সর্বশেষ সংবাদ-
দেবহাটায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন পত্রিকা বিক্রেতা আলাউদ্দিনসাতক্ষীরা সরকারি কলেজের শিক্ষককের সাথে অশালিন আচরণের ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ : কোচিং সীলগালাআশাশুনিতে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের অধিকার রক্ষায় অ্যাডভোকেসিদেবহাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ডালিমের মৃত্যুরেকর্ডীয় সম্পত্তিতে জোর পূর্বক ঢালাই রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধেতালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনআশাশুনিতে অবঃ শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম গঠনআশাশুনিতে এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব ও ট্যাগ অফিসারকে অব্যাহতিসাতক্ষীরা জেলা হিউম্যান রাইটস জার্নালিষ্ট নেটওয়ার্কের কমিটি গঠনসাতক্ষীরায় ব্র্যাকের দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিদর্শন

অন্য খানদের চেয়ে আলাদা আমির

বিনোদনের খবর: বলিউড ইন্ডাস্ট্রির বেশিরভাগ অভিনয়শিল্পীই আমির খানের মতো হতে চান। কেউ কেউ তার মতো অভিনয় করতে চান, আবার অনেকে হতে চান তার মতো ব্যক্তিত্ববান। তার কারণ তিনি যে অন্যদের চেয়ে একেবারেই আলাদা। এমনটি তিন খানের মধ্যেও সবসময় এগিয়ে রাখা হয় আমির খানকে।
বলিউড তারকা আমির খানকে যারা চেনেন তারা জানেন নতুন সিনেমায় অভিনয় করতে গেলে কতটা প্রস্তুতি নেন এই অভিনেতা। বলিউডে তাকে ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ বলেও ডাকা হয়। চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল রূপালি পর্দার নায়ক হিসেবে দীর্ঘ ৩০ বছর পূর্ণ করেছেন তিনি। এই ৩০ বছরে বহু ইতিহাস রচনা করেছেন, ভেঙেছেন অনেক রেকর্ড। দীর্ঘ তিন দশকের এই নায়কজীবনে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন বলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য। প্রাপ্তির খাতাও কিন্তু শূন্য নয়, একেবারে পরিপূর্ণ। এর প্রধান কারণ, খানিকটা ভিন্ন পথ অবলম্বন।
ভালো গল্প ও অভিনয় ক্ষুধা মেটানোর মতো চরিত্র পেলেই কাজ করতে রাজি হয়ে যান আমির খান। অন্য তারকাদের মতো ৫ কোটি বা ১০ কোটি রুপি পারিশ্রামিকে বিশ্বাসী নন তিনি। সিনেমার জন্য কোনো পারিশ্রমিকই তিনি নেন না! তার কাছে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ চিত্রনাট্য। তিনি চেষ্টা করেন যাতে প্রযোজকের কোনো আর্থিক ক্ষতি না হয়। কিছুদিন আগে আমির খান নিজেই জানিয়েছেন অভিনয়ের জন্য কোনো অর্থ দাবি করেন না তিনি। তবে ছবির একটি লভ্যাংশ নেন। ছবি ফ্লপ হলে তিনি কিছুই পান না।

বলিউডে আমির খানই প্রথম নায়ক, যার ছবি ১০০ কোটি টাকার ক্লাবে ঢুকেছিল। ২০০৮ সালে আমির খানের ‘গজনি’ ছবিটি তুমুল জনপ্রিয়তার সঙ্গে শত কোটির বেশি আয় করে। এই পর্যন্ত তার অনেক সিনেমা এই ক্লাবে প্রবেশ করেছে। শুধু তাই নয়, ভারতীয় চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমার অভিনেতা আমির খান। তার ‘দঙ্গল’ ছবিটি ২ হাজার কোটির বেশি আয় করেছে। এছাড়া শুধু দেশীয় আয়েও সর্বোচ্চ আয় করা তিনটি সিনেমা আমিরের।

সম্প্রতি বিগ বি অমিতাভ বচ্চন, ক্যাটরিনা কাইফ ও ফাতিমা সানা শেখকে নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আমির খান। এই ব্যস্ততা ‘থাগস অব হিন্দুস্তান’ নিয়ে। আগামী ৭ নভেম্বরে মুক্তি পাবে ছবিটি। এছাড়া শোনা যাচ্ছে, হলিউডের একটি সিনেমার রিমেক হতে যাচ্ছে আমিরের পরবর্তী প্রকল্প। প্যারামাউন্ট পিকচার্স প্রযোজিত সেই ছবিটি নিয়ে কথা চলছে আমিরের। তবে থাগস অব হিন্দুস্তান মুক্তির পর সেই বিষয়টি চূড়ান্ত হতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আবারো সিআইপি হলেন অনন্ত জলিল

বিনোদনের খবর: আবারো কমার্শিয়ালি ইম্পর্ট্যান্ট পারসন (সিআইপি) হলেন চিত্রনায়ক ও সফল ব্যবসায়ী অনন্ত জলিল।
সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) কর্তৃক প্রদত্ত এ বিশেষ সম্মান পান অনন্ত জলিল।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য তাকে এ সম্মান দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, অনন্ত জলিল এজে গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মুনসুন ফিল্মসের কর্ণধার।
দেশের বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা রাষ্ট্রীয়ভাবে সিআইপি পরিচিতি পেয়ে থাকেন।
সিআইপিরা সচিবালয়ে প্রবেশ, বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণসহ, বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পান।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) বাণিজ্যিক খাতে জড়িত ব্যক্তিদের এই বিশেষ সম্মান মনোনয়ন করে থাকে।
সে প্রেক্ষিতে এবার ২০১৫ সালের জন্য সিআইপি মনোনীত হলেন অনন্ত জলিল। এবার ১৭৮ ব্যবসায়ীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সিআইপি সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ৩ সেপ্টেম্বর এক অনুষ্ঠানে ২০১৫ সালের জন্য মনোনীতদের হাতে সিআইপি কার্ড তুলে দেন।
উল্লেখ্য এর আগেও সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন অনন্ত জলিল। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের অপকারিতা

স্বাস্থ্য কণিকা: খাবারে স্বাদ আনতে লবণের বিকল্প নেই। পরিমিত লবণ গ্রহণে খাবারের স্বাদ অক্ষুণ্ণ থাকে এবং শরীরের কোনো ক্ষতি হওয়ার সুযোগ থাকে না। মাত্রাতিরিক্ত লবণের উপস্থিতি শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ আমাদের শরীরে সোডিয়াম ক্লোরাইড খুব কম পরিমাণে দরকার। তাই পুষ্টিবিদরা মনে করেন যত কম পরিমাণে লবণ গ্রহণ করা যায়, ততই শরীরের জন্য ভালো।
আমাদের দেশের উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের কাঁচা লবণ কম খেতে উপদেশ দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেই ভুল ভেবে রান্নায় লবণের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন কিংবা লবণ ভেজে তারপর খান। কিন্তু লবণ ভাজলে পানি শুকিয়ে গেলেও এর সোডিয়াম ক্লোরাইডের পরিমাণ ঠিকই থাকে। তাই যতটা সম্ভব রান্নায় কম লবণ ব্যবহার করাই অধিকতর উত্তম।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের স্বল্প মেয়াদি এবং দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব ফেলে। যেমন-
১. উচ্চ রক্তচাপ: লবণের অতিরিক্ত সোডিয়াম ক্লোরাইড শরীরের রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। এই উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্ট ফেইলিউর, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিনডি ফেইলিউরের মতো সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীকে অতিরিক্ত লবণ খেতে নিষেধ করা হয়।

২. পিপাসা বেড়ে যাওয়া: বেশি লবণ খেলে পিপাসা বেড়ে যায়। কারণ এটি দেহের কোষে পানির ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধা হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখে যা কিডনির ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

৩. পা ফোলাভাব: চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কখনো কখনো হাত ও পায়ে পানি জমায়। এতে হাত ও পা ফোলাভাব হয়। এটি কিডনি রোগী এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য খুব ঝুঁকির কারণ।

৪. অস্টিওপোরোসিস: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণে শরীরের পানির পিপাসা তৈরি হয়। এতে অতিরিক্ত পানি গ্রহণ করতে হয় এবং প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়। এতে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বেড়িয়ে যায়। এতে হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হয়।

৫. কিডনিতে পাথর হওয়া: অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনিতে পাথরের সৃষ্টি করে। তাই পরিমিত পরিমাণ লবণ গ্রহণ সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কষ্টদায়ক ব্যথা ফ্রোজেন সোল্ডার

স্বাস্থ্য কণিকা: যতগুলো ব্যথা আমাদের পীড়া দেয় তার মধ্যে কাঁধ ব্যথা বা ফ্রোজেন সোল্ডার সবচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক। এই রোগে স্বাভাবিক সময় যেমন হাত বিশ্রামে রাখলে বা আক্রান্ত হাত দিয়ে কোনো কাজ না করলে সাধারণত কোনো ব্যথা অনুভূত হয় না। ব্যথাতুর হাত দিয়ে কিছু ধরতে গেলে কাঁধে বিদু্যুৎ চমকের মতো তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।
অনেক রোগী রাতে ঘুমাতে পারেন না। আক্রান্ত পাশে পাশ ফিরলে হঠাৎ ঘুম ভেঙে যায় এবং গভীর রাতে তীব্র ব্যথা শুরু হয়। একবার ব্যথা শুরু হলে এ ব্যথা আর থামতে চায় না। এমনকি ব্যথার ওষুধও কাজ করে না। রোগীরা গরম পানি সেঁক, মালিশ ইত্যাদি দিতে থাকেন। এসবেও কাজ হয় না।

কারণ: ডায়াবেটিস রোগীদের এই ব্যথা সবচেয়ে বেশি হয়। ভারি কাজ করলে বা অন্য কোনো কারণে কাঁধে সামান্য আঘাত পেলে ধীরে ধীরে কাঁধ জমে যেতে থাকে। অনেক রোগী প্রাথমিক অবস্থায় ব্যথার ধরন বুঝতে পারেন না।
ভাবেন সামান্য ব্যথা এমনিতেই সেরে যাবে। ধীরে ধীরে এই ব্যথা তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে এবং এক সময় রোগী পেছনের দিকে হাত নিতে পারেন না এমন কি জামা পরতে বা টয়লেটিং করতেও ভীষণ ব্যথা অনুভব করেন। ডায়াবেটিস ছাড়াও সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিস রোগীরা এই রোগের জটিলতা হিসেবে ফ্রোজেন সোল্ডারে আক্রান্ত হতে পারেন।

চিকিৎসা: ডায়াবেটিস থাকলে ইন্ট্রাআর্টিকুলার ইঞ্জেকশন না দেয়াই ভালো। এতে ডায়াবেটিস বেড়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রেই ব্যথা ভালো হয় না। দীর্ঘমেয়াদি ইলেকট্রোথেরাপি থেরাপিউটিক এক্সারসাইজ ও ম্যানিপুলেশনের সমন্বয় অর্থাৎ আইপিএম এই ক্ষেত্রে কার্যকর।
এক্ষেত্রে রোগীকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে, ফ্রোজেন সোল্ডারের ব্যথা নিমিষেই দূর করা সম্ভব নয়। পুরোপুরি ব্যথা ভালো হতে ২-৩ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।

উপদেশ: ডায়াবেটিস রোগীরা কাঁধের ব্যথার ব্যাপারে খুব সজাগ থাকুন। যাত্রাপথে গাড়িতে বা বাসায় কোনো কাজ করতে গিয়ে হাতে ঝাঁকুনি খেলে বা আঘাত পেলে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে হালকা ব্যথা অনুভব করলে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী আইপিএম চিকিৎসা শুরু করে দিন।

যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা হবে তত খরচ ও চিকিৎসার দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বাংলা-ইংরেজির সংমিশ্রণে কোনো বার্তা না দেয়ার নির্দেশ বিটিআরসির

দেশের খবর: বিভিন্ন অফার বা প্যাকেজের তথ্য গ্রাহকদের জানাতে এখন থেকে আর মিশ্র ভাষা ব্যবহার করতে পারবে না টেলিকম অপারেটররা। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে বাংলা-ইংরেজির সংমিশ্রণে কোনো এসএমএস পাঠানো যাবে না। এছাড়াও সরকার বা বিভিন্ন কোম্পানির প্রচারণামূলক এসএমএসের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম মেনে চলতে হবে। এগুলোও সাধারণত ইংরেজি অক্ষরে বাংলায় লেখা হয়। সেগুলোও এখন বন্ধ হয়ে যাবে।
অপারেটরদের মাধ্যমে অনেক বাণিজ্যিক এসএমএসও পাঠানো হয়, যেগুলো একইভাবে ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লেখা হয়। এগুলোর অধিকাংশই বাংলার বিকৃতি হয় বলে মনে করছে বিটিআরসি। তাই তা বন্ধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কিডনি ভালো রাখবে যেসব খাবার

স্বাস্থ্য কণিকা: চোখ, মস্তিষ্ক, হৃদপিন্ড, পাকস্থলীর মতোই শরীরের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হলো কিডনি। এটি শরীরের পানি সরবরাহ ঠিক রেখে দূষিত রক্ত দূর করে থাকে। একটু অসতর্কতা হলে এই অঙ্গটির বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। যা পরবর্তীতে কিডনি ড্যামেজের মত সমস্যাও হতে পারে। তবে কিছুটা সচেতন হলে কিডনির সমস্যা অনেকেটা প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিছু খাবার আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে থাকে। এই খাবারগুলো নিয়মিত খেলে কিডনি রোগের ঝুঁকি অনেকটা কমে যায়।
এমন কিছু খাবারের নাম পাঠকদের জন্য-

আপেল: প্রচলিত আছে ‘প্রতিদিন একটা আপেল খান আর ডাক্তারকে দূরে রাখুন’। কথাটা কিডনির ক্ষেত্রেও সত্য। আপেল উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, এতে অ্যান্টি-ইনফ্লামেটোরি আছে যা বাজে কোলেস্টেরল দূর করে হৃদ রোগ প্রতিরোধ করে থাকে। এছাড়া এটি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। আপেল কাঁচা বা রান্না করে অথবা প্রতিদিন এক গ্লাস আপেলের জুস খাওয়ার চেষ্টা করুন।

ক্যাপসিকাম: কিডনি সুস্থ রাখতে ক্যাপসিকাম হতে পারে প্রথম পছন্দ। সালাদ কিংবা যেকোন রান্নাকে সুস্বাদু করতে এর জুড়ি নেই। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ফলিক এসিড এবং ফাইবার বা আঁশ। এছাড়াও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপিন, যা কিনা ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।

পেঁয়াজ: কিডনি সুস্থ রাখার আরেকটি অন্যতম উপাদান হল পেঁয়াজ। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনোয়েড রয়েছে। যা রক্তের চর্বি দূর করে থাকে। এছাড়া এতে কুয়ারসেটিন আছে যা হৃদরোগ প্রতিরোধ করে থাকে। পেঁয়াজে পটাশিয়াম,প্রোটিন আছে যা কিডনির জন্য অনেক বেশি উপকারী।

রসুন: রসুনের গুণের কথা আমাদের সবারই জানা। এটি কিডনি প্রদাহ উপশম করার পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কিডনি রোগীদের জন্য রসুন বেশ উপকারী।

বাঁধাকপি ও ফুলকপি: বাঁধাকপি ও ফুলকপিকে বলা যায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-এর খনি। এরা শরীরের ক্ষতিকারক ফ্রি রেডিকেলস এর বিরুদ্ধে কাজ করে কিডনিকে শক্তিশালী করে। পাশাপাশি ক্যান্সার এবং হৃদরোগ প্রতিরোধেও এরা কাজ করে। দামে সস্তা হলেও এগুলোতে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি-৬ ও ফলিক এসিড। ফুলকপির একটি বিশেষ গুণ হচ্ছে, এটি শরীর থেকে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সহায়তা করে।

ডিমের সাদা অংশ: ডিমের সাদা অংশে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন আছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরাস এবং অ্যামিনো এসিড আছে যা কিডনি রোগ প্রতিরোধ করে কিডনিকে সুস্থ রাখে। ডিম সিদ্ধ করে বা অমলেট করে খেতে পারেন। তবে হ্যাঁ ডিমের সাদা অংশ শুধু।

মাছ: কিডনিকে সুস্থ রাখার অন্যতম খাবার হল মাছ। এতে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন, ওমেগা থ্রি এবং অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি ফ্যাট আছে যা কিডনিকে সুস্থ রাখে। আমেরিকান ডায়াবেটিকস এসোসিয়েশনের মতে দিনের খাদ্যতালিকায় দুই থেকে তিন বেলা মাছ রাখুন। এটি আপনার হৃদযন্ত্র ঠিক রাখার পাশপাশি ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে থাকে।

অলিভ অয়েল: একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে প্রতিদিনের রান্নায় অন্যান্য তেলের চেয়ে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে অলিক এসিড, অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ফ্যাটি এসিড আছে যা কিডনি সুস্থ রাখার পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সালমান খানের কারণে শাহরুখ আজ ‘কিং খান’

বিনোদনের খবর: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা কিং খানকে সবাই চেনে। তার অভিনয় দক্ষতায় আজ তিনি কিং খানে পরিণত হয়েছেন। তিনি বলিউড বাদশা শাহরুখ খান।
তবে তার এই বাদশা হওয়ার পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি, কে বা কারা রয়েছেন তার পেছনের গল্পে, হয়তো অনেকেরই জানা নেই?
যার জন্য আজ শাহরুখের যশ, খ্যাতি তিনি আর কেউ নন তিনি বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের বাবা সেলিম খান।
সম্প্রতি একটি চ্যানেলে সালমান খানের সঞ্চালনায় ‘দশ কা দম’-৩ এর ফাইনাল রাউন্ডে অতিথি হিসাবে এসে সেলিম খানের অবদানের কথা স্মরণ করেছেন শাহরুখ।
শাহরুখ খান বলেন, যখন আমি প্রথমবার মুম্বাই এসেছিলাম, তখন আমি একজন সাধারণ এক অভিনেতা ছিলাম। মুম্বাইতে ভালো থাকা খাওয়ারও স্থান ছিলনা আমার। সে সময় সালমানের বাড়িতেই আমি খাবার খেয়েছিলাম। সেলিম খানজী আমাকে ভীষণভাবে সাহায্য করেছিলেন। বলতে গেলে ওনার সাহায্যেই আজ আমি শাহরুখ হয়েছি।
সালমান-শাহরুখের বন্ধুত্ব সর্বজনবিদিত। বিটাউনে তাদের বন্ধুত্ব করণ-অর্জুন উপাধিতে পরিচিত। তাই এ বন্ধুত্বের বন্ধনকে যেন আরও দৃঢ় করলেন শাহরুখ, আমি এই শোয়ে এসেছি শুধুমাত্র সালমানের জন্য। ও আমাকে যেখানে যেতে বলবে আমি যেতে রাজি।
সেলিম খান বলিউডের একজন খ্যাতনামা চিত্রনাট্যকার। তিনি ‘জাঞ্জির’,‘সীতা অউর গীতা’এবং‘সীতা অউর গীতা’র মত ছবির চিত্রনাট্যকার তিনি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে নিমপাতা

স্বাস্থ্য কণিকা: আমাদের চারপাশেই রয়েছে এমন অনেক কিছু, যার নিত্য ব্যবহারের ফলে নানাবিধ রোগ থাকবে দূরে। আর এর মধ্যে নিমপাতার প্রচুর উপকার রয়েছে। মাত্র কয়েকটা নিমপাতা নিয়মিক খেলে বিভিন্ন রোগের থেকে নিরাময় পাওয়া সম্ভব।

নিমপাতা ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে পারে। চামড়ার ইনফেকশন রোধে এছাড়া ব্রণ, চুলকানি ও অ্যালার্জি রোধে নিমপাতা অনেক উপকারি। এছাড়া শরীরের ব্যথা, কেটে গেলে, পুড়ে গেলে, কানব্যথা, মচকানো, মাথাব্যথা, জ্বর কমাতে নিমপাতা ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। আসুন জেনে নেই, নিম পাতা আর যেসব অসুখে কাজে লাগে-

১। শরীরের ব্যথা, কেটে গেলে, পুড়ে গেলে, কানব্যথা, মচকানো, মাথাব্যথা, জ্বর কমাতে নিমপাতা ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

২। শিশুদের পেটে কৃমি নির্মূল করতে নিমের জুড়ি নেই। শিশুরাই বেশি কৃমির শিকার হয়। এ জন্য ৫০ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিম গাছের মূলের ছালের গুড়ো দিন ৩ বার সামান্য গরম পানিসহ খেতে হবে।

৩। অনেক সময় বুকে কফ জমে বুক ব্যথা করে। এ জন্য ৩০ ফোটা নিম পাতার রস সামান্য গরম পানিতে মিশিয়ে ৩/৪ বার খেলে বুকের ব্যথা কমবে। গর্ভবতীদের জন্য ঔষধটি নিষেধ।

৪। সকালে খালি পেটে ৫টি গোলমরিচ ও ১০টি নিম পাতা বেটে খেলে তা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

৫। নিম পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে গোসল করলে খোসপাচড়া চলে যায়। পাতা বা ফুল বেটে গায়ে কয়েকদিন লাগালে চুলকানি ভালো হয়।

৬। পোকা মাকড় কামড় দিলে বা হুল ফোঁটালে নিমের মূলের ছাল বা পাতা বেটে ক্ষত স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হবে।

৭। নিমের পাতা ও ছালের গুড়ো কিংবা নিমের ডাল দিয়ে নিয়মিত দাত মাজলে দাঁত হবে মজবুত, রক্ষা পাবেন দাঁতের রোগ থেকেও।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest