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তিদের মাঝে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্ধকৃত ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সুলতানা জাহানের সভাপতিত্বে সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঢেউ টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এসময় তিনি বলেন-জননেত্রী শেখ হাসিনা অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে বিশে^র দরবারে মানবতার মা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে এগিয়ে নিতে এবং জাতির ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ আ.লীগ সরকার উন্নয়নের সরকার। আ.লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে দেশের জনগণ শান্তিতে থাকে। দেশের সাধারণ মানুষ উন্নয়নের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও ক্ষমতায় বসাবে। কলারোয়া উপজেলার ২৭জন দুঃস্থ ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাঝে ৬৭ ব্যান্ডেল ঢেউ টিন এবং চেক বিতরণ করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা পারভীন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, এসএম মনিরুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ, কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, কলারোয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কম্পিটার সহকারী রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ায় শিক্ষাবৃত্তির চেক ও সাইকেল বিতরণ

কলারোয়া প্রতিনিধি : দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে কলারোয়া উপজেলা পরিষদের এডিপি অর্থায়ণে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের শিক্ষাবৃত্তির চেক ও সাইকেল বিতরণ করা হয়। বৃহস্পতিবার বেলা ১০টার দিকে কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা মিলনায়তনে ইউএনও মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-কলারোয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আরাফাত হোসেন, পৌরসভার প্যানেল মেয়র প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হামিদ, ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার নুরুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম মনি, শামসুদ্দিন আল মাসুদ বাবু, এসএম মনিরুল ইসলাম, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শিক্ষক দীপক শেঠ,কলারোয়া রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আজাদুর রহমান খান চৌধুরী পলাশ, কলারোয়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ। আলোচনা সভা শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এড.মুস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি ৭৭জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২লাখ ৩০হাজার টাকার চেক ও ২৫টি বাইসাইকেল বিতরণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলার লাঙ্গলঝাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest