সর্বশেষ সংবাদ-
চলতি মাসেই হতে পারে ছাত্রদলের নতুন কমিটি : আলোচনায় যারাপেরুতে পর্যটকবাহী বিমান বিধ্বস্ত, পাইলটসহ নিহত ১৩সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা : এনডিসির উদ্ধতপূর্ণ আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দাসাইবার দলের ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাতক্ষীরায় কেক কাটা ও বৃক্ষরোপণঢাকাস্থ দেবহাটা উপজেলা সমিতির ৩২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনজলাবদ্ধতা নিরসনে নদী-খাল পুনরুদ্ধারের দাবি : সাতক্ষীরায় নাগরিক পরামর্শ সভাগণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের গণমিছিলগড়েরকান্দা মাদকমুক্ত সামাজিক উন্নয়ন ও জনকল্যাংণ সংঘের পরিচিতি সভামানুষের দুর্ভোগ লাঘবে স্বেচ্ছাশ্রমে রাস্তা মেরামত করল ম্যান ফর ম্যান ফাউন্ডেশনসাতক্ষীরায় জমকালো আয়োজনে ‘৪ দলীয় কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

সংসদ নির্বাচন ঘিরে ‘সাইবার যুদ্ধের’ শঙ্কা

দেশের খবর: বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রচার-প্রচারণার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক এখন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আসছে সাধারণ নির্বাচনেও ইন্টারনেট-ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম একটি বড় প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বড় রাজনৈতিক দলগুলো এ বিষয়টি নিয়ে বেশ মনোযোগীও হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম শনিবার যশোরে দলের নেতা-কর্মীদের বলেছেন, আসছে নির্বাচনে সাইবার যুদ্ধ হবে। এমন প্রেক্ষাপটে দলটির কর্মী-সমর্থকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি সক্রিয় হতে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে নিয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে গত বেশ কয়েক বছর যাবত্। ক্ষমতাসীন দল মনে করে, তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ফেসবুকে অনেক সক্রিয় এবং সরকারবিরোধী নানা ‘অপপ্রচারে’ লিপ্ত। কিন্তু এর বিপরীতে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকরা ফেসবুকে ততটা সোচ্চার নয় বলেই দলের শীর্ষ পর্যায়ে ধারণা রয়েছে।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সাইবার ব্রিগেড গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছে, এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘গুজব ছড়ানো প্রতিহত’ করা। এছাড়া আগামী নির্বাচনের জন্য ‘সরকারের উন্নয়ন’ প্রচার করা।

সাইবার যুদ্ধ এবং আগামী নির্বাচন
বাংলাদেশ রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘সাইবার যুদ্ধ’ প্রথমবারের মতো ব্যাপক আকার ধারণ করে ২০১২ সালে যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে ঢাকার শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের সময়। গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনকারীরা যেভাবে অনলাইন ব্লগ এবং সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন তেমনি ফেসবুকসহ ইন্টারনেট-ভিত্তিক বিভিন্ন মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকরা।
‘বাঁশের কেল্লা’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে বিচারের সমালোচনা করা হয় ক্রমাগত। ‘বাঁশের কেল্লা’ ফেসবুক পেজটিকে জামায়াতে ইসলামীর মদদ-পুষ্ট বলে মনে করা হয়। এর পর থেকে ফেসবুকে নানা ধরনের গ্রুপ তৈরি করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক আসিফ নজরুল মনে করেন, আসছে নির্বাচন অনলাইন-বিশেষ করে করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। এর দুটো কারণ রয়েছে। তার মতে, প্রথম কারণ হচ্ছে, বাংলাদেশের মূলধারার গণমাধ্যমে একাংশ বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। আরেকটি অংশ সরকারের বিভিন্ন কালাকানুনের ভয়ে স্বাধীন মতো সাংবাদিকতা করতে পারছে না। এ দুটো পরিস্থিতির কারণে যে শূন্যতা দেখা দিয়েছে সেটি পূরণের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তার মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রতিবাদ করার জায়গা চরমভাবে সংকুচিত হওয়ার কারণে বিকল্প মাধ্যম হিসেবে মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বেছে নিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষক বিএম মইনুল হোসেন বলেন, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে ফেসবুকে রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা নিজেদের প্রচারণা জোরেশোরে শুরু করেছেন। কোন পোস্টে কয়টি লাইক পড়ছে, কতগুলো শেয়ার হচ্ছে- এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর মাধ্যমে একটি ইমপ্যাক্ট (প্রভাব) তৈরি হয়। তিনি বলেন, ফেসবুক এমন একটি মাধ্যম যার সাহায্যে কম সময়ে অনেক মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দেওয়া যায়।
তিনি বলেন, সাইবার যুদ্ধ বলতে তো আর প্রথাগত যুদ্ধ বোঝায় না। ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিজেদের প্রচার-প্রচারণা করা এবং প্রতিপক্ষের ভুল চিহ্নিত করাটাই হবে এর উদ্দেশ্য। সম্প্রতি কোটা সংস্কার এবং নিরাপদ সড়কের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের সময় বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বহুল ব্যবহার যেমন লক্ষ্য করা গেছে। আর তা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে খোলাখুলি বিরক্তি প্রকাশ এবং নেতিবাচক মন্তব্যও করা হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক নিয়ে সরকার বাড়তি সতর্ক হয়ে উঠেছে। মাস খানেক আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর হলে ফেসবুকসহ যে কোনো কিছু বন্ধ করতে হবে।

আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি’র মতো বড় রাজনৈতিক দলগুলো ফেসবুক পেজের পাশাপাশি টুইটার এবং ইউটিউবেও সক্রিয়। এছাড়া তাদের কর্মী-সমর্থকরা ফেসবুকে অসংখ্য পেজ খুলেছেন যেগুলো দলের প্রচার-প্রচারণার কাজ করছে। ‘বিএনপি সমর্থক গোষ্ঠী’, ‘বিএনপি-দেশনায়ক তারেক রহমান’ কিংবা ‘শেখ হাসিনা-মাদার অব হিউম্যানিটি’, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অনলাইন ফোরাম’ এ ধরনের বহু ফেসবুক পেজ দেখা যায়। বিএনপি এবং আওয়ামী লীগের মতো বড় রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে নেতা-কর্মীদের ফেসবুকের মাধ্যমে নিজদের প্রচারণার পাশপাশি প্রতিপক্ষের ত্রুটি এবং নিজেদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরার নির্দেশনা রয়েছে।

আওয়ামী লীগের কোনো কোনো নেতা মনে করেন, মানবতা-বিরোধী অপরাধের বিচারের সময় তাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা প্রচারণা’ চালিয়েছে। কিন্তু এর বিপরীতে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকরা ততটা সক্রিয় ছিল না বলেই তাদের ধারণা। জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারো সে ধরনের পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে বলে ক্ষমতাসীনরা মনে করছেন।
অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, যখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা জিনিস প্রচণ্ড আলোচিত হয়, এমনকি মূল গণমাধ্যমও সেটা দ্বারা প্রভাবিত হয়।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
হাসিনা-এরশাদ বৈঠক; নির্বাচনকালীন সরকারে থাকবে জাপা

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদের মধ্যে রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংসদ অধিবেশন শেষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ শেষ মূহুর্তে যোগ দেন।
শুরুতে শেখ হাসিনার সাথে এরশাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় এরশাদের সাথে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন বাবলু ও পরে কাজী ফিরোজ রশীদ যোগ দেন।
বৈঠকে তারা মহাজোটগত ভাবে নির্বাচন করার বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছান। তবে রাজনীতির ময়দানে এরশাদ স্বাধীনভাবে কথা বলবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া, নির্বাচনকালীন সরকারে জাপা থাকবে বলেও সিদ্ধান্ত হয়।
সূত্র জানায়, মহাজোট গত ভাবে এরশাদের নির্বাচনী আসন ও ক্ষমতার অংশীদারিত্বের প্রস্তাব শেখ হাসিনা ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। আসন ও ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে কোন সমস্যা হবে না বলে অাশ্বাস দেন তিনি। বৈঠক শেষে দুই পক্ষের নেতারাই ছিলেন ফুরফুরে মেজাজে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
জরুরি ভিত্তিতে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে আনতে হবে

দেশের খবর: প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে এনে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে হবে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে এ সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে বলা হয়, প্রতিটি ব্যাংকই বছরে দেড়শ’ থেকে আড়াইশ’ কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফা করছে।
অন্যদিকে উচ্চ সুদের কশাঘাতে বন্ধ হয়ে গেছে অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠান। বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ৮৯ শতাংশ পোশাক শিল্প। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে তথ্য। পহেলা আগস্ট অনুষ্ঠিত বৈঠকে ব্যাংকের উচ্চ ঋণের সুদহার, ক্রেডিট কার্ডের উচ্চ সুদ এবং রিজার্ভ চুরির অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা নিয়ে আলোচনা হয়।
সেখানে জনগুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদহার বজায় থাকায় মৎস্য ও পোলট্রিসহ অনেক ফার্ম পথে বসার উপক্রম হয়েছে। ঋণে জর্জরিত হয়ে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ৮৯ শতাংশ পোশাক শিল্প। তিনি জানান, উদ্বেগজনক এ তথ্যগুলো কমিটির পরবর্তী সভায় অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তুলে ধরা হবে।

বৈঠকে সংসদীয় কমিটির সদস্য মো. আবদুল ওয়াদুদ বলেন, ব্যাংকের অতিরিক্ত সুদহারের কারণে গার্মেন্টস শিল্প-কারখানা বর্তমানে ঋণে জর্জরিত হয়ে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে এনে দেশে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি নিশ্চিত করতে হবে।
প্রসঙ্গত, নির্বাচনের বছরে সুদহার কমাতে ব্যাংকগুলোকে বিভিন্ন সুবিধা দেয়া হলেও কাজের কাজ না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মে মাসে সিঙ্গেল ডিজিটের দিকনির্দেশনা দেন। এখন সে নির্দেশনাও উপেক্ষিত। অনেকে মনে করেন, এর পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র কাজ করছে। যে কারণে মহলবিশেষ এখানে বিনিয়োগের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করতে সবকিছুর লাগাম টেনে ধরছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, সিঙ্গেল ডিজিটে নামানোর কথা বলে ব্যাংক মালিকরা শুধু সরকারের কাছ থেকে বাড়তি সুবিধা নিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে তারা সেটি বাস্তবায়ন করবেন না। বরং বেশি চাপাচাপি করলে কৌশলে ঋণ দেয়া কমিয়ে দেয়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়। এখন সেটিই ঘটছে। আর এ পথ বেছে নিয়ে প্রকারান্তরে তারা প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। এটাকে প্রতারণা বললেও ভুল বলা হবে না। যে কারণে এটি মনিটরিং করা হচ্ছে।

ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবি জুলাই মাস থেকে সিঙ্গেল ডিজিটে ঋণ বিতরণের ঘোষণা দেয়। কিন্তু বেশির ভাগ ব্যাংক তা কার্যকর করেনি। এরপর তা আবার ৯ আগস্ট থেকে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়। গণমাধ্যমের সামনে এ বিষয়ে খোদ অর্থমন্ত্রী ঘোষণা দেন। সেটিও বাস্তবে আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে ব্যাংকের দায়িত্বশীল কেউ মুখ খুলছেন না। কেউ কেউ পরিচয় গোপন রেখে বলার চেষ্টা করছেন, আপাতত তারা আর নতুন করে ঋণ দিচ্ছে না। খেলাপি ঋণ আদায়ে বেশি মনোযোগী হচ্ছেন।

এদিকে যেসব ব্যাংকের চেয়ারম্যান স্বতঃপ্রণোদিত বা আদিষ্ট হয়ে আমানতে ৬% এবং ঋণে ৯% সুদহার ঘোষণা করেছিলেন, তাদের কেউ কেউ নিজেদের ঘোষণা নিজেরাই লঙ্ঘন করেছেন। একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যান সে সময় বলেছিলেন, ‘আজকের এ ঘোষণা যেন কথার কথা না হয়, অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।’ অথচ সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, ব্যাংকটি এক বছর মেয়াদি স্থায়ী আমানত (এফডিআর) সংগ্রহ করছে ৯ শতাংশ সুদে আর ৬ মাস মেয়াদি এফডিআর সংগ্রহ করছে সাড়ে ৮ শতাংশ সুদে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মেহেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেন বৈঠকে বলেন, ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং পণ্যের এলসি খোলায় কালক্ষেপণের কারণে বছরে তিনবার অর্থ রোল করতে হয়। এতে আমদানিকৃত পণ্য ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় অধিক মূল্যে বিক্রি করতে হয়। এতে আমদানিকারকদের আয় কমছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরে টিটির মাধ্যমে প্রেরণের ফলে ২৫ থেকে ২৬ বার অর্থ রোল করে। এতে অধিক পরিমাণ আয়ের সুযোগ হচ্ছে। তিনি ব্যাংকিং এবং এলসি সহজীকরণ মাধ্যমে পণ্য আমদানি কার্যক্রম ব্যয় কমিয়ে স্বল্পমূল্যে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার অনুরোধ জানান।

বৈঠকে ব্যাংকের তারল্য সংকট প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, নতুন প্রজন্মের ফারমার্স ব্যাংকে তারল্য সংকট থাকায় অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান করা হয়েছে। বর্তমান ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট নেই। কারণ বৈদেশিক মুদ্রা ২ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার বিক্রির বিপরীতে দেশে টাকা চলে আসছে। সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক যৌথ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়ায় তারল্য সংকট কমেছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
স্থিতিশীলতা দেখতে চায় বন্ধু রাষ্ট্রগুলো

দেশের খবর: নির্বাচন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও নির্বাচন ঘিরে অস্থিতিশীলতা দেখতে চায় না বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্রগুলো। শুধু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নয়, এ দেশে শক্তিশালী গণতন্ত্র দেখতে চায় তারা। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রদূত, সফরকারী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি বা বিদেশে নীতিনির্ধারকরা বাংলাদেশ নিয়ে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
ঢাকায় বিভিন্ন দূতাবাসের কূটনীতিক বা প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে আভাস পাওয়া গেছে, প্রকাশের ধরন ভিন্ন হলেও বাংলাদেশ নিয়ে সবার প্রত্যাশা প্রায় অভিন্ন। তাঁরা সবাই চান, এ দেশের অগ্রযাত্রা আরো টেকসই হোক। বিশেষ করে, নির্বাচন ঘিরে কোনো অস্থিরতা বা অস্থিতিশীলতা তাঁরা দেখতে চান না। কারণ এর প্রভাব দীর্ঘ মেয়াদে দেশের জনগণ, জীবনযাত্রা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ওপর পড়ে। দেশে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হলে বিদেশি বিনিয়োগকারী-ব্যবসায়ীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যায়। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও বাধাগ্রস্ত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে অন্য দেশগুলোর প্রকাশভঙ্গির কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। পশ্চিমা দেশগুলো গণতন্ত্র, সুষ্ঠু নির্বাচন ও মানবাধিকারকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেয় এবং রাখঢাক না রেখেই নিজেদের প্রত্যাশার কথা বলে, যেটি হয়তো অন্য অঞ্চলের দেশগুলো বলে না। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে তাদের প্রত্যাশা পুরোপুরি আলাদা।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গত জুন মাসে বাংলাদেশ সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি বিষয়েও জানতে চেয়েছেন। বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা নিয়ে সরব যুক্তরাষ্ট্র। ঢাকায় দেশটির বিদায়ী রাষ্ট্রদূত গত সপ্তাহেও এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি এমন একটি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন, যেখানে জনগণের প্রত্যাশার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
তবে বিদেশিরা কোনো ফর্মুলা বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেবে না—এমন কথাও বলেছেন কূটনীতিকরা। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া কী হবে তা এ দেশের সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোই ঠিক করতে পারে।
সম্প্রতি ঢাকা সফরকারী ব্রিটিশ পররাষ্ট্র ও কমনওয়েলথ এবং ডিএফআইডি প্রতিমন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট সরকার ও বিরোধী দল উভয় পক্ষের কাছেই বাংলাদেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখার প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন বিষয়ে যুক্তরাজ্য আগের অবস্থানেই আছে। ২০২২ সালে আমাকে প্রশ্ন করা হলেও আমি একই কথা বলব। যুক্তরাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট। যখন সবাই নির্বাচনে অংশ নেয় তখন এর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি বাড়ে। যখন সবাই নির্বাচনে অংশ নেয় তখন সরকারের বৈধতা বাড়ে। সবার অংশগ্রহণে নির্বাচন না হলে এর বৈধতা যাচাই করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।’ বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত রেঞ্চে টিয়েরিংক সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ইইউ বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায়।
ঢাকায় চীনা দূতাবাসের জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরাও সাম্প্রতিক সময়ে বলেছেন, তাঁরা তাঁদের দেশ চীনের মতো বাংলাদেশেও নির্বিঘ্ন নির্বাচন ও স্থিতিশীলতা দেখতে চান।
নিকটতম প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের নির্বাচনকে এ দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে অভিহিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য না করলেও তারাও এ দেশে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী হবে বলে প্রত্যাশা করে। বিশেষ করে বাংলাদেশে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ভারতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ঢাকার কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, বিদেশিরা, বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো আগামী নির্বাচন নিয়ে আলোচনার সময় অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখার প্রত্যাশা করছে। সরকারের প্রতিনিধিরাও বলছেন, তাঁরা আশা করছেন যে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে দায়-দায়িত্ব উভয় পক্ষের। বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নিতে বলার জন্য তাঁরাও পরামর্শ দিচ্ছেন।
জাতিসংঘের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ১৪ মে জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের ইউনিভার্সেল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনার সময় সুইজারল্যান্ড বাংলাদেশকে এ বছর গণতান্ত্রিক, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেওয়ার আহ্বান জানায়। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশে বিরোধী দলগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও মতপ্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হওয়ার অভিযোগ তুলে উদ্বেগ এবং প্রকৃত নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানায়। অস্ট্রেলিয়াও এ বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করে। কানাডা আগামী নির্বাচনের আগে ও পরে রাজনৈতিক দলসহ সবার মতপ্রকাশ ও সমবেত হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে বাংলাদেশকে সুপারিশ করেছে। অন্যদিকে জাপান বাংলাদেশকে সব দলের পূর্ণ অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা জোরদার করার সুপারিশ করেছে।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এসবের জবাবে বলেছেন, বাংলাদেশ একটি বহু দলীয় গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশে রাজনৈতিক দলগুলো সমবেত হওয়ার ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর স্বাধীনতা চর্চা করে। তিনি বলেন, এটি দুঃখজনক যে ২০১৪ সাল থেকে বিএনপি নির্বাচনী প্রক্রিয়া বর্জন বা ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। অনেকেই এর নিন্দা জানিয়েছেন। সরকার যেকোনো মূল্যে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জানা গেছে, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে যে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে তা আমলে নিয়েছেন বিদেশিরাও। তাঁরা এর বাস্তবায়ন দেখার অপেক্ষায় আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া ব্যুরোর প্রিন্সিপাল ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ও রাষ্ট্রদূত অ্যালিস জে ওয়েলস গত মাসে ওয়াশিংটনে ফরেন প্রেস সেন্টারে এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ও বাংলাদেশের জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে—এমন নির্বাচনের অঙ্গীকার পূরণ করতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে সব সময় উৎসাহিত করছে। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কেউ সহিংসতার পথ বেছে নিলে আমরা নিঃসন্দেহে তার নিন্দা জানাই। তবে আমাদের বার্তা হলো, বাংলাদেশে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো সে দেশে আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করবে এবং আমাদের অংশীদারি আরো জোরদারে সুযোগ করে দেবে।’

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
সোশ্যাল মিডিয়ায় আফ্রিদির ছবি ভাইরাল; বিতর্ক তুঙ্গে

খেলার খবর: তবে কী নিজের দেশকেই অসম্মান করলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক ও অলরাউন্ডার শহিদ খান আফ্রিদি? আপাতত এই প্রশ্নেই সরগরম পাকিস্তান। ওয়াঘার ওপারের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করলেন এই তারকা ক্রিকেটার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে পড়েছে। যা নিয়েই বিতর্ক তুঙ্গে।
সেই ভিডিওতে আফ্রিদিকে দেখা যাচ্ছে নস্যি নিতে। প্রথমবার নস্যি নিয়ে আশেপাশে তাকিয়ে ফের একবার নস্যি নীচের ঠোঁটে ঠুসে দিতে দেখা গেছে। প্রতিরক্ষা ও শহিদ দিবসের অনুষ্ঠান ছিল সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারে। সেখানেই আমন্ত্রিত ছিলেন তিনি। দর্শকাসনে বসেই তিনি নাকি এমন কাণ্ড ঘটান।
পাকিস্তানের জাতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ এমন অনুষ্ঠানে নস্যি নিয়ে কী পরোক্ষে কার্যত দেশকেই অসম্মান করলেন কী না সেই প্রশ্ন উঠে গেছে। নেটিজেনদের একের পর এক প্রশ্নে বিদ্ধ শাহিদ আফ্রিদি। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমেও তুলোধনা করা হতে থাকে তাঁকে। প্রশ্ন তোলা হয়, আফ্রিদির মতো তারকারা দেশের ভাবী প্রজন্মের কাছেই আইডল। তাদের কাছে কী বার্তা রাখলেন তিনি?
পরিস্থিতি বেগতিক দেখে শেষমেষ নিজেকে বাঁচাতে সাফাই দিতে বাধ্য হন আফ্রিদি। তিনি এক পাকিস্তান সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, নস্যি নয়, মৌরি ও লবঙ্গ খাচ্ছিলাম।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
ভোটের আগে জঙ্গিরা তৎপর, রাসায়নিক হামলার আশঙ্কায় গোয়েন্দারা

দেশের খবর: ভোটের আগে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বড় ধরনের জঙ্গি হামলা ও সহিংসতার অাশঙ্কা করেছে সরকারের একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। এরই মধ্যে দেশের জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। নিজেদের মধ্যে তারা প্রাথমিক যোগাযোগ গড়ে তুলেছে। গোয়েন্দারা জানিয়েছে, জঙ্গিরা ভিন্ন কৌশলে এবার হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। হামলায় তারা ব্যবহার এসিডের চেয়েও দাহ্য রাসয়নিক পদার্থ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গোয়েন্দাদের পাঠানো একাধিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সম্ভাব্য রাসায়নিক জঙ্গি হামলা মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে বিশেষ ইউনিট গঠনের জন্য বিশেষ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, রাসায়নিক হামলায় আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য প্রতিটি হাসপাতালে একটি বিশেষজ্ঞ টিম গঠনের জন্য। পাশাপাশি এছাড়া প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সরঞ্জাম-ওষুধ মজুদ, অ্যাম্বুলেন্স সচল রাখা, অপারেশন থিয়েটারে বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থার জন্য জেনারেটর সচল রাখা ও বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা টিমের সকল সদস্যের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে।
গোয়েন্দাদের জালে চট্টগ্রামে জঙ্গিগোষ্ঠীর তৎপরতা ধরা পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বৃহত্তর চট্টগ্রামের কোনো অঞ্চল থেকেই এ হামলার সূত্রপাত হতে পারে। গোয়েন্দাদের এই সতর্কবার্তার পর পরই সম্ভাব্য জঙ্গি হামলা ও সহিংসতা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন। রোববার জেলার আইন শৃঙ্খলা মিটিংয়ে তিনি গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো তুলে ধরে যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবেলায় ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিন।
এদিকে রাসায়নিক হামলায় আহতদের চিকিৎসায় পৃথক ইউনিট প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা সম্বলিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালের চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উপ-পরিচালক ডা, আখতারুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ধরনের একটি ইউনিট আমাদের এখানে আছে। এটাকে আরো আধুনিকায়ন করতে হবে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
আশাশুনিতে পুলিশের অভিযানে আাটক- ৭

আশাশুনি ব্যুরো : আশাশুনি থানা অফিসার ইনচার্জ বিপ্লব কুমার নাথের নেতৃত্বে এসআই সঞ্জীব সমদ্দার, এসআই মোঃ হাসানুজ্জামান, এসআই মোঃ মনজুরুল হাসান, এসআই নয়ন কুমার চৌধুরী, পিএসআই মোঃ আঃ রাজ্জাক, এএসআই আনিসুর রহমান, এএসআই মাহাবুব হাসান, এএসআই আলমগীর হোসেন সহ সঙ্গীয় ফোর্স এর সহায়তায় শনিবার রাত ৩ ঘটিকার দিকে আশাশুনি থানাধীন আশাশুনি গ্রামস্থ আশাশুনি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে নাশকতার পরিকল্পনা কালে ০২(দুই) টি হাতবোমা ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সহ একাধিক নাশকতা মামলার আসামী মোঃ আঃ ওয়াদুদ (৫৮), পিতা-মৃত আঃ করিম মোড়ল, গ্রাম-আশাশুনি, আজিজুল ইসলাম বিশ্বাস (৩২), পিতা-মোঃ ওজিয়ার বিশ্বাস, গ্রাম-চেউটিয়া, মোঃ আতিয়ার রহমান সরদার (৫২), পিতা-মৃত গহর আলী সরদার, গ্রাম-শ্রীধরপুর, রফিকুল ইসলাম বিশ্বাস(৪৮), পিতা-মৃত মোসলেম বিশ্বাস, গ্রাম-চেউটিয়াকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন। এসময় অন্যান্য আসামীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ০২ টি হাতবোমার বিষ্ফোরণ করে ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে যায়। আশাশুনি থানা সূত্রে জানাগেছে আসামীরা বিএনপি, জামায়াত-শিবির এর উগ্রপন্থী নেতাকর্মী ছিলেন। আসামীদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার নাশকতা মামলা নং-১২(০৯)১৮ রুজু করা হয়েছে। এছাড়া একই দিন বিকাল  ৬ ঘটিকার দিকে এসআই মোঃ মনজুরুল হাসান, এএসআই মাহাবুব হাসান ফোর্স এর সহায়তায় ২০ (বিশ) পিচ ইয়াবা সহ বুধহাটা এলাকাকার মাদক সম্রাট মোঃ সালাউদ্দিন সরদার (৩০), পিতা-মোঃ আবুল হোসেন সরদার, গ্রাম-বুধহাটাকে নিজ বাড়ীর পিছন থেকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে আশাশুনি থানার মামলা নং-১১(০৯)১৮ রুজু করা হয়েছে। পৃথক অভযানে এএসআই মোঃ কবির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স জিআর-২৫১/১০(আশাঃ) (ওয়ারেন্ট) এর আসামী মোঃ আছাদুল ইসলাম, পিতা-মৃত আঃ রহমান সানাকে গ্রেফতার করেন। এসআই মোঃ হাসানুজ্জামান, এসআই নয়ন কুমার চৌধুরী  সঙ্গীয় ফোর্সের অভিযানে আশাশুনি থানার নাশকতা মামলা নং-১৬(০৮)১৮ এর আসামী আলমগীর হোসেন পিন্টু (৫২), পিতা-মৃত আঃ খালেক সরদারকে রাত ১২টার দিকে তার নিজ বাড়ী হইতে গ্রেফতার করেন।  রবিবার পূর্বাহ্নে সকল আসামীকে চালান মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest
নলতায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের ১৬০ তম শাখা উদ্বোধন

তরিকুল ইসলাম লাভলু : সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা শরীফ সুপার মার্কেটের ২য় তলায় রবিবার সকাল ১১ টায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর ১৬০ তম নলতা শাখার উদ্বোধন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি নলতা পাক রওজা শরীফের শ্রদ্ধেয় খাদেম আলহাজ্জ মৌঃ আনছার উদ্দীন আহমদ অসুস্থ্যতার কারণে উপস্থিত না থাকায় তাঁর পাঠানো লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মিশন কর্মকর্তা মালেকুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ও ফিতা কেটে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক লিঃ এর ১৬০ তম নলতা শাখার উদ্বোধন করেন, ব্যাংকের পরিচালক আলহাজ্জ মোঃ হারুন-অর-রশিদ খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, নলতা কেন্দ্রীয় আহ্ছানিয়া মিশনের যুগ্ম-সম্পাদক আলহাজ্জ শিক্ষক মোঃ সাইদুর রহমান, নলতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও নলতা মোবারকনগর বাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্জ আনিছুজ্জামান খোকন, নলতা আহ্ছানিয়া মিশন রেসিডেন্সিয়াল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তোফায়েল আহমেদ, নলতা মোবারকনগর বাজার কামিটির সভাপতি মোঃ আব্দুস সোবহান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ব্যাংকের খুলনা জোনের প্রধান ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ মঞ্জুর হাসান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন, নলতা শাখা ব্যবস্থাপক সাব্বির আহম্মেদ। ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার মোঃ হাবীব উল্লাহ ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জালাল আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলোয়াত করেন, নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের পেশ ইমাম আলহাজ্জ হাফেজ মোঃ শামসুল হুদা। অনুষ্ঠানের শেষপ্রান্তে দোয়া পরিচালনা করেন, নলতা শরীফ শাহী জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্জ মাওঃ আবু সাইদ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নলতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তণ প্রধান শিক্ষক আলহাজ্জ মোঃ ইউনুস, নলতার ইডার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আকতার হোসেন, আলোর দিশার নির্বাহী পরিচালক মোঃ আব্দুল লতিফ, নলতা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আনছার আলী,বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, ব্যবসায়ীবৃন্দ ও সুধীবৃন্দ।

0 মন্তব্য
0 FacebookTwitterGoogle +Pinterest