বাঁকালে পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
শহরের বাঁকালে ১৪৫ ধারা উপেক্ষা করে দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধভাবে দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাঁকাল পূর্বপাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী জমির মালিক আনোয়ার হোসেন জানান, রামদেবপুর মৌজায় এস এ খতিয়ান নং-৮৩, দাগ নং- ১৪২৬, ১৪২৫, ১৩৬৬ দাগে আমার পিতার নামীয় জমির পরিমাণ ২৭ শতক সম্পত্তি রয়েছে। যা দীর্ঘদিন ধরে আমরা ৫ ভাই ও ৪ বোন যৌথভাবে ভোগদখল করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি বাঁকাল পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আলকাজ সরদারের পুত্র আব্দুল আলিম ওই সম্পত্তি তার পাশ্ববর্তী হওয়ায় গায়ের জোরে দখলের চেষ্টা চালাতে থাকে এবং আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। বর্তমান মাঠ জরিপ, প্রিন্ট পর্চাসহ সকল কাগজপত্র আমাদের পক্ষে রয়েছে। এঘটনায় আমি বাদী হয়ে সাতক্ষীরা অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। আদালত মামলটি আমলে নিয়ে উক্ত ১৪৫ ধারা জারি পুর্বক স্থানে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সাতক্ষীরা সদর থানাকে নির্দেশ দেন এবং আব্দুল আলিমকে আদালতে উপস্থিত হয়ে দখলের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পেশ করার নির্দেশ দেন।
সে অনুযায়ী সাতক্ষীরা সদর থানার এস আই মিজানুর রহমান আব্দুল আলিমকে গত ২২ জুলাই’১৮ তারিখে- নোটিশ দেন। এসময় আলিম ওই নোটিশে স্বাক্ষরও করেন। কিন্তু ১৪ আগস্ট সকালে আদালতের ওই নিষেধাজ্ঞা না মেনে একই এলাকার মৃত জেহের আলীর ছেলে আব্দুল জলিল, হামজার আলীর ছেলে জামাল উদ্দীনসহ ২০/২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল নিয়ে দখলের উদ্দেশ্যে ওই সম্পত্তিতে প্রবেশ করে ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে তারা ধারালো অস্ত্র উচিয়ে করে আমাদের হত্যাসহ বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে। এসময় তারা ওই সম্পত্তিতে বাঁশখুটি পুতে চলে যায়। আমরা বর্তমানে ওই দখলদার আলিম গংয়ের কারণে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যে কোন সময় সেখানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটতে পারে বলে আমরা ধারনা করছি। আমরা ওই দখলদার আলিম গংয়ের কাছ থেকে আমাদের পৈত্রিক সম্পত্তি উদ্ধার পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
কলারোয়ার পৌর মেয়র আক্তারুল বরখাস্ত

কলারোয়া প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে হামলা মামলার চার্জশীটভুক্ত আসামী সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলাকে পৌরসভা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকালে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি কলারোয়া পৌরসভায় এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলাম বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার চার্জশীটভূক্ত আসামী। তিনি দীর্ঘ দিন পৌর সভায় আসেন না। তিনি পৌর সভায় না আসায় পৌরসভার সকল কার্যক্রম বন্ধ হবার উপক্রম হয়ে পড়েছে। বিষয়টি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে অবগতি করার পর গত ৮ আগষ্ট-২০১৮ তারিখে পৌর আইনের-২০০৯ এর ৩১ ধারা এর উপ-ধারা (১) এপ্রদত্ত ক্ষমতাবলে কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আকতারুল ইসলামকে পৌরসভার মেয়রের পদ হতে সাময়িক ভাবে বরখাস্ত করা হয়। সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে উপসচিব ফারজানা মান্নান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যার স্বারক নং-পৌর-২/৪৬, ০০, ০০০০, ০৬৪, ৩২, ১৪০, ১৬, ৯০৭। প্রসঙ্গত: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ২০০২ সালের ৩০ আগষ্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ী বহরে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা ও গুলিবর্ষণ করে। এঘটনায় দায়ের করা মামলায় কলারোয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কলারোয়া পৌরসভার মেয়র আক্তারুল ইসলাম চার্জশীটভুক্ত ০৯নং আসামী।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জেলা ছাত্রলীগের স্বেচ্ছায় রক্তদান

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতির জনক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রলীগ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রক্তদান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহীন ইসলাম সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি শাওন, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহেদ পারভেজ ইমন, সিটি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আলিফ খান, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সভাপতি মাহমুদুল, সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেন ও মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। এসময় জেলা সভাপতি রেজাউল ইসলাম নিজেই রক্ত দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে পর্যাযক্রমে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ মোট ২৫ ব্যাগ রক্ত প্রদান করেন।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
‘ম্যানার শেখানো’ নিয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষে হাতাহাতি

দেশের খবর: ‘ম্যানার শেখানো’ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সমর্থকদের মধ্যে ওই হাতাহাতি ঘটে।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি প্রাঙ্গণে ওই ঘটনা ঘটে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে টিএসসি মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগ। সভা শেষ হওয়ার পরই হাতাহাতি শুরু হয়।
টিএসসি মিলনায়তনে আয়োজিত ওই আলোচনা সভার প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক। ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, টিএসসি মিলনায়তনে সভাশেষে জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সভাপতি শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী ও ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম বের হয়ে যান। এতে পেছনে পড়ে যান ঢাবি শাখার সভাপতি সনজিত।
এদিকে নানকের সঙ্গে বাকিরা থাকায় তাঁদের অনুসারীদের উপস্থিতিতে সেখানে বিরাট জটলা বেধে যায়। এ জটলার কারণে সনজিত টিএসসি থেকে বের হতে পারছিলেন না। বের হওয়ার সময় একুশে হলের একজনের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় সনজিত তাঁকে থাপ্পড় দেন। নানক চলে যাওয়ার পরে সনজিত শোভনকে বলেন, ‘আপনার ছেলেদের কোনো ম্যানার শেখান নাই? তারা আমাকে বের হওয়ার জায়গা দেয় নাই কেন?’
এ সময় সূর্যসেন হলের আসলাম নামের একজন প্রতিবাদ করে বলেন, ‘কী ম্যানার শেখাতে হবে?’ তখন সনজিত আসলামকে মারধর করেন। এর পরই দুই পক্ষে ঝামেলা শুরু হয়। প্রায় ১৫ মিনিটের মতো এ হাতাহাতি ও মারামারি চলে।
এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফুটেজ এ প্রতিনিধির কাছে আছে। সেখানে দেখা যায়, টিএসসি প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী নিজেদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারিতে জড়ায়। ঘটনাস্থলে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনকে দেখা গেছে। তবে, ছাত্রলীগের শীর্ষ এ চার নেতার কাউকেই হাতাহাতি থামাতে দেখা যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সনজিত চন্দ্র দাস বলেন, ‘আমি আর শোভন ভাই কথা বলছিলাম। এ সময় বাইরের কয়েকজন এসে সেখানে চিল্লাচিল্লি করছিলেন। আমরা তাদের চিনি না। কেউই চিনে না। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের হতেও পারে, নাও হতে পারে। আমি শিউর না। পোলাপানের সাথে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল, তারা ওদের সরিয়ে দিয়েছে। আমরা তাদের থামিয়ে দিয়েছি।’
দুজনকে মারধরের বিষয়ে জানতে সনজিতকে আবার ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন ধরেননি।
এদিকে সাদ্দাম নিশ্চিত করেছেন যে, হাতাহাতিতে জড়ানো ব্যক্তিরা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের জুনিয়র নেতাকর্মী। তবে তিনি ঘটনাস্থলে তাঁর উপস্থিতির বিষয়ে অস্বীকার করেছেন। যদিও প্রমাণ দেওয়ার পর স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন।
সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘টিএসসিতে গোলযোগ হয়েছে বলে আমার জানা নেই। জুনিয়রদের মধ্যে মনে হয় কথা কাটাকাটি হয়েছে। তবে সিনিয়ররা কিছুই করেনি। আমরা তা দেখিনি। গোলযোগের সময়ে আমরা সেখানে ছিলাম না। আমরা আসার পরে তা হয়ে থাকতে পারে।’
ভিডিওতে আপনাদের দেখা যাচ্ছে বললে তারপর সাদ্দাম উপস্থিতির কথা স্বীকার করেন। বলেন, ‘সিনিয়ররা গিয়ে জুনিয়রদের থামাইছে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সাতক্ষীরায় ট্রাফিক সপ্তাহে ৩ হাজারের বেশি মামলা, ৬ লক্ষাধিক টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরায় শেষ হয়েছে ট্রাফিক সপ্তাহ। সারা দেশের ন্যায় গত ৫ আগস্ট শুরু হয়ে ১০ দিন পর ১৪ আগস্ট মঙ্গলবার শেষ হয়। টানা ১০ দিনের ট্রাফিক সপ্তাহে মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী বিভিন্ন ত্র“টি থাকার কারণে জেলার বিভিন্ন মটরযানের বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৬ শত ৯৭টি মামলা দায়ের হয়েছে। আটক করা হয়েছে ১২৭ টি মটরযান। এসব মামলার মধ্যে সাতক্ষীরা সদর থানায় মামলা হয়েছে ৫০৮টি, কলারোয়ায় ১৬৫টি, তালা থানায় ৩৩৪টি, কালিগঞ্জ থানায় ২২৯টি, শ্যামনগর থানায় ১২৪টি, আশাশুনি থানায় ৮৫টি, দেবহাটা থানায় ২৮২টি, পাটকেলঘাটায় ৪৮৪টি এবং ট্রাফিক বিভাগে হয়েছে ৯৫০টি মামলা। মটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাহিন্দ্রসহ যানবাহন করা হয়েছে ১২৭টি। এসব মামলায় জরিমানা আদায় হবে প্রায় ৬লক্ষ ৬৪ হাজার ২০০ শত টাকা। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের ডিএসবি শাখার পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জমে উঠেছে শ্যামনগরের গরুহাট
আব্দুল আলিম: পবিত্র ঈদ- উল – আযহাকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে শ্যামনগর সদর নকিপুর গরুহাট। সাপ্তাহিক হাটবার হিসাবে মঙ্গলবার শ্যামনগরে সদর হাটে অন্যান্য দিনের চেয়ে কয়েকগুন গবাদি পশু উঠে। হাটে কোরবানির যোগ্য গরু – ছাগল, মহিষ নিয়ে আসে সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন ব্যাপারীরা।
শ্যামনগর সদর নকিপুর হাটে গরু, ছাগল, মহিষ, ভেড়াসহ বিভিন্ন ধরনের পশু বিক্রয় হয়। আর কয়েকদিন পরই পবিত্র ঈদ- উল- আযহা। যার আচ লেগেছে শ্যামনগর সদর নকিপুর গরুহাটে। কোরবানিযোগ্য পশু বেচা কেনায় জমে উঠেছে এই হাট।
সাধারন মানুষ নির্বিগ্নে হাটে কেনা বেচা করছেন। হাটে ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। এবছর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি। এতে সন্তুষ্ট খামারী ও গরু ব্যবসায়ীরা। সাধ্যের সমন্বয় ঘটিয়ে গরু কিনছেন সাধারন ক্রেতারা। এবারের হাটে ভারতীয় গরু কম ওঠাই স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। গরুর ব্যপারীরা জানান ভারত থেকে গরু কম আসায় দাম কিছুটা বেশি। তবে ২৫ থেকে ৪৫ হাজারের মধ্যে বেশি গরু বিক্রয় হচ্ছে। তবে বেশি ভাগ খামারী টার্গেট অনুযায়ী গরু বিক্রয় করতে পেরে আনন্দে বাড়ি ফিরছে বলে জানা যায়।
0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
তাহসানের কুরিয়ার-বাইকে তিশা

বিনোদনের খবর: তিশার বাবা ব্যবসায় বড় ধরনের লস করেন। এরপর স্ট্রোক করে প্যারালাইজড। তাদের সংসারে শুরু হয় অর্থনৈতিক টানাপড়েন।
একটা সময় তিশাকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা করেন তার বাবা-মা। তারা মনে করেন এমন একটা ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে হবে, যে তাদের পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারবে।
বিয়ে ঠিক হয় বাবার বন্ধুর ছেলে ফারহানের সঙ্গে। পরিবারের কথা ভেবে সম্মত হন তিশা। বিয়ের আগে বাইরে দেখা করেন হবু স্বামী-স্ত্রী। কিন্তু ফারহানের কিছু আচরণ ও ভাবনা মেনে নিতে কষ্ট হয় তিশার। চলতি পথে একই দিন দেখা হয় কুরিয়ার সার্ভিসে চাকরি করা সাদামাটা তাহসানের সঙ্গে। বদলে যেতে থাকে তিশার বিয়ের সিদ্ধান্ত।
অবশেষে অনেক নাটকীয়তা শেষে একদিন সব ভুলে তাহসানের কুরিয়ার-বাইকে চেপে বসেন তিশা, নতুন গন্তব্যের স্বপ্ন নিয়ে।
এমন রোমান্টিক গল্পে সাজানো বিশেষ নাটকটির নাম ‘একটু হাসো’। আসছে ঈদের জন্য সদ্য নির্মিত এই নাটকের প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন তাহসান খান ও নুসরাত ইমরোজ তিশা।
টম ক্রিয়েশনস প্রযোজিত বিশেষ এই নাটকটির গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মাবরুর রশিদ বান্নাহ্।
নির্মাতা বান্নাহ্ জানান, নাটকটি প্রচার হচ্ছে ঈদের ৫ম দিন রাত ৭টা ৫৫ মিনিট থেকে বাংলাভিশনে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জাসদ নেতা পলাশের সুস্থ্যতা কামনা

কলারোয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও চন্দনপুর ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত সদস্য হাসান মাহমুদ পলাশের দ্রুত সুস্থ্যতা কামনা করে এক বিবৃতি প্রদান করেছেন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ সাতক্ষীরা জেলার শাখার সভাপতি কাজী রিয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন লস্কর শেলি, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক শেখ ওবায়দুস সুলতান বাবলু, জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ কামাল, জাতীয় কৃষক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক দক্ষিণের মশাল সম্পাদক অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, কলারোয়া উপজেলা জাসদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, তালা উপজেরা জাসদের সভাপতি বিশ্বাস আবুল কাশেম, সাধারণ সম্পাদক মোল্যা আব্দুর রাজ্জাক, দেবহাটা উপজেলা জাসদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওহাব, শ্যামনগর উপজেলা জাসদ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা হারুনার রশিদ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব, কালিগঞ্জ উপজেলা জাসদের সভাপতি শেখ মোদাচ্ছের হোসেন জান্টু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, আশাশুনি উপজেলা জাসদের আহবায়ক রমেশ বসাক, মোঃ সুরাতুজ্জামান, জাতীয় নারী জোট সভাপতি পাপিয়া আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস বীনা, জাতীয় যুব জোটের সাধারণ সম্পাদক মিলন ঘোষাল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি অনুপম কুমার অনুপ, এস এম আব্দুল আলিম, সাইদুজ্জামান শুভ, এস এম শামীম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest